মিলনতত্ত্ব Network

মিলনতত্ত্ব Network Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মিলনতত্ত্ব Network, Medical and health, Dhaka.

মিলনতত্ত্ব Network is a professional collaboration platform under MilonTotto, facilitating quality partnerships and promotions with selected brands, institutions, and communities.

আমাকে বলা হইল, যদি এই নিউজটা করি তাহলে একটা মাফিয়া চক্র আমার বড় ক্ষতি করতে পারে!আমি নাছোড়বান্দা হইলামদুই সপ্তাহ অফিস-অফি...
08/08/2026

আমাকে বলা হইল, যদি এই নিউজটা করি তাহলে একটা মাফিয়া চক্র আমার বড় ক্ষতি করতে পারে!

আমি নাছোড়বান্দা হইলাম

দুই সপ্তাহ অফিস-অফিসের বাইরে কাজ করলাম, অনেকের সাথে বসলাম

একটা দেশে প্রতি মাসে হাসপাতালে শত কোটি টাকার অক্সিজেন লাগে, পুরোটাই আনা হয় ২ বেসরকারি কোম্পানির কাছ থেকে!

অথচ ওই দেশের নিজেরই ১০০'র বেশি সরকারি অক্সিজেন প্ল্যান্ট আছে, যেগুলো চলে না! খোদ স্বাস্থ্যের অতিরিক্ত মহাপরিচালকও সেটা জানেন না!

আমারে চেম্বারে ডাকলেন, পাক্কা দুই ঘন্টা ৪০ মিনিট বসায়ে সব শুনলেন, কথা বললেন, দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন!

আমি সরকারি, বেসরকারি, জাতিসংঘের (স্বাস্থ্য সম্পর্কিত) কয়েকটা সংস্থার সাথে বসলাম। কারণ কেন্দ্রীয় ওষাধাগার তথ্য দিতে চায় না! স্বাস্থ্যে অধিদপ্তর অনেক কিছু জেনেও জানে না!

কিন্তু আমি কাজটা বের করব! কিভাবে জনগণের শত কোটি টাকা জলে যায়, সেটা দেখাবো। দেখালাম।

- Nayem Hasan

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজকে বলেই ফেলছে, "রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে না পারলে জাতিকে বাঁচানো সম্ভব না"!মির্জা ফখরুল ভাইও স্বীকা...
31/07/2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজকে বলেই ফেলছে, "রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে না পারলে জাতিকে বাঁচানো সম্ভব না"!

মির্জা ফখরুল ভাইও স্বীকার করছে , "এই ৪/৫ মাসে কিছুই বদলায়নি ঘুষখোর আগের মতই ঘুষ খাচ্ছে"!

আগের মতো না ফখরুল ভাই , পরিমাণ আরো বাড়ছে।
কথা হইলো ,আসল সমস্যাটা কোথায়?

দেশের দুর্বল আইন ব্যবস্থা। আইন আছে মাগার প্রয়োগ নাই।
এদেশটারে শেষ করছে ফা**ক সিস্টেম!

এদেশটারে নষ্ট করছে আমলাতন্ত্রের জটিলতা আর করাপ্টেড কিছু রাজনী*তিবিদরা।

ঘুষ খাইছে প্রমাণ হইলে আপনারা করেন বদলি!
আপনারা করেন সাময়িক বহিষ্কার!

সেই ঘুষখোর নতুন জায়গায় গিয়া আবারও ঘুষের সাম্রাজ্য গড়ে তুলে! সামরিক বহিষ্কার তো মামুলি ব্যাপার।

এইতো কয়দিন আগে চীনের এক ঘুষখোর নগর কর্মকর্তা 'ইয়াং ইউলিনকে' সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দিছে!

দুনিয়াতে এতো পানিশমেন্ট থাকতে মৃত্যুদণ্ড কেন দিলো?
কারণ তারা চায় ঘুষ বানিজ্যেকে টোটালি গলা টিপে হত্যা করতে।

এই দেশে ঘুষ বন্ধ করতে হইলে চাকরি নট করে দিতে হবে।
সাথে দুর্নীতির বরপুত্র দুই চারটারে মৃত্যুদণ্ড কনফার্ম করতে হবে।
এভাবে কয়েকটারে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দিয়া দেখেন,পরের দিন থেকে সবকয়টা করাপ্টেড ভয়ে আর ঘুষ খাবে না!

সাথে বাজারদরের চিন্তা মাথায় রেখে সুইটেবল একটা স্যালারিও দিতে হবে ,যেন উনারা বাঁচতে পারে।

আর হ্যাঁ আপনি যদি গ্রামে গ্রামে ,ঘরে ঘরে হাসপাতাল বানাইয়া দেন জাতিরে বাঁচানো সম্ভব না!

কারণ বাজারের প্রত্যেকটা জিনিস এক নাম্বার দুই নাম্বার আছে।
এক নাম্বারের দাম বেশি দুই নাম্বারের দাম কম।
এক নাম্বারটা ভালো দুই নাম্বারটা ভেজাল।

যদি জাতিরে বাঁচাতে চান মার্কেট থেকে দুই নাম্বার সব আউট করে দিতে হবে।

যারা দুই নাম্বার বানায় তাদের প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিতে হবে।
ঐ যে জনসন কোম্পানির মতো ৫.৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করতে হবে।

মাদক বন্ধ করতে হবে! মাদক বড় বড় সমস্যার জন্য দায়ি।
মাদক বন্ধ করা কঠিন কাজ না! সীমান্তে কঠোর হলেই সম্ভব।
দেশে যারা মাদক বিক্রি করে ,উৎপাদন করে তাদের বেলায়ও কঠোর আইন লাগবে।

আপনি দুর্নীতি বলেন, ঘুষ বলেন, ভেজাল বলেন!
সবকিছুর জন্যই কঠোর আইনের প্রয়োগ লাগবে।
বাজার থেকে দুই নাম্বার আউট করলেই হবে না!
এ জাতির জন্য পাবলিক হেল্থ লাগবে।

মানুষের ঘরে ঘরে গিয়া বুঝাইতে হবে এইটা খাওয়া যাবে না! ঐটা খাওয়া যাবে না।

এইটা করা যাবে না ঐটা করা যাবে না!
কাউন্সিল লাগবেই লাগবে! সেটা হোক মিডিয়ার মাধ্যমে।
কারণ এই জাতির মেক্মিমাম মানুষ নির্বোধ!

মূর্খতার কারণে তারা কিছুই জানে না!
আরেকটা জিনিস লাগবে! ইনকাম!
ব্যয় করার মতো ইনকাম!

তাহলে মানুষ দুই নাম্বার জিনিস কিনবে না!
এই যে আইন আছে বিচার নাই! দুদিন আগে এনসিপির ১৮ বছরের এক পুলারে ছাত্রদলের লোকেরা একটা চোখ নাই কইরা দিছে।

এ পর্যন্ত অর্ধ মার্ডার খুনিরে অ্যারেস্ট করে নাই।

আইনের প্রয়োগ থাকলে ক্রিমিনাল এখনও স্বাধীনভাবে ঘুরাফেরা করতো পারতো?

সাইকোপ্যাথদের কাছে প্রশংসা পাইতো?

পাইতো না তো! কেউ ক্রিমিনালের পক্ষে দাড়াইতো না।

যদি আগামী প্রজম্মকে বাঁচাতে চান আইনের শাসন কনফার্ম করেন!
অপরাধের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া চলবে না!!!

Anisur Rahman

সাল ২০২৩, ১৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশে প্রথম মেডিকেল ভিসায় চিকিৎসা নিতে আসেন ভুটানের কলেজছাত্রী কারমা দেমা। বয়স ২৩।নাক গহ্বরে ...
10/07/2026

সাল ২০২৩, ১৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশে প্রথম মেডিকেল ভিসায় চিকিৎসা নিতে আসেন ভুটানের কলেজছাত্রী কারমা দেমা। বয়স ২৩।

নাক গহ্বরে ক্যানসার নিয়ে প্রথমে ভারতের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে ক্যানসারমুক্ত হলেও রেডিওথেরাপির প্রভাবে নাকে পচন ধরে এবং নাক নষ্ট হয়ে যায়।

দুই দফা অপারেশন করেও নাক পুনর্গঠনে ব্যর্থ হয় টাটা মেমোরিয়াল। পরবর্তীতে বাংলাদেশে এসে ভর্তি হন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। আট ঘন্টার জটিল মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে কারমা দেমার নাকের পুনর্গঠন করা হয়। সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভিসায় সরকার স্বীকৃত কোনো বিদেশি রোগী বাংলাদেশে এটাই প্রথম।

জাতীয় বার্ন ইউনিট হাসপাতাল এই অস্ত্রোপচারের জন্য কোনো খরচ নেয়নি। মেয়েটি ভুটানে একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করতেন। খরচ বহন করা তার পক্ষে সম্ভবও ছিল না।

প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

যতটুকু তথ্যসূত্রে জেনেছি, উনি টাংগাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ তালায় মহিলা ওয়ার্ডের ১১ নং বেডে ১ সপ্তাহের দিন ধরে হাত ভ...
09/07/2026

যতটুকু তথ্যসূত্রে জেনেছি, উনি টাংগাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ তালায় মহিলা ওয়ার্ডের ১১ নং বেডে ১ সপ্তাহের দিন ধরে হাত ভা*ঙার সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়ে শুয়ে আছেন।

তথ্যসূত্রে এটাও জেনেছি, উনি পেশায় একজন হেল্পিং হ্যান্ড। অন্যের বাসায় কাজ করে যা ইনকাম করেছেন সেটা নিয়েই সদর হাসপাতালের চিকিৎসা চালাচ্ছেন।
স্বামী, সন্তান থাকতেও নাকি তার পাশে কেউ নেই। খাবার কিনে দেওয়ার লোক পর্যন্ত সাথে নেই।
মাঝে মাঝে হাতের ব্যাথার কা*ন্নার শব্দে পুরো ওয়ার্ড নিস্তব্ধ করে ফেলে।

তথ্যসূত্রে জানানো হয়েছে, যদি টাঙ্গাইলের কোনো সংগঠন বা মানবিক ফাউন্ডেশন যদি এই মহিলার বিষয়টা এক নজরে দেখতেন তাহলে মহিলার জন্যে উপকৃত হতেন।

(ফ্রম ইনবক্স)

ভাইরাল ভিডিওটা আমার চোখে পড়েছে। টাংগাইল পাসপোর্ট অফিসের এই কর্মকর্তা কি এখনো চাকরি করছেন? তাকে কি বরখাস্ত করে আইনের আওতা...
02/07/2026

ভাইরাল ভিডিওটা আমার চোখে পড়েছে। টাংগাইল পাসপোর্ট অফিসের এই কর্মকর্তা কি এখনো চাকরি করছেন? তাকে কি বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে? নাকি বাংলাদেশে দূর্নীতি কোন অন্যায় কাজ না?

যিনি পাসপোর্ট করবেন, তার এডুকেশনাল সার্টিফিকেট, এনআইডি সকল জায়গায় নাম Johora. কিন্তু কোথাও হয়ত বাংলায় এসেছে জহুরা। এখন এই পাসপোর্ট কর্মকর্তা টাকা খাবার জন্য বার বার বলছে

- ইংরেজিতে জহুরা করে নিয়ে আসেন।

ভাবা যায়? ইংরেজিতে সব জায়গায় Johora আছে। তিনি তো সেই নামেই পাসপোর্ট দিতে পারেন। এরপরও কেন ভিডিওতে বার বার বলছিলেন - ইংরেজিতে জহুরা করে নিয়ে আসেন?

অথচ টাকা দিলে নাম Johora কেন Kohora, Sohora যা ইচ্ছা করে দিবে। এরা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দিয়ে দিচ্ছে টাকার বিনিময়ে। কিন্ত বাংলাদেশের নাগরিকদের দিচ্ছে না। কারণ কী?

তিনি টাকা দেন নাই। এই পাসপোর্ট কর্মকর্তাকে শুধু বহিষ্কার নয়। একে শাস্তি দিতে হবে। দূর্নীতি করে বেগম পাড়া তো এরাই বানায়। সরকারি চাকরির পেছনে সবাই কি এমনি এমনি ঘুরে বেড়ায়? সিস্টেম!

©Aminul Islam

উনার চাকরি বহাল তবিয়তে থাকবে। উনিতো টাকা দিয়ে চাকরি কিনেছেন। বরং আমাদের নাগরিকত্ব থাকে/ আছে কিনা সেটা ভাবনার বিষয়।

ভালো সিদ্ধান্ত 💥
18/06/2026

ভালো সিদ্ধান্ত 💥

জীবনে প্রথমবারের মতো যোগ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখতে পেলাম 👑
13/06/2026

জীবনে প্রথমবারের মতো যোগ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখতে পেলাম 👑

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share