গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ, Pregnancy Care Center, Norshingdi, Dhaka.

✍🏾🤱🏾গর্ভকালীন সময় নিরাপদ প্রসব ও মাতৃসেবা সহ প্রয়োজনীয় সকল ডাক্তারি বিষয়ে পরামর্শ পেতে লাইক কমেন্ট করে পেজের সাথে থাকুন অথবা যে কোনো গর্ভবতী মায়ের প্রবলেমের জন্য ইনবক্স করুন🌺🍀

হ্যাপি প্রেগনেন্সি জার্নি ❤️🫶🏾🤱🏾

30/03/2025

✍🏾 গর্ভবতী অবস্থায় ঈদের ভ্রমণে জরুরী সতর্কতা

গাড়িতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সিটবেল্ট সঠিকভাবে বাঁধতে হবে। তবে সিটবেল্ট যেন পেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হব।
অতিরিক্ত ঝাঁকুনি লাগতে পারে, এমন যানবাহনে ভ্রমণ করা উচিত নয়।
ভ্রমণের সময় একাধিকবার বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে, বিষয়টি মাথায় রেখে যানবাহন নির্বাচন করতে হবে।
পর্যাপ্ত পানি ও পানীয় পান করতে হবে।
যাত্রা দীর্ঘ সময়ের হলে পুরো সময় বসে না থেকে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করা যেতে পারে।
ভ্রমণের সময় আরামদায়ক পোশাক পরতে হবে।
প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখতে হবে।
বালিশ, আরামদায়ক জুতা, পানির বোতল এসব নিয়ে যাওয়া জরুরি।
ভ্রমণে সম্ভব হলে পথে বিরতি নিন, তারপর আবার ভ্রমণ করুন। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টানা দুই ঘণ্টার বেশি ভ্রমণ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, সে কারণে দূরবর্তী স্থানে না যাওয়াই ভালো। এমনকি কোন পথে ভ্রমণ করছেন, সে পথ সম্পর্কে জানা জরুরি। এলোমেলো রাস্তা এবং ঘনঘন লেন পরিবর্তন করতে হয়, এমন রাস্তা এড়িয়ে চলুন। তা ছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলে না যাওয়া ভালো। কারণ, জরুরি অবস্থায় চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন হতে পারে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই ভ্রমণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

08/03/2025

✍🏾 প্রি-এক্লাম্পসিয়া (Pre-eclampsia)

প্রি-এক্লাম্পসিয়া হল একটি গর্ভকালীন জটিলতা, যা সাধারণত ২০ সপ্তাহের পর দেখা যায় এবং উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) ও বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতির লক্ষণ দ্বারা চিহ্নিত হয়। এটি সাধারণত কিডনি, লিভার এবং মস্তিষ্কের উপর প্রভাব ফেলে এবং যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে মা ও শিশুর জন্য মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

কারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কারণসমূহ:

প্রি-এক্লাম্পসিয়ার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে ধারণা করা হয় যে এটি গর্ভফুল (Placenta) এর অস্বাভাবিক গঠনের কারণে হতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলো হলো—

1.প্রথম গর্ভধারণ

2.আগে প্রি-এক্লাম্পসিয়ার ইতিহাস থাকলে

3.যমজ বা একাধিক সন্তানের গর্ভধারণ

4.উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের পূর্ববর্তী ইতিহাস

5.ডায়াবেটিস বা স্থূলতা (Obesity)

6.পরিবারে প্রি-এক্লাম্পসিয়ার ইতিহাস

7.বয়স ২০ বছরের নিচে বা ৪০ বছরের বেশি

#লক্ষণসমূহ:

1.উচ্চ রক্তচাপ (≥১৪০/৯০ mmHg)

2.প্রোটিনুরিয়া (প্রস্রাবে প্রোটিনের উপস্থিতি)

3.তীব্র মাথাব্যথা

4.দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া বা আলোতে সংবেদনশীলতা

5.হাত, মুখ বা পায়ে ফোলা (এডিমা)

6.পেটের ব্যথা (বিশেষ করে ডান দিকের উপরের অংশে)

7.বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া

8.শ্বাসকষ্ট

#জটিলতাসমূহ:

1.এক্লাম্পসিয়া (প্রি-এক্লাম্পসিয়ার কারণে খিঁচুনি)

2.HELLP সিনড্রোম (হিমোলাইসিস, লিভারের এনজাইম বৃদ্ধি, প্লাটিলেট কমে যাওয়া)

3.গর্ভফুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া (Placental abruption)

4.অকাল প্রসব বা শিশুর বৃদ্ধিতে বাধা

5.অঙ্গ বিকলতা (কিডনি, লিভার, মস্তিষ্ক বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা)

#প্রতিকার ও চিকিৎসা:

*হালকা ক্ষেত্রে:

1.রক্তচাপ নিয়মিত পরিমাপ করা

2.প্রস্রাবে প্রোটিন পরীক্ষা করা

3.নিয়মিত গর্ভকালীন চেকআপ করা

4.বিশ্রাম ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন

*গুরুতর ক্ষেত্রে:

1.হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পর্যবেক্ষণে থাকা

2.ওষুধ গ্রহণ (রক্তচাপ কমানোর ওষুধ, খিঁচুনি প্রতিরোধে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)

3.শিশুর জন্ম দেওয়া (গর্ভকাল অনুযায়ী ডাক্তার নির্ধারণ করবেন, কারণ একমাত্র স্থায়ী সমাধান হলো প্রসব করা)

প্রি-এক্লাম্পসিয়া দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত গর্ভকালীন চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

23/02/2025

✍🏾 নতুন হবু মায়েদের জন্য আপনার কি কি করবেন তার পরামর্শ শেয়ার করছি।
♥♥♥♥
প্রথমত আপনার পুষ্টির চাহিদা পূরণের চেষ্টা করবেন।
(১) প্রতিদিন কমপক্ষে 2.5 - 3 লিটার পানি পান করবেন ।
(২) প্রতিদিন ৫০০ গ্রাম গরুর দুধ ও একটি ডিম খাবেন।
(৩) নাস্তা হিসেবে ফলমূল খাবেন
(৪) ভাতের তুলনায় সব ধরনের সবজি বেশি করে খাবেন।

(৫) নিয়মিত চেকআপ করাবেন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলবেন আর ৫ মাস থেকে আয়রন, ক্যালশিয়াম এর ঔষধ গুলো অবশ্যই নিয়মিত খাবেন আর বাবু হওয়ার পরও অন্তত ১ মাস খাবেন ।

(৬) সবসময় বাম কাত হয়ে শোবেন।

(৭) সারাদিন শুয়ে বসে থাকবেন না। হাঁটাহাঁটি করবেন। সংসারের টুকটাক কাজ করবেন। আর যখনই দেখবেন শরীর দূর্বল লাগছে তখন এক গ্লাস পানি পান করে বাম কাত হয়ে শুয়ে পড়বেন। যদি দেখেন তাও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের কাছে যাবেন।

(৮) নরমাল ডেলিভারীর জন্য সবসময় মন স্থীর রাখবেন আর সাহস রাখবেন যে আগেকার দিনে তো সবারই নরমাল ডেলিভারী হতো। সবাই পারলে আপনিও পারবেন। ব্যাস এতটুকুই যথেষ্ট....

22/02/2025

আমার এই পেইজে সর্বোচ্চ কতজন এক্টিভ আছেন,
রিয়্যাক্ট দিয়ে রেসপন্স করুন।
আর ফ্রী থাকলে প্রশ্ন করুন। 🌸❤️
পেইজ : #গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ

22/02/2025

✍🏾 প্রেগনেন্সির জানা অজানা:
"প্রেগনেন্সির জানা অজানা" হেলথ সিরিজের আজকের আলোচনার বিষয় হলো প্রেগনেন্সির আট সপ্তাহে ভ্রুনের বৃদ্ধি, মায়ের শরীরের পরিবর্তন এবং আল্ট্রাসনোগ্রামের প্রয়োজনীয়তা:
👉ভ্রুনের পরিবর্তন :

প্রেগনেন্সির আট সপ্তাহে ভ্রুনটিখুব দ্রুত বেড়ে ওঠে।
দৈর্ঘ্য : ১৬মিমি-২২মিমি
এই সময়ে ভ্রুণের চোখ, নাক ও ঠোঁটের আকৃতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কানের বাইরের অংশের গঠন তৈরি হতে শুরু করে।
হাত পায়ের আকৃতি লাভ করতে শুরু করে।

🔺মায়ের শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তন :
মর্নিং সিকনেস, বমি ভাব মাথা ঘোরা সহ এই সময়ের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছে :মুখে অত্যধিক লালা নিঃসরণ,আপনার পছন্দের খাবারগুলোতে অনীহা।এমন কি গন্ধপ্রবণতা --কোন খাবারের গন্ধ, মসলার গন্ধ, এমন কি পছন্দের গন্ধ এই সময়ে আপনার বিরক্তির উদ্রেক ঘটাবে। অনেক সময় আপনার সঙ্গীর গন্ধ ও সহ্য করতে পারবেন না।
🔺আল্ট্রাসনোগ্রাম এর গুরুত্ব :
এ সময় আল্ট্রাসনোগ্রাম যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে থাকে :
👉জরায়ুতে গর্ভ থলি ও ভ্রুনের যথাযথ অবস্থান।
👉ভ্রূণের সংখ্যা
👉হার্ট বিটের উপস্থিতি
👉গর্ভাবস্থার বয়স
👉EDD

22/02/2025

✍🏾 ‘শিশুর হাসিতে মায়ের খুশি’। আর এই হাসি দেখতে হলে মাকে গর্ভকাল থেকেই থাকতে হবে হাসিখুশি ও দুশ্চিন্তামুক্ত।

** গর্ভবতী মায়ের নিজের প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর জন্য বাড়তি খাদ্যের প্রয়োজন হয়। তাই গর্ভবতী মায়েদের প্রতিদিন ভাত, মাছ (মলা, ঢেলা ইত্যাদি ছোট মাছ), সম্ভব হলে মাংস, ডিম, দুধ এবং ঘন ডাল, সিমের বিচি প্রভৃতি খেতে হবে।

** এছাড়া গাঢ় সবুজ ও হলুদ রঙের শাকসবজি ও তাজা ফলমূল, বিশেষত পাকা আম, পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা, আনারস, কচুশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, লালশাক, গাজর, টমেটো, মিষ্টি কুমড়া এসব ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া উচিত। কারণ ভিটামিন ‘এ’ শরীরে আয়রন (লৌহ) ব্যবহারে সাহায্য করে।

** আমলকি, পেয়ারা, বাতাবিলেবু, কামরাঙা, পাতি লেবু, কাগজী লেবু, কুল ইত্যাদি খেলে সহজেই ভিটামিন ‘সি’-র অভাব পূরণ হবে। শরীরে আয়রন (লৌহ) শোষিত হওয়ার জন্য ভিটামিন ‘সি’ অত্যন্ত জরুরি।

#গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ🤱🏾

22/02/2025

✍🏾 গর্ভধারণ প্রতিটি মেয়ের জীবনের সব থেকে আনন্দঘন মুহূর্ত হলেও একজন নারীকে গর্ভধারণ থেকে শুরু করে বাচ্চা প্রসব পর্যন্ত অনেক ধরনের জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়! যেমন অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তক্ষরণ, রক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত রক্তচাপ, জরায়ু ইনফেকশন, প্রিম্যাচিউর শিশু ইত্যাদি এমনকি প্রসক্রিপশন থেকে শুরু করে যে কোন সমস্যা জন্য আমার পেজের সাথে থাকুন, বা আমাকে ইনবক্স করুন।🥰❤️

ধন্যবাদ🌺🍀

22/02/2025

✍🏾 কীভাবে বুঝবেন আপনার সত্যিকারের লেবার পেইন (True labour pain) শুরু হয়েছে?

সত্যিকারের লেবার পেইন সাধারণত ৩৭-৪২ সপ্তাহের মধ্যে শুরু হয়। এই ধরনের পেইনে, সংকোচন প্রায় ৩০ থেকে ৭০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় এবং প্রায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ব্যবধানে আসে। সংকোচনের ব্যথা এত শক্তিশালী হয়ে থাকে যে, আপনি চাইলেও ঐ সময় হাঁটতে বা কথা বলতে পারবেন না। এই সংকোচন (contraction) সময়ের সাথে সাথে শক্তিশালী এবং সময়ের ব্যবধান কমতে থাকে।
আপনি আপনার পেট এবং পিঠের নীচের (কোমড়ের) দিকে ব্যথা অনুভব করবেন। নড়াচড়া করলে বা অবস্থান পরিবর্তন করলেও এই ব্যথা দূর হবে না। এই সময়ে ভ্যাজাইনাল স্রাব বৃদ্ধি পাবে যা পরিষ্কার, গোলাপী বা সামান্য রক্তমেশানো (বাদামী বা লালচে) হতে পারে। একে রক্তাক্ত (bloody show) শো বলা হয়,

22/02/2025

✍🏾 “নরমাল ডেলিভেরি” নাকি “সিজার ডেলিভেরি”।

আজকাল অনেকেই সিজার ডেলিভেরির কথা বলে থাকলেও দরকার বা প্রয়োজন ছাড়া সিজার ডেলিভেরি না করাই ভালো। তবে কিছু পরিস্থিতি চলে আসে যখন মা নরমাল ডেলিভেরি এর প্রেশার টা নিতে পারে না তখন সিজারে যেতেই হয়। চলুন দেখে নেই এমন ১০ টি পরিস্থিতি যখন সিজার করাটা খুব ই জরুরী

১। গর্ভস্থ শিশুর মাথার আয়তন যদি প্রসব রাস্তার চেয়ে বড় হয় তখন সিজার করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। কারন যদি এই মুহূর্তে আপনি সিজার না করান তাহলে মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই ৯ মাসের সময় বাচ্চার মাথার সাইজ বা ডক্টরের সাথে কথা বলে নিন যে সিজারের দরকার হবে কিনা।

২। গর্ভবতী মায়ের প্রসবের রাস্তায় যদি কোন টিউমার থাকে তাহলে সিজার করানো সব চেয়ে ভালো না হলে মায়ের অনেক কষ্ট হতে পারে এমন খুব বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

৩।অতীতে জরায়ু মুখে বা প্রসব রাস্তায় কোন সমস্যা হলে সিজার করা সব চেয়ে ভালো।

৪। যদি গর্ভবতী মা স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল হয়ে থাকেন অথবা তিনি শারীরিক ভাবে একটু দুর্বল থাকেন তাহলে নরমাল ডেলিভেরি তে না যাওয়া ভালো। কারন বাচ্চা প্রসবের সময় যে ব্যথা বা যন্ত্রণা হবে সেটা সহ্য করার শক্তি যদি না থাকে তাহলে সিজা করিয়ে নেয়াই খুব ভালো হবে। এই জন্য আগে থেকে ডক্টরের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে।

৫। শিশু যদি মায়ের পেটে সঠিক অবস্থানে না থাকে তখন অবশ্যই সিজার করতে হবে। এটা আল্ট্রাসনগ্রাম করে আগেই জেনে নিতে হবে বাচ্চার অবস্থান। যদি বাচ্চা সঠিক অবস্থানে না থাকে তাহলে আগে থেকেই ধরে নিতে হবে যে সিজার করতে হবে।

৬। যদি কখনো দেখেন যে নাভি রজ্জু যেটা কে আম্বিলিক্যাল কর্ড বলে, যদি প্রসব পথে বেড়িয়ে আসে তাহলে অবশ্যই সিজার করাবনে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই বলে থাকে, বিশেষ করে অনভিজ্ঞ ডক্টর রা , যে নরমাল ডেলিভেরি করা যায় কিন্তু এই সময় ভুলেও এই কাজ করবেন না, অবশ্যই সিজার করাবেন।

৭। গর্ভবতী মায়ের যদি হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়বেটিকস থাকে তাহলে আগে থেকেই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন যে আপনাকে সিজার করাতে হবে। কারন এই ধরনের মায়েদের সিজার করানো দরকার সবার আগের।
৮। প্রসবের আগে কোন কারনের যদি দেখেন মায়ের প্রসব রাস্তা দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে তাহলে সিজার করানো খুব দরকার। কারন মনে রাখবেন কোন রকমের ঝুকি ই কেউ নিতে চাইবে না যখন কোন কিছু অস্বাভাবিক হবে।

৯। ৬ থেকে ১৪ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছেন কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে বাচ্চা হচ্ছে না তার মানে কোন একটা সমস্যা হচ্ছে যার কারনের স্বাভাবিক পথে বাচ্চা হচ্ছে না। তাই এই সময় টাতে আপনারা কেউ দেরি করবেন না সিজার করিয়ে ফেলবেন যদি ডক্টর আপনাদের কে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

গর্ভাবস্থার প্রতিটা মুহূর্ত একজন মা ও তার পরিবারের জন্য খুব ই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের নেয়া প্রতিটা সিদ্ধান্ত একজন সুস্থ মা ও তার অনাগত সন্তানের জীবনের ভিত্তি। তাই এই সময় টাতে ডক্টরের কথা খুব ভালো করে মেনে চলবেন। মনে রাখবেন নরমাল ডেলিভেরি সবার কাম্য কিন্তু কিছু কিছু পরিস্থিতিতে নরমাল ডেলিভেরি জীবনের জন্য অনেক ঝুকির কারন হয়ে থাকে। তাই সব কিছুর দিকে ভালো ভাবে খেয়াল করুন।

22/02/2025

✍🏾 বেবির নড়াচড়া (Fetal movements)

আপনার গর্ভধারণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহুর্তগুলির মধ্যে সবচেয়ে আনন্দদায়ক মূহুর্তটি হল যখন আপনার বেবির নড়াচড়া আপনি প্রথম বুঝতে পারেন। আপনার বাচ্চার নড়াচড়ার এই অনুভূতি আপনাকে আশ্বস্ত করে যে আপনার শিশুটি আপনার মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশ করছে। এই অনুভূতি আপনাকে আপনার বেবির খুব কাছে নিতে সাহায্য করে।

সাধারণত গর্ভাবস্থার ১৬ এবং ২৫ সপ্তাহের মধ্যে আপনার গর্ভস্থ বেবির প্রথম নড়াচড়া অনুভব করতে পারবেন। এটি যদি আপনার প্রথম গর্ভাবস্থা হয় তবে আপনি ২৫ সপ্তাহের কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত আপনার শিশুর নড়াচড়া অনুভব নাও করতে পারেন। পরবর্তী গর্ভাবস্থায় আপনাদের কেউ কেউ ১৩ সপ্তাহের প্রথম দিকে নড়াচড়া বুঝতে শুরু করতে পারেন। আমাদের জরিপের তথ্য অনুযায়ী এ দেশের গর্ভবতী মায়েদের প্রায় ৭৫% তাদের বেবির প্রথম নড়াচড়া বুঝতে পারেন ১৬-২০ সপ্তাহে।

এই নড়াচড়া কিন্তু সব সময় এক রকম থাকে না। কারণ বেবি কখনো ঘুমিয়ে থাকে কখনো জেগে থাকে, তাই কখনো কখনো দীর্ঘক্ষন নড়াচড়া নাও বুঝতে পারেন আবার কখনো কখনো অনেক বেশি নড়াচড়া করবে। সাধারণত রাত্র ৯ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বেবি বেশি সক্রিয় থাকে।

আপনার বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনার জরায়ুতে ঘোরাফেরা করার মতো জায়গাও কমতে থাকে, তাই ৩২ সপ্তাহের পর আপনি আপনার বেবির নড়াচড়া কম অনুভব করতে পারেন।

Address

Norshingdi
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share