19/05/2026
নিজেদের কাগজের কল বন্ধ রেখে ভারত-ইন্দোনেশিয়া থেকে বছরে ১১,৫০০ কোটি টাকার কাগজ আনছে সিন্ডিকেট! 📚🇧🇩
আমাদের দেশের সংবাদপত্র এবং বই-খাতার কাগজের সিংহভাগ চাহিদা একাই মেটাতো খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল (বার্ষিক উৎপাদন ৫০ হাজার টন)। কিন্তু লোকসান আর তেলের দামের ভুয়া অজুহাত দিয়ে ২০০২ সালে এই মেগা ফ্যাক্টরিটি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়!
কেন আমাদের কাগজের কল বন্ধ করা হলো?
✅ আমদানি সিন্ডিকেট: দেশীয় কল বন্ধ থাকলেই তো বিদেশ থেকে কাগজ এনে কমিশন খাওয়া যাবে! বর্তমানে বছরে প্রায় ৯৬৮ মিলিয়ন ডলার (১১,৫০০ কোটি টাকা) খরচ করে ভারত, ইন্দোনেশিয়া থেকে কাগজ আনা হচ্ছে।
✅ হুন্ডিতে মেগা পাচার: অভিযোগ আছে, কাগজ আমদানির আড়ালে কম মূল্য দেখিয়ে (Under-invoicing) কোটি কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা!
✅ অতিরিক্ত ৪ হাজার কোটির অপচয়: সিন্ডিকেটের এই আমদানি বাণিজ্যের কারণে প্রতি বছর দেশের অন্তত ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা স্রেফ অপচয় হচ্ছে, যার পুরো চাপ পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে (বই-খাতার দাম বৃদ্ধি)।
অথচ আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন বসালে সুন্দরবনের কাঠ ছাড়াই—বাঁশ, আখের ছোবড়া (বাগাস) এবং বর্জ্য কাগজ (Recycled Paper) দিয়ে দেশেই চমৎকার কাগজ বানানো সম্ভব! এতে খুলনার খালিশপুরে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
আপনার মতে, এই আমদানি সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকারের কি অবিলম্বে আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ কলগুলো পুনরায় চালু করা উচিত?