Prof Dr Md Abu Saleh Alamgir - Islami Bank Hospital, Motijheel, Dhaka

Prof Dr Md Abu Saleh Alamgir -  Islami Bank Hospital, Motijheel, Dhaka Prof. Dr. Md. Abu Saleh Alamgir. BPT, MD, MPH, MDMR, PhD.

Back-Pain & Spine-Care with Chiropractor, Public Health & Nutrition with Diet Counselling, Disability & Rehabilitation with Physical Fitness Specialist Senior Physiotherapy Medicine Consultant.

পি এল আই ডি ও লাম্বাগো সায়াটিকা  জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা রোগীর নামঃ-  ডাঃ মোঃ আমির হোসেনরোগীর বয়সঃ- ৬০+ বছররোগীর বাসস্থ...
22/06/2026

পি এল আই ডি ও লাম্বাগো সায়াটিকা জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা

রোগীর নামঃ- ডাঃ মোঃ আমির হোসেন
রোগীর বয়সঃ- ৬০+ বছর
রোগীর বাসস্থান- ঢাকার নয়াপল্টন এলাকা হতে এসেছেন
রোগীর পেশাঃ রোগী পেশায় একজন চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ
সরকারের দায়ীত্বপ্রাপ্ত একজন সচীব
রোগের নামঃ- পি এল আই ডি জনিত কোমড় ব্যথা এবং লাম্বাগো
সায়াটিকা জনিত ব্যথা উইথ রেডিকিউলোপ্যাথি টু লিম্ব
রোগীর পেশাঃ বাংলাদেশ সচীবালয়ের দায়ীত্বপ্রাপ্ত একজন সচীব
রোগের সময়কালঃ প্রায় তিন বছর যাবৎ কোমড় ব্যথায় ভুগছেন
রোগের বর্ননাঃ- রোগীর সমস্যা গুলো হচ্ছে
* কোমড়ে মোটামুটি ব্যথা হচ্ছে, কোমড় সোজা করে দাড়াতে পারছেন না
* ব্যথা কোমড় হতে পায়ের দিকে নেমে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে কুচকিতে ও পিঠের দিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে পাছায়, পায়ের গোড়ালীতে ও পাতায় যাচ্ছে
* পায়ে ঝি ঝি করে, অবশ অবশ লাগে, জ্বালা পোড়া করে
* বেশীক্ষন বসা, দাড়ানো ও হাটার সময় সমস্যা হয়
* পা ওজন, ভারী ও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং পায়ে জ্বালা পোড়া করে
* রাতের বেলা শোবার সময় পা সোজা করে শোয়া যায় না
* পায়ের রগে সব সময় টান লেগে থাকে
* ব্যথার জন্য রোগীর কোমড় লক হয়ে গিয়েছে
* রোগী সোজা হয়ে হাটতে পারছেন না
* রোগীর কোমড় টাইট করে বসে, দাড়ায় এবং হাটে

ইনভেস্টিগেশনঃ- এম আর আই এবং এক্সরে হতে দেখা গিয়েছে
* ডিস্ক প্রলাপ্স হয়েছে কোমড়ের L4 - L5 & L5 - S1 লেভেলে
* বোথ এস আই জয়েন্টে ডিজেনারেটিভ চেন্জ এসেছে
* স্পাইনে পোশ্চারালপ্রেবলেম আছে
* ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ আছে
* স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনোসিস আছে
* নার্ভ রুট কমপ্রেশন আছে
* স্পাইন বা মেরুদন্ডে মাসেল স্পাজম আছে

চিকিৎসাঃ-সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্মরুপ
* কনসালটেন্সি সেবা

* ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা

# মেডিকেশন ম্যানেজমেন্ট -মেডিসিনের এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট - মেশিনারীজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# ম্যানুয়াল থেরাপি - বিভিন্ন প্রকার এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা
# মেনশনেড এ্যাসিসটিভ ডিভাইছ - সহকারী উপকরন এর চিকিৎসা
# ম্যানডেটরি এ্যাডভাইছ - উপদেশ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা

* অকুপেশনালথেরাপি চিকিৎসা

# মিনিমাইজ ফিজিক্যাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স ফিজিক্যল মুভমেন্ট
# মিনিমাইজ মেন্টাল ডিপ্রেশন এন্ড এনহেন্স টু রিলিজ মেন্টাল
ডিপ্রেশন এন্ড সাইকোলজিক্যাল ইমপ্রভমেন্ট
# মিনিমাইজ সোশাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স সোশাল একটিভিটি
# ইমপ্রুভ ফাংশনাল একটিভিটি এন্ড এ ডি এল বা দৈনন্দিন কাজ
# ইমপ্রুভ ডেভেলপমেন্টাল একডিভিটি বা শারিরীক উন্নতি
# ইমপ্রুভ কমমিউনিকেশন একটিভিটি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা
# ইমপ্রুভ সেনছরি এন্ড মটর ফাংশন বা মারিরীক কাজ কর্ম
# ইমপ্রুভ বিহেভিয়ারাল একটিভিটি বা আচরনগত উন্নতি

* এ্যাউয়ারনেস এন্ড কাউন্সেলিং অব ডিজিজ
রোগ সম্পর্কে রোগীকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা এবং ভয় না পাওয়া বা সাহসিকতার সাথে সঠিক ও সমলোপযোগী চিকিৎসা সেবা নেয়।

* ইন্টার - ভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট চিকিৎসা

* রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা সেবা

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি
কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডিপার্টমেন্ট
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল মতিঝিল ঢাকা

অস্টিও-আর্থ্রাইটিজ ও অস্টিও-পোরোসিস  জনিত  হাঁটুর  ব্যথার চিকিৎসা # রোগীর নামঃ- প্রফেসর ডাঃ এম এ মান্নান # রোগীর বয়সঃ- ৭...
21/06/2026

অস্টিও-আর্থ্রাইটিজ ও অস্টিও-পোরোসিস জনিত হাঁটুর ব্যথার চিকিৎসা

# রোগীর নামঃ- প্রফেসর ডাঃ এম এ মান্নান
# রোগীর বয়সঃ- ৭০+ বছর
# রোগীর বাসস্থানঃ- ঢাকা জেলার শান্তিনগর এলাকা হতে এসেছেন
# রোগের নামঃ- অস্টিও-আর্থ্রাইটিজ ও অস্টিও - পোরোসিস জনিত ব্যথা
# রোগীর পেশাঃ আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ এন্ড
হাসপাতালের সিনিয়র অধ্যাপক
# রোগের সময়কালঃ প্রায় দুই বছর যাবৎ হাঁটুর ব্যথায় ভুগছেন
# রোগের বর্ননাঃ- রোগীর সমস্যা গুলো হচ্ছে

* হাটুতে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে, হাটু সোজা করে দাড়াতে পারছেন না
* হাটুর ব্যথা হাটু হতে পায়ের দিকে নেমে যাচ্ছে
* ব্যথা হাটু হতে রানে ও পায়ের দিকে যাচ্ছে
* হাটু পুরোপুরি ভাজ করে বসতে পারেন না
* বেশীক্ষন বসা, দাড়ানো ও হাটার সময় সমস্যা হয়
* পা ওজন, ভারী ও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে
* রাতের বেলা শোবার সময় পা সোজা করে শোয়া যায় না
* পায়ের রগে সব সময় টান লেগে থাকে
* ব্যথার জন্য রোগীর পা একদিকে বাকা হয়ে গিয়েছে
* রোগী সোজা হয়ে হাটতে ও বসতে পারছেন না
* রোগী পা এক দিকে বাকা করে বসে, দাড়ায় এবং হাটে

ইনভেস্টিগেশনঃ- এম আর আই এবং এক্সরে হতে দেখা গিয়েছে

* হাটুতে সাইনোভিয়াল ফ্লয়িড শুকিয়ে গেছে
* হাটুর হাড়ে হাড় ক্ষয় হয়ে গিয়েছে
* হাটুতে নতুন নতুন হাড় তৈরি হচ্ছে
* হাটুর ভিতর স্পেস কমে গিয়েছে
* হাটু ফুলে গিয়েছে এবং ওজন হয়ে গিয়েছে
* হাটু ভাজ করে সিড়ি দিয়ে উঠা নামা করতে পারছেন না
* হাটু ভাজ করে বসতে পারছেন না
* মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন

চিকিৎসাঃ-সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্মরুপঃ-
* মেডিকেল কনসালটেন্সি সেবা

* ফিজিওথেরাপি মেডিসিন এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন (পি এম আর) চিকিৎসা
৥ মেডিকেশন ম্যানেজমেন্ট -মেডিসিন এর মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা সেবা
৥ মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট - ফিজিওথেরাপি মেশিনারীজ এর মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা সেবা
৥ ম্যানুয়াল থেরাপি - বিভিন্ন প্রকার থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা
৥ মেনশনেড এ্যাসিসটিভ ডিভাইছ - সহকারী উপকরন এর মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা সেবা
৥ ম্যানডেটরি এ্যাডভাইছ – বিভিন্ন প্রকার রোগ ভিত্তিক উপদেশ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা

* অকুপেশনালথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন (ওটি আর) চিকিৎসা
৥ মিনিমাইজ ফিজিক্যাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স ফিজিক্যল মুভমেন্ট
৥ মিনিমাইজ মেন্টাল ডিপ্রেশন এন্ড এনহেন্স টু মেন্টাল এনকারএজ টু
রিডিউজ ডিপ্রেশন এন্ড সাইকোলজিক্যাল ইমপ্রভমেন্ট
৥ মিনিমাইজ সোশাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স সোশাল একটিভিটি
৥ ইমপ্রুভ ফাংশনাল একটিভিটি এন্ড এ ডি এল বা দৈনন্দিন কাজ
৥ ইমপ্রুভ ডেভেলপমেন্টাল একডিভিটি বা শারিরীক উন্নতি
৥ ইমপ্রুভ কমমিউনিকেশন একটিভিটি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা
৥ ইমপ্রুভ সেনছরি এন্ড মটর ফাংশন বা শারিরীক কাজ কর্ম
৥ ইমপ্রুভ বিহেভিয়ারাল একটিভিটি বা আচরনগত উন্নতির

* এ্যাউয়ারনেস এন্ড কাউন্সেলিং অব ডিজিজ
রোগ সম্পর্কে রোগীকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা এবং ভয় না পাওয়া বা সাহসিকতার সাথে সঠিক ও সময়োপোযোগী চিকিৎসা সেবা নেয়।

* ইন্টারভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট চিকিৎসা

* রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা সেবাঃ- পি আর পি, রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা সেবা

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি
ব্যাক-পেইন এন্ড স্পাইন কেয়ার, পাবলিক হেল্থ এন্ড নিউট্রিশন,
ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন এন্ড ফিজিক্যাল ফিটনেস বিশেষজ্ঞ
সিনিয়র ফিজিওথেরাপি মেডিসিন এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন কনসালটেন্ট

মোবাইলঃ ০১৬ ৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭ ৩৮৩৯৪৩০৯

হোয়াট্স এ্যাপঃ০১৩ ১৬১৭৪৩৭১

পি সি আই ডি এবং সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস জনিত ঘাড়ের ব্যথার চিকিৎসা রোগীর নামঃ-  প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল ইসলামরোগীর বয়সঃ- ৬৮...
17/06/2026

পি সি আই ডি এবং সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস জনিত ঘাড়ের ব্যথার চিকিৎসা

রোগীর নামঃ- প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল ইসলাম
রোগীর বয়সঃ- ৬৮+ বছর
জেলাঃ- ঢাকা জেলার বেইলি রোড হতে এসেছেন
রোগের নামঃ- পি সি আই ডি জনিত ঘাড়ের ব্যথা এবং সার্ভাইক্যাল
স্পনডাইলোসিস জনিত ব্যথা উইথ রেডিকিউলোপ্যাথি টু লিম্ব
রোগীর পেশাঃ ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজি এন্ড
হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক
রোগের সময়কালঃ প্রায় এক বছর যাবৎ ঘাড়ের ব্যথায় ভুগছেন
রোগের বর্ননাঃ- রোগীর সমস্যা গুলো হচ্ছে
* ঘাড়ে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে, ঘাড় সোজা করে দাড়াতে পারছেন না
* ব্যথা ঘাড়ে হতে হাতের দিকে নেমে যাচ্ছে
* ব্যথা ঘাড় হতে মাথা ও হাতে এবং পিঠের দিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে
* ব্যথা ঘাড় হতে কাধে, মাথায় ও হাতে যাচ্ছে
* হাতে ঝি ঝি করে, অবশ অবশ লাগে, জ্বালা পোড়া করে
* বেশীক্ষন বসা, দাড়ানো ও হাটার সময় সমস্যা হয়
* হাত ওজন, ভারী ও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং হাতে জ্বালা পোড়া করে
* রাতের বেলা শোবার সময় হাত সোজা করে শোয়া যায় না
* হাতের রগে সব সময় টান লেগে থাকে
* ব্যথার জন্য রোগীর ঘাড় একপাশে বাকা হয়ে গিয়েছে
* রোগী সোজা হয়ে হাটতে ও বসতে পারছেন না
* রোগীর ঘাড় এক দিকে বাকা করে বসে, দাড়ায় এবং হাটে

ইনভেস্টিগেশনঃ- এম আর আই এবং এক্সরে হতে দেখা গিয়েছে
* ডিস্ক প্রলাপ্স হয়েছে কোমড়ের C5 - C6 & C6 - C7 লেভেলে
* পি সি আই ডি এর কারনে ‍স্পাইন রাইট সাইডে বাকা হয়ে গিয়েছে
* স্পাইনে পোশ্চারালপ্রেবলেম আছে
* ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ আছে
* স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনোসিস আছে
* নার্ভ রুট কমপ্রেশন আছে
* স্পাইন বা মেরুদন্ডে মাসেল স্পাজম আছে

চিকিৎসাঃ-সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্মরুপ

* কনসালটেন্সি সেবা

* ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা

# মেডিকেশন ম্যানেজমেন্ট -মেডিসিনের এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট - মেশিনারীজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# ম্যানুয়াল থেরাপি - বিভিন্ন প্রকার এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা
# মেনশনেড এ্যাসিসটিভ ডিভাইছ - সহকারী উপকরন এর চিকিৎসা
# ম্যানডেটরি এ্যাডভাইছ - উপদেশ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা

* অকুপেশনালথেরাপি চিকিৎসা
# মিনিমাইজ ফিজিক্যাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স ফিজিক্যল মুভমেন্ট
# মিনিমাইজ মেন্টাল ডিপ্রেশন এন্ড এনহেন্স টু রিলিজ মেন্টাল
ডিপ্রেশন এন্ড সাইকোলজিক্যাল ইমপ্রভমেন্ট
# মিনিমাইজ সোশাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স সোশাল একটিভিটি
# ইমপ্রুভ ফাংশনাল একটিভিটি এন্ড এ ডি এল বা দৈনন্দিন কাজ
# ইমপ্রুভ ডেভেলপমেন্টাল একডিভিটি বা শারিরীক উন্নতি
# ইমপ্রুভ কমমিউনিকেশন একটিভিটি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা
# ইমপ্রুভ সেনছরি এন্ড মটর ফাংশন বা মারিরীক কাজ কর্ম
# ইমপ্রুভ বিহেভিয়ারাল একটিভিটি বা আচরনগত উন্নতি

* এ্যাউয়ারনেস এন্ড কাউন্সেলিং অব ডিজিজ
রোগ সম্পর্কে রোগীকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা এবং ভয় না পাওয়া বা সাহসিকতার সাথে সঠিক ও সমলোপযোগী চিকিৎসা সেবা নেয়।

* ইন্টারভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট চিকিৎসা

* রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা সেবা

পি এল আই ডি ও লাম্বাগো সায়াটিকা  জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা রোগীর নামঃ-  প্রফেসর ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলামরোগীর বয়সঃ- ৫৮ বছরজেল...
17/06/2026

পি এল আই ডি ও লাম্বাগো সায়াটিকা জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা

রোগীর নামঃ- প্রফেসর ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম
রোগীর বয়সঃ- ৫৮ বছর
জেলাঃ- ঢাকা জেলার বেইলি রোড হতে এসেছেন
রোগের নামঃ- পি এল আই ডি জনিত কোমড় ব্যথা এবং লাম্বাগো
সায়াটিকা জনিত ব্যথা উইথ রেডিকিউলোপ্যাথি টু লিম্ব
রোগীর পেশাঃ ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং অধ্যাপক
রোগের সময়কালঃ প্রায় এক বছর যাবৎ কোমড় ব্যথায় ভুগছেন

রোগের বর্ননাঃ- রোগীর সমস্যা গুলো হচ্ছে

* কোমড়ে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে, কোমড় সোজা করে দাড়াতে পারছেন না
* ব্যথা কোমড় হতে পায়ের দিকে নেমে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে তলপেটে, কুচকিতে ও পিঠের দিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে পাছায়, রানে, পায়ের গোড়ালীতে ও পাতায় যাচ্ছে
* পায়ে ঝি ঝি করে, অবশ অবশ লাগে, জ্বালা পোড়া করে
* বেশীক্ষন বসা, দাড়ানো ও হাটার সময় সমস্যা হয়
* পা ওজন, ভারী ও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং পায়ে জ্বালা পোড়া করে
* রাতের বেলা শোবার সময় পা সোজা করে শোয়া যায় না
* পায়ের রগে সব সময় টান লেগে থাকে
* ব্যথার জন্য রোগীর কোমড় একপাশে বাকা হয়ে গিয়েছে
* রোগী সোজা হয়ে হাটতে পারছেন না
* রোগীর কোমড় এক দিকে বাকা করে বসে, দাড়ায় এবং হাটে

ইনভেস্টিগেশনঃ- এম আর আই এবং এক্সরে হতে দেখা গিয়েছে

* ডিস্ক প্রলাপ্স হয়েছে কোমড়ের L4 - L5 & L5 - S1 লেভেলে
* পি এল আই ডি এর কারনে ‍স্পাইন রাইট সাইডে বাকা হয়ে গিয়েছে
* স্পাইনে পোশ্চারালপ্রেবলেম আছে
* ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ আছে
* স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনোসিস আছে
* নার্ভ রুট কমপ্রেশন আছে
* স্পাইন বা মেরুদন্ডে মাসেল স্পাজম আছে

চিকিৎসাঃ-সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্মরুপ

* কনসালটেন্সি সেবা

* ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা

# মেডিকেশন ম্যানেজমেন্ট -মেডিসিনের এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট - মেশিনারীজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা
# ম্যানুয়াল থেরাপি - বিভিন্ন প্রকার এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে চিকিৎসা
# মেনশনেড এ্যাসিসটিভ ডিভাইছ - সহকারী উপকরন এর চিকিৎসা
# ম্যানডেটরি এ্যাডভাইছ - উপদেশ এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা

* অকুপেশনালথেরাপি চিকিৎসা

# মিনিমাইজ ফিজিক্যাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স ফিজিক্যল মুভমেন্ট
# মিনিমাইজ মেন্টাল ডিপ্রেশন এন্ড এনহেন্স টু রিলিজ মেন্টাল
ডিপ্রেশন এন্ড সাইকোলজিক্যাল ইমপ্রভমেন্ট
# মিনিমাইজ সোশাল লিমিটেশন এন্ড এনহেন্স সোশাল একটিভিটি

# ইমপ্রুভ ফাংশনাল একটিভিটি এন্ড এ ডি এল বা দৈনন্দিন কাজ
# ইমপ্রুভ ডেভেলপমেন্টাল একডিভিটি বা শারিরীক উন্নতি
# ইমপ্রুভ কমমিউনিকেশন একটিভিটি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা
# ইমপ্রুভ সেনছরি এন্ড মটর ফাংশন বা মারিরীক কাজ কর্ম
# ইমপ্রুভ বিহেভিয়ারাল একটিভিটি বা আচরনগত উন্নতি

* এ্যাউয়ারনেস এন্ড কাউন্সেলিং অব ডিজিজ

রোগ সম্পর্কে রোগীকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা এবং ভয় না পাওয়া বা সাহসিকতার সাথে সঠিক ও সমলোপযোগী চিকিৎসা সেবা নেয়।

* ইন্টার - ভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট চিকিৎসা
* রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা সেবা

পি এল আই ডি ও রেটরোলিসথেসিস জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা রোগীর নামঃ-  মোঃ আলী আখতাররোগীর বয়সঃ- ৭২ বছরজেলাঃ- কিশোরগন্জ জেলা হ...
15/06/2026

পি এল আই ডি ও রেটরোলিসথেসিস জনিত কোমড় ব্যথার চিকিৎসা

রোগীর নামঃ- মোঃ আলী আখতার
রোগীর বয়সঃ- ৭২ বছর
জেলাঃ- কিশোরগন্জ জেলা হতে এসেছেন

রোগের নামঃ- পি এল আই ডি জনিত কোমড় ব্যথা এবং
রেটরোলিসথেসিস বা কোমড় এর হাড় সরে যাওয়া।

রোগের বর্ননাঃ- রোগীর সমস্যা গুলো হচ্ছে

* কোমড়ে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে, কোমড় সোজা করে দাড়াতে পরেছেন না
* ব্যথা কোমড় হতে পায়ের দিকে নেমে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে তলপেটে, কুচকিতে ও পিঠের দিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে
* ব্যথা কোমড় হতে পাছায়, রানে, পায়ের গোড়ালীতে ও পাতায় যাচ্ছে
* পায়ে ঝি ঝি করে, অবশ অবশ লাগে, জ্বালা পোড়া করে
* বেশীক্ষন বসা, দাড়ানো ও হাটার সময় সমস্যা হয়
* পা ওজন, ভারী ও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং পায়ে জ্বালা পোড়া করে
* রাতের বেলা শোবার সময় পা সোজা করে শোয়া যায় না
* পায়ের রগে সব সময় টান লেগে থাকে
* ব্যথার জন্য রোগীর কোমড় একপাশে বাকা হয়ে গিয়েছে
* রোগী সোজ হয়ে হাটতে পারছেন না

ইনভেস্টিগেশনঃ- এম আর আই এবং এক্সরে হতে দেখা গিয়েছে

* ডিস্ক প্রলাপ্স হয়েছে কোমড়ের L4 - L5 & L5 - S1 লেভেলে
* স্পনডাইলোলিসথেসিস বা মেরুদন্ডের হাড় সরে গিয়েছে পেছন দিকে
* কোমড়ের পাচ নম্বর হাড় পাছার এক নম্বর হাড় হতে সরে গিয়েছে
* ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ আছে
* স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনোসিস আছে
* নার্ভ রুট কমপ্রেশন আছে
* স্পাইন বা মেরুদন্ডে মাসেল স্পাজম আছে

চিকিৎসাঃ-সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্মরুপ

* কনসালটেন্সি সেবা

* ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা
# মেডিকেশন ম্যানেজমেন্ট
# মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট
# ম্যানুয়াল থেরাপি
# মেনশনেড এ্যাসিসটিভ ডিভাইছ
# ম্যানডেটরি এ্যাডভাইছ

* অকুপেশনালথেরাপি চিকিৎসা

* এ্যাউয়ারনেস এন্ড কাউন্সেলিং অব ডিজিজ

আপনি বা আপনার কিংবা আপনার পরিবার - পরিজন ও আত্নীয় স্বজন এবং বন্ধু বান্ধবদের যে কারো - যে কোন প্রকারের নতুন ও পুরাতন এবং ...
14/06/2026

আপনি বা আপনার কিংবা আপনার পরিবার - পরিজন ও আত্নীয় স্বজন এবং বন্ধু বান্ধবদের যে কারো - যে কোন প্রকারের নতুন ও পুরাতন এবং দীর্ঘ মেয়াদি বাত - ব্যথা, আর্থ্রাইটিজ, প্যারালাইসিস, ঘাঁড়, পিঠ, কোমড়, নিতম্ব ও লেজের ব্যথা বা ব্যাক পেইন, কাঁধ, কনুই, কব্জি, কুচকি, হাঁটু ও পায়ের গোড়ালীর ব্যথা, মেরুদন্ডের মাসেল স্পাজম, ডিস্ক প্রলাপ্স, লাম্বাগো সায়াটিকা, স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনোসিস, নার্ভ রুট কমপ্রেশন, স্পনডাইলো-সিস, স্পনডাইলো-লাইসিস, স্পনডাইলো-লিসথেসিস, অপারেশন পরবর্তী বা পোস্ট অপারেটিভ ব্যাক পেইন, রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্ট, ট্রমাটিক বা আঘাতজনিত মেরুদন্ডের সমস্যা, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি, মেরুদন্ডের হাড়ের অস্টিওপোরোসিস এবং ক্ষয় জনিত দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতা, মেরুদন্ডের কলাপ্স ফ্রাকচার জনিত সমস্যা, মেরুদন্ডের পট্স ডিজিজ, ব্রেইন স্ট্রোক কিংবা হেড ইনজুরি জনিত সমস্যা।

জম্মগত প্রতিবন্ধি ও বিকলাঙ্গ শিশু এবং বাঁকা পা যুক্ত শিশু, হাত ও পায়ের বিভিন্ন জয়েন্ট বা জোড়ার স্টিভনেস বা টাইট হয়ে যাওয়া, মাংশপেশীর শুকিয়ে যাওয়া এবং মাংশপেশীর শক্ত হয়ে যাওয়া, মাংশপেশী চিকন হয়ে যাওয়া, হাঁত ওপায়ে ঝি ঝি করা, অবশ অবশ লাগা, শক্তি কমে যাওয়া, দুর্বল হয়ে যাওয়া, হাত ও পা ওজন বা ভারী হয়ে যাওয়া

অর্থোপেডিকস, নিউরোলজিক্যাল, রিউমাটোলজিক্যাল, মাসকিউলো- স্কেলিটাল, নিউরো - মাসকুলার, গাইনোকোলজিক্যাল, স্পোর্টস ইনজুরি এন্ড স্পোর্টস বায়োমেকানিক্স, সফট টিস্যু ইনজুরি জনিত সমস্যার চিকিৎসায় মেডিসিন এর পাশাপাশি - ফিজিওথেরাপি , অকুপেশনালথেরাপি, স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, ইনট্রা - আর্টিকুলার ইনজেকশন, ইন্টার - ভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট, পি আর পি, স্টিম সেল বা রিজেনারেটিভ মেডিসিন চিকিৎসা কার্য ক্রম নিয়ে বি পি আর সি হেল্থ কেয়ার এখন এক ছাতার নিচে সকল চিকিৎসা কার্যক্রম বা চিকিৎসা সেবা দিতে বদ্ধ পরিকর।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, রাজারবাগ মোড়, মতিঝিল, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৬ ৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭ ৩৮৩৯৪৩০৯

রোগী দেখার সময়ঃ
শনি বার হতে বুধ বারঃ সকাল ০৮ঃ০০ হতে বিকাল ০৩ঃ০০ পর্যন্ত
বৃহস্পতি বারঃ বিকাল ০৩ঃ০০ হতে রাএ ১০ঃ০০ পর্যন্ত

মন ও দেহটাকে ফিট রাখতে চাই মেডিটেশনমানব দেহের মনকে সুস্থ ও স্বাভাবিক এবং সু-স্থির রাখার প্রক্রিয়া হিসেবে অন্যতম এক মাধ্য...
13/06/2026

মন ও দেহটাকে ফিট রাখতে চাই মেডিটেশন

মানব দেহের মনকে সুস্থ ও স্বাভাবিক এবং সু-স্থির রাখার প্রক্রিয়া হিসেবে অন্যতম এক মাধ্যম মেডিটেশন, যা মনকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার সাথে সাথে শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতেও সমানভাবে কার্যকরী। যারা মেডিটেশন করতে চান তাদের বেশির ভাগেরই ধারণা থাকে এতো বেশি সময় ধরে কী করে কোন কিছু না ভেবে একই ভাবে বসে থাকা যায়। সেই সাথে কী করে শুরু করবেন, কী উপকার পাওয়া যায় তা নিয়েও রয়েছে অনেক প্রশ্ন। তাই মেডিটেশনের প্রকারভেদ, উপকারিতা ও পদ্ধতি নিয়ে বি পি আর সি এর আজকের এই আয়োজন।

আজকাল টেনশন করেনা এমন কেউ কি আছে? পরীক্ষা নিয়ে টেনশন, ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে টেনশন কিংবা স্বাস্থ্য নিয়ে টেনশন।টেনশন যেনো আমাদের পিছুই ছাড়েনা! যার ফলে আমরা হৃদরোগ, অনিদ্রা, মাইগ্রেনসহ হাজার সমস্যায় ঝুঁকে পরি। আমরা পারিনা সুস্থতার সাধ অনুভব করতে। এর থেকে মুক্তির উপায় কি? কি করে পারি নিজেকে সবসময় প্রসন্ন রাখতে? এই প্রশ্নগুলোর বিপরীতে অনেকেই অনেক পথ বাতলে দিবে তা নিশ্চয়ই, কিন্তু এই সমস্যাগুলো সমাধানে সবচেয়ে সহজ ও সুন্দর পদ্ধতি হতে পারে মেডিটেশন। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা অতি সহজে আমাদের সকল টেনশনকে দূর করতে পারি। শান্তির ও সুখের আভায় নিজেকে মুড়িয়ে উপভোগ করতে পারি সুন্দর জীবন। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা কখন মেডিটেশন করবো, কিভাবে মেডিটেশন করবো কিংবা কিভাবে সমাপ্ত করবো মেডিটেশন।

মেডিটেশন কিঃ
মেডিটেশন বা ধ্যান হলো একটি মানসিক এ্যাপ্রোচ বা অনুশীলন যার মাধ্যমে মনোযোগ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করে মনকে শান্ত ও স্থির করা হয় । এটি মন ও শরীরের সংযোগ স্থাপনের একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রসিডিউর, যেখানে নিজের ভেতরের প্রশান্তি ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে নেওয়া হয়।

কেন মেডিটেশন করা হয়ঃ
 মানসিক চাপ হ্রাস: এটি কর্টিসোল নামক স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে ।
 মনোযোগ বৃদ্ধি: মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়িয়ে কাজের প্রতি মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং সৃজনশীলতা উন্নত করে ।
 আবেগ নিয়ন্ত্রণ: রাগ, ভয় ও নেতিবাচক চিন্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ আনে এবং আবেগজনিত ভারসাম্য বজায় রাখে
 শারীরিক সুস্থতা: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ঘুমের মান উন্নত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।

কীভাবে মেডিটেশন করবেনঃ
মেডিটেশন শুরুর সহজ ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:
 উপযুক্ত স্থান ও সময় নির্বাচন: দিনের যে কোনো সময় (বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর বা রাতের বেলা ঘুমানোর আগে) নিরিবিলি ও আরামদায়ক জায়গা বেছে নিন
 আরামদায়ক ভঙ্গি: মেরুদণ্ড সোজা করে মেঝেতে পা মুড়ে (পদ্মাসনে) বসুন। প্রয়োজনে চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে পারেন বা পিঠের ওপর ভর দিয়ে শুয়েও করতে পারেন ।
 চোখ বন্ধ করা: চোখ বন্ধ রাখুন বা মেঝের কোনো একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে দৃষ্টি স্থির করুন ।
 শ্বাস-প্রশ্বাসে মনোযোগ: স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ কেবল শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতির ওপর রাখুন ।
 মনকে শান্ত রাখা: এ সময় মাথায় নানা ধরনের চিন্তা আসবে। চিন্তাকে বাধা না দিয়ে, তা আস্তে আস্তে ছেড়ে দিয়ে আবার শ্বাস-প্রশ্বাসে মনোযোগ ফিরিয়ে আনুন ।
 সময় নির্ধারণ: নতুনদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মিনিট দিয়ে শুরু করাই যথেষ্ট ।

মেডিটেশনের প্রকারভেদঃ
মেডিটেশনের বিভিন্ন পদ্ধতি, কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে একে বেশ কিছু ভিন্নতায় ভাগ করা যায়। নিজেদের সময়, সক্ষমতা, প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে বেছে নিতে পারেন আপনার জন্য উপযোগী

মেডিটেশনের পদ্ধতিটি।
১. কনসেন্ট্রেশন মেডিটেশন (Concentration meditation)
এই ধরনের মেডিটেশনের মূল ফোকাস থাকবে একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট এর উপর। এমন হতে পারে আপনি শুধুমাত্র আপনার নিঃশ্বাস এর উপর লক্ষ্য রাখছেন কিংবা একটি নির্দিষ্ট শব্দ কিংবা মন্ত্র একাধারে পাঠ করছেন অথবা কোন নির্দিষ্ট বস্তুর দিকে নিবিষ্টচিত্তে তাকিয়ে আছেন। মনকে নিবিষ্টচিত্তে একদিকে রাখার কঠিন হলেও শুরুতে অল্প কিছুক্ষণ করে পরে ধীরে ধীরে সময় বাড়ালে ভালো উপকার পাওয়া যেতে পারে। এই ধরনের মেডিটেশনের ফলে মন অনেক সুস্থির হয়, মনোযোগ শক্তিও বেশ বৃদ্ধি পায়।
২. মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন (Mindfulness meditation)
এই ধরনের মেডিটেশন টেকনিক আপনাকে কোন নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে একেবারে ভেতর থেকে ভাবতে শেখায়, বুঝতে সাহায্য করে। মনের দোটানা, মানসিক অশান্তি দূর করতে সাহায্য করে। খারাপ-ভালো সবকিছু নিয়ে ভেতর থেকে বুঝতে, সিদ্ধান্ত নিতে দারুণ ভূমিকা রাখে মেডিটেশনের এই ধরনটি।
৩. অন্যান্য মেডিটেশন টেকনিক
এছাড়াও নিজের মতো করে সময় কাটানো, পছন্দের কাজটি করা, কিছু নিয়ে ভাবা, ধর্মীয় প্রার্থনা এসব কিছুও অনেক সময় মেডিটেশনের পর্যায়ে পড়ে।

মেডিটেশনের উপকারিতাঃ
মেডিটেশন সবসময়ই শরীর ও মনের জন্য সমানভাবে উপকারী। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপকারিতা গুলো হলো-
• রক্তচাপের সঠিক মাত্রা
• সঠিক হৃদস্পন্দন
• কম ঘাম হওয়া
• সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাত্রা
• উত্তেজনা কমায়
• মনের গভীর থেকে আরাম ও মানসিক প্রশান্তি অনুভব
মেডিটেশন শুরু করার পদ্ধতিঃ
চার ধাপে সহজেই মেডিটেশন শুরু করতে পারেন যে কেউ। ধাপগুলো এমন-
 নিজের সুবিধামতো শান্ত কোন স্থানে বসুন। যদি সবসময় মেডিটেশন করার ইচ্ছে থাকে তবে কিনে ফেলতে পারেন মেডিটেশন চেয়ার।
 চোখ বন্ধ করে মেডিটেশন
 জোর করে নিঃশ্বাস আটকে রাখতে চেষ্টা করবেন না। বরং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালিয়ে যান।
 নিজের শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকে গাঢ় মনোযোগ দিন এবং খেয়াল করুন প্রত্যেকবার শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে কী করে আপনার শরীর কাজ করছে, পেট ও বুক কী করে উঠা নামা করছে। আপনার বুকের এবং কাঁধের গতিবিধির দিকে নজর দিন। এরপর আবার ধীরে ধীরে ফোকাস করুন শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে। তবে জোর করে নিঃশ্বাস আটকে রাখার কাজটি করবেন না।
 প্রথম প্রথম এভাবে তিন-চার মিনিট করে শুরু করে পরে ধীরে ধীরে সময়টা বাড়ান। দেখবেন একসময় মনের ভেতর থেকে এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি অনুভব করছেন।

মেডিটেশন করার সঠিক জায়গা ঠিক করাঃ
মেডিটেশন করার জন্য শান্ত এবং সুন্দর একটি জায়গা নির্বাচন করা উচিত। যেখানে আপনি নিরাপদ, শান্তি এবং আরামদায়ক অনুভব করবে। যদি আপনি আপনার বেডরুমকে মেডিটেশনের জন্য বেছে নেন, তবে সেটিও হতে পারে চমৎকার।তবে, খেয়াল রাখতে হবে আপনার বেডরুমে যাতে এমন কোন কিছু না থাকে যা মেডিটেশন করার সময় আপনার কনসেন্ট্রেশনকে নষ্ট করে।যেমন, আপনি যখন মেডিটেশন করবেন তখন আপনার রুমের টিক্ টিক্ করা দেয়াল ঘড়িটা বন্ধ রাখতে পারেন কিংবা পারেন রুমের টিভি বা মাথার উপর শোঁ শোঁ করে ঘোরা ফ্যানটা বন্ধ রাখতে। তাহলে মেডিটেশনে একাগ্রতা সৃষ্টি হবে; উপভোগ করতে পারবেন মেডিটেশনকে।

মেডিটেশনের সঠিক সময় নির্বাচন করাঃ
আপনি যখন খুবই বিরক্তকর সময় পার করছেন বা আপনি যখন ভীষণ ক্ষুধার্ত তখন মেডিটেশন না করাই শ্রেয়।বরং মেডিটেশনের জন্য এমন সময় বেছে নিন যে সময় আপনি বিরক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, আপনি থাকবেন শান্ত এবং আপনি প্রশান্তি অনুভব করতে প্রস্তুত থাকবেন। সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্য অস্তের সময়টাকে আপনি মেডিটেশনের জন্য নির্বাচন করতে পারেন। কেননা এই সময়টাতে পরিবেশ থাকে কোলাহল মুক্ত। যা আপনার মেডিটেশনের জন্য খুবই সহায়ক হতে পারে।

মেডিটেশনের সময়ঃ
মেডিটেশন করার সবচেয়ে আদর্শ ও কার্যকর সময় হলো ভোর বা সকালবেলা (ঘুম থেকে ওঠার পর)। এ সময় চারপাশ থাকে শান্ত এবং মন থাকে তরতাজা। তবে ব্যস্ততার কারণে সকালে না পারলে, দিনের যেকোনো সুবিধাজনক সময়ে মেডিটেশন করা যায়—মূল বিষয় হলো নিয়মিত অভ্যাস বজায় রাখা।

মেডিটেশন করার জন্য কিছু উপযুক্ত সময় নিচে দেওয়া হলো:
o সকাল (ভোর ৪টা থেকে সকাল ৬টা): এই সময়ে মন ও পরিবেশ—উভয়ই খুব শান্ত থাকে। এটি সারাদিনের জন্য মনোযোগ ও মানসিক শক্তি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
o সন্ধ্যা বা সূর্যাস্তের সময় (বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা): সারাদিনের ক্লান্তি ও মানসিক চাপ দূর করে নিজেকে রিফ্রেশ করার জন্য এটি দারুণ সময়।
o ঘুমানোর আগে: বিছানায় যাওয়ার আগে ৫-১০ মিনিট মেডিটেশন করলে মস্তিষ্ক শান্ত হয় এবং গভীর ও ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

কিছু জরুরি নিয়ম ও সতর্কতা:
o খালি পেট: মেডিটেশন সবসময় খালি পেটে করা উচিত। ভারী খাবার খাওয়ার পর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা এবং হালকা নাস্তার পর ১ ঘণ্টা বিরতি নেওয়া ভালো।
o শুরুর সময়: নতুনদের জন্য শুরুতে প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট করা যথেষ্ট। ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে উঠলে ১৫-২০ মিনিট করতে পারেন।

রাতে মেডিটেশন বা ধ্যানের মূল উদ্দেশ্য হলো সারাদিনের ক্লান্তি ও মানসিক চাপ দূর করে গভীর ঘুমের জন্য শরীর ও মনকে শিথিল করা।
সঠিকভাবে বসে মেডিটেশন করাঃ

মেডিটেশন করার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক পজিশনে বসে মেডিটেশন করা।মেডিটেশনের সঠিক পজিশন কোনটি এই নিয়ে আমরা অনেকেই সিদ্ধান্তহীনতায় থাকি। কেউ কেউ মনে করেন মেডিটেশনের জন্য লোটাস পজিশন বা পদ্মাসন সবচেয়ে উপকারী আবার কেউ কেউ মনে করেন বিছানার মতো আরামদায়ক স্থানে বসে উপযুক্ত যেকোন আসনে বসেই মেডিটেশন করা যায়। তবে মেডিটেশনের জন্য সবচেয়ে বহুল প্রচলিত আসন হলো পদ্মাসন।লক্ষ্য রাখতে হবে তুমি যে আসনেই বসো না কেনো, যাতে হেলে না থাকো। মেরুদন্ড টানটান করে চোখ বন্ধ করো এবং ঘাড় ও কাঁধ রাখো সোজা।

ইনার সাউন্ড অনুভব করাঃ
আমাদের বাহিরের জগতের চেয়ে ভিতরের জগতটা আরো রহস্যময়।একবার ভবো তো কখনো কি তা অনুভব করতে চেষ্টা করেছ? কখনো কি শান্তভাবে বসে বুঝতে চেষ্টা করেছো যে তোমার মন কি চাইছে? মেডিটেশন করার জন্য সঠিকভাবে বসার পর তোমার এই ইনার সাউন্ডকে অনুভব করতে চেষ্টা করো।এটা সরাসরি তোমার চিন্তা-চেতনা এবং অনুভবেরর সাথে সম্পর্কযুক্ত।মেডিটেশনে বসার পার এমন চিন্তা নয় যে আমি আগামীকাল বসুন্ধরায় গিয়ে শপিং করবো বা পরশু সিনেপ্লেক্সে গিয়ে একটা দারুণ মুভি দেখবো।বরং অভজার্ভেশন করো নিজেকে এবং অনুভব করতে চেষ্টা করো তোমার ইনার সাউন্ডকে। এর ফলে তুমি প্রফুল্লতা ফিরে পাবে, নিজেক সতেজ অনুভব করবে সহজেই। এমন করে যদি তুমি রোজ মেডিটেশন করো তবে দেখবে কিছুদিনের মধ্যে তুমি মেডিটেশনের এমন একটি স্টেজে পৌঁছাবে যেখানে শিথিলতা, শান্তি এবং মনের প্রফুল্লতা খুঁজে পাবে।

সুন্দরভাবে মেডিটেশন সমাপ্ত করাঃ
আমাদের যখন মেডিটেশন শেষ হয় তখন আমরা অনেকেই মেডিটেশন থেকে তাড়াহুড়ো করে উঠে পরি, যা মোটেই ঠিক নয়। আমরা যখন মেডিটেশনে থাকি তখন আমাদের মন এককেন্দ্রিক থাকে। তাই, এই এককেন্দ্রিকতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমাদের কিছুটা সময় নেওয়া উচিত।এজন্য তুমি যখন তোমার মেডিটেশন শেষ করবে তখন আস্তে আস্তে চোখ খোলো এবং শরীরকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে একটু সময় নাও। এর ফলে তোমার ভিতরে শিথিলতা বিরাজ করবে এবং তুমি ভলো অনুভব করবে।

মেডিটেশনের ধাপগুলো একনজরেঃ
পরিবেশ তৈরি: ঘরের বাতি নিভিয়ে দিন বা মৃদু আলো জ্বালুন। ফোন ও অন্যান্য ডিভাইস বন্ধ বা সাইলেন্ট রাখুন।
আরামদায়ক অবস্থান: বিছানায় শুয়ে (চিত হয়ে) অথবা সোজা হয়ে বসুন। মেরুদণ্ড সোজা রাখুন।
শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ: চোখ বন্ধ করে নাক দিয়ে ধীরে ধীরে লম্বা শ্বাস নিন এবং মুখ বা নাক দিয়ে ছাড়ুন। ১০-১৫ বার এমন গভীর শ্বাস নিন।
শরীরের শিথিলকরণ (বডি স্ক্যান): পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে মাথার তালু পর্যন্ত মনোযোগ দিন। ভাবুন প্রতিটি অংশের পেশি শিথিল এবং শান্ত হয়ে আসছে।
মনঃসংযোগ: শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতির দিকে মনোযোগ দিন। কোনো চিন্তা আসলে তাকে বাধা না দিয়ে যেতে দিন এবং আবার শ্বাসে মনোযোগ ফেরান।

বিশেষ সতর্কতা ও পরামর্শঃ
সময়: ঘুমানোর ঠিক আগে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করুন।
গাইডেড মেডিটেশন: নতুন হলে ইউটিউব বা মেডিটেশন অ্যাপে নির্দেশনামূলক (Guided) অডিও বা মিউজিক শুনতে পারেন।
ধৈর্য: শুরুতেই মন শান্ত হবে না, এটা স্বাভাবিক। জোর না করে অনুশীলনে অবিচল থাকুন।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি
কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ
এ ওয়ান হাসপাতাল লিমিটেড, মালিবাগ মোড়, মালিবাগ, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৬ ৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭ ৩৮৩৯৪৩০৯

01/06/2026

27/04/2026

নীরব মৃত্যু--
ভুলে যাওয়া = বড় বা মারত্মক কোন রোগের শুরু?
আপনি কি দিন দিন আগের চেয়ে বেশি ভুলে যাচ্ছেন?
নীরব মস্তিষ্ক বিপর্যয় সিনড্রোম” — আপনি যেটাকে সাধারণ ভুলে যাওয়া ভাবছেন, সেটাই হতে পারে জীবন বদলে দেওয়া রোগের শুরু!
অনেকেই ভাবেন—“ভুলে যাওয়া তো স্বাভাবিক!”
কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিনিয়ত ভুলে যাওয়া কখনো কখনো শরীরের একটি গুরুতর সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে যখন এটি আপনার দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক বা কাজের উপর প্রভাব ফেলে—তখন এটিকে আর হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।
“প্রতিদিন একটু একটু করে ভুলে যাচ্ছেন?
এটা যদি স্বাভাবিক না হয়ে থাকে—তাহলে আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে আগাম সতর্ক করছে।”
১- অধিকাংশ রোগী প্রথমে এটাকে গুরুত্ব দেন না…
২- কিন্তু যখন বুঝতে পারেন—তখন অনেক দেরি হয়ে যায়!
স্মৃতিভ্রংশ সিনড্রোম” (Memory Impairment Disorder) কী?
সব ভুলে যাওয়া রোগ নয়।
কিন্তু যদি ভুলে যাওয়া আপনার দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, তাহলে এটি একটি Neurological Warning Sign।
এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে মস্তিষ্ক তথ্য সংরক্ষণ, মনে রাখা বা পুনরুদ্ধার করতে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না।
এটি বয়সজনিত সমস্যা হতে পারে, আবার রোগের লক্ষণও হতে পারে।
কখন বুঝবেন এটি বিপজ্জনক? (Red Flags)
নিচের লক্ষণগুলো থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখুনঃ
১- একই কথা বা প্রশ্ন বারবার করা
২- পরিচিত মানুষের নাম ভুলে যাওয়া
৩- দৈনন্দিন কাজ (যেমন রান্না, রাস্তা পড়াশোনা, অফিসের কাজ ) ভুলে যাওয়া
৪- কথা বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে না পাওয়া
৫- হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম হয়ে পড়া
৬- জিনিসপত্র কোথায় রেখেছেন তা সম্পূর্ণ ভুলে যাওয়া
৭- পরিচিত জায়গা চিনতে সমস্যা
৮- আচরণ ও মুড হঠাৎ বদলে যাওয়া
"এগুলো শুধু “ভুলে যাওয়া” না—এগুলো মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সংকেত"।
সম্ভাব্য মারাত্মক কারণ (যা অনেকেই জানেন না)
কোন কোন রোগের ইঙ্গিত হতে পারে?
১- Alzheimer’s disease
সবচেয়ে সাধারণ স্মৃতিভ্রংশ রোগ। ধীরে ধীরে স্মৃতি, চিন্তা ও আচরণে পরিবর্তন আনে।
"একবার শুরু হলে পুরোপুরি ভালো হয় না, তবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়"
২- Dementia
একাধিক মস্তিষ্কজনিত সমস্যার সমষ্টি, যা স্মৃতি ও বিচারক্ষমতা, আচরণ—সবই নষ্ট করে।
৩- Depression
দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা ডিপ্রেশন থেকেও স্মৃতিশক্তি মস্তিষ্ককে “স্লো” করে দেয়
"অনেক ক্ষেত্রে “Pseudo-dementia” তৈরি করে"
৪- Vitamin B12 deficiency
এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও স্মৃতিতে সমস্যা দেখা দেয়।
" হাত-পা ঝিনঝিন + স্মৃতি কমে যাওয়া"
৫- Hypothyroidism
থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়।
"ক্লান্তি + ভুলে যাওয়া + মনোযোগ কমে যাওয়া"
৬- স্ট্রোক (Brain Stroke)
হঠাৎ স্মৃতি হারিয়ে যাওয়া বা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।
কীকোন পরীক্ষাগুলো করলে আসল কারণ ধরা পড়বে?
১- Complete Blood Count (CBC)
২- Vitamin B12 Level
৩- Thyroid Function Test (TSH, T3, T4)
৪- Blood Sugar (Diabetes check)
৫- CT Scan / MRI Brain
৬- Cognitive Function Test (MMSE)
"মনে রাখবেন: শুধু ওষুধ না—সঠিক কারণ জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ"।
প্রতিরোধ ও করণীয়
১- প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম
২- নিয়মিত ব্যায়াম (হাঁটা, যোগব্যায়াম)
৩- মস্তিষ্কের ব্যায়াম (পাজল, পড়াশোনা, নতুন কিছু শেখা)
৪- পুষ্টিকর খাবার (মাছ, বাদাম, শাকসবজি)
৫- মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
৬- সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা
সবচেয়ে বড় ভুল যা মানুষ করে
“এটা তো সামান্য ভুলে যাওয়া”—এই ভেবে মাসের পর মাস চিকিৎসা না নেওয়া
কিন্তু বাস্তবতা হলো—
প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে ৬০–৭০% ক্ষেত্রে রোগের অগ্রগতি ধীর করা সম্ভব।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
“ভুলে যাওয়া” যদি হঠাৎ বাড়তে থাকে বা অস্বাভাবিক লাগে, দেরি না করে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার কি এমন সমস্যা হচ্ছে?
১- ভুলে যাওয়া দ্রুত বাড়ছে
২- পরিবার/বন্ধুরা পরিবর্তন লক্ষ্য করছে
৩- নিজের কাজ নিজে করতে সমস্যা হচ্ছে
৪- আচরণ বা ব্যক্তিত্ব বদলে যাচ্ছে
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য-----
যারা বারবার চেষ্টা করেও উন্নতি পাচ্ছেন না—
এর পেছনে সাধারণ কিছু কারণ থাকতে পারে:
১- সঠিক রোগ নির্ণয় না হওয়া
২- শুধু লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা, মূল কারণ উপেক্ষা
৩- অসম্পূর্ণ বা অনিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ
৪- মানসিক চাপ ও ঘুমের ঘাটতি
৫- পুষ্টির অভাব (বিশেষ করে Vitamin B12 deficiency)
৬- হরমোনজনিত সমস্যা (যেমন Hypothyroidism)
আপনার জন্য সমাধান---
হোলেস্টিক মেডিসিনে রয়েছে সমন্বিত ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা, যেখানে শুধু লক্ষণ নয়—রোগের মূল কারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য----
দীর্ঘমেয়াদি জটিল ও পুরাতন ব্যাধি থেকে সুস্থতার জন্য চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
আপনিও আপনার সমস্যার সঠিক সমাধানের জন্য আজই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।

মনে রাখবেন ---
মস্তিষ্ক কখনো হঠাৎ ভেঙে পড়ে না—
ধীরে ধীরে সংকেত দেয়।
আপনি যদি সেই সংকেতগুলো উপেক্ষা করেন,
তাহলে এক সময় এমন জায়গায় পৌঁছাবেন—
যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন।
সচেতন হোন, নিজের এবং পরিবারের স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন লক্ষ্য করুন—
কারণ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যই আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ।

Address

Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:00 - 12:00
Tuesday 16:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 12:00
Thursday 16:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 12:00
Sunday 16:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof Dr Md Abu Saleh Alamgir - Islami Bank Hospital, Motijheel, Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category