12/04/2026
নিজেকে হারিয়েছি যখন আল্লাহর উপর ভরসা না রেখে নিজে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।
আল্লাহকে স্মরণে না রেখে ভেবেছি তিনি এমনিই দিবেন আমাকে।
উচ্ছৃঙ্খল হয়েছি, অহংকারে বুদ থেকেছি।
সবাইকে বিশ্বাস করেছি। আমার প্রতি সবার অনুরাগের আশায় সব বলে গেছি। ভেবেছি সবাই আমার ভালো চায় (বোকার মত)। বুঝতে পেরেছি যখন, তখন মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছি।
আল্লাহর প্রতি গাফেল থেকেছি।
পদে পদে প্রতি পদক্ষেপে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমি তো গাফেল ছিলাম। পথ হারা পথিক।
সময়কে অসম্মান করেছি, রিজিককে অসম্মান করেছি।
সময় আমাকে এখন অসম্মান করছে, রিজিক বরকত দূরে চলে গেছে।
অতি ইগোর জন্য অসামাজিক থেকেছি। ভালো মেন্টরিং খোজ করিনি।
নিজের ভুল দেখতে পারি নি, অহংকারের পর্দা ভুল গুলোকে আমার থেকে আড়াল করে দিয়েছে।
সময় বয়ে গেছে নদীর স্রোতের চেয়েও দ্রুত।
মাঝে মাঝে মনে হয় এতভুল শুধরানো আর সম্ভব নয়। বেচে থাকাটাই কঠিন লাগে। প্রতিটি মুহূর্ত জীবন যেন অভিশাপ মনে হয়। ভাবি - মৃত্যু ক্যানো আমায় ছোয় না?
কত মানুষ তো বাচতে চেয়েও চলে যায়। আমি তো মরতে চেয়েও বেচে আছি! ওই জায়গায় কি আমি থাকতে পারতাম না। (পাটুরিয়া ঘাটের বাসে) হয়ত এ জীবনবাহী অভিশাপ হতে মুক্ত হয়ে যেতাম।
নাস্তিক ব্যক্তিরা বলেন -ধর্ম এর কাজ নাই কোনো, দাঙ্গা ফাসাদ তৈরি ছাড়া। আমার মন হয়- ধর্মে যে আত্নহত্যায় জাহান্নাম বলা আছে, এটা না থাকলে মানব জাতিই হয়ত বিলুপ্তির দিকে যেত।
মাঝে মাঝে ভাবি - কারো ক্ষতি না করে যদি চলে যায়, তবুও কি আমায় জাহান্নামে যেতে হবে?
জান্নাত না দিলেও জাহান্নামে যদি অন্তত না দিত। তবুও হয়ত চলে যাওয়ায় ভালো হতো।
এত কিছুর পরেও ওই ছোট্ট মায়াভরা মুখটা দেখে বাচতে মন চাই। আমার কোলে শুয়ে থাকে যখন, মনে হয় মুখে কিছু না বলেও যেন কথা হচ্ছে ওর আর আমার। আমাকে যেন বলছে -বাবা, আমার জন্য অন্তত থাকো।