30/03/2026
কিছু মানুষকে জ্বীন খুঁজেই পায় না কেন জানেন
এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। কেউ কেউ বলে জ্বীন আছে, আবার কেউ বলে এগুলো শুধু ভয় বা কল্পনা। কিন্তু কোরআন ও হাদিসের আলোকে আমরা জানি, জ্বীন সত্যিই আছে এবং তারা মানুষের সাথে বসবাস করে, তবে সবাইকে তারা প্রভাবিত করতে পারে না।
প্রথমত, যারা আল্লাহর উপর দৃঢ় ঈমান রাখে এবং নিয়মিত ইবাদত করে, তাদের উপর জ্বীনের প্রভাব খুবই কম পড়ে। কোরআনে আল্লাহ বলেন, যারা তাঁর উপর ভরসা করে, শয়তান তাদের উপর কোনো কর্তৃত্ব রাখতে পারে না। অর্থাৎ নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত একজন মানুষকে শক্তিশালী আত্মিক সুরক্ষা দেয়।
দ্বিতীয়ত, যারা নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে, তারা আল্লাহর হেফাজতে থাকে। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার কাছে কোনো শয়তান আসতে পারে না সকাল পর্যন্ত।
তৃতীয়ত, পবিত্রতা একটি বড় বিষয়। যারা অজু অবস্থায় থাকে, পরিচ্ছন্ন থাকে, হারাম কাজ থেকে দূরে থাকে, তাদের কাছ থেকে জ্বীন দূরে থাকে। কারণ জ্বীন বিশেষ করে অপবিত্র জায়গা ও মানুষের কাছে বেশি আসে।
চতুর্থত, ভয় এবং দুর্বল মানসিকতা জ্বীনের প্রভাব বাড়ায়। যে মানুষ সবসময় ভয় পায়, কুসংস্কারে বিশ্বাস করে, সে সহজে প্রভাবিত হতে পারে। কিন্তু যে ব্যক্তি সাহসী এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখে, তাকে জ্বীন সহজে প্রভাবিত করতে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।
যদি কারো মনে হয় এই ধরনের কোনো সমস্যা আছে, তাহলে ভয় না পেয়ে কোরআনের আমল করুন এবং অভিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নিন।
সমস্যা বেশি মনে হলে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে।