02/10/2026
শাইখ আব্দুর রহমান বিন সালেহ বিন সালেহ আল মাহমুদ হাফি:-(জন্ম ১৩৭৩ হিজরী:-)হাদীসকে সামনে রেখে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কুরআন এর একটি হরফ বা কুরআন এর সূরা বা কুরআন এর কোনো অংশ অস্বীকার করবে এবং নবী ও সকল রাসূলদেরকে অস্বীকার করবে মূলত সে ব্যক্তি কাফের:-(উক্ত বিষয়ের উপর উলামাদের ইজমা ও মুসলিমরা ঐক্যমত পোষন করেছে)
(( وقال عليٌ رضي الله عنه : (( من كفر بحرفٍ منه , فقد كفر به كله )) )) . هذا الأثر الوارد عن علي بن ابي طالب مروي عنه بسند صحيح رواه عنه ابن ابي شيبة في المصنف, وأيضاً رواه عنه ابن جرير في مقدمة تفسيره , وهو اثر موقوف صحيح , وما دل عليه من الحكم مجمع عليه , وقد فسره الشيخ رحمه الله تعالى بعد ذلك فقال : ((واتفق المسلمون على عدِّ سور القرآنِ وآياته , وكلماتِهِ , وحروفِهِ , ولا خلاف بين المسلمين في أنَّ من جحد من القرآن سورةً , أو آيةً , أو كلمةً , أو حرفاً متفقاً عليه - انه كافر, وفي هذا حجَّةُ قاطعةُ على انه حروفٌ .
اجمع العلماء على أن من كفر بحرف من القرآن متفقاً عليه , بين العلماء فهو كافر كمن انكر القرآن كله أو سورة من سوره, أو جزءاً من اجزائه, وهذه قضية واضحة جدَّاً شبيهة بقولنا : من كفر برسول ورد ذكره في القرآن مثلاً فقد كفر بجميع الرسل , فلو أن إنساناً آمن بالرسل جميعاً وصدق بهم واتبع محمد ( . ثم قال : أنا لا أؤمن برسالة نبي الله صالح , أو نبي الله هود, فإنه والحالة هذه يكون كافراً, بل هو كافر بجميع الرسل , لأن السبب الذي من أجله آمن ببقية الرسل موجود في صالح او في هود, فإذا كفر به فكانه كفر
আলী রা: বলেন যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে হরফকে ও সংশ্লিষ্ট তার বিষয় হতে, অত:পর সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে তার(উক্ত অস্বীকার দ্বারা) তার প্রত্যেক অস্বীকার করার কারনে। এই আছা'রটি নির্দিষ্ঠভাবে বর্ণনা হয়েছে আলি বিন আবি তালিব মারওয়ী তার হতে সহীহ সনদে তিনি বর্ণনা করেছেন মুসান্নিফ ইবনে আবি শায়বা হতে তার মুসান্নাফে।এছাড়াও আরো বর্ণনা এসেছে ইবনে জারির তার তাফসীরের মুকাদ্দামাতে ' সেই আছারটি মাওকুফ সহীহ'। এবং দলিল রয়েছে তার উপর সংশ্লিষ্ট সেই হুকুমের ব্যপারে যা একত্রিত করা হয়েছে(তার দলিলের উপর)। এবং নিশ্চয় তার(দলিলের) ব্যপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা করেছে 'শাইখ(ইবনে জারির রহ.) পরবর্তীতে সেটির ব্যপারে তিনি বলেন,মুসলিমরা ঐক্যমত পোষন করেছে তার উপর যেটা বিবেচনা করা হয়েছে, কুরআন এর সূরা হিসেবে এবং তার আয়াত হিসেবে এবং তার কালেমা(কথার)হিসেবে এবং (কুরআন এর) হরফ হিসেবে 'যেখানে মুসলিমদের মাঝে কোনো মতবিরোধ নেই এই ব্যপারে যে, নিশ্চয় যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে নির্দিষ্ঠ কুরআন থেকে সূরা সমূহকে এবং আয়াত সমূহকে এবং কালেমাকে(কথাকে),এবং হরফকে 'সর্বসম্মত মত তাদের উপর যে, নিশ্চয় সেসব ব্যক্তিরা কাফের। এবং এই ব্যপারে এটা একটি অকাট্য প্রমান সাব্যাস্ত করে এসব হরফ(বর্ণের) উপর। উলামাদের মধ্যে ইজমা রয়েছে এটার উপর যে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে একটি হরফ যেটা মূলত কুরআন এর যেকোনো(হরফের)অন্তর্ভুক্ত, এটা সর্বসম্মত মত তাদের(কুরআন এর হরফ অস্বীকারকারীদের) উপর 'উলামাদের মধ্যে যে, তখন সে ব্যক্তিরা কাফের হয়ে গেলো। অত:পর যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে কুরআন ও তার পুরো বিষয়কে অথবা কুরআন এর সূরা অস্বীকার করবে যেগুলো ব্যপক সূরাসমূহের অন্তর্ভুক্ত থেকে(১ টি সূরাকে অস্বীকার করলে), অথবা কুরআন এর কোনো অংশকে কেউ অস্বীকার করবে যেগুলো ব্যপকভাবে কুরআন এর পুরো অংশের যে কোনো অংশের অন্তর্ভুক্ত(কুরআন এর পুরো অংশের মধ্যে সামান্য অংশকেও কেউ অস্বীকার করাকে বুঝানো হয়েছে) এবং এটা নির্ধারিত একটি বিষয় এবং স্পষ্ট বিষয় জোড়ালোভাবে। এবং অনুরূপ সে ব্যক্তিরাও সাদৃশ্যধারন করে কথা বলে থাকে আমাদের মাঝে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে রাসূলকে যা বর্ণিত হয়েছে এবং তার ব্যপারে আলোচনা এসেছে কুরআন এর মধ্যে অনুরুপ তখন সে ব্যক্তিরা অস্বীকার করেছে সকল রাসূলদেরকেও। অত:পর তিনি বলেন, যদি এমন যে, মানুষ ঈমান(বিশ্বাস করবে)সকল রাসূলগনকে , এবং সত্য হিসেবে মেনে নেয় তাদেরকে(রাসূলগনকে) এবং মুহাম্মদ স. কে অনুসরণ করতে থাকে। অত:পর তিনি বলেন, আমি ঈমান আনব না নবীর রিসালাত নিয়ে আসা সালেহ এর প্রতি অথবা আল্লাহর নবী হুদের প্রতি ঈমান আনব না অত:পর নিশ্চয় তার এমন কথা এবং নির্দিষ্ঠ অবস্থা মূলত এটা বলার কারনে সে ব্যক্তি কাফের হয়ে গেলো। বরং সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো সকল রাসূলদের মতে।এরজন্য নিশ্চয় কারন রয়েছে যা সেসব বড় বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত সে ব্যক্তি নিরাপদ হয়ে গেলো যারা অবশিষ্ট ছিলো ও যিনি রাসূল ছিলো।আর যারা উপস্থিত ছিলো সেখানে নবী সালেহ এর নিকট অথবা হুূদের নিকট।অত:পর যখন সেসব ব্যক্তিরা কাফের(অস্বীকার করল) তাদের(নবীদের প্রতি) অত:পর সে ব্যক্তিরা কাফের হয়ে গিয়েছিলো।
[অর্থাৎ, সেসব ব্যক্তি যারা কুরআন থেকে একটি হরফও অস্বীকার করবে মূলত সেসব ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে এমন বিশ্বাস করার কারনে।এছাড়াও যে ব্যক্তিরা কুরআন এর একটি সূরাও যদি কেউ অস্বীকার করে তবে সেসব ব্যক্তিরা কাফের হয়ে যাবে এমন বিশ্বাস নিজের অন্তরে রাখার জন্য। এবং সে ব্যক্তিও কাফের হয়ে যাবে যে ব্যক্তি পুরো কুরআন এর কোনো একটা অংশ মাত্র অস্বীকার করবে মূলত ওসব ব্যক্তিদের এমন অস্বীকার করার কারনে ওসব ব্যক্তি সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে লেখক, এমনটাই বুঝিয়েছে। এছাড়াও যেসব ব্যক্তি পৃথিবীতে আসা সকল নবীকে অস্বীকার করে বসবে মূলত সেসব ব্যক্তিরাও কাফের হয়ে যাবে 'কারন কোনো মানুষ যদি নবীদের অস্বীকার করে তাহলে সে ব্যক্তি মুসলিম নয় বরং সে ব্যক্তি বিধর্মী কাফের। এছাড়াও যে ব্যক্তি এমনটা বলবে যে, আমি রাসূলের উপর ঈমান আনব না এবং পূর্ববর্তী যারা নবী ছিলো তাদের প্রতিও ঈমান আনব না মূলত ওসব ব্যক্তিদের এমন কথা বলার কারনে সেসব ব্যক্তিরা কাফের হয়ে যাবে। আর সে ব্যক্তিরাই নিরাপদ হয়ে যাবে যারা অবশিষ্ট ব্যক্তি ছিলো যারা রাসূলদের উপর ঈমান এনেছিলো এবং সত্য হিসেবে মেনে নিয়েছিলো এবং যারা রাসূল ছিলল শুধুমাত্র তারাই নিরাপদ ছিলো(তাদের ঈমান নিরাপদ ও সঠিক ছিলো আল্লাহর রিসালাত পালন করার দ্বারা)।
الكتاب: تيسير لمعة الاعتقاد
المؤلف: عبد الرحمن بن صالح بن صالح
المحمود ১৮১
বই:- তাইসিরু লুমআতুল ইতিক্বাদ(১৮১ পৃষ্ঠা)
🖊️Muhammad Ali