Raqi Muhammad Ali

Raqi Muhammad Ali Giving to treatment in quranic way Jinn,Black magic,Evil eye,Eye hasad or physical or mental disease

15/10/2026

🔴আশ শাইখ আলাওয়াঈ বিন আব্দুল কাদ্বির আস সাক্বাফী (১৩৭৬ হিজরীতে জন্ম) তিনি ওসব ব্যক্তিকে কা*ফের বলেছে যারা নিজেদের ব্যক্তিগত কথা পেশ করে আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে থাকে:-

كفر الإعراض، والمراد الإعراض الكلي عن الدين، بأن يعرض بسمعه وقلبه وعلمه عما جاء به الرسول صلى الله عليه وسلم، والدليل قوله تعالى: وَالَّذِينَ كَفَرُوا عَما أُنْذِرُوا مُعْرِضُونَ [الأحقاف: 3].

সে ব্যক্তি কা*ফের হলো যারা পেশ করে বা উপস্থাপন করে তাদের কথা।এবং যার অর্থ হচ্ছে, এমন কথা বলার বিষয় নির্দিষ্ঠভাবে সব কথাগুলোই দ্বীনের বিষয়ে।নিশ্চয় এর দ্বারা তারা কথা বলে থাকে,ও তার মাধ্যমে শুনতে থাকে এবং তার অন্তরে সেই(কথাগুলো থাকে),এবং তার জ্ঞানের মধ্যে সেই কথাগুলো থাকে,যার ব্যপারে এসেছে তার মাধ্যমে যিনি রাসূল সাঃ। আর এর দলিল হচ্ছে:- এবং যারা সকলেই অস্বীকার করেছিলো(কা*ফের হয়েছিলো) যার ব্যপারে তাদের সকলকে সতর্ক করা হয়েছে, তবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়ে থাকে।
[অর্থাৎ, ওসব ব্যক্তি যারা কা*ফের হয়েছিলো তারা নিজেদের কথা বলতো এবং সেসব কথাগুলো তারা তাদের অন্তরে পর্যন্ত জমা রাখতো এমনকি জ্ঞানের মধ্যেও তাদের কথাগুলো থাকতো, এসব ব্যক্তি তাদের নিজেদের কথাগুলোকে দ্বীনের অংশ বানিয়ে নিয়েছিলো ফলে নিজেদের কথাগুলোই সর্বক্ষন 'জ্ঞানে,কথায়,একে অপরে শুনায় এমনকি অন্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে নিত ফলে এসব ব্যক্তি আল্লাহর বিধানের কথা মান্য করত না ফলে এসব ব্যক্তি কা*ফের হয়ে গেলো কেননা এসব ব্যক্তি আল্লাহর বিধানকে অমান্য করত]

আল মাওসুয়াতুল আকিদাহ(৬/২৫২)

🖊️Muhammad Ali

13/10/2026

🔴আল্লামা' মুফাস্সির ও শায়খুল ইসলাম ইমাম আল বাগাভী রহ.(৫১৬ হি.) রুকইয়াহ করিয়ে টাকা বা মজুরি গ্রহন করা জায়েয বলেছে:-

وقال البغوي في شرح السنة: في الحديث دليل على جواز أخذ الأجرة على تعليم القرآن، وجواز شرطه، وإليه ذهب عطاء والحكم، وبه قال مالك والشافعي، وأبو ثور، قال الحكم: ما سمعت فقيها يكرهه، وفيه دليل على جواز الرقية بالقرآن وبذكر الله، وأخذ الأجرة عليه، لأن القراءة والفقه من الأفعال المباحة. انتهى

এবং আল বাগাভি রহ(৫১৬ হিজরী মৃ,ত্যু) তিনি তার শারহুস সুন্নাতে বলেন:- উক্ত সেই হাদীসে দলিল রয়েছে সেই বিষয়ের উপর জায়েয রয়েছে নির্দিষ্ঠ প্রতিদান গ্রহন করতে থাকা কুরআন শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে (মজুরি নেওয়া জায়েয) এবং তার(কুরআন শিখিয়ে টাকা নেওয়ার ব্যপারে) শর্ত করাও জায়েয। এবং তার সেই মতের দিকে গিয়েছে আতা এবং আল হাকাম এবং তার ব্যপারে মালেক ও শাফেঈ মত দিয়েছে এবং আবু ছাওর মত দিয়েছে, আল হাকাম বলেন :- আমি শুনি নাই যে, কোনো ফাকিহ তা(কুরআন পড়িয়ে টাকা নেওয়াকে) মাকরুহ বা অপছন্দ বলেছে। এবং তার ব্যপারে দলিল রয়েছে উক্ত সেই বিষয়ের উপর যেখানে জায়েয করা হয়েছে কুরআন দ্বারা রুকইয়াহ করা এবং আল্লাহর যিকির দ্বারা রুকইয়াহ করা (রুকইয়াহ কে জায়েয করা হয়েছে) এবং তার(রুকইয়াহ এর পুরো চর্চাকৃত বিষয়ের উপর) টাকা বা মজুরি গ্রহন করাও জায়েয রয়েছে। আর এরজন্য সেসব লোক কিরাআত(তেলাওয়াত করেও)মজুরি বা টাকা গ্রহন করতে পারবে এবং নির্দিষ্ঠ ফিকহ(সূক্ষ গভীর)জ্ঞান চর্চার মাধ্যমেও টাকা বা মজুরি গ্রহন করা জায়েয রয়েছে বর এসকল কর্মকান্ড মুবাহ(বৈধ) এর অন্তর্ভুক্ত।

🖋️Muhammad Ali

12/10/2026

🔴আল্লাহর চেহারা রয়েছে নবী স. আল্লাহর চেহারা দ্বারা আশ্রয় চেয়েছে। যেসব বিদআতি আল্লাহর চেহারা স্বীকার করেনা তাদের কথাকে সরাসরি রাসূল স. এর হাদীস দিয়ে রদ্দ করা হলো:-

حدثنا عبد الجبار بن العلاء العطار، وسعيد بن عبد الرحمن المخزومي ⦗٢٨⦘، قالا: حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن جابر، قال: لما نزلت هذه الايه علي رسول الله صلي الله عليه وسلم: {قل هو القادر علي ان يبعث عليكم عذابا من فوقكم} [الانعام: ٦٥] قال النبي صلي الله عليه وسلم: «اعوذ بوجهك» ، قال: " {او من تحت ارجلكم} [الانعام: ٦٥] , قال النبي صلي الله عليه وسلم: «اعوذ بوجهك الكريم» ، قال: {او يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم باس بعض} [الانعام: ٦٥] ، قال: «هاتان اهون وايسر» هذا لفظ حديث المخزومي ومعني حديثهما واحد

আমাদেরকে বলেছেন আব্দুল জাব্বা'র বিন আলায়ি আল আতা'র এবং সাই'দ বিন আব্দুর রহমান আল মাখযূমী(২৮) তিনি বলেন আমাদেরকে বলেছেন সুফিয়ান তিনি উমারু বিন দিনার হতে তিনি জাবের হতে তিনি বলেন :- যখন তিন(আল্লাহ) নাযিল করলেন এই আয়াতটি রাসূল স এর উপরে ( বলো তিনি নির্দিষ্ঠভাবে ক্ষমতাবান সেই বিষয়ের উপর আরো ব্যপার হচ্ছে তিনি পাঠাবেন তোমাদের উপর ব্যপক শা,স্তি তোমাদের উপর থেকে। (আল আনআম ৬৫), তখন নবী স. বললেন :- আমি আশ্রয় চাচ্ছি তোমার চেহারা দ্বারা। তিনি বলেন :- অথবা সংশ্লিষ্ট তোমাদের পায়ের নিচ থেকেও(তিনি আল্লাহ আ,যাব পাঠাবেন)।(আল আনআম :-৬৫ নম্বর আয়াত), তখন নবী স. বললেন :- আমি আশ্রয় চাচ্ছি সম্মানিত তোমার চেহারার দ্বারা। তিনি বলেন অথবা তোমরা যেই পোশাক পড়ে থাকো বিভিন্ন দলে দলে এবং সেসকল(ব্যক্তি তখন) স্বাদ গ্রহন করতে থাকে তোমাদের মধ্যে কিছু অংশের(মানুষেরা) ব্যপক ক্ষতি বা কষ্টের মাধ্যমে অপর কিছু অংশের(মানুষ দ্বারা)। সূরা আল আনআম :- (৬৫ আয়াত)।
তিনি বলেন :- দুইটি বিষয় এসেছে বর্ননায় সহজ ভাবে অথবা অপ,মানমূলক(কথার ব্যপারে) এবং সহজভাবেই উল্লেখ রয়েছে (উপরের কথাগুলো) - এই শব্দের বর্ননা মাখযুমের হাদিস থেকে করা হয়েছে যেটার অর্থ রয়েছে তার হাদীসের মধ্যে এককভাবে।

আত তাওহীদ লি ইবনে খুযাইমা (১৮ পৃষ্ঠা)

🖋️Muhammad Ali

10/10/2026

🔴তেলাওয়াতে তাজবিদ বা যেকোনো পদ্ধতিতে শুদ্ব করার নাম দিয়ে তাজবিদ সহ তেলাওয়াত না করলে সেই তেলাওয়াত বন্ধ রাখা যাবে না বরং এই সমপ্রদায় সম্পর্কে হাদীসে সতর্কতা এসেছে এদেরকে অনুসরণ করা যাবেনা, বরং তাজবিদ ছাড়াই তেলাওয়াত করা জায়েয রয়েছে:-

خَرجَ علَينا رسولُ اللَّهِ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ ونحنُ نقرأُ القرآنَ وفينا الأعرابيُّ والأعجَميُّ، فقالَ: اقرَءوا فَكُلٌّ حسَنٌ وسيَجيءُ أقوامٌ يقيمونَهُ كما يقامُ القِدْحُ يتعجَّلونَهُ ولا يتأجَّلونَهُ
خلاصة حكم المحدث : صحيح

তিনি বের হলেন আমাদের নিকট বা উপরে তিনি রাসূল স.(আসলেন আমাদের নিকট) এবং আমরা কুরআন পড়তে থাকলাম সে সময়ে এবং আমাদের মধ্যে তখন নির্দিষ্ঠ আরবরা ছিলো এবং নির্দিষ্ঠ অনারবরা ছিলো। তখন তিনি(নবী স.) বললেন, তোমরা(সকলেই কুরআন) পড়তে থাকো অত:পর প্রত্যেকের(কুরআন তেলাওয়াত করা)হচ্ছে উত্তম। এবং শীঘ্রই অধিক সংখ্যাক এমন সমপ্রদায় আসবে তারা(সকল লোকেরা কুরআন তেলাওয়াত তাজবিদ এর মাধ্যমে বা যেকোনো পদ্ধতিতে) ঠিক করা অথবা বিশুদ্ধ করতেই থাকবে অনবরত, যেমনটা সোজা করা হয় নির্দিষ্ঠ তীরকে অথবা নিন্দা করা হয়েছে(এসব সম্প্রদায়কে যারা তেলাওয়াত ঠিক করার বিষয়কে অতি গুরুত্ব দেখিয়েছে), তখন তারা(সকল এই সমপ্রদায়) তাড়াহুড়ো করবে (তেলাওয়াত এর ঠিক করার বিষয়টিতে) এবং তারা(সকল এই সম্প্রদায়) তাড়াহুড়ো বা দ্রততা ব্যতীত তেলাওয়াত করবে না(তথা কুরআন তেলাওয়াত ঠিক করার নামে তাজবিদ এর বাহিরে তারা তেলাওয়াত করবে না বরং তাজবিদ সহ তেলাওয়াত করার বিষয়ে তারা তাড়াহুড়ো করবে অথবা দ্রুততা দেখাবে) অথবা এখানে আরেকটা অনুবাদ করা যায় সেটা হলো, তারা(সকল সমপ্রদায় তাজবিদ সহ)তেলাওয়াত এর সময় দ্রুত পড়বে না। (মূলত এখানে আজাল তথা এক সমপ্রদায় তাজবিদ সহ দ্রুত পড়বে আর আরেক সমপ্রদায় তাজবিদ সহ তাড়াহুড়ো করে পড়বে না)

[অর্থাৎ, এখানে হাদীসে স্পষ্ট নস উল্লেখ রয়েছে 'যেখানে আরব এবং অনারব তারা সকলেই তেলাওয়াত করতেছিলো রাসূল স তাদের তেলাওয়াতকে সুন্দর বলেছে বরং কুল্লু শব্দটি দ্বারা প্রত্যেকের তেলাওয়াতকে উত্তম হিসেবে রায় দিয়েছে, কারন রাসূল স এখানে এমন কোনো শব্দ উল্লেখ করেনি যে, তাজবিদ সহ এরা তেলাওয়াত করতেছে আর এদের তেলাওয়াত সুন্দর রাসূল স এমনটা বলেননি বরং রাসূল স স্পষ্ট বলেছে 'তোমাদের আরব ও অনারব উভয়ের তেলাওয়াতই সুন্দর এ থেকে আরো স্পষ্ট বুঝা যায় যে, আরব ও অনারবদের কুরআন তেলাওয়াত এর সময় তাদের উচ্চারণ বিভিন্ন ছিলো তানাহলে 'আরব ও অনারব শব্দ উল্লেখ করে রাসূল স বলতো না যে, তোমাদের প্রত্যেকের তেলাওয়াত সুন্দর, এই কুল্লু শব্দ বলে আরব আর অনারব কে আলাদা করতো না বরং রাসূল স. তাদেরকে তেলাওয়াত করতে বলেছে অনবরত এবং তাদের প্রত্যেক তেলাওয়াত এর উচ্চারণকে উত্তম বলেছে। এরপর রাসূল স সতর্ক করে গিয়েছে, যদিও আরেকটা বর্ননা আছে সেটা পরের পোস্টে আসবে ' যে, এমন সম্প্রদায় যারা কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ব করার নাম দিয়ে এরা এতটা বেশি বাড়াবাড়ি ও তাড়াহুড়ো করবে যে মূল তেলাওয়াত এর উদ্দেশ্যই যেনো হচ্ছে তাজবিদ সহ তেলাওয়াত করা তানাহলে কুরআন তেলাওয়াত উত্তম হবেনা, অথচ হাদীসে তাজবিদ সহ তেলাওয়াত করতে হবে এরকম কোনো হাদীসই নেই হাদীসগ্রন্থে, হাদীসগ্রন্থে 'হরফের উচ্চারন করে করে তেলাওয়াত এর কথা রয়েছে। এজন্য এই হাদীসের দলিলে স্পষ্ট বলতেছে রাসূল স যে, এই নতুন সমপ্রদায় যারা মানবসমাজে বের হবে এদের মূল কাজই হলো 'কুরআন তেলাওয়াত এ তাজবিদ শিক্ষার নাম দিয়ে তাজবিদ শিক্ষা নিয়েই সবসময় পড়ে থাকবে তাজবিদ এর বাহিরে তারা তেলাওয়াত করবেনা 'ভালো করে হাদীসের শেষাংশে নজর দিন ' লা ইয়াতায়াজালাওনাহু বা আজাল্লাও ' মূল হচ্ছে এখানে বলা হচ্ছে এই সমপ্রদায়ের ব্যপারে যে এরা কুরআন তেলাওয়াত করবেইনা তাড়াতাড়ি বা দ্রুত পদ্ধতিতে যেই পদ্ধতিতে এরা কুরআন তেলাওয়াত ঠিক করার নাম দিয়ে ঠিক করার চেষ্টা করে থাকে যেটাকে তাজবিদ বলা হয়ে থাকে এই তাজবিদ এর নিয়মের বাহিরে এরা তেলাওয়াত করবেইনা। এই হাদীস কতটা সত্য আজকের যুগে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ভ,ন্ড বিদ,আতিরা 'বহু আগে থেকেই মানুষকে কুরআন থেকে দূরে সরাতে সরাতে এমন জায়গায় গিয়ে নিয়ে গিয়েছে যে, মানুষের মনে এরা একপ্রকার ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, কুরআন তেলাওয়াত তাজবিদ ছাড়া পড়লে সেই ব্যক্তির তেলাওয়াত হবে না এরা এদের বাতিল যুক্তি দিয়ে সরাসরি রাসূল স এর হাদীসকে প্রত্যাখ্যান করেছে, মানুষ ভয়ে কুরআন তেলাওয়াত করতেই চায়না, চিন্তা করে যে, আমার তেলাওয়াত তাজবিদ অনুযায়ী হবেনা সুতরাং তেলাওয়াত বাতিল এজন্য সাধারণ মানুষ কুরআন তেলাওয়াত কে এক প্রকার ভয় পেয়ে থাকে এই হাদীস বিরোধী বিদআ,তিদের জন্য। তবে আলহামদুলিল্লাহ 'হাদীস বিরোধী বিদ,আতিদের কথায় কান দেওয়া যাবেনা বরং যে যেভাবে পারবে হরফ উচ্চারন করেও তাজবিদ ছাড়াই তেলাওয়াত করতে পারবে এতে কোনো গুনাহ নেই, কিন্তু কোনোক্রমেই কোনো একটা মানুষকেও কুরআন তেলাওয়াত বাদ দেওয়া যাবে না। বরং আরো অসংখ্যা হাদীস আছে তেলাওয়াত করতে গিয়ে হরফে যদিও অনিচ্ছাকৃত ভুল হয় তবুও দুইগুণ সওয়াব আল্লাহ দিবে। কাজেই 'হাদীস বিরোধী সকল বিদআ,তিদের পরিত্যাগ করে রাসূল স এর সরাসরি নস তথা দলিলকে অনুসরণ করুন এবং কুরআন তেলাওয়াত নিজেও করুন অন্য যারা তাজবিদ এর ভয়ে তেলাওয়াত করেনা তাদেরকে বিষয়টি বুঝিয়ে দিন যাতে করে তারাও 'এই বিদআতি সমপ্রদায় সম্পর্কে সচেনত হয়ে যায় এবং নিজেরাও যে যেভাবে পাড়ে হরফ উচ্চারন এর সাথে তেলাওয়াত করে যাবে, তাজবিদ শিক্ষার বাড়াবাড়ির কারনে কেউ ভয় পেয়ে তেলাওয়াত বন্ধ করা যাবে না তাজবিদ সহ তেলাওয়াত করা ওয়াজিব নয় বরং হরফ উচ্চারন করতে শিখুন এরপর যবর যের পেশ তানবিন সাকিন 'তথা মৌলিক নিয়মগুলো শিখে তেলাওয়াত করতে থাকুন নিয়মিত ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তৌফিক দান করুক সকলকেই হাদীস অনুসরণ করার জন্য। আমিন

الراوي : جابر بن عبدالله | المحدث : الألباني | المصدر : صحيح أبي داود | الصفحة أو الرقم : 830
| التخريج : أخرجه أبو داود (830) واللفظ له، وأحمد (15308)

🖋️Muhammad Ali

06/10/2026

🔴ইয়াহিয়া বিন ইবরাহিম আস সালমাছি রহ.( ৪৭৪ হিজরিতে মৃ,ত্যু) আল্লাহ তায়ালা তাওহীদুল উলুহি,য়্যাহ এর ক্ষেত্রে একক।, মুশ*রিকরা মূলত রাসূলদের সাথে বিরোধ করত:-

وهو توحيد الألوهية أو توحيد العبادة: وهو إفراد الله عز وجل بالعبادة لا شريك له، وهو الذي خلق الله الجن والإنس من أجله قال تعالى: {وما خلقت الجن والإنس إلا ليعبدون} وهو الذي أرسل الله به الرسل قال تعالى: {ولقد بعثنا في كل أمة رسولا أن اعبدوا الله واجتنبوا الطاغوت} ، وهو التوحيد الذي أنكره المشركون ووقعت فيه الخصومة بين الرسل وأقوامهم.(ر: مجموع الفتاوى ١/٢٣ لابن تيمية، مدارج السالكين ١/٢١٥ لابن القيم)

এবং সেটা হচ্ছে তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ অথবা তাওহীদুল ইবাদাহ(ইবাদত এর ক্ষেত্রে তাওহীদ)। মূলত তিনিই আল্লাহ একক ইবাদত এর ক্ষেত্তে কোনো শরীক নেই তারজন্য। এবং তিনিই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন জিন এবং মানুষকে যেটি একটি উদ্দেশ্য বা কারনের অন্তর্ভুক্ত আর সেটা সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন 'আমি জিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করিনি ইবাদত ব্যতীত অন্য কোনো কাজ করার জন্য। [অর্থাৎ:- মহান আল্লাহ মানুষ এবং জিনকে একমাত্র সৃষ্টি করেছে শুধুমাত্র ইবাদত এর জন্য ] [মূলত আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয় ইবাদত এর ক্ষেত্রে তার কোনো শরীক নেই, কেননা ইবাদত এরক্ষেত্রে অনেক ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শি*রক করে থাকে মূলত সেটা হলো শি*রক ]

তিনিই(আল্লাহ) যা দিয়ে পাঠিয়েছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার রাসূলদেরকে। এবং আল্লাহ বলেন:- আর অবশ্যই আমরা পাঠিয়েছি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে রাসূল যে তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তা*গুত বর্জন করো। (সূরা নাহল ৩৬ নং আয়াত)।

আর উক্ত সেই তাওহীদকে যারা অস্বীকার করে মূলত তারা হলো সকলেই মুশ*রিক। এবং তাদের মাঝে সংঘটিত হতে থাকে একটি ব্যপক প্রতিদ্বন্দ্বীমূলক/ঝগ,ড়ামূলক আচরন যেটা হয়েছিলো রাসূল এবং তার কওমের মাঝে। [অর্থাৎ, আল্লাহর তাওহীদুল উলুহিয়্যাহর সেই একত্ববাদকে যারা অস্বীকার করেছিলো মূলত তারা মুশ*রিক এবং পরবর্তীতে এই মুশ*রিকদের মধ্যে ব্যপক প্রতিদন্ধি, ঝগ,ড়া,বিবাদ ক্রম ধারায় চলমান থাকে আর সেই মুশ*রিকরা যাদের সাথে ঝ,গড়া বিবাদ করত মূলত তারা ছিলো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূল মূলত মুশ*রিকরা অতীতেও রাসূলদের সাথে ঝগ,ড়ায় লিপ্ত হতো এবং পরবর্তীতেও শেষ নবী রাসূল সাঃ এর সাথে ভয়া,বহ ভাবে কলহ এবং ঝগ,ড়ায় লিপ্ত ছিলো]

(মাজমাউল ফতওয়া (১/২৩) লি ইবনে তায়মিয়াহ। মাদারিজুস সালেকিন (১/২১০) লি ইবনে কাইয়্যাুম।

কিতাবু মানাযিলিল আইম্মাতিল আরবাআ আবু হানিফা ওয়া মালেক ওয়া শাফেঈ ওয়া আহমদ(১৪৯ পৃষ্ঠা)

🖊Muhammad Ali

06/10/2026

🔷উছায়মীন রহ. বলেন :- কুরআন তেলাওয়াত এ তাজবিদ অনুযায়ী তেলাওয়াত করা ওয়াজিব নয় বরং তাজবিদ ছাড়া নরমালি যবর' যের ' পেশ' সাকিন সহ তেলাওয়াত করলেই উচ্চারণ ঠিক হয়ে যাবে।আরবী হরফের উচ্চারন ঠিক থাকলেই তেলাওয়াত সঠিক হয়ে যায়:-

وجاء في فتاوى اللقاء الشهري لابن عثيمين -رحمه الله-: القراءة بالتجويد ليست واجبة ما دام الإنسان يقيم الحروف ضما وفتحا وكسرا وسكونا، فإن التجويد ليس إلا تحسين اللفظ فقط، إن تمكن الإنسان منه فهذا حسن، وإن لم يتمكن فلا إثم عليه، لو قال مثلا في قوله تعالى: {فمن يعمل مثقال} [الزلزلة:7] (من يعمل) هذا حكمه إدغام بغنة، لو قال: فـ (من يعمل) لا يأثم؛ لأنه لم يغير، وكذلك {وما لهم من دونه من وال} [الرعد:11] (من وال) هذه -أيضا- إدغام بغنة، لو قال: (من وال) فلا يأثم.

এবং এসেছে ফাতওয়া আল লিকায়ি আশ শাহরি তে 'ইবনে উছা'য়মীন রহ. বলেন :- নির্দিষ্ঠ কিরায়াত পড়া তাজবিদ এর সাথে এটা ওয়াজিব নয় যেটা(আরবী হরফগুলো সেসব মানুষ) স্থায়ীভাবে বা অব্যহত ভাবে(পড়তে পারে) সঠিকভানে সেই(আরবী)হরফগুলো পেশ সহ 'এবং যবর সহকারে এবং যের সহকারে এবং সুকুন সহকারে (এভাবেই সকলকে পড়তে হবে)।অত:পর যদিও নির্দিষ্ঠ সেই(তাজবিদ শেখার কিছু)নেই তবে সুন্দর করে থাকে নির্দিষ্ঠ(আরবী) উচ্চারনগুলোকে 'কেবল এতটুকুই। যদি সম্পভ হয় নির্দিষ্ঠ মানুষ তা(তাজবিদ)হতে(শিখবে) তখন এটা সুন্দর। এবং যদিও সেসকল(ব্যক্তির পক্ষে)সম্ভব না হয় (তাজবিদ সহ তেলাওয়াত করা) তখন তাদের উপর কোনো গুনাহ হবে না। যদিও, সে বলে অনুরূপ এভাবে, উক্ত তার(আল্লাহর) আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেন (ফামান ইয়ামাল) সেসব ব্যক্তিরা যদি 'মাই ইয়ামাল' পড়ে এটার হুকুম হচ্ছে তখন ইদগাম বিগুন্নাহ সহ পড়া। যদি কেউ পড়ে এভাবে(মান ইয়ামাল) (যদি মাই ইয়ামাল না পড়ে মান ইয়ামাল)পড়ে তবে সেটা গুনাহ হবে না এরজন্য নিশ্চয় তা(হরফের মূলটা) পরিবর্তন হয়নি।
এবং একইভাবে ( ওয়ামা লাহুম মিন দুনিহি মিন ওয়ালি) রদ :-১১ নম্বর আয়াত। যে ব্যক্তি এভাবে পড়বে যে (মিও ওয়ালি) তখন এটির(উচ্চারন)সহ আরো বিষয় হচ্ছে সেটা(মিও ওয়ালি) ইদগাম করা হয়েছে গুন্নাহ এর সাথে। আবার যদি কেউ বলে (মিন ওয়ালি) তবে কোনোরোকম গুনাহ হবে না (মূলত এভাবে পড়াও সঠিক)।
অর্থাইৎ
[উছায়মীন রহ. বুঝিয়েছেন যে, তাজবিদ সহকারে কুরআন তেলাওয়াত করা এটা ওয়াজিব নই মূলত কুরআন তেলাওয়াত এর সময় অক্ষট পরিবর্তন হওয়া যাবে না কারন অক্ষরটাই হচ্ছে মূল আর তাই অক্ষরটা উচ্চারন করে এরপর যবর যের পেশ সাকিন এগুলো ঠিক রেখে পড়লেই কুরআন তেলাওয়াত যথেষ্ট হয়ে যাবে। এবং কেউ যদি তেলাওয়াত এর সময় (নূন সাকিন এরপর ইয়া আসলে তখন ' মাই ইয়ামাল পড়তে হয় মান ইয়ামাক এর জায়গায় কিন্তু এই তাজবিদ বাদ দিয়েও যদি কেউ মূল হরফ উচ্চারন করে শুধু মান ইয়ামাল পরে তবে সেটাও শুধু ও সহীহ হবে 'মূল হচ্ছে হরফ পরিবর্তন হওয়া কারন হরফ স্পষ্ঠ উচ্চারন করে পড়তে হবে তাহলে তেলাওয়াত সহীহ হিসেবে ধরা হবে, যেমন নূূন সাকিন এরপর ওয়াও থাকাই মিও ওয়ালি পড়া হয়েছে মিন ওয়ালি এর জায়গায় এখন কেউ যদি মিন ওয়ালি পড়ে 'এটা ও সহিহ হবে আর এটাই মূল হরফ আর মূল হরফ উচ্চারন যতক্ষন জিহবাতে থাকবে ততক্ষণ ব্যক্তির অর্থ ভুল হবে না বরং আরবী মূক হরফ থেকেই আয়াতের অর্থ সাব্যস্ত হয়ে থাকে ' তাজবিদ এর ব্যবহার করা উচ্চারন থেকে হরফের অর্থ সাব্যস্ত হয়না আবার পরিবর্তন হয়না। যেমন সমাজে 'যারা কুরআন শেখায় এরা অসংখ্য ভুল ফতওয়া দিয়ে বেড়ায় যে, তাজবিদ সহ কুরআন তেলাওয়াত না করলে কুরআন এর আয়াত এর অর্থ পরিবর্তন হয় অথচ এটা ভুল ফতওয়া এরকম কোনো ফতওয়া রাসূল স এর হাদীস থেকে নেই বরং পরবর্তীতে 'নতুন এগুলো বের করা হয়েছে ' কারন তাজবিদ এর ব্যবহারারিক উচ্চারন দিয়ে আরবী হরফের অর্থ পরিবর্তন হয়না বরং আরবী হরফ তেলাওয়াত করতে গিয়ে কেউ যদি হরফ সঠিক জায়গায় উচ্চারন না করে অন্য হরফ উচ্চারন করে ফেলে তখনি হরফ অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়।আর আরবী হরফের কারনেই ' অনুবাদ সাব্যাস্ত হয় ' আরবী হরফের মূল তিন অক্ষর ছাড়া ' কখনোই সঠিক অনুবাদ করা সম্ভব নয়]

বিস্তারিত আরো পোস্ট আসবে তাজবিদ এটা কখন আবিষ্কার করা হলো এবং তাজবিদ সম্পর্কে হাদীসে কি বলা হয়েছে এবং হাদীসে কি আদৌ তাজবিদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটা সময়ও বিস্তারিত আর্টিকেল আসবে ইনশাআল্লাহ।

🖋️Muhammad Ali

02/10/2026

শাইখ আব্দুর রহমান বিন সালেহ বিন সালেহ আল মাহমুদ হাফি:-(জন্ম ১৩৭৩ হিজরী:-)হাদীসকে সামনে রেখে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কুরআন এর একটি হরফ বা কুরআন এর সূরা বা কুরআন এর কোনো অংশ অস্বীকার করবে এবং নবী ও সকল রাসূলদেরকে অস্বীকার করবে মূলত সে ব্যক্তি কাফের:-(উক্ত বিষয়ের উপর উলামাদের ইজমা ও মুসলিমরা ঐক্যমত পোষন করেছে)

(( وقال عليٌ رضي الله عنه : (( من كفر بحرفٍ منه , فقد كفر به كله )) )) . هذا الأثر الوارد عن علي بن ابي طالب مروي عنه بسند صحيح رواه عنه ابن ابي شيبة في المصنف, وأيضاً رواه عنه ابن جرير في مقدمة تفسيره , وهو اثر موقوف صحيح , وما دل عليه من الحكم مجمع عليه , وقد فسره الشيخ رحمه الله تعالى بعد ذلك فقال : ((واتفق المسلمون على عدِّ سور القرآنِ وآياته , وكلماتِهِ , وحروفِهِ , ولا خلاف بين المسلمين في أنَّ من جحد من القرآن سورةً , أو آيةً , أو كلمةً , أو حرفاً متفقاً عليه - انه كافر, وفي هذا حجَّةُ قاطعةُ على انه حروفٌ .
اجمع العلماء على أن من كفر بحرف من القرآن متفقاً عليه , بين العلماء فهو كافر كمن انكر القرآن كله أو سورة من سوره, أو جزءاً من اجزائه, وهذه قضية واضحة جدَّاً شبيهة بقولنا : من كفر برسول ورد ذكره في القرآن مثلاً فقد كفر بجميع الرسل , فلو أن إنساناً آمن بالرسل جميعاً وصدق بهم واتبع محمد ( . ثم قال : أنا لا أؤمن برسالة نبي الله صالح , أو نبي الله هود, فإنه والحالة هذه يكون كافراً, بل هو كافر بجميع الرسل , لأن السبب الذي من أجله آمن ببقية الرسل موجود في صالح او في هود, فإذا كفر به فكانه كفر

আলী রা: বলেন যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে হরফকে ও সংশ্লিষ্ট তার বিষয় হতে, অত:পর সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে তার(উক্ত অস্বীকার দ্বারা) তার প্রত্যেক অস্বীকার করার কারনে। এই আছা'রটি নির্দিষ্ঠভাবে বর্ণনা হয়েছে আলি বিন আবি তালিব মারওয়ী তার হতে সহীহ সনদে তিনি বর্ণনা করেছেন মুসান্নিফ ইবনে আবি শায়বা হতে তার মুসান্নাফে।এছাড়াও আরো বর্ণনা এসেছে ইবনে জারির তার তাফসীরের মুকাদ্দামাতে ' সেই আছারটি মাওকুফ সহীহ'। এবং দলিল রয়েছে তার উপর সংশ্লিষ্ট সেই হুকুমের ব্যপারে যা একত্রিত করা হয়েছে(তার দলিলের উপর)। এবং নিশ্চয় তার(দলিলের) ব্যপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা করেছে 'শাইখ(ইবনে জারির রহ.) পরবর্তীতে সেটির ব্যপারে তিনি বলেন,মুসলিমরা ঐক্যমত পোষন করেছে তার উপর যেটা বিবেচনা করা হয়েছে, কুরআন এর সূরা হিসেবে এবং তার আয়াত হিসেবে এবং তার কালেমা(কথার)হিসেবে এবং (কুরআন এর) হরফ হিসেবে 'যেখানে মুসলিমদের মাঝে কোনো মতবিরোধ নেই এই ব্যপারে যে, নিশ্চয় যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে নির্দিষ্ঠ কুরআন থেকে সূরা সমূহকে এবং আয়াত সমূহকে এবং কালেমাকে(কথাকে),এবং হরফকে 'সর্বসম্মত মত তাদের উপর যে, নিশ্চয় সেসব ব্যক্তিরা কাফের। এবং এই ব্যপারে এটা একটি অকাট্য প্রমান সাব্যাস্ত করে এসব হরফ(বর্ণের) উপর। উলামাদের মধ্যে ইজমা রয়েছে এটার উপর যে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে একটি হরফ যেটা মূলত কুরআন এর যেকোনো(হরফের)অন্তর্ভুক্ত, এটা সর্বসম্মত মত তাদের(কুরআন এর হরফ অস্বীকারকারীদের) উপর 'উলামাদের মধ্যে যে, তখন সে ব্যক্তিরা কাফের হয়ে গেলো। অত:পর যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে কুরআন ও তার পুরো বিষয়কে অথবা কুরআন এর সূরা অস্বীকার করবে যেগুলো ব্যপক সূরাসমূহের অন্তর্ভুক্ত থেকে(১ টি সূরাকে অস্বীকার করলে), অথবা কুরআন এর কোনো অংশকে কেউ অস্বীকার করবে যেগুলো ব্যপকভাবে কুরআন এর পুরো অংশের যে কোনো অংশের অন্তর্ভুক্ত(কুরআন এর পুরো অংশের মধ্যে সামান্য অংশকেও কেউ অস্বীকার করাকে বুঝানো হয়েছে) এবং এটা নির্ধারিত একটি বিষয় এবং স্পষ্ট বিষয় জোড়ালোভাবে। এবং অনুরূপ সে ব্যক্তিরাও সাদৃশ্যধারন করে কথা বলে থাকে আমাদের মাঝে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে রাসূলকে যা বর্ণিত হয়েছে এবং তার ব্যপারে আলোচনা এসেছে কুরআন এর মধ্যে অনুরুপ তখন সে ব্যক্তিরা অস্বীকার করেছে সকল রাসূলদেরকেও। অত:পর তিনি বলেন, যদি এমন যে, মানুষ ঈমান(বিশ্বাস করবে)সকল রাসূলগনকে , এবং সত্য হিসেবে মেনে নেয় তাদেরকে(রাসূলগনকে) এবং মুহাম্মদ স. কে অনুসরণ করতে থাকে। অত:পর তিনি বলেন, আমি ঈমান আনব না নবীর রিসালাত নিয়ে আসা সালেহ এর প্রতি অথবা আল্লাহর নবী হুদের প্রতি ঈমান আনব না অত:পর নিশ্চয় তার এমন কথা এবং নির্দিষ্ঠ অবস্থা মূলত এটা বলার কারনে সে ব্যক্তি কাফের হয়ে গেলো। বরং সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো সকল রাসূলদের মতে।এরজন্য নিশ্চয় কারন রয়েছে যা সেসব বড় বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত সে ব্যক্তি নিরাপদ হয়ে গেলো যারা অবশিষ্ট ছিলো ও যিনি রাসূল ছিলো।আর যারা উপস্থিত ছিলো সেখানে নবী সালেহ এর নিকট অথবা হুূদের নিকট।অত:পর যখন সেসব ব্যক্তিরা কাফের(অস্বীকার করল) তাদের(নবীদের প্রতি) অত:পর সে ব্যক্তিরা কাফের হয়ে গিয়েছিলো।
[অর্থাৎ, সেসব ব্যক্তি যারা কুরআন থেকে একটি হরফও অস্বীকার করবে মূলত সেসব ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে এমন বিশ্বাস করার কারনে।এছাড়াও যে ব্যক্তিরা কুরআন এর একটি সূরাও যদি কেউ অস্বীকার করে তবে সেসব ব্যক্তিরা কাফের হয়ে যাবে এমন বিশ্বাস নিজের অন্তরে রাখার জন্য। এবং সে ব্যক্তিও কাফের হয়ে যাবে যে ব্যক্তি পুরো কুরআন এর কোনো একটা অংশ মাত্র অস্বীকার করবে মূলত ওসব ব্যক্তিদের এমন অস্বীকার করার কারনে ওসব ব্যক্তি সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে লেখক, এমনটাই বুঝিয়েছে। এছাড়াও যেসব ব্যক্তি পৃথিবীতে আসা সকল নবীকে অস্বীকার করে বসবে মূলত সেসব ব্যক্তিরাও কাফের হয়ে যাবে 'কারন কোনো মানুষ যদি নবীদের অস্বীকার করে তাহলে সে ব্যক্তি মুসলিম নয় বরং সে ব্যক্তি বিধর্মী কাফের। এছাড়াও যে ব্যক্তি এমনটা বলবে যে, আমি রাসূলের উপর ঈমান আনব না এবং পূর্ববর্তী যারা নবী ছিলো তাদের প্রতিও ঈমান আনব না মূলত ওসব ব্যক্তিদের এমন কথা বলার কারনে সেসব ব্যক্তিরা কাফের হয়ে যাবে। আর সে ব্যক্তিরাই নিরাপদ হয়ে যাবে যারা অবশিষ্ট ব্যক্তি ছিলো যারা রাসূলদের উপর ঈমান এনেছিলো এবং সত্য হিসেবে মেনে নিয়েছিলো এবং যারা রাসূল ছিলল শুধুমাত্র তারাই নিরাপদ ছিলো(তাদের ঈমান নিরাপদ ও সঠিক ছিলো আল্লাহর রিসালাত পালন করার দ্বারা)।

الكتاب: تيسير لمعة الاعتقاد

المؤلف: عبد الرحمن بن صالح بن صالح
المحمود ১৮১

বই:- তাইসিরু লুমআতুল ইতিক্বাদ(১৮১ পৃষ্ঠা)

🖊️Muhammad Ali

01/10/2026

🔷কুরআন চর্চাকারীদের বিরুদ্ধে যেসব নাস্তি*ক সহ যারাই সে সেকুলা*রদের সদস্য হোক বা বাতিল আকিদা লালনকারী হোক না কেনো, যারাই কুরআন এর আয়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে এবং বাজে ধারনা রাখবে তখন সে ব্যক্তি সাথে সাথে কা*ফের হয়ে গেলো:-

حدثنا ابو معاويه، قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن ابي سلمه، عن ابي هريره، قال: قال رسول الله صلي الله عليه وسلم: " المراء في القران كفر " (٣)

আমাদেরকে মুয়াবিয়া বলেছেন তিনি বলেন আমাদেরকে বলেছেন মুহাম্মদ বিন উমারু তিনি আবি সালামাহ হতে তিনি আবু হুরায়রা রা: হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল স. বলেছেন:- নির্দিষ্ঠভাবে সেই সেসকল(ব্যক্তিরা) লোক দেখানোর জন্য বা ভান করে থাকে অথবা বিরুদ্ধচারন করে থাকে কুরআন এর(সামগ্রিক চর্চার ব্যপারে) তখন সেসব(ব্যক্তিরা)কা*ফের হয়ে গেলো। (মুসনাদ আহমাদ:- ৯৪৭৯

[অর্থাৎ, যে ব্যক্তি নিজের ব্যক্তিগত কথা দিয়ে কুরআন এর বিরুদ্ধে ভুয়া কথা বলে যেগুলো মূলত ভান করে 'কুরআন এর কথা বলাী চেষ্টা করে এটা বলে, কিন্তু আসলে কুরআন এর আয়াত বলে না বরং কুরআন এর আয়াতের কথা বলার দ্বারা মূলত ভান করা বা কপটতা করার চেষ্টা করে এই শ্রেনী মূলত কা*ফের হয়ে যাবে। এছাড়াও যেসব ব্যক্তি কুরআন এর আয়াতকে এমনটা মনে করে যে, এই কুরআন এর আয়াতগুলো শুধু লোখ দেখানোর জন্য পাঠানো হয়েছে মানুষের জন্য এই কুরআন এর আয়াত মানুষের জন্য একটা ধর্ম ব্যবসার মত লোখ দেখানোর ব্যপারের মত, যেমনটা নাস্তি*ক ও কুরআন বিরোধী কা*ফেররা বলে থাকে এছাড়াও সেকুলা*ররাও কুরআন এর আয়াত চর্চাকারীকে ধর্মব্যবসায়ী বলে গা*লি দিয়ে থাকে এছাড়াও সমাজের কুরআন বিরোধীরা কুরআন এর আয়াত চর্চাকারীদের জ*ঙ্গী ট্যাগ দিয়ে থাকে মূলত 'আল মারায়া' দ্বারা এই শ্রেনীর অভিশ*প্ত ব্যক্তি যারা মনে করে থাকে এবং বাজে কথা বলে থাকে 'কুরআন যারা চর্চা করে তাদের ব্যপারে ' তখন এসব কুরআন এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিগুলো তাদের বাতিল কথা বলার কারনে সাথে সাথে কাফে*র হয়ে যায়]

(٣) حديث صحيح، وهذا اسناد حسن من اجل محمد بن عمرو -وهو ابن علقمه الليثي-، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين. ابو معاويه: هو محمد بن خازم الضرير. وانظر (٧٥٠٨) .

হাদীসটি সহীহ। এবং এটার সনদ হচ্ছে হাসান সংশ্লিষ্ট মুহাম্মদ বিন উমারু এর কারনে এবং তিনি হচ্ছে ইবনে আলকামা'হ আল লাই'ছি, এবং অবশিষ্ট তারা ব্যক্তিরা(বর্ণনাকারীরা)হচ্ছে সিকাত(নির্ভরযোগ্য) দুইজন শায়েখের মতে(ইমাম বুখারী ও মুসলিমের শর্তে)। আর আবু মুয়াবিয়া :- সে হচ্ছে মুহাম্মদ বিন খাযিম আদ্ব দারির।

🖋️Muhammad Ali

13/09/2026

আশ শাইখ আলাওয়াঈ বিন আব্দুল কাদ্বির আস সাক্বাফী (১৩৭৬ হিজরীতে জন্ম) তিনি ওসব ব্যক্তিকে কা,ফের বলেছে যারা আল্লাহর বিধানের প্রতি সন্দেহপোষন করত:

كفر الشك، وهو التردد، وعدم الجزم بصدق الرسل، ويقال له كفر الظن، وهو ضد الجزم واليقين.
والدليل قوله تعالى: وَدَخَلَ جَنَّتَهُ وَهُوَ ظَالِمٌ لِنَفْسِهِ قَالَ مَا أَظُنُّ أَنْ تَبِيدَ هَذِهِ أَبَدًا وَمَا أَظُنُّ الساعَةَ قَائِمَةً وَلَئِنْ رُدِدْتُ إِلَى رَبِّي لأجِدَنَّ خَيْرًا مِنْهَا مُنْقَلَبًا قَالَ لَهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ أَكَفَرْتَ بِالَّذِي خَلَقَكَ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ سَواكَ رَجُلًا لَكِنا هُوَ اللَّهُ رَبِّي وَلا أُشْرِكُ بِرَبِّي أَحَدًا [الكهف: 35 - 38].

সে ব্যক্তি কাফের হলো যারা নির্দিষ্ঠভাবে সন্দেহ করত এবং তারা প্রত্যাখ্যান করত এবং এমন সিদ্ধান্তের বাহিরে তাদের কথাগুলো ছিলো নির্দিষ্ঠ রাসূলের সত্য কথার বিষয়গুলোতে।এবং তিনি বলেছিলো তাদের জন্য যে, সেসব ব্যক্তি কা,ফের যারা নির্দিষ্ঠ ধারনাকারি ব্যক্তি এবং তারা বিপরীত মত পোষন করত ও নির্দিষ্ঠ সিদ্ধান্তগুলো তারা নিয়ে থাকতো এবং তাদের বিশ্বাস এটাই ছিলো। আর এব্যপারে দলিল হচ্ছে কুরআন থেকে মহান আল্লাহ বলেন:- এবং সে প্রবেশ করলো তার বাগানে এবং তিনি তখন জালেম অবস্থায় ছিলো নিজের উপর।তিনি বললেন আমি ধারনা রাখিনা যে, এই বাগান কখনোও ধ্বংস হবে। (কাহফ:-৩৫)।
এবং আমি এও মনি করি না যে,কিয়ামত সংঘটিত হবে আর অবশ্যই যদি আমাকে প্রত্যবর্তিত করে নেওয়া হয় আমার রবের নিকট,তবে অবশ্যই আমার জন্য প্রাপ্তি রয়েছে উত্তমভাবে তা হতে যারা প্রত্যাবর্তনের জন্য নিয়ে যাবে।(কাহফ:৩৬)।
তার জন্য তিনি বললেন ও তার সাথীগনও তাকে বললেন এবং সে যখন একসাথে তাদের সাথে আলোচনা করতেছিল তখন বললেন 'তুমি কি কা,ফের(অস্বীকার করতেছো যে) যে সেই বিষয়গুলোতে যা দ্বারা তোমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে 'সংশ্লিষ্ট সেই মাটি হতে এবং শুক্রাণু হতে এরপর পরিপূর্ণতা দেওয়া হয়েছে একজন ব্যক্তিতে। (কাহফ:-৩৭)।
কিন্তু আমি বলি,তিনিই আল্লাহ আমার রব আমি কোনোক্রমেই শিরক করতে থাকি না আমার রবের সাথে অন্য কাউকেই।(কাহফ:-৩৮)
[অর্থাৎ,ইসলামের বিধাম নিয়ে যারাই সন্দেহ করেছিলো এবং সন্দেহ করাটাকে প্রতিনিয়ত করে নিয়েছিলো যেখানে বারবার সন্দেহ করত এবং সই সন্দেহ করার ফলে অবশেষে ওসব ব্যক্তি কা,ফের হয়ে গেলো। তাদের মধ্যেও অনেকেই বলত যে, এই বিষয়টা কা,ফের হওয়ার আলামত যেখানে সন্দেহ থাকে এবং ইসলামের বিধানকে সন্দেহ করা হয়। কারন সন্দেহ করলে আল্লাহর প্রতি ঈমান পরিপূর্ণ হয়না। ফলে ওসব ব্যক্তি তখন কুফরীর দিকে চলে যায় শেষ দীর্ঘ সময় অহংকার এর মধ্যে থাকার কারনে ওসব ব্যক্তি কা,ফের হয়ে যায় ]

আল মাওসুয়াতুল আকিদাহ(৬/২৫২)

🖊️Muhammad Ali

Address

Gazipur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Muhammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share