Raqi Muhammad Ali

Raqi Muhammad Ali Giving to treatment in quranic way Jinn,Black magic,Evil eye,Eye hasad or physical or mental disease

31/05/2026

ইবনে তায়মিয়াহ রহ তার কিতাবে তিনি আবু হানিফা রহ. এর উক্তি এনে বলেছে, ইমাম আবু হানিফা ওসব ব্যক্তি কাফের বলেছে যেসব ব্যক্তি 'আল্লাহ আরশের উপর রয়েছে ' এটাকে অস্বীকার করত:-

قال المؤلف رحمه الله تعالى: [قال: وذكر الكلام في قتل الخوارج والبغاة إلى أن قال: قال أبو حنيفة عمن قال: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض، فقد كفر؛ لأن الله يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سموات].

ومن أنكر أن الله فوق العرش فقد كفر.

লেখক বলেন(আল্লাহ তার উপর রহমত করুন). তিনি বলেন, এবং তিনি আলোচনা করেছেন সেসব নির্দিষ্ঠ কথার ব্যপারে যেখানে খারেজী ও বিদ্রোহীদের হত্যার বিষয় নিয়ে ও সেই বিষয়ে ব্যপারে তিনি বলেছেন যে, আবু হানিফা রহ. বলেন সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যাক্তি এমনটা বলে যে আমি জানি না আমার রব আকাশে নাকি জমিনের মধ্যে আছে? অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে(আল্লাহ সম্পর্কে উক্ত কথা বলার কারনে)। এর জন্য অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি বলেন, রহমান(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে (ত্বহা:-০৫) এবং তার আরশ রয়েছে সাত আকাশের উপরে।

এবং যে ব্যক্তি অস্বীকার করতে থাকবে যে আল্লাহর আরশের উপর আছেন অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে।

قال: [قلت: فإن قال: إنه على العرش استوى ولكنه يقول لا أدري العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: هو كافر؛ لأنه أنكر أن يكون في السماء؛ لأنه تعالى في أعلى عليين وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل].

তিনি বলেন নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে এবং সে ব্যক্তিরা কিন্তু এ কথা বলে যে, আমি জানি না আরশ আকাশের মধ্যে নাকি জমিনের মধ্যে? তিনি(আবু হানিফা)বলেন, সে ব্যক্তি কাফের হয়ে গিয়েছে(আল্লাহর সম্পর্কে এমন কথা বলার কারনে)।এরজন্য যে, নিশ্চয় সে ব্যক্তি অস্বীকার করেছেন যে, আকাশের মধ্যে অবস্থিত অস্তিত্বকে, এর জন্য নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) অধিক উপরে রয়েছে যা ইল্লিনের উপরে এবং নিশ্চয় তিনি আহবান করেই সেই উপর থেকে। তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।

وفي لفظ ـ سألت أبا حنيفة عمن يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض.
قال: قد كفر؛ لأن الله تعالى يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سماوات، قال: فإنه يقول: ﴿ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ ولكن لا يدري العرش في الأرض أو في السماء.

এবং উক্ত লাফয(শব্দের ব্যপারে) আমি জিজ্ঞেস করলাম আবু হানিফাকে সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যক্তি বলে থাকে যে, আমি জানি না 'আমার রব আকাশে অথবা জমিনে। এরপর তিনি (আবু হানিফা রহ.)বলেন সে ব্যক্তি(এ কথা বলার কারনে) কাফের হয়ে গেলো।এর জন্য নিশ্চয়, আল্লাহ তায়ালা বলেন 'রহমান আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে। (ত্বহা:-০৫ নম্বর আয়াত)। এবং তার(আল্লাহর)আরশ হচ্ছে সাত আকাশের উপরে। তিনি বলেন, অত:পর নিশ্চয় তিনি এব্যপারে বলেন যে, 'আলাল আরশি'ছ তাওয়া ' এব্যপারে তবে যে ব্যক্তি জানে না আরশ সম্পর্কে যে,(আরশ) তা জমিনে নাকি নাকি আসমানে।

قال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.
[تكفير أبي حنيفة لمن توقف ولم يجزم هل الله في السماء أم في الأرض] :
ففي هذا الكلام المشهور عن أبي حنيفة عند أصحابه أنه كَفَّر الواقف الذي يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض؛ فكيف يكون الجاحد النافي الذي يقول: ليس في السماء [أو ليس في الأرض ولا في السماء؟] واحتج على كفره بقوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] قال: وعرشه فوق سبع سماوات.

তিনি(আবু হানিফা রহ.)বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি অস্বীকার করবে নিশ্চয় (আল্লাহ আকাশে) এ ব্যপারটিতে তখন সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে। কাফের বলেছে আবু হানিফা রহ. সে ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি অবস্থান নিয়েছে (আল্লাহ)আসমানে এটা অস্বীকার করার ব্যপারে। এবং যে ব্যক্তি এব্যপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, আল্লাহ কি আকাশে নাকি জমিনে আছেন?।
[তথা যে ব্যক্তি এটা অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশে নয় তখন সে ব্যক্তি সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে এমনটিই মত দিয়েছে আবু হানিফা রহ.। এছাড়া ওসব ব্যক্তিও যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থানও পরিষ্কার করেনি যে, আল্লাহ কোথায় আছে, আল্লাহ আকাশে আছে নাকি জমিনে আছে এই বিষয়টি সম্পর্কে যে ব্যক্তি সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি মূলত ওসব ব্যক্তিও কাফের। কারন আল্লাহ কোথায় আছে আছে এটা একজন ব্যক্তি না জানলে সে মুসলিম হবে কিভাবে? এই একটা কারনেই তো অনেক বিধর্মী আজকের যুগে কাফের, তার কারন হচ্ছে বিধর্মীরা জানেই না যে, এক আল্লাহ কোথায় রয়েছে 'এজন্য আবু হানিফা রহ. ওসব ব্যক্তিকেও কাফের বলেছে যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি যে আল্লাহ কোথায় রয়েছে।

وبَيَّنَ بهذا أن قوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ يبين أن الله فوق السماوات، فوق العرش، وأن الاستواء على العرش دل على أن الله نفسه فوق العرش، ثم أردف ذلك بتكفير من قال إنه على العرش استوى
ولكن توقف في كون العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: لأنه أنكر أنه في السماء؛ لأن الله في أعلى عليين، وأنه يُدعَى من أعلى لا من أسفل، وهذا تصريح من أبي حنيفة بتكفير من أنكر أن يكون الله في السماء، واحتج على ذلك بأن الله تعالى في أعلى عليين، وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل

এবং সে ব্যক্তিদের স্পষ্ট বিষয় এটার দ্বারা যে, আল্লাহ সুবহানাহু তার ব্যপারে বলেন, (আর রহমান আলাল আরশি'স তাওয়া- অর্থা আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছেন), তিনি(আবু হানিফা রহ) স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আল্লাহ আকাশের উপর রয়েছে ও আর আরশ রয়েছে আকাশের উপর, এবং এক্ষেত্রে তিনি (আল্লাহ) ইস্তাওয়া করেছেন আরশের উপর
আর এর উপর দলিল রয়েছে যে, আল্লাহ তার নিজের জন্য আরশের উপর থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে। অত:পর তিনি অনুসরণ করতে থাকলেন সেটির অস্বীকার করার ব্যপারে,যে ব্যক্তি বলে যে, নিশ্চয় আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে।এবং তবে সে ব্যক্তিরা এটা অবস্থান নিয়েছে যে, 'আরশের অবস্থান তা আকাশে মধ্যে অবস্থিত নাকি নাকি জমিনের মধ্যে অবস্থিত? তিনি বলেন এরজন্য নিশ্চয় তারা অস্বীকার করবে যে, নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে আছেন।, আর নিশ্চিতভাবে আল্লাহ ইল্লিয়ন(সকল কিছুর উপরে) তথা সকল কিছুর উপরে অবস্থান করতেছেন। এবং তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন সেই উপর থেকে 'তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।এবং এটা স্পষ্ট বিষয় আবু হানিফা থেকে তাকফির(কুফরীকারীদের) এর বিষয়ে যে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশের মধ্যে আছেন, আী এটা প্রমান বহন করে যে, তার(আল্লাহর) উপরে থাকার বিষয়টি যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি সকল কিছুর উপরে আছেন।এবং তিনি আহবান করতে থাকেন উপর থেকে তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে আহবান করেন না।

وكل من هاتين الحجتين فطرية عقلية، فإن القلوب مفطورة على [الإقرار] بأن الله في العلو، وعلى أنه يدعى من أعلى لا من أسفل، وقد جاء اللفظ الآخر صريحًا عنه بذلك، فقال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.

এবং প্রত্যেক সেই দুটি বিষয়ে দুটি প্রমান রয়েছে ' এর একটি হচ্ছে, ফিতরিয়াত(স্বাভাবিক প্রকৃতি ও স্বভাব বৈশিষ্ট্য) আর অন্যটি হচ্ছে আকলিয়্যাহ(জ্ঞানের বৈশিষ্ট্য)।তবে নিশ্চয় যারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে 'আলাল ইক্বরাহ' (উপর নির্ধারন)এর ব্যপারে। আর আল্লাহ তিনি উলু(উপরে) এবং তিনি উপর থেকেই নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন উপর থেকে, তিনি(আল্লাহ)নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না। এবং নিশ্চয় এই শব্দ এসেছে শেষে ও তা স্পষ্ট তার ব্যপারে সেটিতে যে, তবে তিনি(আবু হানিফা রহ.) বলেন, যখন কেউ অস্বীকার করবে নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে, তখন ওসব ব্যক্তি কাফের হয়ে গেলো।
[অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি এটা বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ আকাশের উপরে নয় তখন ওসব ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে, এবং এটা স্পষ্ট মানুষের জ্ঞানের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ তিনি আকাশের উপরেই রয়েছেন, কেননা মানুষ হাত তুলে উপরের দিকেই দেয়া করতে থাকে আর উক্ত উদ্ধৃতিতে আল্লাহ তিনি সবকিছুর উপর থেকেই আহবান করতে থাকেন।আর তাই এখানে স্পষ্ট প্রমান হিসেবে ফিতরাতী জ্ঞান তথা মানুষের মধ্যে এটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ উপরে রয়েছে, কেননা মানুষ যখন কোনো কিছু চাওয়ার আহবান করে নিজের অজান্তেই আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে থাকে এবং তার নিকট ফিরে দোয়া আকুতি জানিয়ে থাকে এবং মানুষের 'ফিতরাত এর জ্ঞানে রাসূলের যুগে 'এক দাসি তিনিও আল্লাহকে উপরে থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে'। আর দ্বিতীয় আরেকটি দলিল হলো (জ্ঞান) তথা কুরআন ও হাদীসের জ্ঞানগুলো আরো স্পষ্ট করে দেয় যে, মহান আল্লাহ তিনি আরশের উপর রয়েছে এবং সকল কিছুর উপরে তিনি রয়েছে]

الكتاب: الفتوى الحموية الكبرى

المؤلف: تقي الدين أبو العَباس أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام بن عبد الله بن أبي القاسم بن محمد ابن تيمية الحراني الحنبلي الدمشقي (المتوفى: ۷۲۸هـ)

المحقق: د. حمد بن عبد المحسن التويجري

الناشر: دار الصميعي - الرياض

الطبعة: الطبعة الثانية ۱٤۲٥هـ / ۲۰۰٤م

বই:-আল ফতওয়াতুল হামইয়্যাতুল কুবরা।
লেখক:- তাক্বিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম বিন আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবুল কাসেম বিন মুহাম্মদ ইবনে তায়মিয়াহ আর হাররানিউ আল হাম্বলি আদ দিমাশক। (মৃত্যু:- ৮২৭ হিজরী)
তাহক্বিক করেছেন:- হামাদ বিন আব্দুল মুহছিন আত তুওয়াইজিরি।
প্রকাশনি:- দারুছ ছমিইয়াই আর রিয়াদ।

পৃষ্ঠা :-১৪৬-১৪৮

🖊️Muhammad Ali

29/05/2026

যাদু'কর ও শি,রকী রাক্বি যেভাবে চিনে সতর্ক হবেন:-

🔴এটা কি রুকইয়াহ শরইয়্যাহতে শর্তসমূহ রয়েছে যে, একজন রাক্বির পবিত্রতা(মূলত পবিত্রতা বলতে অনেকগুলো বিষয় চলে আসে) হওয়া আবশ্যক।আর আপনার মন্তব্য কি তাদের(রাক্বীদের ব্যপারে) যারা রুকইয়াহ তে অসংখ্য পদ্ধতি চর্চা করে যেটার মধ্যে রয়েছে রুকইয়াহ, আর তারা এই বিষয়ে দাবি করে:- সালেহ আল ফাউজান হাফি:- বলেন-

هل يشترط في الرقية الشرعية أن يكون الراقي على طهارة؟ وما هو تعليقكم حول الرقى الشرعية في هذا الوقت الذي كثر فيه الرقاة ولكنهم يدَّعون في ذلك؟

واب: الرقية الشرعية لا تحتاج إلى طهارة إلا إذا كان سيقرأ من القرآن فيكون متطهرًا من الجنابة طهارة من الحدث الأكبر، لا يقرأ شيئًا من القرآن لا في رقية ولا في غيرها وهو عليه جنابة وأما الرقية الشرعية فهي ما توفرت فيها الشروط: أن تكون من كتاب الله ومن سنة رسوله - صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- أو من الأدعية الشرعية. وأن يكون الراقي ذا عقيدة صحيحة ما يكون مبتدعًا أو مشركًا أو ساحرًا أو كاهنًا، يكون عقيدته سليمة. ثالثًا: أن يعتقد أن الشفاء من الله وليس من الرقية وإنما الرقية سبب من الأسباب إن شاء الله نفعت وإن شاء لم تنفع. ورابعًا: أن تكون بألفاظ عربية تفهم لا تكون بتمتمات أو بألفاظ أعجمية لا تفهم لا بد أن تكون بلغة عربية واضحة.
রুকইয়াহ শরইয়্যাহ তে পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না(সাধারনত যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না তখন তার জন্য পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়,অর্থাৎ:- যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না সেটা রাক্বি হোক বা রোগী হোক উভয়ের জন্য তখন এটা শর্ত নই যে,তাকে তখন পবিত্র হতে হবে(না,পাক থাকা অবস্থা থেকে),তথা রাক্বী যখন রুকইয়াহ চর্চা করবে তখন তারজন্য পবিত্রতা হওয়াটা আবশ্যক শর্তসমূহের মধ্যে একটি শর্ত।), [এটা শুধু রুকইয়াহ সম্পৃক্ত অবস্থার জন্য করা ফতওয়া তে বলা হয়েছে,অবশ্যই - ফরজ ইবাদত সহ সর্ব প্রকার না,পাক থেকে একজন মুসলিমকে সাথে সাথে পবিত্র হতে হবে] তবে অনেক মহিলা যারা দীর্ঘস্থায়ী অপবিত্রতায় থাকে,সেসব জিনের রোগী যখন তেলাওয়াত করবে কুরআন থেকে তখন (চিকিৎসার মূলনীতি থেকে উক্ত মহিলা তেলাওয়াত করতে পারবে রুকইয়াহ তে)

তবে যখন সেসময়ে কুরআন থেকে আয়াত পড়বে রুকইয়াহ এর জন্য, তখন অবশ্যই পবিত্র হতে হবে সকল ধরনের অপবিত্রতা থেকে, যেগুলো অপবিত্রতার অন্তর্ভুক্ত। তেলাওয়াত করাই যাবে না,কুরআন থেকেই কিছুই রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে এবং এর বাহিরেও রুকইয়াহ তে কোনোরকম গয়রি(তেলাওয়াত ব্যতীত কিছু পড়া যাবে না) যখন তাদের উপর জানাবাত(অপবিত্র বিষয় লক্ষনীয় থাকবে)। এবং যখন সেসব শর্তসমূহ যেগুলো রুকইয়াতে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পালন করলে :- তখন (একজন রাক্বির জন্য) রুকইয়াহ বৈধ হবে:-

১.রুকইয়াহ হতে হবে 'আল্লাহর কিতাব দিয়ে এবং রাসূল সাঃ সুন্নাতের মাধ্যমে। (রাসূল স. যেগুলো করে গিয়েছে জিন ও যাদুর চিকিৎসায় রুকইয়াহ চর্চা করার ক্ষেত্রে সেগুলো হচ্ছে রুকইয়াহ এর শর্ত)।
২.আর রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে স্পষ্ট সেটা দোয়া হতে হবে যেটা শরীয়তসম্মত বা শরীয়তে বর্নিত দোয়াগুলো।
৩.এবং একজন রাক্বির (আকিদ্বা বিশ্বাস:- অবশ্যই সর্বক্ষেত্রে সহীহ হতে হবে)।
৪.একজন রাক্বি (মুশ*রিক - তথা শির,ককারী হতে পারবে না) [ওসব জিন পূজা,রী যারা জিনের সাহায্যে চিকিৎসা করে বা আল্লাহর সাথে যেকোনো বিষয়ে শির,ক করে থাকে মূলত সেসব রাক্বিরা রাক্বি নয় বরং তারা মুশ-রিক এজন্য ফাউজান হাফি: বলেছেন 'মুশ-রিক রাকি হতে পারবে না'।
৫.একজন রাক্বি বিদআতি হতে পারবে না। [যেসব রাক্বি বিদআত করে,পাশাপাশি রুকইয়াহ করে এটাও বলে থাকে মূলত ওসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় মূলত ওসব রাক্বি মূলত বিদআতি রাক্বি যেই রাক্বিকে ইসলাম সমর্থন করে না] এজন্য যেসব রাক্বি কুরআন ও হাদীসের বাহিরে যেকোনো কর্ম করবে যেগুলো বিদআত সেসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় বরং সেসব রাক্বি লকবধারিরা মূলত (বিদআতি)।
৬. একজন রাক্বি যাদু,কর হতে পারবে না(একজন রাক্বি সে রুকইয়াহ করে থাকে এটা দাবি করে, অথচ সেই রাক্বি কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করে না বা হাদীসের দোয়া পড়ে না - এবং যাদু কর্ম সংঘটিত করার কাজে রাক্বি নাম দেওয়া ব্যক্তিদেরর মিল পাওয়া যায় : যেমন:- যাদু চর্চা করা,জোড়ে জোড়ে ম,ন্ত্র পড়া,তাবিজ দেওয়া,নক,শা দেওয়া,ফেরেশতার কাছে সাহায্য চায়,অপবিত্র অবস্থায় কুরআন এর অব,মাননা করা হয় শরীয়ত বিরোধী অনেক কর্মের সাথে লিপ্ত যেগুলো কুফ,রীর সাথে সামন্জ্যপূর্ন সেসব যাদু,কররা মূলত রাক্বি হতে পারবে না।
৭.একজন রাক্বি গন,কের মত ভবিষ্যৎ বানী বা অদৃশ্যের কথা বলতে যাবে না. [যারা গন,কবাদী চর্চা করে এমন বিস্তৃত কর্ম যেসব ব্যক্তির মধ্যে আছে অথচ সেসব ব্যক্তি নিজেকে রাক্বি দাবি করে মূলত সে রাক্বি নয় মূলত সে ব্যক্তি গনক যার কাছে গেলে ৪০ দিন সালাত কবুল হবে না। (যেমন গন,করা বলে থাকে রোগীদের ব্যপারে:- তোমাকে কালি দিয়ে বান মারা হয়েছে,তোমার উপর অমুক সমস্যা আছে তমুক সমস্যা আছে' এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যা গনকরা আগেই বলে দিবে রোগীদের 'মূলত যারা এরকম বলে তারা রাক্বি নয় বরং তারা গন,ক) আর গন*কদের কাছে ইসলামে হারাম।

-বরং একজন রাক্বির আকিদা সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ থাকতে হবে (যেরকমটা রাসূল সাঃ এর ছিলো এবং সাহাবীদের রা: ছিলো সেরকম থাকতে হবে)

৮. একজন রাক্বিকে এই বিশ্বাস অবশ্যই রাখতেই হবে সবসময় যে, সকল সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, রুকইয়াহ তে না(মানে একজন রোগী এই বিশ্বাস করবে না যে,তাকে রুকইয়াহ সুস্থ করতেছেন বরং রোগী এই বিশ্বাস করবে যে, তাকে আল্লাহই সুস্থতা দান করেছে)বরং সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে রুকইয়াহ একটি উপায় বা পদ্ধতি মাত্র। যেটার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের কাউকে সুস্থতা লাভ করে আবার কেউ সুস্থতা লাভ করে না। (মূলত আল্লাহ এটা সর্বোচ্চ ভাবে বুঝিয়েছে যে, সুস্থতা এটা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে সেরকম যেরকমটা সাধারণত হয়ে থাকে। এখন একজন মুমূর্ষু ব্যক্তি যার মৃ,ত্যু নির্ধারিত কোনো এক রোগের মাধ্যমে মূলত সে ব্যক্তির তো মৃ,ত্যু হবেই, যদি সে ব্যক্তি যতই চিকিৎসা করুক না কেনো - কারন প্রত্যেকের জন্য মৃ,ত্যু নির্ধারিত। তবুও ব্যক্তি চেষ্টা করে যাবে আল্লাহর উপর ভরসা করে রুকইয়াহ করার মাধ্যমে যাতে আল্লাহ সুস্থতা দান করে, তখন অনেক ব্যক্তি তার তাক্বদির অনুযায়ী সুস্থ হবে আর অনেক ব্যক্তি তাক্বদির অনুযায়ী মৃ,ত্যুবরন করবে,মূলত একজন রাক্বি এবং রোগী এই আকিদ্বা বা বিশ্বাস রাখবে যে 'মহান আল্লাহই সুস্থতা দাতা এবং তিনিই সুস্থতা দান করেন এবং তিনিই যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন")।

৯.আর রাক্বি যেই শব্দ তেলাওয়াত করবে সেটা স্পষ্ট আরবী ভাষা হতে হবে। কোনোরকম অনারবী ভাষায় হতে পারবে না। কারন আরবী লফজ(শব্দ)রুকইয়াহ তে হতে হবে, এটা স্পষ্ট বিষয়।

[আর মূলত আরবী ভাষার মূলে রয়েছে রুকইয়াহ চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত যেটা স্পষ্ট নির্দেশ করে যে, সেটা কুরআন এর আয়াত এবং হাদীসের দোয়া,কারন এটাই কুরআন ও হাদীস দ্বারা স্পষ্ট বিষয়]

বুঝার স্বার্থে সংযুক্তি:-[রুকইয়াহ শরই্যায়হ তে পবিত্র হওয়ার প্রয়োজন নেই,(এটা দ্বারা বিস্তৃত বিষয়কে বুঝানো হয়েছে)।

১.যখন একজন ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় থাকবে, তখন সেই ব্যক্তি যদি রোগী থাকে,তখন তাকে চিকিৎসার মূলনীতি থেকে কয়েকটি বিষয় আসবে:-

-নাপাক ব্যক্তি যাদের ঘনঘন জিন ও যাদুর প্রভাবে ওযু ভেঙ্গে যায় (মূলত সেসব পেশেন্ট মুখস্থ তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ, সেই পেশেন্ট এর রুকইয়াহ করারত অবস্থায় বারবার পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন দরকার নেই)। কারন রোগের কারনে বারবার ওযু ভেঙ্গে গেলে সেটার দায়ভার রোগী নিবে না, কারন রোগীর কন্ট্রোল অনুযায়ী স্বাভাবিক অবস্থায় রোগীর শরীর থেকে অস্বাভাবিক - আনকন্ট্রোল বিষয় নির্ঘত হলে যেখানে পবিত্রতা জরুরি[তখন চিকিৎসা কেন্দ্রীক বিষয়ে,পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়]।

আরো অনেক উদ্দেশ্য আছে (ওসব রোগীদের জন্য যারা নিজে নিজে রুকইয়াহ চর্চা করে ] তাদের উপর গোপন অনেক রোগ যেগুলোর প্রভাবে বারবার না,পাক হয়,সেসব মাসআলাতে রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজনে (কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করা প্রয়োজনীয়, সেখানে পবিত্রতা হওয়া শর্ত নয়) মূলত তখন সুস্থতার জন্য মূল হচ্ছে, 'তেলাওয়াত করে যাওয়া'

দ্বিতীয় :- পয়েন্টে যেটা সালেহ আল ফাউজান হাফি : বলেছেন:-

১.যখন কেউ ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন বড় ধরনের সকল নাপাক থেকে পবিত্র হতে হবে। [পবিত্র হওয়া এক বিষয় আর ওযু করে পবিত্র হয়ে সালাত পড়া বা ফরজ ইবাদত করা আরেক বিষয়)।

এমন অপবিত্রতা যেটার উপস্থিতিতে সকল ফরজ সালাত বাদ হয়ে যায়।যেমন :- ছেলেদের স্বপ্নদোষ, মেয়েদের পিরিয়ড, সহবাস ইত্যাদি। এসব বিষয় হলে তখন সেগুলো বড় ধরনের অপবিত্রতার অংশ।তখন একজন মুসলিম এসব নাপাকি থেকে পবিত্র হতে হবে, এই পবিত্র হওয়াকে একজন মুসলিম এর জন্য আম বিষয়, যেটা সকলের হতে হবে।।

-পক্ষান্তরে সালাত পড়তে গেলে ওযু লাগবে,ক্বুরআন পড়তে গেলে ওযুর প্রয়োজন রয়েছে (মূলত ওযু হচ্ছে পবিত্রতা সেসব আমল সম্পাদনা করার জন্য যেগুলো ওযু ব্যতীত কবুল হবে না)।

-আর রুকইয়াহ তে একজন রাক্বি বা রোগী যে রুকইয়াহ চর্চা করে মূলত তাকেই শরঈ পরিভাষায় রাক্বি বলা হয় (মূলত ওসব রোগী বা রাক্বির বড় ধরনের অপবিত্রতা থাকতে পারবে না:- বিশেষ করে রাক্বির ওরুপ অপবিত্রতা যেটার ফলে পবিত্রতা হওয়াকে বাঁধাগ্রস্থ করে মূলত তখন সে ব্যক্তি মূল রাক্বি না হয়ে মূলত রোগীর কাতারে পড়বেন)। আর রোগীদের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে না,পাকি রোগকে দূর করার জন্য রুকইয়াহ করার সময় 'জরুরত এর বিধান অনুযায়ী পবিত্রতা হওয়া ছাড়াও তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

২.এজন্য যারা রাক্বি(চিকিৎসক হবে) তাদের জন্য এটা আবশ্যকীয় শর্ত যে, রাক্বিকে সর্বদায় পবিত্র থাকতে হবে এবং বড় ধরনের জানাবাত(অপবিত্রতা হতে) যেগুলো করলে গোসল ফরজ হয়, সেসব বিষয় থেকে পবিত্র থাকতে হবে সর্বদায়। যাতে করে রাক্বি যখন ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন, রাক্বীর মধ্যে নাপা,কির কোনো কিছুই অবশিষ্ট না থাকে।

রাক্বী হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে 'সর্বধরনের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা।

🖊️Muhammad Ali

Founder & CEO Quranic Healing Bd
Founder & CEO Raqi Muhammad Ali

22/05/2026

🔴শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. আল্লাহর সিফাত এর ধরনকে ব্যাখ্যা করে যারা সৃষ্টির সাথে মিলিয়ে থাকে মূলত এরা নাস্তি,ক এদেরকো পরিত্যাগ করুন:-

ﻭﻗﺪ ﻋﻠﻢ ﺃﻥ ﻃﺮﻳﻘﺔ ﺳﻠﻒ اﻷﻣﺔ ﻭﺃﺋﻤﺘﻬﺎ، ﺇﺛﺒﺎﺕ ﻣﺎ ﺃﺛﺒﺘﻪ ﻣﻦ اﻟﺼﻔﺎﺕ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺗﻜﻴﻴﻒ ﻭﻻ ﺗﻤﺜﻴﻞ، ﻭﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺗﺤﺮﻳﻒ ﻭﻻ ﺗﻌﻄﻴﻞ، ﻭﻛﺬﻟﻚ ﻳﻨﻔﻮﻥ ﻋﻨﻪ ﻣﺎ ﻧﻔﺎﻩ ﻋﻦ ﻧﻔﺴﻪ - ﻣﻊ ﻣﺎ ﺃﺛﺒﺘﻪ ﻣﻦ اﻟﺼﻔﺎﺕ - ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺇﻟﺤﺎﺩ، ﻻ ﻓﻲ ﺃﺳﻤﺎﺋﻪ ﻭﻻ ﻓﻲ ﺁﻳﺎﺗﻪ، ﻓﺈﻥ اﻟﻠﻪ ﺫﻡ اﻟﺬﻳﻦ ﻳﻠﺤﺪﻭﻥ ﻓﻲ ﺃﺳﻤﺎﺋﻪ ﻭﺁﻳﺎﺗﻪ، ﻛﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﺗﻌﺎﻟﻰ: {ﻭﻟﻠﻪ اﻷﺳﻤﺎء اﻟﺤﺴﻨﻰ ﻓﺎﺩﻋﻮﻩ ﺑﻬﺎ ﻭﺫﺭﻭا اﻟﺬﻳﻦ ﻳﻠﺤﺪﻭﻥ ﻓﻲ ﺃﺳﻤﺎﺋﻪ ﺳﻴﺠﺰﻭﻥ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮا ﻳﻌﻤﻠﻮﻥ}

আর নিশ্চয়ই সালাফদের পথে জ্ঞান চর্চাকারী যেসব উলামা ছিলো,তারা আল্লাহর সিফাত(তথা আল্লার গুনগুলোকে) কোনোরকম তাকয়ীফ(ধরন ব্যতীত) এবং তামছীল(কোনো রকম উদাহরণ দেওয়া ব্যতীত) এবং কোনো রকম 'তাহরীফ(পরিবর্তন বা বিকৃত ব্যতীত) এবং 'তা'তীল(কোনো রকম অস্বীকার ব্যতীত), সেসব সকল সিফাতগুলোকে ছাবেত(তথা প্রমান হিসেবে উপস্থাপন করত বা বর্ণনা করত)।

এবং অস্বীকারকারীরা সেগুলোর মধ্যে ( আল্লাহর সিফাতগুলোকে নিজের মত করে অস্বীকার করে থাকে যেটা স্পষ্ট অস্বীকারকারীরা নিজেরা এর অন্তর্ভুক্ত), (তথা আল্লাহর সিফাত অস্বীকার কারীরা 'আল্লাহর সিফাতকে স্বীকার করে না বরং এরপরে তারা নিজের মত ব্যাখ্যা করেও আল্লাহর সিফাতকে তারা অস্বীকার করে বসে) আর সেই অস্বীকারকারী নাস্তিক (আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসী ব্যতীত আর কি? (মূলত আল্লাহর সিফাতকে যারা অস্বীকার করবে তারা নাস্তিক, এবং আল্লাহর সিফাতকে যারা বিকৃত করবে, কোনোরকম উদাহরণ দিয়ে আল্লাহর সিফাতকে সৃষ্টির মত মিলাবে সেসব ব্যক্তিকে শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. নাস্তিক বলেছেন)

'আল্লাহর নামগুলোর অন্তর্ভুক্ত বা কুরআন এর আয়াতগুলোতেও 'এরকম কোনো বিষয় নেই 'আল্লাহর সিফাতকে অস্বীকার করা হয়েছে,বা তার ধরন বর্ণনা করা হয়েছে বা সেগুলোকে পৃথিবীর সৃষ্টির মত বস্তুর সাথে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। বরং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড (নিন্দা এবং ঘৃণা করে), অথচ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এ ব্যপারে ' বলেন, এবং আল্লাহর রয়েছে অসংখ্য সুন্দর নামসমূহ,তোমরা তাকে সেই নামে ডাকো। এবং সেসব নাস্তিকরা(অবিশ্বাসীরা) যারা অস্বীকার করেছিলো, তাদের অস্বীকার করার মূল বিষয় তারা (আল্লাহর সিফাতকে একত্রিত করে সৃষ্টির সাথে তাশবিহ,তাকয়িফ,তাহরীফ দিয়েছে) ওসব নাস্তিকরা(অবিশ্বাসীরা) আল্লাহর সিফাতকে, সৃষ্টির মত বানিয়ে, সেগুলোকে একত্রিত করেছে যেটির মাধ্যমে তারা নিজেরাই বিভ্রান্ত হয়ে গেলো।

আর যারা,আল্লাহর নামসমূহ দ্বারা আল্লাহকে ডেকেছে এবং তারা সেসব করেছিলো যেমনটা আল্লাহ বলেছে(আল্লাহর রয়েছে অসংখ্য নামসূমহ, তোমরা তাকে সেই নামে ঢাকো) এই নামের পূর্নাঙ্গ আমল যারা করবে, তাদেরকে মহান আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দান করবে ইনশাআল্লাহ।

🖊️ Muhammad Ali

20/05/2026

🔴যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে সিফাত(যেগুলো আল্লাহর সিফাতের অন্তর্ভুক্ত) মূলত সে ব্যক্তি কাফের হলো এবং যখন তারা অস্বীকার করতে থাকবে আল্লাহর সিফাতগুলো, তখন এসব ব্যক্তি কি জাহান্নামে চিরদিন অবস্থান করবে তাদের এই কুফরীর কারনে? শায়খ আব্দুর রহমান আস সালেমি হাফি: বলেন

السؤال

هل من أنكر صفة من صفات الله كفر، وإذا كان كافرا هل هو مخلد في النار كأي كافر؟

الجواب

منكر الصفات إذا أنكرها عنادا واستكبارا فلا شك أنه كافر، وأن كفره كفر المخلد في النار يوم القيامة، فيكون مخلدا في النار يوم القيامة، ويكون له أحكام الكافرين في الدنيا، وأما إذا كان متأولا وعنده شبهة فهذا لا يكفر؛ لأن المتأول لا يكفر حتى ترفع عنه الشبهة التي عنده، فمثل هؤلاء المتأولين لا يكفرون كما سبق، وإنما يكفر من أنكرها عنادا واستكبارا.

যারা আল্লাহর সিফাতকে নিষিদ্ধ/অস্বীকার মনে করবে যখন তাদের অস্বীকার এর ব্যপকতা সেটা হয় হঠকারিতাপূর্ণ এবং অহংকারপূর্ণ চলমান বিষয় তখন এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, সে ব্যক্তি কাফের। (অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহর সিফাত 'বৈশিষ্ট্য সমূহকে অস্বীকার করবে আর সেই অস্বীকার করাটা ব্যক্তির অহংকার এর সাথে প্রকাশ পায় তখন এই ব্যক্তি মূলত সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে)।

আর নিশ্চয় তাদের এই কুফরী যেই কুফরীর কারনে তারা কাফের হয়েছে,মূলত তাদের থাকায় জায়গা হবে জাহান্নাম এর মধ্যে, যেটার সময় কিয়ামতের দিন। [তথা মূলত যারা আল্লাহর সিফাতকে অস্বীকার করনে মূলত তারা কাফের, আর কাফেরদের থাকার জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে জাহান্নামে যেটা কিয়ামতের দিনে দেওয়া হবে]।

অত:পর সেটা হবে এক চিরস্থায়ী আবাস সেই জাহান্নামে সেই কিয়ামতের দিনে।আর এই হুকুম সেসব কাফেরদের জন্য / অথবা এই হুকুম তাদের জন্য হবে যারা (আল্লাহর সিফাত) অস্বীকার করেছে দুনিয়ার মধ্যে। [মূলত সেসব কাফেরদের চিরস্থায়ী থাকার জায়গা হবে জাহান্নাম যারা দুনিয়াতে 'আল্লাহর সিফাতসমূহকে অস্বীকার করেছিলো)

অথবা তাদের কাছে ব্যাখ্যাসমূহ সম্পূর্ণ ভাবে ব্যাখ্যা করা হলো/ অথবা ব্যাখ্যার বিস্তৃতকে জানিয়ে দেওয়া হলো সেই সন্দেহ সম্পর্কে [আল্লাহর সিফাতের মূল ব্যাখ্যা সমূহকে কাফেরদের(অস্বীকার কারীদের) কাছে সুন্দর করে বুঝানো হলো,যেসব ব্যক্তির সন্দেহ ছিলো বা অজানার কারনে আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করতে হবে এই বিষয়ে জানত না) মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে না যাদেরকে আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করতে হয়না এব্যপারে বুঝানো হয়েছিলো।

আর নিশ্চয় যারা ব্যাখ্যাকৃত বিষয়টি জেনেছিলো/অথবা ব্যাখ্যাকৃত বিষয়সমূহের জ্ঞান ভালোভাবে আয়ত্ত করেছিলো মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে না এমনকি যখন তার সন্দেহ দূর হয়ে গিয়েছে যেগুলো তার মধ্যে ছিলো [অর্থাৎ যাদেরকে এটা ব্যাখ্যা করে বুঝানো হয়েছে যে, আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করলে মূলত একজন ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে তখন ওই ব্যক্তির অজানা বিষয় বা জ্ঞান না থাকার কারনে কুফরী সংঘটিত এই সন্দেহকে দূরীভূত করেছে তখন ওই ব্যক্তি মূলত কাফের হবে না]

অনুরূপ তাদের সেটাই যেটার ব্যাখ্যার বিস্তৃতকে তারা গ্রহন করেছে যার কারনে তারা কাফের হয়নি পূর্বে যেটির বর্ণনা স্পষ্ট রয়েছে।

অত:পর তারাই কাফের হবে যারা (আল্লাহর সিফাত) অস্বীকার করার সেই প্রবনতা চলমান রাখে যেটা হঠকারিতা এবং অহংকারে পরিপূর্ণ থাকে মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে। [তথা সেসব ব্যক্তি আল্লাহর সিফাতের ব্যপারে কুফরী করল এবং তাদের অস্বীকার করাটাকে তারা চলমান বানিয়ে নেয় এবং সেই অস্বীকার করার বিষয়টা একটা ব্যপকতায় রুপ নেয় তখনোও সেখানে এসব ব্যক্তির অস্বীকার করার ধরন সাব্যস্ত হয় 'হঠকারী দাম্ভিকতা এবং অহংকারে পরিপূর্ণ ' তখন মূলত এসব ব্যক্তি স্পষ্ট কাফের]

কিতাবু শারহুল আকিদা আল ওয়াসাতিয়্যাহ,হুকুম মান ইনকার সিফাত মিন সিফাতিল্লাহি আযযা ওয়া যাল(১০/২৯)

Muhammad Ali

19/05/2026

আসমা বিনতে মুহাম্মদ তৌফিক বারাকাত মোল্লা হুসাইন (মৃত্যু ১৪২৪ হিজরি) যে ব্যক্তি আল্লাহর সিফাত অস্বীকারকার করবে মূলত সে ব্যক্তি কা,ফের:-

ويقول في الإنكار والسب: "من أنكر صفة من صفات الله، أو سب ملائكته أو أنكر الكتب السماوية أو سب رسله أو أنكر رسالتهم، فالكفر بواحد من هذه المذكورات كاف في استحقاق الوعيد؛ لأن الإيمان بكل واحد أصل من أصول الدين". (٥)
أما عن الذبح المذكور فسياق الكلام يوضح أن المراد مصاحبة ذلك الذبح اعتقاد

এবং তারা বলতে থাকল অস্বীকার করার বিষয়ে এবং গালি দেওয়ার বিষয়ে। তথা যে ব্যক্তি সিফাত অস্বীকার করবে যেটা আল্লাহর সিফাতের অন্তর্ভুক্ত অথবা আল্লাহর ফেরেসতাদের গালি দিবে অথবা আল্লাহর কিতাবকে অস্বীকার করবে যেটা আসমান থেকে নাযিলকৃত কিতাব 'এবং যারা গালি দিবে আল্লাহর রাসূলকে এবং তার নিয়ে আসা রিসালাতকেও যারা গালি দিবে মূলত তারা(ওসব)ব্যক্তিরা কা,ফের। আর সেটা এককভাবে ওসব আলোচিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত যথেষ্টপূর্ণ এক বিষয় যেখানে দাবি বা আলোচনা করার বিষয়টি চলমান আর সেটা হচ্ছে একটি হুমকি(শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে হুমকি)। আর নিশ্চয় এজন্য ঈমান হচ্ছে প্রত্যেক সেই একক ভিত্তি যেখানে 'দ্বীনের উসূল অন্তর্ভুক্ত '।

এমনকি জ,বেহ করা সম্পর্কে যদি বলা হয় যেখানে আলোচনা থাকে প্রসংগটির বিষয়ে এবং সেটার উদ্দেশ্য চলমান থাকে আলোচনার মাধ্যমে যেটা একটি সঙ্গ বা আর সেখানে একে অপরে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করে আর সেটাই হচ্ছে দৃঢ় বিশ্বাস জ,বেহ করার বিষয়টিতে।

[অর্থাৎ:- যেসব ব্যক্তি সরাসরি আল্লাহর সিফাতকে অস্বীকার করবে মূলত সেসব ব্যক্তি অবিশ্বাসী কা,ফের। যারা রাসূল সাঃ এবং তার রিসালাগকে গালি দিবে মূলত তারাও কা,ফের 'আর এই বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে এককভাবেই যথেষ্ট যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা শক্রদের শাস্তি সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন এবং আল্লাহ তার একক কথার নির্দেশের মাধ্যমে শাস্তি সম্পর্কে হুমকি দিয়েছেন 'আল্লাহর সিফাত অস্বীকারীদের এবং আল্লাহর রাসূল সাঃ কে গালিদাতাদের উপর,এবং আল্লাহর কুরআনকে গালিদাতার উপর'। আর ঈমানের মূল ভিত্তি মূলত সেই একটা বিষয় যেটা মূলত ' দ্বীনের উসূল'।

এমনকি যারা একটি জবে,হকৃত বিষয়ের উপর আলোচনা করতে থাকে বলে সেখানে একটি বিষয় থাকে এবং সেই বিষয়ের উপর যারা আলোচনা করতে থাকে ফলে উক্ত ব্যক্তিদের আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস দৃঢ় নির্দিষ্ঠ এই জবে,হকৃত বিষয় নিয়ে।কারন এসব ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে উক্ত নির্দিষ্ঠ বিষয়ের উপর আলোচনা করেছিলো বিধায় তাদের বিশ্বাস দৃঢ় ও মজবুত হয়েছিলো। [তেমনি হুবহু মহান আল্লাহ এককভাবে ইসলামের যেই বিষয়গুলোর বর্ণনা দিয়েছে মূলত সেসব বর্ণনার মধ্যেও বিশ্বাসকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আর তাই যেসব ব্যক্তি আল্লাহর সিফাত সমূহ অবিশ্বাস করেছে এবং রাসূল সাঃ কে অবিশ্বাস করে গালি দিয়েছে মূলত সেসব ব্যক্তির অবিশ্বাসের কারনে তাদেরকে আল্লাহ শাস্তির হুমকি দিয়েছে]

কিতাবু আরওয়াস সাবি ফিল আকিদাতি ওয়াস সুলুক।(৩০৫ পৃষ্ঠা)

🖊️Muhammad Ali

18/05/2026

শিরককারী মু*শরিকগুলো এত বেশি খারাপ সৃষ্টির মধ্যে যে আল্লাহ সব আমল বাতিল করে দিয়ে থাকে শিরককারীর

18/05/2026

যাদু'কর ও শি,রকী রাক্বি যেভাবে চিনে সতর্ক হবেন:-

🔴এটা কি রুকইয়াহ শরইয়্যাহতে শর্তসমূহ রয়েছে যে, একজন রাক্বির পবিত্রতা(মূলত পবিত্রতা বলতে অনেকগুলো বিষয় চলে আসে) হওয়া আবশ্যক।আর আপনার মন্তব্য কি তাদের(রাক্বীদের ব্যপারে) যারা রুকইয়াহ তে অসংখ্য পদ্ধতি চর্চা করে যেটার মধ্যে রয়েছে রুকইয়াহ, আর তারা এই বিষয়ে দাবি করে:- সালেহ আল ফাউজান হাফি:- বলেন-

هل يشترط في الرقية الشرعية أن يكون الراقي على طهارة؟ وما هو تعليقكم حول الرقى الشرعية في هذا الوقت الذي كثر فيه الرقاة ولكنهم يدَّعون في ذلك؟

واب: الرقية الشرعية لا تحتاج إلى طهارة إلا إذا كان سيقرأ من القرآن فيكون متطهرًا من الجنابة طهارة من الحدث الأكبر، لا يقرأ شيئًا من القرآن لا في رقية ولا في غيرها وهو عليه جنابة وأما الرقية الشرعية فهي ما توفرت فيها الشروط: أن تكون من كتاب الله ومن سنة رسوله - صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- أو من الأدعية الشرعية. وأن يكون الراقي ذا عقيدة صحيحة ما يكون مبتدعًا أو مشركًا أو ساحرًا أو كاهنًا، يكون عقيدته سليمة. ثالثًا: أن يعتقد أن الشفاء من الله وليس من الرقية وإنما الرقية سبب من الأسباب إن شاء الله نفعت وإن شاء لم تنفع. ورابعًا: أن تكون بألفاظ عربية تفهم لا تكون بتمتمات أو بألفاظ أعجمية لا تفهم لا بد أن تكون بلغة عربية واضحة.
রুকইয়াহ শরইয়্যাহ তে পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না(সাধারনত যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না তখন তার জন্য পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়,অর্থাৎ:- যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না সেটা রাক্বি হোক বা রোগী হোক উভয়ের জন্য তখন এটা শর্ত নই যে,তাকে তখন পবিত্র হতে হবে(নাপাক থাকা অবস্থা থেকে),তথা রাক্বী যখন রুকইয়াহ চর্চা করবে তখন তারজন্য পবিত্রতা হওয়াটা আবশ্যক শর্তসমূহের মধ্যে একটি শর্ত।), [এটা শুধু রুকইয়াহ সম্পৃক্ত অবস্থার জন্য করা ফতওয়া তে বলা হয়েছে,অবশ্যই - ফরজ ইবাদত সহ সর্ব প্রকার নাপাক থেকে একজন মুসলিমকে সাথে সাথে পবিত্র হতে হবে] তবে অনেক মহিলা যারা দীর্ঘস্থায়ী অপবিত্রতায় থাকে,সেসব জিনের রোগী যখন তেলাওয়াত করবে কুরআন থেকে তখন (চিকিৎসার মূলনীতি থেকে উক্ত মহিলা তেলাওয়াত করতে পারবে রুকইয়াহ তে)

তবে যখন সেসময়ে কুরআন থেকে আয়াত পড়বে রুকইয়াহ এর জন্য, তখন অবশ্যই পবিত্র হতে হবে সকল ধরনের অপবিত্রতা থেকে, যেগুলো অপবিত্রতার অন্তর্ভুক্ত। তেলাওয়াত করাই যাবে না,কুরআন থেকেই কিছুই রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে এবং এর বাহিরেও রুকইয়াহ তে কোনোরকম গয়রি(তেলাওয়াত ব্যতীত কিছু পড়া যাবে না) যখন তাদের উপর জানাবাত(অপবিত্র বিষয় লক্ষনীয় থাকবে)। এবং যখন সেসব শর্তসমূহ যেগুলো রুকইয়াতে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পালন করলে :- তখন (একজন রাক্বির জন্য) রুকইয়াহ বৈধ হবে:-

১.রুকইয়াহ হতে হবে 'আল্লাহর কিতাব দিয়ে এবং রাসূল সাঃ সুন্নাতের মাধ্যমে। (রাসূল স. যেগুলো করে গিয়েছে জিন ও যাদু সহ রুকইয়াহ চর্চা করার ক্ষেত্রে সেগুলো হচ্ছে রুকইয়াহ এর শর্ত)।
২.আর রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে স্পষ্ট সেটা দোয়া হতে হবে যেটা শরীয়তসম্মত বা শরীয়তে বর্নিত দোয়াগুলো।
৩.এবং একজন রাক্বির (আকিদ্বা বিশ্বাস:- অবশ্যই সর্বক্ষেত্রে সহীহ হতে হবে)।
৪.একজন রাক্বি (মুশ রিক - তথা শিরককারী হতে পারবে না) [ওসব জিন পূজা,রী যারা জিনের সাহায্যে চিকিৎসা করে বা আল্লাহর সাথে যেকোনো বিষয়ে শিরক করে থাকে মূলত সেসব রাক্বিরা রাক্বি নয় বরং তারা মুশ-রিক এজন্য ফাউজান হাফি: বলেছেন 'মুশ-রিক রাকি হতে পারবে না'।
৫.একজন রাক্বি বিদআতি হতে পারবে না। [যেসব রাক্বি বিদআত করে,পাশাপাশি রুকইয়াহ করে এটাও বলে থাকে মূলত ওসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় মূলত ওসব রাক্বি মূলত বিদআতি রাক্বি যেই রাক্বিকে ইসলাম সমর্থন করে না] এজন্য যেসব রাক্বি কুরআন ও হাদীসের বাহিরে যেকোনো কর্ম করবে যেগুলো বিদআত সেসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় বরং সেসব রাক্বি লকবধারিরা মূলত (বিদআতি)।
৬. একজন রাক্বি যাদুকর হতে পারবে না(একজন রাক্বি সে রুকইয়াহ করে থাকে এটা দাবি করে, অথচ সেই রাক্বি কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করে না বা হাদীসের দোয়া পড়ে না - এবং যাদু কর্ম সংঘটিত করার কাজে রাক্বি নাম দেওয়া ব্যক্তিূদেরর মিল পাওয়া যায় : যেমন:- যাদু চর্চা করা,জোড়ে জোড়ে মন্ত্র পড়া,তাবিজ দেওয়া,নকশা দেওয়া,ফেরেশতার কাছে সাহায্য চায়,অপবিত্র অবস্থায় কুরআন এর অবমাননা করা হয় শরীয়ত বিরোধী অনেক কর্মের সাথে লিপ্ত যেগুলো কুফরীর সাথে সামন্জ্যপূর্ন সেসব যাদুকররা মূলত রাক্বি হতে পারবে না।
৭.একজন রাক্বি গনকের মত ভবিষ্যৎ বানী বা অদৃশ্যের কথা বলতে যাবে না. [যারা গনকবাদী চর্চা করে এমন বিস্তৃত কর্ম যেসব ব্যক্তির মধ্যে আছে অথচ সেসব ব্যক্তি নিজেকে রাক্বি দাবি করে মূলত সে রাক্বি নয় মূলত সে ব্যক্তি গনক যার কাছে গেলে ৪০ দিন সালাত কবুল হবে না। (যেমন গনকরা বলে থাকে রোগীদের ব্যপারে:- তোমাকে কালি দিয়ে বান মারা হয়েছে,তোমার উপর অমুক সমস্যা আছে তমুক সমস্যা আছে' এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যা গনকরা আগেই বলে দিবে রোগীদের 'মূলত যারা এরকম বলে তারা রাক্বি নয় বরং তারা গনক) আর গন*কদের কাছে ইসলামে হারাম।

-বরং একজন রাক্বির আকিদা সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ থাকতে হবে (যেরকমটা রাসূল সাঃ এর ছিলো এবং সাহাবীদের রা: ছিলো সেরকম থাকতে হবে)

৮. একজন রাক্বিকে এই বিশ্বাস অবশ্যই রাখতেই হবে সবসময় যে, সকল সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, রুকইয়াহ তে না(মানে একজন রোগী এই বিশ্বাস করবে না যে,তাকে রুকইয়াহ সুস্থ করতেছেন বরং রোগী এই বিশ্বাস করবে যে, তাকে আল্লাহই সুস্থতা দান করেছে)বরং সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে রুকইয়াহ একটি উপায় বা পদ্ধতি মাত্র। যেটার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের কাউকে সুস্থতা লাভ করে আবার কেউ সুস্থতা লাভ করে না। (মূলত আল্লাহ এটা সর্বোচ্চ ভাবে বুঝিয়েছে যে, সুস্থতা এটা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে সেরকম যেরকমটা সাধারণত হয়ে থাকে। এখন একজন মুমূর্ষু ব্যক্তি যার মৃত্যু নির্ধারিত কোমো এক রোগের মাধ্যমে মূলত সে ব্যক্তির তো মৃত্যু হবেই, যদি সে ব্যক্তি যতই চিকিৎসা করুক না কেনো - কারন প্রত্যেকের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত। তবুও ব্যক্তি চেষ্টা করে যাবে আল্লাহর উপর ভরসা করে রুকইয়াহ করার মাধ্যমে যাতে আল্লাহ সুস্থতা দান করে, তখন অনেক ব্যক্তিতার তাক্বদির অনুযায়ী সুস্থ হবে আর অনেক ব্যক্তি তাক্বদির অনুযায়ী মৃত্যুবরন করবে,মূলত একজন রাক্বি এবং রোগী এই আকিদ্বা বা বিশ্বাস রাখবে যে 'মহান আল্লাহই সুস্থতা দাতা এবং তিনিই সুস্থতা দান করেন এবং তিনিই যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন")।

৯.আর রাক্বি যেই শব্দ তেলাওয়াত করবে সেটা স্পষ্ট আরবী ভাষা হতে হবে। কোনোরকম অনারবী ভাষায় হতে পারবে না। কারন আরবী লফজ(শব্দ)রুকইয়াহ তে হতে হবে, এটা স্পষ্ট বিষয়।

[আর মূলত আরবী ভাষার মূলে রয়েছে রুকইয়াহ চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত যেটা স্পষ্ট নির্দেশ করে যে, সেটা কুরআন এর আয়াত এবং হাদীসের দোয়া,কারন এটাই কুরআন ও হাদীস দ্বারা স্পষ্ট বিষয়]

বুঝার স্বার্থে সংযুক্তি:-[রুকইয়াহ শরই্যায়হ তে পবিত্র হওয়ার প্রয়োজন নেই,(এটা দ্বারা বিস্তৃত বিষয়কে বুঝানো হয়েছে)।

১.যখন একজন ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় থাকবে, তখন সেই ব্যক্তি যদি রোগী থাকে,তখন তাকে চিকিৎসার মূলনীতি থেকে কয়েকটি বিষয় আসবে:-

-নাপাক ব্যক্তি যাদের ঘনঘন জিন ও যাদুর প্রভাবে ওযু ভেঙ্গে যায় (মূলত সেসব পেশেন্ট মুখস্থ তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ, সেই পেশেন্ট এর রুকইয়াহ করারত অবস্থায় বারবার পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন দরকার নেই)। কারন রোগের কারনে বারবার ওযু ভেঙ্গে গেলে সেটার দায়ভার রোগী নিবে না, কারন রোগীর কন্ট্রোল অনুযায়ী স্বাভাবিক অবস্থায় রোগীর শরীর থেকে অস্বাভাবিক - আনকন্ট্রোল বিষয় নির্ঘত হলে যেখানে পবিত্রতা জরুরি[তখন চিকিৎসা কেন্দ্রীল বিষয়ে,পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়]।

আরো অনেক উদ্দেশ্য আছে (ওসব রোগীদের জন্য যারা নিজে নিজে রুকইয়াহ চর্চা করে ] তাদের উপর গোপন অনেক রোগ যেগুলোর প্রভাবে বারবার নাপাক হয়,সেসব মাসআলাতে রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজনে (কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করা প্রয়োজনীয়, সেখানে পবিত্রতা হওয়া শর্ত নয়) মূলত তখন সুস্থতার জন্য মূল হচ্ছে, 'তেলাওয়াত করে যাওয়া'

দ্বিতীয় :- পয়েন্টে যেটা সালেহ আল ফাউজান হাফি : বলেছেন:-

১.যখন কেউ ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন বড় ধরনের সকল নাপাক থেকে পবিত্র হতে হবে। [পবিত্র হওয়া এক বিষয় আর ওযু করে পবিত্র হয়ে সালাত পড়া বা ফরজ ইবাদত করা আরেক বিষয়)।

এমন অপবিত্রতা যেটার উপস্থিতিতে সকল ফরজ সালাত বাদ হয়ে যায়।যেমন :- ছেলেদের স্বপ্নদোষ, মেয়েদের পিরিয়ড, সহবাস ইত্যাদি। এসব বিষয় হলে তখন সেগুলো বড় ধরনের অপবিত্রতার অংশ।তখন একজন মুসলিম এসব নাপাকি থেকে পবিত্র হতে হবে, এই পবিত্র হওয়াকে একজন মুসলিম এর জন্য আম বিষয়, যেটা সকলের হতে হবে।।

-পক্ষান্তরে সালাত পড়তে গেলে ওযু লাগবে,ক্বুরআন পড়তে গেলে ওযুর প্রয়োজন রয়েছে (মূলত ওযু হচ্ছে পবিত্রতা সেসব আমল সম্পাদনা করার জন্য যেগুলো ওযু ব্যতীত কবুল হবে না)।

-আর রুকইয়াহ তে একজন রাক্বি বা রোগী যে রুকইয়াহ চর্চা করে মূলত তাকেই শরঈ পরিভাষায় রাক্বি বলা হয় (মূলত ওসব রোগী বা রাক্বির বড় ধরনের অপবিত্রতা থাকতে পারবে না:- বিশেষ করে রাক্বির ওরুপ অপবিত্রতা যেটার ফলে পবিত্রতা হওয়াকে বাঁধাগ্রস্থ করে মূলত তখন সে ব্যক্তি মূল রাক্বি না হয়ে মূলত রোগীর কাতারে পড়বেন)। আর রোগীদের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে নাপাকি রোগকে দূর করার জন্য রুকইয়াহ করার সময় 'জরুরত এর বিধান অনুযায়ী পবিত্রতা হওয়া ছাড়াও তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

২.এজন্য যারা রাক্বি(চিকিৎসক হবে) তাদের জন্য এটা আবশ্যকীয় শর্ত যে, রাক্বিকে সর্বদায় পবিত্র থাকতে হবে এবং বড় ধরনের জানাবাত(অপবিত্রতা হতে) যেগুলো করলে গোসল ফরজ হয়, সেসব বিষয় থেকে পবিত্র থাকতে হবে সর্বদায়। যাতে করে রাক্বি যখন ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন, রাক্বীর মধ্যে নাপাকির কোনো কিছুই অবশিষ্ট না থাকে।

রাক্বী হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে 'সর্বধরনের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা।

🖊️Muhammad Ali

Founder & CEO Quranic Healing Bd
Founder & CEO Raqi Muhammad Ali

Address

Gazipur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Muhammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share