DSM SOMIR

DSM SOMIR Doyal medicine corner
Fardabad,bancharampor,b,baria

রক্তচাপ মূলত দুই প্রকার: উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) এবং নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন)। রক্তচাপের এই দুটি অবস্থা শরীরের জন্য...
19/08/2025

রক্তচাপ মূলত দুই প্রকার: উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) এবং নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন)। রক্তচাপের এই দুটি অবস্থা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন):
যখন হৃদপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত পাম্প করার জন্য স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করে, তখন এই অবস্থাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। এর কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন):
যখন হৃদপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত পাম্প করার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে কম চাপ প্রয়োগ করে, তখন এই অবস্থাকে নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়। এর কারণে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপকে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
সিস্টোলিক চাপ:
যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্ত পাম্প করে, তখন ধমনীতে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে সিস্টোলিক চাপ বলে।
ডায়াস্টোলিক চাপ:
যখন হৃদপিণ্ড প্রসারিত হয় এবং রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে, তখন ধমনীতে যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে।
একটি সাধারণ রক্তচাপের রিডিং সাধারণত 120/80 মিমি Hg (সিস্টোলিক/ডায়াস্টোলিক) এর কাছাকাছি থাকে। যদি সিস্টোলিক চাপ 130 মিমি Hg বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক চাপ 80 মিমি Hg বা তার বেশি হয়, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ হিসাবে ধরা হয়।

ডায়াবেটিসডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকাআপনার যদি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু ...
25/05/2024

ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা
আপনার যদি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন।

একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখাতে সাহায্য করবে। সাথে সাথে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দিবে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।

সুচিপত্র
কেমন হওয়া উচিত
যা যা থাকতে হবে
ফল ও সবজি
শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
বিভিন্ন ধরনের তেল
নিষিদ্ধ খাবার
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত?
টাইপ ২ ডায়াবেটিস হলেই যে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিতে হবে—তা নয়। আপনি বিভিন্ন রকমের খাবার খেতে পারবেন, তবে কিছু খাবার অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

এক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—

বৈচিত্রময় খাবার খাওয়া: প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না খেয়ে, নানান রকমের ফলমূল, শাকসবজি ও কিছু শ্বেতসার-জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন: লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি ও আলু।
এসব খাবার কমিয়ে দিন: চিনি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবারের পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ যতটুকু না খেলেই নয় ঠিক ততটুকুই খাওয়া।
সময়মত খাবার খান: প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুরের ও রাতের খাবার সময়মত খেতে হবে। কোনো বেলার খাবার যেন বাদ না পড়ে।
আপনার যদি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন। এভাবে পরিবর্তন আনা আপনার জন্য সহজ হবে। একেবারে সম্পূর্ণ খাদ্যাভ্যাস বদলে ফেলার চেষ্টা না করাই ভালো।

ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় যা যা থাকতে হবে
একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম ডায়েটের জন্য পাচঁটি প্রধান গ্রুপ বা পদের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এসব হচ্ছে—

ফলমূল ও শাকসবজি
শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার। যেমন: লাল বা বাদামী চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা পাউরুটি
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। যেমন: ডিম, মাছ, মাংস, শিম ও অন্যান্য বীন, ডাল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। যেমন: দই, ছানা ও পনির
বিভিন্ন ধরনের তেল, মাখন, ঘি
আপনার দৈনিক কতটুকু খাবার ও পানীয় প্রয়োজন তা নির্ভর করে আপনার বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক পরিশ্রম এবং আপনি আপনার ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী ধরনের লক্ষ্য নির্ধারণ করছেন তার ওপর। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অর্থ হল নির্দিষ্ট কিছু খাবার বেশি পরিমাণে এবং অন্যান্য খাবারগুলো কম পরিমাণে খাওয়া। আবার, কেবল এক ধরনের খাবার দেহের সব পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মূল হল বৈচিত্র্য। এই বৈচিত্র্য আনা যায় প্রতিদিন মূল পাঁচটি গ্রুপের প্রত্যেকটি থেকে বিভিন্ন খাবার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে।

এখানে প্রত্যেক গ্রুপের খাবার নিয়ে আলোচনা করা হবে। এগুলোর কোনোটি আপনার হার্টকে সুরক্ষিত রাখে, আবার কোনোটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এসব খাবারের সঠিক সমন্বয়ে তৈরি একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস কীভাবে ডায়াবেটিসের বিভিন্ন স্বাস্থ্য জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে তা জেনে রাখা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এখন পাঁচটি গ্রুপের প্রতিটির ভূমিকা, উপকারিতা, কোন গ্রুপ থেকে কী পরিমাণে খাবেন এবং কী কী খেতে পারেন তা তুলে ধরছি।

ফল ও সবজি
ডায়াবেটিস থাকলে যে আপনি ফলমূল খেতে পারবেন না এমন কোন কথা নেই। ফলমূল ও শাকসবজিতে সাধারণত ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে; এগুলো প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও আঁশ তথা ফাইবারে পরিপূর্ণ। তাছাড়া এগুলো প্রত্যেক বেলার খাবারে নতুন স্বাদ ও বৈচিত্র্য যোগ করে।

টাটকা, ফ্রোজেন, শুকানো কিংবা ক্যান ও টিনের বোতলে প্রক্রিয়াজাত যেকোন ধরনের ফলই খাওয়া যায়। শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের চাহিদা পুরণ করার জন্য যত প্রকারের রঙ-বেরঙের ফল খাবেন, ততই ভালো। তবে ফলের জুস ও স্মুদি না খেলেই ভালো, কারণ এতে আঁশের পরিমাণ খুব কম থাকে।

আপনি যদি খাদ্যতালিকায় থাকা শর্করার পরিমাণ কমিয়ে এনে লো-কার্ব ডায়েট মেনে চলতে চান, তাহলে হয়তো আপনি খাদ্যতালিকা থেকে ফল ও শাকসবজি বাদ দিতে চাইবেন। তবে এমনটা না করে এগুলো আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে নিচের তালিকা থেকে তুলনামূলকভাবে কম শর্করাযুক্ত শাকসবজি ও ফলমূল বেছে নিন।

ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা

আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে
আপনার শরীরকে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা, স্ট্রোক ও কয়েক ধরনের ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত রাখে
কী পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন?

দিনে অন্তত পাঁচ পরিবেশন ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক পরিবেশন = এক হাতের তালুতে যে পরিমাণ খাবার আঁটে।

ডায়াবেটিস রোগী কোন ফল ও শাকসবজি খেতে পারেন?

এক ফালি বাঙ্গি বা জাম্বুরা খেতে পারেন, সাথে একটু টক দই মিশিয়ে নিতে পারেন। যেকোনো ধরনের মৌসুমি ফলই খাওয়া ভালো
খেজুর, আলুবোখারা এগুলোও খাওয়া যায়
খিচুড়ি, পাস্তা ও অন্যান্য রান্নায় গাজর, মটরশুঁটি, বরবটি ও শিম ব্যবহার করুন
ভাতের সাথে মটরশুঁটি, মাংসে বেশি করে পেঁয়াজ বা একমুঠো পালংশাকও যোগ করা যেতে পারে
কম শর্করাযুক্ত শাকসবজির উৎস হিসেবে মাশরুম, শশা, পালংশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি ও লেটুস খাওয়া যেতে পারে
বরই ও তরমুজ কম শর্করাযুক্ত ফলের ভালো উৎস। যারা দেশের বাইরে থাকেন তারা বিদেশি ফলের মধ্যে আভোকাডো, পীচ ও বিভিন্ন বেরি খেতে পারেন
শ্বেতসার-সমৃদ্ধ খাবার
শ্বেতসার-সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে আলু, ভাত, রুটি, নানরুটি, পাস্তা, পাউরুটি ও কাঁচকলা। এগুলোর সবগুলোতেই শর্করা থাকে, যেগুলো আমাদের শরীরের ভেতরে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়। এই গ্লুকোজই আমাদের দেহের কোষগুলোর জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।

সমস্যা হল, কিছু শ্বেতসারজাতীয় খাবার খুব দ্রুত রক্তে সুগার তথা গ্লুকজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। এসব খাবারকে বলা হয় উচ্চ ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই)’-যুক্ত খাবার।

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কী?

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এমন একটি স্কেল যা একটি খাবার রক্তে সুগারের মাত্রা কত দ্রুত বা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দেয় তার ওপর ভিত্তি করে বানানো। যেসব খাবার রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, সেগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, আর যেগুলো রক্তে সুগারের মাত্রাকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করে সেগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম।

কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের খাবারগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভালো। এমন কিছু শ্বেতসারজাতীয় খাবার হল লাল চাল ও বাসমতি চালের ভাত, লাল আটার রুটি ও পাস্তা এবং লাল আটার পাউরুটি। এগুলোতে আঁশের পরিমাণও বেশি থাকে, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। তাই খাবারে শর্করার পরিমাণ কমাতে চাইলে আগে সাদা চালের ভাত ও সাধারণ আটা-ময়দার রুটি ও পাউরুটি খাওয়া কমান।

শ্বেতসার-সমৃদ্ধ খাবারের উপকারিতা

এসব খাবারের আঁশ আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
নির্দিষ্ট কিছু শ্বেতসার আপনার রক্তে সুগারের মাত্রাকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করে
গোটা শস্যদানা আপনার হার্টকে সুরক্ষিত রাখে
কী পরিমাণ শ্বেতসার-সমৃদ্ধ খাবার খাবেন?

প্রতিদিনই কিছু পরিমাণে শ্বেতসারযুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ডায়াবেটিস রোগী কোন শ্বেতসার-সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন?

লাল চালের ভাত
লাল আটার রুটি, চাপাতি, পাস্তা ও নুডল্স
বিভিন্ন ধরনের শস্যদানা থেকে বানানো হোল্গ্রেইন ও মাল্টিগ্রেইন পাউরুটি
খোসাসহ সেদ্ধ বা বেক করা মিষ্টি আলু
প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার
ডিম ও মাছ-মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা আপনার পেশীকে সুস্থ রাখে। কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাস গড়ে তুলতে খাদ্যতালিকা থেকে লাল মাংস (যেমন গরু, খাসি ও ভেড়ার মাংস) ও প্রক্রিয়াজাত মাংস (সসেজ, পেপারনি ও সালামি)-এর পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে, কারণ এগুলো খাওয়ার সাথে ক্যান্সার ও হার্টের রোগের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

সামুদ্রিক মাছসহ বিভিন্ন তৈলাক্ত মাছে প্রচুর ওমেগা-৩ থাকে, যা হার্টকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। অন্যান্য প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে শিম, বরবটি ও অন্যান্য বীনজাতীয় খাবার, ডাল এবং বিভিন্ন ধরনের বাদাম; যারা নিরামিষাশী বা ভেগান খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন তাদের জন্য এগুলো প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করে।

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবারের উপকারিতা

এগুলো আপনার পেশীকে সুস্থ রাখে
তৈলাক্ত মাছ আপনার হার্টকে সুস্থ রাখে
কী পরিমাণ প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার খাবেন?

প্রতিদিনই এই গ্রুপ থেকে কিছু কিছু খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে সপ্তাহে এক বা দুই পরিবেশন তৈলাক্ত মাছ খান, তবে প্রতিদিন মাংস খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

ডায়াবেটিস রোগী কোন প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন?

নাস্তায় ছোট এক মুঠ বাদাম খাওয়া যেতে পারে, প্রয়োজনে সালাদের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন
মাংসের পরিবর্তে রান্নায় ডাল বা শিমের বীচি ব্যবহার করতে পারেন
ডিম সেদ্ধ, পোচ বা ভাজি – যেভাবে আপনার পছন্দ সেভাবেই খেতে পারেন
কম তেল-মশলায় রান্না, গ্রিল ও বেক করা মাছ-মাংস খাওয়া যেতে পারে
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
দুধ, পনির ও দই-এ প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে, যা আপনার হাড়, দাঁত ও পেশীর গঠনের জন্য খুব উপকারী। কিন্তু কিছু দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে চর্বি, বিশেষ করে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই কম চর্বিযুক্ত বিকল্পগুলো বেছে নেওয়া জরুরি।

তবে সেক্ষেত্রে এসব বিকল্প যেন অতিরিক্ত চিনিমুক্ত হয় সে ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের উপকারিতা

হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য উপকারী
আপনার পেশীকে সুস্থ রাখে
কী পরিমাণ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাবেন?

আমাদের প্রতিদিনই গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন।

ডায়াবেটিস রোগী কোন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে পারেন?

এক গ্লাস দুধ সরাসরি খেতে পারেন, বা গন্ধ ভালো না লাগলে এতে অল্প পরিমাণে দারুচিনি দিয়ে নিতে পারেন। ওটস বা নাস্তায় সিরিয়ালের সাথে মিশিয়েও দুধ খেতে পারেন
ফল বা তরকারির সাথে টক দই মিশিয়ে খাওয়া যায়
গাজর ও শসার সাথে পনির খেতে পারেন নাস্তা হিসেবে
সন্ধ্যার নাস্তার সাথে লাচ্ছি, মাঠা বা সাধারণ দই খেতে পারেন
চর্বি ও বিভিন্ন ধরনের তেল
ডায়াবেটিস রোগীর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কিছু চর্বিজাতীয় খাবার থাকা প্রয়োজন। তবে স্যাচুরেটেড ফ্যাট প্রয়োজন খুব কম। স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, যা পরবর্তীতে হার্টের বিভিন্ন রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। মাখন, নারিকেল তেল ও পাম অয়েল এ ধরনের অধিক স্যাচুরেটেড ফ্যাট-যুক্ত তেল।

এগুলোর স্বাস্থ্যকর বিকল্প হলো কম পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এমন তেল (যেমন: অলিভ অয়েল বা অন্যান্য ভেজিটেবল অয়েল) ও বাদাম থেকে তৈরি বাটার (যেমন: পিনাট বাটার, আমন্ড বাটার)।

চর্বি ও তেলের উপকারিতা

অসম্পৃক্ত বা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আপনার হার্টকে সুস্থ রাখে
ডায়াবেটিস রোগী কোন তেল খেতে পারেন?

সালাদে অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল দিয়ে খেতে পারেন
টোস্টের সাথে সাধারণ মাখনের পরিবর্তে পিনাট বাটার খেতে পারেন
ডায়াবেটিস রোগী যে খাবার এড়িয়ে চলবেন
অতিরিক্ত চর্বি, লবণ ও চিনিসমৃদ্ধ খাবার—এসব যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো। কিন্তু আমরা জানি সব সময় এসব খাবার এড়িয়ে চলা সম্ভব নয়, তাই আপনার শরীরের ওপর এগুলো কী ধরনের প্রভাব ফেলে সে সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।

এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে বিস্কুট, চিপ্স, চকলেট, কেক, আইসক্রিম, মাখন ও অতিরিক্ত চিনি দেওয়া কোমল পানীয়। এসব খাবার ও পানীয়তে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে, এবং এরা রক্তে সুগারের মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই চিনিমুক্ত, কম ক্যালরির বিকল্প খুঁজে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো, উপাদেয় পানীয় হল পানি—এতে কোনো ক্যালরি নেই।

এগুলোতে অস্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটও প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই এগুলো রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং আপনার হার্টের স্বাস্থ্য—কোনটির জন্যই মোটেও ভালো নয়। এছাড়া এসব খাবারে, বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রচুর লবণও থাকে। অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। দিনে মোট ১ চা চামচ (৬ গ্রাম) এর বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়।

আমরা কখনোই বিশেষ ডায়াবেটিক আইক্রিম বা মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দেই না। কোন খাবারকে “ডায়াবেটিক” খাবার বলা আসলে নীতিবিরুদ্ধ কারণ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ছাড়া এই ধরনের কোনো খাবারে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এসব খাবার খাওয়া কমানোর উপায়
সম্পূর্ণভাবে বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে আপনি কী পরিমাণে লবণ খাচ্ছেন তা সঠিকভাবে খেয়াল রাখতে পারবেন।
চিনি ছাড়া চা-কফি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো ফলের জুস বা স্মুদির থেকে ভালো, কারণ তাতে অতিরিক্ত শর্করা বা ক্যালরি থাকে না।
খাবারের সাথে কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করে দিন – এর পরিবর্তে গোল মরিচের গুঁড়া এবং অন্যান্য মশলা ও হার্ব ব্যবহার করে স্বাদে নতুনত্ব আনা যেতে পারে।
দোকানের সস ও মশলা মিক্স না কিনে বাড়িতেই বিভিন্ন সস ও ম্যারিনেট করার মশলা তৈরী করে খান।

15/04/2024

বাচ্চা না হওয়ার নানা রকম কারণ

একটি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সেতুবন্ধ হচ্ছে সন্তান। সন্তান না থাকলে স্বামী-স্ত্রী একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর যেমন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তেমনি সামাজিকভাবেও নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়।

সেজন্য নিরবচ্ছিন্ন ও হেলদি সম্পর্কের জন্য পরিবারে সন্তান কাম্য। নানা কারণে আমাদের সমাজে সন্তানধারণ ক্ষমতা হারাচ্ছেন নারী। সন্তান না হওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষও কম দায়ী নয়।

বন্ধ্যত্ব বলতে আমরা বুঝি, যদি সন্তানপ্রত্যাশী হয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে এক বছর একই ছাদের নিচে স্বামী-স্ত্রী থাকেন কিন্তু তারপরও স্ত্রী গর্ভধারণ না করেন। এমতাবস্থায় সাধারণত দেখা যায়, প্রথম এক বছরের মধ্যে আশি ভাগ দম্পতি সন্তান লাভ করে থাকে। দশ ভাগ সন্তান লাভ করে দ্বিতীয় বছরে। বাকি দশ ভাগ কোনোভাবেই সন্তান পায় না।

আমরা যদি বন্ধ্যত্বের কারণ খুঁজতে যাই তাহলে প্রথমে দেখতে হবে, সন্তান কীভাবে জন্ম নেয়। একজন মেয়ে শিশুর প্রথম দিকে ডিম্বাণুর পরিমাণ থাকে দশ থেকে বিশ লাখ। ধীরে ধীরে সেই শিশু যখন প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা মাসিকের সময় হয় (আমাদের দেশে মাসিকের সময় দশ থেকে চৌদ্দ বছর) তখন মেয়েদের ডিম্বাণুর পরিমাণ থাকে চল্লিশ হাজার। বাকি ডিম্বাণুগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

এ সময় (১০-১৪ বছর) থেকে ৫২ বছর বা আরও নির্দিষ্ট করে বললে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে বিপুল সংখ্যক ডিম্বাণু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক নারীর। শুধু একটি ডিম্বাণু প্রতি মাসে পরিস্ফুটন হয়। এ মাসিকের সময়টি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩০ দিন। ১৩ বা ১৪তম দিনে ডিম্বাণু ফোটে। সেটি তখন ডিম্বনালিতে আসে। যদি সে বিবাহিত হয় তাহলে স্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর শুক্রাণুুর সঙ্গে নিষিক্ত হয়। তখন জাইগোট তৈরি হয়।

সেটি পরে জরায়ুর ভেতর ঢোকে। জরায়ুকে আঁকড়ে ধরে ভ্রূণ তৈরি হয়। ভ্রূণটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে মানব শরীরে রূপ নেয়। সেটি প্রসবের মাধ্যমে পৃথিবীতে আসে। এভাবে জন্ম নেয় মানব শিশু। এটি হচ্ছে সন্তান জন্ম দেয়ার স্বাভাবিক পদ্ধতি।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, Polycystic Ovarian Syndrome এ সমস্যা হয়। এছাড়া থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে বা Prolectine হরমোন বেড়ে গেলে ডিম্বাণু পরিস্ফুটন নাও হতে পারে বা বড় নাও হতে পারে।

এছাড়া এন্ড্রোমেট্রোসিস্টের কারণেও অনেক সময় ডিম্বাণু বড় না হওয়া বা পরিস্ফুটন না হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। আরেকটি বিষয় হল- মানবদেহে যেসব প্রজননতন্ত্র আছে- জরায়ু, জরায়ুর দু’পাশে ডিম্বনালি আছে তার নিচে আছে মাসিকের রাস্তা বা যোনিপথ। যদি কারও ডিম্বনালিতে সমস্যা থাকে বা বাধা থাকে সেক্ষেত্রেও স্বাভাবিক সন্তান ধারণে সমস্যা দেখা দেয়।

বাধাটা প্রধানত হয় ইনফেকশন থেকে। ইনফেকশনের কারণে কারও ডিম্বনালি যদি কেটেই ফেলা হয় বা কারও যদি টিউমার লাইগেশন করে দেয়া হয় সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী মিলন করলেও ডিম্বাণু নিষিক্ত হবে না।

এবার আসা যাক জরায়ুর ক্ষেত্রে। জরায়ুতে টিউমার হতে পারে। এর ফলে যদি কোনো সমস্যা হয়, ভ্রূণটা যদি জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করার সুযোগ না থাকে বা জরায়ুর চামড়া যদি কোনো কারণে পাতলা হয় তাহলে ভ্রূণ সেখানে প্রতিস্থাপন হবে না। তখন ওই নারী সন্তান ধারণে অক্ষম বলে বিবেচিত হবেন।

এবার আসা যাক জরায়ুর মুখের সমস্যায়। ইনফেকশন হয়ে যদি কোনো সমস্যা হয়, জরায়ুর মুখ যদি সংকীর্ণ হয় বা যদি বীর্য কোনো কারণে জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করতে বাধা পায় তাহলেও সন্তান লাভ করতে পারে না।

সবশেষে আসা যাক যোনিপথের কথায়। যোনিপথ যদি বাঁকা থাকে, যোনিপথে যদি কোনো ধরনের পর্দা থাকে বা যোনিপথের মুখে যদি কিছু থাকে তাহলে স্বামী-স্ত্রী সহবাস করতে পারেন না বা কোনো কারণে যদি স্পার্ম জরায়ুতে না ঢুকতে পারে তাহলেও সন্তান হবে না।

প্রজননতন্ত্রের আশপাশে যদি কোনো সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে বাচ্চা হতে বাধা সৃষ্টি করে।

আর কখনও কখনও সন্তান জন্ম না নেয়ার পেছনে কোনো কারণ-ই থাকে না। অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী কারও কোনো সমস্যা নেই, দু’জনেই সুস্থ এরপরও সন্তান গর্ভে আসে না- এমন ঘটনা ঘটতে পারে। শতকরা ১০-১৫ ভাগ ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে থাকে।

পুরুষদের যেসব সমস্যায় সন্তান হয় না

পুরুষের শারীরিক সমস্যার জন্যও সন্তান জন্ম না নিতে পারে। পুরুষের শুক্রাণু যদি না থাকে বা শুক্রাণু যদি কম থাকে বা যদি তাদের সহবাসে কোনো সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে সন্তানের জন্ম হবে না।

নানা কারণে পুরুষের শুক্রাণু নষ্ট হয়। পুরুষরা অনেক সময় গরমে কাজ করেন। বিশেষ করে যারা মধ্যপ্রাচ্যে থাকেন তাদের প্রচুর গরমে কাজ করতে হয়। গরম পানিতে গোসল করলে বা নাইলন আন্ডারওয়্যার পরলেও শুক্রাণু নষ্ট হয়।

ছোট বেলায় কারও যদি মামস হয় বা লিঙ্গ ও অণ্ডকোষ বা তার আশপাশে যদি কোনো অপারেশন হয় বা সিফিলিস গনোরিয়াজাতীয় কোনো যৌন রোগ হয় সেক্ষেত্রে শুক্রাণু নষ্ট হতে পারে। আবার অনেকে নানা ধরনের ওষুধ খান। যেসব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা হারাতে হয়। অনেক সময় অজানা কারণেও স্বামী-স্ত্রী সন্তান গর্ভধারণ বা জন্মদানের ক্ষমতা হারাতে পারেন।

সমস্যা সমাধানে ইনবক্সে বিস্তারিত তথ্য জানান সরাসরি কল করে আপনার সমাধান বলে দিব।

15/04/2024

দীর্ঘদিন ধরে মিলনে লিপ্ত হননি? কী কী ক্ষতি হচ্ছে জানুন

স্বামী-স্ত্রী হোক বা প্রেমিক-প্রেমিকা, দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের কাছে থেকেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন না। মনোবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, এর পরিণতি কিন্তু মোটেও ভালো না।

দাম্পত্য জীবনে ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটা বিষয়

কিন্তু দীর্ঘদিন যদি শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকেন, তাহলে কী হবে ?

দাম্পত্য জীবনে ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটা বিষয়। শারীরিক আকর্ষণ, চাহিদা এসব থাকাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোনও কোনও ক্ষেত্রে এমন হয় যে শারীরিক সম্পর্কে মিলনে অনীহা তৈরি হয় অনেকের। সে স্বামী-স্ত্রী হোক বা প্রেমিক-প্রেমিকা, দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের কাছে থেকেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন না। মনোবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, এর পরিণতি কিন্তু মোটেও ভালো না।
কী কী ক্ষতি হতে পারে ?

দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত না হলে আপনার স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে বাড়ে স্মৃতিশক্তি। বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়স যাঁদের তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বেশি করে প্রযোজ্য।

সম্পর্ক স্থাপনে বাড়ে প্রতিরোধশক্তিও। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। আর মিলনে অনীহা দেখা দিলে এর বিপরীত সম্ভাবনা দেখা যায়। এছাড়াও শরীরে সংক্রমণ বাসা বাঁধতে পারে।

সম্পর্ক স্থাপনে অনীহা দেখা দিলে তা দূর করা দরকার। তা না হলে অনীহা থেকেই যাবে। যত দিন যাবে তা বাড়তে থাকবে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত রাখলে তা মানসিকভাবেও প্রভাবিত করে। এতে খিটখিটে হয়ে পড়তে পারেন আপনি। শরীরে নানা রকমের ব্যথাও হতে পারে। এছাড়াও মহিলাদের পিরিয়ডসের সময় বেশি ব্যথা অনুভব করতে হয়।

নিয়মিত মিলনে ভালো ঘুম হলে বলেও গবেষণায় দেখা গেছে। ক্লান্তি-অবসাদ দূর হয়।

আবার নিয়মিত মিলন না-হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শারীরিক সম্পর্ক শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমে যায়।

চিকিৎসকদের মতে, এন্ডোরফিন এবং অক্সিটোসিনের মত হ্যাপি-হরমোন নিঃসৃত হয় শারীরিক সম্পর্কের কারণে। আপনি যদি দীর্ঘদিন সহবাস না করে থাকেন, তাহলে শরীর থেকে এই হরমোনগুলি কম নিঃসৃত হয় ৷ ফলে মানসিক চাপের সঙ্গে লড়াই করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে

15/04/2024

মহিলারা যৌন মিলনের ইচ্ছেটাই হারিয়ে ফেলছেন? কী কারণ হতে পারে?

বহু মেয়েই একটা সময় শারীরিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। তার নানা কারণ রয়েছে। পুরোনো কোনও অস্বস্তিকর যৌনতার স্মৃতি, অর্গাজ়ম না হওয়া, স্ট্রেস, সব মিলিয়ে সেক্সের ইচ্ছেটাই কমে যায় আর তার অবধারিত প্রভাব সম্পর্কের উপরে পড়ে। পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক আর মানসিক ঘনিষ্ঠতা, দু’ ক্ষেত্রেই ফাঁক তৈরি হয়। একটা সময় কী করলে সেই ফাঁক ভরাট হবে বুঝে উঠতে পারেন না কেউই!

কিন্তু কেন মেয়েদের যৌনতার প্রতি এই অনাগ্রহ তৈরি হয়? আসুন দেখে নেওয়া যাক!

ওষুধপত্র
আপনার যদি শারীরিক কোনও অসুস্থতা থাকে যার জন্য নিয়মিত আপনাকে ওষুধ খেতে হয়, তা হলে তার জের আপনার লিবিডোর উপরেও পড়তে পারে। যাঁরা নিয়মিত ডিপ্রেশনের ওষুধ খান, তাঁদের মধ্যে এই সমস্যাটা দেখা যায়। দীর্ঘদিন ওরাল কনট্রাসেপটিভ খেলেও একই সমস্যা হতে পারে। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে লিবিডো কমে যাচ্ছে বলে মনে হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। তিনি সাহায্য করতে পারেন।

যৌন অস্বাচ্ছন্দ
পার্টনার কি এমন কোনও পজ়িশনে সেক্স চান যার সঙ্গে আপনি স্বচ্ছন্দ নন? পেনিট্রেশনের সময় কি আপনার ব্যথা হয়? চেষ্টা করেও অর্গাজ়মে পৌঁছোতে পারেন না? এ সব সমস্যার কারণে কিন্তু যৌনতার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। পার্টনারের সঙ্গে কথা বলুন। কোন কোন বিষয়গুলোয় আপনার অস্বস্তি হয় তাঁকে জানান। তারপরেও সমস্যা না কমলে দু’জনে মিলে স্পেশালিস্টের সাহায্য নিন।

সম্পর্কের সমস্যা
প্রতিটি সম্পর্কেই কখনও না কখনও ওঠাপড়া আসতে পারে, তা কাটিয়ে বেরিয়ে আসতে পারলে মজবুত হয় সম্পর্কের বাঁধনটাই। আপনার আর আপনার পার্টনারের মধ্যে যদি সেই বিশ্বাস আর নির্ভরতা থাকে, তা হলে সমস্যা কাটিয়ে ওঠা বড়ো ব্যাপার নয়। কিন্তু যদি আপনাদের মধ্যে যোগাযোগের অভাব থাকে, মতের অমিল থাকে, আস্থার অভাব থাকে, তা হলে কিন্তু আপনাদের যৌন সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য। দ্রুত পারস্পরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠুন যাতে আপনাদের সম্পর্কটা অটুট থাকেন

05/04/2024

পুরুষের যৌনতাকে সম্মান কর।

পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি দুনিয়ার মুখ দেখতে পেরেছো। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তার কাছে তুমি এত স্পেশাল। আকর্ষণ আছে বলেই তুমি এত পাত্তা পাও, প্রায়োরিটি পাও। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি রাস্তায় সেজেগুজে বের হও, যাতে পুরুষরা তোমায় দেখে মুগ্ধ হয়। তুমি মুখে অস্বীকার করলেও তোমার অবচেতন মন এটাই চায়। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি বিপদে পড়লে বহু পুরুষ এগিয়ে আসে সাহায্যের জন্য।

পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই সারাদিন খেটে তোমার পছন্দের শাড়ি নিয়ে বাড়ি ফেরে। দুলাইনের ছন্দ লিখে অথবা কয়টা সেলফি দিয়ে যে শতশত রিয়্যাক্ট পাও, সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই। সাদা চামড়াকে পুঁজি করে স্বল্পবসনা হয়ে যে সেলিব্রেটি বনে যাও, সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই। যৌন আকর্ষণ আছে বলেই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ও মানবকূলের সেরা শক্তিশালী প্রাণী পুরুষ তোমার দুর্বলতাকে বিদ্রূপ না করে ভালবাসার চাদরে ঢেকে দেয়। যৌন আকর্ষণ আছে বলেই পুরুষ তোমাকে ভালবাসে, সমীহ করে চলে।

পুরুষের যৌন আকর্ষণ না থাকলে সাদা বিড়াল রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে যেমন কারো ভ্রূক্ষেপ হয় না, তোমার বেলাতেও তেমন ঘটতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে পুরুষ এতোটাই ডমিনেটিং হতো যে নারীজাতি তথা মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে প্রতিটি পুরুষ হতো নারীবিদ্বেষী।

সুতরাং, ঢালাওভাবে পুরুষের যৌনতাকে দায়ী না করে নিজেদের ত্রুটিগুলোও শুধরে নিতে শেখো। স্থান-কাল-পরিস্থিতিভেদে যৌনতা নিয়ন্ত্রণের শতভাগ ক্ষমতা পুরুষকে দেওয়া হয়নি।

10/08/2023

গর্ভবতী হওয়ার জন্য, আপনার মাসের কোন সময় ওভুলেশন হচ্ছে তা জানতে হবে।

মা হওয়া একটি আনন্দের অনুভূতি। যদি একজন মহিলা গর্ভবতী হওয়ার কথা ভাবেন, তবে তাকে প্রথমে নিজের মাসিক চক্রের দিকে নজর দিতে হবে। কারণ ওভুলেশন হল গর্ভধারণ সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার উত্তর। একজন মহিলার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণকে ওভুলেশন বলে। ওভুলেশনের প্রক্রিয়া প্রতি মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ে হয়ে থাকে। ডাক্তার বিশাল মাকওয়ানা জানিয়েছেন যে, এই সময়ের মধ্যে মহিলার শরীর থেকে নির্গত ডিমগুলি পুরুষের বীর্যের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। আর তাই এই সময়ে সহবাস করলে সহজেই গর্ভধারণ করা সম্ভব। নারী যদি মা হতে না চান, তাহলে এই সময়ে সহবাস না করে গর্ভধারণ এড়িয়ে যাওয়া যায়।

গর্ভবতী হওয়ার জন্য, আপনার মাসের কোন সময় ওভুলেশন হচ্ছে তা জানতে হবে। কারণ এই সময়টি বিভিন্ন মহিলাদের জন্য আলাদা। সাধারণত ২৮ দিনের মাসিক চক্রে ১৪-১৬ দিনের কাছাকাছি ঘটে এটি। কিন্তু সব নারীর মাসিক চক্র ২৮ দিনের হয় না। সাধারণত এই মাসিক চক্র ২৬-৩২ দিনের হয়ে থাকে। আর ওভুলেশন হয় একজন নারীর পিরিয়ডস শেষ হওয়ার ১০ থেকে ১৯ তম দিনে। পরবর্তী মাসিকের প্রায় ১২ থেকে ১৬ দিন আগে।
মহিলারা নিজেদের ওভুলেশনের লক্ষণগুলি বুঝতে পারবেন নানা লক্ষণ থেকে। এই সময়ে হওয়া হোয়াইট ডিসচার্জ বরাবরের থেকে আলাদা হয়। যোনি থেকে যে তরল নিষ্কৃত হয় তা ঘন হয়ে যায়। এই সময়ে, মহিলাদের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিছু মহিলার ওভুলেশনের সময় তলপেটে হালকা ব্যথা হয় যা কয়েক মিনিট বা এমনকী কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চাইলে মা হতে চাইছেন এমন মহিলারা ওভুলেশন কিটের সাহায্য নিতে পারেন। এটি ওভুলেশনের আগে প্রস্রাবে লুটিনাইজিং হরমোনের বৃদ্ধি সনাক্ত করা যেতে পারে। অনেক মহিলার স্তন এই সময় বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। বমি বমি ভাব এবং মাথাব্যথাও অনুভূত হয়।
একইসঙ্গে মাসের এই সময় শারীরিক সম্পর্কের ইচ্ছেও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ডিম্বাশয় থেকে বের হওয়ার পর ডিম শরীরে ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা থাকে। তাই পিরিয়ডস শেষ হওয়ার ১০ নম্বর দিন থেকে একদিন ছাড়া ছাড়া সহবাসের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা ২০তম দিন পর্যন্ত।

পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ফুসফুস, হাড় ও মস্তিষ্কের ক্যান্সার এবং হৃদরোগসহ মারাত্মক সব প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হতে পারেন আপন...
11/09/2020

পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ফুসফুস, হাড় ও মস্তিষ্কের ক্যান্সার এবং হৃদরোগসহ মারাত্মক সব প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হতে পারেন আপনিও!

আইন সংশোধনের মাধ্যমে রেস্তোরাঁ, গণপরিবহন, অফিসসহ সকল জনসমাগমস্থলে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে। এতে পরোক্ষ ধূমপানের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবেন আপনি ও আপনার পরিবার।

#তামাকমুক্তআমরা #

হাত ও আঙ্গুলের অবশ ভাব ও ব্যথা হাত শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। সূক্ষ্ম থেকে স্থূল সব ধরনের কাজ হাত...
30/05/2020

হাত ও আঙ্গুলের অবশ ভাব ও ব্যথা


হাত শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। সূক্ষ্ম থেকে স্থূল সব ধরনের কাজ হাতের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। হাতের সুস্থতা সবারই কাম্য। হাতের বিভিন্ন ধরনের রোগ বিভিন্ন উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। হাত ও আঙ্গুলের ব্যথা, অবশ ভাব, এবং দুর্বলতা উপসর্গগুলির মধ্যে অন্যতম। এ ধরনের উপসর্গ হাতের লোকাল বা স্থানীয় এবং রেফার্ড বা দূরের কোন রোগ হতে আসতে পারে। ‘‘কার্পাল টানেল সিনড্রোম’’ এমন একটি হতের স্নায়ু (নার্ভ) রোগ যা অধিকাংশ সময় অবশ ভাব, ব্যথা এবং দুর্বলতা উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয়। ‘‘মিডিয়ান’’ নামক স্নায়ু চামড়ার অনুভূতি প্রদান এবং হাত ও আঙ্গুলের পেশীর মুভমেন্ট করে। এই নার্ভটি আরো ৯টি পেশীর টেনডনসহ কবজির একটি টানেলের ভেতর দিয়ে নিম্নবাহু থেকে হাতে প্রবেশ করে। টানেলটির তিনপাশে হাড় ও একপাশে লিগামেন্ট থাকে। যে কোন কারণে টানেলের পথ সরু হলে নার্ভের উপর চাপ পড়বে এবং রোগের উপসর্গ দেখা দিবে। ধারণা করা হচ্ছে, মহিলাদের কার্পাল টানেল সরু বিধায় পুরুষদের তুলনায় রোগ তিন গুণ বেশি হয়। কারণ সমূহ: অধিকাংশ ক্ষেত্রে কারণ জানা নেই। বংশানুক্রমিক। গর্ভাবস্থা। আর্থ্রাইটিস- রিউমাটয়েড, গাউটি ও অসটিওআর্থ্রাইটিস। ডায়াবেটিস। ইনফেকশন। টিউমার- লাইপোমা, সিস্ট, গ্ন্যানগ্লিওন ও হাড়ের টিউমার। টেনডিনাইটিস (টেনডনের প্রদাহ) ও টেনডনসিথ সাইনোভিওমা। জয়েন্ট ক্যাপসুল সাইনোভিওমা। গ্রন্থি সমস্যা- হাইপোথাইরোডিজম, একরোমেগালি। ওবেসিটি (অতিরিক্ত ওজন)। হাড়ের ফ্র্যাক্চার ও বিকৃত অবস্থায় জোড়া লাগা। পুনরাবৃত্তি কাজ যেমন কম্পিউটার অপারেটর, কারখানায়, সেলাই ও ফিনিশিং এবং মাংস, পোল্ট্রি ও মাছ প্যাকিং কাজে কর্মরত ব্যক্তি। উপসর্গ: প্রধান হাতে প্রথম এই রোগ হয়। বৃদ্ধঙ্গুলি, তর্জনি ও মধ্য আঙ্গুলে এবং হাতের তালুতে ব্যথা হয়। হাতের তালুতে এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি, তর্জনি ও মধ্য আঙুলে কাঁটা, সুঁই ফুটানো বা ছিদ্র করার মত অনুভূতি হয়। হাত আঙ্গুল জ্বলে বা পুড়ে যাচ্ছে এ রকম মনে হবে। হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম থেকে উঠার পর হাত ও আঙ্গুলে অবশ লাগে এবং হাত ঝাঁকি দিতে বা নাড়তে ইচ্ছে করে। কখনও কখনও অবশভাব ও ব্যথার সাথে হাত ও আঙ্গুল ফুলে যায়। হাত দিয়ে কিছু শক্ত করে ধরা বা তোলা কস্টকর এবং হাত থেকে জিনিস পড়ে যায়। হাত ও আঙ্গুলে ঘাম কম হয়। বৃদ্ধাঙ্গুলের গোড়ার পেশীগুলি শুকিয়ে যায়। বৃদ্ধঙ্গুলি হাতের তালুর কাছ থেকে দূরে সরানো কষ্টকর হয়। হাতের গরম বা ঠান্ডা অনুভূতি কমে যায়। ডায়াগনোসিস: দ্রুত ডায়াগনোসিস করে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করলে চিরস্থায়ী ক্ষতি হতে রক্ষা পাওয়া যাবে। রোগীর অসুবিধা শুনে, রোগীকে শারীরিকভাবে পরীক্ষা (যেমন- ফেলেন, টিনেল ও ডারকান টেস্ট) করে এবং ল্যাববেটরী পরীক্ষার মাধ্যমে কার্পাল টানেল সিনড্রোম ও এর কারণ নির্ণয় করা সম্ভব। রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা। কবজির এক্স-রে। নার্ভ কনডাকশন (ভেলোসিটি) টেস্ট। ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি। আল্ট্রাসনোগ্রাফি। এম, আর, আই। কনজারভেটিভ চিকিৎসা: দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে এবং কমপক্ষে ২ সপ্তাহ বিশ্রাম প্রয়োজন। প্রাথমিক রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। কাজ কর্মের ধরন পরিবর্তন করতে হবে। হাতসোজা রাখার জন্য ব্রেসিং ও স্প্লিটিং ব্যবহার করতে হবে। বরফ/ঠান্ডা সেক ব্যবহারে ফুলা কমে আসবে। ননস্টেরোইডাল এন্টিইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ সেবন। লোকাল স্টেরয়েড ও এনেসথেটিক ইনজেকশন পুশ করলে উপসর্গ লাঘব হবে। ভিটামিন ‘বি'-৬ এবং ‘বি'-১২ থেরাপি। ফিজিওথেরাপি- মেসেজ, স্ট্রেসিং ও পেশী শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম। ওকোপেশনাল থেরাপি- কনুই ও কিবোর্ড একই লেবেলে হতে হবে এবং মনিটর সোজা সম্মুখে রাখতে হবে। কখন শল্য চিকিৎসার প্রয়োজন? ৬ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ভালো না হলে। অবশভাব বাড়তে থাকলে। হতের পেশী শুকিয়ে গেলে। হাত ও আঙ্গুলের দুর্বলতা বৃদ্ধি পেলে। শল্য চিকিৎসা: ওপেন কার্পাল টানেল রিলিজ- পামার ফাসা ও পামার কার্পাল লিগামেন্ট বিচ্ছেদ করা। এন্ডোস্কোপিক/আর্থ্রোস্কোপিক কার্পাল টানেল রিলিজ। শল্য চিকিৎসার পর রোগীকে স্ট্রেসিং ও পেশী শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করতে হবে। এন্ডোস্কোপিক বা আর্থ্রোস্কোপিক পদ্ধতিতে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। ৯০% রোগী সার্জারীর পর পূর্বের কাজ করতে পারে। ফলাফল ভালো না হওয়ার মূল কারণ হলো ভুল ডায়াগনোসিস। রোগের পুনরাবৃত্তি খুবই কম এবং পুনরাবৃত্তি হলে বুঝতে হবে ডায়াগনোসিস সঠিক ছিল না।

18/05/2020

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম আছে, জানেন কি?

দেখুন ওষুধ সেবনের সময় ভুল করছেন না তো?

রোগ হলে সুস্থ হওয়ার জন্য ওষুধ সেবন করতে হয়। কোনো ওষুধই নিজে নিজে খাওয়া ঠিক নয়। সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা জরুরি। তবে ওষুধ খাওয়ার সময় কিছু ভুলের কারণে এর সম্পূর্ণ উপকারিতা থেকে বঞ্চিত হই আমরা। এসব ভুল পরবর্তীকালে শরীরের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। লাইফস্টাইল-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে জানানো হয়েছে এই ভুলগুলোর কথা।

১. ডোজ বাদ দিই

অনেক সময় ওষুধ সেবন শুরুর পর একটু ভালো হয়ে গেলে ওষুধ খাওয়া বাদ দিয়ে দিই অথবা ওষুধ খাওয়ার প্রতি অতটা মনোযোগ দিই না। এটি পরবর্তী সময়ে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই অবশ্যই ওষুধের ডোজ শেষ করতে হবে।

২. অ্যান্টাসিড গ্রহণের সময়

অনেকে অ্যান্টাসিড গ্রহণের বিষয়ে ভুল করে থাকেন। সব ওষুধের সঙ্গে একত্রে অ্যান্টাসিড খান, যেটি ঠিক নয়। অ্যান্টাসিড অন্যান্য ওষুধের প্রভাবকে নষ্ট করে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা এক ঘণ্টা পরে অ্যান্টাসিড গ্রহণ করুন।

৩. একসঙ্গে বিভিন্ন ওষুধ খাওয়া

চিকিৎসককে দেখাতে গেলে আগে কোনো ওষুধ খাচ্ছেন কি না, সেটি জানিয়ে দিন। আর সেই ওষুধ এখন চালানো যাবে কি না, সেটিও জেনে নিন। কেননা, কখনো কখনো একটি ওষুধ আরেকটি ওষুধের প্রভাবকে কমিয়ে দেয় বা বাড়িয়ে দেয়। একে বলে মিথস্ক্রিয়া (ইন্টারঅ্যাকশন)। এটি কখনো কখনো খুব বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৪. ঘড়ি ধরে ওষুধ

ওষুধ সেবনের জন্য সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধ খাওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় তৈরি করে নিন; প্রতিদিন সে অনুযায়ী ওষুধ খান। যেমন : যদি কোনো ওষুধ আগের দিন সকালে খান, পরের দিন যেন সেটি খেতে খেতে বিকেল না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। নির্দিষ্ট সময় মেনে ওষুধ খেলে ওষুধের গুণাগুণ পুরোপুরি পাওয়া যায়।

৫. দুধ

দুধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। এ কারণে এটি অনেক সময় বিভিন্ন ওষুধের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এটি ওষুধকে অকার্যকর করে ফেলতে পারে। তাই ওষুধ গ্রহণের সময় চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন, দুধ খেতে কোনো অসুবিধা রয়েছে কি না।

৬. ধূমপান

আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় ধূমপান করেন, তাহলে ওষুধের ভালো প্রভাব আপনি তেমন পাবেন না। ধূমপান ওষুধের ভালো প্রভাবকে কমিয়ে দেয়। যখন ওষুধ খাচ্ছেন, চেষ্টা করুন ধূমপান না করতে।

৭. খাবার

খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওষুধ খেয়ে নেবেন না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, খাবার খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে বা পরে ওষুধ খান। এ ছাড়া কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো খালি পেটে খেতে হয়। এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৮. অ্যালার্জি

অনেক ওষুধ রয়েছে, যেগুলো খাওয়ার পর অ্যালার্জির সমস্যা হয়। আপনার যদি অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, তবে সতর্ক হয়ে ওষুধ খান এবং খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজে নিজে কোনো ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না বা শুরু করবেন না।

৯. চা-কফি

আপনি কি ওষুধ খাওয়ার সময় চা-কফি খান? যদি এমন হয়, তবে ওষুধ খাওয়ার সময় চা কফি খাবেন না। এটি ওষুধের ভালো প্রভাবকে নষ্ট করে দিতে পারে। ওষুধ খাওয়ার আগে বা পরে চা কফি খান।

১০. মদ্যপান

কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো খাওয়াকালীন মদ্যপান করলে শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। ওষুধ ও অ্যালকোহল আপনার জীবনকে ঝুঁকির মধ্যেও ফেলে দিতে পারে। তাই ওষুধ খাওয়ার সময় এ বিষয়টি খেয়াল রাখুন।

১১. ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী

যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী হন এবং ওষুধ খান, তবে খাবার বাদ দেবেন না। খাবার এবং ওষুধের সময় কখন হওয়া উচিত, এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিলেই ভালো হয়।

১২. ব্র্যান্ডের বিষয়ে

যদি একই ব্র্যান্ডের ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে খেয়ে থাকেন, তাহলে সেই ব্র্যান্ডের ওষুধই পরবর্তী সময়ে খাওয়া ভালো। আপনার শরীর সেই ব্র্যান্ডের ওষুধের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দেবে। তবে এ বিষয়ে শরীরের অবস্থা বুঝে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেলেই সবচেয়ে ভালো।

১৩. ওষুধ খাওয়ার পর গাড়ি চালানো

কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো খেলে বমি হয়, উদ্বেগ তৈরি হয় বা ত্বকে অ্যালার্জি হয়। এ ধরনের ওষুধ খাওয়ার পর গাড়ি চালানো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

১৪. কোমল পানীয় এবং ফলের রস

ওষুধ খাওয়ার সময় কোমল পানীয় বা ফলের রস খেতে পারবেন কি না, সেটি চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন। কিছু কোমল পানীয় রয়েছে, যেগুলো ওষুধের প্রভাবকে কমিয়ে দিতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয়, ওষুধ সেবনের সময় এসব পানীয় এড়িয়ে গেলে।

১৫. গর্ভাবস্থায়

গর্ভাবস্থায় সব ধরনের ওষুধ সেবন করবেন না। এ সময়ে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

১৬. শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়

যেসব মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তারও ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ সময় বিভিন্ন ওষুধ খেলে শিশুর শরীরে সমস্যা হতে পারে। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসককে আপনার এবং শিশুর শরীরের অবস্থা ভালোভাবে জানান।

Address

Dhaka
DHAKA,

Telephone

01711515226

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DSM SOMIR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category