Shark Fitness

Shark Fitness Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shark Fitness, Health & Wellness Website, Tangail, Dhaka.

Shark Fitness – Your Fitness Partner 💪

Shark Fitness offers practical workout guidance, quality gym equipment, and authentic supplements, bringing you trusted products and knowledge for a stronger, healthier lifestyle.

চিপস ও পপকর্নে  মরণ'ব্যাধি ক্যানসারের ঝুঁকি। নিউজটি গতকালকের। তাজ ভাইয়ের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করা হলো। ⛔ বাচ্চাদের জন...
27/07/2026

চিপস ও পপকর্নে মরণ'ব্যাধি ক্যানসারের ঝুঁকি। নিউজটি গতকালকের। তাজ ভাইয়ের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করা হলো।

⛔ বাচ্চাদের জন্য প্রস্তুত করা প্যাকেটজাত কেক, বিস্কুট, চিপস চকোলেট ও জুসের মেয়াদ থাকুক বা না থাকুক, সেটায় মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ মেশানো থাকুক বা না থাকুক, সেটা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রস্তুত করা হোক বা না হোক।

সেটা নামি দামি ব্রান্ডের প্রস্তুত করা জেনুইন প্রোডাক্ট হোক বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো এক অজপাড়ায় প্রস্তুতকৃত নকল প্রোডাক্ট হোক এগুলো কিছুই বিন্দু পরিমাণ ম্যাটার করে না যতক্ষণ না সেই খাদ্য প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, শর্করা বা চিনির মোট পরিমাণের আদর্শ রেশিও অনুযায়ী প্রস্তুত না করা হবে।

আপনার সন্তান বড় হয়ে মেটাবলিক স্বাস্থ্যজনিত কোনো রোগে ভুগবে কিনা সেটা নির্ভর করে ছোটবেলা আপনি তাকে যা খাওয়াচ্ছেন তাতে পুষ্টির ব্যালেন্স ঠিক আছে কিনা তার ওপর।

যেকোনো খাবারে কার্বোহাইড্রেট: মোট ক্যালোরির ৪৫–৬৫%, ফ্যাট: মোট ক্যালোরির ২০–৩৫%, প্রোটিন: মোট ক্যালোরির ১০–৩৫% ও ফাইবার: প্রতিদিন প্রায় ২৫–৩৮ গ্রাম থাকতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় এমন কোনো বেবি ফুড কোম্পানির অস্তিত্ব আপাতত নেই যাঁরা বাচ্চাদের মেটাবলিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ফাইবার ও প্রোটিন এর দৈনিক চাহিদার রেশিও মেজারমেন্ট করে খাদ্য প্রস্তুত করে। সরি টু সে কেউ নেই।

সবগুলো খাদ্যের মূল উপাদানই হলো রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ও ট্রান্সফ্যাট সেখানে প্রোটিন ও ফাইবার অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজেও পাবেন না। পেলেও সেটার বিপরীতে চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত। সাথে মেশানো থাকে টেস্টি সল্ট। এই সব মিলিয়ে এগুলো বাচ্চাদের ব্রেইনে ডোপামিনের বিষ্ফোরণ ঘটায় ফলে বাচ্চারা অন্যান্য প্রাকৃতিক খাবারে স্বাদ পায় না খেতে চায় না।

কোম্পানিগুলোর নিউট্রিশনিস্ট নিয়োগ দিয়ে রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টে খরচ করার ফান্ড নেই বিষয়টা এমন না। তারা এগুলো না করেই প্রোডাক্ট বিক্রি করে কুল পায় না।

সমস্যা হলো হেলদি ফুডের ডিমান্ড আমরা করি না, ডিমান্ড করিনা কারন পুষ্টি উপাদানের রেশিও যাচাই করে খাবার খাওয়ার গুরুত্ব বুঝি না। আর প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী যে জিনিসটায় আমরা কম গুরুত্ব দেই সেটা আমাদের থেকে দূরে সরে যায়, সেটা আমরা ডিজার্ভ করিনা। একারনেই প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী আমরা হেলদি ফুড ডিজার্ভই করি না। এজন্য আমি বারবার বলি, মূল সমস্যা খাদ্যে না, সমস্যা শিক্ষাব্যবস্থায়, সমস্যা সচেতনতায়।

আমি আশাবাদী শীঘ্রই আমার দেশে কোনো এক ব্যবসায়ী প্রথম এমন উদ্যোগ নেবে,শুধুমাত্র রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টে খরচই করবে না বরং জনগণ কে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনও করবে।

যতদিন তা না হচ্ছে ততদিন এই সমস্যার অল্টারনেটিভ সমাধান হিসেবে প্রাকৃতিক খাবারের ওপর জোর দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

©A S Taj

27/07/2026

যতদিন পর্যন্ত কোম্পানিগুলো মাইক্রোপ্লাস্টিকমুক্ত টুথপেস্ট নিশ্চিত করতে না পারছে, ততদিন পর্যন্ত টুথপেস্ট কেনা থেকে বিরত থাকুন। টুথপেস্টের বিকল্প হিসেবে নিম গাছের ডাল ব্যবহার করতে পারেন। অথবা শুধু পানি দিয়েও দাঁত মাজতে পারেন। নিমে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান আছে, যা মুখের কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে।

তবে নিমের ডালে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান “ফ্লুরাইড” থাকে না, যা সাধারণত টুথপেস্টে থাকে। ফ্লুরাইড দাঁতের এনামেলকে শক্তিশালী করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাঁতের এনামেলের ক্ষয় ও মুখে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির অন্যতম বড় কারণ হলো চিনিযুক্ত শরবত ও সফট ড্রিংকস। মুখে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। এর মধ্যে Streptococcus mutans এবং Lactobacillus-এর মতো ব্যাকটেরিয়া চিনিকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। তারা চিনি ভেঙে ল্যাকটিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে। চিনিযুক্ত পানীয় যেগুলো বাজারে পাওয়া যায় সেগুলো অম্লীয় (acidic)।

এই পানীয়ের চিনি মুখের ব্যাকটেরিয়া ভেঙে আরও অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড দাঁতের এনামেল থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট বের করে দেয় (যেটাকে demineralization বলে ) এগুলো মুখের pH লেভেল কে ৫.৫-এরও নিচে নামিয়ে দেয় তখন এনামেল ক্ষয় শুরু হয়ে যায়।

আপনি যদি টুথপেস্ট ব্যবহার করতে না চান এবং একই সঙ্গে দাঁতের এনামেল ভালো রাখতে চান, তাহলে চিনিযুক্ত শরবত ও সফট ড্রিংকস পান করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে হবে।

ফ্লুরাইড এর চাহিদা অন্যান্য উৎস থেকে পূরণ করা খুব কঠিন। এটা ভুগর্ভস্থ পানি বা পাথর ছাড়া পাওয়া সম্ভব না। তাই টুথপেস্ট ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এজন্য যে ৮ টি টুথপেস্ট আপাতত নিরাপদ, অর্থাৎ মাইক্রো প্লাস্টিক পাওয়া যায়নি সেগুলো ব্যবহার করুন যেমন

1. কোলগেট ম্যাক্স ফ্রেশ (Colgate Max Fresh)
2. কোলগেট সক্রিয় লবণ (Colgate Active Salt)
3. সেন্সোডাইন ফ্রেশ জেল (Sensodyne Fresh Gel)
4. কোডোমো টুথপেস্ট অরেঞ্জ (Kodomo Toothpaste Orange)
5. ক্লোজ আপ লাল হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজি (Closeup Red Hot Zinc Fresh Technology)
6. জেনফ্রেশ (Zenfresh)
7. প্যারাসুট বেবি টুথপেস্ট – শুধু ম্যাঙ্গো ফ্লেভার (Parachute Baby Toothpaste – Mango Flavor only)
8. প্যারোডোনট্যাক্স বিশেষজ্ঞ মাড়ির যত্ন (Parodontax Expert Gum Care)

এভাবে প্রতিটি প্যাকেটজাত খাদ্য ও পন্য যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর তা বর্জন করতে হবে এবং তার অল্টারনেটিভ পন্য বা প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করা শুরু করতে হবে যেন কোম্পানিগুলো বেশি বেশি স্বাস্থ্যকর পন্য উৎপাদনে উৎসাহিত হয়।

©A S Taj

দেশের বাজারে প্রচলিত টুথপেস্টের প্রায় চারটির মধ্যে তিনটিতেই (৭৬.৫ শতাংশ) ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক ক...
26/07/2026

দেশের বাজারে প্রচলিত টুথপেস্টের প্রায় চারটির মধ্যে তিনটিতেই (৭৬.৫ শতাংশ) ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পেয়েছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)।রোববার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি জানায়, বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি নমুনার মধ্যে ২৬টিতেই এই কণা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শিশুদের জন্য বাজারজাত করা টুথপেস্টও রয়েছে।

টুথপেস্টে প্লাস্টিক 🟥

বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট যাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজিতে মাইপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

এছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আপনি কোনটি ব্যবহার করেন?

টুথপেস্টে প্লাস্টিক 🟥বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট যাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট...
26/07/2026

টুথপেস্টে প্লাস্টিক 🟥

বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট যাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজিতে মাইপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

এছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সর্বশেষ স্বাস্থ্যকর খাবার কবে খেয়েছেন?বাংলাদেশের প্রতি পাঁচজন মানুষের মধ্যে প্রায় দুজনেরই পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য...
23/07/2026

সর্বশেষ স্বাস্থ্যকর খাবার কবে খেয়েছেন?

বাংলাদেশের প্রতি পাঁচজন মানুষের মধ্যে প্রায় দুজনেরই পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার আর্থিক সামর্থ্য নেই। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে দেশের ৩৮.৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যকর খাদ্য কিনতে পারেনি। দক্ষিণ এশিয়ায় এ হার সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানে (৬৩%), আর দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। গত বছর এ হার ছিল ৩৬.৮ শতাংশ, অর্থাৎ এক বছরে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

প্রতিবেদনটি FAO, IFAD, UNICEF, WFP ও WHO যৌথভাবে প্রকাশ করেছে। এতে স্বাস্থ্যকর খাদ্য বলতে এমন একটি সুষম খাদ্যতালিকাকে বোঝানো হয়েছে, যাতে শস্য, ফল, শাকসবজি, ডাল, প্রাণিজ খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যের দাম মানুষের আয়ের তুলনায় দ্রুত বাড়ায় স্বাস্থ্যকর খাবার অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শুধু খাদ্যের প্রাপ্যতা নয়, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টিকর খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

©Science Galaxy

প্রচণ্ড বৃষ্টির পরে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়। বন্যা হলে তো পানি আরও বেশি জমে।অনেক...
15/07/2026

প্রচণ্ড বৃষ্টির পরে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়। বন্যা হলে তো পানি আরও বেশি জমে।

অনেকেই জানেন না যে, এই পানি দিয়ে হাঁটাচলা করা কতটা অস্বাস্থ্যকর।

রাস্তায় জমে থাকা এই পানির সাথে সাধারণত ড্রেনের পানি মিশে যায়। মানুষের মলমূত্র তো এতে মিশেই, এর সাথে অন্যান্য প্রাণীর মলমূত্রও মিশে।

বর্ষাকালে সবচেয়ে উদ্বেগজনক সংক্রমণগুলোর একটি হলো Leptospirosis। এটি Leptospira নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। সাধারণত ইঁদুরসহ সংক্রমিত প্রাণীর প্রস্রাবের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া পানিতে, কাদায় ও মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার সময় এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কেউ যদি জীবাণু মিশ্রিত পানি দিয়ে হাঁটাহাঁটি করেন এবং পায়ে কোনো ক্ষত থাকে, তাহলে তার শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে। অনেক সময় খুব ছোট ক্ষতও চোখে পড়ে না, কিন্তু সেখান দিয়েই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

Leptospira ক্ষতযুক্ত ত্বকের পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পানিতে ভেজা নরম অক্ষত ত্বক দিয়েও প্রবেশ করতে পারে। তাই ক্ষত থাকলে ঝুঁকি বেশি, কিন্তু ক্ষত না থাকলেও সংক্রমণ অসম্ভব নয়।

প্রচণ্ড বৃষ্টি বা ঝড়ের সময় নাকে-মুখেও এই পানির ছিটা লাগতে পারে। Leptospirosis-এর জীবাণুযুক্ত পানি নাক, মুখ বা চোখের mucous membrane এর সংস্পর্শে এলেও সংক্রমণ হতে পারে।

পানি দেখতে পরিষ্কার মনে হলেও অনেকে সেটাকে নিরাপদ ভাবেন। অথচ পরিষ্কার দেখালেও সেই পানিতে প্রাণীর বর্জ্য, নর্দমার ময়লা বা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।

~ Leptospirosis হলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

সংক্রমণের কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

জ্বর

বিশেষ করে পায়ের পেছনের পেশিতে (Calf Muscle) তীব্র ব্যথা

মাথাব্যথা

কাঁপুনি

বমি

দুর্বলতা

কিছু ক্ষেত্রে চোখ লাল হওয়া, পেটব্যথা বা জন্ডিসও হতে পারে।

অনেক রোগী চিকিৎসায় ভালো হয়ে যান, তবে চিকিৎসা দেরি হলে কিডনি, লিভার, ফুসফুস বা মস্তিষ্কে গুরুতর জটিলতা হতে পারে।

Severe leptospirosis (Weil disease) এবং pulmonary hemorrhage syndrome হতে পারে।

বন্যার পানিতে হাঁটার পর যদি জ্বর, তীব্র শরীর ব্যথা বা উপরোক্ত কোনো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

~ কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

সম্ভব হলে Waterproof জুতা ব্যবহার করুন।

কাটা-ছেঁড়া বা ফোসকা থাকলে Waterproof Dressing দিয়ে ঢেকে রাখুন।

খালি পায়ে বন্যার পানিতে হাঁটবেন না।

পানি থেকে উঠে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে পা ও খোলা ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

যত দ্রুত সম্ভব শুকনো কাপড় ও জুতা পরুন।

~

বাংলাদেশে Leptospirosis-এর ডায়াগনোসিস করা কঠিন, কারণ রোগটি অনেক ক্ষেত্রে শনাক্তই হয় না (underdiagnosed)। তারপর অনেকেই ঠিকভাবে হিস্ট্রি দেন না। অনেকের আবার একইসাথে Typhoid, Leptospirosis, Hepatitis A/E হতে পারে বর্ষাকালে। আমি গত বছর বর্ষাকালে প্রচুর Dengue + Typhoid-এর রোগী দেখেছি।

এই সময়ে কোনো প্রকার Board Exam নেওয়াটা অমানবিক ও অস্বাস্থ্যকর, আমার মতে।এভাবে পরীক্ষা নিয়ে হাজার হাজার পরীক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ানোর কোন মানে হয় না।

Farhad Hossain

আপনি যদি আপনার হাসবেন্ড - ওয়াইফ অথবা প্রেমিক/ প্রেমিকাকে টাওয়ারে উঠে প্রপোজ করতে চান যেমন পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, পাহাড়ি ট...
04/07/2026

আপনি যদি আপনার হাসবেন্ড - ওয়াইফ অথবা প্রেমিক/ প্রেমিকাকে টাওয়ারে উঠে প্রপোজ করতে চান যেমন পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, পাহাড়ি টাওয়ার, সিঁড়িওয়ালা টাওয়ার এ উঠে প্রপোজ করতে চান তাহলে নিরাপদে ওঠার জন্য নিচের পেশিগুলো ট্রেইন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:

Fingers Muscles (আঙ্গুলের পেশি) : মূলত গ্রিপ স্ট্রেন্থ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। কোনে কিছু আকড়ে ধরে উপরে উঠতে সহায়তা করে।

Quadriceps (উরুর সামনের পেশি): সিঁড়ি ওঠার প্রধান শক্তি দেয়।

Gluteus maximus (নিতম্বের পেশি): শরীরকে উপরের দিকে ঠেলে তোলে।

Hamstrings: হাঁটু ও নিতম্বকে স্থিতিশীল রাখে।

Calf muscles : প্রতিটি ধাপে শরীরকে ঠেলে তুলতে সাহায্য করে।

Plank-এ ব্যবহৃত কোর পেশি (পেট ও কোমর): ভারসাম্য বজায় রাখে।

Farmer’s walk-এ ব্যবহৃত গ্রিপ ও আগবাহুর শক্তি: রেলিং ধরতে বা কোনো জিনিস বহন করতে সহায়ক।

কাঁধ ও পিঠের পেশি: দীর্ঘ সময় ভঙ্গি ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

যদি টাওয়ারে ওঠার পথে অনেক সিঁড়ি থাকে, তাহলে শুধু পেশির শক্তি নয়, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের সহনশীলতাও (cardiorespiratory fitness) খুব গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নিয়মিত দৌড় বা সাঁতার কাটুন।

এগুলো উন্নত করতে সবচেয়ে কার্যকরী ব্যায়াম: Dead Hang, Lunges, Step Up, Calf Raises, Plank, Fast Running & Swimming.

এর পাশাপাশি শরীরের ওজন উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ রেন্জে রাখার চেষ্টা করতে হবে নইলে শরীরের অতিরিক্ত ভরের কারনে পেশিতে ও ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি হবে ফলে দ্রুত পেশিগুলো অবশ হবে এবং হাঁপিয়ে উঠবেন।

দুজন পার্টনার একত্রে এগুলো করতে হবে। নইলে একজন অপরজন কে টেনে তুলতে গিয়ে বিরক্তবোধ করবেন ফলে ‘ধূর ছাই মরগা’ বলে হাত ছেড়ে দেবার সম্ভাবনা আছে। এরপরও যদি টাওয়ারে উঠতে সফল হন এবং প্রোপোজ পরবর্তীতে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় সেক্ষেত্রে এইসকল ট্রেইনিং বিয়ে পরবর্তী জীবনে সুখে সংসার করতেও সহায়তা করবে। কারন এই ট্রেইনিং গুলো সরাসরি সেক্সুয়াল ইনটিমেসি তে সহায়তা করে এবং এর সাথে সম্পর্কিত হরমোন গুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি করে। শুভকামনা রইল।

©abu sufian taj

ডায়ালাইসিস চলাকালে রোগীর শরীর থেকে রক্ত বের করে লাল টিউবের মাধ্যমে ডায়ালাইসিস মেশিনে পাঠানো হয়, সেখান থেকে পরিশোধিত রক্ত...
19/06/2026

ডায়ালাইসিস চলাকালে রোগীর শরীর থেকে রক্ত বের করে লাল টিউবের মাধ্যমে ডায়ালাইসিস মেশিনে পাঠানো হয়, সেখান থেকে পরিশোধিত রক্ত আবার নীল টিউব দিয়ে শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে টানা চার ঘণ্টা, রোগীকে শুয়ে থাকতে হয় একটানা, নড়াচড়া ছাড়া।

একজন ডায়ালাইসিস রোগীকে সপ্তাহে তিনবার এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় মাসে ১২ বার, মোট ৪৮ ঘণ্টা যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল জীবন।

অন্যদিকে, যারা সুস্থ তাদের কিডনি এই কাজটি করে ফেলে দিনে ৩৬ বার, না কোনো যন্ত্রের সাহায্য, না কোনো কষ্ট, না কোনো সময়ক্ষেপণ।

অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?
(সূরা: আর রহমান,আয়াত-১৩)

শনিবার (১৪ জুন) গভীর রাতে দুটি মোবাইল ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় চালানোর সময় আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার আলীমের ...
15/06/2026

শনিবার (১৪ জুন) গভীর রাতে দুটি মোবাইল ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় চালানোর সময় আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার আলীমের ভাড়া বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে অগ্নি দগ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন মিজান। পরে স্থানীয়রা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।

ঘটনার দিন রাতে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। এ সময়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিলো। পরে ছুঁটে গিয়ে তার রুমের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। রুমে থাকা আসবাবপত্র যা ছিলো তার কিছু অংশ বিস্ফোরণ পুড়ে যায়। এবং মোবাইলের পোড়া কিছু অংশ রুমের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিলো। আজ বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ভয়াবহ হয়ে উঠছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই শিশুদের শরীরে কাজ করছে না, শেষ অস্ত্র হিসেবে আছে...
11/06/2026

ভয়াবহ হয়ে উঠছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই শিশুদের শরীরে কাজ করছে না, শেষ অস্ত্র হিসেবে আছে মাত্র দুটি

প্রকাশ: জুন ১০, ২০২৬,

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মারাত্মক জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে ওঠা নিয়ে চলমান উদ্বেগের মাঝেই দেশের চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণা।

হাসপাতালটির শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটাপন্ন যে, আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় চিকিৎসকদের হাতে 'শেষ অস্ত্র' হিসেবে এখন মাত্র দুটি অ্যান্টিবায়োটিক অবশিষ্ট রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চার মাস ধরে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪৯টি শিশুর শরীর থেকে জীবাণুর নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণাটি চালানো হয়। এর মধ্যে ৩০টি জীবাণু গ্রাম-নেগেটিভ ও ১৯টি গ্রাম-পজিটিভ প্রকৃতির। গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই আর কোনো কাজ করছে না। বিশেষ করে সবশেষ এপ্রিল মাসে সংগৃহীত প্রতিটি গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু প্রথম সারির প্রধান ছয়টি অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে শতভাগ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এমন অবশ দুই বাহুর বাস্তবতায় চিকিৎসকদের সামনে এখন কেবল 'টাইজেসাইক্লিন' ও 'কলিস্টিন' নামের দুটি ওষুধই কার্যকর রয়েছে, যার মধ্যে কলিস্টিনের বিরুদ্ধেও ভবিষ্যতে জীবাণুর সম্পূর্ণ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকেরা।

রামেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। সহগবেষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন ডা. ওয়াহিদা খাতুন, ডা. নাসরিন সুলতানা, ডা. সুলতানা আক্তার, ডা. শামীমা নাসরিন ও ডা. সিরাজুম মুনির এবং গবেষণা প্রবন্ধটি 'জার্নাল অব টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনে' প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পিআইসিইউতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটাচ্ছে 'অ্যাসিনেটোব্যাক্টার বাউমানি কমপ্লেক্স' নামের একটি জটিল জীবাণু, যা মোট সংক্রমণের ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে 'ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া' (১৬ দশমিক ৩ শতাংশ) এবং 'স্ট্যাফাইলোকক্কাস হিমোলিটিকাস' (১২ দশমিক ২ শতাংশ)। এছাড়া অন্যান্য জীবাণুর মধ্যে ই. কোলাই, সুডোমোনাস ও এলিজাবেথকিংগিয়ার মতো বিপজ্জনক উপাদানও শনাক্ত হয়েছে।

ওষুধের কার্যকারিতা হারানোর এই চিত্রটি অত্যন্ত ভয়াবহ। গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বহুল ব্যবহৃত ইমিপেনেমের প্রতি প্রতিরোধ ৯৬ দশমিক ৭ শতাংশ, মেরোপেনেম ও পাইপেরাসিলিন-টাজোব্যাক্টামের ক্ষেত্রে ৯৬ দশমিক ৪ শতাংশ, সিপ্রোফ্লক্সাসিনে ৯০ শতাংশ এবং জেন্টামাইসিনে ৮৯ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে গ্রাম-পজিটিভ জীবাণুর ক্ষেত্রে লাইনেজলিড, ডাস্টোমাইসিন ও টাইজেসাইক্লিন এখনো সম্পূর্ণ কার্যকর (প্রতিরোধের হার শূন্য) থাকলেও, নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে 'টেইকোপ্লানিন'। এই জীবন রক্ষাকারী ওষুধটির প্রতি ইতোমধ্যে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ জীবাণু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, যার সবগুলোই গত এপ্রিল মাসে প্রথম ধরা পড়ে। এছাড়া প্রচলিত লেভোফ্লক্সাসিনে ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং অ্যারিথ্রোমাইসিনের বিরুদ্ধে শতভাগ জীবাণুই এখন প্রতিরোধী।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবাণুর এই প্রতিরোধী ক্ষমতা বা রেজিস্ট্যান্সের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সংগৃহীত জীবাণুর ক্ষেত্রে প্রথম সারির ছয়টি ওষুধের প্রতি গড়ে প্রতিরোধ যেখানে ছিল ৮৩ দশমিক ৮ শতাংশ, এপ্রিল মাসে সেটি এক লাফে পুরো ১০০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। চিকিৎসকদের মতে, পরিসংখ্যানগত এই উল্লম্ফন হাসপাতালজুড়ে একটি বড় ধরনের বিপদের সংকেত। গবেষণায় অংশ নেওয়া ৪৯টি শিশুর ওপর চালানো পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যে সমস্ত শিশুরা অতীতে কোনো না কোনো কারণে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেছিল, তাদের শরীরে একাধিক ওষুধ-প্রতিরোধী বা 'মাল্টিপল ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট' (এমডিআর) জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি সাধারণ শিশুদের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি।

এই এমডিআর জীবাণুতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ফলাফলও চরম উদ্বেগজনক। সাধারণ জীবাণুর সংক্রমণে একটি শিশু যেখানে গড়ে ৬ দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারে, সেখানে এমডিআর আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ হতে দ্বিগুণ সময় অর্থাৎ গড়ে ১৪ দিন লেগে যাচ্ছে। গবেষকদের বিশ্লেষণে পূর্ববর্তী সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বা যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার বেশি ভেন্টিলেশনে থাকা কিংবা দীর্ঘ সময় পিআইসিইউতে অবস্থান করাকেও অন্যতম ঝুঁকির কারণ বলা হয়েছে।

অবশ্য গবেষকেরা এই গবেষণার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন। যেহেতু এটি মাত্র একটি হাসপাতালের এবং মাত্র ৪৯ জন শিশুর নমুনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এর পরিধি কিছুটা সীমিত। এছাড়া জীবাণুর নিখুঁত জিনগত বিশ্লেষণ (জেনেটিক অ্যানালাইসিস) না করায় প্রতিরোধী হয়ে ওঠার সুনির্দিষ্ট আণবিক কারণটি নিশ্চিত করা যায়নি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য গবেষক দল জরুরি ভিত্তিতে ও অকারণে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করা, হাসপাতালে কঠোরভাবে হাত ধোয়া ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম চালু করা, শেষ ধাপের ওষুধগুলোর ব্যবহার সীমিত করা এবং দেশব্যাপী এই সংকটের গভীরতা মাপতে একটি 'বহুকেন্দ্রীক জাতীয় তদারকি' ব্যবস্থা চালুর জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

গবেষক দলের প্রধান ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্পষ্ট করেই বলেছেন, পিআইসিইউতে শিশুদের ওপর ওষুধ কাজ না করার কারণেই তাঁরা এই গবেষণায় হাত দেন এবং এখন সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে শিশুদের এমন কঠোর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচর্যার মধ্যে রাখা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো জটিল অসুস্থতায় না পড়ে।

©The Delta Lens

Address

Tangail
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shark Fitness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Shark Fitness:

Shortcuts

Share