Dr.Nowshad’S Den Of Surgery

Dr.Nowshad’S Den Of Surgery General and Laparoscopic surgeon

16/09/2026
General Surgery Operations — Open & Laparoscopic1. Laparoscopic Cholecystectomy (Lap Chole) — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পিত্ত...
16/09/2026

General Surgery Operations — Open & Laparoscopic

1. Laparoscopic Cholecystectomy (Lap Chole) — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পিত্তথলি অপসারণ)
2. Open Cholecystectomy — (ওপেন পদ্ধতিতে পিত্তথলি অপসারণ)
3. Laparoscopic Appendectomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ)
4. Open Appendectomy — (ওপেন পদ্ধতিতে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ)
5. Laparoscopic Inguinal Hernia Repair — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে কুঁচকির হার্নিয়া মেরামত)
6. Open Inguinal Hernia Repair — (ওপেন পদ্ধতিতে কুঁচকির হার্নিয়া মেরামত)
7. Laparoscopic Ventral Hernia Repair — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পেটের সামনের হার্নিয়া মেরামত)
8. Open Ventral Hernia Repair — (ওপেন পদ্ধতিতে পেটের সামনের হার্নিয়া মেরামত)
9. Laparoscopic Incisional Hernia Repair — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে অপারেশনের পরের হার্নিয়া মেরামত)
10. Open Incisional Hernia Repair — (ওপেন পদ্ধতিতে অপারেশনের পরের হার্নিয়া মেরামত)
11. Laparoscopic Umbilical Hernia Repair — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে নাভির হার্নিয়া মেরামত)
12. Open Umbilical Hernia Repair — (ওপেন পদ্ধতিতে নাভির হার্নিয়া মেরামত)
13. Laparoscopic Adhesiolysis — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পেটের ভেতরের জোড়া লাগা টিস্যু আলাদা করা)
14. Open Adhesiolysis — (ওপেন পদ্ধতিতে জোড়া লাগা টিস্যু আলাদা করা)
15. Laparoscopic Diagnostic Exploration — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পেটের ভেতর পরীক্ষা করা)
16. Open Abdominal Exploration — (ওপেন পদ্ধতিতে পেটের ভেতর পরীক্ষা করা)
17. Laparoscopic Small Bowel Resection and Anastomosis — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ কেটে জোড়া লাগানো)
18. Open Small Bowel Resection and Anastomosis — (ওপেন পদ্ধতিতে ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ কেটে জোড়া লাগানো)
19. Laparoscopic Right Hemicolectomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে বৃহদান্ত্রের ডান অংশ অপসারণ)
20. Open Right Hemicolectomy — (ওপেন পদ্ধতিতে বৃহদান্ত্রের ডান অংশ অপসারণ)
21. Laparoscopic Left Hemicolectomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে বৃহদান্ত্রের বাম অংশ অপসারণ)
22. Open Left Hemicolectomy — (ওপেন পদ্ধতিতে বৃহদান্ত্রের বাম অংশ অপসারণ)
23. Laparoscopic Anterior Resection — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে রেকটাম/সিগময়েডের অংশ অপসারণ)
24. Open Anterior Resection — (ওপেন পদ্ধতিতে রেকটাম/সিগময়েডের অংশ অপসারণ)
25. Laparoscopic Colectomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে বৃহদান্ত্রের অংশ অপসারণ)
26. Open Colectomy — (ওপেন পদ্ধতিতে বৃহদান্ত্রের অংশ অপসারণ)
27. Laparoscopic Perforation Repair — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পাকস্থলী/ডুডেনামের ছিদ্র মেরামত)
28. Open Perforation Repair — (ওপেন পদ্ধতিতে পাকস্থলী/ডুডেনামের ছিদ্র মেরামত)
29. Laparoscopic Gastrojejunostomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যে সংযোগ তৈরি)
30. Open Gastrojejunostomy — (ওপেন পদ্ধতিতে পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যে সংযোগ তৈরি)
31. Laparoscopic Feeding Jejunostomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে খাবার দেওয়ার জন্য জেজুনামে নল স্থাপন)
32. Open Feeding Jejunostomy — (ওপেন পদ্ধতিতে জেজুনামে খাবার দেওয়ার নল স্থাপন)
33. Laparoscopic Gastrostomy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পাকস্থলীতে খাবার দেওয়ার নল স্থাপন)
34. Open Gastrostomy — (ওপেন পদ্ধতিতে পাকস্থলীতে খাবার দেওয়ার নল স্থাপন)
35. Laparoscopic Abscess Drainage — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পেটের ভেতরের পুঁজের থলি নিষ্কাশন)
36. Open Abscess Drainage — (ওপেন পদ্ধতিতে পুঁজের থলি নিষ্কাশন)
37. Laparoscopic Intestinal Obstruction Surgery — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে অন্ত্রের বাধার অপারেশন)
38. Open Intestinal Obstruction Surgery — (ওপেন পদ্ধতিতে অন্ত্রের বাধার অপারেশন)
39. Laparoscopic Peritoneal Biopsy — (ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পেরিটোনিয়ামের নমুনা নেওয়া)
40. Open Peritoneal Biopsy — (ওপেন পদ্ধতিতে পেরিটোনিয়ামের নমুনা নেওয়া)

Breast Surgery

41. Modified Radical Mastectomy — (স্তনের সম্পূর্ণ অংশ ও সংশ্লিষ্ট লিম্ফ নোড অপসারণ)
42. Simple Mastectomy — (স্তনের সম্পূর্ণ অংশ অপসারণ)
43. Breast-Conserving Surgery — (স্তনের ক্যান্সারযুক্ত অংশ অপসারণ করে বাকি স্তন সংরক্ষণ)
44. Lumpectomy — (স্তনের টিউমার/গাঁট অপসারণ)
45. Sentinel Lymph Node Biopsy — (প্রথম আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাযুক্ত লিম্ফ নোডের পরীক্ষা)

Thyroid & Neck Surgery

46. Hemithyroidectomy — (থাইরয়েডের অর্ধেক অপসারণ)
47. Total Thyroidectomy — (সম্পূর্ণ থাইরয়েড অপসারণ)
48. Parathyroidectomy — (প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি অপসারণ)
49. Cervical Lymph Node Dissection — (গলার লিম্ফ নোড অপসারণ)

Anorectal Surgery

50. Hemorrhoidectomy — (পাইলস অপারেশন করে অপসারণ)
51. Lateral Internal Sphincterotomy — (এনাল ফিশারের চিকিৎসায় অভ্যন্তরীণ স্ফিঙ্কটারের আংশিক কাটা)
52. Fistulotomy — (এনাল ফিস্টুলার পথ কেটে খোলা)
53. Fistulectomy — (ফিস্টুলার সম্পূর্ণ পথ অপসারণ)
54. Seton Placement — (ফিস্টুলার পথে সেটন সুতা/নল স্থাপন)
55. Pilonidal Sinus Excision — (পাইলোনাইডাল সাইনাস অপসারণ)

Other Common General Surgical Procedures

56. Lipoma Excision — (চর্বির গুটি অপসারণ)
57. Sebaceous Cyst Excision — (সেবাসিয়াস সিস্ট অপসারণ)
58. Lymph Node Biopsy — (লিম্ফ নোডের নমুনা নেওয়া)
59. Lymph Node Excision — (লিম্ফ নোড সম্পূর্ণ অপসারণ)
60. Incision and Drainage of Abscess — (কেটে পুঁজ বের করা)

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

C*D-তে পাথর (Choledocholithiasis)C*D (Common Bile Duct)-তে পাথর বলতে সাধারণত গলব্লাডার থেকে নেমে C*D-তে আটকে থাকা পাথরকে...
16/09/2026

C*D-তে পাথর (Choledocholithiasis)

C*D (Common Bile Duct)-তে পাথর বলতে সাধারণত গলব্লাডার থেকে নেমে C*D-তে আটকে থাকা পাথরকে বোঝায়। এটি bile duct obstruction, cholangitis এবং pancreatitis করতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. Biliary colic

* ডান upper abdomen বা epigastrium-এ তীব্র ব্যথা
* ব্যথা ডান shoulder/back-এ ছড়াতে পারে
* সাধারণত fatty meal-এর পর বাড়তে পারে
* বমি বমি ভাব/বমি

২. Obstructive jaundice

* চোখ ও শরীর হলুদ হওয়া
* প্রস্রাব গাঢ় হওয়া
* পায়খানা ফ্যাকাশে/সাদাটে হওয়া
* শরীরে চুলকানি

৩. Acute cholangitis

* Charcot’s triad:
জ্বর + jaundice + RUQ pain
* গুরুতর ক্ষেত্রে hypotension ও altered consciousness যোগ হলে Reynolds pentad হতে পারে।

৪. Gallstone pancreatitis

* Epigastric severe pain, প্রায়ই পিঠে ছড়ায়
* বারবার বমি
* Serum lipase/amylase বৃদ্ধি

Investigations

প্রথম ধাপ

* CBC
* LFT: bilirubin, ALP, GGT, AST/ALT
* Serum amylase/lipase
* CRP
* PT/INR
* Renal function/electrolytes

Imaging

1. USG hepatobiliary system – gallstone, C*D dilatation ইত্যাদি দেখতে।
2. MRCP – C*D stone শনাক্ত করার non-invasive এবং খুব useful investigation।
3. EUS – ছোট C*D stone/sludge শনাক্ত করতে খুব sensitive।
4. ERCP – বর্তমানে মূলত diagnostic-এর চেয়ে therapeutic উদ্দেশ্যে করা হয়।

Treatment

চিকিৎসা নির্ভর করে stone-এর সঙ্গে obstruction, cholangitis বা pancreatitis আছে কি না তার ওপর।

C*D stone + obstruction/jaundice কিন্তু cholangitis নেই:
→ সাধারণত ERCP + sphincterotomy + stone extraction
→ এরপর gallbladder-এ stone থাকলে laparoscopic cholecystectomy করা হয়, যাতে recurrence কমে।

ভেরিকোসিল — সম্পূর্ণ আলোচনাভেরিকোসিল হলো অণ্ডথলির ভেতরের অণ্ডকোষের শিরাগুলো অস্বাভাবিকভাবে প্রসারিত ও পেঁচিয়ে যাওয়া। এট...
08/09/2026

ভেরিকোসিল — সম্পূর্ণ আলোচনা

ভেরিকোসিল হলো অণ্ডথলির ভেতরের অণ্ডকোষের শিরাগুলো অস্বাভাবিকভাবে প্রসারিত ও পেঁচিয়ে যাওয়া। এটি মূলত “প্যাম্পিনিফর্ম প্লেক্সাসের শিরাগুলোর ভেরিকোজ প্রসারণ”।

১. কোন বয়সে বেশি হয়?

* সাধারণত কৈশোর ও তরুণ বয়সে বেশি দেখা যায়।
* প্রায় ১৫–২৫% পুরুষের মধ্যে কোনো না কোনো মাত্রার ভেরিকোসিল থাকতে পারে।
* বাম পাশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
* ডান পাশের ভেরিকোসিল তুলনামূলকভাবে কম।
* হঠাৎ শুরু হওয়া ডান পাশের ভেরিকোসিল, বিশেষ করে শুয়ে থাকলেও কমে না গেলে, পেট বা রেট্রোপেরিটোনিয়ামের কোনো বাধা/মাস আছে কি না খুঁজে দেখা প্রয়োজন।

⸻

২. লক্ষণ ও উপসর্গ

অনেক রোগীর কোনো উপসর্গই থাকে না এবং অন্য কারণে পরীক্ষা করার সময় ধরা পড়ে।

সাধারণ উপসর্গ

১. অণ্ডথলিতে ব্যথা বা অস্বস্তি

* সাধারণত মৃদু, ভোঁতা ধরনের ব্যথা।
* দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা শারীরিক পরিশ্রমের পর বাড়তে পারে।
* শুয়ে পড়লে সাধারণত কমে যায়।

২. অণ্ডথলিতে ভারী বা টানটান অনুভূতি

৩. অণ্ডথলির শিরা ফুলে ওঠা

* দাঁড়ালে বেশি স্পষ্ট হয়।

৪. “কেঁচোর গুচ্ছের মতো” অনুভূতি

* বড় ভেরিকোসিলে অণ্ডথলির ওপর হাত দিলে প্রসারিত শিরাগুলো কেঁচোর গুচ্ছের মতো অনুভূত হতে পারে।

৫. বন্ধ্যাত্ব

* কিছু রোগীর ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা ও গঠন খারাপ হতে পারে।
* তবে ভেরিকোসিল থাকলেই বন্ধ্যাত্ব হবে—এমন নয়।

৬. অণ্ডকোষের আকার ছোট হয়ে যাওয়া

* বিশেষ করে কিশোরদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত পাশের অণ্ডকোষের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

⸻

৩. শারীরিক পরীক্ষা

রোগীকে সাধারণত দাঁড়ানো এবং শোয়া—দুই অবস্থায়ই পরীক্ষা করা হয়।

দাঁড়ানো অবস্থায়

* অণ্ডথলি দেখা ও হাত দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
* রোগীকে ভালসালভা ম্যানুভার করতে বলা যেতে পারে।
* শিরাগুলো ফুলে ওঠে কি না দেখা হয়।

গ্রেডিং

গ্রেড ১:
শুধু ভালসালভা করলে অনুভব করা যায়।

গ্রেড ২:
স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে হাত দিয়ে অনুভব করা যায়, কিন্তু চোখে দেখা যায় না।

গ্রেড ৩:
দাঁড়ানো অবস্থায় শিরাগুলো চোখেও দেখা যায় এবং হাতেও স্পষ্ট অনুভূত হয়।

সাবক্লিনিক্যাল ভেরিকোসিল:
শারীরিক পরীক্ষায় ধরা পড়ে না, কিন্তু ডপলার আল্ট্রাসনোগ্রামে পাওয়া যায়।

⸻

৪. পরীক্ষা-নিরীক্ষা

১. অণ্ডথলির আল্ট্রাসনোগ্রাম ও কালার ডপলার

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

এতে দেখা যায়—

* প্রসারিত শিরার ব্যাস
* রক্তের প্রবাহের ধরন
* ভালসালভা করলে রিফ্লাক্স হয় কি না
* অণ্ডকোষের আকার
* দুই পাশের অণ্ডকোষের তুলনা
* অন্য কোনো অণ্ডথলির রোগ আছে কি না

সাধারণভাবে ৩ মিমি বা তার বেশি শিরা এবং ভালসালভায় রিফ্লাক্স থাকলে ভেরিকোসিলের পক্ষে যায়, তবে রিপোর্টকে রোগীর শারীরিক পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।

২. বীর্য পরীক্ষা

যদি রোগীর—

* সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে,
* বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকে,
* অথবা ভেরিকোসিলের জন্য চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়,

তাহলে বীর্য পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রয়োজনে সাধারণত দুইবার পরীক্ষা করা হয়, কারণ ফলাফলে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ওঠানামা হতে পারে।

৩. হরমোন পরীক্ষা

যদি বন্ধ্যাত্ব বা অণ্ডকোষের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সন্দেহ থাকে:

* এফএসএইচ
* এলএইচ
* টেস্টোস্টেরন
* প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য হরমোন

৪. কিশোর রোগীর ক্ষেত্রে

দুই পাশের অণ্ডকোষের আকার ও বৃদ্ধি তুলনা করা গুরুত্বপূর্ণ। আক্রান্ত অণ্ডকোষের বৃদ্ধি পিছিয়ে থাকলে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বেশি।

⸻

৫. চিকিৎসা

সব ভেরিকোসিলের অপারেশন প্রয়োজন হয় না।

পর্যবেক্ষণ

যদি—

* কোনো ব্যথা না থাকে,
* বীর্য পরীক্ষা স্বাভাবিক থাকে,
* অণ্ডকোষের বৃদ্ধি স্বাভাবিক থাকে,
* এবং সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা না থাকে,

তাহলে অনেক ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট।

প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময় পর পর শারীরিক পরীক্ষা, ডপলার এবং কিশোরদের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

⸻

ব্যথা হলে

প্রথমে সাধারণত—

* বিশ্রাম
* দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা ও অতিরিক্ত ভারী কাজ কমানো
* অণ্ডথলিকে ভালোভাবে সাপোর্ট দেয় এমন অন্তর্বাস
* প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যথানাশক

দেওয়া যেতে পারে।

তবে এগুলো ভেরিকোসিলের মূল সমস্যা দূর করে না, শুধু উপসর্গ কমায়।

⸻

৬. কখন অপারেশন বিবেচনা করা হয়?

প্রধান কারণগুলো হলো:

১. ভেরিকোসিলের সঙ্গে বন্ধ্যাত্ব এবং অস্বাভাবিক বীর্য পরীক্ষা

বিশেষ করে যখন দম্পতি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কারণ পাওয়া যাচ্ছে না।

২. কিশোরের আক্রান্ত অণ্ডকোষের বৃদ্ধি কমে যাওয়া

এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি indication।

৩. দীর্ঘস্থায়ী বা উল্লেখযোগ্য ব্যথা

ওষুধ ও অন্যান্য conservative treatment-এর পরও ব্যথা থাকলে।

৪. বড় ও স্পষ্ট ভেরিকোসিল

বিশেষ করে যখন এর সঙ্গে অণ্ডকোষের কার্যকারিতা বা আকারে সমস্যা রয়েছে।

⸻

৭. অপারেশনের পদ্ধতি

মাইক্রোসার্জিক্যাল সাবইনগুইনাল ভেরিকোসিলেকটমি

বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে এটি পছন্দনীয় পদ্ধতি।

এতে মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে আক্রান্ত শিরাগুলো চিহ্নিত করে বেঁধে দেওয়া হয় এবং অণ্ডকোষের ধমনী ও লসিকানালী সংরক্ষণ করার চেষ্টা করা হয়।

অন্যান্য পদ্ধতি

* ইনগুইনাল ভেরিকোসিলেকটমি
* ল্যাপারোস্কোপিক ভেরিকোসিলেকটমি
* অ্যান্টিগ্রেড/রেট্রোগ্রেড এম্বোলাইজেশন

কোন পদ্ধতি সবচেয়ে উপযুক্ত হবে তা রোগীর বয়স, ভেরিকোসিলের ধরন, সার্জনের অভিজ্ঞতা এবং fertility status-এর ওপর নির্ভর করে।

⸻

৮. অপারেশন না করলে কী হতে পারে?

সব রোগীর ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হবে না। তবে উল্লেখযোগ্য ভেরিকোসিল দীর্ঘদিন থাকলে—

🔸 ১. অণ্ডকোষের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে

বিশেষ করে কৈশোরে আক্রান্ত অণ্ডকোষ অন্য পাশের তুলনায় ছোট হয়ে যেতে পারে।

🔸 ২. শুক্রাণুর মান কমে যেতে পারে

* শুক্রাণুর সংখ্যা কমতে পারে
* গতিশীলতা কমতে পারে
* গঠন অস্বাভাবিক হতে পারে

ফলে সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে।

🔸 ৩. অণ্ডকোষের কার্যকারিতা কমতে পারে

দীর্ঘস্থায়ী ভেরিকোসিলের সঙ্গে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া যায়।

🔸 ৪. দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অস্বস্তি থাকতে পারে

🔸 ৫. ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দিতে পারে

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ভেরিকোসিল থাকা মানেই ভবিষ্যতে অবশ্যই বন্ধ্যাত্ব হবে না। অনেক পুরুষের ভেরিকোসিল থাকা সত্ত্বেও স্বাভাবিক সন্তান ধারণের ক্ষমতা থাকে।

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

হাইড্রোসিলহাইড্রোসিল হলো অণ্ডথলির ভেতরে অণ্ডকোষকে ঘিরে থাকা আবরণের মধ্যে অতিরিক্ত তরল জমে অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া।কোন বয়সে ব...
08/09/2026

হাইড্রোসিল

হাইড্রোসিল হলো অণ্ডথলির ভেতরে অণ্ডকোষকে ঘিরে থাকা আবরণের মধ্যে অতিরিক্ত তরল জমে অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া।

কোন বয়সে বেশি হয়?

* নবজাতক ও শিশুদের মধ্যে: জন্মগত হাইড্রোসিল বেশি দেখা যায়।
* প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে: যেকোনো বয়সে হতে পারে, তবে ৪০ বছরের পর বেশি দেখা যায়।
* প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ, আঘাত, টিউমার বা অপারেশনের পরেও হতে পারে।

প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গ

* অণ্ডথলি ধীরে ধীরে ফুলে যাওয়া
* সাধারণত ব্যথাহীন ফোলা
* অণ্ডথলিতে ভারী বা টানটান অনুভূতি
* বেশি বড় হলে হাঁটা বা বসার সময় অস্বস্তি
* পরীক্ষায় নরম ও তরলপূর্ণ ফোলা অনুভূত হয়
* সাধারণত আলো ফেললে আলো ভেদ করে দেখা যায় — এটিকে ট্রান্সইলুমিনেশন বলা হয়
* সাধারণত কাশি দিলে ফোলা বাড়ে না
* যোগাযোগকারী ধরনের হাইড্রোসিলে দাঁড়ানো/শোয়ার সঙ্গে ফোলার আকার পরিবর্তন হতে পারে

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

১. শারীরিক পরীক্ষা

* অণ্ডথলি পর্যবেক্ষণ
* ফোলার প্রকৃতি ও তরল পরীক্ষা
* ট্রান্সইলুমিনেশন পরীক্ষা
* অণ্ডকোষ আলাদাভাবে অনুভব করা সম্ভব কি না দেখা
* কুঁচকির হার্নিয়া আছে কি না পরীক্ষা

২. অণ্ডথলির আল্ট্রাসনোগ্রাম — সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
এতে হাইড্রোসিল নিশ্চিত করার পাশাপাশি অণ্ডকোষের টিউমার, সংক্রমণ, ভেরিকোসিল বা অন্যান্য রোগ বাদ দেওয়া যায়।

৩. প্রয়োজন অনুযায়ী

* রক্তের সাধারণ পরীক্ষা
* প্রদাহের পরীক্ষা
* প্রস্রাব পরীক্ষা
* সংক্রমণের পরীক্ষা
* যক্ষ্মার সন্দেহ থাকলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা

হাইড্রোসিল অপারেশন না করলে কী কী সমস্যা হতে পারে?

সব হাইড্রোসিলের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন প্রয়োজন হয় না। তবে দীর্ঘদিন বড় বা উপসর্গযুক্ত হাইড্রোসিল চিকিৎসা না করলে নিচের সমস্যা হতে পারে—

* ধীরে ধীরে আকার বড় হওয়া এবং অণ্ডথলি অত্যন্ত ফুলে যাওয়া
* অণ্ডথলিতে ভারীভাব, টান ও অস্বস্তি
* হাঁটা, বসা বা দৈনন্দিন কাজে অসুবিধা
* যৌনক্রিয়ায় অস্বস্তি
* অণ্ডকোষকে ঠিকভাবে পরীক্ষা করা কঠিন হয়ে যাওয়া
* খুব বড় হলে অণ্ডকোষে চাপ পড়ে রক্তসঞ্চালন ও কার্যকারিতায় প্রভাব পড়তে পারে
* ত্বক অতিরিক্ত টানটান হয়ে ঘর্ষণ, ক্ষত বা সংক্রমণ হতে পারে
* বিরল ক্ষেত্রে হাইড্রোসিলের মধ্যে রক্ত বা সংক্রমণ হতে পারে
* মূল রোগ যেমন অণ্ডকোষের টিউমার বা সংক্রমণ থাকলে তা দেরিতে ধরা পড়তে পারে

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

লিপোমা (lipoma )কী?লিপোমা হলো চামড়ার নিচে জমে তৈরি হওয়া এক ধরনের নিরীহ চর্বির গুটি। এটি ক্যান্সার নয় এবং বেশিরভাগ ক্ষ...
10/08/2026

লিপোমা (lipoma )কী?

লিপোমা হলো চামড়ার নিচে জমে তৈরি হওয়া এক ধরনের নিরীহ চর্বির গুটি। এটি ক্যান্সার নয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর নয়।

সাধারণত লিপোমা:

* নরম হয়
* আঙুল দিয়ে চাপ দিলে কিছুটা নড়াচড়া করে
* ধীরে ধীরে বড় হয়
* সাধারণত ব্যথা থাকে না
* চামড়ার ঠিক নিচে থাকে
* অনেক বছর একই অবস্থায় থাকতে পারে

কখন অপারেশন করতে হয়?

সব লিপোমার অপারেশন প্রয়োজন হয় না। নিচের যেকোনো সমস্যা থাকলে অপারেশন করে তুলে ফেলা ভালো—

1. দ্রুত বড় হতে থাকলে
2. ব্যথা হলে
3. আকার অনেক বড় হয়ে গেলে
4. আশেপাশের স্নায়ুতে চাপ দিয়ে ব্যথা, ঝিনঝিনি বা অবশভাব হলে
5. হাঁটা বা হাত-পা নাড়াচাড়ায় সমস্যা করলে
6. দেখতে অসুবিধাজনক বা রোগীর জন্য অস্বস্তিকর হলে
7. গুটিটি শক্ত, অনিয়মিত বা সহজে নড়ে না এমন হলে
8. গুটিটি চামড়ার অনেক গভীরে থাকলে
9. ৫ সেন্টিমিটারের বেশি হলে, বিশেষ করে যদি দ্রুত বড় হয়
10. চিকিৎসকের কাছে এটি সাধারণ লিপোমা নাকি অন্য কোনো টিউমার—এ নিয়ে সন্দেহ থাকলে

অপারেশন না করলে কী হতে পারে?

যদি এটি ছোট, নরম, ধীরে ধীরে বাড়ে এবং কোনো উপসর্গ না থাকে, তাহলে সাধারণত অপারেশন না করলেও কোনো সমস্যা হয় না।

তবে সময়ের সঙ্গে বড় হলে:

* স্থানীয় চাপ বা অস্বস্তি হতে পারে
* ব্যথা হতে পারে
* স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে অবশভাব বা ঝিনঝিনি হতে পারে
* আশেপাশের অঙ্গের নড়াচড়ায় সমস্যা হতে পারে
* দেখতে বড় বা অস্বাভাবিক লাগতে পারে

লিপোমা কি ক্যান্সারে পরিণত হয়?

সাধারণ লিপোমা সাধারণত ক্যান্সারে পরিণত হয় না। তবে কোনো গুটি যদি দ্রুত বড় হয়, শক্ত হয়, গভীরে থাকে, স্থির থাকে বা আকারে বড় হয়, তখন সেটিকে শুধু লিপোমা ধরে নেওয়া উচিত নয়। লিপোমার মতো দেখতে অন্য ধরনের টিউমারও থাকতে পারে, তাই প্রয়োজনে পরীক্ষা করা দরকার।

কী পরীক্ষা করা হয়?

সাধারণ ছোট ও পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় এমন লিপোমায় অনেক সময় শুধু শারীরিক পরীক্ষা যথেষ্ট।

সন্দেহ থাকলে:

* আল্ট্রাসনোগ্রাম
* প্রয়োজনে এমআরআই
* সন্দেহজনক ক্ষেত্রে কোর বায়োপসি

চিকিৎসা কী?

লিপোমার মূল চিকিৎসা হলো অপারেশন করে সম্পূর্ণভাবে তুলে ফেলা। সাধারণত এটি একটি ছোট অপারেশন এবং তুলে ফেলা অংশটি প্রয়োজনে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়।

সহজ কথা:
👉 ছোট + নরম + নড়াচড়া করে + ব্যথাহীন + ধীরে বাড়ে → সাধারণত অপারেশন জরুরি নয়।
👉 দ্রুত বড় হচ্ছে + শক্ত/স্থির + ব্যথা + গভীরে + ৫ সেমির বেশি → শল্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি।
Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

অবস্ট্রাক্টেড ইনগুইনাল হার্নিয়া (Obstructed Inguinal Hernia): কেন আগে অপারেশন করা উচিত?ইনগুইনাল হার্নিয়া হলো পেটের ভেত...
02/08/2026

অবস্ট্রাক্টেড ইনগুইনাল হার্নিয়া (Obstructed Inguinal Hernia): কেন আগে অপারেশন করা উচিত?

ইনগুইনাল হার্নিয়া হলো পেটের ভেতরের কোনো অঙ্গ (সাধারণত ক্ষুদ্রান্ত্র বা ওমেন্টাম) ইনগুইনাল ক্যানালের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে আসা।

যদি হার্নিয়া শুরুতে reducible থাকে, তবে সেটি সহজে ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু সময়মতো অপারেশন না করলে এটি ধীরে ধীরে irreducible, obstructed, এবং পরে strangulated hernia-তে পরিণত হতে পারে।

কেন অবস্ট্রাকশন হওয়ার আগেই অপারেশন করা উচিত?

১. অবস্ট্রাকশনের ঝুঁকি থাকে

* হার্নিয়ার মুখ (neck) সরু হলে অন্ত্র আটকে যেতে পারে।
* ফলে অন্ত্রের ভিতরের খাবার ও গ্যাস চলাচল বন্ধ হয়ে intestinal obstruction হয়।

২. Strangulation-এর ঝুঁকি থাকে

* আটকে যাওয়া অন্ত্রের রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
* এতে bowel ischemia → gangrene → perforation হতে পারে।

৩. Elective surgery অনেক নিরাপদ

* অবস্ট্রাকশন হওয়ার আগে অপারেশন করলে:
* কম ঝুঁকি
* কম postoperative complication
* দ্রুত সুস্থ হওয়া
* হাসপাতালে কমদিন থাকতে হয়

৪. Emergency surgery-এর ঝুঁকি অনেক বেশি

* অবস্ট্রাকশন বা strangulation হলে জরুরি অপারেশন করতে হয়।
* অনেক ক্ষেত্রে bowel resection ও anastomosis করতে হয়।
* Morbidity ও mortality উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

⸻

যদি অপারেশন না করা হয়, তাহলে কী কী জটিলতা হতে পারে?

* Irreducible (incarcerated) hernia
* Intestinal obstruction
* Strangulated hernia
* Bowel ischemia
* Bowel gangrene
* Intestinal perforation
* Peritonitis
* Sepsis
* Shock
* মৃত্যু (untreated strangulated hernia-তে)

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa Barakatuh.Dear respected brothers and sisters,On the joyous occasion of Eid-ul-Adha,...
27/05/2026

Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa Barakatuh.

Dear respected brothers and sisters,

On the joyous occasion of Eid-ul-Adha, I would like to extend my heartfelt greetings and warmest wishes to everyone. Eid Mubarak to you and your families.

একজন মুসলিম ডাক্তার হিসেবে, তারা এই সত্যটি মেনে নেন যে, আল্লাহই আরোগ্যদাতা এবং ডাক্তার কেবল তাঁর একজন প্রতিনিধি। হেপাটাই...
17/05/2026

একজন মুসলিম ডাক্তার হিসেবে, তারা এই সত্যটি মেনে নেন যে, আল্লাহই আরোগ্যদাতা এবং ডাক্তার কেবল তাঁর একজন প্রতিনিধি।

হেপাটাইটিস A ও হেপাটাইটিস E (বাংলায়)

হেপাটাইটিস A এবং হেপাটাইটিস E হলো ভাইরাসজনিত লিভারের প্রদাহ। দুটিই সাধারণত দূষিত খাবার ও পানি দ্বারা ছড়ায় (fecal-oral route) এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে acute/self-limiting hepatitis সৃষ্টি করে।

⸻

১) হেপাটাইটিস A

Hepatitis A

কারণ (Causes)

* Hepatitis A virus (HAV) দ্বারা হয়
* সংক্রমণের উৎস:
* দূষিত পানি
* অস্বাস্থ্যকর খাবার
* অপরিষ্কার হাত
* আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ

⸻

লক্ষণ ও উপসর্গ (Signs & Symptoms)

প্রথমে:

* জ্বর
* দুর্বলতা
* শরীর ব্যথা
* ক্ষুধামন্দা
* বমি বমি ভাব/বমি

পরবর্তীতে:

* জন্ডিস (চোখ-মুখ হলুদ হওয়া)
* গা চুলকানো
* গাঢ় প্রস্রাব
* ফ্যাকাশে পায়খানা
* ডান উপরের পেটে ব্যথা
* লিভার বড় হওয়া

⸻

প্রতিরোধ (Prevention)

* বিশুদ্ধ পানি পান
* খাবারের আগে ও টয়লেটের পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
* ভালোভাবে রান্না করা খাবার খাওয়া
* রাস্তার অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলা
* হেপাটাইটিস A ভ্যাকসিন নেওয়া

⸻

চিকিৎসা/ম্যানেজমেন্ট (Management)

নির্দিষ্ট antiviral নেই।

Supportive treatment:

* পর্যাপ্ত বিশ্রাম
* ORS/পর্যাপ্ত পানি
* হালকা খাবার
* বমির জন্য antiemetic
* লিভারের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ (যেমন অতিরিক্ত paracetamol) এড়িয়ে চলা

Monitoring:

* LFT
* Bilirubin
* PT/INR

⸻

২) হেপাটাইটিস E

Hepatitis E

কারণ (Causes)

* Hepatitis E virus (HEV) দ্বারা হয়
* প্রধানত:
* দূষিত পানি
* স্যানিটেশনের অভাব
* বন্যা/পানি দূষণ

⸻

লক্ষণ ও উপসর্গ (Signs & Symptoms)

হেপাটাইটিস A-এর মতোই:

* জ্বর
* দুর্বলতা
* ক্ষুধামন্দা
* বমি
* জন্ডিস
* গাঢ় প্রস্রাব
* পেট ব্যথা
* লিভার বড় হওয়া

বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ:
গর্ভবতী মহিলাদের (বিশেষত ৩য় trimester) ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হতে পারে এবং acute liver failure হতে পারে।

⸻

প্রতিরোধ (Prevention)

* বিশুদ্ধ পানি
* স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন
* হাত ধোয়া
* খাবার ভালোভাবে রান্না করা
* নিরাপদ পানির ব্যবহার

(সাধারণ ব্যবহারের জন্য HEV vaccine ব্যাপকভাবে নেই)

⸻

চিকিৎসা/ম্যানেজমেন্ট

Specific antiviral সাধারণত লাগে না।

Supportive care:

* Bed rest
* Hydration
* পুষ্টিকর খাবার
* LFT monitoring

Severe case হলে হাসপাতালে ভর্তি
বিশেষত যদি থাকে:

* বিভ্রান্তি
* PT/INR বেড়ে যাওয়া
* Encephalopathy
* Pregnancy

⸻

কখন জরুরি হাসপাতালে ভর্তি করবেন?

নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত ভর্তি:

* অচেতনতা/বিভ্রান্তি
* বারবার বমি
* রক্তক্ষরণ
* তীব্র জন্ডিস
* শ্বাসকষ্ট
* INR prolonged
* Pregnant patient with jaundice

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি (Helicobacter pylori) জনিত গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগHelicobacter pylori infectionহেলিকোব্যাক্টর পাইলো...
12/05/2026

হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি (Helicobacter pylori) জনিত গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগ

Helicobacter pylori infection

হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি (H. pylori) হলো একটি ব্যাকটেরিয়া যা পাকস্থলীর ভেতরের আবরণে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এটি দীর্ঘদিন থাকলে গ্যাস্ট্রাইটিস, পেপটিক আলসার এবং কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

⸻

লক্ষণ ও উপসর্গ (Signs & Symptoms)

সাধারণ উপসর্গ

* পেটের উপরের অংশে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা (বিশেষ করে খালি পেটে)
* খাবার খেলে ব্যথা কমা বা কখনও বেড়ে যাওয়া
* বুক জ্বালা
* ঢেকুর ওঠা
* পেট ফাঁপা
* বমি বমি ভাব
* অরুচি
* দ্রুত পেট ভরে যাওয়া
* বদহজম (ডিসপেপসিয়া)

আলসার হলে

* তীব্র epigastric pain
* রাতে বা ভোরে ব্যথা বাড়া
* বমি হতে পারে
* ওজন কমে যাওয়া

জটিলতার লক্ষণ (Danger signs)

* রক্তবমি
* কালো পায়খানা (melena)
* হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা (পারফোরেশন)
* দুর্বলতা, মাথা ঘোরা (রক্তক্ষরণজনিত)

⸻

কারণ ও ঝুঁকির কারণ

* Helicobacter pylori infection সংক্রমণ
* দীর্ঘদিন NSAIDs ব্যবহার (যেমন Ibuprofen, Aspirin)
* ধূমপান
* অতিরিক্ত মানসিক চাপ
* অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস
* অতিরিক্ত চা/কফি
* পারিবারিক ইতিহাস

⸻

তদন্ত (Investigations)

১. H. pylori শনাক্ত করার পরীক্ষা

* Urea Breath Test
→ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য non-invasive test
* Stool Antigen Test
→ সংক্রমণ আছে কিনা ও চিকিৎসার পর eradication নিশ্চিত করতে
* Blood antibody test (IgG)
→ আগের সংক্রমণও positive থাকতে পারে, তাই কম ব্যবহৃত

⸻

২. এন্ডোস্কোপি

Upper GI Endoscopy

যদি থাকে:

* বয়স > ৪৫–৫০ বছর
* ওজন কমে যাওয়া
* রক্তক্ষরণ
* বারবার বমি
* anemia
* malignancy suspicion

এন্ডোস্কোপিতে ulcer দেখে biopsy নেওয়া যায়।

Dr.Md.Nowshad Hossain
M.B.B.S (DU) FCPS (Surgery)
Junior Consultant
General Surgery

Square Hospital Consultation & Diagnostic Center ~ Mirpur-11
Sunday and Wednesday (4:30pm -7:00 pm)
Uttara ——Monday and Tuesday (5-7 pm)

Address

Square Hospital
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Nowshad’S Den Of Surgery posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share