Paediatric Pulmonologist - Dr. MS Khaled

Website

Paediatric Pulmonologist - Dr. MS Khaled Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Paediatric Pulmonologist - Dr. MS Khaled, Paediatrician, IBN Sina, Dhanmondi, Dhaka.

ডাঃ এম এস খালেদ
এমবিবিএস; ডিসিএইচ; এমডি-পেডিয়েট্রিক্স
এফসিসিপি (আমেরিকা)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
শিশু অ্যাজমা, অ্যালার্জি ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক
ন্যাশনাল অ্যাজমা সেন্টার
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা ।

“ওর শ্বাসকষ্টটা কিছুতেই ভালো হচ্ছে না…ডাক্তার সাহেব, ”চেম্বারে ১২ বছরের রাফিকে নিয়ে এলেন তার মা।মায়ের কথা শুনে মনে হচ্ছি...
03/10/2026

“ওর শ্বাসকষ্টটা কিছুতেই ভালো হচ্ছে না…ডাক্তার সাহেব, ”

চেম্বারে ১২ বছরের রাফিকে নিয়ে এলেন তার মা।

মায়ের কথা শুনে মনে হচ্ছিল, রাফির যেন প্রায়ই শ্বাসকষ্ট হয়।
বুক চেপে আসে, বারবার গভীর করে শ্বাস নেয়, মাঝে মাঝে মনে হয় যেন ঠিকমতো বাতাস পাচ্ছে না।

এর আগে কয়েকবার তাকে হাঁপানির চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু একটা বিষয় চিকিৎসকের নজরে পড়ল।

রাফির শ্বাসকষ্ট সবসময় হচ্ছিল না।

স্কুলে পরীক্ষা থাকলে, ক্লাসে সবার সামনে কথা বলতে হলে, খেলাধুলার প্রতিযোগিতার আগে—এসব সময়েই সমস্যাটা বেশি হচ্ছিল।

তাই শিশুটিকে শুধু “আরেকটু ভালো করে ফুসফুসের পরীক্ষা” করলেই হবে না—তার শ্বাস নেওয়ার ধরনটাও বোঝা দরকার ছিল।

পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্ট হিসেবে বিস্তারিত ইতিহাস নিলাম এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করলাম। দেখা গেল, রাফির শ্বাসকষ্টের সঙ্গে তার শ্বাস নেওয়ার প্যাটার্নেরও একটি সম্পর্ক আছে।

ডাক্তার তাকে বোঝালেন,

*“তোমার কষ্টটা কাল্পনিক নয়। তুমি সত্যিই কষ্ট অনুভব করছ। কিন্তু সব শ্বাসকষ্টের কারণ ফুসফুসের রোগ নয়।”*

এরপর শুরু হলো breathing retraining—কীভাবে ধীরে, স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে হয়, কীভাবে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে নিজের breathing pattern নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, সেসব শেখানো হলো।

রাফির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বুঝতে পারলাম, পরীক্ষার ফলাফল, বন্ধুদের সামনে কথা বলা এবং নিজের প্রতি অতিরিক্ত প্রত্যাশা নিয়ে রাফির ভেতরে বেশ কিছুদিন ধরে উদ্বেগ কাজ করছে।

তাই তাকে একজন *শিশু ও কিশোর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ/সাইকিয়াট্রিস্টের* কাছেও পাঠানো হলো।

সেখানে রাফি তার ভয়, দুশ্চিন্তা এবং চাপের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার সুযোগ পেল। প্রয়োজন অনুযায়ী তার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ও coping strategies দেওয়া হলো।

কয়েক সপ্তাহ পর রাফির মা আবার এলেন।

এবার তার মুখে অন্যরকম হাসি।

*“ডাক্তার সাহেব, ও এখন স্কুলে যেতে ভয় পায় না। খেলাধুলাও করছে। শ্বাসকষ্ট হলে কী করতে হবে, সেটাও জানে।”*

রাফি পাশে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছিল।

এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—

*শিশুর শ্বাসকষ্টকে কখনোই “সবই মানসিক” বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।*

আবার প্রতিটি শ্বাসকষ্টকেও শুধু ফুসফুসের সমস্যা ধরে নেওয়াও ঠিক নয়।

কখনো কখনো শিশুর শরীরের উপসর্গের সঙ্গে তার *মন, উদ্বেগ, ভয় এবং দৈনন্দিন চাপেরও সম্পর্ক থাকতে পারে।*

তাই শিশুর সুস্থতার জন্য প্রয়োজন সঠিক মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন হলে *পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্ট, সাইকিয়াট্রিস্ট/মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পেশাজীবীর সমন্বিত কাজ।*

**Mental Illness Week-এ আসুন আমরা একটি বিষয় মনে রাখি—
শিশুর মন ভালো না থাকলে তার শরীরও অনেক সময় সেই কষ্টের ভাষা হয়ে উঠতে পারে।**

আর সেই ভাষাটা বোঝা—আমাদের সবার দায়িত্ব।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

02/10/2026

**“ডাক্তার সাহেব, আমি তো ওকে ধুলোবালি থেকে একদম দূরে রাখি!”**

গতকাল সকালে চেম্বারে ৫ বছরের একটি ছেলেকে নিয়ে এলেন তার মা।

বাচ্চার একটানা হাঁচি হচ্ছে। নাক দিয়ে পানি পড়ছে। আর শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের ভেতর থেকে আসছে বাঁশির মতো শব্দ—**Wheezing**।

মায়ের কথায় অবাক হওয়ার কিছু নেই।

তিনি তো সত্যিই চেষ্টা করছেন।

বাচ্চাকে রাস্তায় খেলতে দেন না। ধুলোবালি থেকে দূরে রাখেন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালা খুলে দেন—
**“একটু রোদ আসুক, একটু মুক্ত বাতাস আসুক। বাচ্চার জন্য তো ভালো।”**

কিন্তু একটা প্রশ্ন—

**আপনার জানালার ওপাশের বাতাসটা আসলে কতটা পরিষ্কার?**

ঢাকার শহরে অনেক বাড়ির জানালার কয়েক হাত দূরেই চলছে নির্মাণকাজ।

বালি, সিমেন্ট, ইট ভাঙার ধুলো, রাস্তার ধুলো—সবকিছু বাতাসে মিশে যাচ্ছে।

আপনি জানালা খুলছেন আপনার সন্তানের জন্য ভালো বাতাস ঢোকাতে।

কিন্তু সেই বাতাসের সঙ্গে যদি সূক্ষ্ম ধুলোকণাও ঘরে ঢুকে পড়ে?

আপনার শিশু তো জানে না।

সে সেই ঘরেই খেলছে।
সেই ঘরেই ঘুমাচ্ছে।
সেই বাতাসই বারবার শ্বাসের সঙ্গে নিচ্ছে।

বিশেষ করে যেসব শিশুর অ্যালার্জি বা অ্যাজমার প্রবণতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ধুলো ও বায়ুদূষণ **কাশি, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, বুক চাপ লাগা কিংবা Wheezing-এর মতো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।**

আর সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুলটা আমরা তখনই করি—

**“ও তো বাইরে যায় না, তাহলে অ্যাজমা হবে কীভাবে?”**

বাইরে না গেলেও বাইরের দূষিত বাতাস আপনার ঘরের ভেতরে ঢুকতে পারে।

তাই আজ একবার আপনার সন্তানের ঘরের জানালার দিকে তাকান।

জানালার ঠিক বাইরে কি নির্মাণকাজ চলছে?

যদি চলে, তাহলে শুধু “সকালের বাতাস” ভেবে জানালা খুলে দেওয়ার আগে একটু ভাবুন।

**কারণ বাতাস দেখা যায় না।
কিন্তু তার সঙ্গে আসা ধুলো আপনার সন্তানের শ্বাসনালীকে বিরক্ত করতে পারে।**

আর আপনার সন্তান যদি বারবার কাশি দেয়, হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে বা শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ হয়—

**“ঠান্ডা লেগেছে” বলে বারবার সিরাপ খাওয়ানোর আগে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।**

কারণ শিশুর বারবার হওয়া এই উপসর্গগুলো কখনো কখনো অ্যালার্জি বা অ্যাজমার ইঙ্গিত হতে পারে।

**আপনি সন্তানের জন্য মুক্ত বাতাস চান—এটাই স্বাভাবিক।
শুধু নিশ্চিত হোন, সেই বাতাস সত্যিই পরিষ্কার কি না।**
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

30/09/2026

**ঘর যত পরিষ্কার, সন্তান তত সুস্থ—সবসময় কি কথাটা ঠিক?**

গতকাল সন্ধ্যায় চেম্বারে ৩ বছরের একটি মেয়েকে নিয়ে এলেন তার মা।
বাচ্চার একটানা শুকনো কাশি, আর শ্বাস নেওয়ার সময় বুক থেকে আসছে **বাঁশির মতো শব্দ—Wheezing।**

মা অবাক হয়ে বললেন,
“ডাক্তার সাহেব, আমার ঘর তো সবসময় পরিষ্কার থাকে! জীবাণুর ভয়ে প্রতিদিন দু’বার ফ্লোর ক্লিনার আর ফিনাইল দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করি। ও তো পরিষ্কার মেঝেতেই খেলে। তাহলে এমন কাশি কেন?”

এখানেই একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।

**ঘর পরিষ্কার রাখা অবশ্যই ভালো। কিন্তু অতিরিক্ত বা তীব্র রাসায়নিকযুক্ত ক্লিনিং প্রোডাক্টের ব্যবহার সবসময় ভালো নাও হতে পারে।**

কিছু ক্লিনিং প্রোডাক্ট থেকে বের হওয়া রাসায়নিকের বাষ্প ঘরের বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব বাষ্প শিশুদের সংবেদনশীল শ্বাসনালীতে **জ্বালা, কাশি বা শ্বাসকষ্ট বাড়াতে পারে**। যাদের অ্যাজমা বা অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বেশি হতে পারে।

তাই—

✅ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্লিনিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন না
✅ সম্ভব হলে মাইল্ড ও কম-গন্ধযুক্ত ক্লিনার ব্যবহার করুন
✅ পরিষ্কার করার সময় জানালা-দরজা খুলে রাখুন
✅ বিভিন্ন ক্লিনিং কেমিক্যাল একসঙ্গে মেশাবেন না
✅ পরিষ্কার করার পর ঘর ভালোভাবে বাতাস চলাচলযোগ্য রাখুন

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

**শিশুর বারবার কাশি, শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ হলে শুধু ঠান্ডা লাগা ভেবে সিরাপ খাইয়ে অপেক্ষা করবেন না।**

কারণ বারবার এমন উপসর্গের পেছনে **অ্যাজমা বা অন্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা** থাকতে পারে।

**শিশুর শ্বাসকষ্টকে অবহেলা নয়—সঠিক কারণ খুঁজে চিকিৎসা করুন।**

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

❤️ বিশ্ব হার্ট দিবস | শিশুর সুস্থ হৃদয়, সুস্থ ফুসফুস, সুন্দর ভবিষ্যৎছোট্ট রায়ানের বয়স মাত্র ৫ বছর। কিছুদিন ধরে দৌড়াদ...
29/09/2026

❤️ বিশ্ব হার্ট দিবস | শিশুর সুস্থ হৃদয়, সুস্থ ফুসফুস, সুন্দর ভবিষ্যৎ

ছোট্ট রায়ানের বয়স মাত্র ৫ বছর। কিছুদিন ধরে দৌড়াদৌড়ি করলে ওর খুব হাঁপিয়ে যাওয়া, কাশি এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। অন্য বাচ্চারা যখন মাঠে খেলাধুলা করে, রায়ান তখন একটু দৌড়ালেই থেমে যায়।

উদ্বিগ্ন মা-বাবা একদিন রায়ানকে নিয়ে এলেন একজন পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্টের কাছে।

ডাক্তার মনোযোগ দিয়ে রায়ানের কথা শুনলেন। তার শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করলেন, ফুসফুসের শব্দ শুনলেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হার্টের অবস্থাও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করলেন।

কারণ, শিশুর শ্বাসকষ্ট মানেই যে শুধু ফুসফুসের সমস্যা, তা নয়। এর পেছনে হার্টের সমস্যাও থাকতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রায়ানের সমস্যার কারণ বোঝার চেষ্টা করা হলো। প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নেওয়া হলো। এরপর শুরু হলো তার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।

কিছুদিন পর রায়ানের শ্বাসকষ্ট কমতে শুরু করল। আবারও সে খেলতে পারছে, হাসছে, দৌড়াচ্ছে। মা-বাবার মুখেও ফিরে এসেছে স্বস্তির হাসি।

এই গল্পটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি শিশুর সুস্থতার জন্য হার্ট ও ফুসফুস—দুটোরই সুস্থতা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ বিশ্ব হার্ট দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক, শিশুর হৃদয় ও ফুসফুসের যত্নে সচেতন হওয়া, শ্বাসকষ্টের লক্ষণ অবহেলা না করা এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

কারণ, প্রতিটি শিশুর হৃদস্পন্দনই তার সুন্দর ভবিষ্যতের ছন্দ।

#শিশুর_হৃদয় #শিশুর_ফুসফুস

28/09/2026

একটি ছোট্ট শিশুর গল্প—নিউমোনিয়া নয়, রোগটি ছিল সিস্টিক ফাইব্রোসিস

একদিন এক দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মা তাঁর ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে আমার চেম্বারে এলেন। তাঁর চোখেমুখে ছিল ক্লান্তি, মনে ছিল একরাশ উদ্বেগ। সন্তানকে সুস্থ করার জন্য তিনি কত জায়গায় যে ছুটেছেন, তার হিসাব নেই।

ঢাকায মেডিকেলে গিয়েও চিকিৎসা করিয়েছেন। সেখানকার চিকিৎসকেরা নিউমোনিয়া ভেবে চিকিৎসা দিয়েছেন। কিন্তু বারবার চিকিৎসা করানোর পরও তাঁর সন্তানের সমস্যা যেন পিছু ছাড়ছিল না। সন্তানের কষ্ট দেখে বাবা-মা দুজনেই ভেঙে পড়েছিলেন।

ঠিক সেই সময় একজনের কাছ থেকে তিনি আশার কথা শুনলেন।

একজন বললেন, “আপনার বাচ্চার সমস্যাটা আমার সন্তানের সমস্যার মতোই ছিল। আমার সন্তানও এমন কষ্টে ভুগেছে। আপনি একবার ডা. এম. এস. খালেদের কাছে যান। উনি এই রোগের ভালো চিকিৎসা করেন। আমার সন্তান এখন অনেক ভালো আছে।”

সেই আশার আলো বুকে নিয়েই বাবা তাঁর সন্তানকে নিয়ে আমার কাছে এলেন।

শিশুটির শারীরিক অবস্থা, রোগের ইতিহাস এবং উপসর্গগুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করার পর আমরা বুঝতে পারলাম, এটি সাধারণ নিউমোনিয়া নয়। শিশুটি ভুগছিল সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic Fibrosis) নামের একটি জটিল জিনগত রোগে।

সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর শুরু হলো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিয়মিত পরিচর্যা।

আজ সেই শিশুটি অনেক ভালো আছে। ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, হাসিখুশিভাবে বেড়ে উঠছে। যে শিশুটিকে নিয়ে একসময় বাবা-মায়ের চোখে ছিল শুধু দুশ্চিন্তা, আজ তাকে দেখে তাঁদের মুখে ফুটে উঠেছে স্বস্তির হাসি।

একজন চিকিৎসক হিসেবে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!

⚠️ আপনার শিশুর মধ্যেও কি এই লক্ষণগুলো রয়েছে?

সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বংশগত রোগ, যা ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রকে আক্রান্ত করতে পারে। সময়মতো রোগটি শনাক্ত করা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার শিশুর মধ্যে নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবহেলা করবেন না:

* ঘামের গন্ধ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তীব্র বা অস্বাভাবিক হওয়া, কিংবা ঘাম অস্বাভাবিকভাবে নোনতা মনে হওয়া।

* বারবার কাশি, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট বা বারবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া।

* আঠালো, তৈলাক্ত বা দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা হওয়া।

* পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরও ওজন না বাড়া বা বয়স অনুযায়ী বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া।

মনে রাখবেন, এসব লক্ষণ থাকলেই সিস্টিক ফাইব্রোসিস হয়েছে, এমন নয়। তবে লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ শিশু পালমোনোলজিস্টের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে উপযুক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব।

আপনার সন্তানের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সচেতন হোন, সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা. এম. এস. খালেদ শিশু পালমোনোলজিস্ট | সিস্টিক ফাইব্রোসিস বিশেষজ্ঞ
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

26/09/2026

এক মাস ধরে কাশি! দামি ওষুধেও কমছে না? শিশুর শ্বাসনালিতে আটকে নেই তো বাদামের টুকরো?

একটি ছোট্ট ঘটনা, যা বাবা-মায়ের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল। অথচ সেই ঘটনাই হতে পারে শিশুর দীর্ঘদিনের কাশির আসল কারণ!

গত সপ্তাহে আমার চেম্বারে আড়াই বছরের একটি শিশুকে নিয়ে এলেন উদ্বিগ্ন বাবা-মা।

শিশুটির প্রায় এক মাস ধরে একটানা কাশি। শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের ভেতর থেকে ভেসে আসছে সোঁ সোঁ শব্দ। কখনো কাশি এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে বাবা-মা ভয় পেয়ে যাচ্ছেন।

হতাশ কণ্ঠে বাবা বললেন,

"ডাক্তার সাহেব, ওকে তো ধুলোবালিতে একদমই যেতে দিই না। কত দামি কাশির সিরাপ খাওয়ালাম, অ্যাজমার ইনহেলারও দিয়েছি। কিন্তু কাশি কিছুতেই কমছে না! আর কী করব?"

আমি শিশুটির বিস্তারিত ইতিহাস জানতে চাইলাম।

এরপর বাবা-মায়ের কাছ থেকে এমন একটি ঘটনা জানা গেল, যা পুরো বিষয়টিকে অন্যদিকে নিয়ে গেল।

প্রায় এক মাস আগে শিশুটি চীনাবাদাম খাওয়ার সময় হঠাৎ বিষম খেয়েছিল। কিছুক্ষণ ধরে কাশতে কাশতে খুব কেঁদেছিল। পরে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় বাবা-মা ভেবেছিলেন, বিপদ কেটে গেছে।

কিন্তু তাঁরা জানতেন না, সেই মুহূর্তেই হয়তো বাদামের একটি ছোট্ট টুকরো শিশুটির শ্বাসনালিতে আটকে গিয়েছিল!

🫁 কীভাবে একটি ছোট্ট বাদামের টুকরো এত বড় বিপদের কারণ হতে পারে?

ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে খাবার বা কোনো ছোট বস্তু ভুল পথে শ্বাসনালিতে ঢুকে যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ফরেন বডি অ্যাসপিরেশন (Foreign Body Aspiration)।

শ্বাসনালিতে কোনো খাবারের টুকরো আটকে গেলে শিশুর কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকের ভেতর সোঁ সোঁ শব্দ কিংবা বারবার ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় এই লক্ষণগুলো অ্যাজমা বা নিউমোনিয়ার মতো মনে হয়। ফলে প্রকৃত কারণ শনাক্ত হতে দেরি হতে পারে।

শ্বাসনালিতে বস্তুটি দীর্ঘদিন আটকে থাকলে ফুসফুসের ওই অংশে প্রদাহ, সংক্রমণ এবং স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

❗ বাবা-মায়ের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

🔴 ১. খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ বিষম খাওয়াকে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে বাদাম, বীজ ও ছোট শক্ত খাবারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

🔴 ২. বিষম খাওয়ার পর কাশি শুরু হলে এবং তা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে কাশির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বা সোঁ সোঁ শব্দ থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখুন।

🔴 ৩. শুধু কাশির সিরাপ বা ইনহেলারের ওপর নির্ভর করবেন না। শ্বাসনালিতে কোনো বস্তু আটকে আছে কি না, তা নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি। প্রয়োজনে ব্রঙ্কোস্কোপির মাধ্যমে বস্তুটি শনাক্ত ও অপসারণ করা হতে পারে।

❤️ আপনার সন্তানের নিরাপত্তায় একটি অনুরোধ

শিশু খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ বিষম খেয়ে কাশতে শুরু করলে ঘটনাটি মনে রাখুন।

পরবর্তীতে যদি সেই কাশি দীর্ঘদিন চলতে থাকে, তাহলে চিকিৎসককে অবশ্যই বিষম খাওয়ার ঘটনাটি জানান।

কারণ, শিশুর দীর্ঘস্থায়ী কাশির পেছনে সব সময় অ্যাজমা বা সাধারণ সংক্রমণ থাকে না। কখনো কখনো একটি ছোট্ট খাবারের টুকরোও এর কারণ হতে পারে।

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো বাবা-মাকে সময়মতো সতর্ক করতে পারে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

*“ডাক্তার, ও তো ছোট বাচ্চা… একটু কাশি-সর্দি তো হবেই, তাই না?”*হ্যাঁ, শিশুদের সর্দি-কাশি খুবই সাধারণ।কিন্তু সব কাশি এক রক...
25/09/2026

*“ডাক্তার, ও তো ছোট বাচ্চা… একটু কাশি-সর্দি তো হবেই, তাই না?”*

হ্যাঁ, শিশুদের সর্দি-কাশি খুবই সাধারণ।

কিন্তু সব কাশি এক রকম নয়।
সব শ্বাসকষ্টও সাধারণ নয়।

একজন মা হয়তো লক্ষ্য করলেন—
তার সন্তান একটু দৌড়ালেই হাঁপিয়ে যাচ্ছে।
রাতে ঘুমের মধ্যে বারবার কাশি হচ্ছে।
সর্দি ভালো হয়ে যাওয়ার পরও কাশি রয়ে যাচ্ছে।
কখনো আবার শ্বাস নেওয়ার সময় বুক থেকে অদ্ভুত শব্দ হচ্ছে।

মা ভাবলেন,
*“আরেকটু দেখি… হয়তো নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে।”*

এই “আরেকটু দেখি” কখনো কখনো শিশুর কষ্টকে আরও দীর্ঘ করে দিতে পারে।

শিশুর ফুসফুস এখনও বেড়ে উঠছে।
তাই ছোটবেলা থেকেই তার শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

বারবার কাশি, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট, বারবার বুক থেকে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া, খেলাধুলায় অস্বাভাবিকভাবে হাঁপিয়ে যাওয়া কিংবা রাতে কাশির কারণে ঘুমের ব্যাঘাত—এসবকে শুধু “বাচ্চাদের স্বাভাবিক সমস্যা” বলে এড়িয়ে না গিয়ে প্রয়োজন হলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কারণ—

*আজকের সুস্থ ফুসফুসই আগামী দিনের সুস্থ শ্বাসের ভিত্তি।*

আজ *World Lung Day*।

এই দিনে শুধু নিজের ফুসফুস নয়,
আপনার সন্তানের প্রতিটি স্বাভাবিক শ্বাসের মূল্যও মনে রাখুন।

একটি শিশু যখন নিশ্চিন্তে দৌড়ায়, খেলাধুলা করে, হাসে এবং গভীরভাবে শ্বাস নেয়—
সেটাই তো একজন বাবা-মায়ের সবচেয়ে সুন্দর নিশ্চয়তা।

**শিশুর শ্বাসকষ্টকে অবহেলা নয়।
সময়মতো সচেতনতা, সঠিক মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাই হতে পারে তার সুস্থ ভবিষ্যতের অংশ।**

💙 *World Lung Day*

#শিশুর_ফুসফুস

19/09/2026

গতকাল সকালে চেম্বারে ৭ বছরের একটি ছেলেকে নিয়ে এলেন তার বাবা-মা। বাচ্চার একটানা শুকনো কাশি, শ্বাস টানতে কষ্ট হচ্ছে এবং বারবার হাঁচি দিচ্ছে। বাবা বেশ চিন্তিত হয়েই বললেন, "ডাক্তার সাহেব, ওকে তো ধুলোবালিতে একদমই যেতে দিই না। তবে আমরা যে ভাড়া বাসায় থাকি, সেটার একটা দিকের দেয়ালে বেশ ড্যাম্প (Damp), কালো কালো ছোপ পড়ে থাকে। কিন্তু ঘর তো আমরা নিয়মিত পরিষ্কার রাখি, তাও ওর এমন অ্যালার্জি আর কাশি কেন হচ্ছে?"

আমাদের ঢাকা শহরের অনেক ফ্ল্যাটেই দেয়াল স্যাঁতস্যাঁতে হওয়া বা ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ার সমস্যা থাকে। অনেকেই একে কেবল বাড়ির সাধারণ সমস্যা বা দেওয়ালের সৌন্দর্যহানি বলে এড়িয়ে যান। এটি অত্যন্ত দুর্বল এবং আপনার সন্তানের ফুসফুসের জন্য একটি ভয়ংকর অবহেলা!

বিজ্ঞান বলছে, স্যাঁতস্যাঁতে দেয়ালের ওই কালো ছোপগুলো সাধারণ ময়লা নয়, সেগুলো হলো মারাত্মক বিষাক্ত 'মোল্ড' বা ফাঙ্গাস (Mold/Fungi)। এই ফাঙ্গাস থেকে প্রতিনিয়ত লাখো কোটি অদৃশ্য স্পোর (Spores) বা বীজাণু ঘরের বাতাসে উড়ে বেড়ায়। আপনার শিশু যখন দিনের পর দিন এই ফাঙ্গাসযুক্ত আবদ্ধ বাতাস শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ করে, তখন তার স্পর্শকাতর শ্বাসনালীতে মারাত্মক অ্যালার্জি ও প্রদাহ তৈরি হয়। এর থেকেই জন্ম নেয় দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জিক ব্রঙ্কাইটিস এবং চাইল্ডহুড অ্যাজমা (Asthma)।

বাইরের ধুলোবালিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। আপনার বাড়ির স্যাঁতস্যাঁতে দেয়ালই নীরবে আপনার সন্তানের শ্বাসরোধ করছে। বাচ্চার এই দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টকে সাধারণ ঠান্ডা লাগা ভেবে ফার্মেসির সিরাপ খাইয়ে অবহেলা করবেন না। দেয়ালের ড্যাম্প দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করুন এবং ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের সুযোগ দিন। আর কালক্ষেপণ না করে আজই সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

17/09/2026

গতকাল সন্ধ্যায় চেম্বারে ৬ বছরের একটি মেয়েকে নিয়ে এলেন তার বাবা-মা। মেয়েটার দিনের বেলা কোনো সমস্যা থাকে না, কিন্তু রাতে ঘুমাতে গেলেই একটানা কাশি শুরু হয়, নাক বন্ধ হয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। মা বেশ আদর করেই বললেন, "ডাক্তার সাহেব, ও তো বাইরের ধুলোবালিতে একদম যায় না। ওর বিছানায় অনেকগুলো নরম টেডি বিয়ার আছে, ওগুলো জড়িয়ে ধরে খুব শান্তিতে ঘুমায়। আমরা তো খেলনাগুলো নিয়মিত রোদেও দিই!"

আমাদের ঢাকা শহরের অনেক শিশুর বিছানাতেই এমন স্টাফড টয় (Stuffed toys) বা নরম খেলনা থাকে। অনেকেই মনে করেন রোদে দিলেই এগুলো ১০০% নিরাপদ। এটি অত্যন্ত দুর্বল এবং আপনার সন্তানের ফুসফুসের জন্য একটি বিপজ্জনক ধারণা!

বিজ্ঞান বলছে, এই নরম খেলনাগুলোর পশমের গভীরে লাখো কোটি 'ডাস্ট মাইট' (Dust mites) বাসা বাঁধে, যা শুধু সাধারণ রোদে দিলে বা ঝাড়ু দিয়ে ঝাড়লে মরে না। আপনার শিশু যখন রাতে এই খেলনাগুলো জড়িয়ে ধরে ঘুমায় বা খেলনায় মুখ ঘষে, তখন এই অতি ক্ষুদ্র অ্যালার্জেনগুলো সরাসরি তার সংবেদনশীল শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে। এর ফলেই শুরু হয় রাতের বেলার তীব্র অ্যালার্জিক ব্রঙ্কাইটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী অ্যাজমা।

খেলনার ভালোবাসায় আপনি নিজের অজান্তেই শিশুর ফুসফুসকে হুমকির মুখে ফেলছেন। বাচ্চার এই রাতের বেলার শ্বাসকষ্টকে সাধারণ ঠান্ডা লাগা ভেবে ফার্মেসির সিরাপ খাইয়ে মহামূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না। নরম খেলনাগুলোকে অন্তত ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে ধুয়ে বা পলিথিনে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে ডাস্ট মাইট মুক্ত করুন। আর কালক্ষেপণ না করে আজই সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিস্তারিত জানতে এখনই পেজে মেসেজ করুন অথবা কল করুন:
📞 +880 1301-553388
০৯৬১০০০৯৬৩০, ১০৬১৫
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: Ibn Sina Doctor Appointment App
চেম্বার: ইবনে সিনা হাসপাতাল, ধানমন্ডি
📍 বাড়ী নং- ৬৮, রোড নং- ১৫/এ, শংকর, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯

#সিস্টিকফাইব্রোসিস #শিশুর_ফুসফুস

Address

IBN Sina, Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paediatric Pulmonologist - Dr. MS Khaled posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share