DR.MD ALIF UDDIN

DR.MD ALIF UDDIN Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DR.MD ALIF UDDIN, Doctor, Gendaria, Dhaka.

Dr.Md.Alif Uddin
MBBS
MACP (USA)
Certified Course on Diabetes CCD (BIRDEM)
E-derm & DOC (Skin)
ECGP (Medicine)
CMU (Ultrasonography)
Register MBBS Doctor of Bangladesh

05/04/2026
**ঈদ মোবারক** 🌙এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। আল্লাহ আমাদে...
20/03/2026

**ঈদ মোবারক** 🌙

এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। আল্লাহ আমাদের সকল ইবাদত কবুল করুন এবং আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন।

**তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম**

#

19/02/2026

#প্রেগ্নেন্সিতে_রোজা_রাখার_বিধান
মহান আল্লাহ পবিত্র কোর'আনুল কারীম
ইরশাদ করেন,
فمن كان مريضا او علي سفر فعدة من ايام اخر (সূরা বাকারা-১৮৫)
তোমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ, তারা যেনো পরবর্তী সময় রোজা কাজা করে নেয়, এই আয়াতে মহান আল্লাহ অসুস্থ ও মুসাফির ব্যক্তিকে রোজা ভাঙ্গার অনুমতি দিয়েছেন,

পবিত্র কোর'আনের অন্য এক জায়গায় মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَىٰ وَهْنٍ
(তার মা তাকে গর্ভে বহন করেছেন কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে) সুরা লোকমান - ১৪

প্রেগন্যান্সিকে যদিও অসুস্থতা বলা হয়না, , তবে এইটা একজন গর্ভবতী নারীর জন্য অত্যন্ত কষ্টের একটা সময়,
এই সময় সুস্থ বাচ্চা জন্মদানের জন্য মায়ের ক্যালরি requirement বেড়ে যায়, প্রেগন্যান্সিতে সাধারণত ২৫% অতিরিক্ত ক্যালরির প্রয়োজন পড়ে, সুস্থ বাচ্চার জন্য hydration maintain করা প্রয়োজন হয়, যেহেতু রোজার মধ্যে ১৪-১৫ ঘন্টা উপবাস থাকা হয়, তাই সেই ক্যালরি মেইনটেইন করা সম্ভব হয়না, এতে করে বাচ্চা ও মা দুজনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে, মহান আল্লাহ সূরা বাকারার সর্বশেষ আয়াতে ইরশাদ করেন,
لا يكلف الله نفسا الا وسعها.
মহান আল্লাহ সাধ্যের বাহিরে কারো উপর কোন দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না--

আল্লাহর রাসূল (সা:) ইরশাদ করেন,

আবু দাউদ (হাদীস ২৪০৮)
রাসূল (সা:) বলেছেন:
“আল্লাহ মুসাফিরের অর্ধেক নামাজ কমিয়েছেন এবং মুসাফির ও গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীর থেকে রোজা উঠিয়ে নিয়েছেন।”

এই হাদীসে সুস্পষ্ট ভাবে গর্ভবতী নারীদের রোজা না রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে--
তাই কোন গর্ভবতী নারী তিনি যদি পরিপূর্ণ সুস্থও থাকেন
তথাপি ওনার রোজা না রাখার অনুমতি আছে, তবে তিনি রোজাদারদের সামনে কিছু খাবেন না,

তথাপি কোন মহিলা যদি তাকওয়ার কারণে রোজা রাখতে আগ্রহী হন, তাদের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবে, যেহেতু ইসলামের মাস'আলা হচ্ছে, لا ضرر ولا ضرار، কেউ নিজের কিংবা অন্যের কোন ক্ষতি করার অনুমতি নাই, তাই ইসলাম যেহেতু সামগ্রিক ভাবে গর্ভবতী নারীকে রোজা না রাখার অনুমতি দিয়েছে, তবুও কেউ রোজা রাখতে চাইলে অবশ্যই নিম্নের বিষয় গুলি লক্ষ রাখতে হবে।

1st Trimester (১ম ৩ মাস)
এই সময়টাকে বলা হয় organogenesis phase, এই ৩ মাসেই বাচ্চার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি হয়, এই সময়টা pregnancy তে অনেক ক্রুশিয়াল টাইম, এই সময় একটু ভূলে miscarriages হয়ে যায়, অধিকাংশ মিসক্যারিজ এই ৩ মাসে হয়ে থাকে, এই ৩ মাসে pregnancy related, অনেক উপসর্গ থাকে, morning sickness,,(সকালে মাথা ঘুরা, বমি বমি ভাব) সাথে Hyperemesis থাকে, তথা অনেক Vomiting tendency থাকে, আবার এইসময় Hemoglobin ও কম থাকে, এই সময়টাতে এমনিতে Nausea থাকে, যার কারণে খাবারের রুচি থাকেনা, সেইজন্যই আল্লাহর রাসূল (সাঃ) রোজা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন, তাই সুস্থ থাকলেও সুস্থ বাচ্চার জন্য এই সময় টাতে রোজা না রাখাটা ভালো,
পরে কাজা আদায় করবে।

সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার : (২য় ৪ মাস)
এইটা মোটামুটি stable phase, তবে এই পেজেও সুস্থ থাকলেও রোজা না রাখার অনুমতি আছে, কিন্ত কেউ যদি রোজা রাখতে আগ্রহী হয়, তিনি রাখতে পারবেন, যদি
Blood pressure 120/80 থাকে,
Hb =12 থাকে,
কোন ডিহাইড্রেশনের ভয় যদি না থাকে,
GDM, fetal growth restriction ইত্যাদি না থাকে, অর্থাৎ প্রেগন্যান্সি রিলেটেড কোন complain যদি না থাকে, তাহলে রাখতে পারবে, আর যদি আগে থেকে miscarriage এর হিস্ট্রি থাকে, কিংবা যদি কোন abnormality থাকে, তাহলে রোজা না রাখা ভালো+

3rd Trimester : (২৮ সপ্তাহের পর থেকে)
এই সময় টাতে যা হয়-
বাচ্চার ৬০%-৭০ ওজন এই সময় টাতেই বৃদ্ধি পায়,
Placental demand বেশি থাকে,
Maternal cardiac output ও plasma volume peak লেভেলে থাকে,
Energy requirement বাড়ে, এই সময়টাতে একটু ডিহাইড্রেশনে → uterine irritability হয়, এতে preterm labour এর ঝুঁকি অনেক বৃদ্ধি পায়,
Amniotic fluid কমে preterm labour হতে পারে, fetal distress হতে পারে, মায়ের dizziness, drowsiness হতে পারে, অর্থাৎ এই সময় টা first trimester এর চেয়েও ঝুঁকিপূর্ণ,

আল্লাহর রাসূল (সা:) বলেন,
গর্ভবতী নারীদের থেকে রোজা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে
সহীহ আবু দাউদ (হাদীস ২৪০৮)
তাই 3rd Trimester এ সুস্থ থাকলেও রোজা রাখবেনা,

তাহলে Overall সিদ্ধান্ত -
1. রোজা ইসলামের ফরজ বিধান সুস্থ সকল প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের জন্য, নারীদের মধ্যে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় রোজার ফরজ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে

2. কেউ যদি প্রেগন্যান্সিতে রোজা রাখতে চায়, এইটা তার ইচ্ছা, ইসলাম থেকে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

3. রোজা রাখা ইচ্ছাধীন রাখা হলেও according to medical science : 1st Trimester ও 3rd Trimester এ রোজা রাখা যাবেনা, এইটা বাচ্চা জন্মের পরে সুযোগ করে কাজা আদায় করবে,

4.. একান্ত স্বাস্থগত কোন ঝুঁকি না থাকলে 2nd Trimester তথা গর্ভের ৪র্থ মাস থেকে ৭ম মাস পর্যন্ত সময়ে রোজা রাখা যাবে, তবে ইসলাম থেকে কোন বাধ্যবাধকতা নেই-

মহান আল্লাহ আমাদেরকে আল্লাহর বিধান মানার সাথে সাথে আল্লাহর বিধান বুঝার তাওফিক দান করুন, ইসলাম যেখানে সহজলভ্য করেছে, তা মেনে চলার তাওফীক দান করুন

DR.MD ALIF UDDIN

18/01/2026

আব্দুল খালেক সাহেব, বয়স ৭০ বছর।
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে আমার চেম্বারে আসেন।
উনার প্রধান অভিযোগ ছিল—
▪️ বমির সাথে মাঝেমধ্যে রক্ত
▪️ কালো পায়খানা (Black stool)
জানতে পারি, তিনি গ্রামে বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে ওষুধ কিনে খাচ্ছিলেন, বিশেষ করে ব্যথার ওষুধ (Painkiller) নিয়মিত সেবন করছিলেন।
পরীক্ষার পর আমি তাকে পরামর্শ দিই—
👉 আগে রক্ত পরীক্ষা করতে হবে
👉 প্রয়োজনে রক্ত দিতে হতে পারে
👉 এরপর এন্ডোস্কপি করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে
পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
রক্ত দেওয়া হয় এবং এন্ডোস্কপি করা হলে দেখা যায়—
❗ পাকস্থলীতে একটি গুরুতর গ্রোথ/টিউমার, যা এই বয়সের রোগীদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এখন পরবর্তী ধাপে
📌 স্ক্যান (CT scan) করে দেখতে হবে
📌 টিউমার কতটুকু ছড়িয়েছে
📌 সেটার উপর ভিত্তি করেই চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
আজ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার পর তাকে আপাতত ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
🔴 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
👉 নিজের ইচ্ছেমতো বা ফার্মেসির পরামর্শে
❌ ব্যথার ওষুধ
❌ গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ
❌ “বানানো” বা কম্বিনেশন ওষুধ
খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
✅ সবসময় এমবিবিএস ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
কারণ একটি ভুল ওষুধ সময়মতো রোগ ধরা পড়াকে বিলম্বিত করতে পারে—যার মূল্য অনেক বড় হতে পারে।
📢 এই পোস্টটি শেয়ার করুন,
হয়তো আপনার একটি শেয়ারই
কারো জীবনের বড় ক্ষতি থেকে তাকে বাঁচাতে পারে।
— একজন সচেতন চিকিৎসক 🩺

26/11/2025

ইনসুলিন ইনজেকশনের সঠিক পদ্ধতি 📌

— Dr. MD Alif Uddin

🔹 সঠিক স্থান:
পেট (নাভি থেকে ২ ইঞ্চি দূরে), বাহুর বাইরের অংশ, উরু ও নিতম্ব।
👉 প্রতিবার সাইট রোটেশন করুন।

🔹 ইনসুলিন প্রস্তুত:
– Clear insulin আস্তে নাড়ুন
– Cloudy insulin হালকা করে ১০–১৫ বার উল্টে নিন
– Pen এ নতুন সূচ ব্যবহার করুন

🔹 যেভাবে ইনজেকশন দেবেন:
– সাধারণত ৯০° অ্যাঙ্গেল
– পাতলা রোগীতে ৪৫°
– ইনজেকশন দিয়ে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন
– সূচ কখনোই পুনঃব্যবহার করবেন না

🔹 সতর্কতা:
✔ সাইট পরিবর্তন
✔ মেয়াদ দেখে নিন
✔ ইনসুলিন ২–৮°C তে সংরক্ষণ
❌ একই স্থানে বারবার নয়

সঠিক পদ্ধতিতে ইনসুলিন নিন—রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

23/11/2025

*ডায়াবেটিক রোগীর জন্য খাদ্য নির্দেশিকা*

ডা. মোঃ আলিফ উদ্দিন
এমবিবিএস, পিজিটি - মেডিসিন
সিসিডি - বারডেম, সিএমইউ - আল্ট্রা
মেডিক্যাল অফিসার, পালস স্পেশালাইজড হসপিটাল, ঢাকা

*খাবার তালিকা:*

- *দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাদ্য:*
- খাবেন: ননফ্যাটেড দুধ, দই
- খাবেন না: ফুল দুধ, মিষ্টিজাত দুধ

- *ফল:*
- খাবেন: আপেল (১টা), মাল্টাশটি (১টা), আনারস (½ কাপ), পেয়ারা (১টি–মাঝারি মাপের), আঙ্গুর (৬–৮টি), কমলা–লেবু (১টা)
- খাবেন না বা পরিমিত খাবেন: আম, কাঁঠাল, লিচু, খেজুর

- *সবজি:*

- খাবেন: পেঁয়াজ, লাউ, চিচিঙ্গা, শালগম, বাঁধাকপি, টমেটো, বিনস, মুলা, ঢেঁড়স, বেগুন, কুমড়া, করলা, শশা, বাঙ্গি, ফুলকপি
- খাবেন না: কাশফুল, কচুরমুখি, কচুরলতি, মূলজাতীয় সবজি (যেমন: আলু, মিষ্টিকুমড়া)

- *মাছ, মাংস ও মুরগীর মাংস:*
- খাবেন: চর্বি ছাড়া মুরগি (সপ্তাহে ১ দিন ৩০ গ্রাম), মুরগীর মাংস (৫০–৬০ গ্রাম/দিন), মাছ (ভাজা নয় যেমন: রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, পাঙ্গাস/সপ্তাহে কমপক্ষে ২ দিন)
- খাবেন না: গরুর মাংসের চর্বি, মুরগীর চামড়া ও মুরগীর কলিজা, মাখন, মুরগী–মাছের মাথা/নাভি

- *অন্যান্য খাবার:*
- খাবেন: চা, কফি সাদামিতে ২ কাপের বেশি নয়
- খাবেন না: কোমল পানীয়

Address

Gendaria
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR.MD ALIF UDDIN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category