Dr. Hasan Shahriar,BHMS

  • Home
  • Dr. Hasan Shahriar,BHMS
Call Website Contact the practice

Dr. Hasan Shahriar,BHMS বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে হোমিওপ্যাথি তে সর্বোচ্চ(BHMS) ডিগ্রীপ্রাপ্ত।

একজন সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হওয়ার পথটি কতটা পরিশ্রমের, তা কেবল এই যাত্রার ভেতর দিয়ে যাওয়া একজন শিক্ষার্থীই অনুভব করতে ...
18/08/2026

একজন সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হওয়ার পথটি কতটা পরিশ্রমের, তা কেবল এই যাত্রার ভেতর দিয়ে যাওয়া একজন শিক্ষার্থীই অনুভব করতে পারেন। ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি বা বিএইচএমএস (BHMS) হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদভুক্ত এমন একটি সম্মানসূচক ডিগ্রি, যার মান ও কাঠামোগত গভীরতা এমবিবিএস ডিগ্রির সমতুল্য। ৫ বছরের অ্যাকাডেমিক অধ্যায়ন এবং ১ বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপসহ মোট ৬ বছরের এই যাত্রায় একজন শিক্ষার্থীকে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং প্রথাগত পদ্ধতির এক অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে কেবল মিরপুরের সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এবং ওয়ারীর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে এই উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

এই সম্মানজনক পেশায় আসার প্রথম ধাপটি শুরু হয় তীব্র প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এই প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ এসএসসি ও এইচএসসিতে ন্যূনতম জিপিএ ৮.০০ থাকা প্রার্থীরা অংশ নিতে পারেন। এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ১০০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষার মোট ২০০ নম্বরের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। দুটি কলেজে আসন সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় প্রতি বছরের ভর্তি যুদ্ধটি বেশ কঠিন রূপ নেয়।

ভর্তির পর শুরু হয় এক বিশাল পাঠ্যক্রমের সাথে লড়াই। বিএইচএমএস কোর্সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মোট ১৫টি বিভাগে ৫৫০০ নম্বরের দীর্ঘ পড়াশোনা সম্পন্ন করতে হয়। এই পাঠ্যক্রমে যেমন রয়েছে অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, প্যাথলজি, সার্জারি, গাইনোকোলজি ও ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের মতো আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো, তেমনই রয়েছে মেটেরিয়া মেডিকা, অর্গানন অব মেডিসিন কিংবা রেপার্টরির মতো প্রথাগত বিশেষায়িত বিষয়। অর্গানন অব মেডিসিনে ৫৫০ নম্বর কিংবা মেটেরিয়া মেডিকাতে ৯০০ নম্বরের বিশদ পাঠ্যসূচিই প্রমাণ করে যে এখানে প্রতিভাবানদের কতটা গভীরভাবে পড়াশোনা করতে হয়।

মেডিকেল শিক্ষার ভিত্তি সুদৃঢ় করতে প্রতিদিনের আইটেম পরীক্ষা থেকে শুরু করে একাধিক আইটেমের সমন্বয়ে নেওয়া কার্ড পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই করা হয়। এই দীর্ঘ ৫ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মোট ৪টি প্রফেশনাল বা ‘প্রফ’ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এই কঠিন মূল্যায়নে প্রতিটি বিষয়ে পাস করার জন্য ন্যূনতম ৬০% নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক, যা একজন শিক্ষার্থীকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও দক্ষ করে তোলে।

প্রফেশনাল পরীক্ষাগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার পর শুরু হয় এক বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে সরাসরি রোগী দেখার ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেন এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে ১০,৫০০ টাকা ভাতা পান। দীর্ঘ ৬ বছরের এই সাধনা শেষে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় সমাবর্তন থেকে মূল সনদ লাভ করেন এবং আইনগতভাবে নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহারের অধিকার অর্জন করে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

26/07/2026

হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 #লিভার রোগের কারণ, লক্ষণ ও সুস্থ লিভার রাখার কার্যকরী উপায়মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় অভ্যন্তরীণ অঙ্গ হলো লিভা...
01/07/2026

#লিভার রোগের কারণ, লক্ষণ ও সুস্থ লিভার রাখার কার্যকরী উপায়

মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় অভ্যন্তরীণ অঙ্গ হলো লিভার বা যকৃত। শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়া, হজমে সাহায্য করা এবং শক্তি সঞ্চয় করে রাখার মতো ৫০০-রও বেশি জরুরি কাজ একা হাতে সামলায় এই অঙ্গটি। কিন্তু আমাদের অসচেতনতা এবং ভুল জীবনযাত্রার কারণে নীরবেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে লিভার।

আজ আমরা আলোচনা করব লিভার রোগের কারণ এবং কীভাবে আপনি আপনার লিভারকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে পারেন।

---

সুস্থ লিভার বনাম অসুস্থ লিভার: পার্থক্যটা কোথায়?

একটি সুস্থ লিভার দেখতে মসৃণ এবং কালচে লাল রঙের হয়, যা শরীরে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ও বিপাকপ্রক্রিয়া বজায় রাখে। পক্ষান্তরে, দীর্ঘদিন অবহেলা বা রোগের কারণে একটি অসুস্থ লিভার তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা, প্রদাহ (Inflammation) কিংবা টিস্যু শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে তা ধীরে ধীরে সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউরের দিকে ধাবিত হয়। তাই সুস্থ থাকতে লিভার নষ্ট হওয়ার পেছনের মূল কারণগুলো জানা জরুরি।

---

#লিভার রোগের প্রধান ৫টি কারণ

ইনফোগ্রাফিক তথ্য অনুযায়ী, লিভারের ক্ষতি হওয়ার পেছনে মূলত নিচের ৫টি কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী:

১. অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মদ্যপান

লিভার নষ্ট হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান। অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের ফলে লিভারের কোষগুলো সরাসরি ধ্বংস হতে শুরু করে। প্রাথমিক অবস্থায় লিভারে চর্বি জমে এবং পরবর্তীতে এটি মারাত্মক লিভার সিরোসিস রোগে রূপ নেয়, যা লিভারকে চিরতরে অকেজো করে দিতে পারে।

২. ভাইরাল হেপাটাইটিস সংক্রমণ

ভাইরাসের আক্রমণ লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। বিশেষ করে Hepatitis A, B, এবং C ভাইরাসের সংক্রমণ লিভারে তীব্র প্রদাহ বা ক্রনিক ইনফেকশন সৃষ্টি করে। দূষিত পানি, খাবার কিংবা রক্ত ও ব্যবহৃত সুইয়ের মাধ্যমে এই ভাইরাসগুলো ছড়ায়। সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা না হলে লিভার ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।

৩. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD)

যারা মদ্যপান করেন না, তারাও কিন্তু লিভারের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। একে বলা হয় NAFLD। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে এই ক্ষতি হয়। সাধারণত অতিরিক্ত স্থূলতা (Obesity), ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে লিভারে ফ্যাট জমে এই জটিলতা তৈরি করে।

৪. ভুল ওষুধ ও টক্সিনের প্রভাব

অনেকেরই অভ্যাস থাকে সামান্য বুকজ্বালা, মাথাব্যথা বা শরীরে সামান্য ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বা পেইনকিলার (ব্যথানাশক ওষুধ) খাওয়া। অতিরিক্ত বা ভুল ওষুধ সেবন এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ও বিষাক্ত পদার্থের (Toxins) সংস্পর্শে আসার কারণে লিভারের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫. বংশগত ও অটোইমিউন রোগ

কিছু ক্ষেত্রে লিভারের সমস্যা জিনগত বা বংশগত কারণে হতে পারে। আবার অনেক সময় শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত নিজের লিভারের কোষগুলোকেই শত্রু ভেবে আক্রমণ করতে শুরু করে, যাকে অটোইমিউন লিভার ডিজিজ বলা হয়।

---

সুস্থ জীবনযাত্রাই লিভারকে ভালো রাখে: প্রতিরোধের উপায়

"সচেতনতা হোক প্রথম পদক্ষেপ"—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সামান্য কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই লিভারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব:

সুষম খাদ্যভ্যাস: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড এবং প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন। ডায়েটে প্রচুর শাকসবজি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল রাখুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন বা মেদ কমিয়ে ফেলুন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

ওষুধ সেবনে সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া যেকোনো ধরণের এলোপ্যাথিক পেইনকিলার বা কড়া ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

---

#লিভার সুরক্ষায় প্রাকৃতিক ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় লিভারের সমস্যাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। ফ্যাটি লিভার বা লিভারের প্রাথমিক প্রদাহজনিত সমস্যায় কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side effects) ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে এবং লক্ষণভিত্তিক ওষুধের মাধ্যমে লিভারকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। তবে যেকোনো চিকিৎসা গ্রহণের আগে একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

আপনার লিভারকে সুস্থ রাখুন, সুস্থ জীবন উপভোগ করুন!

27/05/2026
🌿 বর্তমান সময়ে হাম ও চিকেন পক্সের চিকিৎসায় আস্থার নাম 'হোমিওপ্যাথি' 🌿আজকের দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ (২ এপ্রিল ২০২৬) পত্রি...
02/04/2026

🌿 বর্তমান সময়ে হাম ও চিকেন পক্সের চিকিৎসায় আস্থার নাম 'হোমিওপ্যাথি' 🌿

আজকের দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ (২ এপ্রিল ২০২৬) পত্রিকায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশিত হয়েছে। মিরসরাই উপজেলার বর্তমান চিত্র বলছে, হাম এবং চিকেন পক্সের মতো সংক্রামক ব্যাধিতে রোগীরা এখন সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চেয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রতি বেশি ঝুঁকছেন।

আস্থার প্রতিফলন: মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে হামের রোগীর সংখ্যা নগণ্য হলেও, স্থানীয় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের কাছে প্রতিনিয়ত ভিড় করছেন আক্রান্ত রোগীরা।

পরিসংখ্যানঃ উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ৭০-৮০ জন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক প্রতি মাসে গড়ে ৫-১০ জন হামের রোগী এবং ১০-১৫ জন চিকেন পক্সের রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছেন।

শিশুদের জন্য নিরাপদঃ চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের মধ্যে ১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের সংখ্যাই বেশি। হোমিওপ্যাথির মৃদু ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ওষুধ শিশুদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।

💡 কেন রোগীরা হোমিওপ্যাথি বেছে নিচ্ছেন?
১. কার্যকারিতা: হাম ও পক্সের জটিলতা নিরসনে হোমিওপ্যাথি দীর্ঘকাল ধরেই প্রশংসিত।
২. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন: বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।
৩. সহলভ্যতা: পাড়া-মহল্লায় অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকদের কাছে সহজেই পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক এসোসিয়েশন, মিরসরাই উপজেলা শাখা এই আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক ও বিজ্ঞানসম্মত এই চিকিৎসা পদ্ধতির জয় হোক।

আপনার পরিবারের কেউ যদি এই ঋতুতে হাম বা পক্সের উপসর্গে ভোগেন, তবে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

#সুপ্রভাতবাংলাদেশ

বিশ্বাস ও সেবার মেলবন্ধনে আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন। কেবল রোগ নয়, রোগীর সামগ্রিক সুস্থতায় বিশ্বাসী। 🤝💚আপনা...
22/02/2026

বিশ্বাস ও সেবার মেলবন্ধনে আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন। কেবল রোগ নয়, রোগীর সামগ্রিক সুস্থতায় বিশ্বাসী। 🤝💚

আপনার যেকোনো স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসায় আছি আপনার অপেক্ষায়।
----------------------- -------------------- --------------------

👨‍⚕️ডাঃ মোঃ হাসান শাহরিয়ার
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়),
এক্স হাউজ ফিজিশিয়ান,
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর-১৪, ঢাকা।

🏥 চেম্বারের ঠিকানাঃ
মেডিকেয়ার হোমিও সেন্টার
ইব্রাহীমপুর সালাউদ্দিন স্কুল গলির পূর্বে, নাহার বেকারী রোড, পূর্ব শেওড়াপাড়া, ঢাকা

📞01855-753065

হোমিওপ্যাথি: সামগ্রিক সুস্থতার এক অনন্য নামরোগ নয়, রোগীকে সুস্থ করাই আমাদের লক্ষ্য। হোমিওপ্যাথি বিশ্বাস করে, শরীর যখন ভে...
20/02/2026

হোমিওপ্যাথি: সামগ্রিক সুস্থতার এক অনন্য নাম
রোগ নয়, রোগীকে সুস্থ করাই আমাদের লক্ষ্য। হোমিওপ্যাথি বিশ্বাস করে, শরীর যখন ভেতর থেকে ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, তখন রোগ ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারে না।

আমাদের বিশেষত্ব:
১. রোগের মূল কারণ নির্ণয় ও নিরাময়।
২. প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত চিকিৎসা।
৩. শারীরিক ও মানসিক অবস্থার সমন্বয় করে প্রেসক্রিপশন।

বিশেষ সেবা সমূহ:
• ত্বক, লিভার ও থাইরয়েড সংক্রান্ত জটিলতা।
• স্নায়বিক সমস্যা ও গভীর অনিদ্রা থেকে মুক্তি।
• পেশি ও হাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা নিরাময়।
"হোমিওপ্যাথি কেবল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি সুস্থ জীবনযাপনের এক পূর্ণাঙ্গ দর্শন।"

📍 সঠিক পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 📞 হটলাইন: 01855-753065

Address

Mirpur

1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Hasan Shahriar,BHMS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Hasan Shahriar,BHMS:

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed clinic?

Share