Women's Care Hijama Treatment

Women's Care Hijama Treatment Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Women's Care Hijama Treatment, Medical and health, Dhaka City, Dhaka.

আমাদের সেবা সমূহ :▪️হিজামা ▪️আকুপ্রেসার ( বডি ম্যাসেজ মেয়েদের )▪️আকুপাংচার▪️পুষ্টিবিদ বিভাগ MBBS Dr. দ্বারা পরিচালিত।ওষুধ ও কাপিং এর সমন্বয়ে অসুস্থতার বেস্ট সলিউশন পেতে আমাদের সেবা নিন। 🧕 Only Female পর্দা / প্রাইভেসির সাথে চিকিৎসা করা হয়।

🔥🔥 হিজামা নিয়ে এমন তিনটা কথা বলি, যেগুলো সাধারণত কেউ আলোচনা করে না।১। দাগের রং দেখে রোগ বোঝা যায় না:কাপ বসানোর পর যে গ...
01/10/2026

🔥🔥 হিজামা নিয়ে এমন তিনটা কথা বলি, যেগুলো সাধারণত কেউ আলোচনা করে না।

১। দাগের রং দেখে রোগ বোঝা যায় না:
কাপ বসানোর পর যে গোল দাগ পড়ে, তার রং নির্ভর করে সাকশনের চাপ, কাপ কতক্ষণ বসানো ছিল, আপনার ত্বক কতটা পাতলা আর শরীরে পানির পরিমাণ কেমন, তার ওপর। একই জায়গায় দুজনের দাগ দুই রকম হতে পারে, অথচ সমস্যা এক। তাই দাগ গাঢ় হলে ভয় পাবেন না, হালকা হলেও "কাজ হয়নি" ভাববেন না। কয়েকদিনের মধ্যে দাগ এমনিই মিলিয়ে যায়।

২। বেশি বেশি করালেই বেশি ভালো:
হিজামায় বেশি বেশি কাপ বসানো এবং ঘন ঘন সেশন নেয়া,এটাও ভুল।
শরীরের গুছিয়ে নিতে সময় লাগে।
আমরা বোনেরা প্রতি মাসেই রক্ত হারাই, অনেকের আয়রনও কম থাকে। তাই পিরিয়ড, গর্ভাবস্থা বা রক্তস্বল্পতা থাকলে সেশনের আগেই জানিয়ে দিন। মাঝখানে বিরতি দেওয়াটাও যত্নের অংশ।

৩। সেশনটা কেমন লাগবে, তা অনেকটা আপনার মনের ওপরও নির্ভর করে।
ভয়ে শরীর শক্ত হয়ে গেলে পেশি টানটান থাকে, আর টান থাকলে সামান্য অস্বস্তিও বেশি লাগে। ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিলে শরীর ঢিলা হয়, সেশনও সহজ লাগে। তাই প্রথমবার যাঁরা আসেন, তাঁদের আমরা আগে সবটা বুঝিয়ে তারপর শুরু করি।
ঠিক তেমনিভাবেই, ফলাফল কেমন আসবে -এটা আপনার নিয়তের উপর ডিপেন্ড করে।আপনি যদি ভাবেন যে-দেখি হিজামা করে কাজ হয় কি-না
তাহলে ফলাফল কখনোই আশানুরূপ পাবেন না।কারণ, আল্লাহ বলেছেন "প্রত্যেক কাজই তার নিয়তের উপর নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী কর্মফল পাবে।

হিজামা অল্টারনেটিভ, বারাকাহ ময় চিকিৎসা। সুন্নাহকে জেনে-বুঝে, নিরাপদে গ্রহণ করাই আমাদের চেষ্টা। 🤍
আপনার সবচেয়ে বড় দ্বিধাটা কোনটা? কমেন্টে লিখুন , উত্তর দেব ইনশাআল্লাহ

29/09/2026

🐾 আকুপাংচার—শুধু মানুষের জন্য নয়, প্রাণীদের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত একটি complementary therapy।
ব্যথা, অস্বস্তি ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় veterinary professional-এর তত্ত্বাবধানে প্রাণীদের ক্ষেত্রেও acupuncture ব্যবহার করা হয়। মানুষের ক্ষেত্রেও এটি নির্দিষ্ট কিছু সমস্যায় complementary care হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তবুও অনেকের মনে আকুপাংচার বা হিজামা নিয়ে ভয় ও ভুল ধারণা কাজ করে। সূচ দেখেই ভয় পাওয়ার আগে জানা জরুরি—প্রশিক্ষিত ও দক্ষ থেরাপিস্টের মাধ্যমে সঠিক পদ্ধতিতে করা হলে এটি একটি নিয়ন্ত্রিত complementary therapy।
সচেতন হোন, সঠিক তথ্য জানুন এবং যেকোনো therapy নেওয়ার আগে যোগ্য চিকিৎসক/প্রশিক্ষিত পেশাদারের পরামর্শ নিন। ❤️
যত্ন শুধু মানুষের জন্য নয়—আমাদের প্রিয় প্রাণীদের জন্যও। 🐶🐱🐾

হিজামা (Cupping Therapy) যেসব সমস্যায় সহায়ক হতে পারে 🌿আল্লাহর রহমতে এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী হিজাম...
29/09/2026

হিজামা (Cupping Therapy) যেসব সমস্যায় সহায়ক হতে পারে 🌿

আল্লাহর রহমতে এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী হিজামা অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে, বিশেষ করে—

✅ মাইগ্রেন ও দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
✅ ঘাড়, কাঁধ, কোমর, পিঠ, হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা
✅ মাংসপেশীর ব্যথা ও স্পোর্টস ইনজুরি
✅ উচ্চ রক্তচাপ (চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি)
✅ ঘুমের সমস্যা (ইনসমনিয়া)
✅ সাইনুসাইটিস
✅ দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি ও শরীরের ভারীভাব
✅ কিছু ত্বকের সমস্যা ও ব্রণ
✅ চুল পড়ার ক্ষেত্রে নির্বাচিত রোগীদের জন্য
✅ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হিসেবে
✅ কিছু দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাজনিত সমস্যা

এছাড়াও রোগীর অবস্থা অনুযায়ী অন্যান্য সমস্যায়ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে হিজামা সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

💰 সেশন ও খরচ:
রোগের ধরন, স্থায়িত্ব এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে কতটি সেশন প্রয়োজন হবে তা নির্ধারণ করা হয়। তাই খরচও সেশন সংখ্যার ওপর নির্ভর করে।

হিজামা করুন, সুস্থ থাকুন 🌿
🩺 হিজামা — একটি প্রমাণিত সুন্নাহ চিকিৎসা
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“নিশ্চয়ই হিজামায় রয়েছে শেফা।”
📖 (সহীহ মুসলিম: ২২০৫)
আরেক হাদিসে এসেছে—
“যে কেউ হিজামা করতে চাইলে ১৭, ১৯ অথবা ২১ তারিখে করুক।”
📖 (ইবনে মাজাহ: ৩৪৮৬)

👉 হিজামা এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা নবী ﷺ নিজে গ্রহণ করেছেন এবং উম্মতকে উৎসাহ দিয়েছেন।
🔬 হিজামা কী?
হিজামা (Hijama) আধুনিক পরিভাষায় Cupping Therapy
এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন, প্রাকৃতিক ও সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

✅ হিজামার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা
✔ রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে
✔ শরীরের দূষিত বর্জ্য (Toxins) বের করতে সহায়তা করে
✔ নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসরণে সহায়ক
✔ ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে
✔ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
✔ মানসিক প্রশান্তি ও ঘুমের উন্নতি করে
🩺 যে সমস্যাগুলোতে হিজামা উপকারী
▪ দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন
▪ ঘাড়, কোমর, হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা
▪ উচ্চ রক্তচাপ (সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে)
▪ গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা
▪ চুল পড়া ও ত্বকের কিছু সমস্যা
▪ স্ট্রেস, অনিদ্রা ও ক্লান্তি
▪ স্পোর্টস ইনজুরি ও মাংসপেশীর ব্যথা

👉 সুস্থ মানুষও সুন্নাহ পালনের উদ্দেশ্যে বছরে ২–৩ বার হিজামা নিতে পারেন।

🕋 সুন্নাহ হিজামা সম্পর্কিত সহিহ হাদিস
📌 “মেরাজের রাতে যাদের পাশ দিয়ে গিয়েছি, তারা সবাই বলেছে—
‘হে মুহাম্মদ ﷺ, আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ দিন।’” 📖 (তিরমিজি: ২০৫৩)

📌 “হিজামাকারী কতই না উত্তম ব্যক্তি।”
📖 (তিরমিজি)

⚠️ হিজামার আগে করণীয়
✔ ২ ঘণ্টা আগে থেকে খাবার পরিহার
✔ গোসল করে আসা উত্তম
⚠️ হিজামার পরে করণীয়
✔ ২৪ ঘণ্টা গোসল ও ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন
✔ ২৪ ঘণ্টা সহবাস ও ব্যায়াম নয়

📍 Hijama Therapy – Dhaka
🏥 Women's Care Hijama Treatment
📞 Appointment:01902012208
WhatsApp/call

🏠 হোম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে
📌 Location: শনির আখড়া , ঢাকা।
নারিন্দা, ঢাকা।
🌸 সুন্নাহকে জিন্দা করুন, সুস্থ থাকুন।
এই পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানাতে পারেন 🤍
#হিজামা #সুন্নাহ_চিকিৎসা

আমাকে প্রায়ই এই প্রশ্ন শুনতে হয় যে,আমার ব্যাথা তো পায়ে তাহলে শুধু পায়ে কাপ বসালেই তো হবে,অন্য কোথাও কেন হিজামা করতে হবে?...
25/09/2026

আমাকে প্রায়ই এই প্রশ্ন শুনতে হয় যে,আমার ব্যাথা তো পায়ে তাহলে শুধু পায়ে কাপ বসালেই তো হবে,

অন্য কোথাও কেন হিজামা করতে হবে??

কিন্তু কিভাবে বোঝাই যে একটা অর্গান আরেকটির সাথে কিভাবে কানেক্টেড… ‼️

পায়ের ব্যথাটা আসলে কোমর থেকেই আসছে।

অনেক আপু আছেন যারা শুধু পায়ের ব্যথা নিয়ে ভাবেন, কোমরের দিকে খেয়ালই করেন না। অথচ পায়ের ব্যথার জায়গা দেখেই বোঝা যায় কোমরের ঠিক কোন অংশটা চাপ খাচ্ছে।

এই যে ছবিতে দেখুন —
উরুর সামনের দিকে ব্যথা হলে সমস্যাটা সাধারণত কোমরের উপরের দিকে। হাঁটুর আশেপাশে বা উরুর ভেতরের দিকে টান লাগলে একটু নিচের দিকে। শিনের সামনে বা পায়ের ভেতরের দিকে অবশ অবশ লাগলে আরেকটু নিচে। আর যদি পায়ের উপরের দিকে, বুড়ো আঙুলের কাছে ব্যথা-অবশতা থাকে, বা পায়ের পেছনে-তলায়-গোড়ালিতে টান ধরে, তাহলে সমস্যাটা কোমরের একদম নিচের অংশ আর মেরুদণ্ডের গোড়ার দিকে।

মানে ব্যথাটা পায়ে অনুভব হলেও, আসল জায়গাটা কিন্তু কোমর আর মেরুদণ্ড। তাই শুধু পায়ে তেল মালিশ করলে বা ব্যথার জায়গায় সেঁক দিলে খুব একটা কাজ হয় না — কারণ সমস্যার মূল অন্য জায়গায়।

হিজামা ঠিক এই কাজটাই করে।সমস্যার root cause খুজেঁ বের করে সেভাবেই ট্রিটমেন্ট দেয়।

আমরা Sisters' Cupping-এ কোমর ও মেরুদণ্ডের ঠিক এই জায়গাগুলোতে হিজামা করাই, যাতে ওই অংশের রক্তসঞ্চালন ভালো হয়, চাপা পড়া নার্ভের আশেপাশের মাংসপেশি রিল্যাক্স হয়, ইনফ্লামেশন কমে— এতে ব্যথা অনেকটাই কমে আসে, স্বস্তি লাগে। এটা অল্টারনেটিভ চিকিৎসার পাশাপাশি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ চিকিৎসাও বটে।

কোমরের ব্যথাকে অবহেলা করবেন না আপু। প্রথম ধাপ শুরু হোক আজই — ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

🔥আর হ্যা,সুন্নাহ ডেট এর জন্য এপোয়েন্টমেন্ট নেয়া হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

25/09/2026

রবিউস সানি-১৪৪৮ মাসে হিজামার সুন্নাহ তারিখ

২৯ শে সেপ্টেম্বর , ১লা অক্টোবর এবং ৩রা অক্টোবর (মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং শনিবার)








#হিজামা


22/09/2026

🩸 হিজামা শুধু একটি থেরাপি নয়—এটি সুস্থ জীবনযাপনের একটি অংশ হতে পারে।❤️

🩸 হিজামাকে যদি একটি বিচ্ছিন্ন চিকিৎসা-পদ্ধতি হিসেবে না দেখে, বরং সুন্নাহভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাত্রার একটি অংশ হিসেবে দেখা হয়, তাহলে এর উদ্দেশ্য ও উপকারিতা আরও সুন্দরভাবে বোঝা যায়।

📖 নবীজি ﷺ-এর জীবনযাত্রায় ছিল—👇

🥗 পরিমিত ও সুষম খাদ্যাভ্যাস
🌙 নিয়মিত রোজা ও পরিমিত আহার
😴 পর্যাপ্ত ও সুশৃঙ্খল ঘুম
🚶‍♀️ শারীরিক সক্রিয়তা
💧 পর্যাপ্ত পানি পান
🧘‍♀️ মানসিক প্রশান্তি ও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল
🩸 এবং প্রয়োজনে হিজামার মতো সুন্নাহসম্মত চিকিৎসা-পদ্ধতি।🩺

✒️ শুধু মাঝে মাঝে একটি হিজামা সেশন করিয়ে যদি খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, পানি পান, শারীরিক সক্রিয়তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে কোনো নজর না দেওয়া হয়, তাহলে সামগ্রিক সুস্থতার লক্ষ্য পূরণ করা কঠিন হতে পারে।💥

🩺 তাই হিজামাকে “একটি সেশন করলেই সব সমস্যার সমাধান” হিসেবে না দেখে, বরং নিজের জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো ধীরে ধীরে যুক্ত করার একটি অংশ হিসেবে দেখুন।❤️

✨ সুস্থতার জন্য শুধু একটি থেরাপি নয়—প্রয়োজন একটি সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনধারা।🌹

দাদি😢😢
21/09/2026

দাদি😢😢

ইয়া জুজ মা জুজের প্রথম দল এই হ্রদটির পানি চোখের পলকে নিঃশেষ করে ফেলবে। এটি হলো তাবারিয়া হ্রদ। এটির দৈর্ঘ্য ২১ কিমি, প্র...
19/09/2026

ইয়া জুজ মা জুজের প্রথম দল এই হ্রদটির পানি চোখের পলকে নিঃশেষ করে ফেলবে। এটি হলো তাবারিয়া হ্রদ। এটির দৈর্ঘ্য ২১ কিমি, প্রস্থ ১৩ কিমি এবং এটির গড় গভীরতা ৮৪ ফুট। এই হ্রদটির আয়তন ১৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এই হ্রদটি পূর্বে ফি লি স্তি ন অর্থাৎ বর্তমান ই স রা ই লে অবস্থিত। জর্দান নদী থেকে প্রবাহিত পানি এসে এই হ্রদটিতে জমা হয়। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে স্বচ্ছ পানির একটি হ্রদ।

ইসলামী বিশ্বাস এবং হাদিস অনুযায়ী, কেয়ামতের পূর্বে ইয়া জুজ-মা জুজ সম্প্রদায়ের প্রথম দলটি ফিলিস্তিনে অবস্থিত এই তাবারিয়া হ্রদ বা তিবিরিয়া হ্রদ (Lake of Tiberias) যার বর্তমান নাম (Sea of Galilee) এর সমস্ত পানি পান করে নিঃশেষ করে ফেলবে।

পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে কেয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন হিসেবে ইয়া জুজ মা জুজের আত্মপ্রকাশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সুরা আল-কাহফে বর্ণিত হয়েছে যে মহান ন্যায়নিষ্ঠ শাসক ও বিজেতা যুলকারনাইন দুটি পাহাড়ের মাঝখানে লোহা ও তামা দিয়ে একটি শক্ত প্রাচীর নির্মাণ করে এই ব র্বর জাতিকে আটকে দিয়েছিলেন।

কুরআনের বর্ণনা ও বিভিন্ন তাফসীরের ইঙ্গিতে তাদের অবস্থান পৃথিবীর উত্তরাঞ্চল বা উত্তর-পূর্ব দিকে বলে ধারণা করা হয়। তবে এর সঠিক স্থান আজও মানুষের অজানা।

হাদিস অনুযায়ী, তাদের সংখ্যা পৃথিবীর মানুষের চেয়ে কয়েকগুণ বেশী হবে এবং আল্লাহর হুকুমে তারা এক জায়গায় আবদ্ধ আছে। কেয়ামত ঘনিয়ে এলে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটবে।

তারা বেরিয়ে আসার জন‍্য দলবদ্ধ হয়ে প্রতিদিন একটি প্রাচীর কা টার চেষ্টা করে এবং বলে আগামীকাল বাকিটা কাটব। কিন্তু আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন তা আগের মতো মজবুত করে দেন। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে আল্লাহর নির্দেশে প্রাচীরটি ভেঙে যাবে এবং তারা পৃথিবীতে বেরিয়ে আসবে।

তাদের প্রথম দলটি এই তাবারিয়া হ্রদ অতিক্রম করার সময় এর সমস্ত পানি পান করে ফেলবে। এরপর তাদের শেষ দলটি যখন সেখানে পৌঁছাবে, তখন তারা বলবে, 'একসময় এখানে হয়তো পানি ছিল।'

ভৌগোলিক দিক থেকে এটি জর্দান, ই স রা ই ল, লেবানন এবং সিরিয়ার মধ‍্যবর্তী স্থানে গোলান উপত্যকায় অবস্থিত। এটি মূলত একটি মিষ্টি পানির হ্রদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে 'সি অব গ্যালিলি' (Sea of Galilee) নামে পরিচিত।

ইসলামী ধর্মীয় ইতিহাস ও পরকালতত্ত্ব অনুযায়ী ইয়া জুজ ও মাজু জ (ইংরেজি ভাষায় Gog and Magog) হলো হযরত আদম (আঃ) কিংবা নূহ (আঃ)-এর বংশধর থেকে সৃষ্টি মানবজাতির অন্তর্ভুক্ত দুটি শক্তি শা লী ও ধ্বং সাত্মক গোত্র। পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে এদের সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

এরা সাধারণ মানুষের মতো র ক্ত-মাং সের মানুষ হলেও আকারে ছোট চোখ, চ্যাপ্টা মুখ এবং প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক স্বভাবের।

ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সূত্র মতে, এরা হযরত নূহ (আঃ)-এর পুত্র ইয়াফিসের বংশধর।

পবিত্র কুরআনের সুরা আল-কাহফে বাদশাহ যুলকারনাইনের ঘটনায় ইয়া জুজ-মাজু জের কথা উল্লেখ রয়েছে। একসময় এই উপদ্রবকারী জাতি চারপাশের মানুষদের ওপর ব্যাপক অ ত্যাচার ও ফা সাদ সৃষ্টি করত।

তখন স্থানীয় জনগণের অনুরোধে ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ যুলকারনাইন দুটি বিশাল পাহাড়ের মাঝখানে লোহা ও তামা গলিয়ে এক মজবুত ও বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করেন। এই প্রাচীরের আড়ালেই তারা বর্তমানে অন্তরীণ বা আবদ্ধ রয়েছে।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইয়া জুজ-মা জুজ প্রতিদিন সেই প্রাচীর কে টে বের হওয়ার চেষ্টা করে। সারাদিন খনন করার পর যখন তারা প্রাচীর ভাঙার কাছাকাছি পৌঁছে, তখন তাদের সর্দার বলে—"আজ যাও, আগামীকাল এসে বাকি অংশ কাটবে।" এরপর আল্লাহ তাআলা রাতের মধ্যে সেই প্রাচীর আগের চেয়েও মজবুত ও পুরু করে দেন।

এই প্রক্রিয়া প্রতিদিন চলতে থাকে এবং আল্লাহর নির্ধারিত সময় না আসা পর্যন্ত তারা সেখান থেকে বের হতে পারবে না।

কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে বা ঈসা (আঃ)-এর আগমনের পর আল্লাহর হুকুমে এই প্রাচীর ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে এবং তারা মানবজাতির ওপর প্লাবনের মতো ছড়িয়ে পড়বে।

তাদের সংখ্যা এত বেশি হবে যে, তারা পৃথিবীর সমস্ত পানি বা নদী যেমন টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস বা ফুরাত নদীর পানি পান করে শেষ করে ফেলবে এবং পৃথিবীতে চরম ধ্বং সযজ্ঞ চালাবে।

আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে ইয়া জূজ ও মা জূজের গোত্রগুলো যখন মুক্ত হবে তখন তারা দলে দলে পৃথিবীতে বেরিয়ে আসবে। তারা উঁচু স্থান থেকে পঙ্গপালের মত দ্রুত পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং মুসলিমরা তাদের নিকট হতে পালাবে।

অবশেষে মুসলিমরা বিভিন্ন দুর্গে আশ্রয় নিবে এবং নিজেদের সবকিছু সঙ্গে নিয়ে যাবে। ইয়া জুজ মা জুজ একপর্যায়ে পৃথিবীর সবকিছু ধ্বং স করে দিবে। এরপর তাদের নেতা বলবে, ‘এরা হলো পৃথিবীর অধিবাসী এবং আমরা তাদেরকে শেষ করে দিয়েছি। এবার চলো, আমরা আকাশের অধিবাসীদের বিরুদ্ধে যু দ্ধ করি!’

তখন তাদেরই একজন তার বর্শা আকাশের দিকে নিক্ষেপ করবে এবং সেটি রক্তমাখা অবস্থায় ফিরে আসবে। এরপর তারা বলবে, ‘আমরা এখন আকাশের অধিবাসীদেরও হ ত্যা করেছি।’

মানুষের ওপর তাদের আক্রমণ যখন চরম আকার ধারণ করবে, তখন নবী ঈসা (আঃ) ও মুমিনগণ আল্লাহর কাছে এদের ধ্বং স প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা বা কীট প্রেরণ করবেন, যার কা মড়ে এক রাতেই এই পুরো জাতি একসঙ্গে ধ্বং স হয়ে মা রা যাবে।

©️Mohammed Shaikul Islam

হিজামা করলে আমাদের পুরো শরীরে  ব্লাড সার্কুলেশন অনেক বেড়ে যায়।সকল শিরা-উপশিরা দিয়ে ব্লাড খুব ভালোভাবে প্রবাহিত করে।আর, য...
17/09/2026

হিজামা করলে আমাদের পুরো শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন অনেক বেড়ে যায়।

সকল শিরা-উপশিরা দিয়ে ব্লাড খুব ভালোভাবে প্রবাহিত করে।

আর, যখন শিরা-উপশিরা দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ ফ্রেশ ব্লাড খুব ভালোভাবে প্রবাহিত হয় তখন

এর মাধ্যমে সমস্ত পুষ্টি উপাদান আমাদের মাংস পেশির কোষ গুলোতে খুব ভালোভাবে ডিপোজিট হয়।

এ কারণে হিজামা নেয়ার (২-৩ রিকোভারি টাইম) পর জিম,মাসল স্ট্রেংথ ট্রেইনিং বা শারীরিক পরিশ্রম করার সময় বেশ স্ট্রেন্থ এবং এনার্জেটিক লাগে।

এ কারণে বাহিরের দেশে বিভিন্ন সময়ে আমরা খেলোয়াড় বা এথলেটদের কে আমরা হিজামা নিতে দেখি,

তবে,আমাদের দেশে স্পোর্টসম্যানদের মাঝে এই চর্চা টা কম।

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে মানুষ কীভাবে চিকিৎসা করতেন? 🌿চিকিৎসাব্যবস্থা কি শুধু আধুনিক যুগের আবিষ্কার?না। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যু...
17/09/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে মানুষ কীভাবে চিকিৎসা করতেন? 🌿

চিকিৎসাব্যবস্থা কি শুধু আধুনিক যুগের আবিষ্কার?
না। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগেও মানুষ অসুস্থ হলে বিভিন্ন উপায়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতেন। ইসলামে চিকিৎসা গ্রহণকে নিরুৎসাহিত করা হয়নি; বরং উপকারী চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়টি হাদিসে এসেছে।

🩸 ১. হিজামা ছিল পরিচিত একটি চিকিৎসাপদ্ধতি
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

> «إِنَّ فِيهِ شِفَاءً»
“নিশ্চয়ই এতে শিফা রয়েছে।”

এই হাদিসে হিজামার কথা এসেছে। সহিহ বুখারিতে অসুস্থতার ক্ষেত্রে হিজামার উল্লেখ রয়েছে।

🍯 ২. মধু ব্যবহারের কথাও এসেছে
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ চিকিৎসার প্রসঙ্গে হিজামা ও মধুর কথা উল্লেখ করেছেন।

🔥 ৩. কিছু ক্ষেত্রে আগুন দিয়ে চিকিৎসা (কাই/কটেরাইজেশন) প্রচলিত ছিল
হাদিসে এর উল্লেখ থাকলেও রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে কাই করানো পছন্দ করতেন না এবং এ ব্যাপারে সতর্কতা এসেছে। তাই এটিকে সাধারণ চিকিৎসার নির্দেশনা হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।

তাহলে মূল শিক্ষা কী?

ইসলামের দৃষ্টিতে চিকিৎসা গ্রহণ করা এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা—দুটো পরস্পরবিরোধী নয়।

হিজামা, মধু ইত্যাদি সম্পর্কে হাদিসে আলোচনা থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি রোগের একমাত্র চিকিৎসা হিজামা। রোগের ধরন, ব্যক্তির অবস্থা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা জরুরি।

শিফা দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।
আর চিকিৎসা হলো শিফা লাভের একটি মাধ্যম।

📞 পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: 01902012208

চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Address

Dhaka City
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Women's Care Hijama Treatment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share