01/10/2026
🔥🔥 হিজামা নিয়ে এমন তিনটা কথা বলি, যেগুলো সাধারণত কেউ আলোচনা করে না।
১। দাগের রং দেখে রোগ বোঝা যায় না:
কাপ বসানোর পর যে গোল দাগ পড়ে, তার রং নির্ভর করে সাকশনের চাপ, কাপ কতক্ষণ বসানো ছিল, আপনার ত্বক কতটা পাতলা আর শরীরে পানির পরিমাণ কেমন, তার ওপর। একই জায়গায় দুজনের দাগ দুই রকম হতে পারে, অথচ সমস্যা এক। তাই দাগ গাঢ় হলে ভয় পাবেন না, হালকা হলেও "কাজ হয়নি" ভাববেন না। কয়েকদিনের মধ্যে দাগ এমনিই মিলিয়ে যায়।
২। বেশি বেশি করালেই বেশি ভালো:
হিজামায় বেশি বেশি কাপ বসানো এবং ঘন ঘন সেশন নেয়া,এটাও ভুল।
শরীরের গুছিয়ে নিতে সময় লাগে।
আমরা বোনেরা প্রতি মাসেই রক্ত হারাই, অনেকের আয়রনও কম থাকে। তাই পিরিয়ড, গর্ভাবস্থা বা রক্তস্বল্পতা থাকলে সেশনের আগেই জানিয়ে দিন। মাঝখানে বিরতি দেওয়াটাও যত্নের অংশ।
৩। সেশনটা কেমন লাগবে, তা অনেকটা আপনার মনের ওপরও নির্ভর করে।
ভয়ে শরীর শক্ত হয়ে গেলে পেশি টানটান থাকে, আর টান থাকলে সামান্য অস্বস্তিও বেশি লাগে। ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিলে শরীর ঢিলা হয়, সেশনও সহজ লাগে। তাই প্রথমবার যাঁরা আসেন, তাঁদের আমরা আগে সবটা বুঝিয়ে তারপর শুরু করি।
ঠিক তেমনিভাবেই, ফলাফল কেমন আসবে -এটা আপনার নিয়তের উপর ডিপেন্ড করে।আপনি যদি ভাবেন যে-দেখি হিজামা করে কাজ হয় কি-না
তাহলে ফলাফল কখনোই আশানুরূপ পাবেন না।কারণ, আল্লাহ বলেছেন "প্রত্যেক কাজই তার নিয়তের উপর নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী কর্মফল পাবে।
হিজামা অল্টারনেটিভ, বারাকাহ ময় চিকিৎসা। সুন্নাহকে জেনে-বুঝে, নিরাপদে গ্রহণ করাই আমাদের চেষ্টা। 🤍
আপনার সবচেয়ে বড় দ্বিধাটা কোনটা? কমেন্টে লিখুন , উত্তর দেব ইনশাআল্লাহ