Dr. Jesmin's Kids Care

Dr. Jesmin's Kids Care Child specialist
MBBS (Mymensingh Medical College), FCPS (Paediatrics)(Bangladesh College of Physician & Surgeon), CCD(BIRDEM)

  (Over-the-Counter) Drugs for Children in BangladeshOTC (Over-the-Counter) Drug হলো এমন ওষুধ যা চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ...
17/06/2026

(Over-the-Counter) Drugs for Children in Bangladesh

OTC (Over-the-Counter) Drug হলো এমন ওষুধ যা চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ফার্মেসি থেকে কেনা যায় এবং ব্যবহার করা যায়।

#সতর্কতা :
১. শিশুকে OTC ওষুধ দেওয়ার আগে বয়স ও ওজন অনুযায়ী ডোজ নিশ্চিত হতে হবে । ২ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ ।
২. এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ কখনো ই ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া কেনা উচিৎ না। এতে বাচ্চার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এমনকি এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট ডেভেলাপ করতে পারে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নীচের ঔষধ গুলো OTC drug হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

১. জ্বর এবং ব্যথার জন্য /For Fever & Pain
Paracetamol (Acetaminophen)
ব্র্যান্ড: Napa, Ace, Reset, Fast
জ্বর ও ব্যথায় ব্যবহৃত হয়।

২. পাতলা পায়খানা / Diarrhea
ORS (Oral Rehydration Salts)
ব্র্যান্ড: Orsaline, Neosaline, Rice Saline
Zinc
ব্র্যান্ড: Syp Xinc, Syp Zesup, Tab Baby zinc
২ মাস–৫ বছর বয়সী শিশুদের ডায়রিয়ায় ORS-এর সাথে ব্যবহার করা হয়।

৩. এলার্জি বা সাধারণ চুলকানি হলে (Allergy / Itching)
Cetirizine(Syp Alatrol, Syp Seasonix)
Loratadine
Fexofenadine
অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া ও চুলকানিতে ব্যবহৃত হয়।

৪. নাক বন্ধ থাকলে (Nasal Congestion)
Normal Saline Nasal Drops/Spray
১-২ ফোঁটা উভয় নাকের ছিদ্রপথে দেয়া যেতে পারে।
শিশুদের জন্য এটি নিরাপদ।

৫. ডায়াপার র‍্যাশ Diaper Rash
Zinc Oxide Cream( D-Rash cream)
ডায়াপার র‍্যাশ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

৬. বমি হলে / Vomiting
Ondansetron জাতীয় ঔষধ
Syp Emistat
Syp Onaseron
Syp Zofra

এগুলো বমি হলে দেয়া যেতে পারে।
বহুল প্রচলিত Syp Omidon বমির জন্য দেয়া যায় কিন্তু অনেক সময় Syp Omidon এর ডোজ বেশি হলে ডায়রিয়া হতে পারে।

৭. পেট ব্যথা হলে /Abdominal pain or Colic
ছোট্ট শিশু দের Colic বা পেট ব্যথা হলে
Simethicone জাতীয় ঔষধ
Drop Flacol,
Drop Gasnil,
Drop Simicon ব্যবহার করা যেতে পারে।

বড় শিশু দের ক্ষেত্রে
Syp Algin
Syp Colicon ব্যবহার করা যেতে পারে।

এই ঔষধ গুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা র জন্য ব্যবহার করবেন। বাচ্চাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ভালো না হলে অতিসত্তর একজন শিশু বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হবেন।

আজকের বিষয় (১৬/০৬/২৬) #শিশুর_খাবার_এ_লবন_দিবো_কি_দিবো_না?আজকাল ডাক্তারি করা অনেক চেলেঞ্জিং। আমি এটা বলবো না যে আগে চেলেঞ...
16/06/2026

আজকের বিষয় (১৬/০৬/২৬)
#শিশুর_খাবার_এ_লবন_দিবো_কি_দিবো_না?
আজকাল ডাক্তারি করা অনেক চেলেঞ্জিং। আমি এটা বলবো না যে আগে চেলেঞ্জ ছিলো না কিন্তু এখন যে চেলেঞ্জ এর কথা আমি বলছি সেটা হলো এখনকার গার্জিয়ান রা ডাক্তার এর কাছে আসার আগে অনেক কিছু অনলাইন এ দেখে পড়ে আসে। যাই হোক তাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় আমাদের।

আজকে যে বিষয় টি নিয়ে কথা বলবো সেটা আমি সবচেয়ে আগে আমার ভাসুর এর মেয়ের যখন বাচ্চা হলো, যখন ওর পরিপুরক খাবার দেয়ার সময় আসলো, তখন একদিন শুনলাম ওর খাবার এ লবন দেয়া হয় না। আমি একটু অবাক হলাম, জিজ্ঞেস করলাম কোথায় পেয়েছে এই তথ্য। তখন বললো ইন্টারনেট এ। যাই হোক তখন বিষয় টা সম্পর্কে বেশি জানা ছিলো না। কিন্তু আমার 6th sense বলছিলো একটা বাচ্চা যদি স্বাদ না পায়, তাহলে সে কি খাবার এর প্রতি আগ্রহী হবে?

পরে কিছু লিটারেচার রিভিউ পড়ার চেষ্টা করেছি। সেগুলো থেকে যেটা বুঝলাম, মূলত কৌটাজাত (canned) খাবার যেগুলো তে লবণ মিশানো থাকে সেগুলো তে আলাদা করে লবণ মিশানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু সাধারণ খাবার তৈরি করার ক্ষেত্রে অল্প বা পরিমাণ মতো লবণ দেয়া যেতে পারে। এতে খাবার মুখরোচক হবে এবং শিশু রা খেতে আগ্রহী হবে।

অনেক অভিভাবক রা ও একই কথা বলেন। তারা বলেন যে তাদের বাচ্চা কিছু খেতে চায় না এবং তারা খাবারে কোনো লবণ দেন না। কারণ হিসেবে তারা বলেন যে বাচ্চাদের কিডনি লবণ এ যে সোডিয়াম এবং ক্লোরাইড আছে সেটা excrete বা বের করতে পারে না।

এটা ও ভুল ধারণা। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশু দের কিডনি পরিমিত পরিমাণ লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড বের করে দিতে পারে।

বিষয় টি খুব সাধারণ কিন্তু এর ফলে বেশি র ভাগ বাচ্চা কম খাওয়ার কারণে অপূষ্টিতে ভূগে থাকে। তাই মনে হলো বিষয় টি নিয়ে কথা বলা দরকার।

আজকের বিষয় Attention Deficit Hyperactivity Disorder (ADHD)11/06/26ADHD (Attention Deficit Hyperactivity Disorder) হলো এক...
11/06/2026

আজকের বিষয়
Attention Deficit Hyperactivity Disorder (ADHD)
11/06/26

ADHD (Attention Deficit Hyperactivity Disorder) হলো একটি সাধারণ নিউরোডেভেলপমেন্টাল সমস্যা, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ী?
ADHD হলো মস্তিষ্কের কার্যকারিতার একটি বিকাশজনিত সমস্যা, যা ব্যক্তির মনোযোগ, আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং কাজের পরিকল্পনা করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। ADHD আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তারা অতিরিক্ত চঞ্চল হতে পারে এবং অনেক সময় আবেগ নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা অনুভব করে।

্রধান_লক্ষণ


১. মনোযোগের ঘাটতি (Inattention)
সহজেই মনোযোগ হারিয়ে ফেলা
পড়াশোনা বা কাজের সময় ভুল করা
নির্দেশনা অনুসরণে অসুবিধা
জিনিসপত্র হারিয়ে ফেলা
কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়া
সহজেই অন্যদিকে মনোযোগ চলে যাওয়া
২. অতিচঞ্চলতা (Hyperactivity)
এক জায়গায় স্থির হয়ে বসতে না পারা
অতিরিক্ত কথা বলা
হাত-পা নাড়াচাড়া করা
অস্থিরতা অনুভব করা
সবসময় ব্যস্ত থাকতে চাওয়া
৩. আবেগপ্রবণতা (Impulsivity)
অন্যের কথা শেষ হওয়ার আগেই উত্তর দেওয়া
নিজের পালার জন্য অপেক্ষা করতে না পারা
হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া
ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ করা

শিশুদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা গুলো সাধারণত ১২ বছরের আগে হয়ে থাকে।

ারণ
ADHD-এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হলো:
√ বংশগত বা জেনেটিক প্রভাব
√ মস্তিষ্কের কিছু রাসায়নিকের ভারসাম্যহীনতা
√ গর্ভাবস্থায় ধূমপান, অ্যালকোহল বা মাদক গ্রহণ
√ অকাল জন্ম বা কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ
√ পরিবেশগত কিছু বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ

ির্ণয়
ADHD নির্ণয়ের জন্য কোনো একক রক্ত পরীক্ষা বা স্ক্যান নেই। একজন শিশু বিশেষজ্ঞ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট রোগীর আচরণ, ইতিহাস এবং বিভিন্ন মূল্যায়নের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করেন।

িকিৎসা
১. আচরণগত থেরাপি (Behavioral Therapy)
আচরণ নিয়ন্ত্রণ শেখানো
সময় ব্যবস্থাপনা উন্নত করা
অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ প্রদান
২. ওষুধ
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে, যেমন:
First line: Methylphenidate
(Amphetamine-based medications)
Second Line: Tricyclic anti depressant (Imipramine)
3rd Line: Clonidine(Clonipress)
৩. শিক্ষা ও পারিবারিক সহায়তা
নিয়মিত রুটিন তৈরি করা
ছোট ছোট ধাপে কাজ ভাগ করা
ইতিবাচক উৎসাহ প্রদান
বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতা নেওয়া
৪. খাদ্য: পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে

িলতা
চিকিৎসা না হলে ADHD-এর কারণে:
√ পড়াশোনায় দুর্বলতা
√ আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া
√ সামাজিক সম্পর্কের সমস্যা
√ উদ্বেগ ও বিষণ্নতা
√ মাদকাসক্তির ঝুঁকি বৃদ্ধি

#প্রতিরোধ
ADHD পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও ঝুঁকি কমানো যেতে পারে:
১. গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
২. ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার
৩. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
৪. শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশের প্রতি নজর রাখা

ADHD একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিউরোডেভেলপমেন্টাল সমস্যা। সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং পারিবারিক সহায়তার মাধ্যমে ADHD আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক ও সফল জীবনযাপন করতে পারে। তাই ADHD-এর লক্ষণ দেখা গেলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আমার প্রতিদিন এর অভিজ্ঞতা ১০/০৬/২৬Attention Deficit Hyperactivity Disorder (ADHD)গতকাল একটি ছেলে বাচ্চা এসেছিলো আমার চেম...
10/06/2026

আমার প্রতিদিন এর অভিজ্ঞতা
১০/০৬/২৬

Attention Deficit Hyperactivity Disorder (ADHD)

গতকাল একটি ছেলে বাচ্চা এসেছিলো আমার চেম্বারে, ৪ বছর বয়স। বাচ্চার সমস্যা ছিলো বাচ্চা অতিরিক্ত চঞ্চল, ১ মাস ধরে ঠিক মতো খায় না, জোড় করে খাওয়াতে হয়, তার মতের বিরুদ্ধে গেলে বাবা মায়ের গায়ে হাত তোলে ইত্যাদি।
বাচ্চা রা স্বভাবতই কিছুটা দুষ্ট প্রকৃতির হয়ে থাকে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই বাচ্চা আমার চেম্বারে আসার পর থেকে এক মিনিট ও শান্ত ভাবে বসেনি। এ দিক সেদিক ছোটাছুটি করছিলো, কোনো কথার উত্তর ঠিক মতো দিচ্ছিলো না।
আমি ওর বাবা মায়ের কাছ থেকে পূরো History নিলাম। মা যা বললেন, উনার আরও একটি মেয়ে আছে। তাকে পড়াশোনা করাতে হয় মায়ের, সেজন্য তিনি উনার ছেলে কে সময় দিতে পারেন না। বাবা ব্যস্ত। বাচ্চা ওর নানুর কাছে থাকতো। ৬ মাস আগে তিনি মারা যান। এর পর থেকে বাচ্চা সারাদিন টিভি দেখে আর মোবাইল দেখে। এবং এর পর থেকে ই মা ওর মধ্যে এই ধরনের আচরণ গত সমস্যা দেখতে পাচ্ছেন।
তো সব History এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমার কাছে Attention Deficit Hyperactivity Disorder(ADHD) মনে হয়েছে। যদিও প্রথম বার একটা শিশু কে দেখে ই ADHD বলা ঠিক না,তাই আমি মা বাবা কে কিছু উপদেশ দিয়ে ফলো আপ এ আসতে বলি।
উপদেশ :
১. বাচ্চা কে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে
২. তার সাথে খেলাধুলা করতে হবে
৩. তার স্ক্রিন টাইম কমাতে হবে, মানে টিভি দেখা,মোবাইল দেখা কমাতে হবে
৪. সম্ভব হলে তাকে প্রি স্কুলে দেয়া যেতে পারে ইত্যাদি।

এই উপদেশ দিয়ে আমি তাদের পরে আবার আসতে বলি। ADHD নিয়ে আমি পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত লিখবো ইন শা আল্লাহ।

আজকের বিষয় Epistaxis (নাক  দিয়ে রক্ত পড়া)০৭/০৬/২৬নাক দিয়ে হঠাৎ করে রক্ত পড়লে অনেকেই খুব ঘাবড়ে যান। ঘাবড়ে যাওয়ার ই কথা। ক...
07/06/2026

আজকের বিষয়
Epistaxis
(নাক দিয়ে রক্ত পড়া)
০৭/০৬/২৬

নাক দিয়ে হঠাৎ করে রক্ত পড়লে অনেকেই খুব ঘাবড়ে যান। ঘাবড়ে যাওয়ার ই কথা। কিন্তু বেশি র ভাগ ক্ষেত্রে ই এটি খুব জটিল কিছু নয়।

সেদিন আমার এক relative এর ৫ বছরের বাচ্চার হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। উনারা বেশ ঘাবড়ে যান। আজ তাই ভাবছি এ বিষয়ে কিছু লেখা যেতে পারে।

এই বিষয় টি ও মূলত নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ এর বিষয়, কিন্তু শিশু রোগী বেশির ভাগ প্রথমে আমাদের কাছেই আসে।

ি?

এপিস্ট্যাক্সিস (Epistaxis) হলো নাক দিয়ে রক্তপাত হওয়া। এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের মধ্যেই দেখা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুরুতর নয়। তবে বারবার বা অতিরিক্ত রক্তপাত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

িস্ট্যাক্সিসের_ধরন:

এপিস্ট্যাক্সিস প্রধানত দুই ধরনের:

১. Anterior Epistaxis (অ্যান্টেরিয়র এপিস্ট্যাক্সিস)

- নাকের সামনের অংশ থেকে রক্তপাত হয়।
- সবচেয়ে সাধারণ ধরনের নাক দিয়ে রক্তপাত।
- সাধারণত সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

২. Posterior Epistaxis (পোস্টেরিয়র এপিস্ট্যাক্সিস)

- নাকের পেছনের অংশ থেকে রক্তপাত হয়।
- বয়স্ক ব্যক্তি ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
- কখনও কখনও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

ারণসমূহ:

স্থানীয় কারণ

- নাক খোঁচানো
- নাকে আঘাত লাগা
- শুষ্ক আবহাওয়া
- নাকের সংক্রমণ
- অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
- শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বা Respiratory Tract Infection
- নাকের টিউমার বা পলিপ

সিস্টেমিক কারণ

- উচ্চ রক্তচাপ
- রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা
- লিভারের রোগ
- রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন
- রক্তের বিভিন্ন রোগ

্ষণ:

- নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়া
- গলায় রক্ত চলে যাওয়া
- মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা (অতিরিক্ত রক্তপাতের ক্ষেত্রে)

িকিৎসা:

প্রাথমিক চিকিৎসা

1. রোগীকে সোজা বসান।
2. মাথা সামান্য সামনে ঝুঁকিয়ে রাখুন।
3. নাকের নরম অংশ ১০–১৫ মিনিট চেপে ধরুন।
4. নাকের উপর বরফ বা ঠান্ডা সেঁক দিন।
5. রক্ত গিলে ফেলবেন না।

পরবর্তী চিকিৎসা

- ন্যাজাল ড্রপ ব্যাবহার করা যেতে পারে।
- শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বা Respiratory Tract Infection হলে প্রয়োজন এ এন্টিবায়োটিক দেয়া যেতে পারে।
- নাকের ভিতর প্যাকিং দেয়া(প্রয়োজন হলে)।
- কেমিক্যাল বা ইলেকট্রিক কটারি
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
- প্রয়োজন হলে অস্ত্রোপচার

িকিৎসকের_শরণাপন্ন_হবেন?

- ২০ মিনিটের বেশি রক্তপাত চললে
- বারবার নাক দিয়ে রক্ত পড়লে
- আঘাতের পর রক্তপাত হলে
- অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্ট হলে

#প্রতিরোধ

- নাক খোঁচানো থেকে বিরত থাকা
- ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখা
- অ্যালার্জি ও সংক্রমণের যথাযথ চিকিৎসা করা
- উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা

এপিস্ট্যাক্সিস একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর কারণ ও তীব্রতা ভিন্ন হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রাথমিক ব্যবস্থা গ্রহণেই রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। তবে বারবার বা অতিরিক্ত রক্তপাত হলে দ্রুত নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  ডায়াপার র‍্যাশ০৪/০৬/২৬ডায়াপার ব্যবহার করে যেসব শিশু রা তাদের মধ্যে খুব কমন একটা সমস্যা দেখা যায়, সেটা হলো ডায়াপার র‍্য...
04/06/2026


ডায়াপার র‍্যাশ
০৪/০৬/২৬

ডায়াপার ব্যবহার করে যেসব শিশু রা তাদের মধ্যে খুব কমন একটা সমস্যা দেখা যায়, সেটা হলো ডায়াপার র‍্যাশ।
আজকে সেটা নিয়ে কথা বলবো।

#ডায়াপার_র‍্যাশ কি?
শিশুদের ডায়াপার পরিধান করা অংশের ত্বকে প্রদাহ বা জ্বালাপোড়াকে ডায়াপার র‍্যাশ বলা হয়। সাধারণত দীর্ঘ সময় ভেজা বা নোংরা ডায়াপার পরে থাকার কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়।

#ডায়াপার র‍্যাশের কারণ
ডায়াপার র‍্যাশের বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন—
১.দীর্ঘ সময় ভেজা বা মলযুক্ত ডায়াপার ব্যবহার
২.প্রস্রাব ও মলের রাসায়নিক উপাদানের কারণে ত্বকের ক্ষতি
৩.ডায়াপারের ঘর্ষণ
৪.নতুন খাবার গ্রহণের ফলে মলের পরিবর্তন
৫.অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ছত্রাক সংক্রমণ
৬.সুগন্ধিযুক্ত সাবান, ওয়াইপস বা ত্বকের পণ্যের প্রতি সংবেদনশীলতা
৭.অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশ

#লক্ষণ_ও_উপসর্গ
ডায়াপার র‍্যাশ হলে সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়—
১.ত্বক লাল হয়ে যাওয়া
২.ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা দানা
৩.ত্বক শুষ্ক বা খসখসে হয়ে যাওয়া
৪.আক্রান্ত স্থানে জ্বালাপোড়া
৫.ডায়াপার পরিবর্তনের সময় শিশুর কান্না বা অস্বস্তি

#চিকিৎসা
ডায়াপার র‍্যাশের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘরোয়া যত্নে উন্নতি হয়।
১.আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
২.ডায়াপার পরিবর্তনের পর ব্যারিয়ার ক্রিম ব্যবহার করুন।
৩.ছত্রাকজনিত সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহার করতে হতে পারে।
৪.গুরুতর ক্ষেত্রে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি—
২–৩ দিনের মধ্যে র‍্যাশ না কমলে
জ্বর দেখা দিলে
ফোস্কা, পুঁজ বা ক্ষত তৈরি হলে
র‍্যাশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
শিশুর অতিরিক্ত অস্বস্তি বা কান্না থাকলে

#প্রতিরোধের_উপায়
ডায়াপার র‍্যাশ প্রতিরোধে কিছু সহজ পদক্ষেপ কার্যকর হতে পারে—
১.নিয়মিত ডায়াপার পরিবর্তন করুন।
২.প্রতিবার ডায়াপার পরিবর্তনের সময় ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
৩.কিছু সময় শিশুকে ডায়াপার ছাড়া রাখুন।
৪.জিঙ্ক অক্সাইডযুক্ত ব্যারিয়ার ক্রিম ব্যবহার করুন।
৫.নরম ও সুগন্ধিবিহীন ওয়াইপস ব্যবহার করুন।
৬.শিশুর ত্বকে অতিরিক্ত ঘর্ষণ এড়ানো।

 #ডায়াপার_ব্যবহার_এবং_এর_জটিলতা  (UTI)        03/06/26কিছুদিন ধরেই এই বিষয় টি নিয়ে লিখবো ভাবছি। আমি কিছু অদ্ভুত রোগী পেয়...
02/06/2026

#ডায়াপার_ব্যবহার_এবং_এর_জটিলতা
(UTI)





03/06/26

কিছুদিন ধরেই এই বিষয় টি নিয়ে লিখবো ভাবছি।
আমি কিছু অদ্ভুত রোগী পেয়েছি যাদের রোগের মূল কারণ অনেক দিন ধরে ডায়াপার ব্যবহার করা।
একজন রোগী দেখেছি, ১০ বছরের কিশোরী। সে জন্মের পর থেকে অদ্যাবধি ডায়াপার পরে (আমার চেম্বার এ আসার আগ পর্যন্ত)। তার Complaint ছিল তার শারীরিক বৃদ্ধি হচ্ছে না এবং তাকে কোনো ভাবেই ডায়াপার ছাড়ানো যাচ্ছে না। প্রথম দিন, আমি তাকে খুব ভালোভাবে কাউন্সেলিং করলাম। ২ দিন পরে সে রোগী আবার আসলো Constipation নিয়ে, মানে তার ২ দিন ধরে পায়খানা হচ্ছে না এবং প্রচন্ড পেটে ব্যথা।
ফাইনালি রোগী কে ভর্তি করে E***a বা বাংলা য় যাকে বলে ঢুশ দেয়ার দরকার পড়েছিলো। তার সাথে urine infection এবং রক্তশুন্যতা সহ আরও কিছু জটিলতা আছে কিনা সেগুলো যাচাই করে তারপর সে রোগী ছাড়তে হয়েছে।

আরেকটা রোগী দেখলাম, ২১ মাস বয়স, মেয়ে বাচ্চা।
তার Complaint ছিলো তার কিছুদিন পর পর জ্বর আসতো। এখন ৫ দিন ধরে জ্বর। High Fever, 103°F বা তার বেশি। বেশ কিছু বিষয় মাথায় ছিলো, কিন্তু Urine infection ই বেশি মনে হচ্ছিলো। আমি ইদানীং নিজের অজান্তেই ডায়াপার ব্যবহার এর History টা নেই। এই বাচ্চা তাদের বাবা মায়ের ৩য় বাচ্চা। আরও ২ জন বাচ্চা আছে। তাই মা বাচ্চাকে বেশি র ভাগ সময় ডায়াপার পড়িয়ে রাখতেন। যথারীতি Urine test কর‍তে দেই এবং সাথে একটা CBC করতে দেই। Report দেখে আমি রীতিমত চমকে উঠি। ভয়াবহ Urine infection এবং বাচ্চার একই সাথে রক্তশুন্যতা।
এই রোগী র ক্ষেত্রে বাচ্চা Urine infection এর জন্য খেতে পারতো না, সেজন্য তার রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।

যাক, দুটো রোগী র অভিজ্ঞতা শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো ডায়াপার ব্যবহার এ আমরা যেন আরও বেশি সচেতন হই।

শুধুমাত্র ঘুমানোর সময় ডায়াপার ব্যবহার করা বিশেষ করে রাতে। মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে মল পরিষ্কার করার সময় যেন সামনের দিক থেকে পেছনের দিকে পরিস্কার করি। কোনো সমস্যা মনে হলে প্রয়োজনে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।

  (সাইনাসের  প্রদাহ)০১/০৬/২৬বিষয় টি নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ এর হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে শিশু রোগী গুলো আমাদের কাছে আসে। আ...
01/06/2026


(সাইনাসের প্রদাহ)
০১/০৬/২৬

বিষয় টি নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ এর হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে শিশু রোগী গুলো আমাদের কাছে আসে।
আজ তাই এই বিষয় এ কিছু লিখবো।

ি?

সাইনুসাইটিস (Sinusitis) হলো নাকের চারপাশে থাকা সাইনাসের প্রদাহ বা সংক্রমণ। সাইনাস হলো মাথার খুলির ভেতরে বাতাসপূর্ণ ছোট ছোট গহ্বর। যখন এগুলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি বা অন্য কোনো কারণে ফুলে যায় এবং শ্লেষ্মা (মিউকাস) জমে যায়, তখন সাইনুসাইটিস হয়।

#সাইনুসাইটিস_এর_কারণ

১.সর্দি-কাশি বা ভাইরাল সংক্রমণ
২.অ্যালার্জি
৩.ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
৪.নাকের ভেতরের গঠনগত সমস্যা (যেমন ডেভিয়েটেড ন্যাজাল সেপটাম)

#সাইনুসাইটিস_এর_লক্ষণ

১.নাক বন্ধ থাকা
২.ঘন বা হলুদ/সবুজ সর্দি
৩.মুখমণ্ডল, কপাল বা চোখের চারপাশে ব্যথা বা চাপ অনুভব
৪.মাথাব্যথা
৫.গন্ধ কম পাওয়া
৬.কাশি (বিশেষ করে রাতে)
৭.জ্বর (কিছু ক্ষেত্রে)

#রোগ_নির্ণয়

মুলত এক্স রে করা হয়ে থাকে। বিশেষ ধরনের এক্স রে।
১. X Ray PNS O/M view

#সাইনুসাইটিস_এর_চিকিৎসা:

ঘরোয়া পরিচর্যা
১. প্রচুর পানি পান করা।
২. গরম পানিতে মেন্থল দিয়ে ভাপ নেয়া। এতে করে সাইনাস এর ছিদ্র গুলো খুলে যায়।
৩. স্যালাইন (লবণ-পানি) নাসাল স্প্রে বা নাসাল ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।
৪. পরিমিত পরিমাণ বিশ্রাম গ্রহণ করা।
৫. ব্যথা বা জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল সেবন করা যেতে পারে (নির্দেশনা অনুযায়ী)।

চিকিৎসকের পরামর্শে
১. অ্যালার্জিজনিত হলে অ্যান্টিহিস্টামিন বা নাসাল স্টেরয়েড স্প্রে দেওয়া হতে পারে।
২. ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের সন্দেহ হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়ে থাকে।
৩. লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র হলে একজন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ( ENT specialist) এর পরামর্শ নিতে হবে।

  (টনসিলের প্রদাহ)২৪/০৫/২৬রোগ টি মূলত নাক কান গলা(ENT specialist) বিশেষজ্ঞ এর বিষয়। কিন্তু শিশু বিশেষজ্ঞ হওয়ায় বাচ্চাদের...
24/05/2026


(টনসিলের প্রদাহ)
২৪/০৫/২৬
রোগ টি মূলত নাক কান গলা(ENT specialist) বিশেষজ্ঞ এর বিষয়।
কিন্তু শিশু বিশেষজ্ঞ হওয়ায় বাচ্চাদের নাক, কান, গলার সমস্যা গুলো প্রথমে আমাদের কাছে আসে।
আজ Acute Tonsillitis নিয়ে কিছু কথা লিখতে চাই।
এটি বাচ্চাদের খুবই সাধারণ একটি রোগ।
#লক্ষ্মণ :
১. জ্বর
২. গলা ব্যথা
৩. ঢোক গিলতে সমস্যা
৪. খাবার খেতে কষ্ট, কখনো কখনো বমি
ইত্যাদি।

#কারণ :
১. ব্যাকটেরিয়া জনিত
Streptococcus জাতীয় ব্যাকটেরিয়া( Group A Beta Haemolytic Streptococcus) দিয়ে বেশি র ভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ও হতে পারে।
২. ভাইরাস জনিত

#রোগ_নির্নয়:
সাধারণত লক্ষ্মণ এবং গলা দেখে আমরা রোগ নির্নয় করে থাকি।

#চিকিৎসা:
চিকিৎসা র শুরু তে রোগী কে রোগ সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা দিতে হবে।
আমি সব সময় একটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে রোগী কে বলি, সেটা হলো রোগ টি সাধারণ হলেও চিকিৎসা সঠিক ভাবে না করলে এর জটিলতা হিসেবে Rheumatic Fever বা বাতজ্বর নামক একটি রোগ হতে পারে। যা খুব জটিল রোগ।

এবার মূল চিকিৎসা য় আসা যাক।

১., মূলত Penicillin জাতীয় Antibiotics দেয়া হয়। এটা মোট ১০ দিন দিতে হবে বাচ্চার ওজন অনুযায়ী।
২. এছাড়া ও Azithromycin, Cefixime গ্রুপের ঔষধ ও দেয়া যেতে পারে।

৩.অন্যান্য supportive Rx যেমন জ্বর এর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দেয়া যেতে পারে।

৪. হাল্কা কুসুম গরম পানি তে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করানো গেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

#উপদেশ:
বাচ্চা কে কোনো ঠান্ডা খাবার দেয়া যাবে না, একদম না।
আইসক্রিম, ফ্রিজের ঠান্ডা পানি, ফ্রিজ এর ঠান্ডা খাবার সরাসরি দেয়া যাবে না। ফ্রিজ থেকে বের করে নরমাল তাপমাত্রায় এনে তারপর বাচ্চাদের খাওয়া তে হবে।

24/05/2026

আমার প্রতিদিন এর অভিজ্ঞতা
২৪/০৫/২৬
#নবজাতক_মেয়ে_শিশুর_যোনীপথ_এ_রক্ত_যাওয়া:

গতকাল একজন রোগী দেখেছি, ৭ দিনের মেয়ে বাচ্চা।
মা খুবই চিন্তিত। বাচ্চার যোনী পথে রক্ত বের হচ্ছিল।
এ ধরনের রোগী আমরা পেয়ে থাকি মাঝে মাঝে। জন্মের পর পর সাধারণত সামান্য পরিমাণ রক্ত মেয়ে বাচ্চাদের যোনীপথ এ বের হতে পারে। এটি স্বাভাবিক। মায়ের হরমোনের প্রভাবে এমন টি হতে পারে। ২-৩ দিন পরে রক্ত যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে আমরা ২-৩ দিন
Observe করি এবং মা কে আস্বস্ত করি যে মা, এটি মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।
কোনো কারণে যদি রক্ত যাওয়া বন্ধ না হয়, তখন আমরা অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ গুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করি এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকি।

Address

Siraj Khaleda Memorial Cantonment Board General Hospital
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Jesmin's Kids Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category