Psychologist Ginia Mirdha

Psychologist Ginia Mirdha Ginia Mirdha – Psychologist | Mental Health Expert | Mental Health Trainer |

Helping you cope with stress, anxiety & life challenges.

Empathetic, client-centered approach, Transactional Analysis, CBT. Supporting mental well-being session

09/10/2026

জীবনে এমন কিছু ঘটনা থাকে, যেগুলো অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তবুও হঠাৎ সেই ঘটনাগুলো মনে পড়ে যায়। মনে পড়ে, সেদিন কী বলা উচিত ছিল, কোথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিংবা কী করলে ফলাফলটা অন্যরকম হতে পারত।

কিন্তু কেন এমন হয়?

১. মস্তিষ্ক অতীতের ভুল থেকে ভবিষ্যতের জন্য শিখতে চায়।

কোনো অভিজ্ঞতা থেকে কষ্ট পেলে মস্তিষ্ক সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তথ্য মনে রাখতে পারে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করে।

২. অনুশোচনা আমাদের অতীতকে বারবার ফিরে দেখতে বাধ্য করে।

কোনো সিদ্ধান্তের ফলাফল খারাপ হলে আমরা ভাবতে থাকি, “অন্যভাবে করলে হয়তো এমন হতো না।” কিন্তু অতীতের সিদ্ধান্তকে বর্তমানের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করলে নিজের প্রতি অতিরিক্ত কঠোর হয়ে পড়তে পারি।

৩. বারবার ভাবা মানেই সমাধান খোঁজা নয়।

একই ঘটনা নিয়ে বারবার চিন্তা করা, নিজেকে প্রশ্ন করা এবং সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নিয়ে ভাবতে থাকাকে রুমিনেশন (Rumination) বলা হয়। এতে সমাধান পাওয়ার বদলে অপরাধবোধ ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

৪. আমরা অনেক সময় ভুলের সঙ্গে নিজের পরিচয় মিলিয়ে ফেলি।

“আমি একটা ভুল করেছি” এই উপলব্ধি থেকে যখন “আমি সবসময়ই ভুল করি” বা “আমি ভালো কিছু করতে পারি না”-
এমন ধারণা তৈরি হয়, তখন একটি ঘটনা আমাদের আত্মমূল্যবোধকেও প্রভাবিত করতে পারে।

তাহলে কীভাবে এই চক্র থেকে বের হবেন?

পুরোনো ভুল মনে পড়লে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন-

• এই ঘটনা থেকে আমি কী শিখেছি?
• এখন কি এমন কিছু আছে, যা সংশোধন করতে পারি?
• একই ভুল অন্য কেউ করলে, তাকেও কি আমি নিজের মতো এতটা দোষ দিতাম?

অতীত বদলানো সম্ভব নয়। কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতাকে কীভাবে দেখবেন এবং তা থেকে কী শিখবেন, সেই জায়গায় আপনার ভূমিকা আছে।
🤍

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন।

06/10/2026

কেউ খুব বেশি চিন্তা করছে-
তাই বলে তার Anxiety Disorder আছে?

কেউ বারবার কিছু check করছে-
তাই বলে তার OCD?

কেউ হঠাৎ খুব চুপচাপ হয়ে গেছে-
তাই বলে Depression?

আবার কারও mood দ্রুত বদলাচ্ছে-
তাই বলে Bipolar?

সবসময় এমন নয়।

মানুষের আচরণ ও অনুভূতির পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে।
কখনো সেটা হতে পারে সাময়িক Stress,
কখনো কোনো কঠিন পরিস্থিতির প্রভাব,
কখনো ব্যক্তিত্বের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য,
আবার কখনো সত্যিই কোনো mental health condition-এর অংশ।

পার্থক্যটা বোঝার জন্য শুধু একটি আচরণ দেখা যথেষ্ট নয়।

দেখতে হয়,
এটি কতদিন ধরে হচ্ছে,
কতটা তীব্র,
কোন পরিস্থিতিতে হচ্ছে,
ব্যক্তির নিজের কষ্ট কতটা হচ্ছে
এবং তার পড়াশোনা, কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনে কতটা প্রভাব পড়ছে।

এ কারণেই নিজের জন্য diagnosis করা বা অন্য কাউকে দেখে diagnosis দিয়ে দেওয়া-দুটোই ঝুঁকিপূর্ণ।

“আমি এমনই”
“ও একটু অদ্ভুত”
“ওর নিশ্চয়ই কোনো disorder আছে”
এই ধরনের label অনেক সময় একজন মানুষকে বোঝার বদলে আরও ভুল বোঝার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Mental health বোঝার প্রথম ধাপ সবসময় diagnosis নয়।

কখনো প্রথম ধাপ হতে পারে,
একটু থামা, মন দিয়ে শোনা এবং মানুষটির পুরো পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করা।

কারণ একটি আচরণ হয়তো আমাদের চোখে অস্বাভাবিক লাগতে পারে,
কিন্তু তার পেছনের গল্পটা আমরা জানি না।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন।❤

মানসিক চাপকে আমরা অনেক সময় শুধু মনের বিষয় বলে মনে করি। কিন্তু দীর্ঘদিনের চাপ আমাদের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ এবং দৈনন্দিন জ...
05/10/2026

মানসিক চাপকে আমরা অনেক সময় শুধু মনের বিষয় বলে মনে করি। কিন্তু দীর্ঘদিনের চাপ আমাদের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

কাজে মন বসতে না চাওয়া, সবসময় অস্থির লাগা, ছোট বিষয়েও বিরক্ত হয়ে যাওয়া কিংবা স্বাভাবিক কাজগুলোও কঠিন মনে হওয়া , এসবের পেছনে অতিরিক্ত মানসিক চাপ ভূমিকা রাখতে পারে।

তাই শুধু শরীরের ক্লান্তি নয়, নিজের মানসিক অবস্থার দিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

03/10/2026

ছোটবেলায় হয়তো এমন কিছু মুহূর্ত ছিল,
যেখানে আপনি কষ্ট পেয়েছিলেন, কিন্তু কাউকে বলতে পারেননি।

কেউ আপনার অনুভূতিকে গুরুত্ব দেয়নি,
কেউ আপনার ভয়টা বুঝতে পারেনি,
আবার কখনো হয়তো ভালোবাসা পাওয়ার জন্য
নিজেকেই বারবার বদলাতে হয়েছে।

সময় চলে গেছে।
আপনিও বড় হয়েছেন।

তবুও আজ কোনো মানুষ একটু দূরে সরে গেলে
ভেতরে অদ্ভুত একটা ভয় কাজ করে।

কেউ আপনার কথায় বিরক্ত হলে
মনে হয়, “আমি কি আবার ভুল করলাম?”

কেউ আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলে
মনে হতে পারে, “হয়তো আমি যথেষ্ট ভালো নই।”

অনেক সময় বর্তমানের ঘটনাটা যতটা কষ্ট দেয়,
তার চেয়েও বেশি কষ্ট জাগিয়ে তোলে
পুরোনো কোনো না-পাওয়া অনুভূতি।

তাই নিজের তীব্র প্রতিক্রিয়াকে
শুধু দুর্বলতা বা বাড়াবাড়ি বলে উড়িয়ে দেবেন না।

হয়তো আপনার ভেতরের কোনো পুরোনো ভয়
আজকের পরিস্থিতিতে আবার জেগে উঠেছে।

নিজেকে দোষ দেওয়ার আগে একটু থামুন।
নিজের অনুভূতিটাকে বোঝার চেষ্টা করুন।

কারণ আপনি শুধু আপনার শৈশবের কষ্টগুলো নন;
আপনি সেই মানুষটিও,
যে আজ নিজের অনুভূতিগুলোকে নতুন করে বুঝতে শিখছে।

ছোটবেলার অভিজ্ঞতা আপনার গল্পের একটা অংশ।
সেটাই যেন আপনার পুরো পরিচয় হয়ে না যায়।


অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন।❤

কখনো কখনো সত্যিই মনে হয়-“কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।”“একটু একা থাকি, হয়তো মনটা ভালো হবে।”তাই আমরা ধীরে ধীরে সবার ...
02/10/2026

কখনো কখনো সত্যিই মনে হয়-
“কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।”
“একটু একা থাকি, হয়তো মনটা ভালো হবে।”

তাই আমরা ধীরে ধীরে সবার কাছ থেকে দূরে সরে যাই।
মেসেজের উত্তর দিতে ইচ্ছে করে না, ফোন ধরতে ভালো লাগে না, নিজের কথাগুলোও কাউকে বলতে ইচ্ছে করে না।

শুরুর দিকে এই দূরত্বটা হয়তো স্বস্তি দেয়।
কিছুটা নীরবতা ভালো লাগে।
মনে হয়, “এভাবেই থাকি, অন্তত কাউকে কিছু বোঝাতে হবে না।”

কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই একা থাকাটাই স্বাভাবিক হয়ে যায়, তখন অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না;
আমরা শান্তি খুঁজছি, নাকি ধীরে ধীরে নিজেকেই সবার কাছ থেকে সরিয়ে নিচ্ছি।

কারণ মানুষের সব কষ্ট একা একা সামলানোর মতো নয়।

কিছু কথা আছে, যেগুলো কাউকে বলা দরকার।
কিছু অনুভূতি আছে, যেগুলো শুধু নিজের ভেতরে চেপে রাখলে আরও ভারী হয়ে যায়।
আর কিছু সময় আসে, যখন আমাদের কোনো সমাধান নয়
শুধু একজন মানুষ দরকার হয়, যে বলবে,
“আমি শুনছি, তুমি বলো।”

একা থাকতে চাওয়া ভুল নয়।
নিজের জন্য সময় নেওয়াও প্রয়োজন।

তবে যদি দেখেন, আপনি দিনের পর দিন সবার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন, কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না, কিংবা নিজের অনুভূতিগুলো কাউকে জানানো ক্রমেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে;
তাহলে সেটাকে অবহেলা করবেন না।

হয়তো আপনার এখন অনেক মানুষের প্রয়োজন নেই।
হয়তো শুধু একজন নিরাপদ মানুষ, একটি মন দিয়ে শোনা কান, আর নিজের কথাগুলো বলার একটু জায়গা প্রয়োজন। 🤍

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন।

29/09/2026

একসময় কিছু মানুষ আমাদের জীবনের এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যে, তাদের ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা কঠিন মনে হয়।

প্রতিদিন কথা বলা, ছোট ছোট বিষয় শেয়ার করা, একসঙ্গে হাসা,এসবই তখন জীবনের একটা স্বাভাবিক অংশ হয়ে যায়।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে যায়। ব্যস্ততা বাড়ে, দূরত্ব তৈরি হয়, ভুল বোঝাবুঝি জমে। একসময় যে মানুষটির সঙ্গে প্রতিদিন কথা হতো, তার সঙ্গেই হয়তো আর কোনো যোগাযোগ থাকে না।

জীবনের একটা সত্য হলো-
সব সম্পর্ক চিরকাল একই রকম থাকে না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পথ চলার জন্য।

কেউ দূরে চলে গেলে তাই নিজেকেও হারিয়ে ফেলবেন না। বরং ধীরে ধীরে নিজের জীবনের দিকে আবার ফিরে আসুন। নিজের শখ, পরিবার, কাজ, নতুন মানুষ আর নিজের ভবিষ্যতের দিকে মন দিন।

পুরোনো মানুষকে ভুলে যাওয়া জরুরি নয়। ভালো স্মৃতিগুলো মনে রাখুন। কারণ জীবনের কিছু সুন্দর সময় হয়তো আর ফিরে আসবে না, কিন্তু সেই সময়ের অনুভূতিগুলো আমাদের ভেতরে থেকে যায়।

ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত যারা কোনো একসময় আপনাকে হাসিয়েছে, ভালো সময় কাটিয়েছে, কিংবা আপনার জীবনের কোনো একটা দিনকে সুন্দর করে তুলেছে-
তাদের জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন।

সব মানুষ আমাদের জীবনে থেকে যায় না।
কিন্তু কিছু মানুষ চলে যাওয়ার পরও তাদের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের জীবনের অংশ হয়ে থাকে। 🤍

কেউ আমাদের কথা বুঝল না, গুরুত্ব দিল না, অন্যায় করল বা আমাদের প্রত্যাশামতো কিছু হলো না,তখন খুব সহজেই  রাগ চলে আসে।কিন্তু ...
28/09/2026

কেউ আমাদের কথা বুঝল না, গুরুত্ব দিল না, অন্যায় করল বা আমাদের প্রত্যাশামতো কিছু হলো না,
তখন খুব সহজেই রাগ চলে আসে।

কিন্তু অনেক সময় রাগটাই আসল অনুভূতি নয়।
রাগের নিচে আরও কিছু Emotion লুকিয়ে থাকতে পারে।

রাগের আড়ালে থাকতে পারে-

১. কষ্ট: কাছের কারও কথা বা আচরণে আঘাত পেলে রাগ আসতে পারে।

২. অভিমান: মনে হতে পারে, আপনার কথা বা অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

৩. ভয়: কাউকে হারানোর বা কোনো সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয় থেকেও রাগ হতে পারে।

৪. অসহায়ত্ব: পরিস্থিতি নিজের মতো করে সামলাতে না পারলে রাগ তৈরি হতে পারে।

৫. অপমান: কারও আচরণে নিজেকে ছোট বা অসম্মানিত মনে হলে রাগ হতে পারে।

৬. হতাশা: প্রত্যাশা পূরণ না হলে হতাশা থেকেও রাগ প্রকাশ পেতে পারে।

তাই রাগের মুহূর্তে শুধু নিজেকে থামানোর চেষ্টা না করে, রাগের কারণটাও বোঝার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।

নিজেকে জিজ্ঞেস করতে পারেন-

“আমি আসলে কী নিয়ে কষ্ট পেয়েছি?"
“আমি কি অপমানিত, ভয় পেয়েছি, নাকি হতাশ?”

কারণ নিজের Emotion-কে বুঝতে পারলে, শুধু রাগ প্রকাশ না করে কী প্রয়োজন বা কী কষ্ট দিচ্ছে. সেটা বোঝানোও সহজ হয়।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন।

জীবনের প্রতিটি মানুষের সময় ও যাত্রা আলাদা ❤
27/09/2026

জীবনের প্রতিটি মানুষের সময় ও যাত্রা আলাদা ❤

26/09/2026

জীবনে এমন কিছু জায়গা থাকে, যেখানে আমরা নিরাপদ ও স্বস্তিতে থাকতে অভ্যস্ত। সেখানে ঝুঁকি কম, অনিশ্চয়তা কম,
তাই নতুন কিছু করার প্রয়োজনও তেমন অনুভব হয় না।

কিন্তু সবসময় পরিচিত জায়গায় থাকলে আমাদের শেখা, চেষ্টা করা এবং নিজের সম্ভাবনাকে আবিষ্কার করার সুযোগও সীমিত হয়ে যেতে পারে।

নতুন কিছু শুরু করা, নিজের ভয়কে মোকাবিলা করা, ভুল থেকে শেখা কিংবা অপরিচিত কোনো অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া, এসবই প্রথমে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে।

তবে অস্বস্তি মানেই ভুল পথে যাওয়া নয়।

কখনো কখনো সেই অস্বস্তিই আমাদের শেখায়-

“আমি আসলে কতটা পারি।”

তাই একদিনেই নিজের সব সীমা ভেঙে ফেলার প্রয়োজন নেই।

ছোট কোনো পরিবর্তন দিয়ে শুরু করুন।

নতুন একটি কাজ চেষ্টা করুন।
নিজের মতামত প্রকাশ করুন।
যে কাজটি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন, সেটির প্রথম ধাপটি নিন।

মনে রাখবেন,

বেরিয়ে আসা মানে নিজের নিরাপদ জায়গাটাকে পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং ধীরে ধীরে নিজের পরিচিত সীমারেখাটাকে একটু বড় করা।

কারণ ব্যক্তিগত বিকাশ অনেক সময় শুরু হয় ঠিক সেখান থেকেই,

যেখানে স্বস্তির সঙ্গে একটু সাহসও যোগ হয়।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন। 🤍

25/09/2026

“একটু ফোন দেখি”-এই ভাবনা থেকেই শুরু।
একটা ভিডিও, তারপর আরেকটা… কখন যে ৩০ মিনিট চলে যায়, খেয়ালই থাকে না।

অথচ ১০ মিনিট বই পড়তে গেলেই বিরক্তি লাগে।

এর পেছনে আমাদের **reward system**-এরও ভূমিকা থাকতে পারে।

কেন এমন হয়?

• ফোনে খুব দ্রুত নতুন কিছু পাওয়া যায়, তাই বারবার দেখার আগ্রহ তৈরি হয়।
• পরের ভিডিওতে কী আসবে জানা থাকে না-এই অনিশ্চয়তাও scrolling বাড়াতে পারে।
• বই পড়া, ব্যায়াম বা শেখার মতো কাজের আনন্দ অনেক সময় ধীরে আসে।
• তাই দ্রুত stimulation-এ অভ্যস্ত হলে ধীরে পাওয়া আনন্দকে একঘেয়ে মনে হতে পারে।

কী করতে পারেন?

• ফোন ধরার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, “কেন ফোনটা ধরছি?”
• অকারণে scrolling-এর সুযোগ একটু কমিয়ে দিন।
• বিরক্ত হলেই ফোনে যাওয়ার বদলে কিছুক্ষণ boredom সহ্য করার চেষ্টা করুন।
• প্রতিদিন এমন কাজ করুন যার আনন্দ ধীরে আসে।

বিষয়টা ডোপামিন কমানো নয়।
বরং দ্রুত আনন্দের পাশাপাশি ধীরে পাওয়া আনন্দকেও জায়গা দেওয়া ❤

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন 🗨

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Psychologist Ginia Mirdha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share