Dr. Nazlima Nargis

Dr. Nazlima Nargis Optimism is my basic nature pledged to maintain and restore your health. No illness can defeat us. I am a doctor my motto is to provide a healthy life for you.

My profession is to celebrate your health.

Prescription Short Forms (শর্ট ফর্ম)🔹 ওষুধ সেবনের সময় (Time of taking medicine)OD / o.d = দিনে ১ বারBD / b.d = দিনে ২ বা...
04/02/2026

Prescription Short Forms (শর্ট ফর্ম)
🔹 ওষুধ সেবনের সময় (Time of taking medicine)
OD / o.d = দিনে ১ বার
BD / b.d = দিনে ২ বার
TDS / t.i.d = দিনে ৩ বার
QID / q.i.d = দিনে ৪ বার
HS / h.s = ঘুমানোর আগে
q4h = প্রতি ৪ ঘণ্টা পর পর
q6h = প্রতি ৬ ঘণ্টা পর
q8h = প্রতি ৮ ঘণ্টা পর

🔹 খাবারের সাথে সম্পর্কিত (With/Without food
ac = খাবারের আগে
pc = খাবারের পরে
prn = প্রয়োজন হলে
stat = সাথে সাথে/অবিলম্বে
SOS = খুব প্রয়োজন হলে
w/ = সঙ্গে (with)
w/o = ছাড়া (without)

🔹 ওষুধের ধরন (Dosage Form)
tab = ট্যাবলেট
cap = ক্যাপসুল
syr = সিরাপ
inj = ইনজেকশন
susp = Suspension
soln = Solution
cream = ক্রিম
oint = ointment/ointment
drops = ড্রপস
IV = Intravenous (রগে)
IM = Intramuscular (পেশিতে)
SC = Subcutaneous (ত্বকের নিচে)

🔹 ডোজ/পরিমাণ (Dosage/Direction)
mg = মিলিগ্রাম
ml = মিলিলিটার
g = গ্রাম
IU = International Unit
tsp = চা-চামচ
tbsp = টেবিল-চামচ
1/2 = অর্ধেক
1/4 = এক-চতুর্থাংশ

🔹 ব্যবহারের দিকনির্দেশ (Direction of use)
topical = ত্বকে ব্যবহার
PO = মুখে গ্রহণ
SL = জিহ্বার নিচে
PR = মলদ্বার দিয়ে
OD (eye) = ডান চোখ
OS (eye) = বাম চোখ
OU (eye) = দুই চোখেই

🔹 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ট ফর্ম
BP = Blood Pressure
HR = Heart Rate
Hb = Hemoglobin
CBC = Complete Blood Count
CXR = Chest X-ray
ECG = Electrocardiogram
NPO = মুখে কিছু খাওয়া যাবে না
Rx = প্রেসক্রিপশন
Dx = Diagnosis (রোগ নির্ণয়)
Fx = Fracture
Hx = History
Sx = Symptoms
Tx = Treatment
এ রকম পোস্ট পেতে পেইজটা ফলো করে রাখুন।

এপস্টাইন বার (Epstein-Barr) ভাইরাস ও কিসিং ডিজিজ:মানুষের লালার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে রোগের নাম কিসিং ডিজিজ!চুম্বনের সময়...
04/02/2026

এপস্টাইন বার (Epstein-Barr) ভাইরাস ও কিসিং ডিজিজ:

মানুষের লালার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে রোগের নাম কিসিং ডিজিজ!
চুম্বনের সময় যখন একজন ব্যক্তির সাথে অন্য ব্যক্তির লালারসের সংস্পর্শে আসেন, তখন এই ভাইরাসটি একজন ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
তরুণদের মধ্যে এই ভাইরাসে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়।
তবে চুম্বন ছাড়াও এই সংক্রামিত ব্যক্তির শরীর নিঃসৃত যে কোনও তরল পদার্থের সংস্পর্শে অন্য সুস্থ মানুষ এলে তার শরীরেও ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।
এপস্টাইন ভাইরাস কাশি, হাঁচি, রক্ত সঞ্চালন, যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে। এপস্টাইন বার ভাইরাস সাধারণত যুবক এবং কিশোর-কিশোরীদের বেশি প্রভাবিত করে। তবে শিশুরা আক্রান্ত হলেও তাদের উপসর্গ কম থাকে। আবার বয়স্কদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কাও কম থাকে।

কী কী লক্ষণ দেখা যায়?
শরীরে ভাইরাস প্রবেশের ৪ থেকে ৭ সপ্তাহের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
কী কী লক্ষণ?
১. দু'সপ্তাহের বেশি জ্বর।
২. গলা ব্যথা ও টনসিল ফুলে যাওয়া।
৩. শরীরে তীব্র ক্লান্তি ভাব।
৪. ঘাড়ে এবং বগলে লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া।৫. পেশিতে অসম্ভব ব্যথা।
৬. খিদে না পাওয়া ও বমি বমি ভাব।
৭. ত্বকে র‍্যাশ।
কোন ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর?
কিছু ক্ষেত্রে Spleen কিংবা Liver বড় হয়ে উঠতে পারে। এই ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করে। ফলে মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস প্রভৃতি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতেও পারে। তাই, সাবধান!

চিকিৎসা
কোনও অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ এই ভাইরাসকে কাবু করতে পারে না। তাই রোগটির চিকিৎসা করা বেশ কঠিন। তবে, সঙ্গীর শরীরে এই ধরনের কোনও উপসর্গ দেখা দিলে আপনাকে আগেভাগে সাবধান হতে হবে।
এমনকী রোগীর হাঁচিকাশির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে এই রোগ।
শুধু তাই নয়। রোগীর ব্যবহার করা জলের বোতল, প্লেট, গ্লাস, চামচ প্রভৃতি এড়িয়ে চলতে হবে। এই সময় রোগীকে প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।
রোগের লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসক চিকিৎসা করে থাকেন।

🌸 ফার্টিলিটি ন্যাচারালি বাড়ানোর ৮টি কার্যকর উপায়১️⃣ হরমোন–ব্যালান্সিং খাবার গ্রহণ করানিয়মিত কিছু খাবার ওভুলেশন ও হরমোন ব...
16/12/2025

🌸 ফার্টিলিটি ন্যাচারালি বাড়ানোর ৮টি কার্যকর উপায়
১️⃣ হরমোন–ব্যালান্সিং খাবার গ্রহণ করা

নিয়মিত কিছু খাবার ওভুলেশন ও হরমোন ব্যালান্সে সরাসরি সাহায্য করে যেমন: ডিম, ওটস, দই, বাদাম, ফল (খেজুর, বেরি, আমলা), সবুজ শাক, অল্প পরিমাণে ঘি

২️⃣ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম

ভারী ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ৩০ মিনিট হাঁটা, লাইট স্কোয়াট, স্ট্রেচিং করাই যথেষ্ট। এগুলো ইনসুলিন ও প্রজনন হরমোন ঠিক রাখে।

৩️⃣ স্ট্রেস কমানো

স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) বাড়লে ওভুলেশন ব্যাহত হয়। খুশুখুযু সহ সালাত, ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ, সন্ধ্যায় কুসুম গরম পানিতে গোসল, পর্যাপ্ত ঘুম স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

৪️⃣ পর্যাপ্ত ঘুম

৭–৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম হরমোন ব্যালান্সের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

৫️⃣ ওভুলেশন ট্র্যাক করা

অনেক সময় ঠিক সময়ে ওভুলেশন হচ্ছে কিনা সেটাই জানা থাকে না। যদি আপনার সাইকেল ২৮ দিনের হয়, তবে সাধারণত ১২–১৬ তম দিনের মধ্যে ওভুলেশন হয়। সার্ভিকাল মিউকাস পরিষ্কার ও স্লিপারি হলে সেটাই ফার্টাইল উইন্ডো।

৬️⃣ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা

অল্প অতিরিক্ত বা খুব কম ওজন দুটোই ফার্টিলিটিকে কমিয়ে দেয়। BMI ২০–২৫ এর মধ্যে থাকলে conception chance সবচেয়ে বেশি থাকে।

৭️⃣ প্রয়োজনীয় ভিটামিন

ডাক্তারের পরামর্শে Folic Acid (400 mcg), Vitamin D, Omega-3 খেলো এগুলো ডিম্বাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৮️⃣ যেসব জিনিস এড়িয়ে চলবেন

অতিরিক্ত চা–কফি, জাঙ্ক ফুড, সফট ড্রিঙ্ক, অতিরিক্ত তেল–ঝাল খাবার, দেরি করে ঘুমানো এড়িয়ে চলতে হবে।

ফার্টিলিটি আল্লাহ প্রদত্ত একটা মিরাকল হলেও একে মেইনটেইন করা আমাদের দায়িত্ব।

ধন্যবাদ! …🌷🌻

🌸 ফার্টিলিটি ন্যাচারালি বাড়ানোর ৮টি কার্যকর উপায়১️⃣ হরমোন–ব্যালান্সিং খাবার গ্রহণ করানিয়মিত কিছু খাবার ওভুলেশন ও হরমোন ব...
16/12/2025

🌸 ফার্টিলিটি ন্যাচারালি বাড়ানোর ৮টি কার্যকর উপায়
১️⃣ হরমোন–ব্যালান্সিং খাবার গ্রহণ করা

নিয়মিত কিছু খাবার ওভুলেশন ও হরমোন ব্যালান্সে সরাসরি সাহায্য করে যেমন: ডিম, ওটস, দই, বাদাম, ফল (খেজুর, বেরি, আমলা), সবুজ শাক, অল্প পরিমাণে ঘি

২️⃣ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম

ভারী ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ৩০ মিনিট হাঁটা, লাইট স্কোয়াট, স্ট্রেচিং করাই যথেষ্ট। এগুলো ইনসুলিন ও প্রজনন হরমোন ঠিক রাখে।

৩️⃣ স্ট্রেস কমানো

স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) বাড়লে ওভুলেশন ব্যাহত হয়। খুশুখুযু সহ সালাত, ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ, সন্ধ্যায় কুসুম গরম পানিতে গোসল, পর্যাপ্ত ঘুম স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

৪️⃣ পর্যাপ্ত ঘুম

৭–৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম হরমোন ব্যালান্সের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

⭕জরায়ুর সিস্ট বা ফোঁড়া একটি বর্তমানে একটি বহুল পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। নারী স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই সমস্যা প্রায়...
09/12/2025

⭕জরায়ুর সিস্ট বা ফোঁড়া একটি বর্তমানে একটি বহুল পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। নারী স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। অনেক সময় অবিবাহিত কিশোরীরাও এই সমস্যায় ভোগে থাকে। ওভারি বা ডিম্বাশয় হচ্ছে জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত দুটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে নারীদের হরমোন নিঃসরণ হয় এবং ডিম্বাণু পরিস্ফুটন হয়। ছোট ছোট সিস্ট পুঁতির মালার মতো ওভারি বা ডিম্বাশয়কে ঘিরে রাখে। এই সিস্টের জন্য ওভারির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

Follow This...
07/12/2025

Follow This...

৬️⃣ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা ওষুধের প্রভাবহরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করলে মাসিকের সময় পরিবর্তন হতে পারে।৭️⃣ থাইরয়ে...
02/12/2025

৬️⃣ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা ওষুধের প্রভাব
হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করলে মাসিকের সময় পরিবর্তন হতে পারে।

৭️⃣ থাইরয়েড সমস্যা
হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলে মাসিক অনিয়মিত হয়।

৮️⃣ অপর্যাপ্ত ঘুম ও খাদ্যাভ্যাস
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে এবং অনিয়মিত খাবার খেলে শরীরের হরমোনে প্রভাব পড়ে।

৯️⃣ প্রজনন অঙ্গের সংক্রমণ বা রোগ
জরায়ু, ডিম্বাশয় বা ফ্যালোপিয়ান টিউবে সংক্রমণ থাকলে মাসিক চক্রে প্রভাব পড়ে।

🔟 বয়সজনিত পরিবর্তন
কৈশোরে ও মেনোপজের সময় মাসিকের সময়কাল ও পরিমাণে অনিয়ম দেখা দেয়।

🌿 সমাধান ও পরামর্শ
নিয়মিত ঘুম, সুষম খাদ্য ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

দীর্ঘদিন মাসিক অনিয়ম থাকলে গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন

🩸 মাসিক অনিয়মিত হওয়ার সাধারণ কারণসমূহঃ১️⃣ হরমোনজনিত সমস্যা (Hormonal Imbalance)শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের ভ...
02/12/2025

🩸 মাসিক অনিয়মিত হওয়ার সাধারণ কারণসমূহঃ

১️⃣ হরমোনজনিত সমস্যা (Hormonal Imbalance)
শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মাসিক চক্রে পরিবর্তন আসে।

এটি কিশোরী বয়সে, গর্ভধারণের পর বা মেনোপজের আগে সাধারণত দেখা যায়।

২️⃣ পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS)
ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়।

ফলে ডিম্বস্ফোটন (ovulation) ঠিকমতো না হওয়ায় মাসিক দেরি বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৩️⃣ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ (Stress & Anxiety)
অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ব্যাহত করে, ফলে মাসিক অনিয়ম হয়।

৪️⃣ অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস
হঠাৎ মোটা বা রোগা হয়ে গেলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

এতে মাসিক বন্ধ বা অনিয়মিত হতে পারে।

৫️⃣ অতিরিক্ত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম
ক্রীড়াবিদ বা বেশি পরিশ্রমী নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক দেরিতে আসা বা বন্ধ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

🎀 নারীদের স্তন ক্যান্সার💠 বিষয়ঃ ঝুঁকি ও প্রতিরোধ📌 স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণসমূহ:1️⃣ বয়স বৃদ্ধি (বিশেষত ৪০ বছরের পর)2️...
27/11/2025

🎀 নারীদের স্তন ক্যান্সার

💠 বিষয়ঃ ঝুঁকি ও প্রতিরোধ
📌 স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণসমূহ:
1️⃣ বয়স বৃদ্ধি (বিশেষত ৪০ বছরের পর)
2️⃣ পারিবারিক ইতিহাস (মা, বোন বা খালার ক্যান্সার থাকলে)
3️⃣ হরমোনজনিত পরিবর্তন ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের দীর্ঘ ব্যবহার
4️⃣ সন্তান জন্ম না দেওয়া বা ৩০ বছরের পর প্রথম সন্তান
5️⃣ অতিরিক্ত ওজন, চর্বিজাত খাবার, ধূমপান ও অ্যালকোহল
6️⃣ বিকিরণ বা রেডিয়েশন থেরাপি গ্রহণ
7️⃣ মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপন

🌿 প্রতিরোধে করণীয়:
✅ মাসে একবার নিজে নিজে বুক পরীক্ষা (Self-exam)
✅ বছরে একবার ম্যামোগ্রাম করানো (৪০ এর পর)
✅ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম
✅ পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি
✅ ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার

26/11/2025

Address

Ibne Sina Diagnostic And Imaging Centre
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nazlima Nargis posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category