13/07/2026
মোটা দাগে যে সকল রোগের কারণে একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের যাদেরকে ফিজিয়াট্রিস্ট বলা হয় তাদের কাছে চিকিৎসার জন্য যাবেন :
১) সকল রিউমাটোলজিক্যাল ডিজিজ বা বাতের ব্যথার চিকিৎসা যেমন রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, স্পন্ডাইলো আর্থ্রাইটিস, এসএলই সহ সকল বাতের রোগ।
২) গিড়ায় গিড়ায় ব্যাথা, গিড়া ফুলে যাওয়া রাতে বা সকালে আঙ্গুল মুটি করতে কষ্ট হওয়া, গিড়া স্টিফ বা শক্ত হয়ে যাওয়া, এবং বেলা বাড়লে ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা (রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস)।
৩) পিঠ, কোমড়ে ব্যাথা, সকালে ও শেষ রাতে দীর্ঘদিন ধরে কোমড় জ্যাম হয়ে থাকা, নুইতে কষ্ট হওয়া এবং বেলা বাড়লে, ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা ( AS / SpA)।
৪) ঘাড়, কোমর, পিঠ ও মেরুদণ্ডে ব্যথা।
৫) পি.এল.আই.ডি বা ডিস্ক প্রলাপ্স অর্থাৎ ঘাড় বা কোমরের ব্যথা হাত বা পায়ে দিকে শিরশির করে যাওয়া বিশেষ করে সামনে ঝুকে ভারি কাজ করলে বা হাতে ওজন নিলে সমস্যা গুলো বেশি হওয়া ( Sciatica due to PLID )
৬) কোমড় ব্যাথা, ব্যাথা পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়া, মাঝে মাঝে হাঁটতে গেলে পা ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে বসতে ইচ্ছে করা এবং পরে আবার হাঁটতে শক্তি পাওয়া, পায়ে শিনশিন করা, বিদ্যুতের মত ঝিলিক মারা, হাঁটতে না পারা (LCS due to PLID)
৭) হাঁটুতে ব্যথা ও এ ব্যথার কারনে নামাজ পড়তে বা হাটু ভাজ করা কাজ করতে অসুবিধা হওয়া।
৮) হিপ জয়েন্ট বা হাঁটুতে ব্যাথা, হাঁটু ফুলে যাওয়া, নিচে বসতে গেলে দাঁড়াতে কষ্ট এবং দাঁড়াতে গেলে বসতে কষ্ট হওয়া। হাঁটুর ক্ষয় হয়ে যাওয়া।
৯) হাত, কাঁধ ও কনুই ব্যথা। হাতের কবজি বা হাতের কনুইয়ের বাইরে বা ভিতরের পাশে ব্যথা যেটি ওজন তুলতে বা কাপড় নিংড়াতে কষ্ট হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া ( Tennis Elbow or Golfer Elbow)
১০) কাঁধের শোলডার জয়েন্ট আটকে যাওয়া, হাত তুলতে অসমর্থ হওয়া বা পিঠ চুলকাতে, মানি ব্যাগ তুলতে বা মহিলাদের চুলের খোপা বাঁধতে কষ্ট হওয়া, রাতে ব্যাথা বেড়ে যাওয়া (ফ্রোজেন শোলডার / Frozen Shoulder)।
১১) পায়ের গোড়ালি ব্যথা বা ফুলে গিয়ে ব্যথার সৃষ্টি করা।
১২) পায়ের গোড়ালীতে ব্যাথা। সকাল বেলা পা বাড়াতে প্রথম দিকে ভীষণ কষ্ট এবং পরে হাঁটতে অল্প আরাম বোধ করা, গোড়ালীর পিছনে ব্যাথা ও ফুলে যাওয়া।
১৩) মাংসপেশীতে চিবানী, কামড়ানো, শির শির করা ও রগে ব্যথা।
১৪) হাত বা পেয়ের মাংশপেশী টেনে ধরে শক্ত হয়ে যাওয়া। বিশেষ করে রাত্রে এ সমস্যা বেশি হওয়া।
১৫) হাতের নার্ভ বা স্নায়ু আটকে যাওয়ার কারনে রাতের বেলা হাত ঝিন ঝিন বা অবশ/ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া (CTS), এমনি ভাবে পায়ের পাতা ঝিন ঝিন বা অবশ লাগা (TTS)।
১৬) হাঁটু, ঘাড় ও কোমড় বা মেরুদণ্ডের ক্ষয়জনিত সমস্যা। হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব কমে যাওয়া ও মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে বা চুপসে যাওয়া (হাড় ফোপড়া রোগ)। বার বার হাড় ভেঙ্গে যাওয়া বা অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙ্গে যাওয়া।
১৭) ফাইব্রোমায়েলজিয়া বা অনেক পুরোনো ব্যথা সমস্যার চিকিৎসা।
১৮) দীর্ঘমেয়াদী ও আঘাতজনিত ব্যথা।
১৯) খেলাধুলাজনিত আঘাতের কারণে যে কোন ইনজুরী (লিগামেন্ট, টেনডন, মাংসপেশী, মিনিসকাস বিশেষ করে হাটুতে এই ইঞ্জুরি বেশি হয়)। সঠিক কারন নির্ণয়, প্রয়োজনে পিআরপি চিকিৎসার মাধ্যমে ইঞ্জুরি সারিয়ে তোলা।
২০) স্পোর্টস ইনজুরি এন্ড অর্থোপেডিক মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা।
২১) অর্থোপেডিক প্লাস্টার এর পরে জয়েন্ট নাড়াতে কষ্ট হওয়া শক্ত বা স্টিফ হয়ে যাতে না যায় এজন্য প্রি- অপারেটিভ ও পোস্ট অপারেটিভ রিহ্যাবিলিটেশন এর মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান।
২২) শরীরের কোন অংশে দুর্বল লাগা, মুখের একদিক বেকে যাওয়া, মুখের খাবার একদিকে আটকে যাওয়া, কথা বলতে কষ্ট হওয়ার চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন।
২৩) নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন ( স্ট্রোক, বেলস পালসি, পারকিনসন্স ডিজিজ, স্পাইনাল কর্ড ইঞ্জুরি, ব্রেইন ইঞ্জুরি বা যে কোন নিউরোলজিক্যাল কারণে প্যারালাইসিস হওয়া এবং শক্তি কমে যাওয়া
চিকিৎসা ও প্রপার রিহ্যাবিলিটেশন)
২৪) রিউমাটোলজিক্যাল ডিজিজ এর রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা।
২৫) শিশুদের বাত, জন্মগত পা বাঁকা, অটিজম, সেরেব্রাল পলসির চিকিৎসা।
২৬) ঘাড় ব্যথা ও ব্যথা হাতের দিকে, বা পিঠে বা বুকের সামনের অংশে ছড়িয়ে যাওয়া।
২৭) ইন্টারভেনশনাল ব্যথার চিকিৎসা যেমন জয়েন্টে ইনজেকশন,জয়েন্ট বা গিরা থেকে পানি বের করা, PRP ইনজেকশন, Ultrasound Guided ইনজেকশন, Epidural ইনজেকশন, Hydrodilatation, নার্ভের Hydrodisection, Musculoskeletal ultrasound দিয়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ইত্যাদি করে থাকেন।
২৮) ইত্যাদি......