Dr. Md. Abu Bakar Siddique Shamim

Dr. Md. Abu Bakar Siddique Shamim All kind of health problem

ইনসুলিন কড়চাডায়াবেটিসে আক্রান্ত যেসব রোগীর ইনসুলিন নিতে হয় তাদের জন্য কোন ধরনের ইনসুলিন select করবো সেটা নিয়ে অনেক সময় আ...
28/10/2025

ইনসুলিন কড়চা
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত যেসব রোগীর ইনসুলিন নিতে হয় তাদের জন্য কোন ধরনের ইনসুলিন select করবো সেটা নিয়ে অনেক সময় আমাদের দ্বিধাদ্বন্দে পড়তে হয়। বিশেষ করে আমরা যারা জুনিয়র ডাক্তার আছি তাদের ক্ষেত্রে।

ইনসুলিন সিলেক্ট করার আগে আমাদের বুঝতে হবে Basal insulin কী এবং Bolus insulin কী!

Basal insulin হচ্ছে একধরনের background insulin যেটা আমাদের রক্তে একটা constant but very low level এ সবসময়ই থাকে এবং আমাদের রক্তের fasting glucose level নিয়ন্ত্রণ করে।

অন্যদিকে Bolus insulin হচ্ছে একটা rapid, short burst of insulin যেটা খাবার পরপরই pancreas থেকে secret হচ্ছে এবং আমাদের postprandial blood glucose level নিয়ন্ত্রণ করতেছে।

আমরা যে সব ইনসুলিন রোগীদের দিয়ে থাকি সেগুলোর মধ্যে Long & intermediate acting insulin গুলো basal insulin এর কাজ করে। যেমন- Inj. Vibrenta। আর short & ultra short acting insulin গুলো bolus insulin হিসেবে কাজ করে। যেমন- Inj. Actrapid।

এখন কোনো রোগীর যদি ৬ বেলা করে blood glucose মেপে আমরা যদি দেখি যে তার FBS - 14, 15 এরকম থাকে এবং খাবার ২ ঘন্টা পরে তার glucose level এর থেকে কিছুটা বাড়তেছে তাহলে বুঝতে হবে যে এ রোগীর basal insulin কাজ করছে না বা কম আছে তাই FBS বেশি থাকতেছে। কিন্তু bolus insulin ঠিকই কাজ করতেছে তাই খাবার পর glucose level খালিপেটের থেকে খুব বেশি বাড়তেছে না। সেক্ষেত্রে এই রোগীর জন্য basal insulin দিতে হবে বা Long acting insulin দিতে হবে। এটা সাধারণত আমরা রাতের বেলা দিয়ে থাকি এবং 10 IU দিয়ে শুরু করি। যেমন-

Inj. Vibrenta 100 IU

0+0+10

এভাবে আমরা শুরু করতে পারি। এরপর প্রয়োজন অনুসারে আমরা blood glucose level monitor করে basal dose এর 10% হারে আস্তে আস্তে বাড়াতে বা কমাতে পারি নরমাল হবার আগ পর্যন্ত।

আবার কোনো রোগীর ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় রোগীর FBS - 6,7 বা এরকম থাকতেছে কিন্ত খাবার ২ ঘন্টা পরে সেটা 16,17 তে পৌঁছাচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে এই রোগীর basal insulin ঠিক আছে কিন্তু bolus insulin কাজ করছে না বা কম secret হচ্ছে। এই রোগীর ক্ষেত্রে আমাদের bolus insulin বা short acting insulin দিতে হবে। এটা দেয়ার ডোজ হচ্ছে 0.2-0.5 unit/kg/day। এটা টোটাল ওজন অনুসারে হিসাব করে ৩ বেলা খাবার ১৫-৩০ মিনিট আগে নিতে হবে। রাতের বেলার ডোজটা একটু কমিয়ে নিয়ে এডজাস্ট করতে হবে যেহেতু midnight hypoglycemia হতে পারে।

যেমন- কারো ওজন যদি হয় 70 kg, তাহলে আমরা 0.3 unit/kg/day ধরে তার সারাদিনের জন্য insulin requirement পাই 21 unit। এটাকে আমরা এভাবে দিতে পারি,

Inj. Actrapid 100 IU

8+8+5

এরপর আমরা রেসপন্স দেখে glucose level মনিটর করে 2-4 unit করে বাড়াতে বা কমাতে পারি glucose level নরমাল হওয়া পর্যন্ত।

যেসব রোগীর ক্ষেত্রে FBS অনেক বেশি থাকে, আবার খাবার পর glucose level আরো অনেক অনেক বেড়ে যায় তাদের ক্ষেত্রে basal এবং bolus insulin দুইটাই ঘাটতি আছে বা কাজ করতেছে না। সেক্ষেত্রে Basal এবং Bolus insulin দুইটাই একইসাথে শুরু করা লাগবে। এবং সেটা উপরের নিয়মে আলাদা আলাদা করে শুরু করতে হবে। এরপর glucose level monitor করে কমাতে বা বাড়াতে হবে নরমাল হওয়া পর্যন্ত।

শুরুতেই কম্বিনেশন insulin ব্যবহার না করে, basal এবং bolus আলাদা আলাদা ব্যবহার করাটাই উত্তম। এতে blood glucose monitor করে কোন insulin টা বাড়াতে হবে, কোনটা কমাতে হবে, কখন basal adjust করতে হবে, কখন bolus adjust করতে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ এবং দ্রুত glucose level নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

 #আল্ট্রাসাউন্ড বারবার করলে নাকি নরমাল ডেলিভারির ব্যথা উঠে না? যে জেলটি ব্যবহার করা হয় সেটিও নাকি ক্ষতিকর....?সত্যি নাকি...
22/10/2025

#আল্ট্রাসাউন্ড বারবার করলে নাকি নরমাল ডেলিভারির ব্যথা উঠে না? যে জেলটি ব্যবহার করা হয় সেটিও নাকি ক্ষতিকর....?
সত্যি নাকি গুজব....? 🌸

অনেক মায়ের মনেই ভয় কাজ করে।

👉 আসলে এগুলো সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

🔹 আল্ট্রাসাউন্ডে কোনো রেডিয়েশন থাকে না।
🔹 এটি শুধু সাউন্ড ওয়েভ (sound wave) ব্যবহার করে গর্ভের শিশুর ছবি দেখায়।
🔹 এতে জরায়ুর সংকোচন বা নরমাল ডেলিভারির ব্যথার ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না।

🧴 আর আল্ট্রাসাউন্ডে ব্যবহৃত জেলটাও একদম নিরাপদ।
এটি শুধু ত্বক ও প্রোবের মধ্যে সংযোগ ভালো করতে ব্যবহৃত হয় যাতে ছবি পরিষ্কার আসে।
এর মধ্যে কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা রেডিয়েশন নেই।

বরং আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে—
✅ শিশুর বৃদ্ধি
✅ অবস্থান
✅ পানি(Amniotic fluid) কম-বেশি
✅ ও প্লাসেন্টার অবস্থা জানা যায়,
যা মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

💬 তাই “আল্ট্রাসাউন্ড বেশি করলে নরমাল হয় না” বা “জেল ক্ষতিকর”—এই কথাগুলো শতভাগ মিথ।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যতবার দরকার, ততবার আল্ট্রাসাউন্ড করা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
# copy

Happy New year everyone 🥂🎉Have a wonderful year ahead 🎉 May Allah bless you all 🙏
01/01/2025

Happy New year everyone 🥂🎉

Have a wonderful year ahead 🎉

May Allah bless you all 🙏

বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের হাড়ের জয়েন্টগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তাদের কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এ ধরনের প...
29/08/2024

বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের হাড়ের জয়েন্টগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তাদের কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এ ধরনের পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা এবং অস্বস্তি দেখা দিতে পারে, যা মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মে বাঁধা সৃষ্টি করে। তাছাড়া, দুর্ঘটনা বা আঘাতের কারণে জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের ব্যথা সব সময় সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব না হলেও, নিয়মিত ফিজিওথেরাপি, ব্যায়াম, এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

পেইন মেডিসিন, বাত-ব্যথা ও ডায়াবেটিস চিকিৎসক
ডাঃ মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী (শামীম)
এম বি বি এস, ডিএ (এ্যানেস্থেসিয়া-কোর্স)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
ফেলোশিপ ইন পেইন মেডিসিন (এফআইপিএম), ইন্ডিয়া
পিজিটি (মেডিসিন ও শিশু), সিসিডি (ডায়াবেটিস), বারডেম
সিসিজিপি (ঢাকা), ডিএমইউ (আল্ট্রা), আইসিআইটিআর, ঢাকা
মা ও শিশু, নাক-কান-গলা, চর্ম ও যৌন রোগে অভিজ্ঞ
জেনারেল প্র্যাকটিশনার ও কনসালটেন্ট সনোলজিস্ট
বি.এম.ডি.সি রেজিঃ নং-এ ৮০৫৩৪

রোগী দেখার সময় :
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত

ঠিকানাঃ
ফাতিন ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সরকারি হাসপাতালের পশ্চিমপাশে, রূপশান্তি, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
রিসিপশন: ০১৯৫০-৬৩২৯৪৪, ০১641-৫৫৬৬৮০

16/04/2024

" *Heat Wave" আসিতেছে?*
----------------------------------
*তাই সাবধান হোন।*
*সম্ভবতঃ ৪০°-৫০° সে.।*
--------------------------------
*স্বভাবিক পানি পান করুন।*
*ধীরে ধীরে।*

ঠান্ডা পানি পান পরিহার করুন।
বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করুন।

*বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে।*

*করণীয় ও পরিত্যজ্য--------*

*১) যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন* চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎই সঙ্কুচিত হয়ে
হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।

*২) যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন।*

ঠান্ডা পানি পান করবেন না। স্বভাবিক তাপের পানি পান করুন বা ঈষৎ গরম পানি।
তাও ধীরে ধীরে।

*৩) ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন* ।

অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোযার আগে বা গোসলের আগে।

*৪) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এজাতীয় পানিয় পরিহার করুন।*

স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও স্বল্প পরিমানে।

*প্রচন্ড গরমে বা যদি আপনি খুবই ক্লান্ত থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওইসময়*

ঠান্ডা পানি খুব ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নিজে জানুন।
অন্যকে জানান।
# copy

14/03/2024

. প্রাথমিক কি করে বুঝবেন?
যে আপনি কিডনি রোগে ভুগছেন?
কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষন কি??
প্রতিরোধের উপায়??
কিডনি ভাল রাখার উপায় কি?
(এবারে ১৪ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস)
এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে -.........
প্রতি বছর মার্চের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার সারা বিশ্বে এই দিবস টি পালিত হয়।)
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
🧧কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষন🧧

🗾১. এটি নীরব ঘাতক। লক্ষন ছাড়াই শুরু হতে পারে। বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ নিজের রোগের কথা জানেন না।
🗾২. প্রতি বছর প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ কিডনি ডায়ালাইসিস করে বেচে আছেন।
🗾৩. মুখ,শরীর হাত পা ও গোডালি ফুলে যায়।
🗾৪. প্রসাব ঘন ঘন, দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া৷ লাল রং,
🗾৫.প্রসাবে রক্ত আসা, কোমর টেনে ধরা।
🗾৬.কোমরের দুই পাশে ব্যাথা করা।
🗾৭. সহবাসের পর পুং লিঙ্গ জ্বালা।
🗾৮. প্রসাবের অভ্যাসের পরিবর্তন। দিনেরাতে ৬ থেকে ১০ বারের বেশি প্রসাব করেন??
🗾৯. আপনার কি দির্ঘদিন থেকে প্রচুর এলার্জি ও গা চুলকায়।চেক করুন। কিডনির সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে।
🗾১০. তল পেটে ব্যাথা করে।এরপর বারবার প্রসাবের চাপ আসে।

🗾 ১১. কিডনিতে কিকি রোগ হয়??
ক)মুত্রনালীতে পাথর হওয়ায় কিডনিতে পানি জমা খ) কিডনি ফেইলর, গ) পাথর, ঘ) টিউমার, ঙ) যক্ষা, চ) ক্যান্সার সহ বহু রোগ।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
🧧কারন -প্রতিরোধ -করনীয়🧧

🌐১২. অতিরিক্ত মদ্যপান ও সিগারেট বর্জন করতে হবে। কারন কিডনির ক্ষতি করে।
🌐১৩. বেশি রাত জাগবেন না।
🌐১৪.প্রসাব অনেকক্ষন আটকে রাখবেন না।
🌐১৫. চাপ এলেই প্রসাব করুন।
🌐১৬. গাড়িতে প্রসাবের চাপের ভয়ে দির্ঘক্ষন পানি পান না করেই গাড়িতে উঠবেন না।
🌐১৭.কিডনি ফেইলারের অন্যতম কারণ ডায়ারিয়া হলে পানি শুন্যতা। কাজেই বারবার খাবার সেলাইন খাওয়ান।
🌐১৮.ডায়েরিয়া হলে শিশুটি প্রসাব করছে তো??খুব ভাল করে খেয়াল করুন।
🌐১৯.অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে কিডনির খুব
ক্ষতি হয়। সাবধান!!
🌐২০.অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে কিডনির খুব ক্ষতি হয়। সাবধান!!
🌐২১. যারা বেশি তাপমাত্রায় কলকারখানায় কাজ করেন তাদের কিডনির ক্ষতি হতে পারে। চেক করান।
🌐২২. বছরে অন্তত ২ বার কিডনি, হার্ট, লাংস, চর্বির মাত্রা চেক করুন।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
🧧কিছু পরামর্শ 🧧
🌎২৩. প্রতিদিন কম পক্ষে ৮ গ্লাস পানি খান।
🌎২৪. মাঝে মাঝেই প্রেসার ও ডায়াবেটিস চেক করুন।
🌎২৫. অতিরিক্ত কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার খুব কম খান।
🌎২৬. ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার খান।
🌎২৭. অকজালেট যুক্ত খাবার কম খান।
যেমন পালং শাক, বিটস ঢেড়ঁশ।
🌎২৮. লবন ও চিনির ব্যাবহার কমান।
🌎২৯. শিশুর আস্তে আস্তে মুখে পানি/রস দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তার দেখান।
🌎৩০. কিডনির রোগীগন কামরাংগা খাবেন না।

Address

ফাতিন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।
Dhanbari
1997

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Abu Bakar Siddique Shamim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Abu Bakar Siddique Shamim:

Shortcuts

Share