Nutritionist Tanzima Mukti

Nutritionist Tanzima Mukti Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutritionist Tanzima Mukti, Nutritionist, KGN Medicare Limited, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2, Dhanmondi Dhaka-1205.
(1)

Nutritionist & Diet Consultant
B.Sc. & MS in Food and Nutrition (HEC, DU)
Internship Training, BIRDEM
Special training on lifestyle & food habit management for Heart Disease & Diabetes, SAAOL Heart center(INDIA)
Child Nutrition (BADN)

রক্তশূন্যতা নিয়ে অনেকেই জানতে চান, কিন্তু সহজ ভাষায় বিষয়টা খুব কমই বলা হয়।আমাদের শরীরে রক্তের লোহিত কণিকা ও হিমোগ্লো...
26/08/2026

রক্তশূন্যতা নিয়ে অনেকেই জানতে চান, কিন্তু সহজ ভাষায় বিষয়টা খুব কমই বলা হয়।

আমাদের শরীরে রক্তের লোহিত কণিকা ও হিমোগ্লোবিন তৈরিতে আয়রন, ভিটামিন বি-১২ ও ফোলেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদের কোনো একটির ঘাটতি থাকলে রক্তশূন্যতা হতে পারে।

কিন্তু শুধু আয়রন খেলেই হবে না—আয়রন শরীরে ঠিকমতো শোষিত হচ্ছে কি না, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমে বলছি তাহলে খাবারে কী রাখবেন:

গরুর কলিজা—আয়রন, ভিটামিন বি-১২ ও ফোলেটের ভালো উৎস।
লাল মাংস ও মুরগির কলিজা—সহজে শোষিত হওয়া হিম আয়রনের ভালো উৎস।
দেশি মাছ ও ডিম—আয়রন ও ভিটামিন বি-১২ পাওয়ার ভালো উৎস।
কচুশাক, পালংশাক ও মেথি শাক, খেজুর, বিটরুট আর আনার—উদ্ভিজ্জ আয়রনের উৎস। তবে উদ্ভিজ্জ আয়রন শরীরে শোষিত হয় তুলনামূলক কম।

অ্যাবজর্পশান বাড়াবেন কীভাবে??
আয়রন শোষণ বাড়াতে আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে আমলকী, পেয়ারা, লেবু, বা কাঁচা মরিচের মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। ভিটামিন সি আয়রন অ্যাবজর্পশান তিনগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।

কী এড়াবেন??
আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে চা বা কফি খাবেন না। চা-কফির কিছু উপাদান আয়রন শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। তাই খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা পরে চা-কফি খাওয়া ভালো।
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বা সাপ্লিমেন্ট যেমন - দুধ, দই, পনির বা ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট — আয়রন রিচ খাবারের সাথে একসাথে খাবেন না। ক্যালসিয়াম আর আয়রন শরীরে একই পথ দিয়ে অ্যাবজর্ব হয় — একসাথে খেলে দুটো একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে, দুটোরই অ্যাবজর্পশান কমে যায়। আয়রন রিচ মিল আর ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের মধ্যে অন্তত দুই ঘন্টার বিরতি রাখুন।

তবে হিমোগ্লোবিন বা ফেরিটিন অনেক কম থাকলে শুধু খাবার দিয়ে ঘাটতি পূরণ করা সবসময় সম্ভব নয়। তখন রক্তশূন্যতার কারণও খুঁজে দেখা জরুরি।
প্রয়োজনে ফেরিটিন, ভিটামিন বি-১২ ও ফোলেটসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে কোথায় ঘাটতি রয়েছে সেটা বুঝে চিকিৎসা ও খাদ্য পরিকল্পনা করাই সবচেয়ে কার্যকর।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

বেশ ভালো সংখ্যক থাইরয়েড পেশেন্ট এর মধ্যেই দেখা যায় যে তারা স্বাস্থ্য সচেতন এবং সত্যিই ঠিকমতো খাচ্ছেন। তারপরও ওজন বাড়ছ...
24/08/2026

বেশ ভালো সংখ্যক থাইরয়েড পেশেন্ট এর মধ্যেই দেখা যায় যে তারা স্বাস্থ্য সচেতন এবং সত্যিই ঠিকমতো খাচ্ছেন। তারপরও ওজন বাড়ছে। কিছুতেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না। অবশ্য এর পেছনে সুনির্দিষ্ট বায়োলজিক্যাল কারণ আছে।

কেন এটা হয়??

থাইরয়েড হরমোন শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন এই হরমোন কমে যায়, তখন বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR) বা বিশ্রাম অবস্থায় শরীর যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ করে, তা কমে যেতে পারে। ফলে আগের মতোই খাওয়া হলেও শরীর তুলনামূলক কম ক্যালোরি ব্যয় করে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব ওজন বৃদ্ধিতে পড়তে পারে।

এছাড়া থাইরয়েড হরমোন কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ার ফাংশনেও ভূমিকা রাখে। মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের এনার্জি পাওয়ারহাউস। হাইপোথাইরয়েডিজমে কোষের শক্তি উৎপাদন ও শক্তি ব্যবহারের হার কমে যেতে পারে। তাই অনেকের ক্লান্তি বেশি লাগে এবং দৈনন্দিন কাজকর্মও কমে যায়। ফলে সারাদিনে মোট ক্যালোরি খরচ আরও কমে যায়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ওয়াটার রিটেনশন। হাইপোথাইরয়েডিজমে শরীরে গ্লাইকোসামিনোগ্লাইকান (Glycosaminoglycan) নামের কিছু পদার্থ জমে, যা টিস্যুতে পানি ধরে রাখতে পারে। ফলে ওজন বাড়ার একটি অংশ আসলে অতিরিক্ত পানি জমার কারণেও হতে পারে, শুধু চর্বি বাড়ার কারণে নয়।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে, থাইরয়েডই সব সময় ওজন বৃদ্ধির একমাত্র কারণ নয়। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, মেনোপজ, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), কিছু ওষুধ এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণও ওজন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তাহলে কী করবেন??

খাদ্য তালিকায় প্রোটিন বাড়ান। থাইরয়েড রোগীদের মাসল লস বেশি হয়। পর্যাপ্ত প্রোটিন না খেলে মেটাবলিজম আরও স্লো হয়।

সেলেনিয়াম, আয়রন, জিংক, ভিটামিন বি-১২ ও ভিটামিন ডি-সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি থাকলে তা প্রফেশনাল এর পরামর্শ অনুযায়ী পূরণ করুন। খাবারে রাখার চেষ্টা করুন সামুদ্রিক মাছ, ডিম, ব্রাজিল নাট সহ বিভিন্ন বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার।

গ্লুটেন জাতীয় খাবার গুলো এভয়েড করুন। হাশিমোটোস থাইরয়েডাইটিসে গ্লুটেন ইনফ্ল্যামেশান বাড়ায়।

নিয়মিত হাঁটাচলা বা রেজিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ করুন, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন। এগুলো থাইরয়েডের পাশাপাশি সামগ্রিক মেটাবলিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ২০ মিনিট ব্রিথিং এক্সারসাইজ করতে।

তাই আজ থেকেই নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন। থাইরয়েডের কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ অনেকের জন্য সত্যিই কঠিন হতে পারে। তবে সঠিক জায়গায় হস্তক্ষেপ করলে শরীর সাড়া দেবে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

23/08/2026

না খেয়ে নয়, ভরপেট খেয়েই ওজন কমান।

ওজন কমানো শুধু ক্যালরির খেলা নয়, হরমোনেরও খেলা। তাই না খেয়ে নয়—শরীরের হরমোন ও বিপাকক্রিয়া বুঝে সঠিক খাবার খান।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

এমন কোনো স্লিমিং জুস আছে, যেটা খেলেই ওজন কমবে?সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অনেক জুসের কথা বলা হয়—লেবু, শসা, আদা, ধনেপাতা, ...
23/08/2026

এমন কোনো স্লিমিং জুস আছে, যেটা খেলেই ওজন কমবে?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অনেক জুসের কথা বলা হয়—লেবু, শসা, আদা, ধনেপাতা, আপেল সিডার ভিনেগার কিংবা নানা ধরনের সবুজ জুস। দাবি করা হয়, এগুলো শরীরের চর্বি গলিয়ে দেবে, বিপাক বাড়াবে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেবে এবং দ্রুত ওজন কমাবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—স্লিমিং জুস বলে আলাদা কোনো জাদুকরি পানীয় নেই।

আপনি কোনো জুস খেয়ে যদি ওজন কমাতেও দেখেন, তার মানে এই নয় যে জুসটি সরাসরি আপনার শরীরের চর্বি কমিয়েছে। অনেক সময় এমন জুস খাওয়ার সঙ্গে মোট খাবারের পরিমাণ কমে যায়, ফলে মোট ক্যালরি গ্রহণ কমে গিয়ে ওজন কমতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো, ফলকে জুস করে ফেললে ফলের আঁশের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। ফলে একই ফল চিবিয়ে খাওয়ার তুলনায় জুস কম পরিতৃপ্তিদায়ক হতে পারে এবং সহজেই বেশি পরিমাণে পান করা যায়। এছাড়া জুস করার ফলে যেহেতু ফাইবার বাদ পরে যায় তাই এটা দ্রুত সুগার স্পাইক করে। গবেষণাতেও ফলের জুস ও শরীরের ওজনের মধ্যে বিশেষ ওজন-কমানোর প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আর “ডিটক্স জুস” নিয়ে যে কথাটা সবচেয়ে বেশি বলা হয়—সেটাও ঠিক নয়। শরীরকে বিষমুক্ত করার জন্য কোনো বিশেষ জুসের প্রয়োজন নেই। আমাদের যকৃত ও কিডনি প্রতিনিয়ত শরীরের বর্জ্য ও বিপাকজাত পদার্থ অপসারণের কাজ করে।

তাহলে কি জুস খাওয়া যাবে না?
অবশ্যই খাওয়া যেতে পারে। সবজির জুস পুষ্টিকর খাবারের একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু সেটাকে চর্বি গলানোর পানীয় বা স্লিমিং জুস ভাবাটা ভুল।

ওজন কমানোর জন্য কোনো একটি পানীয়ের ওপর ভরসা না করে পুরো খাবারের ধরন, খাবারের টাইমিং, সঠিক সোর্স থেকে ক্যালরি গ্রহণ, পর্যাপ্ত প্রোটিন, আঁশ, ঘুম ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার দিকে নজর দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সুতরাং, স্লিমিং জুসের মিথটা বাদ দিন। ব্যালেন্সড ডায়েট ও হেলদি লাইফস্টাইল এর দিকে ফোকাস করুন।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

দুই সপ্তাহে ১০ কেজি কমিয়েছেন।সবাই বলছেন, “কী সুন্দর দেখাচ্ছে!” আপনিও খুশি।কিন্তু তিন মাস পর দেখলেন, ওজন আবার আগের জায়গ...
22/08/2026

দুই সপ্তাহে ১০ কেজি কমিয়েছেন।

সবাই বলছেন, “কী সুন্দর দেখাচ্ছে!” আপনিও খুশি।
কিন্তু তিন মাস পর দেখলেন, ওজন আবার আগের জায়গায় ফিরে এসেছে। বরং আগের চেয়েও একটু বেশি।

এই চক্রটা অনেকেরই পরিচিত। কিন্তু কেন এমন হয়? শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটে?

ক্র্যাশ ডায়েটে ক্যালরি হঠাৎ অনেক কমে যায়। শরীর তখন কম শক্তি পাওয়ার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করে।

প্রথমেই একটা বিষয় বুঝতে হবে—দ্রুত কমে যাওয়া ওজনের পুরোটাই চর্বি নয়।

খাবার হঠাৎ অনেক কমে গেলে শরীরের গ্লাইকোজেনের মজুত কমে যায়। গ্লাইকোজেন হলো শরীরে সঞ্চিত গ্লুকোজের একটি রূপ, যা শরীর প্রয়োজনে শক্তি তৈরিতে ব্যবহার করে। গ্লাইকোজেনের সঙ্গে শরীরে পানি জমা থাকে। তাই গ্লাইকোজেন কমার সঙ্গে সঙ্গে পানিও কমে যায়। ফলে প্রথম দিকে ওজন খুব দ্রুত নেমে যেতে পারে। কিন্তু এই কমে যাওয়া ওজনের বড় একটি অংশ পানি; সবটা চর্বি নয়।

তবে শরীরে গ্লাইকোজেনের মজুত সীমিত। তাই অতিরিক্ত ক্যালরি ঘাটতি দীর্ঘদিন চললে শুধু চর্বি নয়, পেশিও কমতে পারে।

পেশি শরীরের একটি সক্রিয় টিস্যু এবং এটি বিশ্রাম অবস্থাতেও শক্তি ব্যবহার করে। তাই পেশির পরিমাণ কমে গেলে শরীরের মোট শক্তি খরচও কিছুটা কমতে পারে। এর সঙ্গে ওজন কমার স্বাভাবিক অভিযোজন হিসেবে শরীর আগের তুলনায় কম শক্তি খরচ করতে শুরু করতে পারে।
অর্থাৎ, ওজন কমার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শক্তি খরচও কিছুটা কমে যেতে পারে।

ফলে ডায়েটের শুরুতে যে পরিমাণ খাবারে ওজন দ্রুত কমছিল, কিছুদিন পর একই পরিমাণ খাবারে ওজন কমার গতি ধীর হয়ে যেতে পারে।

এরপর আসে ক্ষুধার ব্যাপারটা।
দ্রুত ওজন কমানোর সময় ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ও অন্যান্য জৈবিক সংকেতেও পরিবর্তন আসে। সাধারণত লেপটিনের মতো তৃপ্তির সংকেত কমে এবং ঘ্রেলিনের মতো ক্ষুধার সংকেত বাড়তে পারে।
ফলে ডায়েট শেষ করার পর খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যেতে পারে।

আসলে ব্যাপারটা শুধু ইচ্ছাশক্তির নয়। শরীর ওজন কমে যাওয়ার পর আবার আগের শক্তির ভারসাম্যে ফিরতে চায়। ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া তারই একটি অংশ।

আর ক্র্যাশ ডায়েটে খাবারের পরিমাণ খুব কমিয়ে দেওয়ার কারণে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন অপর্যাপ্ত পুষ্টি পেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, চুল পড়া বা নখ ভঙ্গুর হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তারপর যখন স্বাভাবিকভাবে খাওয়া শুরু হয়, শরীরের গ্লাইকোজেন ও পানির পরিমাণ আবার বাড়ে। ক্ষুধাও বেড়ে থাকতে পারে। ফলে হারানো ওজনের একটা অংশ দ্রুত ফিরে আসতে পারে। পুরোনো খাদ্যাভ্যাসে ফিরে গেলে আবার চর্বিও জমতে পারে।

এ কারণেই ক্র্যাশ ডায়েটের পর ওজন কমানো ও আবার বাড়ানোর একটা চক্র তৈরি হতে পারে।

তাই শুধু ওজন মেশিনে সংখ্যা কত দ্রুত কমছে, সেটাকে সাফল্য ভাবা ঠিক নয়।
আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত—অতিরিক্ত চর্বি কমানো, পেশি যতটা সম্ভব ধরে রাখা, পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং এমন খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা, যেটা দীর্ঘমেয়াদে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ওজন কমানো কোনো দুই সপ্তাহের ঘটনা নয়। এটা একটি প্রক্রিয়া।

শরীরকে না খাইয়ে দ্রুত হালকা হওয়া নয়, বরং শরীরকে পর্যাপ্ত পুষ্টি দিয়ে ধীরে, পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করাই সাসটেইনেবল ওজন কমানোর পথ।
কারণ দ্রুত কমে যাওয়া ওজন সবসময় ভালো ফলের লক্ষণ নয়।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

21/08/2026

আপনার কি হাইপোথাইরয়েড আছে?

হাইপোথাইরয়েড এর ম্যানেজমেন্ট এ আপনার করণীয় কি হবে জানতে চাইলে দেখতে পারেন এই ভিডিওটি।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

বাংলাদেশের শহুরে মানুষের ওজন কমাতে এত কষ্ট হয় কেন?একটা তথ্য দিয়ে শুরু করি।বাংলাদেশের ২০১৭–১৮ সালের ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হ...
21/08/2026

বাংলাদেশের শহুরে মানুষের ওজন কমাতে এত কষ্ট হয় কেন?

একটা তথ্য দিয়ে শুরু করি।
বাংলাদেশের ২০১৭–১৮ সালের ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শহুরে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার মধ্যে ছিলেন। গ্রামীণ এলাকায় এই হার ছিল প্রায় ৩৬ শতাংশ।
অর্থাৎ শহুরে ও গ্রামীণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত ওজনের ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন?

শহরের মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের দিকে একটু লক্ষ্য করলেই বিষয়টা অনেকটাই পরিষ্কার হয়।

সকালে ঘুম থেকে উঠে নাশতা করার সময় নেই—অফিসে গিয়ে চা আর বিস্কুট বা কেক।
অফিসে দীর্ঘ সময় বসে থাকা। মিটিংয়ে চা-বিস্কুট। সহকর্মীর জন্মদিনে কেক। দুপুরে বাসার খাবারের বদলে রেস্টুরেন্টের খাবার। বিকেলে ক্ষুধা লাগলে সিঙ্গারা, সমুচা বা অন্য কোনো নাশতা। বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও আড্ডার জায়গা হয় রেস্টুরেন্ট।
অর্থাৎ দিনের বিভিন্ন সময়ে অল্প অল্প করে খাবার যোগ হচ্ছে, কিন্তু সেগুলো অনেক সময় শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির তুলনায় শক্তি বেশি দিচ্ছে।
ফলে শুধু ক্যালোরি বেশি হচ্ছে এমন নয়—খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন ও খনিজের ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও কয়েকটি বিষয়।

শহুরে জীবনে দৈনন্দিন নড়াচড়া অনেক কমে গেছে।
রিকশা থেকে গাড়ি, বাজার থেকে অনলাইন ডেলিভারি—প্রয়োজনীয় অনেক কাজেই এখন হাঁটার সুযোগ কম। অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, বাসায় ফিরে আবার বসে থাকা—ফলে ব্যায়াম না করলেও যে স্বাভাবিক দৈনন্দিন নড়াচড়া থেকে শরীর শক্তি খরচ করত, সেটাও কমে যাচ্ছে।

এরপর আছে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ।
যানজট, কাজের চাপ, পড়াশোনা, আর্থিক চাপ এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা দুশ্চিন্তা—সব মিলিয়ে অনেক শহুরে মানুষ দীর্ঘসময় মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ক্ষুধা, খাবারের প্রতি আকর্ষণ, ঘুম এবং শারীরিক সক্রিয়তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে যায়।

ঘুমও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
রাতে দেরি করে ঘুমানো, ঘুমের সময় কমে যাওয়া বা ঘুমের মান খারাপ হওয়া ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন হরমোন ও মস্তিষ্কের খাদ্য-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে ক্ষুধা ও উচ্চ-ক্যালোরির খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যেতে পারে।

আর শহরে উচ্চ প্রক্রিয়াজাত ও বাইরে তৈরি খাবারের সহজলভ্যতাও একটা বড় বিষয়।
রান্না করার সময় নেই? খাবার অর্ডার করা যায়। বিকেলে ক্ষুধা লাগছে? নাশতা হাতের কাছেই। রাতে কিছু খেতে ইচ্ছা করছে? খাবার পৌঁছে যাচ্ছে দরজায়।
অর্থাৎ খাবার পাওয়ার জন্য আমাদের এখন খুব একটা পরিশ্রমই করতে হয় না।

আর ভিটামিন ডি-এর বিষয়টিও পুরোপুরি বাদ দেওয়া যায় না। শহুরে জীবনে ঘরের ভেতরে দীর্ঘসময় থাকা এবং সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমে যাওয়ার কারণে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ভিটামিন ডি কম থাকলে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি কমে, মেটাবলিজম স্লো হতে পারে।

তাহলে সমাধান কী?
শহরের জীবন ছেড়ে গ্রামে চলে যাওয়া তো সমাধান নয়।
সমাধান হলো শহুরে জীবনযাপনের মধ্যেই এমন কিছু অভ্যাস তৈরি করা, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব।

প্রথমত, প্রতিদিনের খাবারে শুধু ক্যালোরি কমানোর দিকে না তাকিয়ে পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি, আঁশযুক্ত খাবার এবং প্রয়োজনীয় চর্বির ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, প্রতিদিনের নড়াচড়া বাড়াতে হবে। শুধু ব্যায়ামের এক ঘণ্টাকে শরীরচর্চা হিসেবে দেখলে হবে না—সম্ভব হলে কাছের জায়গায় হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার করা, কাজের মাঝে উঠে হাঁটা—এসব ছোট ছোট নড়াচড়াও গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয়ত, অফিসের চা-বিস্কুট, জন্মদিনের কেক বা বিকেলের নাশতাকে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত না করে এগুলোকে পারতপক্ষে এভয়েড করুন।

চতুর্থত, ঘুমকে বিলাসিতা না ভেবে স্বাস্থ্যকর ওজন নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেখতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপনার খাদ্য পরিকল্পনাকে এমন হতে হবে, যেটা আপনার বাস্তব শহুরে জীবনযাপনের সঙ্গে মানিয়ে যায়।
কারণ ওজন কমানোর জন্য আদর্শ জীবন দরকার নেই।
দরকার এমন একটি জীবনযাপন, যেখানে স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্তগুলো বাস্তব জীবনের মধ্যেও ধরে রাখা সম্ভব।

শহরের জীবন ওজন কমানোর পথে বাধা হতে পারে, কিন্তু সেটাকে অজুহাত বানানোর প্রয়োজন নেই। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে শহুরে জীবনযাপনের মধ্যেও স্বাস্থ্যকর ওজন অর্জন এবং ধরে রাখা সম্ভব।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

আপনি কি জানেন কেবল ৫-১০% ওজন কমানোও আপনার ফার্টিলিটি ইমপ্রুভ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে!!!বাংলাদেশে অনেক দম্পতি সন্তা...
20/08/2026

আপনি কি জানেন কেবল ৫-১০% ওজন কমানোও আপনার ফার্টিলিটি ইমপ্রুভ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে!!!

বাংলাদেশে অনেক দম্পতি সন্তান নিতে চাইছেন, কিন্তু পারছেন না।

ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন, ওষুধ খাচ্ছেন। কিন্তু একটা বিষয় অনেক সময় আড়ালে থেকে যাচ্ছে—শরীরের মেটাবলিক স্বাস্থ্যও ফার্টিলিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সহজভাবে বললে, শরীরের ওজন, ইনসুলিনের কার্যকারিতা, রক্তে শর্করা, থাইরয়েডের ভারসাম্য, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং ঘুমের মতো বিষয়গুলো প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা অতিরিক্ত ওজন থাকলে নারীদের ওভুলেশন অনিয়মিত হতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্যও ব্যাহত হতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে অ্যান্ড্রোজেন বাড়ে, ইস্ট্রোজেন-প্রোজেস্টেরনের ব্যালেন্স নষ্ট হয়। ইমপ্লান্টেশান কঠিন হয়।

পুরুষদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ওজন ও খারাপ মেটাবলিক স্বাস্থ্য শুক্রাণুর মান ও হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কিন্তু ভালো খবর হলো যে দেখা যায়, ওজন কমালে, এমনকি শুধু ৫-১০% ওজন কমালেই, ওভুলেশান স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ে। হরমোনের ভারসাম্যে ইমপ্রুভমেন্ট আসে। পিসিওএস রোগীদের ক্ষেত্রে কনসিভ করার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

পুরুষদের ক্ষেত্রেও একই কথা — মেটাবলিক স্বাস্থ্য ভালো হলে টেস্টোস্টেরন বাড়ে, স্পার্ম কোয়ালিটি উন্নত হয়।

কী করবেন??
প্রসেসড ফুড আর চিনি কমান — ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ফোলেট, আয়রন, ভিটামিন ডি, ওমেগা-থ্রি — এই চারটা নিউট্রিয়েন্ট ফার্টিলিটির জন্য অনেক জরুরি। কলিজা, ডিম, দেশি মাছ, সবুজ শাক নিয়মিত রাখুন।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করুন, ঘুম ঠিক করুন — ঘুম কম হলে রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন সরাসরি প্রভাবিত হয়।

তাই শুধু ফার্টিলিটির ওষুধ বা চিকিৎসার দিকে তাকালেই হবে না। শরীরের মেটাবলিক স্বাস্থ্য কেমন আছে, সেটাও খুঁজে দেখা জরুরি।

সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আগে শরীরের মেটাবলিক স্বাস্থ্য ঠিক করুন। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

16/08/2026

আপনার ডায়েটের পথে সবচেয়ে বড় বাধা কি আপনার ক্রেভিং?

মিষ্টি, ঝাল, ভাজাপোড়া নাকি বারবার কিছু খেতে ইচ্ছে করা—আপনার ঠিক কোন ধরনের ক্রেভিং হয়?

জানেন কি, ক্রেভিং সবসময় শুধু ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়। এর পেছনে থাকতে পারে আপনার মিল প্ল্যানের ভারসাম্যহীনতা, আপনার খাবারের ধরন, অপর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ কিংবা রক্তে শর্করা ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের পরিবর্তনের মতো বিভিন্ন কারণ।

আপনি যদি ডায়েট শুরু করেও ক্রেভিং এর জন্য সেটা ধরে রাখতে না পারেন, আপনার যদি ফ্যাটি লিভার, অতিরিক্ত ওজন বা ওজনজনিত অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে এবং পুষ্টিবিদের তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমাতে চান, তাহলে আমাদের ১০ সপ্তাহের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ 'মিশন মাইনাস–২০২৬'-এ যোগ দিতে পারেন।

এই প্রোগ্রামে অভিজ্ঞ নিউট্রিশনিস্ট ও জুনিয়র নিউট্রিশনিস্টদের নিয়মিত তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে আপনার কাঙ্ক্ষিত সুস্থতার পথে এগিয়ে যেতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

রেজিস্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে দেওয়া আছে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

কীভাবে বুঝবেন আপনার ডায়েট প্ল্যানটি আপনার জন্য ঠিক আছে কি না?আপনার শারীরিক ও মানসিক কন্ডিশন ই আপনাকে বুঝিয়ে দিবে যে আপ...
16/08/2026

কীভাবে বুঝবেন আপনার ডায়েট প্ল্যানটি আপনার জন্য ঠিক আছে কি না?

আপনার শারীরিক ও মানসিক কন্ডিশন ই আপনাকে বুঝিয়ে দিবে যে আপনার ডায়েট টি আপনার জন্য সঠিক নাকি ভুল।

ইতিবাচক লক্ষণ (ডায়েটটি সঠিক হলে):

১.এনার্জি ও স্ট্যামিনার উন্নতি: সারাদিন অলসতা বা ক্লান্তি অনুভব না করে কর্মক্ষম ও সতেজ থাকা।

২.হজম স্বাস্থ্যের উন্নতি: পেট ফাঁপা, এসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাসের সমস্যা কমে যাওয়া এবং নিয়মিত স্বাভাবিক বাওয়েল মুভমেন্ট হওয়া।

৩.ভালো মেজাজ ও মানসিক স্পষ্টতা: ঘনঘন মেজাজ না বিগড়ানো, মানসিক ক্লান্তি বা "ব্রেইন ফগ" না থাকা এবং কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি পাওয়া।

৪.সুন্দর ঘুম: রাতে দ্রুত ও গভীর ঘুম হওয়া এবং সকালে সতেজ হয়ে জেগে ওঠা।

৫.ক্ষুধা ও ক্রেভিং নিয়ন্ত্রণ: অপ্রয়োজনীয় মিষ্টি বা প্রসেসড খাবারের তীব্র তৃষ্ণা (craving) কমে যাওয়া এবং নিয়মিত বিরতিতে স্বাভাবিক ক্ষুধা লাগা।

৬.ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য: পর্যাপ্ত পুষ্টির ফলে ত্বক উজ্জ্বল হওয়া, চুল অতিরিক্ত না পড়া এবং নখ শক্ত থাকা।

৭.দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব: ডায়েটটি কোনো মানসিক চাপ তৈরি না করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সাথে সহজে মানিয়ে যাওয়া।

নেতিবাচক লক্ষণ (ডায়েটটি ভুল বা ক্ষতিকর হলে):

১.ক্রমাগত দুর্বলতা: সব সময় মাথা ঘোরা, শরীর মেজমেজ করা বা চরম ক্লান্তি লাগা।

২.খাবারের ভয় বা মানসিক চাপ: নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া নিয়ে অতিরিক্ত অপরাধবোধ বা দুশ্চিন্তা কাজ করা।

৩.অতিরিক্ত চুল পড়া ও ত্বকের রুক্ষতা: প্রয়োজনীয় পুষ্টি বা ফ্যাটের অভাবে চুল অতিরিক্ত ঝড়ে পড়া এবং ত্বক নিস্তেজ হয়ে যাওয়া।

৪.হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা: নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়া বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৫.দ্রুত ওজন কমার পর আবার বেড়ে যাওয়া: খুব দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং সাধারণ খাবারে ফিরলেই দ্বিদ্বিগুণ ওজন বেড়ে যাওয়া (Yo-Yo effect)।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

Address

KGN Medicare Limited, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2
Dhanmondi Dhaka-1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Tanzima Mukti posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category