Nutritionist Zohora Setara

Nutritionist Zohora Setara Balanced Nutrition for Better Living

Helping you make healthier choices through expert guidance, practical tips, and evidence-based nutrition.

সপ্তাহজুড়ে কষ্ট করে ডায়েট করার পর অনেকের কাছেই শুক্রবার হয়ে যায়  Cheat Day, সারাদিন যা ইচ্ছা তা-ই খাওয়ার দিন! কিন্তু, ওজ...
31/07/2026

সপ্তাহজুড়ে কষ্ট করে ডায়েট করার পর অনেকের কাছেই শুক্রবার হয়ে যায় Cheat Day, সারাদিন যা ইচ্ছা তা-ই খাওয়ার দিন!

কিন্তু, ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখার মূল চাবিকাঠি হলো Weekly Calorie Balance। ধরুন, আপনি রবি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ক্যালোরি ঘাটতি তৈরি করলেন (মোট ২০০০ ক্যালোরি ঘাটতি)। কিন্তু শুক্রবারে সারাদিন ইচ্ছেমতো বিরিয়ানি, ফাস্ট ফুড আর মিষ্টি খেয়ে অতিরিক্ত ২৫০০ ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেললেন!

ফলাফল? আপনার পুরো সপ্তাহের কষ্ট এক দিনেই শূন্য হয়ে গেল। 😐

এক্ষেত্রে cheat day পালন না করে cheat meal নিলে জার্নিটা আরও সহজ হবে। ​Cheat Meal হলো যেকোন এক বেলা পছন্দের খাবার খাওয়া। এটি পুরো দিনের ক্যালোরি নষ্ট না করে মানসিকভাবে ডায়েট মেনে চলা সহজ করে। (planned Indulgence)

তাই আজ যদি বিরিয়ানি, পিজ্জা বা বার্গার খেতেই চান, তবে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন:

​ ☞ প্লেট ভর্তি না করে এক বাটি বা নির্দিষ্ট পরিমাণে খান।

☞ ​ তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে প্রতিটি কামড় উপভোগ করুন।

​ ☞ প্রধান খাবারের সাথে অবশ্যই সালাদ বা সবজি রাখুন। এতে পেট দ্রুত ভরবে এবং রক্তের শর্করা হঠাৎ বাড়বে না।

সবশেষে,​ "বেশি খেয়ে ফেলেছি" ভেবে শনিবারে না খেয়ে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক নিয়মে ডায়েটে ফিরে আসুন।

Happy Friday! ❤️

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU

কাচা কলা ও পাকা কলা দুটোই পুষ্টিকর, তবে উপকারিতা এক নয়।কাচা কলায় থাকে resistant starch যা অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খ...
29/07/2026

কাচা কলা ও পাকা কলা দুটোই পুষ্টিকর, তবে উপকারিতা এক নয়।

কাচা কলায় থাকে resistant starch যা অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য (prebiotic) হিসেবে কাজ করে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, পাকার সঙ্গে সঙ্গে কলার ভেতরের শর্করার ধরন বদলে যায়। Resistant starch-এর একটি অংশ পাকার সময় glucose, fructose ও sucrose-এ রূপান্তরিত হয়, যা সহজে হজম ও শোষিত হয়ে দ্রুত শক্তি যোগায়।

বিস্তারিত জানতে ফটোকার্ডটি দেখে নিন। 👇

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU




ধরুন, আপনার কাছে ৫টি সুন্দর কাঁচের কাপ আছে। হাঁটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত একটি কাপ হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেল।​এখন আপনি কী করবেন? ...
28/07/2026

ধরুন, আপনার কাছে ৫টি সুন্দর কাঁচের কাপ আছে। হাঁটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত একটি কাপ হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেল।

​এখন আপনি কী করবেন? বাকি ৪টি কাপও কি রেগে ভেঙে ফেলবেন? নিশ্চয়ই না!

​কিন্তু একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন খাবার টেবিলে আমরা প্রায়ই এই ভুলটা করি। ​অনেক সময়ই দাওয়াতে বা পছন্দের খাবার সামনে পেলে আমরা প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা বেশি খেয়ে ফেলি। আর এরপরই শুরু হয় তীব্র অপরাধবোধ—"ধুর! আমার আজকের পুরো ডায়েটটাই নষ্ট হয়ে গেল!"

এই আফসোস থেকে অনেকেই পরের বেলায় আর নিয়ম মেনে চলেন না; মনে করেন আজকে তো ভুলে হয়েই গেছে। কেউ কেউ আবার পরের বেলায় একদম না খেয়ে থেকে নিজেকে একপ্রকার ‘শাস্তি’ দেন!

​কিন্তু এখানেই আসল টুইস্ট! 😎

​ভাঙা একটা কাপের চক্করে বাকিগুলো ভেঙে ফেলা যেমন বোকামি, তেমনি একবেলা বেশি খাওয়ার আফসোসে পরের বেলা না খেয়ে থাকা কিংবা ডায়েট থেকে সরে আসাও বোকামি।

​আপনি যখন ক্ষুধার্ত থাকা সত্ত্বেও না খেয়ে থাকবেন, শরীর মনে করবে সে সংকটে আছে। ফলে পরবর্তীতে আপনার ক্ষুধা দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং আপনি আবারও অতিরিক্ত খেয়ে ফেলবেন!

এক্ষেত্রে করণীয় হলো- অপরাধবোধ ভুলে সেদিনের বাকি সময়টুকু এভাবে ভারসাম্য বজায় রাখুন:

১। হালকা কিছু বেছে নিন:
এক বাটি গরম সবজির স্যুপ, একটু টক দই বা একটি শসা খেতে পারেন। এতে পাকস্থলী স্বস্তি পাবে।

২। হজমে সাহায্য করুন:
হালকা ঈষদুষ্ণ গরম পানি বা এক কাপ গ্রিন টি খেতে পারেন।

৩। পরের থালায় রঙ বাড়ান:
বেশি করে শাকসবজি আর তাজা সালাদ রাখুন।

৪। প্রোটিন রাখুন:
ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল বা টক দই দিয়ে প্লেট সাজান।

৫। কার্বের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ :
একেবারে না খেয়ে থাকার চেয়ে ভাত বা রুটির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিন।

৬। অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাকস এড়ান:
ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও কোল্ড ড্রিংকসকে দূরে রাখুন।

৭। হাঁটাহাঁটি করুন:
সুযোগ পেলে ২০–৩০ মিনিট হালকা হেঁটে আসুন।

কিন্তু, দুপুরে বেশি খাওয়ার পর যদি রাতের বেলা আসলেই ক্ষুধা না লাগে?

​ উত্তর সোজা: একদম জোর করে খাবেন না! ❌

​আমাদের শরীর খুব সুন্দর সংকেত দেয়। যদি পেট তখনও ভারী মনে হয়, তার মানে শরীর আগের খাবারটি হজম করতে ব্যস্ত।

তাই "রাতের খাবার খেতেই হবে" ভেবে জোর করে খাওয়া যাবে না​।

⚠️ মনে রাখবেন:
একটি ভারী আহার কখনো আপনার পুরো ডায়েট বা স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয় না। সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো ভারসাম্য! নিজেকে অপরাধী না ভেবে পরবর্তী পদক্ষেপটি বুদ্ধিমত্তার সাথে নিন। 💚

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU


খাওয়ার সময় ফোন বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে মস্তিষ্ক খাবারের ঘ্রাণ, স্বাদ এবং চিবানোর প্রক্রিয়ায় পূর্ণ মনোয...
26/07/2026

খাওয়ার সময় ফোন বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে মস্তিষ্ক খাবারের ঘ্রাণ, স্বাদ এবং চিবানোর প্রক্রিয়ায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। একে বলা হয় Mindless Eating। এর ফলে হজম রস (Digestive Enzymes) ও স্যালাইভা ঠিকমতো নিঃসৃত হয় না, খাবার ভালো করে চিবানো হয় না এবং ব্রেইন পেট ভরার সংকেত দেরি করে পায়—যার সরাসরি প্রভাব পড়ে পাকস্থলী ও হজম প্রক্রিয়ার ওপর।

​১. পাচকরস নিঃসরণে বাধা:
খাবারের ঘ্রাণ ও দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়, যা পাকস্থলীতে ডাইজেস্টিভ এনজাইম বা হজম রস তৈরি করতে সাহায্য করে। স্ক্রিনে মগ্ন থাকলে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়।

২. খাবার ঠিকমতো না চিবানো:
স্ক্রিনে মনোযোগ থাকলে আমরা তাড়াহুড়া করে না চিবিয়ে খাবার গিলে ফেলি, যা পাকস্থলীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং গ্যাস্ট্রিক ও পেট ফাঁপার কারণ হয়।

৩. ওভারইটিং বা অতিরিক্ত খাওয়া:
মস্তিষ্ক সময়মতো "পেট ভরে গেছে" (Satiety Signal) এই সংকেত ধরতে পারে না, ফলে আমরা অজান্তেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলি।

​🌿 সমাধান—'Mindful Eating'
✔ ​খাওয়ার সময় ফোন ও টিভি সম্পূর্ণ দূরে রাখুন।

✔​খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও টেক্সচার উপভোগ করে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান।

✔ ​খাবার টেবিলকে শুধুমাত্র খাবারের জন্যই নির্দিষ্ট রাখুন।

মনে রাখবেন— আপনার শরীর কী খাচ্ছে তার সাথে সাথে কীভাবে খাচ্ছে সেটাও হজম ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ!

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food and Nutrition), DU

মিষ্টি-টক স্বাদের এই মৌসুমি ফলটি শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। তবে, সতর্ক থাকবেন-• আনারসে অ্যালার্জি থাকলে।• মু...
25/07/2026

মিষ্টি-টক স্বাদের এই মৌসুমি ফলটি শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। তবে, সতর্ক থাকবেন-

• আনারসে অ্যালার্জি থাকলে।
• মুখে ঘা বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে।
• ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাবেন।
• কিডনি রোগে পটাশিয়াম সীমিত রাখতে হলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।




ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় প্রায়ই এমন কিছু জটিল কেস দেখেছি, যেখানে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক Medical Nutrition Therapy (MNT) রোগীর জ...
12/07/2026

ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় প্রায়ই এমন কিছু জটিল কেস দেখেছি, যেখানে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক Medical Nutrition Therapy (MNT) রোগীর জীবন বাঁচাতে এবং দ্রুত সুস্থতায় অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করে।

​আজকের কেসটি তেমনই একটি জটিল এবং সংবেদনশীল কন্ডিশন।

​১. AMI (Ext-A) with ALVF: অর্থাৎ রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এবং সেই সাথে Acute Left Ventricular Failure দেখা দিয়েছে। যার কারণে হার্টের পাম্প করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

২. Cardiogenic Shock: হার্ট পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে না পারায় শরীর শকের স্টেজে চলে গেছে।

৩. Renal Impairment: হার্টের এই তীব্র সমস্যার কারণে কিডনির কার্যক্ষমতাও ব্যাহত হচ্ছে।

৪. COPD: ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা, যার কারণে শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে।

প্রেসক্রিপশনে ডাক্তার পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছেন: "Diet- Soft and liquid"। কিন্তু এই ডায়েট ডিজাইন করা একজন ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ানের জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম একটি কাজ এবং এখানেই রয়েছে মূল চ্যালেঞ্জ..।

☞ পানি নিয়ন্ত্রণ :
যেহেতু রোগীর ALVF এবং কিডনির সমস্যা (Renal Impairment) একসাথে রয়েছে, তাই শরীরে যেন পানি জমে না যায় সেদিকে কঠোর নজর দিতে হবে। তরল খাবার দিলেও তার পরিমাণ একদম মেপে দিতে হবে।

☞​ সোডিয়াম বা লবণ নিয়ন্ত্রণ:
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং শরীরে পানি জমা রোধ করতে সোডিয়ামের পরিমাণ সর্বনিম্ন মাত্রায় রাখতে হবে।

​ ☞ কার্বোহাইড্রেট ম্যানেজমেন্ট:
ফুসফুসের রোগীর জন্য অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট (শর্করা) কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট বাড়াতে পারে। তাই তরল বা নরম খাবারে শর্করার চেয়ে গুড ফ্যাট ও প্রোটিনের ব্যালেন্স করা জরুরি।

☞ ​সহজে হজমযোগ্য খাবার:
কার্ডিওজেনিক শকের রোগীকে এমন খাবার দিতে হবে যা চিবানো এবং হজম করার জন্য হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ না ফেলে।

​ক্রিটিক্যাল কেয়ারে থাকা একজন রোগীর জন্য সঠিক পুষ্টি পরিকল্পনা ওষুধের মতোই সমান কার্যকর। প্রতিটি রোগ এবং তার জটিলতা বুঝে খাবারের চার্ট তৈরি করা, পাশাপাশি কোন ওষুধ কোন খাবারের সাথে Interact করছে তা খেয়াল করা একজন দক্ষ ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ানের কাজ।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), Du






অনেকেই মনে করেন হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা হয়ে গেছে মানে বিপদ কেটে গেছে। কিন্তু কখনো কখনো হার্ট অ্যাটাকের পর একটি গুরুতর অ...
07/07/2026

অনেকেই মনে করেন হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা হয়ে গেছে মানে বিপদ কেটে গেছে। কিন্তু কখনো কখনো হার্ট অ্যাটাকের পর একটি গুরুতর অবস্থা দেখা দিতে পারে, যার নাম Ventricular Septal Rupture বা VSR।

হার্ট অ্যাটাকের কারণে কখনও কখনও হার্টের দুটি নিচের প্রকোষ্ঠের মধ্যকার দেয়াল (Septum) দুর্বল হয়ে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে হার্ট স্বাভাবিকভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না, অক্সিজেন যুক্ত রক্ত পুরো দেহে প্রবাহিত না হয়ে বাম ভেন্ট্রিকল থেকে ডান ভেন্ট্রিকলে চলে আসে এবং রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে থাকে।

⚠️ তাই যে লক্ষণগুলো অবহেলা করা যাবে না:

১। হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট,
২। রক্তচাপ কমে যাওয়া,
৩। প্রচণ্ড দুর্বলতা,
৪। বুক ধড়ফড় করা,
৫। অল্প সময়ের মধ্যেই শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি,

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। কারণ VSR একটি **মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি** এবং অনেক ক্ষেত্রে জরুরি সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

এটা ঠিক, VSR সরাসরি কোনো খাবারের কারণে হয় না। তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা—এসব অভ্যাস হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। আর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমলে VSR-এর মতো মারাত্মক জটিলতার ঝুঁকিও কমে যায়।

তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা, সুস্থ থাকা। একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে আপনার শারীরিক অবস্থা, ওষুধ ও পুষ্টিগত চাহিদা অনুযায়ী ব্যক্তিগত খাদ্য পরিকল্পনা করুন।

সঠিক পুষ্টি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকির কারণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU


আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষের অভ্যাস হলো একদম শেষ মুহূর্তে, যখন রোগ অনেকখানি জটিল হয়ে যায়, তখন ডাক্তার কিংবা নিউট্রিশনিস...
07/06/2026

আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষের অভ্যাস হলো একদম শেষ মুহূর্তে, যখন রোগ অনেকখানি জটিল হয়ে যায়, তখন ডাক্তার কিংবা নিউট্রিশনিস্টের কাছে আসেন।

অথচ একটু আগে থেকে খাদ্যাভ্যাস আর লাইফস্টাইল নিয়ে সচেতন থাকলে অথবা রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এই কঠিন রোগগুলোর ঝুঁকি অনেকখানি কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। প্রিভেনশন' বা প্রতিরোধ যে চিকিৎসার চেয়ে কতটা শ্রেয়, তা প্রতিদিন চোখের সামনে দেখছি।

​হাসপাতালে কাটানো প্রতিটি দিন আমাকে শেখাচ্ছে কীভাবে তাত্ত্বিক জ্ঞানকে মানুষের বাস্তব জীবনের সাথে মিলিয়ে তাদের সুস্থ করে তোলা যায়; কীভাবে তাদের জীবনকে আরেকটু সহজ এবং রোগমুক্ত করে তোলা যায়। একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে এই পরিবর্তনের অংশ হতে পারাটাই সবচেয়ে বড় সার্থকতা। ❤️

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU


আজ ২৯ মে World Digestive Health Day.​🎯 এবারের প্রতিপাদ্য: “Chronic Diarrhea: Don’t Flush the Signs Away”​বারবার পাতলা পা...
29/05/2026

আজ ২৯ মে World Digestive Health Day.

​🎯 এবারের প্রতিপাদ্য: “Chronic Diarrhea: Don’t Flush the Signs Away”

​বারবার পাতলা পায়খানা হওয়াকে আমরা অনেকেই সাধারণ ফুড পয়জনিং বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলতে থাকলে তা হতে পারে শরীরের কোনো বড় জটিলতার সতর্ক সংকেত!

​চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, যদি ডায়রিয়ার লক্ষণ ৪ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তবে তাকে Chronic Diarrhea বলা হয়। এটি কেবল বাইরের খাবার বা পানির সমস্যা নয়; বরং এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে কিছু গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি:

​➤ IBS (Irritable Bowel Syndrome): অন্ত্রের অতিসংবেদনশীলতা।

➤ IBD (Inflammatory Bowel Disease): যার মধ্যে অন্যতম Ulcerative Colitis এবং Crohn's Disease—যা পরিপাকতন্ত্রে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ সৃষ্টি করে।

➤ Malabsorption Syndrome: শরীর যখন খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে না (যেমন: Celiac Disease বা Gluten Intolerance)।

➤ Gut Dysbiosis: অন্ত্রে ভালো ও খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।

​নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে একদম অবহেলা করবেন না:

​১। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা ২ থেকে ৪ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে।

​২। ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমতে থাকলে।

​৩। মলের সাথে রক্ত, পুঁজ বা অতিরিক্ত মিউকাস (আম) গেলে।

​৪। রাতে ঘুমের মধ্যে ডায়রিয়া বা তীব্র পেটে ব্যথা হলে (এটি IBD-এর অন্যতম লক্ষণ)।

​৫। তীব্র দুর্বলতা, মাথা ঘোরা এবং শরীরের লবণের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া (Electrolyte Imbalance)।

​দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া বা পরিপাকতন্ত্রের জটিলতায় ঢালাওভাবে সব খাবার খাওয়া যায় না। অন্ত্র সুস্থ রাখতে আপনার দৈনন্দিন লাইফস্টাইলে এই পরিবর্তনগুলো আনুন:

☞ ​উপযুক্ত আঁশ নির্বাচন:
সুস্থ অবস্থায় High-fiber বা আঁশযুক্ত খাবার অন্ত্রের জন্য ভালো হলেও, ক্রনিক ডায়রিয়া চলাকালীন অতিরিক্ত Insoluble fiber এড়িয়ে চলাই ভালো। এই সময়ে সহজে হজম হয় এমন- ওটস, পাকা কলা বা আপেল সস উপকারী হতে পারে।

☞ ​প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার: অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত ঘরে পাতা টকদই, লাবাং বা প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

☞ ​হাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স:
কেবল পানি নয়, শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে ডাবের পানি, ওআরএস (ORS) বা পাতলা স্যুপ পান করুন।

☞ ​ট্রিগার ফুড এড়িয়ে চলুন:
অতিরিক্ত তেল-মসলা, প্রসেসড ফুড, কৃত্রিম চিনি এবং অনেকের ক্ষেত্রে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (Lactose) ডায়রিয়ার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এগুলো চিহ্নিত করে পরিহার করুন।

☞ ​স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ও নিয়মিত হাঁটাচলা:
অতিরিক্ত মানসিক চাপ হজমের সমস্যা বাড়ায়। তাই দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম, হালকা শরীরচর্চা বা ইয়োগা করুন।

​⚠️ নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া হতে থাকুন:

পেটের সমস্যা হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হুট করে অ্যান্টিবায়োটিক বা ডায়রিয়া বন্ধ করার ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করুন। এটি সাময়িকভাবে লক্ষণ ভালো করলেও ক্রনিক ডায়রিয়ার মূল কারণকে আড়াল করে দেয় এবং অন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU

রহমতের বার্তা নিয়ে আবারো আমাদের মাঝে হাজির হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আত্মত্যাগ, সংযম, ভালোবাসা ও মানবতার এক মহিমান্বিত উৎস...
27/05/2026

রহমতের বার্তা নিয়ে আবারো আমাদের মাঝে হাজির হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আত্মত্যাগ, সংযম, ভালোবাসা ও মানবতার এক মহিমান্বিত উৎসব।

​কোরবানির মূল শিক্ষা শুধু পশু জবেহ করা নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও পঙ্কিলতাকে বিসর্জন দিয়ে হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে তোলা। ত্যাগের এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়া যায়।

​🥩 ঈদে সুস্থ থাকার কিছু জরুরি পুষ্টি পরামর্শ:

​ঈদের উৎসবে আমাদের খাবারের তালিকায় মাংসের পরিমাণ একটু বেশিই থাকে। তাই আনন্দের পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সুস্থ থাকতে এই নিয়মগুলো মেনে চলতে পারেন:

​১। তেল-মসলা নিয়ন্ত্রণ:
মাংস রান্নার সময় অতিরিক্ত তেল এবং অতিরিক্ত ঝাল-মসলা পরিহার করার চেষ্টা করুন।

​২। পরিমিত আহার:
একবারে অনেক বেশি মাংস না খেয়ে, সারাদিনে অল্প অল্প করে পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন। হার্টের রোগীরা চেষ্টা করবেন ঝোল ও চর্বি ছাড়া মাংস খেতে।

​৩। আঁশযুক্ত খাবার:
খাবারের মেন্যুতে মাংসের পাশাপাশি প্রচুর সালাদ, শসা, লেবু ও টকদই রাখুন। এগুলো মাংসের চর্বি কাটতে এবং সহজে হজম হতে দারুণ সাহায্য করবে।

​৪। পর্যাপ্ত পানি:
হজমের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বা তরল খাবার পান করুন।

​৫। হালকা মুভমেন্ট:
ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়ে, ঘরের ভেতরেই কিছুক্ষণ হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। এতে শরীর স্বস্তি পাবে।

​⚠️ বিশেষ সতর্কতা:
যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের মতো ক্রনিক সমস্যা আছে, তারা অবশ্যই চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলবেন, অতিভোজন পরিহার করবেন এবং চিকিৎসকের দেওয়া ঔষধ নিয়ম মোতাবেক গ্রহণ করবেন।

​মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার কোরবানি কবুল করুন। এই ঈদ আপনার ও আপনার পরিবারের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি।

​🌙 সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা— ঈদ মোবারক! 🌙

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU


​ #ঈদুলআজহা #ঈদমোবারক #পুষ্টিবার্তা #সুস্থ_ঈদ

Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Zohora Setara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutritionist Zohora Setara:

Shortcuts

Share

Category