Dr Mahady Hasan Hridoy

Dr Mahady Hasan Hridoy ডা মেহেদী হাসান হৃদয়
এমবিবিএস ( রাজশাহী মেডিকেল কলেজ)
এফসিপিএস ( অর্থোপেডিকস) পার্ট ২
সার্জারী বিভাগ
শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুর

স্কুলে থাকতে Motahar Khan স্যার এর কাছে প্রথম নটরডেম কলেজের নাম শোনা । দেশসেরা সব শিক্ষার্থী নাকি সেখানে পড়ে । আমি কখনো...
15/09/2026

স্কুলে থাকতে Motahar Khan স্যার এর কাছে প্রথম নটরডেম কলেজের নাম শোনা । দেশসেরা সব শিক্ষার্থী নাকি সেখানে পড়ে । আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবি নাই আমি সেখানে পড়ার সুযোগ পাবো ।
শুরুতে আবেদনও করি নাই । রোকন ভাই এর সাথে গুলিস্তান এ ভাসানী স্টেডিয়াম এ গিয়ে ভাবলাম একবার দেখে যাই নটর ডেম কলেজ । গিয়ে শুনি ওইদিনই নাকি আবেদনের শেষ সময় । ভাই বললো আবেদন কর পরে হলে হবে না হলে নাই । সাথে একটা কলমও নেই নাই । অনলাইনে সব ডকুমেন্ট তুলে, ছবি তুলে তারাহুরা করে এপ্লিকেশন জমা দেই ।
ঐবছর অনেক এ+ পাওয়ায় ভাবছিলাম রিটেন ই দেওয়ার সুযোগ হবে না ।
কিন্তু রিটেন দেওয়ার সুযোগ পেলাম । দুপুর ২ টায় পরীক্ষা ।
মামা আর আকাশ ব্রো এর সাথে গেলাম । হাজার হাজার গার্ডিয়ান দিয়ে রাস্তা ব্লক ।
প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষা । ধুম ধাম দিলাম । একটা অঙ্ক বাদে বাকি সব সিওর । মন খারাপ । ভাবছিলাম সব না পেলে কি আর হবে ।
বাসায় এসে দেখি ওইটাও হয়ে গেছে ।
কিছুদিন পর সমকাল পত্রিকায় রেজাল্ট পাবলিশ হলো । রোলটা দেখে এত খুশি হলাম ।

এই কলেজ আমাকে শুধু একাডেমিক শিক্ষা দেয়নি—শিখিয়েছে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস, প্রতিযোগিতার মধ্যে নিজেকে ধরে রাখা আর এবং বড় স্বপ্ন দেখতে।

জীবনের পরবর্তী পথ যতই বদলাক, যত নতুন পরিচয়ই তৈরি হোক—
নটর ডেম কলেজের সেই দিনগুলো আমার জীবনের গল্পে সবসময়ই একটি বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে ।
ভর্তির দিন ছবিটা তোলা ।

বাইরের উন্নত দেশগুলোর সাথে আমাদের চিকিৎসার একটা বড় পার্থক্য ফান্ডিং বা ইন্সুরেন্স। যেহেতু ওসব দেশে টাকা নিয়ে চিন্তা করতে...
13/09/2026

বাইরের উন্নত দেশগুলোর সাথে আমাদের চিকিৎসার একটা বড় পার্থক্য ফান্ডিং বা ইন্সুরেন্স।
যেহেতু ওসব দেশে টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, সেক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দুই পক্ষই নিশ্চিন্ত থাকে।
অনেক ক্ষেত্রেই দেখেছি একই রোগীর তিনটা অপারেশন হচ্ছে, তিন ধাপে, খরচ কাগজে কলমে প্রায় ৩০ লাখ, কিন্তু সার্জনের ও চাপ নেই, রোগীদের ও ওভাবে চাপ নেই।
মানসিকতাও টাকার সাথে সম্পর্কিত আসলে, টাকা র টানাটানি তে মানসিক ভাবেও রোগীর সাথের সবাই চাপে থাকেন আমাদের দেশে।
©️

সুযোগ পাইলে চলে যাইতাম ৬০০ অব্দের দিকে।
11/09/2026

সুযোগ পাইলে চলে যাইতাম ৬০০ অব্দের দিকে।

চাচার বাড়ি কাপাসিয়া । গাছের ডাল কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাতের ২ টি রগ ( টেন্ডন) কেটে যায় ।হাতের আঙুল উপরে তুলতে পাচ্ছ...
07/09/2026

চাচার বাড়ি কাপাসিয়া । গাছের ডাল কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাতের ২ টি রগ ( টেন্ডন) কেটে যায় ।হাতের আঙুল উপরে তুলতে পাচ্ছিলো না ।
আলহামদুলিল্লাহ অপারেশন করে দেওয়ার পর চাচা পূর্বের ন্যায় আঙুল নাড়াতে পারছে ।
চাচা খুব খুশি । মন ভরে দোয়া করেছেন ।
হাতের টেন্ডন কেটে গেলে দ্রুত অর্থোপেডিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন ।

যদি কেউ তোমার বই কেড়ে নেয় তাকে ধন্যবাদ দাও ভাইয়েরা, উনিই প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী, উনাকে নিয়ে চা খেয়ে আসুন 😶ডাক্তারদের একটা আ...
07/09/2026

যদি কেউ তোমার বই কেড়ে নেয় তাকে ধন্যবাদ দাও ভাইয়েরা, উনিই প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী, উনাকে নিয়ে চা খেয়ে আসুন 😶
ডাক্তারদের একটা আক্ষেপ আবার গর্বের বিষয় থাকে উনারা সারাজীবন পড়তে পড়তেই পার করে দেন, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পড়ার একটা পারফেক্ট উদাহরণ বলা যায় 💥 কিন্তু আসলে এই পড়াশোনা কাদের জন্য?
নিজের জন্য না রোগীদের জন্য?
গতবছর টিবি বা যক্ষার জন্য যেই চিকিৎসা টা ছিল,এবছর কি ঐ একই রেজিমেন আছে? আগে যেই অপারেশন টা ছিল এখনো কি একই অপারেশন আমরা করি সবক্ষেত্রে?
এই যে এতো পড়া এগুলো কি আমাদের ভালো লাগে?
আমাদের কি একটু ক্লাবে গিয়ে আড্ডা দিতে ইচ্ছে করে না, লং ড্রাইভের ইচ্ছা করে না, একটু সাদা কালা পানি মানে কোক টোক খাইতে ইচ্ছে করে না বোট ক্লাবে রিল্যাক্স করে।
হয়তো করেই না,সব আতেল, এতো রোগী,চাপ এর মধ্যেও আবার বই খুলে প্যারা খায়। আবার হয়তো করে সময় সুযোগ মিলে না। ঘটনা যাই হোক বই সরিয়ে রিলাক্সড হোন। আরাম করুন।

গতি ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত!চারটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, উচ্চক্ষমতার মোটর ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ যুক্ত করার পর এর খালি ওজনই দা...
06/09/2026

গতি ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত!
চারটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি,
উচ্চক্ষমতার মোটর ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ যুক্ত করার পর এর খালি ওজনই দাঁড়ায় ১০০ কেজির বেশি।
চালক ও যাত্রী উঠলে মোট ওজন ছাড়িয়ে যায় প্রায় ৩০০ কেজি।

অথচ ভারী ও দ্রুতগতির এই যান থামাতে ব্যবহার করা হয় সাধারণ প্যাডেলচালিত রিকশার ঠুনকো ব্রেক প্যাড, যার খুচরা বাজারমূল্য মাত্র ৩০ টাকা।

লাগেনা লাইসেন্স...এমনকি চালকের থাকেনা সেন্স!

ফলাফল:
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে সারা দেশে অটোরিকশা ও অটোভ্যান দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৬০৩ জন নিহত হয়েছেন।

দেশে এ ধরনের প্রায় ৮০ লাখ ব্যাটারি চালিত বাহন। ব্যবসাটা হাজার হাজার কোটি টাকার...যারা বন্ধ করবে তাদের অনেকেই এটার মালিক!
বোঝা গেছে বিষয়টা?

হাজম ভালো খতনা করে নাকি ডাক্তার এমনই একটা প্রশ্ন অনেকেরই ।ঘটনা গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার । এই বাবুটার খতনার পর ২ দি...
04/09/2026

হাজম ভালো খতনা করে নাকি ডাক্তার
এমনই একটা প্রশ্ন অনেকেরই ।
ঘটনা গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার । এই বাবুটার খতনার পর ২ দিন ধরে রক্ত ঝড়তে থাকে । হাজম একবার এসে ত্যানা প্যাঁচায় দিয়ে গেলেও কাজ হয় নাই । তারপর থেকে হাজম লাপাত্তা । পরে উনারা ভর্তি হয় তাজউদ্দীন এর শিশু সার্জারী বিভাগে । দেখে পসিবল মূত্রনালী ইনজুরি মনে হওয়ায় ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা খায়রুজ্জামান স্যার ও শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা খাজা সেলিম স্যার নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে আমাকে ব্লিডিং বন্ধ করে ও ক্যাথেটার করে খৎনা আধুনিক পদ্ধতিতে করে দিতে বলেন ।
আলহামদুলিল্লাহ বাবু এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ।

এবং প্রশ্নের উত্তর আপনারাই খুঁজে নিবেন ।

সামর্থ্য নয়, মানুষটাই আগেআজকের ঘটনাটা হয়তো আমার পেশাজীবনের অনেক দিনের মধ্যে খুব সাধারণ একটি ঘটনা। কিন্তু কোনো কোনো ছোট...
02/09/2026

সামর্থ্য নয়, মানুষটাই আগে

আজকের ঘটনাটা হয়তো আমার পেশাজীবনের অনেক দিনের মধ্যে খুব সাধারণ একটি ঘটনা। কিন্তু কোনো কোনো ছোট ঘটনা মানুষকে ভেতর থেকে অনেক কিছু ভাবতে শেখায়।

আজ একজন অত্যন্ত দরিদ্র রোগী আমার কাছে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। চিকিৎসা শেষে যখন ভিজিট দেওয়ার সময় হলো, তিনি পকেট থেকে টাকা বের করলেন—৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা… অনেকগুলো ছোট ছোট নোট। দেখে মনে হলো, হয়তো বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অল্প অল্প করে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসার জন্য এসেছেন।

সেই মুহূর্তে টাকাগুলোর মূল্য আমার কাছে আর টাকা ছিল না। প্রতিটি ৫ বা ১০ টাকার নোটের পেছনে যেন ছিল একজন অসহায় মানুষের কষ্ট, পরিবারের দুশ্চিন্তা, কারও কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার একটুখানি আশা।

আমরা চিকিৎসকরা প্রতিদিন অসংখ্য রোগী দেখি। কারও কাছে কয়েকশ টাকা খুব সামান্য, আবার কারও কাছে ১০০ টাকা জোগাড় করাটাও অনেক বড় ব্যাপার। একই রোগ, একই ব্যথা, একই অসুস্থতা—কিন্তু সবার সামর্থ্য এক নয়।

তাই আমি বিশ্বাস করি, চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়; এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোরও একটি সুযোগ।

আমার কাছে আসা কোনো দরিদ্র মানুষ যদি ভিজিট দিতে না পারেন, তাহলে তার চিকিৎসা থেমে থাকা উচিত নয়। সামর্থ্য অনুযায়ী কেউ স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা পাবেন, কেউ হয়তো বিনামূল্যেই চিকিৎসা পাবেন। কারণ একজন মানুষ অসুস্থ হলে তার অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে তার কষ্টটা ছোট হয়ে যায় না।

আমি কোনো দান করছি—এমন ভাবনা আমার নেই। বরং মনে করি, একজন চিকিৎসক হিসেবে সমাজের মানুষের জন্য যতটুকু করা সম্ভব, সেটুকু করার সুযোগ পাওয়াটাই সৌভাগ্যের।

সব রোগীকে হয়তো বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু একজন অসহায় মানুষ যেন শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন—এই চেষ্টা আমি করে যেতে চাই।

কারণ শেষ পর্যন্ত—

মানুষের অসুস্থতার কোনো শ্রেণি নেই।
ব্যথার কোনো আর্থিক মূল্য নেই।
আর চিকিৎসার দরজায় এসে একজন দরিদ্র মানুষ যেন নিজেকে ছোট মনে না করেন—এটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আজ সেই ৫ টাকা, ১০ টাকার নোটগুলো আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিল—
চিকিৎসক হওয়ার সবচেয়ে সুন্দর দিক হয়তো এখানেই—কখনো কখনো একজন মানুষের কাছ থেকে টাকা নয়, তার বিশ্বাসটুকুই পাওয়া যায়। ❤️

যাদের সামর্থ্য আছে, তারা চিকিৎসার মূল্য দেবেন। আর যাদের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য আমরা যতটুকু পারি পাশে থাকার চেষ্টা করব।

29/08/2026

এক্সটার্নাল ফিক্সেশন

সব চিকিৎসক এক রকম ননআজ একজন মহিলা আমার কাছে এসেছিলেন।অত্যন্ত অসহায়, দরিদ্র একজন মানুষ।কিছুদিন আগে তাঁর স্বামী মারা গেছে...
29/08/2026

সব চিকিৎসক এক রকম নন

আজ একজন মহিলা আমার কাছে এসেছিলেন।
অত্যন্ত অসহায়, দরিদ্র একজন মানুষ।

কিছুদিন আগে তাঁর স্বামী মারা গেছেন। ছেলেরা তেমন খোঁজখবর রাখে না। তাঁর একটি মেয়ে আছে, সেও প্রতিবন্ধী। নিজের জীবনটাকেই যেখানে কোনো রকমে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, সেখানে অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসাটাও তাঁর জন্য হয়তো অনেক বড় একটি সিদ্ধান্ত।

তিনি আমার কাছে এসেছিলেন চিকিৎসার জন্য। তাঁর পরিস্থিতি শুনে মনে হলো—আজ তাঁর কাছ থেকে ভিজিট নেওয়ার চেয়ে একজন মানুষ হিসেবে তাঁর পাশে দাঁড়ানোটা অনেক বেশি জরুরি।

তাই কোনো ভিজিট নিইনি।

হয়তো এই ঘটনাটা খুব বড় কিছু নয়।
হয়তো আমার এই সামান্য সহযোগিতায় তাঁর জীবনের সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে না।
কিন্তু অন্তত একজন অসহায় মানুষ যেন মনে করেন—এই সমাজে এখনও কিছু মানুষ আছেন, যারা তাঁর কষ্টটা বোঝার চেষ্টা করেন।

আজকাল চিকিৎসকদের নিয়ে অনেক কথা হয়।
অনেক সময় কিছু চিকিৎসকের ভুল বা অনৈতিক আচরণের উদাহরণ দেখিয়ে পুরো চিকিৎসক সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। বিভিন্ন বক্তৃতায় চিকিৎসকদের নিয়ে চটকদার কথা বলা হয়, মানুষের ক্ষোভকে আরও উসকে দেওয়া হয়।

হ্যাঁ, চিকিৎসকদের মধ্যেও ভুল আছে।
কেউ কেউ হয়তো পেশার মর্যাদা ধরে রাখতে পারেন না।
তাদের ভুলের সমালোচনা অবশ্যই হওয়া উচিত।

কিন্তু সেই কয়েকজনের ভুল দিয়ে হাজার হাজার সৎ চিকিৎসকের মানবিকতাকে অস্বীকার করা কি ন্যায়সঙ্গত?

রাত জেগে জরুরি রোগী দেখা চিকিৎসকটি,
অপারেশন থিয়েটারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা চিকিৎসকটি,
অসহায় রোগীর ভিজিট মওকুফ করে দেওয়া চিকিৎসকটি,
নিজের ব্যস্ততার মধ্যেও গরিব রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া চিকিৎসকটি—
তাদের কথাও কি আমরা বলব?

একজন চিকিৎসকও একজন মানুষ।
তারও পরিবার আছে, দায়িত্ব আছে, ক্লান্তি আছে, সীমাবদ্ধতা আছে।

তবুও প্রতিদিন অসংখ্য চিকিৎসক নিজের সামর্থ্যের মধ্যে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন—কখনো বিনামূল্যে, কখনো স্বল্পমূল্যে, কখনো শুধু একটি ভালো পরামর্শ দিয়ে।

আমি মনে করি, চিকিৎসককে দেবতা বানানোর দরকার নেই। আবার শত্রুও বানানোর দরকার নেই।

ভুল হলে বিচার হবে, অন্যায় হলে ব্যবস্থা হবে।
কিন্তু একজন চিকিৎসককে শুধু তাঁর পেশার পরিচয়ে সন্দেহের চোখে দেখা কিংবা অপমান করা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়।

আজকের সেই অসহায় মহিলার কাছ থেকে আমি কোনো টাকা নিইনি।
কিন্তু সত্যি বলতে, আজ আমি তাঁর কাছ থেকে এমন কিছু পেয়েছি যার মূল্য কোনো ভিজিটের চেয়ে অনেক বেশি—একজন মানুষের বিশ্বাস।

রাজনীতি, বক্তৃতা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্কের বাইরে চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্কটা আসলে খুব সহজ—

একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে আসে, আর আরেকজন মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।

এই মানবিক সম্পর্কটুকু যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি। ❤️

মানুষ আগে, পেশা পরে।
মানবিকতা আগে, প্রচারণা পরে।

Address

Mawna Chowrasta
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mahady Hasan Hridoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category