Ruqyah Noor Gazipur Branch

Website

Ruqyah Noor Gazipur Branch কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক রুকইয়াহ সেবা। জ্বিন, জাদু, বদনজর ও বিভিন্ন আত্মিক সমস্যার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।

13/10/2026

আজকে গাজীপুর টু মানিকগঞ্জ হোম সার্ভিসের থাকবো। মানিকগঞ্জের আশপাশে কেউ রুকইয়াহ হোম সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন স্ক্রিনে দেয়া নাম্বারে
01403-063121

আলহামদুলিল্লাহ ফজরের পরে কিছু সময় প্রকৃতির স্বাদ গ্রহণ করলাম এই যেন শহরের মাঝে একটু গ্রাম। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিটি মান...
11/10/2026

আলহামদুলিল্লাহ ফজরের পরে কিছু সময় প্রকৃতির স্বাদ গ্রহণ করলাম এই যেন শহরের মাঝে একটু গ্রাম। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিটি মানুষের উচিত সকাল বেলা কিছু সময় নিজেকে প্রকৃতির সাথে মিশিয়ে নেওয়া ।

আগামীকাল গাজীপুর টু নোয়াখালী  হোম সার্ভিসের থাকবো।নোয়াখালীর আশপাশে  কেউ রুকইয়াহ  হোম সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আমাদের সা...
06/10/2026

আগামীকাল গাজীপুর টু নোয়াখালী হোম সার্ভিসের থাকবো।নোয়াখালীর আশপাশে কেউ রুকইয়াহ হোম সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন স্ক্রিনে দেয়া নাম্বারে

‎‎পূজার সময় জাদু চর্চা বাড়ে — আতঙ্ক নয়, হিফাজতের আমল করুন‎🛡️ পূজার সময় জাদু চর্চা বাড়ে‎আতঙ্ক নয়, হিফাজতের আমল করুন...
05/10/2026

‎
‎পূজার সময় জাদু চর্চা বাড়ে — আতঙ্ক নয়, হিফাজতের আমল করুন
‎🛡️ পূজার সময় জাদু চর্চা বাড়ে
‎আতঙ্ক নয়, হিফাজতের আমল করুন
‎প্রতি বছর পূজার সময় একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায় যারা জাদু বা জ্বীনের সমস্যায় আক্রান্ত, তাদের কষ্ট কিছুটা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো এই সময়ে জাদুকর ও তান্ত্রিকরা তাদের জাদু চর্চা বেশি করে। শিরকি আচার-অনুষ্ঠানের সময় শয়তানি শক্তিগুলো বেশি সক্রিয় থাকে।
‎কিন্তু এটা জেনে রাখুন আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আল্লাহর হেফাজতে থাকলে কোনো জাদু বা শয়তান ক্ষতি করতে পারে না।
‎📖 আল্লাহ বলেছেন:-
‎إِنَّ كَيْدَ الشَّيْطَانِ كَانَ ضَعِيفًا
‎অর্থ: নিশ্চয়ই শয়তানের চক্রান্ত অত্যন্ত দুর্বল।
‎(সূরা নিসা: ৭৬)
‎শয়তান দুর্বল — তবে শর্ত হলো আপনাকে আল্লাহর হেফাজতের মধ্যে থাকতে হবে। আর সেই হেফাজতের উপায়গুলো কুরআন ও সুন্নাহতে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।
‎⚠️ যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা:-
‎যারা জাদু বা জ্বীনের সমস্যায় আগে থেকেই ভুগছেন, এই সময়টায় তাদের একটু বেশি সতর্ক থাকা দরকার। কারণ যখন জাদুকরেরা নতুন করে জাদু চর্চা করে, তখন আগের জাদু আরও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করে।
‎কিন্তু ভয় পাবেন না। আগে থেকে নিয়মিত আমল করলে ইনশাআল্লাহ এই সময়টাও নিরাপদে পার হয়ে যাবে।
‎🛡️ হিফাজতের আমলসমূহ প্রতিদিন নিয়মিত করুন.
‎১️⃣ সকালে ঘুম থেকে উঠে সবার আগে আয়াতুল কুরসি পড়ুন।
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — যে সকালে আয়াতুল কুরসি পড়ে, সন্ধ্যা পর্যন্ত একজন ফেরেশতা তার হেফাজতে থাকেন।
‎(নাসাঈ)
‎اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
‎২️⃣ সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার করে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ুন।
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — এই তিনটি সূরা তিনবার করে পড়লে সকল বিপদ থেকে হেফাজতের জন্য যথেষ্ট।
‎(আবু দাউদ ও তিরমিযী)
‎قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۞ اللَّهُ الصَّمَدُ ۞ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۞ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
‎قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۞ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ۞ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ۞ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ۞ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
‎قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۞ مَلِكِ النَّاسِ ۞ إِلَٰهِ النَّاسِ ۞ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ۞ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ۞ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
‎৩️⃣ সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পড়ুন:-
‎بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
‎উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামাই ওয়া হুওয়াস সামিউল আলিম
‎অর্থ: আল্লাহর নামে যার নামের সাথে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না।
‎(আবু দাউদ ও তিরমিযী)
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পড়ে, তাকে হঠাৎ কোনো বিপদ স্পর্শ করবে না।
‎৪️⃣ এই সময়ে ঘরে সূরা বাকারাহ নিয়মিত তিলাওয়াত করুন বা অডিও চালু রাখুন।
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:-
‎إِنَّ الشَّيْطَانَ يَفِرُّ مِنَ الْبَيْتِ الَّذِي تُقْرَأُ فِيهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ
‎অর্থ: শয়তান সেই ঘর থেকে পালিয়ে যায় যেখানে সূরা বাকারাহ পড়া হয়।
‎(মুসলিম)
‎বিশেষত এই কয়েকদিন ঘরে সূরা বাকারাহ চালু রাখুন। জাদুকরের জাদু ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
‎🌙 রাতে ঘুমানোর আগে এই আমলগুলো অবশ্যই করুন:-
‎আয়াতুল কুরসি পড়ুন।
‎তিন কুল তিনবার করে পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে বুলিয়ে নিন।
‎ওযু অবস্থায় ডান কাতে ঘুমান।
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — যে রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমায়, আল্লাহ তার জন্য একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেন যিনি সকাল পর্যন্ত তাকে হেফাজত করেন।
‎(বুখারী)
‎📿 এই সময়ে বেশি বেশি পড়ুন:-
‎أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
‎উচ্চারণ: আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক
‎অর্থ: আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমার মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির সকল ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।
‎(মুসলিম)
‎⚠️ যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত তাদের জন্য বিশেষ আমল-
‎এই কয়েকদিন রুকইয়াহকৃত পানি বেশি পান করুন।
‎প্রতিদিন রুকইয়াহকৃত তেল পুরো শরীরে মাখুন।
‎ঘরের প্রতিটি কোণে রুকইয়াহকৃত পানি স্প্রে করুন।
‎পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো পড়ুন নামাজ শয়তানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল।
‎বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন।
‎📌 একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা-
‎পূজার সময় সম্ভব হলে পূজামণ্ডপ বা শিরকি অনুষ্ঠানের কাছে যাবেন না। এই স্থানগুলোতে শয়তানি শক্তির উপস্থিতি বেশি থাকে বিশেষত যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত তাদের জন্য এটি আরও বেশি ক্ষতিকর।
‎🤲 শেষ কথা:
‎আতঙ্কিত হবেন না। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। নিয়মিত আমল করুন।
‎জাদুকর যতই চেষ্টা করুক — আল্লাহর হেফাজতে থাকা বান্দার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।
‎📖 আল্লাহ বলেছেন:-
‎وَإِن يَمْسَسْكَ اللَّهُ بِضُرٍّ فَلَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا هُوَ
‎অর্থ: আল্লাহ যদি তোমাকে কোনো কষ্ট দেন, তাহলে তিনি ছাড়া কেউ তা দূর করতে পারবে না।
‎(সূরা আনআম: ১৭)
‎সব বিপদ আল্লাহর হাতে। তাঁর কাছে চাইলে তিনিই হেফাজত করবেন, ইনশাআল্লাহ।
‎
‎
‎👤 রাক্কী মাওলানা ফয়সাল ইসলাম
‎🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
‎🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
‎📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
‎
‎🟢 আপনার পাশে আছে
‎“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
‎
‎📲 যোগাযোগ: 01403063121
‎
‎📍 ঠিকানা:
‎গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
‎গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
‎
‎🌐 Website: Ruqyahnoor.com
‎
‎📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
‎
‎🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
‎
‎ #রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল
‎

আগামীকাল গাজীপুর টু ঢাকা হোম সার্ভিসের থাকবো।ঢাকার আশপাশে  কেউ রুকইয়াহ  হোম সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযো...
30/09/2026

আগামীকাল গাজীপুর টু ঢাকা হোম সার্ভিসের থাকবো।ঢাকার আশপাশে কেউ রুকইয়াহ হোম সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন স্ক্রিনে দেয়া নাম্বারে

29/09/2026

‎🌿 আপনি কি জীন জাদু বদনজর ওয়াসওয়াসা কিংবা অজানা সমস্যায় ভুগছেন? 🌿
‎🔹 আপনার বিয়ে বা বাচ্চা হচ্ছে না
‎🔹 বিভিন্ন অসুস্থতা লেগে আছে কিন্তু কোন সমাধান হচ্ছে না
‎🔹 অনেক ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও রোগ ধরা পড়ছেনা
‎🔹 বিভিন্ন কবিরাজি চিকিৎসা করেও আপনার কোন সমস্যার সমাধান হচ্ছে না
‎🔸 এর সাথে আরো রয়েছে আপনার দীর্ঘদিন ধরে—
‎🔹 মাথা ব্যাথা
‎🔹 ঘাড়ে ব্যাথা
‎🔹 পিঠ
‎🔹 মেরুদন্ড
‎🔹 কোমর
‎🔹 হাঁটু ও পায়ে ব্যাথা
‎🔹 আঘাত জনিত হাঁড় ও মাংস পেশি ব্যাথা
‎🔸 এ ছাড়াও—
‎🔹 থাইরয়েড
‎🔹 ডায়াবেটিস
‎🔹 হাঁপানি-ইজমা
‎🔹 চর্মরোগ ও গ্যাস্ট্রিক
‎🔹 অতিরিক্ত চুল পড়া
‎🔹 মানসিক অস্থিরতা
‎🔹 দুশ্চিন্তা
‎🔹 এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ভুগছেন।
‎🌿 তাহলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হিজামা ও রুকইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
‎🤝 আপনার পাশে আছে—
‎🌸 রুকইয়াহ নূর হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার গাজীপুর। 🌸
‎
‎👤 রাক্কী মাওলানা ফয়সাল ইসলাম
‎🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
‎🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
‎
‎🩸 হিজামা সেবা
‎
‎👨 পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎👩 নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎
‎📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
‎
‎🟢 আপনার পাশে আছে
‎“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
‎
‎📲 যোগাযোগ: 01403063121
‎
‎📍 ঠিকানা:
‎গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
‎গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
‎
‎🌐 Website: Ruqyahnoor.com
‎
‎📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
‎
‎🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
‎
‎ #রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল
‎

সিহরুল মাউরুস — বংশগত জাদুসিহরুল মাউরুস — বংশগত জাদু কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে?একটি জরুরি সচেতনতামূলক পোস্টআমরা অনেকেই জানি ...
29/09/2026

সিহরুল মাউরুস — বংশগত জাদু
সিহরুল মাউরুস — বংশগত জাদু কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে?
একটি জরুরি সচেতনতামূলক পোস্ট
আমরা অনেকেই জানি জাদু কী। কিন্তু "বংশগত জাদু" বা সিহরুল মাউরুস সম্পর্কে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। অথচ এটি সাধারণ জাদুর চেয়েও অনেক বেশি জটিল এবং ভয়ঙ্কর — কারণ এটি একটি পরিবারের একজন থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে থাকে।
এখানে কয়েকটি বিষয় কাজ করে সিহরুল মাউরুস এর সাথে -
🔹 বংশগত জাদু (السحر الموروث)
🔹 যৌথ জাদু (السحر المشترك)
🔹 সংযুক্ত জাদুর মূল সমস্যা (السحر الربط بين الاخوة)
ভাইবোন, সন্তান বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ তৈরি করে।
📖 আল্লাহ বলেছেন —
وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ
অর্থ: তারা অনুসরণ করল যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। সুলাইমান কুফর করেননি, বরং শয়তানরাই কুফর করেছিল — তারা মানুষকে জাদু শেখাত।
📚 (সূরা বাকারাহ: ১০২)
🔰 সিহরুল মাউরুস কী?
সিহরুল মাউরুস অর্থ হলো উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জাদু বা বংশগত জাদু। এটি এমন এক ধরনের জাদু যা —
🔹 পরিবারের কোনো একজন পূর্বপুরুষের উপর করা হয়েছিল এবং সেই জাদুর প্রভাব তার মৃত্যুর পরেও বংশের পরবর্তী সদস্যদের উপর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে থাকে।
🔹 অথবা পরিবারের কোনো সদস্য নিজে জাদুকরের সাথে, জ্বীনের সাথে বা শিরকি কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিল — আর সেই সম্পর্কের কারণে তার বংশধররা মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
🔹 এই জাদু একটি পরিবারকে ভেতর থেকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয় — কিন্তু পরিবারের সদস্যরা বুঝতেই পারেন না কেন এত সমস্যা।
⚠️ পূর্বপুরুষের জ্বীনের সাথে সম্পৃক্ততা — কতটা বিপজ্জনক?
এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা অনেকে জানেন না।
যদি পরিবারের কোনো পূর্বপুরুষ —
🔹 কবিরাজি করতেন বা জ্বীনের সাথে চুক্তি করে মানুষের চিকিৎসা করতেন,
🔹 ভবিষ্যৎ বলতেন বা গণক ছিলেন,
🔹 তাবিজ-কবচ ব্যবহার করে শিরকি কাজে লিপ্ত ছিলেন,
🔹 অথবা জ্বীনকে নিজের সেবায় ব্যবহার করতেন —
তাহলে সেই জ্বীনগুলো তার মৃত্যুর পরেও সেই পরিবারের সাথে থেকে যায়। তারা পরবর্তী প্রজন্মের উপর একই কর্তৃত্ব দাবি করে। এই জ্বীনগুলো বংশের নতুন সদস্যদের উপর বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে।
📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ রাতের নামাজ কবুল হয় না।
📚 (মুসলিম)
যখন পূর্বপুরুষ নিজেই শিরকি কাজে লিপ্ত ছিলেন — তার প্রভাব পুরো বংশে ছড়িয়ে পড়ে।
🚨 বংশগত জাদুর ভয়ঙ্কর লক্ষণসমূহ
বংশগত জাদু চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হলো — একই ধরনের সমস্যা পরিবারের একাধিক সদস্যের মধ্যে দেখা যায়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে।
১️⃣ বিবাহ সংক্রান্ত সমস্যা —
🔹 পরিবারের মেয়েরা বা ছেলেরা বিয়ে হচ্ছে না,
🔹 বিয়ে হলেও টিকছে না,
🔹 একের পর এক তালাক হচ্ছে,
🔹 সংসারে বারবার ঝগড়া ও বিচ্ছেদ।
২️⃣ সন্তান সংক্রান্ত সমস্যা —
🔹 পরিবারে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বংশ পরম্পরায় চলে আসছে,
🔹 গর্ভপাত বারবার হচ্ছে,
🔹 সন্তান হলেও অসুস্থ থাকছে।
৩️⃣ আর্থিক সমস্যা —
🔹 পরিবারে রিজিকে বরকত নেই,
🔹 ব্যবসায় বারবার ক্ষতি হচ্ছে,
🔹 কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারছেন না,
🔹 টাকা আসে কিন্তু থাকে না।
৪️⃣ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা —
🔹 পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন অজানা রোগে ভুগছেন যা ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ছে না,
🔹 অল্প বয়সে মৃত্যু হচ্ছে,
🔹 একই ধরনের রোগ বারবার পরিবারে দেখা যাচ্ছে।
৫️⃣ মানসিক সমস্যা —
🔹 পরিবারে মানসিক অস্থিরতা, বিষণ্নতা বা অদ্ভুত আচরণ বংশ পরম্পরায় চলছে,
🔹 পরিবারের সদস্যরা নামাজ পড়তে পারছেন না বা ইবাদতে মনোযোগ নেই।
৬️⃣ মৃত্যু সংক্রান্ত সমস্যা —
🔹 পরিবারে অল্প বয়সে মৃত্যু,
🔹 দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা বারবার ঘটছে।
⚠️ কেন এই জাদু এত ভয়ঙ্কর?
সাধারণ জাদু একজন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। কিন্তু বংশগত জাদু একটি পুরো পরিবারকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধ্বংস করতে পারে।
এটি এত ভয়ঙ্কর কয়েকটি কারণে —
🔹 প্রথমত, বংশের মানুষেরা জানেনই না যে তাদের উপর বংশগত জাদু আছে। তারা মনে করেন এটা তাদের "ভাগ্য" বা "পরিবারের অভিশাপ।"
🔹 দ্বিতীয়ত, যেহেতু জাদুটি পুরনো — অনেক সময় ডায়াগনোসিস করা কঠিন হয়। স্বাভাবিক রুকইয়াহতে দ্রুত ফলাফল না আসায় মানুষ হতাশ হয়ে ছেড়ে দেন।
🔹 তৃতীয়ত, জ্বীনগুলো অনেক পুরনো এবং শক্তিশালী হয়ে থাকে। তারা পরিবারকে তাদের অধিকার মনে করে — সহজে ছেড়ে যেতে চায় না।
🔹 চতুর্থত, পরিবারের সদস্যরা একে অপরের মাধ্যমে জ্বীন ও জাদুর প্রভাব আদান-প্রদান করতে পারেন — ফলে পুরো পরিবার একসাথে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
📌 বাস্তব উদাহরণ — যা প্রায়ই দেখা যায়
🔹 এক পরিবারে দেখা গেছে — দাদার আমলে কেউ জ্বীন দিয়ে কাজ করাতেন। তিনি মারা গেছেন, কিন্তু সেই জ্বীনগুলো পরিবারে রয়ে গেছে। তার ছেলের বিয়ে হয়নি সহজে, নাতনির বিয়ে বারবার ভেঙে গেছে, পরিবারে ব্যবসায় কখনো উন্নতি হয়নি — অথচ কেউ বুঝতে পারেননি কেন।
🔹 আরেক পরিবারে — নানার কাছে তাবিজ করার লোকজন আসতেন। তিনি শিরকি পদ্ধতিতে মানুষের "চিকিৎসা" করতেন। তিনি মারা যাওয়ার পর তার বংশের মেয়েদের মধ্যে বিয়ের সমস্যা, অসুস্থতা ও মানসিক সমস্যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলছে।
🤲 এই জাদু থেকে মুক্তির পথ
বংশগত জাদু থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব — কিন্তু এটি সময়সাপেক্ষ এবং ধৈর্যের দরকার।
১️⃣ প্রথম কাজ — তাওবা ও ইস্তিগফার।
পরিবারের পূর্বপুরুষের শিরকি কাজের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আল্লাহ বলেছেন —
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا
অর্থ: বলুন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করেন।
📚 (সূরা যুমার: ৫৩)
২️⃣ দ্বিতীয় কাজ — ঘরে সূরা বাকারাহ নিয়মিত তিলাওয়াত।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — শয়তান সেই ঘর থেকে পালিয়ে যায় যেখানে সূরা বাকারাহ পড়া হয়। (মুসলিম)
৩️⃣ তৃতীয় কাজ — পরিবারের সবাই মিলে রুকইয়াহ।
বংশগত জাদুতে শুধু একজনের রুকইয়াহ যথেষ্ট নয়। পরিবারের সব সদস্যকে একসাথে রুকইয়াহ করতে হবে।
৪️⃣ চতুর্থ কাজ — ঘরে রুকইয়াহকৃত পানি স্প্রে করুন।
প্রতিটি কোণে, দরজায়, বিছানায় রুকইয়াহকৃত পানি ছিটিয়ে দিন।
৫️⃣ পঞ্চম কাজ — পরিবারের সবাই সকাল-সন্ধ্যার আযকার নিয়মিত পড়ুন।
বিশেষত আয়াতুল কুরসি, তিন কুল এবং —
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
📚 (মুসলিম)
৬️⃣ ষষ্ঠ কাজ — অভিজ্ঞ রাকীর সাথে বিশেষ সেশন।
বংশগত জাদু সাধারণ রুকইয়াহতে দ্রুত সারে না। অভিজ্ঞ রাকীর তত্ত্বাবধানে দীর্ঘমেয়াদী রুকইয়াহ প্রয়োজন।
⚠️ পরিবারের সদস্যদের জন্য সতর্কবার্তা
যদি আপনার পরিবারে এই ধরনের সমস্যা বংশ পরম্পরায় চলে আসছে — অবহেলা করবেন না। এটি "পরিবারের ভাগ্য" নয়। এটি একটি আধ্যাত্মিক সমস্যা যার সমাধান আল্লাহর কাছে আছে।
আর যদি পরিবারের কোনো পূর্বপুরুষের শিরকি কাজের সাথে সম্পৃক্ততা ছিল বলে জানেন — দেরি না করে এখনই তাওবা করুন এবং সহিহ রুকইয়াহ শুরু করুন।
📖 আল্লাহ বলেছেন —
وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
অর্থ: যে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।
📚 (সূরা তালাক: ৩)
বংশগত জাদু যতই পুরনো হোক, আল্লাহর কুরআনের সামনে কোনো জাদু টিকতে পারে না। ধৈর্য ধরুন, আমল করুন এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।
📢 পোস্টটি শেয়ার করুন — হয়তো কোনো পরিবার তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কারণ বুঝতে পারবেন।
⚠️ কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না, কপি করলে অবশ্যই নাম মেনশন করবেন 🚫
👤 Raqi Hazrat Ali with Raqi Faysal Islam
🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
🩸 হিজামা সেবা
👨 পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
👩 নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
🟢 আপনার পাশে আছে
“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
📲 যোগাযোগ: 01403063121
📍 ঠিকানা:
গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
🌐 Website: Ruqyahnoor.com
📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
🔖 হ্যাশট্যাগ
#রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল

‎আরবী 'রবিউস সানি' মাসের হিজামা চিকিৎসার সুন্নতি তারিখসমূহঃ‎‎🗓️ ২৯শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার (১৭ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি) ‎🗓️...
26/09/2026

‎আরবী 'রবিউস সানি' মাসের হিজামা চিকিৎসার সুন্নতি তারিখসমূহঃ
‎
‎🗓️ ২৯শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার (১৭ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি)
‎🗓️ ০১ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার (১৯ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি)
‎🗓️ ০৩ই সেপ্টেম্বর শনিবার (২১ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি)
‎
‎▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
‎
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হাদীস সমূহে হিজামার ফজিলতঃ
‎
‎🌹 হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
‎“যে ব্যক্তি চাঁদের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামা করবে, তা তার জন্য সব রোগের নিরাময়।”
‎[আবূ দাউদ ৩৮৬১]
‎
‎🌹 হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
‎“সবচেয়ে উত্তম দিন হলো চাঁদের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামা করা।”
‎[তিরমিযী ২০৫১]
‎
‎🌹 রাসূল ﷺ বলেছেন:
‎“চিকিৎসার মধ্যে সর্বোত্তম হলো হিজামা।”
‎[বুখারী শরীফ]
‎
‎▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
‎
‎✨ আমাদের সেন্টারের বিশেষত্ব ✨
‎
‎আমাদের সেন্টারে রয়েছে হিজামা কাপিং থেরাপি
‎
‎এছাড়া মহিলাদের জন্য পরিপূর্ণ শরয়ী পর্দার সাথে আলাদা রুমে অভিজ্ঞ মহিলা এক্সপার্ট দ্বারা হিজামা চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
‎
‎আমাদের সেন্টারের মাওঃ ফয়সাল ইসলাম যিনি হিজামা দক্ষ এবং সকল পুরুষ পেশেন্টকে তিনি নিজ হাতে খুব যত্ন সহকারে চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।
‎
‎আমাদের সেন্টারে প্রত্যেক পেশেন্টের জন্য আলাদা আলাদা নিউ কাপ ব্যবহার করা হয়।
‎
‎
‎
‎👉 হিজামা একটি সুন্নাহভিত্তিক প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি যা সহীহ হাদীস দ্বারা বর্ণিত এবং আধুনিক মেডিকেল সায়েন্স দ্বারাও প্রমাণিত।
‎👉 সম্পূর্ণ ন্যাচারাল, নিরাপদ এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ামুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা।
‎
‎হিজামার উপকারিতাঃ
‎
‎✅ শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে
‎✅ মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, ব্যাকপেইন ও দীর্ঘদিনের ব্যথা উপশমে সহায়ক
‎✅ মানসিক চাপ কমিয়ে আত্মিক প্রশান্তি আনে
‎✅ বদনজর ও আধ্যাত্মিক অস্থিরতা কাটাতে সহায়তা করে
‎✅ মন ও শরীরে হালকা ভাব ও স্বস্তি এনে দেয়
‎
‎
‎👤 রাক্কী মাওলানা ফয়সাল ইসলাম
‎🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
‎🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
‎
‎🩸 হিজামা সেবা
‎
‎👨 পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎👩 নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎
‎📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
‎
‎🟢 আপনার পাশে আছে
‎“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
‎
‎📲 যোগাযোগ: 01403063121
‎
‎📍 ঠিকানা:
‎গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
‎গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
‎
‎🌐 Website: Ruqyahnoor.com
‎
‎📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
‎
‎🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
‎
‎ #রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল
‎

‎‎رقية المرض — রুকইয়াহ রোগ ও শিফার জন্য‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿‎رقية المرض‎رقية الشفاء من كل مرض وطريقة الاستخدام‎🌿━━━━━━━...
24/09/2026

‎
‎رقية المرض — রুকইয়াহ রোগ ও শিফার জন্য
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎رقية المرض
‎رقية الشفاء من كل مرض وطريقة الاستخدام
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎الفاتحة وآية الكرسي وآخر ايتين من سورة البقرة والمعوذات
‎সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারা-এর শেষ দুই আয়াত এবং মু‘আউয়িযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস)।
‎━━━━━━━━━━━━━━━━━━
‎آيات الشفاء — শিফার আয়াতসমূহ
‎━━━━━━━━━━━━━━━━━━
‎1- {وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِينَ}سورة التوبة
‎অর্থ: “আর তিনি মুমিন সম্প্রদায়ের অন্তরসমূহ সুস্থ করে দেবেন।” — সূরা আত-তাওবা।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎2- {وَشِفَاء لِّمَا فِي الصُّدُورِ}سورة يونس.
‎অর্থ: “এবং অন্তরে যা আছে, তার জন্য আরোগ্য।” — সূরা ইউনুস।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎3- {فِيهِ شِفَاء لِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ}سورة النحل/69.
‎অর্থ: “এর মধ্যে মানুষের জন্য আরোগ্য রয়েছে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” — সূরা আন-নাহল, ৬৯।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎4-{وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ}سورة الإسراء/82.
‎অর্থ: “আমি কুরআনের এমন কিছু নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।” — সূরা আল-ইসরা, ৮২।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎5-{وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ}سورة الشعراء/80.
‎অর্থ: “আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।” — সূরা আশ-শু‘আরা, ৮০।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎6-{قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ آمَنُوا هُدًى وَشِفَاء}سورة فصلت/44.
‎অর্থ: “বলুন, যারা ঈমান এনেছে, এটি তাদের জন্য হিদায়াত ও আরোগ্য।” — সূরা ফুসসিলাত, ৪৪।
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎أدعية الشفاء — শিফার দোয়াসমূহ
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎1- (اللهم ربَّ النَّاسِ، أَذْهِبِ البَاسَ، اشفِ أنتَ الشافي، لا شفاءَ إلا شفاؤُكَ، شفاءً لا يُغَادِرُ سَقَمًا)
‎অর্থ: “হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক! কষ্ট দূর করে দিন। আপনি আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্য দান করুন, যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না।”
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎2- (أعوذ بكلمات الله التامَّة، من كل شيطان وهامَّة، ومن كل عين لامَّة)
‎অর্থ: “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর বদনজর থেকে আশ্রয় চাই।”
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎3- (أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق)
‎অর্থ: “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎4- (بسمِ اللهِ الذي لا يَضُرُّ مع اسمه شيءٌ في الأرض ولا في السماء، وهو السميع العليم)
‎অর্থ: “আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যার নামের সঙ্গে পৃথিবী ও আকাশের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।”
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎5-(بسمِ اللهِ ثلاثًا وقُلْ سبْعَ مرَّاتٍ: أعوذُ باللهِ وقدرتِه مِن شرِّ ما أجِدُ وأُحاذِر).
‎অর্থ: “বিসমিল্লাহ” তিনবার বলবে। এরপর সাতবার বলবে: “আমি যে কষ্ট অনুভব করছি এবং যার আশঙ্কা করছি, তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতার আশ্রয় গ্রহণ করছি।”
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎طريقة الاستخدام — ব্যবহারের পদ্ধতি
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎تقرأ على المريض
‎রোগীর ওপর পড়ে দেওয়া।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎تقرأ على ماء وتشرب
‎পানির ওপর পড়ে পান করা।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎تقرأ على مكان المرض
‎রোগের স্থানের ওপর পড়ে দেওয়া।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎تقرأ على عسل نحل ويؤكل
‎মধুর ওপর পড়ে তা খাওয়া।
‎ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
‎تحصين المنازل والمحلات بتشغيل الآذان واية الكرسي مكرر
‎বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সুরক্ষার জন্য আজান এবং আয়াতুল কুরসি বারবার পাঠ/শ্রবণ করা।
‎🌿━━━━━━━━━━━━━━━━━━🌿
‎👤 রাক্কী মাওলানা ফয়সাল ইসলাম
‎🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
‎🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
‎
‎🩸 হিজামা সেবা
‎
‎👨 পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎👩 নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎
‎📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
‎
‎🟢 আপনার পাশে আছে
‎“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
‎
‎📲 যোগাযোগ: 01403063121
‎
‎📍 ঠিকানা:
‎গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
‎গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
‎
‎🌐 Website: Ruqyahnoor.com
‎
‎📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
‎
‎🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
‎
‎ #রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল
‎

‎‎💥💥💥💥💥 গ্রহ-নক্ষত্রের জাদু 💥💥💥💥💥‎✍✍ এটি এমন এক ধরনের জাদু, যা জাদুকর বিভিন্ন উপকরণ/সহায়তার মাধ্যমে চালিয়ে যায় এবং যা...
23/09/2026

‎
‎💥💥💥💥💥 গ্রহ-নক্ষত্রের জাদু 💥💥💥💥💥
‎✍✍ এটি এমন এক ধরনের জাদু, যা জাদুকর বিভিন্ন উপকরণ/সহায়তার মাধ্যমে চালিয়ে যায় এবং যার রয়েছে বিপজ্জনক কিছু আচার-অনুষ্ঠান।
‎💦💦💦💦 আর এই জাদুর লক্ষণগুলো মৌসুমি হয়ে থাকে 💦💦💦
‎বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
‎অনেক রাকী—দুঃখজনকভাবে—মনে করেন, আক্রান্ত ব্যক্তির অসুস্থতা তীব্র হওয়ার কারণ হলো জাদু নতুন করে করা বা শক্তিশালী করা। এটি ভুল।
‎কিন্তু এমন কিছু প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে, যেগুলো শরীরের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
‎যেমন—এক ঋতু থেকে অন্য ঋতুতে পরিবর্তন।
‎👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
‎গ্রীষ্মকালে লক্ষণ ও কষ্ট তীব্র হয় এবং শীতকালে কমে যায়।
‎প্রতিটি ঋতু আবার আগের লক্ষণগুলোর সঙ্গে নতুন কিছু লক্ষণ যোগ করে। আবার এমন কিছু লক্ষণও রয়েছে, যা বদনজরের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায় এবং পরে অদৃশ্য হয়ে যায়।
‎উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি যদি ৩০ অক্টোবর বদনজরে আক্রান্ত হয়, তাহলে আক্রান্ত হওয়ার সময় তার কষ্ট তীব্র হয় এবং শরীরের ফুসকুড়ি/দানা বেড়ে যায়; এমনকি তা প্রায় সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। পরবর্তী বছর ৩০ অক্টোবর এলে আবার সেই ফুসকুড়ি উত্তেজিত হয়ে ফিরে আসবে এবং কষ্ট তীব্র হবে।
‎এভাবে চলতে থাকে, যতক্ষণ না তার চিকিৎসা করা হয়।
‎💦💦💦💦💦💦 জাদু 💦💦💦💦💦💦
‎👈👈 বিশেষ করে রসদ/রصد-এর জাদু (গ্রহ ও নক্ষত্রের জাদু)—এটিকে তারা নবায়িত জাদু বলে।
‎👈👈 জাদু নিজে নবায়িত হয় না। এই ধরনের জাদুকে নবায়িত জাদু বলা হয়েছে, কারণ এর কষ্ট/ক্ষতি পুনরায় প্রকাশ পায়।
‎👈👈 এর ক্ষতি কাজটির ধরন অনুযায়ী পুনরায় প্রকাশ পায়। কারণ এই ধরনের জাদুর শাখা-প্রশাখা অনেক এবং এর পদ্ধতিও অনেক। ফলে আপনি দেখতে পারেন, আক্রান্ত ব্যক্তি সপ্তাহের কোনো নির্দিষ্ট দিনে, অথবা মাসের কোনো নির্দিষ্ট দিনে ইত্যাদিতে উত্তেজিত/অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
‎আর আমি বিষয়টি আরও দীর্ঘ করতে চাই না।
‎এছাড়াও—
‎👈👈 যেমন গ্রহ-নক্ষত্রের জগতের প্রভাব আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে রয়েছে, তেমনি রসদ-এর জাদুতে শরীরের ভেতরে থাকা জাদুর খাদেমের প্রভাবের চেয়েও বেশি কষ্ট হতে পারে এবং বাইরে থেকে গ্রহের প্রভাব থাকে।
‎এছাড়াও মস, বদনজর অথবা জাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর গ্রহগুলোর প্রভাব রয়েছে।
‎💥💥 মহাজাগতিক বিকিরণের তরঙ্গের প্রভাবের কারণে—মহাবিশ্ব একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা এবং এর প্রত্যেকটি অংশ অন্যটির ওপর ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঋতু ও মৌসুমগুলোও এর ফলাফল।
‎গ্রহ, নক্ষত্র ও তাবিজ-তালিসমানের জাদুর রুকইয়াহ
‎💥💥 গ্রহ ও নক্ষত্রের জাদু সবচেয়ে মারাত্মক জাদুগুলোর একটি এবং এটি উচ্চতর জাদুর অন্তর্ভুক্ত।
‎কারণ এটি নবায়িত ধরনের এবং চলমান ধরনের জাদু। আর এর জন্য জাদুকরের কাছে যাকে জাদু করা হবে তার কোনো বস্তু/চিহ্ন থাকা আবশ্যক নয়।
‎এটি এমন একটি জাদু, যা জ্যোতিষবিদ্যা ও নক্ষত্রের ওপর নির্ভর করে। এতে অনেক হিসাব-নিকাশ রয়েছে। তাই এটি প্রত্যেক জাদুকরের নাগালের মধ্যে থাকে না।
‎এটি প্রাচীন জাদুগুলোর একটি, যা বহু শতাব্দী ও অতীত যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত। যেমন—কালদীয়, ব্যাবিলনীয় এবং গ্রহ-নক্ষত্রের উপাসনাকারীদের জাদু। এমনকি আমাদের নবী ইবরাহিম (আ.)-এর যুগেও এই ধরনের জাদু ছিল।
‎💥💥 জাদুকর যার ওপর জাদু করতে চায় তার রাশি ও উদয়লগ্ন এবং আরও বিভিন্ন বিষয় জানার জন্য হিসাব করে। এর মধ্যে রয়েছে তার জন্য কোন সময় সৌভাগ্যের এবং কোন সময় দুর্ভাগ্যের—তা জানা।
‎💥💥 এর মধ্যে রয়েছে এক গ্রহের সঙ্গে অন্য গ্রহের সংযোগ, তাদের মুখোমুখি অবস্থান এবং নির্দিষ্ট কোণে তাদের অবস্থান ইত্যাদি।
‎এটি করা হয় এমন কোনো নির্দিষ্ট গ্রহকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য, যার মাধ্যমে সে যাকে জাদু করতে চায় তার ওপর কাঙ্ক্ষিত প্রভাব সৃষ্টি করা যায়; অথবা ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া, মৃগী/খিঁচুনি ও উত্তেজনা, অর্থের ক্ষতি অথবা রোগব্যাধি ইত্যাদি ঘটানো যায়।
‎💥💥 অথবা জাদুকর চাঁদের বিভিন্ন অবস্থানকে অন্য কোনো গ্রহের সঙ্গে তার সংযোগ অথবা বিচ্ছেদের ভিত্তিতে ব্যবহার করতে পারে—সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য, মিলন বা বিচ্ছেদ এবং অন্যান্য বিষয়ের জন্য।
‎💥💥 অথবা সে তাবিজ, তালিসমান, ওফাক ও ছক লিখতে বা খোদাই করতে পারে, যেগুলোর সম্পর্ক গ্রহ ও নক্ষত্রমণ্ডলের সঙ্গে সংযোগ অথবা বিচ্ছেদের মাধ্যমে থাকে। এগুলো নির্দিষ্ট গ্রহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধাতুর ওপর করা হয় এবং জাদুতে তা উদ্দেশ্য করা হয়।
‎💥💥 অথবা সে আবজাদ হাওয়াজ, হুত্তি, কালামান, সা‘ফাস, কারাশাত ইত্যাদি অক্ষর ব্যবহার করতে পারে। এটিকে বলা হয় ইলমুল হরফ বা অক্ষরের জ্ঞান এবং এর সঙ্গে চাঁদের বিভিন্ন অবস্থানের সংযোগ করা হয়।
‎💥💥 এমনকি তারা আল্লাহর সুন্দর নামগুলোও ব্যবহার করে থাকে। এটিকে বলা হয় ইলমুল ইসম বা নামের জ্ঞান। আর এর সঙ্গে তাদের বিভিন্ন মন্ত্র যেমন—আল-বারহাতিয়্যাহ ও আল-জালজালুতিয়্যাহ এবং সপ্তাহের দিনগুলোর সঙ্গে তাদের প্রভাব সম্পর্কিত বিষয় ব্যবহার করা হয়।
‎💥💥 বরং আমরা এমন তাবিজ-তালিসমানও দেখেছি, যাকে খাতামুস সুলাইমানি বলা হয়। এটি ৭টি আকৃতির, প্রতিটি আকৃতির একটি দিন, একজন খাদেম, একটি ওফাক, একটি মন্ত্র এবং ধূপ রয়েছে।
‎“আর তারা এর মাধ্যমে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কারও কোনো ক্ষতি করতে পারে না।”
‎💥💥 এর লক্ষণগুলো অন্যান্য জাদুর লক্ষণ থেকে কিছুটা ভিন্ন। আল্লাহর তাওফিকে আমরা যেগুলো সম্পর্কে জেনেছি, তার কিছু উল্লেখ করব:
‎1️⃣. অন্যমনস্কতা, ভুলে যাওয়া এবং মুখস্থশক্তি কমে যাওয়া।
‎2️⃣. শরীরে অতিরিক্ত খোঁচা লাগার অনুভূতি—যেন কোনো সূচ বা একাধিক সূচ দিয়ে খোঁচা দেওয়া হচ্ছে।
‎3️⃣. শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গে অথবা শরীরের বিভিন্ন স্থানে নাড়ির মতো স্পন্দন অনুভূত হওয়া।
‎4️⃣. বিশেষ করে আল্লাহর একত্ববাদের আয়াতগুলো দ্বারা রোগী প্রভাবিত হয়।
‎5️⃣. পেটে জাদু না থাকলে সাধারণত পেটে সংকোচন থাকে না।
‎6️⃣. কুয়াশার মতো দেখা অথবা মনে হওয়া যে দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে গেছে।
‎7️⃣. গভীর ঘুম এবং ঘুম থেকে জাগতে অনেক বেশি কষ্ট হওয়া।
‎8️⃣. চন্দ্র মাসের শুরুতে রোগীর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ থাকে এবং চাঁদ যখন আবার ক্ষীণ হয়ে অমাবস্যার দিকে যেতে থাকে, তখন ধীরে ধীরে তা কমে যায়।
‎9️⃣. রোগী কোনো নির্দিষ্ট দিন এবং কোনো নির্দিষ্ট সময়ে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এটি মাসে একবার অথবা বছরে একবারও হতে পারে।
‎🔟. অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার ওপর নিয়োজিত জিন মারিদদের অন্তর্ভুক্ত এবং সে উড়ন্ত জিনদের মধ্যেও হতে পারে। সে জাদুকরও হতে পারে; তবে এটি নির্ভর করে মানব জাদুকর তাকে কী কাজ করতে বলেছে তার ওপর।
‎🔷️. সব ধরনের বমি করানোর মাধ্যমে এর কোনো উপকার হয় না—বমি করানো বা অন্য কোনো পদ্ধতিতেও নয়।
‎🔷️. আরিদ/আক্রান্ত জিন খুব কম ক্ষেত্রেই কথা বলে।
‎🔷️. আপনি রোগীর ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা কুরআন পড়তে পারেন, কিন্তু সে প্রভাবিত নাও হতে পারে। কারণ সে ঘুমিয়ে পড়তে পারে অথবা আরিদ শরীর থেকে বের হয়ে তার পাশে অবস্থান করতে পারে। তখন আক্রান্ত ব্যক্তি অবশভাব, ঠান্ডা অথবা গরম অনুভব করে।
‎💥💥. আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণগুলো অন্যান্য জাদুর লক্ষণের সঙ্গেও মিলে যেতে পারে, যা জাদুকর তার কাজে চেয়েছে:
‎যেমন—জরায়ুর জাদুর লক্ষণ,
‎বন্ধনের জাদুর লক্ষণ,
‎হত্যা ও আত্মহত্যার জাদুর লক্ষণ,
‎ইত্যাদি, ইত্যাদি।
‎তবে এখানে জাদুর কোনো বস্তু থাকে না।
‎👈👈 একমাত্র যে অবস্থায় আমরা শরীরে জাদুর বস্তু পাই, তা হলো—জাদুর খাদেম অথবা খাদেমরা যদি আশিক জিনে পরিণত হয়। এ অবস্থায় সে রোগীকে জাদু করে। কিন্তু তার জাদুর বস্তু শরীরের মধ্যে চলাচল করে এবং পেটের মধ্যে স্থির থাকে না। অধিকাংশ সময় এটি জিনের জগতে থাকে, যাতে তা বের করে বাতিল করার কাজ করা সম্ভব হয় না।
‎🤲🤲 আপনাদের জন্য গ্রহ ও নক্ষত্রের জাদুর রুকইয়াহ। এটি আল্লাহর ইচ্ছায় তাবিজ-তালিসমান ও জিনকে নিয়োগ করার মন্ত্রের জাদুর ক্ষেত্রেও উপকারী হবে এবং আল্লাহর অনুমতিতে সেগুলো বাতিল করবে।
‎وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ۝١ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ ۝٢ النَّجْمُ الثَّاقِبُ ۝٣ إِنْ كُلُّ نَفْسٍ لَمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ ۝٤
‎সূরা আত-তারিক
‎اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ الزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ يُوقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ لَا شَرْقِيَّةٍ وَلَا غَرْبِيَّةٍ يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ نُورٌ عَلَى نُورٍ يَهْدِي اللَّهُ لِنُورِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ۝٣٥
‎সূরা আন-নূর
‎إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ۝٦
‎সূরা আস-সাফফাত
‎2. إِنَّ رَبَّكُمْ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ بِأَمْرِهِ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ۝٥٤
‎সূরা আল-আ‘রাফ
‎3. وَسَخَّرَ لَكُمْ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومُ مُسَخَّرَاتٌ بِأَمْرِهِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ۝١٢
‎সূরা আন-নাহল
‎4. وَأَلْقَى فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَنْ تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلًا لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ ۝١٥ وَعَلَامَاتٍ وَبِالنَّجْمِ هُمْ يَهْتَدُونَ ۝١٦
‎সূরা আন-নাহল
‎5. أَلَمْ تَرَى أَنَّ اللَّهَ يَسْجُدُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُومُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ وَكَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ وَكَثِيرٌ حَقَّ عَلَيْهِ الْعَذَابُ وَمَنْ يُهِنِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ مُكْرِمٍ إِنَّ اللَّهَ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ ۝١٨
‎সূরা আল-হাজ্জ
‎6. فَنَظَرَ نَظْرَةً فِي النُّجُومِ ۝٨٨ فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ ۝٨٩
‎সূরা আস-সাফফাত
‎7. وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِينَ تَقُومُ ۝٤٨ وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَإِدْبَارَ النُّجُومِ ۝٤٩
‎8. وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَى ۝١
‎সূরা আন-নাজম
‎الرَّحْمَٰنُ عَلَّمَ الْقُرْآنَ ۝١ عَلَّمَ الْإِنسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ۝٥ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ۝٥ وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ ۝٦
‎সূরা আর-রহমান
‎10. فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ۝٧٥ وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ۝٧٦
‎সূরা আল-ওয়াকিয়া
‎11. إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَوَاقِعٌ ۝٧ فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ ۝٨ وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ ۝٩ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ ۝١٠
‎সূরা আল-মুরসালাত
‎12. إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ ۝١ وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ ۝٢ وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ ۝٣ وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ ۝٤ وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ ۝٥ وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ ۝٦ وَإِذَا النُّفُوسُ زُوِّجَتْ ۝٧
‎সূরা আত-তাকভীর
‎13. وَكَذَلِكَ نُرِي إِبْرَاهِيمَ مَلَكُوتَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلِيَكُونَ مِنَ الْمُوقِنِينَ ۝٧٥ فَلَمَّا جَنَّ عَلَيْهِ اللَّيْلُ رَأَى كَوْكَبًا قَالَ هَذَا رَبِّي فَلَمَّا أَفَلَ قَالَ لَا أُحِبُّ الْآفِلِينَ ۝٧٦ فَلَمَّا رَأَى الْقَمَرَ بَازِغًا قَالَ هَذَا رَبِّي فَلَمَّا أَفَلَ قَالَ لَئِنْ لَمْ يَهْدِنِي رَبِّي لَأَكُونَنَّ مِنَ الْقَوْمِ الضَّالِّينَ ۝٧٧ فَلَمَّا رَأَى الشَّمْسَ بَازِغَةً قَالَ هَذَا رَبِّي هَذَا أَكْبَرُ فَلَمَّا أَفَلَتْ قَالَ يَا قَوْمِ إِنِّي بَرِيءٌ مِمَّا تُشْرِكُونَ ۝٧٨ إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ ۝٧٩ وَحَاجَّهُ قَوْمُهُ قَالَ أَتُحَاجُّونِّي فِي اللَّهِ وَقَدْ هَدَانِ وَلَا أَخَافُ مَا تُشْرِكُونَ بِهِ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ رَبِّي شَيْئًا وَسِعَ رَبِّي كُلَّ شَيْءٍ عِلْمًا أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ۝٨٠ وَكَيْفَ أَخَافُ مَا أَشْرَكْتُمْ وَلَا تَخَافُونَ أَنَّكُمْ أَشْرَكْتُمْ بِاللَّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا فَأَيُّ الْفَرِيقَيْنِ أَحَقُّ بِالْأَمْنِ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ ۝٨١
‎সূরা আল-আন‘আম
‎14. إِذْ قَالَ يُوسُفُ لِأَبِيهِ يَا أَبَتِ إِنِّي رَأَيْتُ أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ رَأَيْتُهُمْ لِي سَاجِدِينَ ۝٤ قَالَ يَا بُنَيَّ لَا تَقْصُصْ رُؤْيَاكَ عَلَى إِخْوَتِكَ فَيَكِيدُوا لَكَ كَيْدًا إِنَّ الشَّيْطَانَ لِلْإِنسَانِ عَدُوٌّ مُبِينٌ ۝٥
‎সূরা ইউসুফ
‎15. إِذَا السَّمَاءُ انْفَطَرَتْ ۝١ وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انْتَثَرَتْ ۝٢ وَإِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْ ۝٣ وَإِذَا الْقُبُورُ بُعْثِرَتْ ۝٤ عَلِمَتْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ وَأَخَّرَتْ ۝٥
‎সূরা আল-ইনফিতার
‎16. أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِكْكُمُ الْمَوْتُ وَلَوْ كُنْتُمْ فِي بُرُوجٍ مُشَيَّدَةٍ وَإِنْ تُصِبْهُمْ حَسَنَةٌ يَقُولُوا هَذِهِ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ يَقُولُوا هَذِهِ مِنْ عِنْدِكَ قُلْ كُلٌّ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ فَمَالِ هَؤُلَاءِ الْقَوْمِ لَا يَكَادُونَ يَفْقَهُونَ حَدِيثًا ۝٧٨
‎সূরা আন-নিসা
‎17. وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ ۝١٦ وَحَفِظْنَاهَا مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ ۝١٧ إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُبِينٌ ۝١٨
‎সূরা আল-হিজর
‎18. تَبَارَكَ الَّذِي جَعَلَ فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَجَعَلَ فِيهَا سِرَاجًا وَقَمَرًا مُنِيرًا ۝٦١
‎সূরা আল-ফুরকান
‎19. وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ ۝١ وَالْيَوْمِ الْمَوْعُودِ ۝٢
‎সূরা আল-বুরূজ
‎20. أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِي حَاجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رَبِّهِ أَنْ آتَاهُ اللَّهُ الْمُلْكَ إِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّيَ الَّذِي يُحْيِي وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا أُحْيِي وَأُمِيتُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَإِنَّ اللَّهَ يَأْتِي بِالشَّمْسِ مِنَ الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ۝٢٥٨
‎সূরা আল-বাকারা
‎21. هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ لِتَعْلَمُوا عَدَدَ السِّنِينَ وَالْحِسَابَ مَا خَلَقَ اللَّهُ ذَلِكَ إِلَّا بِالْحَقِّ يُفَصِّلُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ۝٥
‎সূরা ইউনুস
‎22. هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ لِتَعْلَمُوا عَدَدَ السِّنِينَ وَالْحِسَابَ مَا خَلَقَ اللَّهُ ذَلِكَ إِلَّا بِالْحَقِّ يُفَصِّلُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ۝٥
‎সূরা আল-আম্বিয়া
‎23. وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ فَأَنَّى يُؤْفَكُونَ ۝٦١
‎সূরা আল-আনকাবূত
‎24. وَمِنْ آيَاتِهِ اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ لَا تَسْجُدُوا لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَاسْجُدُوا لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَهُنَّ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ ۝٣٧
‎সূরা ফুসসিলাত
‎25. إِنِّي وَجَدْتُ امْرَأَةً تَمْلِكُهُمْ وَأُوتِيَتْ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ وَلَهَا عَرْشٌ عَظِيمٌ ۝٢٣ وَجَدْتُهَا وَقَوْمَهَا يَسْجُدُونَ لِلشَّمْسِ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ السَّبِيلِ فَهُمْ لَا يَهْتَدُونَ ۝٢٤
‎সূরা আন-নামল
‎26. وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُمْ مُظْلِمُونَ ۝٣٧ وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ۝٣٨ وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ ۝٣٩ لَا الشَّمْسُ يَنْبَغِي لَهَا أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ ۝٤٠
‎সূরা ইয়াসিন
‎27. اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ۝١ وَإِنْ يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُسْتَمِرٌّ ۝٢
‎সূরা আল-কামার
‎28. وَالْقَمَرِ إِذَا اتَّسَقَ ۝١٨
‎সূরা আল-ইনশিকাক
‎1. وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ النُّجُومَ لِتَهْتَدُوا بِهَا فِي ظُلُمَاتِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ قَدْ فَصَّلْنَا الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ۝٩٧
‎সূরা আল-আন‘আম
‎
‎👤 রাক্কী মাওলানা ফয়সাল ইসলাম
‎🔹 আকুপ্রেশার এন্ড হিজামা থেরাপিস্ট
‎🔹 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ শরইয়াহ
‎
‎🩸 হিজামা সেবা
‎
‎👨 পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎👩 নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
‎
‎📞 রুকইয়াহ, হিজামা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
‎
‎🟢 আপনার পাশে আছে
‎“রুকইয়াহ নূর” হিজামা এন্ড রুকইয়াহ সেন্টার, গাজীপুর
‎
‎📲 যোগাযোগ: 01403063121
‎
‎📍 ঠিকানা:
‎গ্রেট ওয়াল সিটি সোসাইটি, রোড নং ১ (ব্লক-A),
‎গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
‎
‎🌐 Website: Ruqyahnoor.com
‎
‎📩 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স অথবা কল করুন।
‎
‎🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিফায়ে কামিলা ও আজিলা দান করুন। আমিন।
‎
‎ #রুকইয়াহ_নূর #হিজামা #কুরআন #দোয়া #ইসলামিক_পোস্ট #আল্লাহর_উপর_তাওয়াক্কুল
‎

Address

Gazipur Sadar
Gazipur
1700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Noor Gazipur Branch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share