নিরাপদ মাতৃত্ব

নিরাপদ মাতৃত্ব Midwives work with other members of an individual's health care team when needed, but a midwife may also be your primary care provider.

👶 ছেলে না মেয়ে—পেটের নড়াচড়া দেখে কি সত্যিই বোঝা যায়? 🤔গর্ভাবস্থায় মায়ের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি হল...
18/10/2025

👶 ছেলে না মেয়ে—পেটের নড়াচড়া দেখে কি সত্যিই বোঝা যায়? 🤔

গর্ভাবস্থায় মায়ের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি হলো পেটে ছোট্ট প্রাণটার নড়াচড়া অনুভব করা। প্রথম যখন মা বুঝতে পারেন, তাঁর গর্ভে থাকা সন্তান নড়ছে—সেই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। 🥰

কিন্তু আমাদের সমাজে অনেক ধরনের বিশ্বাস ও ধারণা প্রচলিত আছে। এর মধ্যে একটা খুবই জনপ্রিয় ধারণা হলো—

✨ ছেলে সন্তান হলে বাচ্চা নাকি ডান পাশে বেশি নড়ে।
✨ আর মেয়ে সন্তান হলে নাকি বাম পাশে নড়াচড়া করে।

এমনকি কেউ কেউ বলেন, ছেলে বাচ্চা হলে লাথি বা নড়াচড়া বেশি জোরে হয়, আর মেয়ে হলে নাকি তুলনামূলক নরম হয়।

📌 তবে সত্য হলো—এগুলো সবই কেবল শুনা কথা আর লোকবিশ্বাস।

👉 চিকিৎসাবিজ্ঞানের হিসেবে গর্ভের শিশুর নড়াচড়া আসলে নির্ভর করে:

➡️বাচ্চার কোন অবস্থায় আছে (উপরে, নিচে, ডান বা বাম পাশে)

➡️মায়ের শরীরের ভঙ্গি ও ঘুমানোর পদ্ধতি

➡️মায়ের শারীরিক গঠন

➡️এমনকি খাবার খাওয়ার পর বাচ্চার প্রতিক্রিয়ার উপরও

🩺 তাই বৈজ্ঞানিকভাবে ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ করা যায় না পেটের কোন পাশে নড়াচড়া করছে তার ভিত্তিতে।

💡 মনে রাখবেন—
ছেলে হোক বা মেয়ে, প্রতিটি নড়াচড়াই মায়ের জন্য আশীর্বাদ এবং প্রতিটি মুহূর্তই এক অমূল্য অনুভূতি।
কারণ সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো সুস্থ সন্তান জন্ম নেওয়া। 🌸

---

❤️ আপনার কি মনে হয় এই ধরনের বিশ্বাসগুলো সত্যি, নাকি শুধু কল্পনা?
কমেন্টে লিখে জানান 👇

🌿মা ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক নিত্যনতুন তথ্য পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন 👍

#গর্ভাবস্থা #শিশুরনড়াচড়া #ছেলে_না_মেয়ে #মায়ের_অনুভূতি #বেবি

🔴বাচ্চা নিতে ইচ্ছুক মায়েদের জন্য অতি জরুরী কিছু পরামর্শ🔴আমাদের সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পরিবার। একজন মহি...
23/06/2025

🔴বাচ্চা নিতে ইচ্ছুক মায়েদের জন্য অতি জরুরী কিছু পরামর্শ🔴

আমাদের সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পরিবার। একজন মহিলা ও পুরুষ যখন নতুন সংসার শুরু করে তখন তারা নানা স্বপ্ন দেখে। সন্তান ছাড়া একটি পরিবার সম্পূর্ন হয় না। একটি দম্পতি সংসার শুরু করার পরেই সন্তানের অভাববোধ করেন। এটাই জগতের নিয়ম। কিন্তু একটি সংসারে নতুন অতিথি আসার আগে অনেক প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে। একটি সুস্থ ও সবল বাচ্চার স্বপ্ন দেখে সব দম্পতিরাই। তাই স্বপ্নের সূচনা যেন ভালোভাবে হয়, তাহলে স্বপ্নটি পূরণ হবার সম্ভাবনাও বেশী থাকে।

বলা হয়ে থাকে একটি সার্থক গর্ভধারণ, গর্ভধারণ করার আগেই বিভিন্ন প্লানের উপর নির্ভর করে। সব মহিলাই উপকৃত হতে পারেন যদি গর্ভধারণের আগের প্লান সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, গর্ভধারণের আগে কী কী প্রস্তুতি নেয়া দরকার।

✅মানসিক প্রস্তুতি
আপনি ও আপনার স্বামী যখন গর্ভধারণের চেষ্টা করবেন, তখন মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিবেন, আপনারা এখন সন্তান চান কিনা? সন্তানের দেখভাল করার মত লোকজন ও পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় আছে কিনা? ক্যারিয়ারের গঠনের মাঝে সন্তান নিলে সামলাতে পারবেন কিনা? দু’জনের মাঝে ভালো বোঝাপড়া আছে কিনা?মানসিকভাবে বর্তমানে আপনি বিপর্যস্ত কিনা? এই প্রশ্নগুলো নিজেকে করুন।যদি হ্যাঁবাচক উত্তর পান তবে বুঝতে হবে যে আপনি মানসিকভাবে প্রস্তুত।যদি না বাচক উত্তর পান তবে গর্ভধারণের চেষ্টা করার আগে আরও ভালোমতো ভেবে নিন।

⏩আর্থিক প্রস্তুতি
যদিও বলা হয়ে থাকে অর্থই অনর্থের মূল। তারপরও অর্থ ছাড়া জীবন অচল। তাই আপনার পরিবারে কোন নতুন অতিথিকে আনতে চাইলে তার ভবিষ্যতটা যতটা পারেন সুরক্ষিত করার চেষ্টা করবেন। কেননা সন্তান পালন বর্তমান যুগে অনেক ব্যয়সাপেক্ষ। তাই গর্ভধারণ করার ইচ্ছা থাকলে আগে অর্থনৈতিক দিকটাও ভেবে দেখবেন। একটা প্লানও করে নিতে পারেন। একটা ফিক্সড ডিপোজিট অথবা ইন্সুরেন্স করিয়ে নিতে পারেন গর্ভধারণের আগে। এতে আপনার অনাগত সন্তানের ভবিষ্যত সিকিউর থাকবে। এছাড়া একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমানো উচিত গর্ভধারণের চেষ্টাকালীন সময়ে। কেননা গর্ভাবস্থায়, বাচ্চা প্রসবকালীন ও বাচ্চা জন্মদানের পরবর্তী অবস্থায় অর্থের দরকার হয়।

🚹🚺শারীরিক প্রস্তুতি
মেডিকেল চেকআপ: আপনি কি খুব শ্রীঘ্রই বাচ্চা নিতে চাচ্ছেন?যদি বাচ্চা নিতে চান তবে গর্ভধারণের জন্য একটা বিশেষ সময়ের পরিকল্পনা করুন। এরপর মেডিকেল চেকআপ করুন। এতে করে আপনি জানতে পারবেন যে,বাচ্চা নেয়ার জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত কিনা? কেনোনা একটি স্বাস্থ্যবান বাচ্চা জন্মদেওয়া একটি সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান মায়ের উপর নির্ভর করে।এজন্য প্রি-কন্সেপশন, প্রি-প্রেগনেন্সি চেকআপ বা গর্ভধারণ করার আগের চেকআপ-টা করে নেওয়া উচিত। কেননা কিছু মেডিকেল কন্ডিশন ও জীবনযাত্রার মান গর্ভধারণকে প্রভাবিত করে, এমনকি গর্ভধারণ করার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।

🚻কি কি চেকআপ করাবেন: যদি আপনি সন্তানধারণের চেষ্টা করেন এবং আগে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার চিকিত্‍সককে বলুন কবে নাগাদ তা বন্ধ করবেন? সাধারণত গর্ভধারণ করার চেষ্টা করার কিছু মাস আগে থেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিটি বন্ধ করতে বলেন ডাক্তাররা। আপনার কিছু স্বাভাবিক মাসিক হওয়া দরকার গর্ভধারণের আগে। এতে করে গর্ভধারণ পরবর্তী বাচ্চা প্রসবের সময় নির্ধারণ করতে সুবিধা হয়।

স্বাস্থ্য ও অন্যান্য পরীক্ষা করুন। আপনার কোন রোগ থাকলে তা সারিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন।এমনকি আপনার স্বামীর কোন অসুখ থাকলেও তার চিকিত্‍সা করাতে হবে।এরপর ডাক্তার আপনার শারীরিক কিছু পরীক্ষা যেমন- ওজন, রক্তচাপ ও আপনার নিতম্ব স্বাস্থ্যবান কিনা তা পরীক্ষা করবেন। কেননা খুব ছোট ও চাপা নিতম্বে বাচ্চা জন্মের সময় জটিলতা দেখা দেয়। তাই আগে থেকেই পরীক্ষা করা থাকলে প্রসবকালে আপনার ডাক্তার সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন।

এরপর ডাক্তারটা পরীক্ষা করবেন যে, আপনি সন্তান ধারণ করতে পারবেন কিনা? মানে বন্ধ্যা কি না তা পরীক্ষা করেন।অনেক কারণে একটি দম্পতি বন্ধ্যা হতে পারে। মহিলা, পুরুষ উভয়ই এর জন্য দায়ী হতে পারে। এজন্য যথাযথ পরীক্ষা করে সমস্যা ধরা পড়লে, যার সমস্যা তার চিকিত্‍সা করাতে হবে।

প্যাপ টেস্ট করাতে হবে,জরায়ুমুখে কোন সমস্যা আছে কিনা তা জানার জন্য। কেনোনা একটি সার্থক প্রসব সুস্থ জরায়ু ও গর্ভাশয়ের উপর নির্ভর করে। এছাড়াও ডায়াবেটিস,উচ্চরক্তচাপ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। কারণ এইসব অসুখ মারাত্মক সমস্যা করে গর্ভাকালীন ও পরবর্তী সময়ে। তাই গর্ভধারণের আগেই এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন। এছাড়া HIV ও herpes এই টেস্ট গুলো করা ভালো কেনোনা এগুলো থাকলে গর্ভধারণ করা ঝুকিপূর্ণ।

এছাড়াও আপনি যদি দ্বিতীয় বারের মত মা হতে যান এবং আপনার যদি আগের গর্ভকালীন অবস্থায় নিম্নোক্ত সমস্যা হয়ে থাকে-

⁉️বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়া
জন্মের সময় বাচ্চা মরে যাওয়া
অকালে বাচ্চা হওয়া
বাচ্চার শারিরীক গঠনে সমস্যা থাকা
এইসব হয়ে থাকলে পরবর্তী বাচ্চা নেওয়ার সময় আপনাকে আরো সচেতন হতে হবে ও চিকিত্‍সকের পরামর্শমত গর্ভধারণ করতে হবে। আপনার ও আপনার স্বামীর পরিবারে কোন জেনেটিক সমস্যার কারণে কারো অসুখ হলে,একজন জেনেটিক কাউন্সিলারের সাথে পরামর্শ অবশ্যই করবেন। এজমা, ডায়াবেটিস, ডিপ্রেসনের ও অন্যান্য কোন ওসুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে গর্ভধারণের চেষ্টা করার সময়ই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিন। কেননা এতে সন্তান বিকলাঙ্গ হবার চান্স থাকে। রুবেলা, চিকেন পক্স এর টিকা আগেই নিয়ে রাখুন। এছাড়া ১৫ বছরের পর সব মেয়েরি টিটি টিকা নেওয়া উচিত। যেকোন ভ্যাক্সিন নেয়ার কমপক্ষে ১ মাস অপেক্ষা করুন গর্ভধারণের চেষ্টা করার জন্য। দাঁতের যত্ন নিন।দাঁতের সমস্যা হলে একজন ডেন্টিস্ট কে দেখান। কারণ এটা প্রমাণিত যে দাঁতের মাড়ীতে কোন অসুখ থাকলে কমওজনের ও অকালে জন্ম হয় শিশুর।

‼️একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

আপনার যদি ২৮ দিন অন্তর রেগুলার মাসিক হয় তাহলে মাসিক হওয়ার ১০ তম দিন থেকে ১৮ তম দিনে গর্ভধারণের চেষ্টা করলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে আর যাদের অনিয়মিত মাসিক হয় তারা তাদের সবচেয় কম সময় যেই মাসিক হয় সেই সময়ের সাথে ১৮ বিয়োগ করে ও সবচেয়ে বেশী সময়ে যে মাসিক হয় তার সাথে ১০ বিয়োগ করে তার ওভুলেশন ডেট গণনা করতে পারে। যেমন কারো যদি ২৬ থেকে ৩১ দিন অন্তর অন্তর মাসিক হয় তাহলে ২৬-১৮=৮ এবং ৩১-১০=২১ অর্থাত্‍ তার মাসিক হবার ৮তম দিন থেকে ২১ তম দিনে গর্ভধারণের চেষ্টা করলে তা সফল হবার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

এছাড়াও আপনার ডাক্তারকে কিছু প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করবেন-

⭕কখন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বন্ধ করবেন?
ওভুলেশনের ডেট ক্যালকুলেট করে নিবেন।
কি কি উপসর্গ দেখে বুঝবেন যে আপনি প্রেগন্যান্ট।
সাধারণত মাসিক না হওয়া ,স্তন বড় হয়ে যাওয়া, সকালে বমি বমি ভাব হওয়া এগুলো দেখে বুঝা যায়। এরপর সিউর হওয়ার জন্য প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে হবে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা খুবই জরুরি। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) বা নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটে...
22/06/2025

গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা খুবই জরুরি। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) বা নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন) উভয়ই মায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সাধারণত, ১৪০/৯০ মিমি Hg বা তার বেশি রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ এবং ৯০/৬০ মিমি Hg এর নিচে রক্তচাপকে নিম্ন রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা অপরিহার্য।
গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তচাপ সম্পর্কিত কিছু বিষয় নিচে আলোচনা করা হলো:
উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন):
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, যা প্রি-এক্লাম্পসিয়া নামেও পরিচিত, মায়ের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে।
যদি গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পর হঠাৎ করে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং প্রস্রাবে প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, তাহলে একে প্রি-এক্লাম্পসিয়া বলা হয়।
উচ্চ রক্তচাপের কারণে মা এবং শিশুর বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন- খিঁচুনি, লিভার বা কিডনির সমস্যা, সময়ের আগে প্রসব বেদনা, শিশুর কম ওজন ইত্যাদি।
নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি।
নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন):
গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান শিশুর চাহিদা মেটাতে রক্তনালী প্রসারিত হওয়ার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হওয়া একটি সাধারণ ঘটনা।
বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে নিম্ন রক্তচাপ বেশি দেখা যায়।
যদি রক্তচাপ খুব বেশি কমে যায়, তাহলে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
সাধারণত, এটি উদ্বেগের কারণ নয়, তবে যদি গুরুতর উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
✅করণীয়:
নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা,
বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম থেকেই।
স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা।
ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা।
⚠️ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা।
শারীরিক কার্যকলাপ, যেমন - হাঁটাচলা করা।
মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা।
যদি গর্ভাবস্থায় আপনার রক্তচাপ নিয়ে কোনো উদ্বেগ থাকে, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

⚠️গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টি প্রসবকালীন জটিলতার ঝুকি বাড়ায় ও স্বল্প ওজনের শিশু জন্মের আশঙ্কা বাড়ায়।✅তাই গর্ভাবস্থায় মাকে অধিক...
10/06/2025

⚠️গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টি প্রসবকালীন জটিলতার ঝুকি বাড়ায় ও স্বল্প ওজনের শিশু জন্মের আশঙ্কা বাড়ায়।
✅তাই গর্ভাবস্থায় মাকে অধিক পরিমানে শাক সবজি, ফল -মূলসহ অধিক পরিমানে পুষ্টিকর খাবার দিন।

04/06/2025

গর্ভবর্তী মহিলাদের অতিরিক্ত বমি হলে করণীয়,,,,,
#মাওশিশু #গর্ভবতী #মাতৃত্ব #শিশু #মাওশিশুরযত্ন #গর্ভ
#শিশুরযত্ন #কেয়ার #নিরাপদ #নরমাল #ডেলিভারি #হাসপাতাল #গাইনি #মা #বিপদচিহ্ন

03/04/2025

গর্ভকালীন বমি বমি ভাব বা বমি হলে কি করতে হবে।
#গাম্যধাত্রী #নর্মালডেলিভারি #মিডওয়াইফ #ধাত্রী #সন্তান #দাই #রুরাল #জীবন #নর্মাল #মাওশিশু

মা ও শিশুর সুরক্ষায় পাশে আছি। গর্ভবতী মহিলার যেকোন পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে পারেন।
27/03/2025

মা ও শিশুর সুরক্ষায় পাশে আছি। গর্ভবতী মহিলার যেকোন পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে পারেন।

26/03/2025

কিভাবে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী কোনো পরীক্ষা ছাড়াই।
চলুন জেনে নেই,,,,,,,৷
#গাম্যধাত্রী #মিডওয়াইফ #মাওশিশু #সন্তান #নর্মাল #রুরাল #জীবন #নর্মালডেলিভারি #ধাত্রী #দাই #মা

25/03/2025

সন্তান জন্ম দেওয়ার সঠিক
বয়স কত?
আপনি কত বছর বয়সে প্রথম সন্তান জন্ম দিয়েছেন?
কমেন্টে জানান,,,

Address

Fulbaria
Gazipur
1703

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিরাপদ মাতৃত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category