Dr Masum Billah

Dr Masum Billah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Masum Billah, Doctor, Al-Karim Pharmacy, Bonomala Road, Jashim uddin sarker market. Tongi. Gazipur, Gazipur.

ডাঃ মো: মাসুম বিল্লাহ
এমবিবিএস-এমডি (রাশিয়া)। পিজিটি (মেডিসিন ও শিশু রোগ), শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চেম্বার: আল-কারীম ফার্মেসি, বনমালা রোড, টঙ্গী, গাজীপুর I সিরিয়ালের জন্য: 019 1111 6332
স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শের জন্য পেইজটি ফলো করুন I

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক I ❤️
27/05/2026

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক I ❤️

রাশিয়ার পথে আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় যাত্রা (পর্ব–২) ✈️🇷🇺 (আমার রাশিয়ায় অবস্থানকালীন সত্য ঘটনা অবলম্বনে)“রাশিয়ায় সেই দি...
20/04/2026

রাশিয়ার পথে আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় যাত্রা (পর্ব–২) ✈️🇷🇺 (আমার রাশিয়ায় অবস্থানকালীন সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

“রাশিয়ায় সেই দিনটা আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর দিন ছিল … I ” আল্লাহর অশেষ রহমতে অবশেষে আমরা রোস্তভ ইউনিভার্সিটিতে এসে পৌঁছালাম। তামিলনাড়ুর সেই বড় ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যিনি পানির ব্যবস্থা করে আমাদের জীবন বাঁচিয়েছেন। তিনি আমাদের ইউনিভার্সিটির ডিন অফিস অবধি পৌঁছে দিলেন।

আমরা দুজন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত মানুষ লাগেজ নিয়ে দ্বিতীয় তলা ডিন অফিসের ভেতরে প্রবেশ করলাম।

একবার লাগেজ হারিয়ে যে বিপদে পড়েছি তার আর পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। ডিন অফিসের ভেতরে থাকা সবাই আমাদের দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন। মনে হলো যেন তারা ভূত দেখছেন 👻। এরা কারা! কোত্থেকে এলো! ডিন অফিসের ভেতরে কেউ লাগেজ নিয়ে ঢোকে নাকি!

একজন ৬ ফিট লম্বা দৈত্যাকার সুঠাম দেহের সুপুরুষ আমাদের দিকে এগিয়ে আসলেন। তিনি ভাঙা ভাঙা ইংলিশে আমাদের সবকিছু জিজ্ঞেস করলেন। আমরা পুরো ঘটনা তাকে খুলে বললাম।

তিনি আমাদেরকে অফিসের ভেতরেই বসতে দিলেন এবং আশ্বস্ত করলেন আমরা যেন চিন্তা না করি । আমাদের জন্য তৎক্ষণাৎ হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে 🏨।

পরে জানতে পারলাম, ওই ভদ্রলোক ছিলেন আমাদের অংকের শিক্ষক I তিনি কাউকে ফোন করে আসতে বললেন, আর আমরা ডিন অফিসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। পরে যতবার এই ঘটনাটা আমার মনে পড়েছে, ততবারই হাসি পেয়েছি। ডিন অফিসে কি কেউ লাগেজ নিয়ে ঢোকে নাকি?

অবশেষে যে এল, সে এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধা—মঙ্গোলিয়ান মহাবীর চেঙ্গিস খানের বংশধর, নাম তার উশুখু বায়ার উলানবাটর! না, সে যুদ্ধ করার জন্য রাশিয়ায় আসেনি। সে এসেছে মেডিকেল পাস করে ডাক্তার হওয়ার জন্য। যদিও তার বাবা একজন জাঁদরেল মঙ্গোলিয়ান আর্মি জেনারেল।

উশুখু আমাদেরকে রিসিভ করে সামনে সামনে হাঁটতে লাগল, আমরা লাগেজ দুটো টানতে টানতে ওকে অনুসরণ করলাম। একটা সময় ও একটা সাদা বিল্ডিংয়ের কাছে এসে থেমে গেল।
ও রাশিয়াতে আরও ২ মাস আগে এসেছে। অল্প স্বল্প চালিয়ে নেওয়ার মতো রুশ ভাষায় কথা বলতে পারে। ও আমাদেরকে নিয়ে কমিনড্যান্টের কাছে নিয়ে গেল। হোস্টেল সুপারকে কমিনড্যান্ট বলে।

তিনি একজন রাশিয়ান ভদ্র মহিলা। সব ফরমালিটি শেষ করে তিনি আমাদের দুজনের হাতে চাবি বুঝিয়ে দিলেন।
আমি আর শাহনুর উশুখুর সাথে একটা রুমে প্রবেশ করলাম। আজ থেকে এটাই হলো আমাদের থাকার রুম। দ্বিতীয় তলায় আমাদের থাকার ব্যবস্থা হলো।

আর উশুখু হলো আমাদের রুমমেট। জীবনের এই প্রথম কোনো বিদেশি মঙ্গোলিয়ানের সাথে আমাদের থাকতে হবে।

উশুখু অল্প ইংলিশ জানতো, আমরা ওর সাথে ইংলিশ ভাষায় আর বাকিটা আকার ইঙ্গিতে ইশারায় কথা বলতাম।

উশুখু ছিল ৬ ফিট লম্বা, বোচা নাকের অধিকারী, গোলাকার টিপিক্যাল মঙ্গোলয়েড ফেস। কালার ছিল ধবধবে সাদা, রেগে গেলে একদম লাল বর্ণ ধারণ করতো। সব সময় হাফ প্যান্ট পরে ঘুরে বেড়াতো। শান্তিপ্রিয় ছেলে ছিল।
ওর সাথে আমি এক বছর রুম শেয়ার করে থেকেছি।
আমরা একটু ফ্রেশ হলে উশুখুকে নিয়ে পাশের মার্কেটে শপিংয়ের জন্য বের হলাম। এটা অনেকটা সুপার মার্কেটের মতো শপ।

রস্তভ শহর রাশিয়ার সুন্দর শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমি আর সাহানুর কিছু হাঁড়ি-পাতিল, আলু, তেল, লবন, পিয়াজ, একটা ব্রেড, কিছু ডিম, আর মিনারেল ওয়াটার কিনে বাসায় ফিরে আসলাম I

রাশিয়ান কিচেনগুলো একটু অন্যরকম। সব ইলেকট্রিক চুলা। এক চুলায় ৪টা হাঁড়ি বসানো যায়। প্রথম প্রথম এই চুলায় রান্না করতে খুব কষ্ট হয়েছে। চুলার হিট বুঝতাম না। আমি আর সাহানুর ডিম ভেজে ব্রেড দিয়ে খেয়ে এই রাতটা পার করলাম। আমরা প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ঘুমানোর সুযোগ পেলাম।

এতটাই ক্লান্ত ছিলাম যে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতেই পারিনি। ঘুম ভাঙে উশুখুর ডাক শুনে।

এখন ফ্রেশ হতে হবে, ওয়াশরুম যেতে হবে—একি মহা বিপদ। আমি ওয়াশরুম খুঁজছি, এমন সময় দেখি কিছু স্কার্ট পরা স্বর্ণকেশী রাশিয়ান মেয়েরা এক লিটারের পানির বোতল হাতে নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে। আমিতো খুবই অবাক হলাম। ছেলেদের হোস্টেলে এত ভোরে মেয়ে এলো কোথা থেকে!

আসলে আমার পাশের রুমটাতেই ওরা থাকে। বলে রাখা ভালো, রাশিয়ান টয়লেটে কোনো পানির ব্যবস্থা নেই। ওরা শুধু টয়লেট পেপার ব্যবহার করে।

যে দুইটা মেয়ের হাতে পানির বোতল ছিল, ওরা রাশিয়ান চেচেন অঞ্চলের মুসলিম মেয়ে। একজনের নাম দিয়া আর একজনের নাম মারিয়া। ওরা ফার্স্ট ইয়ার মেডিকেল স্টুডেন্ট, আমাদের থেকে এক বছরের সিনিয়র I

আমি টয়লেটে গিয়ে কোনো পানি না পেয়ে ফিরে আসলাম। খুবই আশাহত হলাম। এটা ছিল রাশিয়ায় আমার জন্য আরেকটা ধাক্কা। নতুন দেশ, নতুন রীতিনীতি—মানিয়ে নিতেই হবে।

গতকালের কেনা পানির বোতলটাই এখন আমার একমাত্র সম্বল I রুমে এসে ওটা নিয়ে ওয়াশরুমে গেলাম। খাবার পানি রেখে দেওয়ার চেয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়াশরুমে ঢুকলাম—একি, দরজা কোথায়? দরজা ছাড়া আবার টয়লেট হয় নাকি! পাশের টয়লেটে উঁকি দিলাম, যা দেখলাম তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। এক আফ্রিকান ভদ্রলোক দরজা ছাড়া টয়লেটে বসে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। আমি লজ্জা পেয়ে কোনো মতে সেখান থেকে সরে এলাম।

দৌড়ে রুমে এসে সাহানুরের কাছে বললাম, “এই সাহানুর, এদিকে আসো—এখানকার ওয়াশরুমে তো দরজা নেই! কী করব, তাড়াতাড়ি বলো!”

ও আমার কথা শুনে নিজেও কিছুটা অবাক হয়ে গেল। বলল, “কি! তাই নাকি?” আমি বললাম, “বিশ্বাস না হলে দেখে আসো।”

ও গিয়ে সত্যিই সেই আফ্রিকান ভদ্রলোককে দরজা ছাড়া হাই কমোডের উপর বসে থাকতে দেখল। সেও খুব লজ্জা পেল।

এখন তো আর লজ্জা পেলে চলবে না—প্রকৃতি বড়ই নিষ্ঠুর, তার ডাকে সাড়া না দিয়ে উপায় আছে!

আমি আর সাহানুর এবার টয়লেটের দরজা খুঁজতে বের হলাম। অবশেষে স্টোররুমের এক কোণায় টয়লেটের ভাঙা দরজা আবিষ্কার করলাম। অনেকটা কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের মতোই খুশি হলাম। 😆

দুজন মিলে সেটাকে টেনে-হিঁচড়ে টয়লেটের মুখে এনে রাখলাম। আমি বোতলে পানি ভরে ভেতরে গেলাম। দরজাটা কোনো মতে টয়লেটের সামনে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখলাম।

আর সাহানুরকে বললাম, “তুমি বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দাও, যাতে কেউ ভেতরে ঢুকে না পড়ে!”

এভাবেই আমি আর ও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলাম।

পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️
স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শের জন্য নিচের পেইজটি ফলো করুন। 👇
https://www.facebook.com/share/1CYMET92iC/

✈️ #বাংলাগল্প
#গল্প #ভ্রমণকাহিনী #ফেসবুকপোস্ট #ভাইরাল #লাইফস্টোরি
🇷🇺

🍐নদীর বুকে বরিশালের ভাসমান পেয়ারা বাগান— প্রকৃতি আর জীবনের অপূর্ব মেলবন্ধন 💚বরিশাল অঞ্চলকে বাংলাদেশের “পেয়ারার রাজধানী”...
17/04/2026

🍐নদীর বুকে বরিশালের ভাসমান পেয়ারা বাগান— প্রকৃতি আর জীবনের অপূর্ব মেলবন্ধন 💚

বরিশাল অঞ্চলকে বাংলাদেশের “পেয়ারার রাজধানী” বলা হয়। বরিশাল বিভাগের ভিমরুলি, স্বরূপকাঠি, এলাকায় সবচেয়ে বেশি পেয়ারা বাগান দেখা যায়। আপনি চাইলে এখানে ঘুরে আসতে পারেন I

🚤 কেন এটা এত বিখ্যাত?
নদী-খাল দিয়ে ঘেরা বিশাল পেয়ারা বাগান
গাছের নিচ দিয়ে নৌকায় চলাচল করা যায়
কৃষকরা নৌকায় করে পেয়ারা তুলে সরাসরি বিক্রি করেন I এখানে আছে বিখ্যাত “ভাসমান পেয়ারা বাজার”

🌳 কীভাবে চাষ হয়?

গাছগুলো নদীর ধারের উঁচু জমিতে সারিবদ্ধভাবে লাগানো I দুই পাশে নদী বয়ে যায় I
মৌসুমে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) প্রচুর পেয়ারা হয়
শত শত নৌকায় ফল বাজারে আসে I

🧭 ভ্রমণের সেরা সময় :

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর (পেয়ারা মৌসুম)
দুপুর ১২টা–৩টা সময় সবচেয়ে বেশি নৌকা ও বাজার জমে ওঠে I লোকাল কিছু হোটেল আছে যেখান বিভিন্ন ধরণের নদীর টাটকা মাছের স্বাদ 🐟 নিতে পারেন I

🍐আমার পেয়ারা বাগান ভ্রমণটা সত্যিই খুব ভালো লেগেছে 🌿
প্রকৃতির এত সুন্দর একটা জায়গায় সময় কাটানো—এক কথায় অসাধারণ!
আপনাদের কেমন লেগেছে? কমেন্টে জানাবেন 😊 পেইজ লিঙ্ক 👇

https://www.facebook.com/share/1CYMET92iC/

#বরিশাল #পেয়ারা

“পুরুষদের একটা কমন সমস্যা—যেটা অনেকেই বুঝতেই পারেন না 😳”অনেক পুরুষেরই একটা সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা আছে—প্রস্রাব ...
17/04/2026

“পুরুষদের একটা কমন সমস্যা—যেটা অনেকেই বুঝতেই পারেন না 😳”

অনেক পুরুষেরই একটা সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা আছে—প্রস্রাব শেষ করার কিছুক্ষণ পর আবার অল্প অল্প লিক হয়ে কাপড় ভিজে যাওয়া।
এটাকে বলা হয় 👉 Post Void Dribbling.

🚻 এটা কেন হয়?

প্রস্রাব শেষ করার পরও ইউরেথ্রা এর ভিতরে-

🔹 সামান্য প্রস্রাব আটকে থাকে
🔹 পরে সেটা ধীরে ধীরে বের হয়ে আসে

ফলে মনে হয়—“আমি তো শেষ করলাম, আবার ভিজলো কেন?” 😳

এটা সাধারণত হয়:

👉পেলভিক ফ্লোর মাসল দুর্বল হলে
👉দীর্ঘদিন বসে থাকার অভ্যাস থাকলে
👉বয়স 35–40+ হলে বেশি দেখা যায়
👉প্রোস্টেট বড় হওয়া (BPH)
👉কোষ্ঠকাঠিন্য
👉টয়লেট হ্যাবিট ঠিক না থাকলে

💡এই সমস্যার সমাধানের উপায়:

✔️ প্রস্রাব শেষে 30–40 সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
✔️ আবার একবার প্রস্রাব করুন I
✔️ নিচের অংশ হালকা চাপ দিয়ে শেষ প্রস্রাব বের করুন I
✔️ প্রতিদিন Kegel exercise করুন I
✔️ পানি ঠিকমতো পান করুন, কিন্তু খুব বেশি একসাথে না I
✔️কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলুন I

👉 “এতে কি নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে?”

➡️ অল্প অল্প অনিচ্ছাকৃত লিক হলে নামাজ নষ্ট হয় না

➡️ তবে অবশ্যই পরিষ্কার করে ওজু করে নামাজ পড়তে হবে I

➡️যদি বারবার uncontrolled হয়, তখন এটাকে excused condition ধরা হয় I

📌 শেষ কথা:
এটা পুরুষদের একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই সহজেই এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।” 👍

পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️
স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শের জন্য নিচের পেইজটি ফলো করুন। 👇
https://www.facebook.com/share/1CYMET92iC/

✈️ রাশিয়ায় যাত্রা (পর্ব–১) 🇷🇺 এই গল্প পড়ে অনেকে ইনবক্সে ও কমেন্টে জিজ্ঞেস করেছেন—এটা কি সত্যি গল্প? 🤔হ্যাঁ, এটি সম্পূর্ণ...
16/04/2026

✈️ রাশিয়ায় যাত্রা (পর্ব–১) 🇷🇺 এই গল্প পড়ে অনেকে ইনবক্সে ও কমেন্টে জিজ্ঞেস করেছেন—এটা কি সত্যি গল্প? 🤔

হ্যাঁ, এটি সম্পূর্ণ আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা। আমি রাশিয়ায় ৭ বছর থাকার সময় যে যাত্রা, সংগ্রাম আর অভিজ্ঞতা পেয়েছি—তার কিছু অংশই আমি গল্প আকারে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি 🇷🇺✨

সব ঘটনা একসাথে না লিখে ধাপে ধাপে (পর্বে পর্বে) লিখছি, যাতে প্রতিটা মুহূর্ত ভালোভাবে বোঝা যায় এবং অনুভব করা যায় 📖

👉 �⁠পর্ব–২ পড়তে আগ্রহী হলে কমেন্টে জানাবেন।

আপনাদের ভালোবাসাই আমার অনুপ্রেরণা—ধন্যবাদ I ❤️
👉 📖 পর্ব–১ না পড়ে থাকলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন :👇

https://www.facebook.com/share/p/1EMkWBa9xJ/

🌸🎉 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ 🎉🌸নতুন বছরের নতুন সূর্য উঠুক আনন্দ আর আশার আলো নিয়ে ☀️✨ মুছে যাক সব দুঃখ, কষ্ট আর হতাশা 🌼💫ভরে উঠুক জী...
14/04/2026

🌸🎉 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ 🎉🌸
নতুন বছরের নতুন সূর্য উঠুক আনন্দ আর আশার আলো নিয়ে ☀️✨
মুছে যাক সব দুঃখ, কষ্ট আর হতাশা 🌼💫
ভরে উঠুক জীবন সুখ, শান্তি আর ভালোবাসায় ❤️🌿

এই নতুন বছরে সবার জন্য রইলো সুস্বাস্থ্য, সফলতা আর অফুরন্ত আনন্দের শুভকামনা 🤲🌸

শুভ হোক সবার নতুন বছর! 🥰🎊
#শুভ_নববর্ষ #পহেলা_বৈশাখ

📖✈️ রাশিয়ার পথে আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় যাত্রা (পর্ব–১) 🇷🇺❤️ ( আমার রাশিয়ায় থাকাকালীন সত্য ঘটনা অবলম্বনে ) I  সালটা ঠি...
12/04/2026

📖✈️ রাশিয়ার পথে আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় যাত্রা (পর্ব–১) 🇷🇺❤️ ( আমার রাশিয়ায় থাকাকালীন সত্য ঘটনা অবলম্বনে ) I

সালটা ঠিক ২০০৮। মহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্কলারশিপ নিয়ে রাশিয়ায় ডাক্তারি পড়ার জন্য নির্বাচিত হলাম। আমার ইউনিভার্সিটির নাম—রোস্টভ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, যা রাশিয়ার কৃষ্ণ সাগরের কাছে, ডন নদীর তীরে অবস্থিত। আমার সাবজেক্ট ছিল জেনারেল মেডিসিন।

🩺 ছোটবেলা থেকেই আমার আম্মুর স্বপ্ন ছিল—আমি একদিন বড় হয়ে ডাক্তার হবো । আজ সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এলো।

এক বিকেলে, বাসার সামনে মাঠে কাজিনদের সাথে ক্রিকেট খেলছিলাম। হঠাৎ পোস্ট অফিসের পিয়ন এসে আমার হাতে একটা সরকারি চিঠির খাম ধরিয়ে দিলো। চিঠি খুলতেই চোখ যেন বিস্ময়ে বড় হয়ে গেলো —আমি রাশিয়ায় ডাক্তারি পড়ার জন্য সিলেক্টেড!

আনন্দে, উত্তেজনায় আর স্বপ্নে ভেসে যেতে লাগলাম। কোনো কিছু না ভেবেই প্রস্তুতি শুরু করে দিলাম।

নীলক্ষেত থেকে রাশিয়ান-বাংলা অভিধান আর ভাষা শেখার বই কিনলাম । কিন্তু রাশিয়ান ভাষা! যেখানে রাশিয়ান—বাংলায় লেখা শব্দগুলো পড়তেই দাঁত ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থা! সেখানে রাশিয়ান ভাষা মানে—“ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি” অবস্থা 😅।

রাশিয়ান এম্বাসি থেকে আমাকে জানানো হলো—খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাকে রাশিয়া যেতে হবে। বাংলাদেশ থেকে তখন আমরা ২ জন সিলেক্টেড হয়েছিলাম—আমি আর শাহনূর। সে বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে।

রাশিয়ান এম্বাসিতে গিয়ে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমরা দুজনে মিলে একসাথে কাতার এয়ারওয়েজে প্লেনের টিকিট কাটি ।

হাতে একদম অল্প সময় পাই। এই সময়ের মধ্যে আমি ঢাকার বঙ্গবাজার থেকে কিছু শপিং করে নেই। তখন রাশিয়া বলতে শুধু একজনকেই চিনতাম—টেনিস সেনসেশন মারিয়া শারাপোভা ।
তখন একটাই ইচ্ছা ছিল—যেকোনো মূল্যে রাশিয়া যাওয়া I

অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত দিন—৭ অক্টোবর। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে, বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে প্লেনে উঠলাম —আমি আর শাহনূর।

অতিরিক্ত রোমাঞ্চিত হওয়ার কারণে আমরা সবচেয়ে বড় বোকামিটা করে বসি—রাশিয়ান এম্বাসিতে ইনফর্ম না করেই আমরা রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। 🇷🇺

নিয়ম ছিল—এম্বাসিকে আমাদের আগে থেকেই যাওয়ার ডেট জানানো। তারিখ না জানানোয় বিপদ আরও ঘনীভূত হলো। কারণ আমাদের গন্তব্য ছিল 'রোস্টভ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি'—যা মস্কো থেকে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার দূরে, কৃষ্ণ সাগরের খুব কাছে অবস্থিত। 🌊

মস্কো থেকে সেখানে ট্রেনে যেতে প্রায় একদিন সময় লাগে। এম্বাসিকে আগে থেকে জানালে তারা মস্কোতে আমাদের রিসিভ করে রোস্টভে যাওয়ার ট্রেনের টিকিট করে দিত। কিন্তু এখন তো সবটাই অনিশ্চিত!

ঢাকা থেকে কাতারের দোহা পর্যন্ত ভালোভাবেই যাই। কাতার থেকে আবার অন্য প্লেনে মস্কোর জন্য উঠি। রাত তখন ১২টা। প্লেন প্রায় ফাঁকা।
বিমানবালার কাছ থেকে কম্বল নিয়ে তিনটা সিটে বরিশালের লঞ্চের মতো ঘুমিয়ে পড়ি 😴।

হঠাৎ এয়ার হোস্টেসের ডাক—“উঠুন, আমরা মস্কোতে ল্যান্ড করবো!” আমি তো খুশিতে আত্মহারা —স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে!

মস্কো ডোমোডেডোভো এয়ারপোর্টে নামতেই বুঝলাম—রাশিয়া আসলে কী জিনিস! তাপমাত্রা মাইনাস ৫ ডিগ্রি 🥶—ঠান্ডা যেন শরীরে কাঁটার মতো বিঁধছে। লাগেজ খুলে শীতের কাপড়গুলো বের করে এয়ারপোর্টেই বসে পরে নিলাম I

এখন কাজ—রোস্টভে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা—ভাষা!

যাকেই ইংরেজিতে বলি, সবাই একটাই উত্তর দেয়—“I don’t speak English.” এরা ইংলিশে কথা বলা মোটেও পছন্দ করে না—ইংলিশ এদের চক্ষুশূল!

ইন্টারনেট নেই, রুবেল নেই (রাশিয়ান টাকা কে রুবেল বলে), আমাদের ইংলিশ ভাষা কেউই বোঝে না। বাসায় যে যোগাযোগ করবো, তারও উপায় নেই—আমরা একেবারে অসহায়।

আমরা যে রোস্টভ শহরে যাবো, একথা কাউকে বোঝাতে পারছিলাম না; না পারছিলাম একটা ট্যাক্সি ম্যানেজ করতে । শাহনূর তো কান্না শুরু করে দিল—“মাসুম, আমরা কোথায় এসে পড়লাম!” 😢

আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম—“The Terminal” মুভির টম হ্যাংকসের মতো আপাতত এয়ারপোর্টেই থাকবো। (সিনেমায় টম হ্যাঙ্কস ভিসা সমস্যার কারণে বিমানবন্দরে আটকে পড়েন এবং নিজের দেশে ফিরে যেতে বা বাইরে আসতে না পেরে দীর্ঘ সময় সেখানে বসবাস করেন।)

এভাবে অনেকটা সময় কেটে গেল। শাহনূরকে লাগেজের পাহারায় বসিয়ে আমি এয়ারপোর্টটা ঘুরে আসলাম।

হঠাৎ মাথায় এলো—ট্রেনে যাওয়া তো সম্ভব হচ্ছে না, তাহলে আমরা কেন প্লেনে রোস্টভ যাচ্ছি না!

আমি আর শাহনূর এবার বিলবোর্ডে প্লেনের বিভিন্ন রুটগুলো খুঁজতে লাগলাম। অবশেষে বোর্ডে রোস্টভ লেখা দেখে যেন প্রাণ ফিরে পেলাম ।

ঘড়ির কাটায় তখন সময় ৯টা ৫০ মিনিট। রোস্টভের উদ্দেশে প্লেন ছাড়বে ১০টায়—হাতে আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি!

ইশারায়-ইঙ্গিতে এক ভদ্রমহিলাকে বুঝিয়ে টিকিট কাউন্টারে গেলাম। তিনি আমাদেরকে পেমেন্ট করতে বললেন। আমরা ডলার থেকে অনেক কষ্টে রুবেল এক্সচেঞ্জ করে টিকিট কাউন্টারে গেলাম।

আমিতো নোট চিনিনা, তাই আমি আমার কাছে থাকা সবগুলো রুবেল ওনার সামনে টেবিলে রাখলাম। টিকিটের মূল্য যতোটুকু, উনি ঠিক ততটাই রুবেল সেখান থেকে নিলেন, আর বাকিটা আমাকে ফেরত দিলেন। চাইলে উনি বেশি নিতে পারতেন, কিন্তু উনি তা করেননি—পরে বুঝেছি।

টিকিট তো কাটা হলো, এখন বিমানে ওঠার পালা। এইসব করতে করতে কখন যে সময় ১০টা পার হয়ে গিয়েছে, বুঝতেই পারিনি।

ঠিক তখনই ঘোষণা এলো লাউডস্পিকারে—“Last Call for Masum!” 📢

🏃‍♂️ আমরা লাগেজ নিয়ে প্রাণপণে দৌড়াতে লাগলাম বিমানের দিকে। আমাদের সামনে সিকিউরিটি গার্ড দৌড়াচ্ছে। বলে রাখা ভালো—এর মাঝে আমরা ভুলেই গিয়েছি লাগেজ বোর্ডিং করার কথা!

এখন আর লাগেজ বোর্ডিং করার সময় নেই। লাগেজ বোর্ডিং না করেই বিমানের দিকে প্রাণপণে দৌড়াতে লাগলাম ।

এরকম দৌড় জীবনে আরও একবার দৌড়েছিলাম—আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে ট্রেনিং-এর সময়, সেটা অন্য আরেকটা গল্প!

কোনোমতে প্লেনে উঠলাম। প্লেনের সব রাশিয়ান যাত্রীরা তাদের চোখগুলো লাল আর বড় বড় করে আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। কারণ আমাদের জন্য তাদের অনেকটা সময় প্লেনে অপেক্ষা করতে হয়েছে I

তারা ইচ্ছামতো আমাদের রাশিয়ান ভাষায় বকা দিচ্ছিল। অবশ্য আমরা এগুলোর আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারছিলাম না!

এমনিতেই সকাল থেকে দানাপানি পেটে কিছুই পড়েনি। তার ওপর রাশিয়ানদের আপ্যায়নে গলা আরও শুকিয়ে গেল। 😢

অপেক্ষা করতে লাগলাম কখন খাবার আসে। খাবার ঠিকই এল—স্যুপের মাঝে মশলা ছাড়া সেদ্ধ মুরগির সাদা কয়েকটা টুকরো, আর পানির বদলে এক কাপ ‘ভদকা’!

চিকেন স্যুপ মুখের কাছে নিতেই বমি চলে এল । কোথায় চাইলাম পানি, আর এলোকিনা বমি।! বড়ই আফসোস ।

অভাগা যেদিকে তাকায় সাগর শুকিয়ে যায়—আমার বেলায় বুঝি তাই ঘটলো। নতুন বিপদ—লাগেজ নেই! সব টাকা, কাপড়, সার্টিফিকেট—সব ওই লাগেজে!

আমরা এয়ারপোর্টের এক কোণে বসে কান্না শুরু করলাম। আমরা তো তখনও শিশু—বয়স সবে ১৭ বছর।

রুশ সিকিউরিটি গার্ড ভদ্রমহিলাকে অনেকভাবে বোঝালাম, কিন্তু কোনো কাজই হলো না। ভাষা না জেনে বিদেশে আসা—ভূমধ্যসাগরে হাবুডুবু খাওয়ারই মতো অবস্থা।

👱‍♀️ তখন আমাদের কান্না দেখে এক রুশ ভদ্রমহিলা একজন ৬ ফুট লম্বা স্বর্ণকেশী মহিলাকে কোথা থেকে যেনো নিয়ে আসলেন। তিনি একজন ব্রিটিশ তরুণী।

তাঁকে আমরা ইংরেজিতে আমাদের সব কথা খুলে বললাম। তিনি আমাদের অভয় দিলেন। বললেন, "আমাদের লাগেজ খোঁজা হচ্ছে" I

তিনি কোনো এক কাজে রাশিয়ায় থাকেন। তিনি রুশ ও ইংরেজি—দুটোই অনর্গল বলতে পারেন।

🙏 অবশেষে লাগেজ পাওয়া গেল—আলহামদুলিল্লাহ!

এবার ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার পালা। ভাষা না জানার কারণে ট্যাক্সিও নিতে পারছিলাম না ।

আমি আর আমার বন্ধু শাহানুর সিদ্ধান্ত নিলাম—দুজনে মিলে কোনো ইংরেজি জানা লোককে খুঁজে বের করব।

আমরা সকল যাত্রীদের মুখের দিকে তাকাতে লাগলাম আর জিজ্ঞেস করলাম—ইংরেজি জানেন কি না।

শেষমেশ এক আফ্রিকান ভদ্রলোককে পেলাম, তিনি আমাদের সাহায্য করলেন।

তিনি একটি ট্যাক্সি ম্যানেজ করে নিয়ে আসলেন। আমাদের বললেন—উনি আমাদের ইউনিভার্সিটির কাছেই যাবেন।

আমরা আর কোনো কিছু না ভেবেই, ভয়ে ভয়ে, ওনার সাথে ট্যাক্সিতে উঠে পড়লাম এবং আল্লাহকে ডাকতে লাগলাম।

অবশেষে আমাদের ট্যাক্সি একটা জায়গায় এসে থেমে গেল। আফ্রিকান ভদ্রলোক আমাদের ট্যাক্সি থেকে নামতে বললেন।

আমরা নেমে পড়লাম। উনি আমাদের কাছে ২০০ রুবেল চাইলেন—আমরা পে করলাম।

লাগেজ হাতে, ক্লান্ত শরীরে, গুটি গুটি পায়ে সামনের দিকে এগোতে লাগলাম।

ভদ্রলোক অবশ্য নামার সময় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন। আমরা ইউনিভার্সিটির সামনে এসে দাঁড়ালাম।

ততক্ষণে দুপুর গড়িয়ে বিকেল। সারাদিন কিছু খাইনি—পানি পর্যন্ত না ।

সামনে একজন বাংলাদেশী চেহারার ছেলেকে দেখতে পেলাম। একটু খুশি হয়ে এগিয়ে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম—“আপনি কি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন? আমরা বাংলাদেশী।”

উত্তর এলো—“না, আমি তামিলনাড়ুর…” সে ইংরেজিতে উত্তর দিল।

তিনি আমাদের ক্লান্ত দেখে জিজ্ঞেস করলেন—“তোমাদের কি কোনো সাহায্যের প্রয়োজন?”

💧 তখন আমাদের দু’জনের মুখ থেকে শুধু একটি কথাই বের হলো—
“আমরা পানি খাব…” 😢 .........চলবে I

পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️
স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শের জন্য নিচের পেইজটি ফলো করুন। 👇
https://www.facebook.com/share/1CYMET92iC/

✈️ #বাংলাগল্প #জীবনেরগল্প
#গল্প 🌍 #ভ্রমণকাহিনী #ফেসবুকপোস্ট #ভাইরাল #লাইফস্টোরি
📖 #ইমোশনাল
💖 #ট্রেন্ডিং
🇷🇺

প্রায়শ্চিত্ত করার কোনো বয়স বা সময় নেই। যে কোনো সময় তা করা যায়, তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ এই ভদ্রলোক। আল্লাহ তাকে কবুল ...
10/04/2026

প্রায়শ্চিত্ত করার কোনো বয়স বা সময় নেই। যে কোনো সময় তা করা যায়, তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ এই ভদ্রলোক। আল্লাহ তাকে কবুল করুন, আমিন I

দীর্ঘ ৫০ বছর আগে বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রার ঘটনায় অনুশোচনা থেকে অবশেষে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করেছেন মফিজুল ইসলাম (৬০) নামের এক বৃদ্ধ। তিনি ২০ হাজার টাকা জমা দিয়ে নিজের সেই পুরোনো ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করেছেন।

🔴 (হাম) Measles সম্পর্কে জরুরি তথ্য 🔴এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল রোগ, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে টিকা না ন...
07/04/2026

🔴 (হাম) Measles সম্পর্কে জরুরি তথ্য 🔴

এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল রোগ, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে টিকা না নিলে যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

🦠 কীভাবে ছড়ায়?
হাম ভাইরাস কাশি, হাঁচি বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে সহজেই ছড়ায়।

🤒 প্রধান লক্ষণসমূহ:
✔️ জ্বর (প্রথমে হালকা, পরে বেশি)
✔️ কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া
✔️ চোখ লাল হওয়া (conjunctivitis)
✔️ মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
✔️ ৩-৫ দিনের মধ্যে শরীরে লাল র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়া

⚠️ জটিলতা হতে পারে:
❗ নিউমোনিয়া
❗ ডায়রিয়া
❗ কানের ইনফেকশন
❗ বিরল ক্ষেত্রে এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কে প্রদাহ)

💊 চিকিৎসা:
👉 নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল নেই
👉 সাপোর্টিভ চিকিৎসা (জ্বর কমানো, পানি/খাবার দেওয়া)
👉 ভিটামিন A খুব গুরুত্বপূর্ণ (জটিলতা কমায়)

🛡️ প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
💉 হাম-এর টিকা (MR/MMR) সময়মতো দেওয়া
👶 ৯ মাস ও ১৫ মাসে টিকা অত্যন্ত জরুরি

🚨 কখন ডাক্তার দেখাবেন?

➡️ শ্বাসকষ্ট হলে
➡️ খাওয়াতে সমস্যা হলে
➡️ জ্বর খুব বেশি হলে বা খিঁচুনি হলে

📢 মনে রাখবেন:
হাম অবহেলা করার মতো রোগ না। সময়মতো টিকা এবং সচেতনতা জীবন বাঁচাতে পারে। ধন্যবাদ I

পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️
স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শের জন্য নিচের পেইজটি ফলো করুন। 👇
https://www.facebook.com/share/1CYMET92iC/

Dr Masum Billah Health Tips



Address

Al-Karim Pharmacy, Bonomala Road, Jashim Uddin Sarker Market. Tongi. Gazipur
Gazipur
1710

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Friday 18:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Masum Billah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category