Doctor's consultancy, habiganj

Doctor's consultancy, habiganj Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Doctor's consultancy, habiganj, Medical and health, Habiganj.

হবিগঞ্জ শহর ও আশে পাশের বিভিন্ন উপজেলার রোগীদের জন্য প্রযোজ্য। ।নিয়মিত রোগী দেখা হয় এবং চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়।যেকোন প...
16/04/2026

হবিগঞ্জ শহর ও আশে পাশের বিভিন্ন উপজেলার রোগীদের জন্য প্রযোজ্য। ।

নিয়মিত রোগী দেখা হয় এবং চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়।

যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করবেন। ধন্যবাদ

#01768076122

বাচ্চাদের হাম (Measles) সম্পর্কে বিস্তারিত                     হাম কী?হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধার...
12/04/2026

বাচ্চাদের হাম (Measles) সম্পর্কে বিস্তারিত

হাম কী?
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি Measles virus দ্বারা হয় এবং খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

কীভাবে ছড়ায়?
হাম প্রধানত ছড়ায়—
আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে
বাতাসে থাকা ভাইরাসের মাধ্যমে
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি লক্ষণ শুরু হওয়ার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে।
লক্ষণসমূহ
হামের লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে দেখা যায়:

প্রাথমিক লক্ষণ:

জ্বর (উচ্চ তাপমাত্রা)
নাক দিয়ে পানি পড়া
কাশি
চোখ লাল হওয়া (conjunctivitis)
পরবর্তী লক্ষণ:
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
শরীরে লাল ফুসকুড়ি (rash), যা সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়ায়

জটিলতা
হাম কখনও কখনও গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে, যেমন:
নিউমোনিয়া
ডায়রিয়া
কানের ইনফেকশন
মস্তিষ্কে প্রদাহ (encephalitis)
অপুষ্ট শিশুদের ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে

চিকিৎসা
হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। তবে সাপোর্টিভ কেয়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ:
পর্যাপ্ত বিশ্রাম
বেশি করে পানি ও তরল খাবার
জ্বর কমানোর ওষুধ (যেমন: প্যারাসিটামল)
ভিটামিন A সাপ্লিমেন্ট (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)
⚠️ কখনোই নিজে নিজে ওষুধ না দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিরোধ
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা:
MR/MMR ভ্যাকসিন (Measles-Rubella / Measles-Mumps-Rubella)
বাংলাদেশে EPI প্রোগ্রামের আওতায় এই টিকা দেওয়া হয়
👉 সাধারণত:
৯ মাসে প্রথম ডোজ
১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হন:
খুব বেশি জ্বর (১০৩°F বা বেশি)
শ্বাসকষ্ট
খাওয়া বা পান করা কমে যাওয়া
অস্বাভাবিক ঘুম বা খিঁচুনি

হাম একটি মারাত্মক হলেও প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সময়মতো টিকা এবং সচেতনতার মাধ্যমে শিশুদের এই রোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব। অভিভাবকদের উচিত শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা এবং লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া।

21/08/2025

ইনসুলিন ব্যবহার এবং সংরক্ষণ সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

১) ইনসুলিন ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডেট দেখে নিতে হবে।
২) ইনসুলিন অতিরিক্ত ঠান্ডা বা আলো বা গরম কোনটাই সহ্য করতে পারে না। এগুলো থেকে দূরে রাখতে হবে।
৩) ইনসুলিন ওপেন না করলে ফ্রিজে সংরক্ষন করা যাবে এক্সপাইরী ডেট যতদিন থাকে (2° to 8°Celcius), (ওপেন মানে ক্যাপ খোলা এবং সিরিঞ্জ দিয়ে পাংচার করা হয়েছে)
৪) ইনসুলিন ওপেন করলে ২৮ দিন পর আর ব্যবহার করা যাবে না।
৫) ওপেন ইনসুলিন রুম তাপমাত্রায় রাখতে হবে। ফ্রিজে বা পানিতে ডূবিয়ে রাখা যাবে না। ফ্রিজে রাখলে ইনসুলিন ব্রেক ডাউন হয়ে যাবে আর সঠিকভাবে কাজ করবে না। (Freezing temperature will break down the insulin and then it will not work well to lower your blood sugar). ইনসুলিন পানিতে ডুবিয়ে রাখলে কন্টামিনেশন হতে পারে (Immersing insulin under water after the vial has been pierced carries a high risk of contamination, leading to loss of potency and likelihood of causing injection abscesses).
৬)ইনসুলিন এর পেন একবার ব্যবহার করার পর কখনই ফ্রিজে সংরক্ষন করা যাবে না। ২৮ দিন এর বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
৭) ইনসুলিন ব্যবহারের আগে দেখতে হবে রং ঠিক আছে কিনা, ঘোলা হয়েছে কিনা? নীচে পার্টিকেল জমেছে কিনা? এগুলোর কোনটি হলে এই ইনসুলিন ব্যবহার করা যাবে না।
৮) রোগীকে ইনসুলিন কিভাবে নিতে হয় সেটা ভালো করে দেখিয়ে দিতে হবে। অবশ্যই ইনসুলিন এর ইউনিট আর সিরিঞ্জ এর ইউনিট এক হতে হবে সেটা শিখিয়ে দিতে হবে।
৯) ইনসুলিন সিরিঞ্জ একবার ব্যবহার করা উচিত। যেহেতু এটা আমাদের দেশে সম্ভব না, তাই ইনসুলিন নেবার সময় ব্যথা হলে সিরিঞ্জ পরিবর্তন করতে হবে। তবে কোনভাবেই ৫ বারের বেশি সিরিঞ্জ ব্যবহার করা যাবে না।

16/07/2025

গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিন মাস (২য় ট্রাইমেস্টার – ৪র্থ থেকে ৬ষ্ঠ মাস পর্যন্ত) মায়ের ও শিশুর উভয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় রয়েছে, যা নিচে উল্লেখ করা হলো:

---

🩺 চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা:

1. নিয়মিত ডাক্তার দেখান – প্রতি মাসে একবার চেকআপ করুন।

2. আল্ট্রাসাউন্ড (USG) – ১৮-২২ সপ্তাহে একটি এনোমলি স্ক্যান করান (বাচ্চার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিক আছে কিনা দেখতে)।

3. রক্ত ও ইউরিন পরীক্ষা – হিমোগ্লোবিন, ব্লাড সুগার, ইউরিন ইনফেকশন ইত্যাদি।

---

🍛 খাদ্য ও পুষ্টি:

1. প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান – যেমন দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল।

2. ফল ও সবজি প্রতিদিন খান – আয়রন ও ভিটামিনের জন্য।

3. ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত গ্রহণ করুন।

---

⚠️ সাবধানতা ও জীবনযাপন:

1. অতিরিক্ত ভারি কাজ, ওঠানামা, ঝাঁকুনিমূলক যাত্রা এড়িয়ে চলুন।

2. ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন।

3. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, দিনে অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

4. মন শান্ত রাখুন, স্ট্রেস কমান।

---

👶 শিশুর নড়াচড়া:

১৮-২২ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করতে শুরু করবেন।

---

📅 ভ্যাকসিন:

TT (টিটেনাস টক্সয়েড) ভ্যাকসিন – প্রথম ডোজ ৪-৫ মাসে এবং দ্বিতীয় ডোজ ৬-৭ মাসে।

---

🧘‍♀️ হালকা ব্যায়াম:

গর্ভবতী মায়েদের জন্য হালকা হাঁটা, যোগব্যায়াম (ডাক্তারের পরামর্শে) উপকারী।

---

✅ বিশেষ পরামর্শ:

বাচ্চার নড়াচড়া হঠাৎ বন্ধ হলে বা রক্তপাত/ব্যথা শুরু হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

---

16/07/2025

গর্ভকালীন সময়ে প্রথম তিন মাস (প্রথম ট্রাইমেস্টার) গর্ভধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই সময়ে শিশুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হতে থাকে, তাই মায়ের শরীর ও মনের বিশেষ যত্ন দরকার। নিচে প্রথম তিন মাসে করণীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হলো:

---

✅ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া:

গর্ভধারণ নিশ্চিত হলে দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা ও প্রথম USG (dating scan) করান।

---

✅ সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ:

প্রচুর ফল, শাকসবজি, ডাল, ডিম, মাছ, দুধ খেতে হবে।

ভিটামিন ও খনিজযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি, বিশেষ করে ফলিক অ্যাসিড (Foliate) যা শিশুর মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে।

---

✅ ঔষধ ও সাপ্লিমেন্ট:

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ফলিক অ্যাসিড (400–800 mcg/day) খেতে হবে।

প্রয়োজনে আয়রন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি যুক্ত করুন।

---

✅ বিশ্রাম ও ঘুম:

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে, প্রতিদিন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

অতিরিক্ত চাপ ও ক্লান্তি এড়ানো উচিত।

---

✅ মাথা ঘোরা বা বমি হলে:

এটি গর্ভাবস্থায় সাধারণ ব্যাপার, ছোট ছোট বিরতিতে খাবার খেতে পারেন।

আদা বা লেবুর রস সহ্য করলে খেতে পারেন, এতে বমি ভাব কমে।

---

✅ নিষিদ্ধ কিছু কাজ:

ধূমপান, মদ্যপান, পান-মসলা, কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ খাবার খাওয়া একদম নিষিদ্ধ।

প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া ঠিক না।

ভারী জিনিস ওঠানো ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম পরিহার করুন।

---

✅ মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন:

মন ভালো রাখুন, গর্ভাবস্থায় স্ট্রেস কমানো জরুরি।

ভালো গান শুনা, হালকা হাঁটা, পরিবার ও স্বামীর সহযোগিতা মায়ের মনের জন্য উপকারী।

---

✅ হালকা ব্যায়াম:

প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট হালকা হাঁটা ভালো, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

---

আপনার যদি বিশেষ কোনো সমস্যা থাকে (যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড) তাহলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

23/04/2025

কোমরের ব্যথা বেশ সাধারণ একটি সমস্যা, এবং এর পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে—যেমন ভুল ভঙ্গি, ভারী বস্তু তোলা, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, ডিস্ক স্লিপ, মাংসপেশির টান ইত্যাদি। নিচে কিছু সাধারণ করণীয় দেওয়া হলো:

প্রাথমিক করণীয়:

1. বিশ্রাম নিন: ব্যথা বেশি হলে হালকা বিশ্রাম নিন, তবে একদম বিছানায় পড়ে থাকবেন না। মাঝেমধ্যে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।

2. গরম/ঠান্ডা সেঁক: ব্যথার কারণ অনুযায়ী গরম বা ঠান্ডা সেঁক নিন। গরম সেঁক মাংসপেশি আরাম দেয়, আর ঠান্ডা সেঁক ব্যথা ও ফোলা কমায়।

3. সোজা হয়ে বসুন: সবসময় সোজা হয়ে বসুন, কোমরের নিচে সাপোর্ট দিন।

4. ভারী জিনিস তোলা এড়িয়ে চলুন।

5. হালকা স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করুন (ব্যথা কমে গেলে)।

চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে যদি:

ব্যথা ১ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়।

পা অবশ হয়ে যায় বা জ্বালাপোড়া অনুভব হয়।

হঠাৎ করে প্রস্রাব বা মল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়।

চিকিৎসকের পরামর্শ:

একজন হাড়-জোড় বিশেষজ্ঞ (অর্থোপেডিক) বা ব্যথা বিশেষজ্ঞ (Pain Specialist)-এর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

প্রয়োজন হলে এক্স-রে বা এমআরআই করাতে হতে পারে।

আপনি চাইলে ব্যথার ধরন (ধীরে শুরু নাকি হঠাৎ, নিচে ছড়িয়ে যায় কিনা, কোন কাজ করলে বাড়ে বা কমে)

18/03/2025

গরমে সুস্থ থাকার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার:

১. প্রচুর পানি পান করুন

শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করতে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যালাইন বা ফলের রস খেতে পারেন।

২. হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন

সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।

গাঢ় রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি তাপ শোষণ করে।

৩. সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলুন

বেলা ১১টা থেকে ৩টার মধ্যে সরাসরি রোদে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।

বাইরে গেলে ছাতা, সানগ্লাস বা টুপি ব্যবহার করুন।

৪. স্বাস্থ্যকর খাবার খান

তাজা শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খান।

ভাজাপোড়া ও গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলুন।

৫. শীতল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন

ঘর ঠাণ্ডা রাখার জন্য জানালা খোলা রাখুন বা ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

সম্ভব হলে দিনে একবার ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করুন।

৬. অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন

গরমের দিনে ভারী ব্যায়াম বা কঠোর পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন।

সকালে বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করুন, যখন তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে।

৭. হিটস্ট্রোক সম্পর্কে সতর্ক থাকুন

অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, খুব বেশি তৃষ্ণা—এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ছায়াযুক্ত স্থানে গিয়ে পানি পান করুন।

অবস্থা গুরুতর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে গরমেও সুস্থ ও সতেজ থাকা সম্ভব!

Address

Habiganj
3300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor's consultancy, habiganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share