Health Education and Rheumatology Care by Dr. Samaresh

Health Education and Rheumatology Care by Dr. Samaresh সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও রিউম্যাটোলজী ( বাত রোগীদের) বিভাগের রোগীদের জন্য পরামর্শ মূলক পেজ

15/05/2026
কিছু  #বাত রোগের পরিচিতি৪।  #সিস্টেমিক  #স্ক্লেরোসিস : এই রোগটিও মহিলাদের বেশি হয়, তবে পুরুষদেরও হতে পারে। এই রোগে প্রথম...
15/05/2026

কিছু #বাত রোগের পরিচিতি

৪। #সিস্টেমিক #স্ক্লেরোসিস :
এই রোগটিও মহিলাদের বেশি হয়, তবে পুরুষদেরও হতে পারে। এই রোগে প্রথম দিকে হাতের আঙুল ঠান্ডায় কালচে বা নীলচে রং ধারণ করে, তারপর ফ্যাকাশে বা সাদা রং, আবার গরম করলে স্বাভাবিক লালচে বর্ণে ফিরে আসে। শীতকালে ঠান্ডার সময় এই রোগের লক্ষণগুলো বেশি পাওয়া যায়।

তারপর ধীরে ধীরে হাত পায়ের চামড়া, মুখের চামড়া শক্ত হওয়া বা টাইট হওয়া শুরু হয়। স্ক্লেরোসিস মানে কোন কিছু শক্ত বা টাইট বা পুরু হয়ে যাওয়া বুঝায়।

পরবর্তীতে রোগ বাড়তে থাকলে আঙুলের রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে কালো হতে পারে, আঙুলের সম্মুখভাগ নষ্ট হয়ে ( গ্যাংগ্রিন হয়ে) পড়ে যেতে পারে।
খাদ্যনালীর মাংশপেশী আক্রান্ত হলে খাবার গিলতে কষ্ট হয়, খাবার সহজে নিচে নামতে চায় না, পেট ফাঁপা, অল্পতে পেট ভরা ভরা লাগা ভাব হয়।

তবে এই রোগে ফুসফুস, ফুসফুসের রক্তনালী, হৃদপিণ্ড আক্তান্ত হতে পারে। তখন পরিশ্রমের সাথে শ্বাসকষ্ট, কাশি, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি লাগা, বুক ধড়ফড় করা ইত্যাদি লক্ষণ তৈরি হতে পারে। কারো কারো কিডনী আক্রান্ত হলে উচ্চরক্তচাপ ও কিডনীর স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

শুরু থেকেই রোগটি ধরা পড়লে এবং সঠিক নিয়মে চিকিৎসা নিলে, নিয়মিত চেক আপে থাকলে রোগটির জটিলতা অনেকাংশে কমানো যায়, রোগীদেরও কষ্ট কমানো যায়।

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হোনভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নাই। বেশিরভাগ ডায়রিয়া ভাইরাস দিয়ে হয়। সেখানেও এন্...
15/05/2026

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হোন

ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নাই। বেশিরভাগ ডায়রিয়া ভাইরাস দিয়ে হয়। সেখানেও এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নাই। সাধারণ সর্দি জ্বর ও ভাইরাস জনিত। সেখানেও এন্টিবায়োটিকের ভূমিকা নাই। তাই যেকোন জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া হলেই চিকিসৎকের পরামর্শ ব্যতীত নিজে নিজে ফার্মেসী থেকে এন্টিবায়োটিক কিনে খাওয়া বন্ধ করুন।

অপ্রোজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষতিসমূহ:
১। অপ্রোজনীয় টাকা খরচ
২। এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি
৩। সাধারণ জীবাণুর বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে যাওয়া
৪। চিকিৎসা জটিলতা বেড়ে যাওয়া
৫। চিকিৎসা খরচ বেড়ে যাওয়া

কিছু বাতরোগের পরিচিতি৭। গাউট বা ইউরিক এসিড বৃদ্ধিজনিত বাত: ইউরিক এসিড বৃদ্ধিজনিত বাত নিয়ে রোগী এবং ডাক্তার সবার বেশ আগ্র...
26/02/2026

কিছু বাতরোগের পরিচিতি

৭। গাউট বা ইউরিক এসিড বৃদ্ধিজনিত বাত:
ইউরিক এসিড বৃদ্ধিজনিত বাত নিয়ে রোগী এবং ডাক্তার সবার বেশ আগ্রহ দেখা যায়। যে কোন ব্যথা নিয়ে আসলেই নারী পুরুষ নির্বিশেষে ইউরিক এসিড টেস্ট করা হয় যা আসলে সঠিক নয়।

# এটি কেন হয়: আমাদের শরীরে বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় বর্জ্য পদার্থ হিসেবে ইউরিক এসিড তৈরি হয় এবং কিডনী দিয়ে প্রশ্রাবের সাথে নির্গত হয়। শরীরে যদি বেশি পরিমাণ ইউরিক এসিড উৎপন্ন হয়, অথবা কিডনী দিয়ে যদি ইউরিক এসিড বের না হতে পারে তখন রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়।
কিছু জেনেটিক রোগ, কিছু রক্তের রোগ, কিডনীর রোগ, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে, আর কিছু খাদ্যাভ্যাসের কারণে যেমন অতিরিক্ত লাল মাংস আহার( গরু, খাসী, ভেড়া, শুকর), সামুদ্রিক মাছ ( সামুদ্রিক শুটকি), বিয়ার বা মদ্য পান, চিনিযুক্ত কোমল পানীয়, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

# এটি পুরুষদের বেশি হয়। মহিলাদের মাসিক যতদিন চলমান থাকে ততদিন তাদের এই রোগ সাধারণত হয় না। তবে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর তাদের হতে পারে।

# কী কী লক্ষণ হয়?
এইরোগে হঠাৎ করে গিরা ফুলে যায়, সাধারণত পায়ের বুড়ো আঙুলের ছোট গিরা দিয়ে শুরু হয়, ৮-১২ ঘন্টার মধ্যেই প্রচণ্ড ব্যথা, ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়া, পায়ের আঙুলে ছোঁয়া যায় না, ভর দেয়া যায় না, এমন তীব্র ব্যথা হয়। ১৪ দিনের মধ্যে থার ওষুুধ খেলে কমে যায়, এমনকি ব্যথার ওষুধ না খেলেও নিজে নিজেই ব্যথা কমে যায়। আবার কিছুদিন ভালো থাকে, কিছুদিন পর আবার একইরকম ব্যথা উঠে। এই চক্র চলতে থাকে, যত দিন যায় তত ঘনঘন আক্রমণ হতে থাকে, আরো বেশি গিরা আক্রান্ত হতে থাকে, একসময় দীর্ঘস্থায়ী গিরা ব্যথা হতে পারে, কিডনীতে পাথর হতে পারে, গিরাতে এবং শরীরের কিছু জায়গায় ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল জমে সাদা চকের মত পদার্থ পাওয়া যেতে পারে।

#ইউরিক এসিড বেড়ে গেলেই কী সবসময় গাউট হয়?
না, অনেক মানুষের রক্তে ইউরিক এসিড স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বাড়লেও তাদের কখনো গাউট হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে যাদের রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি তাদের তিনভাগের দুইভাগেরই দীর্ঘমেয়াদী ফলোআপে কোন গাউট হয়নি, মাত্র তিনভাগের একভাগের গাউট হয়েছে। তাই রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা একটু বেড়ে গেলেই সারাজীবন ধরে গাউটের ওষুধ ফেবুক্সোস্ট্যাট খাওয়ার কোন যুক্তি নাই।
মনে রাখতে হবে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে বলে হাইপারইউরেসিমিয়া এবং এতে ইউরিক এসিড রক্তেই শুধু বেশি আছে, গিরায় কোন ব্যথা এখনো হয় নাই। অতিরিক্ত ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল গিরায় জমে গিরা ব্যথা তৈরি হলে কেবল তখন গাউট বলা হয়।

# চিকিৎসা কী?

শুধু রক্তে ইউরিক এসিড বেশি, গিরা আক্রান্ত হয়নি: জীবন যাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, কোন ওষুধ বা অন্য কী কারণে বাড়ছে খুঁজে বের করা।
কখন ওষুধ লাগবে সেটি চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এবং ওইসব নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ওষুধ লাগলে তা সারাজীবন চালিয়ে যেতে হবে।

#ইউরিক এসিড বাড়লে কী কী খাওয়া যাবে না?
অনেকে বড় লিস্ট ধরিয়ে দেন কী কী খাওয়া যাবে না। আসলে তা সঠিক নয়। কিছু খাবার আছে একেবারেই বাদ দিতে পারলে ভালো যেমন: কলিজা, সামুদ্রিক মাছ, বিয়ার, সুগারী ড্রিংকস। কিছু খাবার কমিয়ে দিতে হবে, যেমন: লাল মাংস(গরু, খাসী, ভেড়া, শুকর)।
কিছু খাবার বেশি বেশি খেলে ভালো, যেমন: সর ছাড়া দুধ, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টক জাতীয় ফল, শাকসবজি, প্রতদিন ২-৩ লিটার পানি।
মনে রাখতে হবে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন শিমের বিচি, ডাল, বাদাম এসব খেতে কোন সমস্যা নাই।

#ডাঃসমরেশ_দাস_রিউম্যাটোলজিস্ট

কিছু বাত রোগের পরিচিতিঅস্টিওআর্থাইটিস: সবচেয়ে কমন বাত রোগ হলো অস্টিওআর্থাইটিস। এটি ৪০-৫০ বছর বয়সে  নারী পুরুষ নির্বিশেষে...
24/02/2026

কিছু বাত রোগের পরিচিতি

অস্টিওআর্থাইটিস: সবচেয়ে কমন বাত রোগ হলো অস্টিওআর্থাইটিস। এটি ৪০-৫০ বছর বয়সে নারী পুরুষ নির্বিশেষে আস্তে আস্তে শুরু হয়। নারীদের তুলনামূলক বেশি হয়। এটি মূলত বয়সজনিত কারণে হয়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এটির ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে অন্যান্য কারণেও হয়। যেমন: অতিরিক্ত ওজন, পূর্বে কোন আঘাত পেয়ে গিরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, অন্য কোন বাতরোগে গিরা ক্ষতি হলে, পেশাগত কারণে যাদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়য়ে কাজ করতে হয়, হাঁটু ভেঙে কাজ করতে হয়, সিঁড়ি দিয়ে বেশি উঠানামা করতে হয়, ডায়বেটিস, আর কিছু জেনেটিক কারণে।

হাঁটু ও কুচকির গিরা বা হিপ জয়েন্ট বেশি আক্রান্ত হয়। হাঁটলে ব্যথা বাড়ে, বিশ্রাম নিলে কমে যায়। বসলে উঠতে কষ্ট হয়। অনেকের ধারণা এটা হাঁটুর ক্ষয় রোগ, আসলে এই রোগের কারণ হলো হাঁটুর গিরার ভিতরে যে নরম চাকতির মত তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ থাকে তা পাতলা হয়ে যায়, কারণগুলো আগে বলেছি। হাড় ক্ষয় হয় না, বরং হাড় কিছুটা বাড়ে।

এই রোগটির চিকিৎসায় ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বা অন্য দামী ওষুধের কোন ভূমিকা নাই। দুঃখজনক হলেও সত্য এই রোগে দেশে এসব ওষুধের ব্যবহার বেশি হচ্ছে। ব্যথা বেশি হলে ব্যথার ওষুধ, কিছু নিয়ম মেনে চলা, ওজন কমানো, হাঁটু ভেঙে নীচে না বসা, উঁচু কমোড ব্যবহার করা, ব্যয়াম, প্রয়োজনে লাঠি ও অন্যান্য সাপোর্টিভ ডিভাইস ব্যবহার করা, সবশেষে যদি আর কোন উপায় না থাকে তখন অপারেশন করে গিরা প্রতিস্থাপন।

#ডাঃসমরেশ_দাস_রিউম্যাটোলজিস্ট

হাড় ক্ষয় রোগ ( ওস্টিওপোরোসিস) একটি নীরব ঘাতক মহিলাদের হাড় ক্ষয় রোগ একটি নীরব ঘাতক। মেনোপজের ( মাসিক বন্ধ হওয়ার) পর থেকে ...
23/02/2026

হাড় ক্ষয় রোগ ( ওস্টিওপোরোসিস) একটি নীরব ঘাতক
মহিলাদের হাড় ক্ষয় রোগ একটি নীরব ঘাতক। মেনোপজের ( মাসিক বন্ধ হওয়ার) পর থেকে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ কমে যায়। সাধারণত ৫০ বছর থেকে ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। তখন কোন লক্ষণ থাকে না। কিন্তু হাড় ক্ষয় হতে হতে যখন ফ্র্যাকচার বা হাড় ভেঙে যায় তখন ব্যথা হয়, লক্ষণ দেখা দেয়। উরু বা ফিমার ভেঙে গেলে বয়স্ক মানুষদের কষ্টের সীমা থাকে না, মেরুদণ্ডের হাড় ক্ষয় হয়ে ছোট হয়ে গেলে তখন শরীরের উচ্চতা কমে যায়, কুজো হয়ে যান। সামান্য আঘাতে, দাঁড়ানো বা বসা অবস্থা থেকে পড়ে গেলে, অথবা বাথরুমে পড়ে গেলে হাতের কব্জির হাড়, উরুর বা মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যেতে পারে।

পুরুষদেরও হাড় ক্ষয় হয়, মহিলাদের চেয়ে আরেকটু বেশি বয়সে, সাধারণত ৬৫-৭০ এর দিকে। হাড় ক্ষয় রোগে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

হাড় ক্ষয় হতে হতে যেন হাড় না ভেঙে যায়, হাড়ের মিনারেল এবং ঘনত্ব যেন বাড়ে তার জন্য ওষুধ আছে। কিছু নিয়ম কানুন ও মেনে চলতে হয়।

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হয়, দৈনিক হাঁটা ও সহনীয় ব্যয়াম করতে হয়।চিকিসৎকের পরামর্শে নির্দিষ্ট ঔষধ খেতে হয়।

কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও হাড় ক্ষয় ত্বরান্বিত হতে পারে যেমন, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ, খিচুনি রোগের ওষুধ। আবার অল্প বয়স থেকে শুরু হওয়া অনেক রোগের কারণেও কারো কারো হাড় ক্ষয় ত্বরান্বিত হতে পারে।

সকলের সচেতনতাই পারে হাড় ক্ষয়ের মত একটি নীরব ঘাতক প্রতিরোধ করতে।

#ডাঃসমরেশ_দাস_রিউম্যাটোলজিস্ট

বাত রোগীদের বারবার ফলো আপ কেন দরকার?বাতরোগ দীর্ঘমেয়াদী, প্রায় সারাজীবন ধরে ওষুধ খেতে হয়। ওষুধগুলোর কারণে লিভার, কিডনী, র...
08/02/2026

বাত রোগীদের বারবার ফলো আপ কেন দরকার?

বাতরোগ দীর্ঘমেয়াদী, প্রায় সারাজীবন ধরে ওষুধ খেতে হয়। ওষুধগুলোর কারণে লিভার, কিডনী, রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। আবার ওষুধের কার্যকারিতা বুঝতে গেলেও কিছু পরীক্ষা করা লাগে। তাই বাতরোগীদের রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতি ৩-৬ মাস পরপর ডাক্তারের ফলো আপে / চেক আপে থাকতে হয়, কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা, লিভার, কিডনীর কার্যকারিতা ঠিক আছে কিনা, রক্ত কণিকার পরিমাণ ঠিক আছে কিনা। এগুলো রোগীদের সুরক্ষার জন্যই দেখতে হয়।

Address

Habiganj
3300

Opening Hours

09:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Education and Rheumatology Care by Dr. Samaresh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category