Dr. Marium Zaman Endocrinologist

Dr. Marium Zaman Endocrinologist MBBS, BCS (Health)
MD (Endocrinology & Metabolism)
M.A.C.E.

(America)
ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, স্হূলতা এবং হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,বরিশাল।
📍চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বরিশাল।
Website: https://dr-mariumzaman.com/

রোগীর বয়স মাত্র ৯ বছর, আমাকে শেবাচিম বহিঃবিভাগে দেখিয়েছে, ওজন ৬০+ কেজি। এই রোগীর ইনসুলিন রেজিসট্যান্স আছে ইতিহাস নিয়ে এব...
10/08/2026

রোগীর বয়স মাত্র ৯ বছর, আমাকে শেবাচিম বহিঃবিভাগে দেখিয়েছে, ওজন ৬০+ কেজি।

এই রোগীর ইনসুলিন রেজিসট্যান্স আছে ইতিহাস নিয়ে এবং ক্লিনিক্যাললি চোখে দেখেই বোঝা যায়, Central obesity, Acanthosis nigricans, High BMI.

এর HOMA-IR হিসাবের জন্য Fasting Glucose, Fasting Insulin দেখতে হবে।
কত টাকা লাগবে বলেন তো??? সরকারি হাসপাতালে সব পরীক্ষা হয় না।

যাকে দেখে বোঝা যায় তার ইনসুলিন রেজিসট্যান্সের লক্ষণ আছে তার কি HOMA- IR দেখে চিকিৎসার কোন পরিবর্তন হবে?????

এই রোগীর দেখতে হবে ইনসুলিন রেজিসট্যান্স এর জন্য কি কি জটিলতা তৈরী হয়েছে যেমন - প্রি- ডায়াবেটিস বা ডায়বেটিস, রক্তে এবং লিভারে চর্বি আছে কিনা অথবা অন্য কোন জঠিলতা এবং সামনে চিকিৎসা পদ্ধতি কি হবে????

HOMA-IR একটা স্কেল যেটা রোগীর ইনসুলিন রেজিসট্যান্স আছে কিনা, থাকলেও কত সেটা দেখা যায়।
ধরলাম HOMA- IR স্কেলে তার রেজিসট্যান্স নেই, তাহলেও কি তার যে সমস্যা চোখে দেখা যাচ্ছে সেটার কোন চিকিৎসা করবেন না???
নাকি রোগীকে বলবেন আপনার তো স্কেলে সমস্যা নেই বাড়ি চলে যান, চিকিৎসা লাগবে না,এমনি ঠিক হবে।

যেটা আমি চোখে দেখছি সেটা কি ভুল নাকি আমাকে সবসময় টেষ্ট করেই প্রমান করতে হবে।

একজন চিকিৎসক অনেক কিছু ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারেন, সবকিছু টেষ্ট করতে দিলে কতজন রোগী চিকিৎসা নিতে পারবেন???

আমরা যে দেশের মানুষ, এই দেশের মানুষের কথা মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে।
চিকিৎসা মানুষের কল্যানের জন্য হোক!!!!

কৈশোরকালটা এমনিতেই একটু চঞ্চল আর বয়ঃসন্ধির নানান শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময়। এই বয়সে চেহারার পরিবর্তন, গলার আওয়াজ ভ...
10/08/2026

কৈশোরকালটা এমনিতেই একটু চঞ্চল আর বয়ঃসন্ধির নানান শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময়। এই বয়সে চেহারার পরিবর্তন, গলার আওয়াজ ভেঙে যাওয়া কিংবা উচ্চতা বাড়ার পাশাপাশি অনেক ছেলেই একটি বিশেষ সমস্যায় পড়ে হঠাৎ করেই তাদের বুক বা স্তনের আকার কিছুটা বড় হতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে কিশোররা তো বটেই, তাদের মা-বাবারাও ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। লজ্জা আর সংকোচে অনেকেই বিষয়টি লুকিয়ে রাখে, বন্ধুদের সাথে মিশতে দ্বিধা করে বা ঢিলেঢালা পোশাক পরে শরীর ঢাকার চেষ্টা করে। ছেলেদের স্তন টিস্যু বৃদ্ধি পাওয়ার এই ঘটনাকে বলা হয় গায়নেকোমাস্টিয়া।

কিশোর বয়সে ছেলেদের স্তন বড় হওয়া একদমই স্বাভাবিক এবং একটি সাময়িক প্রক্রিয়া। বয়ঃসন্ধিকালে প্রায় ৫০%-৬০% কিশোরের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। সাধারণত ১২-১৪ বছর বয়সের দিকে এটি সবচেয়ে বেশি হয়। এটি কোনো কোনো জটিল রোগের লক্ষণ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বয়ঃসন্ধির স্বাভাবিক হরমোন পরিবর্তনের একটা অংশ।

আমাদের শরীরে দুই ধরনের হরমোন থাকে টেস্টোস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেন। ছেলেদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে এবং ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ খুব অল্প থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে যখন শরীরে হরমোনের প্রভাব দ্রুত বদলাতে থাকে, তখন সাময়িকভাবে এই দুটি হরমোনের ভারসাম্যে একটু হেরফের হতে পারে। টেস্টোস্টেরনের তুলনায় ইস্ট্রোজেনের প্রভাব সাময়িকভাবে সামান্য বেড়ে গেলেই ছেলেদের স্তনের টিস্যু কিছুটা ফুলে ওঠে। অতিরিক্ত মেদ বা স্থূলতার কারণে বুক মেদযুক্ত হওয়া আর সত্যিকারের গায়নেকোমাস্টিয়া কিন্তু এক নয়। গায়নেকোমাস্টিয়ায় স্তন টিস্যুর বৃদ্ধি ঘটে এবং হাত দিলে নিপলের নিচে ছোট চাকা বা গুটির মতো অনুভূত হতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। হরমোনের মাত্রা যখন আবার স্বাভাবিক ভারসাম্যে চলে আসে, তখন এই ফোলা ভাব ধীরে ধীরে কমে যায়। সাধারণত ৬ মাস- ২ বছরের মধ্যে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই এটি সম্পূর্ণ সেরে যায়। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক, তবে কিছু লক্ষণ দেখলে একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেওয়া উচিত যেমন:
🔹 যদি ২ বছরের বেশি সময় পার হওয়ার পরও বুক আগের অবস্থায় না ফেরে।

🔹 স্তনে অতিরিক্ত ব্যথা বা চাপ দিলে তীব্র অস্বস্তি হলে।

🔹 নিপল থেকে কোনো তরল বা কষ বের হলে।

🔹 টিস্যু অনেক বেশি শক্ত হয়ে গেলে বা অস্বাভাবিক দ্রুত বৃদ্ধি পেলে।

🔹 অতিরিক্ত ওজনের কারণে এমনটা হলে।

🔹 কিশোর যদি মানসিকভাবে প্রচণ্ড হীনমন্যতা ভোগে।

ডা. মরিয়ম জামান
এম.বি.বি.এস (ঢাকা) ; বি. সি. এস. (স্বাস্থ্য)
এম. ডি. (এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড মেটাবলিজম)
এম. এ. সি. ই (আমেরিকা)
কনসালটেন্ট এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
ডায়াবেটিস,থাইরয়েড, স্থূলতা এবং হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ।

📍চেম্বারঃ Popular Diagnostic Centre Ltd. Barishal.
⏰ সময়ঃ প্রতিদিন বিকাল ৪ টা - রাত ৯ টা।
☎️📞সিরিয়ালের জন্যঃ ০৯৬৬৬৭৮৭৮১৯, ০১৩৫০০৩২৪২০

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়?আমাদের জীবনে দুশ্চিন্তা থাকবেই। কাজের চাপ, পরিবার নিয়ে চিন্ত...
09/08/2026

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়?

আমাদের জীবনে দুশ্চিন্তা থাকবেই। কাজের চাপ, পরিবার নিয়ে চিন্তা, অর্থনৈতিক সমস্যা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সবকিছু মিলিয়ে মাঝে মাঝে মানসিক চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এই দুশ্চিন্তা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তখন এর প্রভাব শুধু আমাদের মনেই সীমাবদ্ধ থাকে না; শরীরের বিভিন্ন ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম (Immune System) অত্যন্ত জটিল একটি ব্যবস্থা। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ থাকলে মস্তিষ্ক শরীরকে এক ধরনের সতর্ক অবস্থায় রাখে। তখন কর্টিসল (Cortisol) এবং অন্যান্য স্ট্রেস-সম্পর্কিত হরমোনের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে।

স্বল্পমেয়াদি স্ট্রেসের ক্ষেত্রে কর্টিসল শরীরের জন্য খারাপ নয়। বরং এটি আমাদের কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। সমস্যা তখনই হয়, যখন মানসিক চাপ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং শরীর বারবার এই স্ট্রেস প্রতিক্রিয়ার মধ্যে থাকে।

দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ইমিউন সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাও কিছুটা দুর্বল হতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা ঘুমের সমস্যা, ক্ষুধা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণ হতে পারে—যেগুলো আবার শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে।
অনেক সময় আমরা দেখি, কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, কাজের চাপ বা দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তার সময় মানুষ বারবার ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন বা সহজেই অসুস্থ বোধ করছেন। এর পেছনে শুধু মানসিক চাপ নয়, ঘুমের ঘাটতি, অনিয়মিত খাবার এবং অন্যান্য শারীরিক কারণও থাকতে পারে। তাই সব অসুস্থতার কারণ হিসেবে শুধু স্ট্রেসকে দায়ী করা ঠিক নয়।

তাহলে কী করবেন?

প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন। সুষম খাবার খান এবং কাছের মানুষের সঙ্গে নিজের চিন্তা ও অনুভূতি নিয়ে কথা বলুন। প্রয়োজনে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, মেডিটেশন বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর পদ্ধতির মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, দুশ্চিন্তা একেবারে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু দুশ্চিন্তা যেন দীর্ঘদিন ধরে আপনার জীবনযাপন, ঘুম এবং স্বাভাবিক কাজকর্মকে নিয়ন্ত্রণ না করে—সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ যদি দীর্ঘদিন থাকে এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

ডা. মরিয়ম জামান
এম.বি.বি.এস (ঢাকা) ; বি. সি. এস. (স্বাস্থ্য)
এম. ডি. (এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড মেটাবলিজম)
এম. এ. সি. ই (আমেরিকা)
কনসালটেন্ট এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
ডায়াবেটিস,থাইরয়েড, স্থূলতা এবং হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ।

📍চেম্বারঃ Popular Diagnostic Centre Ltd. Barishal.
⏰ সময়ঃ প্রতিদিন বিকাল ৪ টা - রাত ৯ টা।
☎️📞সিরিয়ালের জন্যঃ ০৯৬৬৬৭৮৭৮১৯, ০১৩৫০০৩২৪২০
🔗 ওয়েবসাইট লিংক: https://dr-mariumzaman.com/

09/08/2026

যখন কোন অপপ্রচার কে যুক্তি দিয়ে সঠিক প্রমান করার চেষ্টা করা হয়, যার আসলে কোন ভিত্তি নেই, তখন মানুষ সেটাকেই একসময় সত্যি বলে মনে করে এবং মানা শুরু করে।

এর ফলে কি ক্ষতি হবে সেটা চিন্তা করে না, ফলাফল পরে বুঝতে পারে।
সবচেয়ে বেশি ভুল ধারনা এবং চিকিৎসার শিকার হয় গর্ভাবস্থায় ডায়বেটিস এবং হরমোন জনিত সমস্যাগুলো।
যার ফলাফল দেখা যায় অনেক পরে যখন অসুস্থ, শারীরিক এবং বুদ্ধি প্রতিবন্দী বাচ্চার সংখ্যা বেড়ে
যায়।
কিন্তু যুক্তিবাদী অপপ্রচারকারীরা কি এর দায়ভার নিবেন?????

সুস্থ থাকতে বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনটা ভালো? সারাদিন অল্প অল্প করে বারে বারে খাওয়া নাকি একেবারে পেট পুরে এক-দুই বেলা ...
09/08/2026

সুস্থ থাকতে বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনটা ভালো? সারাদিন অল্প অল্প করে বারে বারে খাওয়া নাকি একেবারে পেট পুরে এক-দুই বেলা খাওয়। কেউ হয়তো আপনাকে বুদ্ধি দিয়েছেন, প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর অল্প কিছু মুখে দাও, মেটাবলিজম ফাস্ট থাকবে। আবার কেউ হয়তো উল্টোটা শুনে এসে একবেলা খুব পেট ভরে খেয়ে সারাদিন আর কিছুই খাচ্ছেন না।

অনেকের ধারণা, সারাদিন কিছুক্ষণ পর পর কিছু না কিছু খেলে বুঝি মেটাবলিজম বাড়ে। কিন্তু বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলে। আমরা যখনই কিছু খাই তা সে একটা বিস্কুট বা একমুঠো মুড়িও হোক না কেন আমাদের প্যানক্রিস থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিনের প্রধান কাজ হলো রক্ত থেকে শর্করা কোষে পৌঁছে দেওয়া এবং অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমিয়ে রাখা। আপনি যদি সারাদিনে ৫-৬ বার খেতে থাকেন, তবে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা সবসময় বাড়তেই থাকবে। আর ইনসুলিন যতক্ষণ হাই থাকবে, আপনার শরীর জমা চর্বি বার্ন করার সুযোগই পাবে না। দীর্ঘদিন ধরে বারবার খেতে থাকলে কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। এটাই পরবর্তীতে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার এবং PMOS এর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের পাকস্থলী ও অন্ত্রের নিজস্ব একটি পরিষ্কার প্রক্রিয়া আছে, যাকে বলে Migrating Motor Complex (MMC)। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পর পেটে যখন নতুন কোনো খাবার থাকে না, তখন এই প্রক্রিয়া চালু হয় এবং অন্ত্র পরিষ্কার করে। সারাদিন মুখে কিছু না কিছু দিলে এই প্রক্রিয়াটি কাজ করার সময় পায় না, ফলে বদহজম ও পেটে গ্যাস হতে পারে।

আবার এর উল্টোটাও সমাধান নয়। সারাদিন উপোস থেকে হঠাৎ একবেলা পেট পুরে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলাও শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। একবারে অনেক খাবার খেলে রক্তের শর্করা হঠাৎ অনেক উঁচুতে উঠে যায়। তখন শরীরকে সামলাতে একসাথে প্রচুর ইনসুলিন ঢালতে হয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা আবার দ্রুত কমিয়ে দেয়। ফলে খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ভীষণ ক্লান্তি আর ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে। পাকস্থলী একবারে অতিরিক্ত ভারী খাবার সহ্য করতে পারে না। এতে এসিডিটি, বুক জ্বালাপোড়া এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক এবং সুস্থ উপায় হলো সঠিক ব্যবধানে দিনে ২-৩ বার সুষম খাবার খাওয়া। প্রধান খাবারের মাঝে অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার একটি বিরতি দেওয়া খুব জরুরি। এই সময়ে শরীর ইনসুলিন কমায়, জমানো চর্বি থেকে শক্তি নেয় এবং পরিপাকতন্ত্র নিজেকে পরিষ্কার ও গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়। দুই খাবারের মাঝে চা-বিস্কুট, চিপস, বা মুড়ি খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন। তেষ্টা পেলে পানি ডাবের পানি বা গ্রিন টি খেতে পারেন। প্রতি বেলার খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি, ভালো ফ্যাট এবং পরিমিত কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট রাখুন। এতে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকবে, বারে বারে ক্ষিধে লাগবে না।

ডা. মরিয়ম জামান
এম.বি.বি.এস (ঢাকা) ; বি. সি. এস. (স্বাস্থ্য)
এম. ডি. (এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড মেটাবলিজম)
এম. এ. সি. ই (আমেরিকা)
কনসালটেন্ট এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
ডায়াবেটিস,থাইরয়েড, স্থূলতা এবং হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ।

📍চেম্বারঃ Popular Diagnostic Centre Ltd. Barishal.
⏰ সময়ঃ প্রতিদিন বিকাল ৪ টা - রাত ৯ টা।
☎️📞সিরিয়ালের জন্যঃ ০৯৬৬৬৭৮৭৮১৯, ০১৩৫০০৩২৪২০

📢📢একটি ঘোষনাঃউচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং International Diabetic Federation (IDF)-WPR and ADC and Metabolic Disorders Congress এ...
09/08/2026

📢📢একটি ঘোষনাঃ

উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং International Diabetic Federation (IDF)-WPR and ADC and Metabolic Disorders Congress এ অংশগ্রহনের জন্য ম্যাডাম মেলবোর্ন, অষ্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করবেন।
চেম্বার ১৬/৮/২৬ থেকে ২৪/৮/২৬ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

পুরাতন রোগীর ফলো আপ এবং নতুন যারা কনসাল্ট করতে চান এই সময়ের আগে করার জন্য অনুরোধ করা হল।
Admin post

When many people depends on you including petients and others, then there is no option or choice........... It's a respo...
08/08/2026

When many people depends on you including petients and others, then there is no option or choice........... It's a responsibility.

Yes, Sometimes I get tired, but when I think a person is waiting to cure, to heal and consult i feel i'm the person chosen by them.......
I feel lucky and privileged to serve them.

আমার বাগানে নিজের হাতে লাগানো গোলাপগুলো............

বর্তমান জীবনযাত্রায় সূর্যের আলো কম পাওয়া বা খাদ্যাভ্যাসের কারণে ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি খুব পরিচিত একটি সমস্যা। কিন্তু ...
08/08/2026

বর্তমান জীবনযাত্রায় সূর্যের আলো কম পাওয়া বা খাদ্যাভ্যাসের কারণে ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি খুব পরিচিত একটি সমস্যা। কিন্তু সমস্যা হয় তখন, যখন অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই বা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মাত্রায় ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে থাকেন।

ভিটামিন প্রধানত দুই ধরনের হয় Water-soluble, যেমন: ভিটামিন সি ও বি এবং Fat-soluble, যেমন: ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। water soluble ভিটামিন বেশি খেলে তা প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। কিন্তু ভিটামিন ডি fat soluble হওয়ায় অতিরিক্ত সেবন করলে তা শরীর থেকে সহজে বের হতে পারে না বরং ফ্যাটি টিস্যু ও লিভারে জমা হতে থাকে। ফলে ঘটে হাইপারভিটামিনোসিস বা ভিটামিন ডি টক্সিসিটি। ভিটামিন ডি-এর প্রধান কাজ হলো আমাদের অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করা। কিন্তু শরীরে যখন মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি জমতে থাকে, তখন রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। একে বলা হয় হাইপারক্যালসেমিয়া। রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমা হলে শরীরে নানা ধরনের জটিলতা ও লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে যেমন:

✔️ রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে গেলে প্রথমেই পরিপাকতন্ত্রে প্রভাব পড়ে। এতে রোগীদের মাঝে দেখা যায় ক্রমাগত বমি বমি ভাব বা বমি, মুখে অরুচি বা ক্ষুধা একেবারেই কমে যাওয়া, পেটে ব্যথা ও তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য।

✔️ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ছাঁকন করতে গিয়ে কিডনিকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এর ফলে বার বার তৃষ্ণা পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।কিডনিতে পাথর হয়, দীর্ঘমেয়াদে কিডনির টিস্যুতে ক্যালসিয়াম জমে কিডনি অকেজো হয়ে যেতে পারে।

✔️ হাইপারক্যালসেমিয়ার কারণে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতায় ব্যাঘাত ঘটে। রোগী চরম ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, মনোযোগের অভাব, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, এমনকি জটিল ক্ষেত্রে কোমা পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।

✔️ ভিটামিন ডি হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে এটা সত্যি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, অতিরিক্ত ভিটামিন ডি রক্তে প্যারাথাইরয়েড হরমোন ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেওয়া শুরু করে। ফলে হাড় শক্ত হওয়ার বদলে আরও দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে।

✔️ দীর্ঘদিন ধরে রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম থাকলে তা রক্তনালীর দেওয়ালে জমা হতে থাকে। এতে রক্তনালী শক্ত হয়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র বা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।

সূর্যের আলো বা সাধারণ খাবার যেমন ডিমের কুসুম, তৈলাক্ত মাছ থেকে কখনো শরীরে ভিটামিন ডি টক্সিসিটি হয় না। এটি প্রায় ৯৯% ক্ষেত্রেই ঘটে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ডি ক্যাপসুল কোনো সঠিক মনিটরিং ছাড়া মাসের পর মাস খাওয়ার কারণে।
সাধারণত রক্তে ২৫-হাইড্রক্সিভিটামিন ডি এর মাত্রা ১০০ ng/mL-এর ওপরে চলে গেলে তাকে টক্সিসিটি বা ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।

যেকোনো প্রয়োজনীয় উপাদানই অতিরিক্ত হলে তা বিষে পরিণত হতে পারে। ভিটামিন ডি শরীরের জন্য যেমন জীবন রক্ষাকারী, অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে তা ততটাই ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে সঠিক মাত্রায় ওষুধ গ্রহণ করুন।

ডা. মরিয়ম জামান
এম.বি.বি.এস (ঢাকা) ; বি. সি. এস. (স্বাস্থ্য)
এম. ডি. (এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড মেটাবলিজম)
এম. এ. সি. ই (আমেরিকা)
কনসালটেন্ট এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
ডায়াবেটিস,থাইরয়েড, স্থূলতা এবং হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ।

📍চেম্বারঃ Popular Diagnostic Centre Ltd. Barishal.
⏰ সময়ঃ প্রতিদিন বিকাল ৪ টা - রাত ৯ টা।
☎️📞সিরিয়ালের জন্যঃ ০৯৬৬৬৭৮৭৮১৯, ০১৩৫০০৩২৪২০

সরকারি চাকুরীর ১২ বছর পূর্ণ হল।এক যুগ!!!!  ১২ বছর একজন চিকিৎসক হিসেবে সাধারন মানুষের সেবা দিতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং গর্বিত।
08/08/2026

সরকারি চাকুরীর ১২ বছর পূর্ণ হল।
এক যুগ!!!!
১২ বছর একজন চিকিৎসক হিসেবে সাধারন মানুষের সেবা দিতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং গর্বিত।

দেখে নিন আজকের নতুন ভিডিও
07/08/2026

দেখে নিন আজকের নতুন ভিডিও

Address

Sher-E-Bangla Medical College Hospital
Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Marium Zaman Endocrinologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share