04/06/2026
২৮ বছরের এক যুবক।
গত কয়েক মাস ধরে বারবার হাসপাতালে আসছে।
কারণ?
হঠাৎ হঠাৎ হাত-পা অবশ হয়ে যায়।
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলো—
দুই পা নড়াতে পারছে না।
পরিবার দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেল।
জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর পর পরীক্ষা করা হলো।
Stroke না।
Spinal cord injury না।
Brain MRI-ও স্বাভাবিক।
কিন্তু Blood test দেখে সবাই চমকে গেল।
Potassium খুবই কম।
Saline আর Potassium দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সে আবার হাঁটতে শুরু করলো।
মনে হলো সমস্যা শেষ।
কিন্তু না।
এক মাস পর আবার একই ঘটনা।
তারপর আবার।
তারপর আবার।
এবার বিস্তারিত history নেওয়া হলো।
ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন—
“অবশ হওয়ার আগে কোনো বিশেষ ঘটনা ঘটে?”
রোগী একটু ভেবে বললো—
“স্যার, বেশিরভাগ সময়ই আগের রাতে অনেক ভাত খাই বা বন্ধুদের সাথে দাওয়াত থাকে।”
আরও কিছু প্রশ্ন।
তখন বেরিয়ে এলো—
🔹 ওজন কমছে
🔹 বুক ধড়ফড় করে
🔹 গরম সহ্য হয় না
🔹 হাত কাঁপে
কিন্তু রোগী কখনো এগুলোকে অসুখ মনে করেনি।
Thyroid function test করা হলো।
Diagnosis—
Hyperthyroidism
আর তার paralysis-এর নাম—
Thyrotoxic Periodic Paralysis
গল্পটা আসলে Potassium-এর ঘাটতির না।
শরীরে Potassium ছিল।
কিন্তু অতিরিক্ত thyroid hormone কোষের sodium-potassium pump-কে এত বেশি activate করছিল যে Potassium রক্ত থেকে কোষের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিল।
ফলে Blood potassium হঠাৎ পড়ে যেত।
আর রোগী সাময়িকভাবে paralysis-এর মতো অবস্থায় চলে যেত।
সবচেয়ে interesting বিষয় হলো—
রোগী Endocrinology clinic-এ আসেনি।
সে এসেছিল Neurology patient হয়ে।
পায়ের শক্তি হারিয়ে।
কিন্তু সমস্যাটা ছিল Brain-এ না।
Spinal cord-এ না।
একটি ছোট্ট Thyroid gland-এ।
Medicine মাঝে মাঝে এমন puzzle তৈরি করে—
যেখানে রোগী যে জায়গায় symptom দেখায়,
রোগটা সেখানে থাকে না।
Diagnosis লুকিয়ে থাকে সম্পূর্ণ অন্য অঙ্গে।
আর সেই কারণেই history নেওয়া এখনো MRI-এর চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র।
কারণ একটা প্রশ্ন—
“গরম বেশি লাগে?”
কখনো কখনো পুরো diagnosis বদলে দিতে পারে।
ডাঃ আরিফ জামান