জনসেবা ইউনানী মেডিকেল সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Jessore
  • জনসেবা ইউনানী মেডিকেল সেন্টার

জনসেবা ইউনানী মেডিকেল সেন্টার জন্ডিস, হাপাঁনি ও গোপন রোগের বিশেষায়ি?

وَاللهُ فِى عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِى عَوْنِ أَخِيهِ
23/08/2024

وَاللهُ فِى عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِى عَوْنِ أَخِيهِ

16/04/2022

রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য ব্যবস্থাপনা
ডা. শাহজাদা সেলিম

রোজার সময় একজন মানুষকে ভোররাত থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হয়। ভৌগোলিক অবস্থান ও মৌসুম ভেদে এ সময়কাল ১৪ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখার সময় সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে খাদ্য ব্যবস্থাপনায়। যেমন : সাহরির খাবার সাহরির শেষ সময়ের অল্প কিছুক্ষণ আগে খাওয়া, ইফতারের সময় অধিক পরিমাণে মিষ্টি ও চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ না করা, ডায়াবেটিস রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেন তারা পানিশূন্যতায় না ভোগেন। এছাড়া খেজুর খেলে একটা খেজুর খেতে পারেন। ফলমূল, শাকসবজি, ডাল ও টক দই তালিকাভুক্ত করতে পারেন। ডাবের পানি পান করতে পারেন।

খাদ্যের ক্যালরি ঠিক রেখে খাওয়ার পরিমাণ এবং ধরন ঠিক করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ খাওয়া প্রয়োজন। রমজানের আগে যে পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতেন রমজানে ক্যালরির পরিমাণ ঠিক রেখে খাবার সময় এবং ধরন বদলাতে হবে। প্রয়োজন হলে নিউট্রিশনিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে খাবার তালিকা ঠিক করে নিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে ওষুধের সঙ্গে খাবারের যেন সামঞ্জস্য থাকে। ইফতারের সময় অতি ভোজন এবং শেষ রাতে অল্প আহার পরিহার করুন।

এক্ষেত্রে করণীয় বিষয়সমূহগুলো : প্রত্যেক রোজাদার ডায়াবেটিস রোগীর অবস্থা তার স্বাতন্ত্র্যসহ বিবেচনা করতে হবে। ঘন ঘন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা দেখতে হবে। প্রতিদিন বেশ ক’বার (কম পক্ষে তিনবার) রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দেখতে হবে। শেষ ভাগে অবশ্যই রক্তের গ্লকোজ দেখার ব্যবস্থা থাকতে হবে। আর টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খুব সতর্কতার সঙ্গে রক্তের গ্লুকোজ লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যের পুষ্টিমান অন্যান্য সময়ের মতোই রাখার চেষ্টা করতে হবে।
স্বাভাবিক দৈহিক ওজন ধরে রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে। গবেষণায় দেখা যায়, ২০%-২৫% ডায়াবেটিস রোগীর দৈহিক ওজন কমে বা বাড়ে। ইফতারে চর্বি সমৃদ্ধ খাদ্য এবং তেলে ভাজা খাবার গ্রহণ করা থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকতে হবে। কেননা এসব হজম হতে সময় লাগবে। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীর ইফতারের পর পরই যত দ্রুত সম্ভব রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করা ব্যবস্থা করতে হবে। সে জন্য জটিল শর্করা জাতীয় খাবার সাহরির সময় খেতে হবে। আর ইফতারিতে সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে। প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে।

সেহরির খাবার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে খেতে হবে এবং তারপর প্রচুর পানি পান করা বাঞ্ছনীয়। শারীরিক শ্রম বা ব্যায়াম স্বাভাবিক শারীরিক কর্মকাণ্ড চালানো যেতে পারে এ সময়। তবে খুব বেশি কঠোর শ্রম বা ব্যায়াম না করাই ভালো। এতে করে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে।

কিছু কিছু ডায়াবেটিস রোগী (বিশেষত টাইপ-১) যাদের রক্তের গ্লুকোজ ঠিক মতো রাখা যাচ্ছে না তাদের ক্ষেত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঘটনা প্রায়শ মারাত্মক হয়। প্রতিটি ডায়বেটিস রোজাদারকে একথাটি খুব স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে যে, যখনই হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কোনো লক্ষণ শরীরে দেখা দেয় তার পর যতটা সম্ভব দ্রুততর সময়ের মধ্যে গ্লুকোজ/চিনি/মিষ্টি কোনো খাদ্য/শরবত ইত্যাদি যে কোনো একটি খেয়ে নিতে হবে।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বিএসএমএমইউ, ঢাকা।

16/04/2022

কণ্ঠের যত্নে করণীয়
অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু

কণ্ঠ মানুষের মনের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যমই শুধু নয়, এর উপরে অনেক মানুষের পেশাগত জীবন নির্ভরশীল। এছাড়া কণ্ঠ এবং বাচনভঙ্গি মানুষের ব্যক্তিত্বের অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। কণ্ঠের যথাযথ ব্যবহার ব্যক্তির সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব সৃষ্টি করে। সম্পতি আমেরিকায় একটি জরিপে দেখা যায়, যে সব শিক্ষক সারাক্ষণ কথা বলছেন কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে তাদের ১১% কণ্ঠের সমস্যায় ভুগছেন। শিক্ষক ছাড়া অন্য পেশার জন্য এটা ৬.২%, তাই যারা মনে করেন শিক্ষকতা কণ্ঠ প্রয়োগের তেমন কোনো পেশা নয়, তাদের এই ধারণা ভুল। আরেকটি জরিপে দেখা যায়, ২০% শিক্ষক তাদের চাকরি হারিয়েছেন কণ্ঠের বিভিন্ন সমস্যার জন্য, যেখানে অন্য পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে এই হার ৪%।

কণ্ঠের সুস্থতা এবং এর বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই ১৯৯৯ সালের ১৬ এপ্রিল ব্রাজিলে প্রথম বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালিত হয়েছে। পরবর্তীতে জনসাধারণের মাঝে কণ্ঠ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ১৬ এপ্রিল বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালিত হচ্ছে। এ বছরের বিশ্ব কণ্ঠ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘আপনার কণ্ঠস্বরকে উন্নত করুন’। পেশাগত কণ্ঠ ব্যবহারকারী তথা শিক্ষক, গায়ক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ধারাভাষ্যকার, বিক্রয় প্রতিনিধি ও অভিনেতাদের মতো পেশার মানুষ নিজের কণ্ঠের উপরে অনেক বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় তারা তাদের কণ্ঠের সুস্থতার ব্যাপারে সচেতন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে সব মানুষের জীবনে কণ্ঠের সুস্থতার গুরুত্ব রয়েছে, যে বিষয়ে আমরা সচেতন নই। কণ্ঠনালীর বিভিন্ন রোগ ছাড়াও দৈনন্দিন জীবনের অনেক বিষয় আমাদের কণ্ঠনালীকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে কণ্ঠনালি ও স্বরযন্ত্র তাদের স্বাভাবিক গঠনগত ও গুণগত বৈশিষ্ট্য হারাতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিরামহীনভাবে কণ্ঠের ব্যবহার, অতি উচ্চস্বরে কথা বলা, বারবার গলা পরিষ্কার করা, ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত গরম/ঠাণ্ডা পানীয় গ্রহণ করা ইত্যাদি কণ্ঠস্বরের জন্য ক্ষতিকর।

কণ্ঠনালী, নাক, গলা ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের কারণে ও স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদে কণ্ঠের পরিবর্তন ঘটতে পারে যেমন শ্বাসনালীর সংক্রমণ, নাক ও সাইনাসের সংক্রমণ, এলার্জি, স্বরযন্ত্রের পলিপ, টিউমার ও ক্যান্সার। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বরযন্ত্রের জন্মগত রোগ নিয়েও শিশুর জন্ম হতে পারে যার ফলশ্রুতিতে জন্মের পর পরই শিশুর শ্বাসকষ্ট, দুধ পানে সমস্যা এবং কান্নার সময় অস্বাভাবিক আওয়াজ পরিলক্ষিত হতে পারে।
কণ্ঠের যত্নে করণীয় :
১. উচ্চস্বরে কথা বলা পরিহার করতে হবে।
২. দীর্ঘসময় কথা বলার ক্ষেত্রে (যেমন শিক্ষক) কিছুক্ষণ পর পর বিরতি নিতে হবে।
৩. শ্রেণিকক্ষে মাইক্রোফোনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪. অতিরিক্ত চা, কফি ও কোমল পানীয় পান করবেন না।
৫. মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।
৬. ধূমপান পরিহার করুন।
৭. অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া এবং খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমাতে যাওয়া পরিহার করতে হবে।
৮. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
৯. বায়ু দূষণরোধ করুন এবং দূষিত পরিবেশে মাস্ক ব্যবহার করুন।
১০. অতিরিক্ত গরম/ঠাণ্ডা পানীয় পান থেকে বিরত থাকুন।
১১. কণ্ঠনালি, নাক, কান ও শ্বাসনালীর বিভিন্ন রোগে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
১২. কণ্ঠের পরিবর্তন তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
১৩. শুষ্ক আবহাওয়া আমাদের কণ্ঠনালীর জন্য ক্ষতিকর। শীতাতপ যন্ত্র, যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম এসব স্থানে থাকলে কণ্ঠের আর্দ্রতা কমে যায়। রাতে আর্দ্রতাকরণ যন্ত্র ব্যবহারে সমস্যা দূর করা যায়।
১৪. উড়োজাহাজেও বাতাস অনেক শুকনো থাকে। তাই আকাশ ভ্রমণে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। কমপক্ষে প্রতি ঘণ্টায় ৮ আউন্স পানি পান করা উচিত।
১৫. গলায় গারগিল করা যেতে পারে। আধা টেবিল চামচ লবণ, আধা টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও ৬ আউন্স গরম পানিসহকারে।
১৬. অনেক সময় গলা শুকনো থাকলে বা ঠাণ্ডায় মিউকাস জমলে আমরা জোরে কাশি দিই এবং গলা পরিষ্কারের চেষ্টা করি, যা খুব ক্ষতিকর। এই মিউকাস বের করার জন্য যা করবেন।
বুক ভরে শ্বাস নিন (যতখানি সম্ভব)। শ্বাস ধরে রাখুন। শ্বাস ছাড়ার সময় আস্তে শব্দ করুন।

আপনি কি ভাবতে পারেন, একজন ডাক্তার জটিল কোনো রোগের কথা তার রোগীকে বলছেন অথচ শব্দ ছাড়া! একজন ব্যবসায়ী একটি সমাবেশ পরিচালনা করছেন কিন্তু কথা ছাড়া! একজন শিক্ষক পাঠদান করছেন কোনো শিক্ষার্থীদের কলকাকলী ছাড়া! একজন গায়ক গান গাচ্ছেন আওয়াজ ছাড়া! কণ্ঠহীন পৃথিবী নৈঃশব্দের পৃথিবী। তাই আসুন, আপনার উন্নতর জন্য কণ্ঠের সুস্থতা সংরক্ষণ করুন।

লেখক: নাক, কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ

মাত্র ৫ মিনিটে পেটের মেদ কমাতে যা করবেনড. জাহাঙ্গীর কবির : মাত্র পাঁচ মিনিটেই কমবে পেটের মেদ। বলা চলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পেটে...
24/01/2020

মাত্র ৫ মিনিটে পেটের মেদ কমাতে যা করবেন

ড. জাহাঙ্গীর কবির : মাত্র পাঁচ মিনিটেই কমবে পেটের মেদ। বলা চলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পেটের মেদ কমানো সম্ভব। তবে সেটা কখন, কিভাবে করবেন আসুন জেনে নিই।

হিট এক্সেসাইজ : কখন করবেন:- ব্যয়ামটি করতে হয় সকাল বেলা। সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে। যখন ন্যাচারালই শরীরে স্টোরেজটা বেশি থাকে। ফিট এক্সে'সাইজ করার সময় শরীরে স্টোরেজ রিলিজ হয়। আর এই স্টোরেজ যে শরীরের জন্য খা'রা'প তা নয়, এটা শরীরের জন্য ভালো। এই স্টোরেজ কি পরিমাণ রিলিজ হচ্ছে? কতক্ষণ রিলিজ হচ্ছে? কি পরিমাণ শরীরে থাকছে সেটা জানা জ'রু'রি।

যেহেতু ন্যাচারালই সকালে শরীরে স্টোরেজ বেশি থাকে তাই ব্যয়ামটা সকালে করলে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। হিট এক্সে'সাইজ করলে অনেকগুলো সুবিধা আছে। একটা হলো- যেটা মাসেলকে পির্জাভ করবে কিন্তু ফ্যাট বান করে। শরীরে খুবই দরকারি গ্রোর্থ হরমোন। যেটা বাচ্চাদের প্রচুর পরিমাণ থাকে, যার কারণে বাচ্চারা ক্লান্ত হয় না। তারা প্রচুর দু'ষ্ট'মি করে কিন্তু ক্লা'ন্ত হয় না। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটা আস্তে আস্তে কমে যায়।

এই কারণে এটাকে যদি আমরা বুস্টআপ করি তাহলে এটা আমাদের চর্বি গলাতে সহায়তা করে। তবে মাসেলটাকে পি'র্জা'ভ করে। হিট এক্সেসাইজ করলে কোয়ালিটি স্লিপটা অনেক ভালো হয়। খালি পেটে ঘুমাতে যান। মানে ৭টা ৮টার মধ্যে ঘুমাতে যান। এরপর সকালে যখন খালি পেটে হিট এক্সে'সাইজ করতে যান তাহলে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রাটা কম থাকবে। আর শরীরে ইনসুলিন কম থাকলে ফ্যাট কমাতে ভালো হয়। তখন ইনসুলিনের সাহায্য ছাড়াই গ্লোকোজটা রক্ত থেকে সরাসরি কোষে ঢুকতে পারে। তবে লিভারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন।

কিভাবে করবেন : প্রথমে ওয়ার্মআপ এক্সেসাইজ করুন। কারণ একটা অনেক হাই ইনটেনসিটিতে করতে হয়। এটা রার্নিং মেশিনে এবং সাইকেলে করতে পারেন। অথবা দৌড়ানো যেতে পারে। তবে দৌড়ানোর আগে জগিং করে নিতে হবে। শরীরটাকে ভালো করে ওয়ার্মআপ করে নিতে হবে। এরপর যত জোরে পারেন দৌড় দিবেন। মনে করতে পারেন পাগলা কুকুর দৌড়ানি দিয়েছে। মাত্র ২০ সেকেন্ডে দৌড়ানোর পর ১০ সেকেন্ড রেস্ট নিতে হবে।

আবার ২০ সেকেন্ডে দৌড় দেয়ার পর ১০ সেকেন্ড রেস্ট নিতে হবে। এভাবে ৩ থেকে ৫ মিনিট ব্যয়াম করতে হবে। তবে সময় কম বেশি হতে পারে। এভাবে শরীরে গ্রোর্থ হরমোন বেড়ে যাবে। কিন্তু এই গ্রোর্থ হরমোন শরীরে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় থাকে না। পেটের চর্বি, প্রেসার, রক্তনালীর চর্বি এবং ডায়াবেটিক একইভাবে কমানো সম্ভব।

-লেখক : ফ্যামিলি মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা এবং শ্বাস- রোগ বিশেষজ্ঞ-ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত

নতুন ভিজিটিং কার্ড। কেমন হলো?
16/12/2019

নতুন ভিজিটিং কার্ড। কেমন হলো?

দোকান পরিবর্তন উপলক্ষে নতুন লিফলেট করা হলো।নতুন ঠিকানায় সবাইকে স্বাগতম।
16/12/2019

দোকান পরিবর্তন উপলক্ষে নতুন লিফলেট করা হলো।
নতুন ঠিকানায় সবাইকে স্বাগতম।

গাজীপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে 'মিসাইল' কিংবা 'একে ৪৭'।গাজীপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে 'মিসাইল' কিংবা 'একে ৪৭'। এগুলো বিধ্বংসী ...
15/10/2019

গাজীপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে 'মিসাইল' কিংবা 'একে ৪৭'।

গাজীপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে 'মিসাইল' কিংবা 'একে ৪৭'। এগুলো বিধ্বংসী অস্ত্র নয়, যৌন উত্তেজক ওষুধ। অস্ত্র নয় বলে যে ভয়ের নেই সে চিন্তা করা ভুল। কারণ, এই ওষুধ যে ব্যবহারকারীদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষ নামের এই ওষুধটিকে বিক্রেতা ও ক্রেতারাই মিসাইল, ম্যাজিক বুলেট বা কেউ একে ৪৭ নামে ডাকছেন। বিপণনকারী বা বিক্রেতাদের মুখের কথায় হোক বা বিজ্ঞাপন, ক্রেতাদের ধারণা জন্মেছে যে, যৌন উত্তেজক ওষুধটির কার্যকারিতা এসব অস্ত্রের মতোই অব্যর্থ। তাই গাজীপুরে চাহিদা তার আকাশচুম্বি। সন্ধ্যা নামলেই কিশোর, যুবক এমনকি বৃদ্ধরাও ওষুধের দোকানে ছোটেন এসব কিনতে। আবার অনেক পান ও মুদি দোকানেও অবাধে মিলছে 'যাদুকরী' এ ওষুধ।

ইউনানী উপাদানে তৈরি বলা হলেও বিষেশজ্ঞরা বলছেন, এই ক্যাপসুলে রয়েছে রাসায়নিক উপাদান ‘সিলডেনাফিল সাইট্রেট’। যা মানুষের শরীরের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর। অভিযোগ উঠেছে ড্রাগ প্রশানের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে রমরমা ব্যবসা করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিকে ফার্মা। গাজীপুর জেলা ওষুধ প্রশাসনের দপ্তর থেকে জিকে ফার্মার দূরত্ব দেড় কিলোমিটারেরও কম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, যৌন উত্তেজক ওষুধটির নাম 'হলি মুনিশ'। এই ক্যাপসুল বাজারে ছেড়েছে গাজীপুরের টঙ্গীর ৪৯ স্টেশন রোডের জিকে ফার্মা (ইউনানী) লিমিটেড। ২০১৬ সালের জুন মাসে ওষুধ অধিদপ্তর থেকে উৎপাদন লাইসেন্স পায় জিকে ফার্মা। প্রতিষ্ঠানটির মালিক নিষিদ্ধ হওয়া হলি ড্রাগসের মো. গিয়াস উদ্দিন। ২০টি ওষুধের অনুমোদন থাকলেও জিকে ফার্মা অবৈধভাবে আরো ৫০টি মিলিয়ে উৎপাদন করছে ৭০টিরও বেশি ওষুধ। তার মধ্যে হলি মুনিশ, হলি নিশাত, মোলাডেক্স, কোর হেল্থ, এরিকোমা, এরক্সিমা ও জয়সু ইত্যাদি যৌন উদ্দিপক। তবে সারাদেশ ও গাজীপুরে বিক্রির শীর্ষে রয়েছে ‘হলি মুনিশ’।

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রির নিয়ম না থাকলেও এ ওষুষ অবাধে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের জানানো হয়েছে, সেবনের কয়েক মিনিটেই কাজ শুরু হয় এবং দীর্ঘসময় যৌনমিলন সম্ভব। তাই কিশোর থেকে শুরু করে যুবক ও বৃদ্ধদের কাছে ব্যাপক কদর এর। এছাড়াও জিকে ফার্মার কফ সিরাপ আরুশা, এ্যাজভেন্ট, এপটোরেক্স, হলি তুসীতে রয়েছে অ্যালকোহল। এসব সিরাপ ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে মাদকসেবীর কাছে জনপ্রিয়। এসব বিক্রি করে মাত্র তিন বছরের মধ্যে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জিকে ফার্মা।

কী আছে হলি সেই মিসাইল-একে ৪৭-এ
ওষুধটির জেনেরিক নাম ‘কুরছ মুবাহ্হী’। ওষুধের প্যাকেটে ৫০০ মিলিগ্রামের ক্যাপসুলে শোধিত শিলাজতু, আলকুশী বীজ, ছা’লাব, লাল বামন, মোট বচ, পিপুল, শুঁঠে, অশ্বগন্ধা, জাফরান, আম্বর আশ্হাবসহ ১৬টি ইউনানী উপাদান রয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছক জিকে ফার্মার একজন সাবেক হাকিম বলেন, যেসব ইউনানী উপাদানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তার একটিও নেই হলি মুনিশে। অপিয়াম (অপিয়েট) নামে এক ধরনের মাদক এবং সিলডেনাফিল সাইট্রেট নামের রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে হলি মুনিশ। কারখানায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক তোলা ইউনানী জৈব কাঁচামাল কেনা হয়নি। নেই ল্যাব, কেমিস্ট, মাননিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, দক্ষ হাকিম বা কবিরাজ। টঙ্গীর ৪৯ স্টেশনের রোডের বাড়িটির ভেতরে জিকে ফার্মার ছোট একটি সাইনবোর্ড থাকলেও মানুষ কারখানাটিকে চিনে ‘হলি ড্রাগস’ নামে। মূলত ওষুধ প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে ক্ষতিকারক উত্তেজক ওষুধ তৈরি করে বিক্রি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন
জিকে ফার্মার আগে মো. গিয়াস উদ্দিন ছিলেন হলি ড্রাগসের মালিক। হলি ড্রাগসের কারখানা ছিল টঙ্গীর ৪৯ স্টেশন রোডের বর্তমান জিকে ফার্মার বাড়িটি। ইউনানী ওষুধ তৈরির লাইসেন্স নিয়ে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক বিভিন্ন যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির অভিযোগে ২০১২ সালের ৯ মে ওষুধ অধিদপ্তর হলি ড্রাগসের লাইসেন্স বাতিল করে সব ধরনের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধের নির্দেশ দেয়। তারপরও গোপনে চলে আসছিল উৎপাদন বাজারজাত করে আসছিল ‘হলি ড্রাগস’। ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানী বনানী এফ ব্লকের পাঁচ নম্বর সড়কের ১১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার হয় হলি ড্রাগসের ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩৭ ধরনের ওষুধ। এ ঘটনায় ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করার অপরাধে হলি ড্রাগসের মালিক গিয়াস উদ্দিনকে (৫৮) দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পরে মুক্তি পেলেও ভেজাল ওষুধ তৈরির নেশা ছাড়তে পারেননি গিয়াস উদ্দিন। ২০১৬ সালের ২৯ মে বরিশাল শহরে একটি বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করে নিষিদ্ধ হলি ড্রাগসের ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ওষুধ যার বেশিরভাগই ছিল হলি মুনিশসহ উত্তেজক ওষুধ।

২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মহাখালী ও টঙ্গী এলাকার পিনাকল সোর্সিং লিমিটেড, হলি ড্রাগস ল্যাবরেটরিজ, হলি ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড ও জিকে ফার্মায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধভাবে উৎপাদিত ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার ওষুধ জব্দ করে। পিনাকল সোর্সিংয়ের মাধ্যমে এসব ওষুধ পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিক্রি করা করছিল। ৪টি প্রতিষ্ঠানেরই মালিক ছিলেন মো. গিয়াস উদ্দিন। পরে সিলগালা করা হয় কারখানা। বহু চেষ্টা করেও তিনি হলি ড্রাগসের লাইন্সেস ফেরত না পেয়ে গঠন করেন জিকে ফার্মা। ২০১৬ সালের ২৬ জুন ওষুধ প্রশাসন থেকে লাইসেন্স পায় জিকে ফার্মা (ইউনানী) লিমিটেড। নিয়ম ভেঙে নিষিদ্ধ হলি ড্রাগসের ‘হলি মুনিশ’সহ সব ওষুধ ওই নামেই উৎপাদনের অনুমোদনও পায় জিকে ফার্মা। ওষুধ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, এটি রীতিমত চাঞ্চল্যকর। কোনো নিষিদ্ধ ওষুধ একই নামে নতুন কোনো কোম্পানিকে দেয়ার নিয়ম নেই। এটি অপরাধও।

গাজীপুর জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী উপ-পরিচালক মো, আক্তার হোসেন জানান, জিকে ফার্মার ওষুধে ইউনানী উপাদান নেই, এটি তার জানা নেই। প্রতিষ্ঠানটি কয় ধরনের ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি আছে, কয়টি উৎপাদন করছেন তাও জানেন না। অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে দেখা হবে।

বক্তব্য জানতে কারখানায় গেলে নিরাপত্তা প্রহরি মো. ইমান আলী জানান, স্যারদের কেউ কারখানায় নেই। তাদের অনুমতি ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। কারখানার উৎপাদন কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জিকে ফার্মার অনিয়মের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসনের লাইসেন্স শাখার সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়েটি দেখভাল জেলা ওষুধ প্রশাসনের। তাই এ বিষয়ে ওই অফিসে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

কী কী খাবারে জিংক থাকেআমাদের শরীরে তিনশর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতি...
15/10/2019

কী কী খাবারে জিংক থাকে

আমাদের শরীরে তিনশর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়। তাহলে আজই দেখে নিন আপনার খাদ্যতালিকায় জিংক আছে তো। আপনি নিয়মিত খাচ্ছেন তো জিংক সমৃদ্ধ খাবার সমূহ। না খেলে আজই আপনার খাদ্যতালিকায় যুক্ত করে নিন।

জিংকের অভাবজনিত সমস্যা :

গর্ভকালীন জিংকের ঘাটতি জন্মগত ত্রুটি, কম ওজনের শিশু জন্ম দেওয়ার আশঙ্কা বাড়ায়; দেহের বৃদ্ধি রোধ, দৈহিক অপরিপক্বতা বা বামনত্ব হতে পারে; জিংকের অভাবে ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও কনজাংকটিভার প্রদাহ, পায়ে বা জিহ্বায় ক্ষত, মুখের চারপাশে ক্ষত, একজিমা, ব্রণ বা সোরিয়াসিসজাতীয় ত্বকের সমস্যা, ছত্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণজনিত অসুস্থতা এবং শরীরের ক্ষত শুকাতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়; এর অভাবে চুল পড়ে যায়, পুরুষের প্রজননক্ষমতাও কমে যায়; মানসিক দুর্বলতা, আচরণগত অস্বাভাবিকতা, অমনোযোগিতা, বিষণ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া, ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়।

শরীরে জিংকের অভাবের কারণ :
পুষ্টিহীনতা, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ, কিডনি সমস্যা, অতিরিক্ত মদ্যপান, লিভারের সমস্যা ইত্যাদি।

কী কী খাবারে জিংক থাকে?

গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে।

সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজা, আটা-ময়দার রুটি, দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন ও ঝিনুকে জিংক পাওয়া যায়।

-তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

লালশাকের চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলোরঙ এবং স্বাদের জন্য লাল শাক বরাবরই অনন্য। বিশেষ করে শিশুদের কাছে প্রিয় একটি শাক ল...
15/10/2019

লালশাকের চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো

রঙ এবং স্বাদের জন্য লাল শাক বরাবরই অনন্য। বিশেষ করে শিশুদের কাছে প্রিয় একটি শাক লাল শাক। ক্যালসিয়াম বাদে লাল শাকে অন্য যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হলো- শর্করা ৪.৯৬ মিলি গ্রাম, প্রোটিন ৫.৩৪ মিলি গ্রাম, স্নেহ ০.১৪ মিলি গ্রাম, ভিটামিন বি১ ০.১০ মিলি গ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.১৩ মিলি গ্রাম, ভিটামিন সি ৪২.৯০ মিলি গ্রাম, ক্যারোটিন ১১.৯৪ মিলি গ্রাম, অন্যান্য খনিজ ১.০৬ মিলি গ্রাম, খাদ্য শক্তি ৪৩ কিলোক্যালরি।

লাল শাকের কিছু উপকারিতা :

*লাল শাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লাল শাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

*শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ করে লাল শাক।

*লাল শাকে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

*রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

*লাল শাকের বিটা-ক্যারোটিন হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।

*এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং দন্ত ও অস্থি গঠনে অবদান রাখে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে।

*ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাল শাক যথেষ্ট উপকারি। এ ছাড়াও এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।

*আঁশ জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

*ভিটামিন ‘সি’- এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।

-তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

বোতলজাত ফলের রসে আর্সেনিকবর্তমান সময়ে বোতলজাত করা অনেক জনপ্রিয় ফলের রস (জুসে) স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুল...
07/10/2019

বোতলজাত ফলের রসে আর্সেনিক

বর্তমান সময়ে বোতলজাত করা অনেক জনপ্রিয় ফলের রস (জুসে) স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। কারণ ‘কনজিউমার রিপোর্টস’ নামের একটি নতুন প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকগুলো জুসের মধ্যে উচ্চমাত্রায় সীসা ও আর্সেনিক পাওয়া গেছে। বেসরকারি গবেষক দলের অনুসন্ধানে এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকরা আপেল ও আঙুরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪০টি ফলের রস পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে সবগুলোতেই পাওয়া যায় স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর আর্সেনিক, লেড, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের উপস্থিতি। এসব জুসের আধা কাপ পরিমাণ দিনে একবার খেলেই রক্তে অজৈব আর্সেনিকের মাত্রা ভয়াবহ রকমের বেড়ে যেতে পারে। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ফার্টিলিটি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। কার্ডিওভাসকুলার, কিডনি রোগ এবং হাড়ের ক্ষতির ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে এই ধরনের জুস পানে।

স্বস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের রস বা জুস খাওয়ার ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদন অনুসারে, এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ফলের রস খাওয়া উচিতই নয়। এই জুস পান করলে শিশুদের আচরণগত সমস্যা, টাইপ-টু ডায়াবেটিস, আইকিউ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

ঘুম কম-বেশি হলে রোগ হয়, আয়ু কমেঅনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কাজ এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যস্ত থাকার ফলে ঘুম কম...
07/10/2019

ঘুম কম-বেশি হলে রোগ হয়, আয়ু কমে

অনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কাজ এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যস্ত থাকার ফলে ঘুম কমে গেছে অনেকেরই। ফলে বাড়ছে রোগ। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, যারা কম ঘুমায় কিংবা যারা বেশি ঘুমায় তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয় এবং কম বাঁচে।

এমনকি মোটাও হয়ে যেতে পারে কম ঘুমানোর ফলে। মোটের ওপর অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রত্যেকের প্রয়োজন।

গবেষণায় উঠে এসেছে, বয়োঃসন্ধিকালের আগ পর্যন্ত প্রতি রাতে ১১ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। নবজাতকদের প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর, তাদের প্রতিরাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু কম ঘুমের কারণে স্বাস্থ্য খারাপ হয় কিনা তা বলা কঠিন। তবে একটির সাথে আরেকটির সম্পর্ক আছে। অনেকে আছেন, যারা সাংঘাতিকভাবে ঘুম বঞ্চিত। রাতে এক-দুই ঘণ্টার বেশি তাদের ঘুম হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কারণে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

ঘুম কম হওয়ার কারণে শারীরিকভাবে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পৃথিবীজুড়ে একশ ৫৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কম ঘুমের কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং মোটা হয়ে যাওয়ার সম্পর্ক আছে। প্রায় ৫০ লাখ মানুষের ওপর এসব গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, একটানা কয়েক রাত যদি ঘুম কম হয়, তাহলে সেটি ডায়াবেটিসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এ ধরনের নিদ্রাহীনতা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে শরীরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

ঘুম কম হলে টিকার কার্যকারিতা এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম হলে ক্ষুধার তীব্রতা বাড়ে এবং এতে বেশি খাবারের চাহিদা তৈরি হয়। ফলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Address

প্রধান সড়ক, মণিরামপুর বাজার, যশোর
Jessore

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:30
Tuesday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:30
Wednesday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:30
Thursday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:30
Saturday 09:00 - 13:00
Sunday 15:00 - 21:30

Telephone

+8801714670595

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জনসেবা ইউনানী মেডিকেল সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to জনসেবা ইউনানী মেডিকেল সেন্টার:

Shortcuts

Share

Category