Dr. Md. Monirul Islam

Dr. Md. Monirul Islam হাড় ভাঙা, জোড়া, বাত, শিরা , মেরুদন্ড , হাটু ও অর্থোপেডিক সেবার বিশ্বস্ত ও আস্থার ঠিকানা 01717250254

এটাই কি আমার সোনার বাংলাদেশ?একবার ছবিটা ভালো করে দেখুন।ছবিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে বা...
24/08/2026

এটাই কি আমার সোনার বাংলাদেশ?

একবার ছবিটা ভালো করে দেখুন।

ছবিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশেই চিকিৎসকদের গড় বার্ষিক বেতন সবচেয়ে কম।

চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে চিত্রটা আরও নির্মম—

🇮🇳 ভারত: বছরে প্রায় ১৬.৮৮ লাখ টাকা — মাসে প্রায় ১.৪১ লাখ টাকা
🇳🇵 নেপাল: বছরে প্রায় ১০.০৩ লাখ টাকা — মাসে প্রায় ৮৩,৬০০ টাকা
🇱🇰 শ্রীলঙ্কা: বছরে প্রায় ৪.৮০ লাখ টাকা — মাসে প্রায় ৪০,০০০ টাকা
🇵🇰 পাকিস্তান: বছরে প্রায় ৪.১০ লাখ টাকা — মাসে প্রায় ৩৪,২০০ টাকা
🇧🇩 বাংলাদেশ: বছরে মাত্র ৩.০০ লাখ টাকা — মাসে প্রায় ২৫,০০০ টাকা।

অর্থাৎ ছবির উপাত্ত অনুযায়ী, চিকিৎসকদের গড় বেতনের দিক থেকে বাংলাদেশ শুধু পিছিয়ে নেই—প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ভয়াবহভাবে পিছিয়ে আছে।

এবার একটু হিসাব করুন।

একজন চিকিৎসক তৈরি করতে রাষ্ট্র ও পরিবারকে বছরের পর বছর সময়, অর্থ ও শ্রম দিতে হয়। পাঁচ বছরের MBBS শিক্ষা, এক বছরের ইন্টার্নশিপ, এরপর চাকরির অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ প্রস্তুতি—তারপর শুরু হয় এমন এক পেশাজীবন, যেখানে কর্মঘণ্টার কোনো নিশ্চয়তা নেই, রাত-দিনের কোনো হিসাব নেই, ঈদ-পার্বণ-ছুটির কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং ভুলের সামান্যতম সুযোগও নেই।

একজন চিকিৎসককে একই সঙ্গে রোগীর জীবন বাঁচাতে হয়, স্বজনের উৎকণ্ঠা সামলাতে হয়, প্রশাসনিক চাপ নিতে হয় এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য পরিণতির দায় নিজের কাঁধে নিতে হয়।

আর বিনিময়ে?

অর্থনৈতিকভাবে অবমূল্যায়ন, সামাজিকভাবে অপমান, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং প্রয়োজনে দুষ্কৃতিকারীদের হাতে শারীরিক নির্যাতনের আতঙ্ক।

রোগী মারা গেলে চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলার ভয়।

রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হলে চিকিৎসককে দায়ী করে হুমকি দেওয়ার ভয়।

চিকিৎসার ফল প্রত্যাশামতো না হলে হাসপাতাল ভাঙচুরের ভয়।

অভিযোগ থাকলে আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে নিজের হাতে বিচার প্রতিষ্ঠার প্রবণতার ভয়।

প্রশ্ন হচ্ছে—এভাবে আর কতদিন?

একজন চিকিৎসক কি রাষ্ট্রের নাগরিক নন?

তার জীবনের মূল্য কি এতটাই কম?

যে মানুষটির হাতে রাষ্ট্র একজন মানুষের জীবন রক্ষার দায়িত্ব তুলে দিয়েছে, সেই মানুষটির নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে না?

চিকিৎসক ফেরেশতা নন। চিকিৎসকের ভুল হতে পারে। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু অভিযোগের প্রতিকার আদালতে হবে, হাসপাতালে হামলা করে নয়; তদন্তের মাধ্যমে হবে, মারধর করে নয়; আইনের মাধ্যমে হবে, জনতার হাতে বিচার তুলে দিয়ে নয়।

কোনো রোগীর মৃত্যু চিকিৎসকের ওপর হামলার বৈধতা দেয় না।

কোনো চিকিৎসা-ব্যর্থতা হাসপাতাল ভাঙচুরের লাইসেন্স দেয় না।

কোনো ক্ষোভ একজন চিকিৎসককে অপমান, হুমকি বা শারীরিকভাবে আক্রমণ করার অধিকার দেয় না।

আর যারা চিকিৎসককে আক্রমণ করে, তারা রোগীর স্বজনের পরিচয়ের আড়ালে নিজেদের অপরাধকে বৈধতা দিতে পারে না। তারা দুষ্কৃতিকারী—এবং তাদের পরিচয় যাই হোক, আইনের কাছে তাদের জবাবদিহি করতেই হবে।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—রাষ্ট্রের নীরবতা ও দুর্বল প্রতিক্রিয়া এই অপরাধপ্রবণতাকে আরও প্রশ্রয় দেয়।

আজ একজন চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছে।

কাল আরেকজন হবে।

তারপর আরেকজন।

একসময় এমন একটি প্রজন্ম তৈরি হবে, যারা চিকিৎসক হওয়ার আগে ভাববে—

“আমি কি এই দেশে নিজের জীবন, সম্মান ও নিরাপত্তা নিয়ে চিকিৎসা করতে পারব?”

সেদিন শুধু চিকিৎসক হারাবে না বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ তার স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভবিষ্যৎ হারাবে।

তাই এটি কোনো ব্যক্তিগত দাবি নয়।
এটি কোনো বিশেষ সুবিধা চাওয়ার আন্দোলন নয়।
এটি চিকিৎসকদের আইনের ঊর্ধ্বে নেওয়ার দাবি নয়।

এটি ন্যায্যতার দাবি।

রাষ্ট্র যদি চিকিৎসকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশা করে, তাহলে রাষ্ট্রকেও চিকিৎসকের জন্য নিশ্চিত করতে হবে—

• ন্যায্য ও যুগোপযোগী বেতন কাঠামো।
• নিরাপদ কর্মপরিবেশ।
• হাসপাতালে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
• হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার।
• দৃষ্টান্তমূলক ও দৃশ্যমান শাস্তি।
• চিকিৎসকদের সুরক্ষায় একটি কার্যকর, শক্তিশালী ও বাস্তবায়নযোগ্য আইন।

কারণ শুধু হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না।

এমন শাস্তি ও এমন আইন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পরবর্তী কোনো দুষ্কৃতিকারী হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলার আগে অন্তত দশবার ভাবতে বাধ্য হয়।

আমরা আইনের ঊর্ধ্বে যেতে চাই না।

আমরা বিশেষ ক্ষমতা চাই না।

আমরা শুধু চাই—

যে রাষ্ট্রের মানুষের জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়েছে, সেই রাষ্ট্র আমাদের জীবন ও সম্মানের নিরাপত্তাটুকুও নিশ্চিত করুক।

কারণ—

চিকিৎসক যদি নিরাপদ না থাকে, চিকিৎসাসেবা নিরাপদ থাকবে না।

চিকিৎসাসেবা যদি নিরাপদ না থাকে, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থাও নিরাপদ থাকবে না।

এখন সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রের—

চিকিৎসককে মর্যাদা ও নিরাপত্তা দিয়ে ধরে রাখবে,
নাকি অবহেলা, অনিরাপত্তা ও অবমূল্যায়নের মাধ্যমে একের পর এক চিকিৎসককে এই পেশা থেকে দূরে ঠেলে দেবে।

একজন বাংলাদেশি চিকিৎসক হিসেবে আমি দ্বিতীয়টি মেনে নিতে রাজি নই।

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব...
23/08/2026

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব্যাংকের কাগজ, চাকরির কাগজ, আদালতের নোটিশ, অনলাইন অর্ডারের বাক্স।

​আমার নাম কামাল। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, হাজারীবাগ, এই এলাকাগুলোতে আমার রুট। প্রতিদিন একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘুরি। বৃষ্টি হলে ভিজি। রোদ হলে পুড়ি। শীত হলে কাঁপি। কাজটা ভালো লাগে না। তবু ছাড়িনি।

​আমাদের অফিসে একটা নিয়ম আছে। ঠিকানা ভুল হলে তিনবার চেষ্টা করতে হয়। তারপর লেখা হয়-

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​এই তিনটা শব্দ আমি জীবনে অসংখ্যবার লিখেছি। কিন্তু একদিন একটা খামের উপর এই তিনটা শব্দ লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গিয়েছিল। খামের উপর লেখা ছিল-

প্রেরক: আবদুল হালিম
প্রাপক: রাশেদ হালিম
বাড়ি: ১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা।
নিচে ছোট করে লেখা-
জরুরি। ব্যক্তিগত।

অর্থাৎ, আবদুল হালিম নামে এক বয়স্ক বাবা তাঁর ছেলে রাশেদ হালিমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, প্রেরক ও প্রাপক দুজনেরই ঠিকানা একই দেয়া-
১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা। মানে বাবা তাঁর নিজের বাড়ির ঠিকানাতেই ছেলের নামে চিঠি পোস্ট করেছেন!

​আমি ঠিকানায় গিয়ে দেখি, ১৭/বি বলে কোনো বাড়িই নেই।
১৭ আছে।
১৭/এ আছে।
১৭/সি আছে।
কিন্তু ১৭/বি নেই।

পাশের দোকানের লোককে জিজ্ঞেস করলাম। ​লোকটা বললো, "আগে ছিল।"
"এখন?"
"ভেঙে ফ্ল্যাট হইছে।"
"হালিম সাহেব?"
লোকটা কাঁধ ঝাঁকালো, "চিনি না।"

​আমি পাশের চায়ের দোকানে গেলাম। ​চা-ওয়ালা বললো, "আবদুল হালিম নামে একজন ছিল।"
"কোথায় গেছে?"
"মারা গেছে।"
"কবে?"
"অনেক বছর।"

​আমি অফিসে ফিরে খামটা "প্রাপককে পাওয়া যায়নি" লিখে জমা দিতে পারতাম। দিইনি। ​পরদিন আবার গেলাম। ১৭ নম্বর বাড়ির পুরোনো দারোয়ানকে পেলাম। বয়স অনেক। নাম গফুর। আমি খামের নামটা বলতেই লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

​"আপনি আবদুল হালিম সাহেবের ছেলের লোক?"
"না। কুরিয়ার।''
লোকটা বললো, "আবদুল হালিম সাহেব তো নাই।"
​আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তার ছেলে কোথায়?"
"বিদেশে।"
"কোন দেশে?"
"কানাডা।"
"যোগাযোগ নেই?"
"না।"

আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"
লোকটা বললো, "বাপ ছেলের ঝামেলা।"

​এই কথাটা বাংলাদেশের মানুষের খুব প্রিয়। সবকিছুর ব্যাখ্যা এক কথায় হয়ে যায়, "ঝামেলা ছিল।"

​আমি বললাম, "কী ঝামেলা?"
লোকটা বললো, "সেইটা আমি জানি না।"
তারপর একটু থেমে বললো, "তবে শেষের দিকে আবদুল হালিম সাহেব প্রতিদিন বিকেলে গেটের সামনে বসে থাকতেন।"
"কেন?"
"ছেলের জন্য।"
"ছেলে আসতো?"
"না।"

​আমি চুপ করে গেলাম।

​কানাডায় ছেলেটার নাম ছিল রাশেদ হালিম। ফেসবুকে খুঁজলাম। পেলাম না। লিংকডইনে পেলাম একজনকে। নাম মিলে যায়। ঢাকায় জন্ম। কানাডায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বয়সও মিলে। আমি তার প্রোফাইলের ছবি দেখলাম। একজন হাসিখুশি মানুষ। বউ। দুইটা বাচ্চা। বরফের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি। ক্যাপশনে লেখা-

"Home is where your people are."

​আমি অনেকক্ষণ ঐ কথাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হোম ইজ হোয়্যার ইয়োর পিপল আর। মানুষ কত সহজে ইংরেজিতে এমন কথা লিখে ফেলে। নিজের ভাষায় বলতে গেলে বুক কাঁপে।

​আমি তাকে মেসেজ পাঠালাম, "আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে।"

কোনো উত্তর নেই।

দুই দিন পর উত্তর এলো, "Who are you?"
আমি বললাম, "আমি কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। আপনার বাবা একটা চিঠি পোস্ট করেছে।"
সে লিখলো, "My father died years ago."
আমি বললাম, "চিঠিটা আপনার জন্যই।"

অনেকক্ষণ কোনো উত্তর নেই।
তারপর লিখলো, "Don't contact me again."

​আমি চুপ করে গেলাম। চিঠিটা আমার ড্রয়ারে রয়ে গেল।
তারপর এক সপ্তাহ। দুই সপ্তাহ। এক মাস। আমি চিঠিটা অফিসে জমা দিইনি।

​একদিন সন্ধ্যায় রাশেদের কাছ থেকে মেসেজ এলো, "What does the letter say?"
আমি বললাম, "আমি খুলি নাই।"
সে আবার লিখলো, "Can you send me a picture?"

​আমি খামের ছবি পাঠালাম।
সে অনেকক্ষণ কোনো উত্তর দিলো না।

তারপর লিখলো, "That's my father's handwriting."
আমি বললাম, "আপনি চিঠিটা চান?"
অনেকক্ষণ পর উত্তর এলো, "Yes."
আমি বললাম, "ঠিকানা দেন।"

​সে ঠিকানা দিল। সেদিনই আমি চিঠিটা পাঠিয়ে দিলাম। কাজ শেষ। ভাবলাম, এবার আমার দায়িত্ব শেষ। তিন দিন পর একটা ফোন এলো। বিদেশি নম্বর। আমি ধরলাম। ওপাশ থেকে একটা পুরুষের গলা।

​"আপনি কামাল?"
"জি।"
"আমি রাশেদ।"
"জি।"
"চিঠিটা পেয়েছি।"

​আমি চুপ করে থাকলাম।

​সে বললো, "আপনি কি জানেন, আমার বাবা মারা যাওয়ার আগে শেষবার আমাকে কী বলেছিলেন?"
"না।"
"বলেছিলেন, তুই যদি কোনোদিন ফিরে আসিস, আমার কাছে আসিস না।"

আমি কিছু বললাম না।

সে বললো, "আমি আর ফিরিনি।"

​তারপর দীর্ঘ নীরবতা।

​"চিঠিতে কী ছিল জানেন?"
"না।"

সে হাসলো।

তারপর বললো, "আমার বাবা কখনো কাউকে চিঠি লিখতেন না।"

আমি অবাক হলাম।

বললাম, "কিন্তু এটা তো আপনার বাবার হাতের লেখা।"
"হ্যাঁ।"
"তাহলে?"
"তিনি লিখেছিলেন। কিন্তু পাঠাননি।"

আমি বুঝলাম না।

রাশেদ বললো, "চিঠিটা তিনি নিজের আলমারিতে রেখে গিয়েছিলেন।"
"কীভাবে পোস্ট হলো?"
"তার বাড়ি বিক্রি করার পর নতুন মালিক পুরোনো আলমারির কাগজপত্রের মধ্যে খামটা পেয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছেন পোস্ট করা হয়নি, তাই দয়ায় পড়ে ডাকবাক্সে ফেলে দিয়েছেন।"
আমি বললাম, "চিঠিতে কী ছিল?"
রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "একটা মাত্র বাক্য।"
"কী?"

"আমি ভুল করেছিলাম।"

আমি বললাম, "এইটুকু?"
"হ্যাঁ।"
"আর কিছু?"
"না।"

আমি বললাম, "তাহলে আপনি কাঁদছেন কেন?"
রাশেদ কান্না থামিয়ে বললো, "আমি ভেবেছিলাম, বাবারা কখনো ভুল করে না।"

​আমি জানি না কেন, কথাটা শুনে আমার নিজের বাবার কথা মনে পড়লো। আমার বাবা ছিলেন রাগী মানুষ। আমি ছোটবেলায় একবার স্কুল থেকে পালিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। বাবা জানতে পেরে আমাকে এমন মেরেছিলেন যে তিনদিন স্কুলে যেতে পারিনি। তারপর আমি ঠিক করেছিলাম, কোনোদিন বাবার সঙ্গে কথা বলবো না।

দুদিন পরই বাবা মারা গেলেন। আমার রাগটা রয়ে গেল। বাবা রইলেন না। মানুষের রাগেরও একটা সমস্যা আছে। যার ওপর রাগ করা হয়, সে না থাকলেও রাগটা থেকে যায়। তারপর একদিন সেই রাগের কোনো ঠিকানা থাকে না।

​রাশেদ বলল, "কামাল ভাই?"
"জি?''
"আপনি কি একটা কাজ করবেন?"
"কী?"
"আমার বাবার কবরটা খুঁজে দিতে পারবেন?"
আমি বললাম, "পারবো।"
"কেন জানি না, আমি যেতে চাই।"
"আসবেন?"
"হ্যাঁ।"

​তিন মাস পর রাশেদ ঢাকায় এলো। আমি তাকে বিমানবন্দর থেকে নিতে যাইনি। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ফোন করলে।

​"কামাল ভাই, আমি ঢাকায়।"
"কোথায়?"
"পুরোনো বাসার সামনে।"

​আমি গেলাম। সে গাড়ি থেকে নামলো। আমি প্রথমে চিনতেই পারিনি। ছবির চেয়ে মানুষ বাস্তবে অন্যরকম।

​সে আমাকে দেখে বললো, "আপনিই কামাল?"
"জি।"

​সে হাত বাড়ালো। আমি হাত ধরলাম। তার হাত কাঁপছিল। আমরা একসঙ্গে কবরস্থানে গেলাম। তার বাবার কবর খুঁজে পেলাম। রাশেদ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর বসে পড়লো।

কোনো দোয়া পড়লো না। কিছু বললো না। শুধু মাটির উপর হাত রাখলো।

​অনেকক্ষণ পর বললো, "বাবা, আমি এসেছি।"

​আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

​সে আবার বললো, "তুমি বলেছিলে, আসিস না।''

চুপ

''আমি আসিনি।''

চুপ

''তুমি ভুল করেছিলে।"

চুপ

"আমিও ভুল করেছিলাম বাবা।"

​আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। দূরে সরে গেলাম।
মানুষের কিছু কথার সাক্ষী হওয়া উচিত না। কিছু কথা মৃত মানুষের আর জীবিত মানুষের মাঝেই থাকা ভালো।

​ফেরার সময় রাশেদ আমাকে বললো, "কামাল ভাই, আপনি না থাকলে আমি আসতাম না।"
আমি বললাম, "আমি তো শুধু চিঠি পৌঁছাইছি।"
সে বললো, "না।"
"তাহলে?"
"আপনি আমার কাছে একটা ঠিকানা পৌঁছে দিয়েছেন।"
আমি হেসে বললাম, "কবরের ঠিকানা?"
সে মাথা নাড়লো, "না।"
"তাহলে?"
সে বললো, "বাবার কাছে যাওয়ার ঠিকানা।"

​আমি কিছু বললাম না। অফিসে গিয়ে আমার ছেলেকে ফোন করলাম। সে ধরলো না। আবার করলাম। ধরলো।

​বললো, "কী হয়েছে?"
আমি বললাম, "কিছু না।"
"তাহলে ফোন করছো কেন?"
আমি বললাম, "তুই কেমন আছিস?"
সে বললো, "ভালো।"
আমি বললাম, "তোর সঙ্গে আমার কোনোদিন খুব বেশি রাগারাগি হয়েছে?"
ওপাশে সে হাসলো, "আপনার তো প্রতিদিনই রাগারাগি হয়।"
আমি বললাম, "আমি যদি কোনোদিন ভুল করে থাকি?"

সে চুপ করে গেল।

আমি বললাম, "তাহলে আমাকে বলিস।"
"কেন?"
"যাতে আমি ঠিক করতে পারি।"
সে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "আব্বা, আপনি ঠিক আছেন তো?''
"হ্যাঁ।"
"কিছু খাইছেন?"
"না।"
"খেয়ে ঘুমান।"

​ফোন কেটে গেল।

​আমি অনেকক্ষণ ফোনটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর ড্রয়ার খুললাম। রাশেদের বাবার চিঠির একটা ফটোকপি সেখানে রেখেছিলাম। মাত্র এক লাইন।

''আমি ভুল করেছিলাম।''

আমি কাগজটা হাতে নিয়ে ভাবলাম, মানুষ পৃথিবীতে কত কিছু লিখে। উপন্যাস। কবিতা। ইতিহাস। আইন। প্রেমপত্র। ক্ষমাপত্র। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে কঠিন চিঠিটা সম্ভবত এই তিনটা শব্দের, আমি ভুল করেছিলাম। এই তিনটা শব্দ বলতে একজন বাবার পঁচাত্তর বছর লাগে। একজন ছেলের ত্রিশ বছর। কখনো কখনো পুরো একটা জীবন।

​পরদিন অফিসে গিয়ে টেবিলে এক পুরোনো পার্সেল পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রাপক মৃত, প্রেরকের খোঁজ নেই। ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় ধুলো জমছে খামের উপর। আমি কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, পৃথিবীতে কত অভিমান, কত অসম্পূর্ণ কথা এভাবেই কোনো না কোনো টেবিলে ঠিকানাহীন হয়ে জমা পড়ে থাকে।

​অফিসে ভালো লাগলো না। আমি বাড়ি ফিরে এলাম।

আমার ছেলে তখন ঘরে বসে ফোন দেখছিল। আমি তার পাশে গিয়ে বসলাম। সে তাকালো।

আমি বললাম, "তোর সাথে আমার একটা কথা ছিল।"
সে অবাক হয়ে বললো, "কী কথা?"

আমি ড্রয়ার থেকে রাশেদের বাবার চিঠির ফটোকপিটা বের করে তার সামনে রাখলাম।

সে খামটার দিকে, তারপর আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।

অনেক বছর পর। খুব অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু যথেষ্ট। আমি তার পিঠে হাত রাখলাম। কিছু বললাম না। আমার মনে হলো, সেদিন যদি রাশেদের বাবার চিঠিটা পৌঁছে না দিতাম, তাহলে হয়তো আমার ছেলেকে আমি এই কথাগুলো কোনোদিন বলতাম না।

​আমি এখনও কুরিয়ারে কাজ করি। এখনও ভুল ঠিকানার পার্সেল আসে। এখনো অফিসে তিনটা শব্দ লেখা হয়,

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​কিন্তু আমি আর আগের মতো সহজে লিখতে পারি না। কারণ আমি জানি, কখনো কখনো মানুষ ঠিকানায় থাকে না। অভিমানে থাকে। দূরত্বে থাকে। ভুল বোঝাবুঝিতে থাকে। কখনো বিদেশে থাকে। কখনো কবরের নিচে। আর কখনো, একই বাড়িতে থেকেও একটা দরজার ওপাশে থাকে। তাই কোনো চিঠি হাতে নিয়ে যদি মনে হয়, "লোকটা তো নেই।" আমি একটু অপেক্ষা করি। কারণ ঠিকানাটা ভুল হতে পারে। কিন্তু চিঠিটা নয়। চিঠি সাধারণত ঠিক মানুষটার কাছেই যেতে চায়। শুধু পৌঁছাতে কখনো কখনো একজন কামালের দরকার হয়!

CP

সব দূরত্ব হয়ে যাওয়া সম্পর্কেই একটাবার "আমি ভুল করেছিলাম" বলতে পারলে ঠিকানাগুলো হয়তো চোখের আড়াল হয়ে যেতো না...!প্রাপকদের খুঁজে পাওয়া যেতো...!

দেশ কোথায় যাচ্ছে!!!!!ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি মির্জা আব্বাস গত ৬ মাস ধরে অসুস্থতার কারণে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পড়...
02/08/2026

দেশ কোথায় যাচ্ছে!!!!!

ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি মির্জা আব্বাস গত ৬ মাস ধরে অসুস্থতার কারণে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পড়ে আছেন, সংসদে একদিনও পা রাখেননি।
অথচ
চরম নির্লজ্জের মতো বিদেশ-বিভুঁইয়ে পড়ে থাকা এই ব্যক্তিকেই দেশের সবচেয়ে বড় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বানানো হয়েছে!

যিনি নিজের চিকিৎসার জন্য দেশে থাকেন না, তার কাঁধে এমন দায়িত্ব দেওয়াটা মূলত বিএনপির চরম বেহায়াপনা ও চাটুকারিতার জ্বলন্ত প্রমাণ। আওয়ামী লীগের চেয়ে রেটিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা বিএনপিকে আল্লাহ সরকার গঠনের সুযোগ দিলেও, মানুষ যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিল তা আজ তাদের কারণেই চরম হতাশায় পরিণত হয়েছে।

প্রতিনিয়ত নিজেদের এমন মূর্খতার কারণে তারা যেমন ডুববে, তেমনি প্রমাণ করবে যে এমন উদ্ভট রাজনৈতিক তামাশা সত্যিই কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব!

ফুটবল ইতিহাসে কিছু রাত থাকে, যেগুলোকে কেবল একটি ম্যাচের ফল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। সেসব রাতের শেষে শুধু ট্রফির মালিক ব...
20/07/2026

ফুটবল ইতিহাসে কিছু রাত থাকে, যেগুলোকে কেবল একটি ম্যাচের ফল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। সেসব রাতের শেষে শুধু ট্রফির মালিক বদলায় না, বদলে যায় সময়ের মানচিত্রও।

এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল তেমনই একটি রাত। ইতিহাস লিখবে, স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পরিসংখ্যান মনে রাখবে স্কোরলাইন, গোলদাতার নাম, ট্রফি উঁচিয়ে ধরা অধিনায়কের হাসি। কিন্তু বহু বছর পরে, যখন এই রাতের কথা মনে পড়বে, হয়তো মানুষের চোখে প্রথম ভেসে উঠবে অন্য এক দৃশ্য।

একজন মানুষ ধীরে ধীরে মাঠ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তার নাম লিওনেল মেসি।

চার বছর আগে আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালের শেষে পৃথিবী তাকে কাঁধে তুলে নিয়েছিল। সেদিন মনে হয়েছিল, ফুটবল তার সবচেয়ে প্রিয় সন্তানটির কাছে আর কোনো ঋণ রাখেনি। দীর্ঘ অপেক্ষা, অসংখ্য ব্যর্থতা, হাজারো প্রশ্নের শেষে তিনি ছুঁয়েছিলেন পূর্ণতার শিখর।

কিন্তু জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো সব সময় পূর্ণচ্ছেদে শেষ হয় না। কিছু গল্প ইচ্ছে করেই শেষ বাক্যটিকে অসমাপ্ত রেখে দেয়। কারণ অসমাপ্তির মধ্যেও এক ধরনের সৌন্দর্য আছে, যা পূর্ণতার চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী।

আজ ট্রফিটি আর তার হাতে উঠল না। হয়তো এটাই ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। ২০৩০ সালে তার বয়স হবে ৪৩। হয়তো আর কোনো বিশ্বকাপের আলো তার জন্য অপেক্ষা করে নেই। হয়তো এই প্রথম আমাদের বুঝে নিতে হবে, চার বছর পর বিশ্বকাপ এলেও সেই পরিচিত নম্বর দশ আর টানেলের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবেন না।

একসময় বিশ্বকাপের ক্যালেন্ডার মানেই ছিল একটি প্রতিশ্রুতি। আরও চার বছর অপেক্ষা করো। মেসি আবার ফিরবেন। আবার অসম্ভবকে সম্ভব করার স্বপ্ন দেখাবে পৃথিবীকে।

আজ সেই প্রতিশ্রুতিরই শেষ দিন। কোনো ঘোষণা হয়নি। কোনো বিদায়ী মঞ্চ তৈরি হয়নি। কোনো দীর্ঘ ভাষণও নয়। শুধু শেষ বাঁশি বাজল। আর সময় নিঃশব্দে একটি দরজা বন্ধ করে দিল।

হোমারের ইলিয়াড-এ ট্রয় শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। তবু হাজার হাজার বছর পর মানুষ শুধু বিজয়ীদের নয়, ট্রয়ের শেষ প্রতিরোধের কথাও মনে রাখে। কারণ মানুষের হৃদয় শুধু জয়কে অমর করে না, বিদায়কেও করে।

মেসির এই রাতও হয়তো তেমনই। তিনি শেষবারের মতো জিততে পারেননি। কিন্তু তার বিশ্বকাপের বিদায়ী ম্যাচে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার সৌন্দর্য কী, সেটি আরেকবার শিখিয়েছেন। কিছু পরাজয় থাকে, যেগুলো মানুষের শ্রদ্ধা কেড়ে নেয় না, বরং আরও গভীর করে।

এদিকে সময় নিজের নিয়মেই এগিয়ে যায়। দিগন্তের ওপারে দাঁড়িয়ে আছে আরেকটি প্রজন্ম। লামিনে ইয়ামাল। আজই তাকে নতুন রাজা বলা অন্যায় হবে। কারণ কিংবদন্তি এক রাতে জন্ম নেয় না। বছরের পর বছর, ব্যর্থতা আর সাফল্যের অসংখ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একজন কিংবদন্তি হয়ে ওঠে।

তবু ইতিহাসের একটি নিজস্ব নিয়ম আছে। একটি যুগ যখন ধীরে ধীরে নিজের আলো গুটিয়ে নেয়, ঠিক তখনই দিগন্তের অন্য পাশে আরেকটি আলো জ্বলে ওঠে।

আজ হয়তো সেই আলোর প্রথম পূর্ণ আভা দেখা গেল। ফুটবল এমনই নির্মম, আবার এমনই সুন্দর। সে কখনও থেমে থাকে না। পেলের পর ম্যারাডোনা এসেছে। ম্যারাডোনার পর এসেছে মেসি। মেসির পরও কেউ আসবে। কিন্তু কেউ কখনও কারও জায়গা নেয় না। কারণ কিংবদন্তিরা উত্তরাধিকার রেখে যান, প্রতিস্থাপন নয়। প্রত্যেকে নিজের সময় নিয়ে আসে, নিজের ভাষা নিয়ে আসে, নিজের অসম্ভবগুলো নিয়ে আসে।

হয়তো কয়েক বছর পর পৃথিবী লামিনে ইয়ামালের গল্পে মুগ্ধ হবে। যেমন একদিন হয়েছিল মেসির গল্পে। কিন্তু আজ ইয়ামালের অভিষেকের রাত নয়। আজ একটি যুগের সূর্যাস্ত।

আর সূর্যাস্তের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য এই যে, সে কখনও হঠাৎ অন্ধকার নামায় না। ধীরে ধীরে আলো কমিয়ে দেয়। যেন পৃথিবী শেষবারের মতো আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলতে পারে, ‘এমন আলো আবারও উঠবে। কিন্তু এই আলোর মতো আর কোনো আলো কখনও হবে না।’

মেসির আলোর স্বরূপ আর পুনরাবৃত্তি হবে না। এটাই কিংবদন্তির প্রকৃত অর্থ।

You’re not eliminated, Cape Verde. Not at all from football fans hearts, memories forever. 𝐘𝐨𝐮 𝐰𝐨𝐧 𝐨𝐮𝐫 𝐡𝐞𝐚𝐫𝐭𝐬.𝐘𝐨𝐮 𝐫𝐞𝐦𝐢𝐧𝐝...
04/07/2026

You’re not eliminated, Cape Verde. Not at all from football fans hearts, memories forever. 𝐘𝐨𝐮 𝐰𝐨𝐧 𝐨𝐮𝐫 𝐡𝐞𝐚𝐫𝐭𝐬.

𝐘𝐨𝐮 𝐫𝐞𝐦𝐢𝐧𝐝 𝐮𝐬 𝐭𝐡𝐚𝐭 𝐈𝐌𝐏𝐎𝐒𝐒𝐈𝐁𝐋𝐄 𝐈𝐒 𝐍𝐎𝐓𝐇𝐈𝐍𝐆. 💭

𝐎𝐧𝐞 𝐨𝐟 𝐭𝐡𝐞 𝐛𝐞𝐬𝐭 𝐟𝐨𝐨𝐭𝐛𝐚𝐥𝐥 𝐬𝐭𝐨𝐫𝐢𝐞𝐬 𝐞𝐯𝐞𝐫. Cape Verde, you literally won the whole world’s hearts… this will stay forever 🥺🇨🇻

𝐓𝐡𝐞 𝐬𝐦𝐚𝐥𝐥𝐞𝐬𝐭 𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐫𝐲 𝐞𝐯𝐞𝐫 𝐭𝐨 𝐬𝐜𝐨𝐫𝐞 𝐢𝐧 𝐚 𝐖𝐨𝐫𝐥𝐝 𝐂𝐮𝐩 𝐤𝐧𝐨𝐜𝐤𝐨𝐮𝐭 𝐠𝐚𝐦𝐞. Vozinha & co, Spain, Argentina… Incredible moments.

500.000 people, small place to be… but the 𝐛𝐢𝐠𝐠𝐞𝐬𝐭 𝐡𝐞𝐚𝐫𝐭! ❤️

Magic stories like this make us feel in love with this game.

𝐎𝐛𝐫𝐢𝐠𝐚𝐝𝐨, 𝐂𝐚𝐩𝐞 𝐕𝐞𝐫𝐝𝐞. From all football fans.

250 শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল বড় একটা প্রতিষ্ঠান , বড় ব্যাপার !প্রায় ৮৮ টা ক্যাডার অফিসারের পোস্ট, কয়েকশ কর্মচা...
29/05/2026

250 শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল
বড় একটা প্রতিষ্ঠান , বড় ব্যাপার !
প্রায় ৮৮ টা ক্যাডার অফিসারের পোস্ট, কয়েকশ কর্মচারী। বেশিরভাগ খাতা কলমে বাস্তব চিত্রটা চলেন একটু দেখে আসি:
হাসপাতালে ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী কর্মচারী আছেন যাদেরকে শহরের বিভিন্ন সামর্থ্যবান লোকদের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করে মাসে মাত্র ৩ হাজার টাকা , ঠিকই শুনেছেন তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হয়, আরো ২৮ জন স্বেচ্ছাসেবী কর্মচারী আছেন যারা মাসে কোন টাকা পয়সা কিছুই পান না, ৩৩ জন আউটসোর্সিং কর্মচারী রয়েছেন যারা গত প্রায় 6 মাস কোন বেতন পান না , এছাড়া চতুর্থ শ্রেনীর সরকারি কর্মচারী রয়েছেন ১৪ জন , এর বাইরে ব্লাড ব্যাংক ও লিফটে কাজ করেন আরও ৬ জন যাদের কে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় কিছু বেতন দেওয়া হয়।
এই ১৪১ জন মুসলিম কর্মচারী ই মূলত চিকিৎসক ও নার্সদের বাইরে হাসপাতালের মূল চালিকা শক্তি । কিন্তু কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছেন তারা কীভাবে চলেন, তাদের সংসার কিভাবে চলে!!!!

আলহামদুলিল্লাহ ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম(NDF), ঝিনাইদহ জেলা শাখার পক্ষ থেকে খুব সামান্য একটু প্রয়াস , একটা গরু কুরবানি করে সম্পূর্ণ মাংস এই ১৪১ জনের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
এর বাইরে আরও ২৪ জন অমুসলিম স্বেচ্ছাসেবী কর্মচারী রয়েছেন,লিমিটেড রিসোর্সের কারণে যাদের কে আমরা কিছুই দিতে পারিনি!
তাদের কাছে বিনীত ক্ষমা প্রার্থী, আগামীতে ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করবো সবার জন্য আরো ভালো কিছু করার।সমাজের সামর্থবান গণ নিঃশ্চয় আপনাদের পাশে থাকবেন ,ইনশাল্লাহ!
আল্লাহ আমাদের সকল নেক প্রচেষ্টা কবুল করুন!

20/03/2026

সবাইকে ঈদ মোবারক !

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আত্মগোপনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান ড. আলি লা...
20/03/2026

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আত্মগোপনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান ড. আলি লারিজানি।

ইরানে হামলার কিছু সময় আগে (কয়েক ঘন্টা বা এক/দুইদিন) ইরানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান ড. আলি লারিজানি একটা শীতল সংবাদ নিয়ে এসে আয়াতুল্লাহ খামেনির বাসভবনে তার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থেকে খামেনিকে বলেন। মাই লিডার, এইবার শুধু মেসেজ চালাচালি বা বাকযুদ্ধের মত কোন চাপ নয়। শত্রুরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আপনাকে হত্যা করতে চায়।

যদি ইরানের আকাশ মিসাইলের ধোয়া দিয়েও ভরে যায়, আমরা এমন একটা সুরক্ষিত দুর্গ নির্মাণ করেছি যা সমস্ত চোখ এবং রাডার থেকে থাকবে সুরক্ষিত। কোন বিমান সেখানে বোম্ব ফেলতে পারবে না। কোন মিসাইল সেখানে পৌঁছাবে না।

এটা লুকানো নয় লিডার। ঝড় না থামা পর্যন্ত জাস্ট কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হওয়া।

কিছু সময়ের জন্য সুপ্রিম লিডার খামেনি নিরবতা অবলম্বন করলেন। তারপর ধীরে উঠে দাঁড়ালেন। মনে হচ্ছিলো ইতিহাস তার সাথে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

তিনি কিছুটা এগিয়ে আসলেন এবং শান্তভাবে লারিজানিকে বললেন আমার কাছে যখন এসেছেন তখন কি উত্তর আশা করেন?

লারিজানি ইতস্ততার সাথে উত্তর দিলেন, আমি জানি আপনি প্রত্যাখ্যান করবেন। কিন্তু এই জাতির জন্য আপনাকে প্রয়োজন। যুদ্ধে আপনার কমান্ড প্রয়োজন।

লিডার মুচকি হাসলেন। তারপর বললেন রাষ্ট্রের বিষয়ে এবং নিরাপত্তার বিষয়ে আপনি সঠিক বলেছেন। কিন্তু রাজনীতির চেয়েও কিছু বিষয় আছে যা বিবেচনা করতে হবে।

কিভাবে আমি একজন সৈনিককে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে নিজে অদৃশ্য হয়ে যাই?

কিভাবে আমি জনগণকে দৃঢ়তার সাথে প্রতিরোধ করতে বলি আর সর্বপ্রথম নিজে সে বিপদ থেকে পালিয়ে যাই?

তিনি কিছুক্ষণ থামলেন যেন কারবালার দৃশ্য উন্মোচিত হলো।

আমরা(আমি) হোসেইন ইবনে আলীর সন্তান যে ইমাম তার পরিণতি সম্পর্কে জানতো। তারপরেও সেই পরিণতির দিকে গেছে যেনো সেটা আল্লাহরই প্রতিজ্ঞার দিকে যাওয়া। তিনি অদৃশ্য হয়ে যাননি যদিও তার আর্মি খুবই ছোট্ট ছিলো।

লারিজানি উত্তর দিলেন, কিন্তু নেতা, ইতিহাস তো শুধু একটা পাতা নয়। আমাদের তো একজন ইমাম আছেন যিনি এখনো প্রকাশিত হননি। ( ইমাম মাহদির কথা বলছিলেন লারিজানি) যা থেকে আমাদের শেখায় কখনো অনুপস্থিত থাকা বিজ্ঞতার পরিচয়, ভয়ের জন্য নয়।

লিডার আরো কিছুটা এগিয়ে আসলেন এবং বললেন, মিস্টার লারিজানি, পার্থক্য হলো আমাদের ইমাম অদৃশ্য হয়েছেন কারণ তার কোন আর্মি ছিলো না, তারপক্ষে কোন জাতি বা গোষ্ঠী দাঁড়ায়নি যারা সত্যের জন্য লড়াই করবে।

কিন্তু আমরা? যেখানে আমার আর্মি আছে, একটা বিশাল জাতি আছে যুদ্ধ করার জন্য, তাদেরকে যুদ্ধের আগুনের মুখে ফেলে আমি কিভাবে আত্মগোপনে যাই?

একজন নেতা তখনই আত্মোগোপন করে যখন সে একা থাকে। এটা হতে পারে বিজ্ঞতার পরিচয়।

কিন্তু যখন পুরো একটা জাতি তার পিছনে দাঁড়িয়ে যায়, তখন তার আত্মগোপন ইতিহাসের বিবেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

লারিজানি কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন, কোন উত্তর দিতে পারলেন না।

লিডার লারিজানির দিকে হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করলেন এবং তার এই উৎকন্ঠার জন্য তাকে ধন্যবাদ দিলেন।

লারিজানি চলে যাওয়ার পর তিনি তার পরিবারকে ডাকলেন এবং তাদেরকে কোন সুরক্ষিত এবং নিরাপদ জায়গায় যেতে বললেন।

তারা তার দিকে শিশুর মত তাকালেন এবং মর্যাদার সাথে বললেন আপনি যেখানে থাকবেন আমরাও সেখানে থাকবো।

লিডার যেখানে ছিলেন সেখানেই থাকলেন। এই কারণে নয় যে তিনি বিপদ জানতেন না, বরং তারচেয়েও গভীর কিছু জানতেন।

11/03/2026

যারা লাইভ মিস করেছেন :
সময় করে দেখে নিতে পারেন।
বাচ্চাদের হাড়ভাঙা নিয়ে প্রাথমিক সব আলাপ আলোচনা করা হয়েছে :

https://www.facebook.com/share/v/1DkNAB9efP/

04/03/2026

চলুন মিডল ইস্টের হিজড়া আমির গুলোর একটু নাচ দেখে বিনোদন নিই...
আমার সেই লাগছে !!!

Address

Jhenida

Opening Hours

Monday 08:00 - 14:30
16:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 14:30
16:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 14:30
16:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 14:29
16:00 - 22:00
Friday 14:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 14:30
16:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 14:30
16:00 - 22:00

Telephone

+8801820502870

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Monirul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Monirul Islam:

Shortcuts

Share