Prof Dr Md Amirul Islam. BDS, FCPS

Prof Dr Md Amirul Islam. BDS, FCPS Dental, Oral & Maxillofacial Surgeon. Professor of Oral & Maxillofacial Surgery. http://maps.app.goo.gl/JVE2xV18r6TxS5Df9/

12/08/2026
The Halt Method
10/08/2026

The Halt Method

আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণাআইসিইউতে ছড়াচ্ছে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশিআইসিডিডিআর,বি পরিচালিত সাম্প...
10/08/2026

আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণা
আইসিইউতে ছড়াচ্ছে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি

আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত সাম্প্রতিক দুটি গবেষণায় যায়, হাসপাতালে ভর্তির সময় যেসব রোগীর শরীরে এ ধরনের ব্যাকটেরিয়া ছিল না, তাদের অর্ধেকেরও বেশি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসব জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত বা সংক্রমিত হয়েছেন। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এ ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মৃত্যুহার ছিল ৯০ শতাংশেরও বেশি।

গবেষণা দুটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী মাইক্রোবায়োলজি স্পেকট্রাম এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড ইনফেকশন কন্ট্রোল- এ প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণার জন্য রাজধানীর একটি বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভর্তি হওয়া ৩৭৩ জন গুরুতর অসুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক রোগী এবং একই হাসপাতালের এনআইসিইউতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি থাকা ৩৬৩ জন নবজাতকের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণাটি ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এতে বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ডিফিকাল্ট-টু-ট্রিট রেজিস্ট্যান্ট (ডিটিআর) গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার, সংক্রমণের ধরন এবং রোগীর ওপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশের অন্ত্রে ডিটিআর গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ছিল। শুরুতে এসব ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকা ১৯৮ জন রোগীর মধ্যে ১০৫ জন, অর্থাৎ ৫৩ শতাংশ, আইসিইউতে অবস্থানকালে এসব জীবাণুতে আক্রান্ত হন। এটি হাসপাতালের ভেতরে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার ব্যাপক বিস্তারের ইঙ্গিত দেয়।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, যেসব রোগীর ক্ষেত্রে কালচার পরীক্ষার মাধ্যমে ডিটিআর গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে, তাদের মধ্যে মৃত্যুহার ছিল ৯০ শতাংশেরও বেশি। গবেষকদের বিশ্লেষণে সীমিত চিকিৎসা-সুবিধা, অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিকে এ অস্বাভাবিক মৃত্যুহারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হোল-জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষণায় দেখা যায়, অনেক রোগীর শরীরে শুরুতে নীরব অবস্থায় থাকা ব্যাকটেরিয়াই পরবর্তী সময়ে প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হয়েছে। ফলে শরীরে উপসর্গহীনভাবে বহন করা এ ধরনের ব্যাকটেরিয়াও পরবর্তী সময়ে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

গবেষণায় হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট সংক্রমণের জন্য দায়ী চারটি প্রধান গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- ⁠এশেরিকিয়া কোলাই, ⁠ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া, অ্যাকিনেটোব্যাকটার বাউমানি এবং সিউডোমোনাস অ্যারুগিনোসা।

একই গবেষণা দলের দ্বিতীয় গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী হাতের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে এনআইসিইউতে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।

সাত মাসব্যাপী ওই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পর প্রতি ১০০ জন ভর্তি রোগীর মধ্যে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণ ২৮ জন থেকে কমে চারজনে নেমে আসে, যা ৮৬ শতাংশ হ্রাস। একই সময়ে প্রতি ১০০ জন ভর্তি রোগীর মধ্যে মৃত্যুহারও ২৬ জন থেকে কমে চারজনে নেমে আসে।

গবেষণার ফলাফল থেকে প্রতীয়মান হয়, হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত নজরদারি এবং দায়িত্বশীল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। গবেষকদের মতে, বাংলাদেশের পাশাপাশি সীমিত সম্পদের অন্যান্য দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার জন্যও এ গবেষণার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেয়।

স্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন, জীবন বাঁচান।প্রতিটি মিনিটই মূল্যবান। স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
10/08/2026

স্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন, জীবন বাঁচান।
প্রতিটি মিনিটই মূল্যবান। স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

29/07/2026

এটি একটি জনসচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপন!

2026 BDS 14th Orientation Programme at Dental Unit -TMSS Medical College, Bogura
29/07/2026

2026 BDS 14th Orientation Programme at Dental Unit -TMSS Medical College, Bogura

25/07/2026

ডেন্টাল সার্জন (ডেন্টিস্ট) ও ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট এক নয়
- ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
২৪ জুলাই, ২০২৬ | ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা যত বাড়ছে, ততই একটি বিষয় উদ্বেগের সঙ্গে সামনে আসছে।স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সহযোগী (Allied Health) পেশার কিছু অংশ থেকে সময়ে সময়ে এমন দাবি ওঠে যে, তাঁদেরও যেন চিকিৎসকদের মতো রোগ নির্ণয়, প্রেসক্রিপশন লেখা কিংবা স্বাধীনভাবে চিকিৎসা করার অধিকার দেওয়া হয়। সম্প্রতি কিছু ডেন্টাল টেকনোলজিস্টের পক্ষ থেকে তাঁদের ডেন্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জনপরিসরে আলোচিত হচ্ছে।

যে কোনো পেশাজীবী তাঁর কর্মক্ষেত্রের উন্নতি, মর্যাদা বৃদ্ধি কিংবা বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানাতে পারেন। সেটি একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু একটি পেশার উন্নয়নের দাবি আর অন্য একটি পেশার আইনগত ও পেশাগত পরিচয় দাবি করা এক বিষয় নয়। একজন ডেন্টাল টেকনোলজিস্টকে ডেন্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি যেমন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তেমনি এটি রোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসার মান এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার মৌলিক নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। বাংলাদেশে BDS-এ ভর্তি হওয়া অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। দীর্ঘ পাঁচ বছরের শিক্ষা, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)-এর নিবন্ধনের মাধ্যমে একজন ডেন্টাল সার্জন রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরিকল্পনা, দাঁত সংরক্ষণ, ফিলিং, রুট ক্যানেল, দাঁত তোলা, মুখ ও দাঁতের সংক্রমণের চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করার যোগ্যতা অর্জন করেন। অন্যদিকে, ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো ডেন্টিস্টের প্রেসক্রিপশন ও নির্দেশনা অনুযায়ী ডেনচার, ক্রাউন, ব্রিজ, অর্থোডন্টিক অ্যাপ্লায়েন্স এবং অন্যান্য ডেন্টাল প্রস্থেসিস তৈরি করা। তাঁরা স্বাস্থ্যসেবা দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। কিন্তু তাঁদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ রোগ নির্ণয়, চিকিৎসাপরিকল্পনা বা স্বাধীনভাবে রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নয়। এই পার্থক্যটি বোঝা অত্যন্ত জরুরি।

আইন ও অন্যান্য পেশায় কি এমন দাবি দেখা যায়?
বাংলাদেশে একজন প্যারালিগ্যাল বা আইনজীবীর সহকারী কখনো বলেন না যে তাঁকে অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বৗকৃতি দিতে হবে। কারণ তিনি জানেন, আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য আইন বিষয়ে নির্দিষ্ট শিক্ষা, বার কাউন্সিলের পরীক্ষা এবং লাইসেন্স অপরিহার্য। একইভাবে একজন অ্যাকাউন্টিং সহকারী কখনো দাবি করেন না যে তাঁকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সমান আইনগত ক্ষমতা দিতে হবে। একজন ফার্মাসি টেকনিশিয়ান নিজেকে ফার্মাসিস্ট বলেন না। একজন অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজিস্ট নিজেকে সার্জন দাবি করেন না। একজন অ্যানেস্থেসিয়া টেকনোলজিস্টও অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট নন। কারণ প্রতিটি পেশার নিজস্ব শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আইনগত দায়িত্ব এবং জবাবদিহিতা রয়েছে।
তাহলে স্বাস্থ্যসেবায় কেন এই সীমারেখা মুছে ফেলার চেষ্টা হবে? চিকিৎসা শুধু একটি কারিগরি দক্ষতা নয়। অনেকেই মনে করেন দাঁত তোলা, স্কেলিং বা ফিলিং করা খুব সাধারণ কাজ। বাস্তবে বিষয়টি মোটেও এত সহজ নয়। একজন রোগীর দাঁতের ব্যথার পেছনে থাকতে পারে ডেন্টাল অ্যাবসেস, চোয়ালের টিউমার, মুখগহ্বরের ক্যান্সার, সাইনাসের রোগ, ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া কিংবা সিস্টেমিক রোগের প্রকাশ। রোগীর ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, রক্তক্ষরণের সমস্যা, অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ওষুধ ব্যবহার বা অ্যালার্জির ইতিহাসও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসাপরিকল্পনা কেবল একটি কারিগরি দক্ষতা নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া। সেই কারণেই পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের অধিকার নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও নিবন্ধিত চিকিৎসকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়।

ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের গুরুত্ব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এটি স্পষ্টভাবে বলা প্রয়োজন যে, ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা স্বাস্থ্যসেবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের দক্ষতা ছাড়া আধুনিক ডেন্টাল প্রস্থেসিস ব্যবস্থা কার্যত অচল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হওয়া আর চিকিৎসক হওয়া এক বিষয় নয়।
একজন দক্ষ বিমান প্রকৌশলী যেমন পাইলট নন, তেমনি একজন দক্ষ ডেন্টাল টেকনোলজিস্টও ডেন্টিস্ট নন। উভয়ের কাজই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু দায়িত্ব এক নয়।

গ্রামীণ জনগণের জন্য ভিন্ন মানের স্বাস্থ্যসেবা কেন?
ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের স্বাধীন চিকিৎসার পক্ষে একটি সাধারণ যুক্তি হলো—গ্রামে ডেন্টিস্ট নেই। প্রশ্ন হলো, গ্রামীণ মানুষ কি দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক? শহরের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি নিজের বা পরিবারের দাঁতের চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তাহলে কি তিনি একজন ডেন্টাল টেকনোলজিস্টের কাছে যাবেন, নাকি একজন যোগ্য (BDS) ডেন্টাল সার্জনের কাছে? বাস্তবতা হলো, প্রায় সবাই নিজের এবং নিজের পরিবারের জন্য যোগ্য ডেন্টাল সার্জনের চিকিৎসাই চান। তাহলে গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য কেন ভিন্ন মানদণ্ড? এটি একটি দ্বৈত নীতি (Double Standard)। একদিকে নিজের পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ যোগ্য চিকিৎসক চাইবেন, অন্যদিকে গ্রামের মানুষের জন্য কম প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ডেন্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইবেন—এটি নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। গ্রামের মানুষেরও একই মানের নিরাপদ চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাঁদের জন্য নিম্নমানের বিকল্প তৈরি করা সমাধান নয়; বরং এটি স্বাস্থ্যবৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া।
রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতা কখনো কখনো অ্যালাইড হেলথ পেশার একটি অংশকে সম্ভাব্য ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করেন। ফলে জনস্বার্থ বা বৈজ্ঞানিক বাস্তবতার পরিবর্তে রাজনৈতিক লাভের হিসাব থেকে তাঁদের কিছু অযৌক্তিক দাবিকে প্রকাশ্যে বা নীরবে সমর্থন দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ ধরনের রাজনৈতিক প্রশ্রয় স্বল্পমেয়াদে কিছু গোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। স্বাস্থ্যনীতি কখনো ভোটের রাজনীতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়। স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারিত হওয়া উচিত রোগীর নিরাপত্তা, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং জনস্বার্থের ভিত্তিতে। আজ যদি রাজনৈতিক সুবিধার জন্য একটি পেশাকে এমন ক্ষমতা দেওয়া হয়, যার জন্য তারা প্রশিক্ষিত নয়, তাহলে আগামীকাল অন্য পেশাগুলোও একই দাবি তুলবে। এর ফলে পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার পেশাগত কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে।

প্রকৃত সমাধান কী?
গ্রামে ডেন্টিস্টের স্বল্পতা থাকলে সমাধান হলো—উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত (BDS) ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ। গ্রামীণ এলাকায় চাকরির জন্য বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা। আধুনিক ডেন্টাল ইউনিট স্থাপন। মোবাইল ডেন্টাল ক্লিনিক চালু করা। টেলি-ডেন্টিস্ট্রি ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের তাঁদের প্রকৃত কারিগরি দক্ষতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা। এগুলোই টেকসই সমাধান।

উপসংহার :
একটি আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা দলগত কাজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, নার্স, ফার্মাসিস্ট, ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল ল্যাব টেকনোলজিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট—সবারই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু দলগত কাজের অর্থ এই নয় যে, সবার পেশাগত দায়িত্ব এক হয়ে যাবে। পেশাগত মর্যাদা অর্জনের পথ অন্যের পরিচয় গ্রহণ করা নয়; বরং নিজের পেশার দক্ষতা, অবদান ও মান উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজের আস্থা অর্জন করা।

সরকারের উচিত প্রতিটি স্বাস্থ্য পেশার (Scope of Practice) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এবং তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা। একই সঙ্গে অযৌক্তিক দাবিকে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রশ্রয় না দিয়ে রোগীর নিরাপত্তা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক—তিনি শহরে থাকুন বা গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে—সমান মানের, নিরাপদ এবং যোগ্য স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখেন। গ্রামীণ জনগণের জন্য কম যোগ্যতাসম্পন্ন বিকল্প তৈরি করা কোনো সামাজিক ন্যায়বিচার নয়; বরং এটি বৈষম্যের একটি রূপ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত যোগ্য ইউঝ ডেন্টাল সার্জনের সেবা দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, পেশাগত সীমারেখা ভেঙে রোগীর নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা নয়।

লেখক: রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, সেইন্টজন রেজিওনাল হসপিটাল, নিউব্রান্সউইক;
এসিস্টেন্ট প্রফেসর, ডালহাউসী ইউনিভার্সিটি, ক্যানাডা।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক পূর্বকোণ, ২৪ জুলাই, ২০২৬)

সচেতন হোন জীবনের জন্য
25/07/2026

সচেতন হোন জীবনের জন্য

Address

Sadar Road, Amtoli
Joypur
5900

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00
Tuesday 17:00 - 20:00
Wednesday 17:00 - 20:00
Thursday 17:00 - 20:00
Saturday 17:00 - 20:00
Sunday 05:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof Dr Md Amirul Islam. BDS, FCPS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category