Dr. Md. Mizanur Rahman

  • Home
  • Dr. Md. Mizanur Rahman

Dr. Md. Mizanur Rahman MBBS(SSMC), BCS(Health), MS Resident(ENT-Otolaryngology & Head Neck Surgery) Phase-B (DMCH)

সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের মুখের ঘা এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। প্রতিদিনই সরকারি এবং বেসরকারি হসপিটালে মুখের ঘা এর কারণে বাচ্চ...
27/07/2026

সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের মুখের ঘা এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। প্রতিদিনই সরকারি এবং বেসরকারি হসপিটালে মুখের ঘা এর কারণে বাচ্চা একেবারে খেতে পারছে না এরকম রোগীদের নিয়ে অভিভাবকরা ভিড় করছে। মেডিকেলের ভাষায় মুখের ঘা এর এখনকার প্রধান কারণ হচ্ছে হারপেটিক জিঞ্জিভোস্টোমাটাইটিস (Herpetic Gingivostomatitis)
শিশুদের মুখে ঘা ও মাড়ির সংক্রমণ সম্পর্কে সহজ ভাষায় বলতে গেলে -

হারপেটিক জিঞ্জিভোস্টোমাটাইটিস হলো মুখ ও মাড়ির একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ। এটি সাধারণত হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১ (HSV-1) দ্বারা হয়। ছোট শিশুদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সে।

কীভাবে ছড়ায়?
-আক্রান্ত ব্যক্তির লালা (থুতু) থেকে
-একই গ্লাস, চামচ বা খেলনা ব্যবহার করলে
-মুখে বা ঠোঁটে থাকা হারপিসের ঘার সংস্পর্শে এলে
-চুম্বনের মাধ্যমে

লক্ষণ কী কী?
রোগের শুরুতে সাধারণত—
-হঠাৎ জ্বর (অনেক সময় ১০২–১০৪°F পর্যন্ত)
-শিশুর খিটখিটে মেজাজ
-খেতে না চাওয়া
-দুর্বলতা
এরপর মুখে দেখা যায়—
-মাড়ি লাল ও ফুলে যাওয়া
-মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে
-মুখ, জিহ্বা, ঠোঁট ও গালের ভেতরে ছোট ছোট ফোসকা, পরে সেগুলো ঘায়ে পরিণত হয়
-মুখে প্রচণ্ড ব্যথা
-লালা বেশি পড়া
-মুখে দুর্গন্ধ
-গলার লসিকা গ্রন্থি (গ্ল্যান্ড) ফুলে যাওয়া

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
মুখে ব্যথার কারণে অনেক শিশু খাওয়া ও পানি পান বন্ধ করে দেয়। ফলে শরীরে পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) হতে পারে, যা কখনও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণ হয়।

কী করবেন?
-শিশুকে বারবার অল্প অল্প করে পানি, ওরস্যালাইন বা তরল খাবার দিন।
-ঠান্ডা, নরম খাবার যেমন দই, ঠান্ডা দুধ, আইসক্রিম (পরিমিত), নরম ভাত বা স্যুপ খেতে দিতে পারেন।
-ঝাল, টক ও শক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
-জ্বর ও ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল দিন।
-শিশুকে বিশ্রামে রাখুন।

অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের প্রয়োজন হয়?
হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে Acyclovir নামের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া যায়। এটি রোগ শুরুর প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শুরু করলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। তবে নিজে থেকে এই ওষুধ শুরু করবেন না।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
-শিশু কিছুই খেতে বা পান করতে পারছে না
-প্রস্রাব কম হয়ে যাচ্ছে
-খুব বেশি ঝিমিয়ে পড়ছে
-জ্বর ৩–৫ দিনের বেশি থাকে
-চোখ লাল হয়ে যায় বা চোখে ব্যথা হয়
-শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম (যেমন ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছে)

এটি কি বারবার হতে পারে?
হ্যাঁ। একবার সংক্রমণ হওয়ার পর ভাইরাস শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। পরে জ্বর, অতিরিক্ত রোদ বা মানসিক চাপের সময় অনেকের ঠোঁটে কোল্ড সোর (Cold sore) হিসেবে আবার দেখা দিতে পারে।

এটি কি বিপজ্জনক?
বেশিরভাগ শিশু ৭–১৪ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। তবে পানিশূন্যতা বা চোখে সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

প্রতিরোধের উপায়
-হাত ভালোভাবে ধোয়ার অভ্যাস করুন।
-আক্রান্ত ব্যক্তির গ্লাস, চামচ বা তোয়ালে ব্যবহার করবেন না।
-মুখে হারপিসের ঘা থাকলে শিশুদের চুমু দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
-শিশুর ব্যবহৃত খেলনা ও জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখুন।
মনে রাখবেন: মুখে ঘা মানেই অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। হারপেটিক জিঞ্জিভোস্টোমাটাইটিস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো উচিত নয়।

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mehedi Hasan, Mohammed Ali, Umor Faruk, Kabir Ahamed
30/04/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mehedi Hasan, Mohammed Ali, Umor Faruk, Kabir Ahamed

31/03/2026

হাম একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এর নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক (antiviral) নাই, সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা নিয়মিত টীকা গ্রহণের মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ। যেহেতু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে শিশুরা হামে আক্রান্ত বেশি হচ্ছে, তাই হামের টীকা সংক্রান্ত কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর।
প্রশ্ন:বাংলাদেশে হামের কয় ধরণের টীকা পাওয়া যায়?
উত্তর: দুই ধরণের টীকা পাওয়া যায় (MR সরকারীভাবে ও MMR বেসরকারীভাবে)।
প্রশ্ন: শিশুদেরকে হামের টীকা সাধারণত কয় ডোজ ও কত বয়সে দেওয়া হয়?
উত্তর: সরকারী ভাবে ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী দুই ডোজ টীকা দেওয়া হয়। প্রথম ডোজ ৯ মাস বয়সে এবং দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে।
প্রশ্ন: হাম প্রতিরোধে এই টীকার কার্যকারিতা কত?
উত্তর: নিয়মিত ২ ডোজ টীকা নিলে, হাম রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টীকা ৯৭-৯৯% কার্যকরী।
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া হয় না কেন?
উত্তর: মায়ের শরীর থেকে প্রাপ্ত (প্যাসিভ/পরোক্ষ) অ্যান্টিবডির মাধ্যমে নবজাতকের শরীরে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, শিশুকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া যাবে কি?
উত্তর: ক্ষেত্র বিশেষে ৬ মাসের পর হতে হামের টীকা দেওয়া যেতে পারে (যেমন: হামের প্রার্দুভাবের সময়, যখন শিশুদের ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের সময়)। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরবর্তীতে ৯ মাস এবং ১৫ মাসে বয়সে যথারীতি ২ ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: যদি কেউ ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী টীকা না দিয়ে থাকেন, তবে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ৩ বছর কিন্তু তাকে হামের টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ২ বছর কিন্তু তাকে হামের ১ম ডোজ টীকা দেওয়ার পর দ্বিতীয় ২য় ডোজ টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: যত দ্রুত সম্ভব ২য় ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: হামের ২ ডোজ টীকা দেওয়ার পর, বুস্টার ডোজ টীকা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ হামের টীকা দেওয়া থাকলে, বুস্টার ডোজ দেওয়ার দরকার নেই।
প্রশ্ন: কিশোর-কিশোরি অথবা বড়রা কি হামের টীকা নিতে পারবেন?
উত্তর: নিতে পারবেন, যদি ইতিপূর্বে হামের কোন টীকা গ্রহণ না করে থাকেন এবং Measles Serology test Negative হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে হামের টীকা দেওয়া যাবে না ?
উত্তর: Severe Immunocompromised patient, pregnant woman
প্রশ্ন: হামের টীকা দেওয়ার পরেও কি হাম হতে পারে?
উত্তর: ২ ডোজ হামের টীকা নেওয়ার পরে, হাম হওয়ার সম্ভাবনা খুবই খুবই কম বা অতি দূলর্ভ, তবে যদি হয়েও থাকে তবে সেটি খুব স্বল্প মাত্রায় হয়।
প্রশ্ন: ভিটামিন-এ ক্যাপসুল কি হামের চিকিৎসা?
উত্তর: হাম হলে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিতে হবে। WHO এর নিয়ম অনুযায়ী হামের রোগীকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিলে রাতকানা রোগ ও শিশু সংক্রামক ব্যাধির কারনে মৃত্যু হার অনেক কমে আসে।
প্রশ্ন: হামের রোগির সংস্পশে আসলে post-exposure prophylaxis ভূমিকা আছে কি?
উত্তর: কিছু কিছু ক্ষেত্রে হামের রোগির সংস্পশে (প্রথম বার) আসলে post-exposure prophylaxis (৬ দিনের মধ্যে) দিতে হয় এবং MMR Vaccine ও Immunoglobin ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে post-exposure prophylaxis দিতে হয়?
উত্তর:
# Severe Immunocompromised ক্ষেত্রে Immunoglobin দিতে হবে
# বয়স: জন্ম থেকে ৫ মাস পযর্ন্ত Immunoglobin দিতে হবে, যদি মায়ের ২ ডোজ টীকা না দেওয়া না থাকে এবং মায়ের ইতোঃপূর্বে কখনো হাম না হয়ে থাকে, মায়ের measles IgG Negative হয়।
# বয়স: ৬ থেকে ১৮ মাস (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি)- MMR Vaccine (৭২ ঘণ্টার মধ্যে) অথবা Immunoglobin (৭২ ঘণ্টা থেকে ৬ দিনের মধ্যে)
# গর্ভবতী মহিলা (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি/হাম হয়নি )- Immunoglobin (৬ দিনের মধ্যে)।

আপনার শিশুকে নিয়মিত টীকা দিন ও যত্ন নিন এবং হামের কোন লক্ষণ দেখা দিলে অতি সত্তর নিকটস্থ হাসপাতাল অথবা শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

Ref:
1.EPI_Guide book DGHS
2.World Health Organization (2020). The immunological basis for immunization series: module 7: measles: update 2020
3.Guidance UK Complete routine immunization Schedule 2026
4.Australian immunisation Handbook, 2022

Dr Md Abu Talha
MBBS, FCPS (Pead)
Fellow Pead Intensive &
Cardiac Care (AIMS,INDIA)
MRCPCH (Clinical-UK)
Assistant Professor
Ped Cardiac ICU, NHFH & RI.

04/03/2026

মধ্যপ্রাচ্যের শাসকদের জন্য একদম পারভেক্ট।

02/03/2026
চারিদিকে শীতের সাথে সবুজের সমারোহ।
24/12/2025

চারিদিকে শীতের সাথে সবুজের সমারোহ।

Address

Alamgir Kohinur Mahal (Beside Alampur Union Complex). Village: Shuhaly, P. O: Shibpur, Upazilla: Khetlal Dist: Joypurhat

Telephone

+8801723213373

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Mizanur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Mizanur Rahman:

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share