Dr. Mohammad Nurunnobi

Dr. Mohammad Nurunnobi �making a positive impact in patient care.
� Spread love, kindness & healing in every interaction.

আপনি কি চান দেশে আবারো স্বৈরাচারের জন্ম হোক? জুলাই বিপ্লবে আমরা যে স্বপ্ন নিয়ে রাজ পথে নেমেছিলাম।যে স্বপ্ন নিয়ে স্বৈরাচা...
26/01/2026

আপনি কি চান দেশে আবারো স্বৈরাচারের জন্ম হোক?
জুলাই বিপ্লবে আমরা যে স্বপ্ন নিয়ে রাজ পথে নেমেছিলাম।যে স্বপ্ন নিয়ে স্বৈরাচার কে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছিলাম।
জুলাই পরবর্তী সময়ে রাজনীতিবিদদের আচরণ আমাদের হতাশ করেছে। তারা তরুণ প্রজন্মের সাথে বেঈমানী করেছে। তারা বেঈমানী করেছে জুলাই বিপ্লবে নিহত আবু সাইদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম সহ ১৪০০ শহীদ ও ৩০ হাজারের অধিক আহত যোদ্ধাদের সাথে। যাদের কেউ পা হারিয়েছে, কেউ চোখ হারিয়েছে। সব শেষ শরীফ উসমান হাদী, যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে রাজনীতিবিদ দের বিশ্বাস করতে পারছিনা।
তাই আমি চাই এমন সরকার ব্যবস্থা যেখানে কোন স্বৈরাচার জন্মাতে পারবে না।

আপনাদের যার যার পছন্দের রাজনৈতিক দল কে ভোট দিন এবং দয়া করে গণভোটে "হ্যাঁ " ভোট দিন।

এবার যদি দেশের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন না আনতে পারেন, দেশ গত ৫০ বছরের মতো আরো ৫০ বছর পিছিয়ে যাবে।
নতুন যোগ্য নেতৃত্ব তৈরী হবে না। ভালোরা রাজনীতিতে আসবে না।

দেশের পরিবর্তনে, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে, দুর্নীতি কে রুখে দিতে রাষ্ট্র সংস্কার প্রয়োজন।
আশা করি আপনাদের মতো সচেতন নাগরিকদের হাত ধরেই নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে।
ইনশা আল্লাহ

"হ্যাঁ" ভোটের জয় হোক।
🇧🇩🇧🇩❤️
(বি.দ্র: দেশের সচেতন নাগরিকদের বলবো "হ্যাঁ" ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলুন, তাদের বুঝান)

30/08/2025

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে অনেক দিন ধরেই একটা গোষ্ঠী গভীর ষড়যন্ত্র করছে । তারা চায় না দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হোক। দেশের মানুষ দেশেই চিকিৎসা নিক।

বাংলাদেশে অনেক বিশ্ব মানের চিকিৎসক রয়েছে। আমরা যদি তাদের পর্যাপ্ত সুযোগের ব্যবস্থা করতে পারতাম, দেশের মানুষও বিশ্ব মানের চিকিৎসা সেবা পেতো।
গত ১৬/১৭বছর দেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোর উন্নতি করার চেয়ে, কিভাবে রোগী গুলো কে ভারতে পাঠানো যায়, সেই ভাবনা বেশি করতো। আর এই কাজে সব চাইতে বেশি সাহায্য করে দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যম। যারা ভুল তথ্য দিয়ে রোগীদের বিভ্রান্ত করছে। তারা এমন ভাবে সংবাদ শিরোনাম করবে, সব কিছুতেই "ভুল চিকিৎসা " শব্দ টা কে মানুষের ব্রেনে ঢোকানো হচ্ছে। যার ফলে চিকিৎসকদের উপর রোগীদের আস্থাহীনতা তৈরী হয়। সংবাদ শিরোনামে বড় করে লাল কালি দিয়ে লিখবে "চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু " কিন্তু মুল সংবাদ পড়লে দেখা যায়, ভুল চিকিৎসা কোন চিকিৎসক দেয়নি, দিয়েছে ফার্মেসির দোকানদার, কিছু ভুয়া ডাক্তার, চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখছে তারা। কিন্তু ইচ্ছা করে চিকিৎসক শব্দ টা ব্যবহার করে যাতে মানুষ আগ্রহ নিয়ে পড়ে এবং ভেতর ভেতর ষড়যন্ত্রতো আছেই।

বেশির ভাগ মানুষের একটি ধারণা, রোগীকে ইচ্ছা করে পরীক্ষা করতে বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠানো হয়।এসব বলে রোগী এবং চিকিৎসক দের মুখোমুখি দাড় করিয়ে দেওয়া হয় কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
সরকারি হাসপাতালে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।চিকিৎসকগণ সেই সীমাবদ্ধতার মাঝেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

অনেক পরীক্ষা আছে যে গুলো হাসপাতালে হয় না। সে গুলোর জন্য রোগীকে বাধ্য হয়ে বাহিরে যেতে হয়।

এখন প্রশ্ন হলো, এই যে কিছু পরীক্ষা হাসপাতালে হচ্ছে না সেই দ্বায়ভার কার? সরকারের নাকি চিকিৎসকের ? হাসপাতালে যদি সকল পরীক্ষা নীরিক্ষার সুযোগ থাকতো তাহলেতো এই রোগী গুলোকে বাহিরে যেতে হয় না।

আমরা চিকিৎসকগণ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিশ্ব মানের করে গড়ে তুলতে চাই। তার জন্য চাই সরকারের সদিচ্ছা এবং সহযোগিতা। তাহলে দেশের মানুষ দেশেই বিশ্ব মানের সেবা পাবে বলে বিশ্বাস করি। তাহলে কোন রোগীকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যেতে হবে না।

ভিডিওর রোগী মি.রবিউল হক,বয়স:৭০ বছর, পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ডা. মোঃ নবির হোসেন স্যার (ইউনিট হেড, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ) এর তত্বাবধানে উনার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে । আলহামদুলিল্লাহ! উনার পোস্ট অপারেটিভ রিকভারি ভালো হয়েছে। আজ সেলাই কাটা হয়েছে। আগামীকাল উনাকে ছুটি দেওয়া হবে।
সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।

সব শেষে বলবো বাংলাদেশের চিকিৎসকদের উপর আস্থা রাখতে পারেন। দেশেই বিশ্ব মানের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চিকিৎসক সমাজ প্রস্তুত।

27/08/2025

এ দেশ মেধাবীদের জন্য নয়।
প্রতি বছর অনেক মেধাবীরা দেশ ছাড়ছে।
বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত মেধা পাচার হচ্ছে।
তাই বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে যাচ্ছে।
আপনি আমেরিকা সহ উন্নত দেশগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখবেন :- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মেধাবীরাই বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে সেই দেশ গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে এখনো এমন অবস্থায় পৌছায়নি যে, অন্য দেশ থেকে মেধাবীরা বাংলাদেশে আসবে। সুতরাং আমাদের উচিৎ দেশের মেধাবীরা যাতে দেশে না ছাড়ে সে ব্যবস্থা করা।

এই মেধাবীদের যদি যথাযথ মূল্যায়ন করা হতো এবং পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়া হতো বাংলাদেশ এতো দিনে অনেক এগিয়ে যেতো।

বাংলাদেশে নোংরা রাজনীতি এবং স্বজন প্রীতির বলি হন দেশের মেধাবীরা।

উদাহরণ :
এই দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ারদের উপর লাঠি চার্জ করা হয়।
কিন্তু
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পরিচালনায় যে ভাবে স্বজন প্রীতি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদি মেধাবী যোগ্যদের বাদ দিয়ে স্বজন প্রীতি চলতে থাকে।
এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রই বাংলাদেশ ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
লিখে রাখেন।

বাংলাদেশে সব চাইতে জনপ্রিয় টপিক হলো "চিকিৎসক পেশা"আপনি আপনার নিজের কাজে ব্যার্থ? আপনার ব্যার্থতা ধামাচাপা দিতে চান? চিকি...
16/08/2025

বাংলাদেশে সব চাইতে জনপ্রিয় টপিক হলো "চিকিৎসক পেশা"
আপনি আপনার নিজের কাজে ব্যার্থ? আপনার ব্যার্থতা ধামাচাপা দিতে চান?
চিকিৎসকদের নিয়ে একটা ফালতু মন্তব্য করবেন। আপনার ব্যার্থতা সবাই ভুলে যাবে।কারণ পাবলিক খুব খায় এসব।

জনাব আসিফ নজরুল এর কিছু কথা শুনে হাসি আসলো।

আমি কিছু কথা বলি, পারলে আমার ইনফরমেশন টা উনার কাছে পৌছায় দিবেন।

১)সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ এতো বেশি, তাদের হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হয়।
প্রথম কথা হলো : আপনি একটা রোগীকে মেঝেতে ভর্তি রেখে মানসম্মত চিকিৎসা দিতে পারবেন? বিশ্বের কোথাও এমন মেঝেতে রেখে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়? আপনি নিজে হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতেন?

একজন বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে, কেন তাকে মেঝেতে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হবে?
স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আপনারা এই টুকু সেবা নিশ্চিত করতে পারলেন না। শুধু বড় বড় কথা বলা ছাড়া আপনারা জনগণের জন্য কি করেছেন?

আমরা চিকিৎসকরা হাসপাতালের বেড ফাকা না থাকলেও, রোগীকে ফেরত না পাঠিয়ে বাধ্য হয়ে মেঝেতে ভর্তি দিয়ে হলেও ,চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করি।

২)বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে নাম মাত্র কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা ছাড়া, বেশির ভাগ পরীক্ষা নীরিক্ষা হয় না।

একজন রোগীকে কেন পরীক্ষা নীরিক্ষা করতে বাহিরে যাওয়া লাগবে? কেন হাসপাতালে সকল ধরনের পরীক্ষা নীরিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয় না?

দুঃখ জনক কথা হলো ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো টারশিয়ারি লেভেল হাসপাতালে MRI মেশিন নেই, কোন MRI পরীক্ষা করার সুযোগ নেই? দুপুর ২ টার পর CT scan হয় না। ঢাকার মধ্যে যদি এই অবস্থা হয়, ঢাকার বাহিরের হাসপাতালের কি অবস্থা ভাবেন।

রাতে একটা ইমারজেন্সি হেড ইঞ্জুরির রোগী GCS 8 নিয়ে আসলো, ডাক্তার সাহেব রোগীকে প্রাইমারি চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত CT scan করতে দিলো, ইন্টারনাল ব্লিডিং আছে কিনা শিউর হতে। এখন আপনি দেখলেন হাসপাতালে রাতে CT scan হয় না। আর MRI মেশিনই নেই। কি করবেন তখন? আর ডাক্তার সাহেবের তখন কি করার আছে? এই রোগী তখন কোথায় পরীক্ষা করবে? আপনার সরকারি হাসপাতালেতো এই পরীক্ষা করার সুযোগ রাখেন নাই। এখন ডাক্তার সাহেব যদি উনাকে বলে যেখান থেকে পারেন পরীক্ষা করান। তাহলে ডাক্তার সাহেব কি কমিশনের জন্য পাঠাচ্ছেন?
জনাব আসিফ নজরুল, আপনিই যদি সে রোগীটা হতেন?
এসব দেখার দায়িত্ব কার? চিকিৎসক এর?
চিকিৎসকরা বার বার বলার পর ও কেন হাসপাতালের ভেতরে 24/7 CT scan হয় না। কেন MRI মেশিন কেনা হয় না?

প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ MRI অথবা CT scan করতে ১০-১২ হাজার টাকা লাগে। আমার দেশের যে সকল গরীব মানুষ সরকারি হাসপাতালে যায়, তাদের এই টাকা দিয়ে MRI অথবা CT scan করতে পারে না।

৩)প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে এক একজন চিকিৎসক মিনিমাম ৮০-১২০ জন রোগী দেখে,অনেক সময় আরো বেশি দেখা হয়। বিশ্বের আর কোন দেশে, কোন চিকিৎসক এতো রোগী দেখে?

এই যে একটা রোগী হাসপাতালের বেড ফাকা না পেয়ে, মেঝেতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন, সকল পরীক্ষা নীরিক্ষার সুযোগ না থাকায় হাসপাতালের বাহিরে যেতে হয়। দুপুরের পর CT scan না হওয়ায় এবং MRI মেশিন না থাকায় রোগীগুলো কে বাহিরে এতো টাকা খরচ করে পরীক্ষা করাতে হয়। এর দ্বায়ভার কার? সরকারের নাকি চিকিৎসক এর?

স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার আর এটা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

চিকিৎসক এর কাজ চিকিৎসা সেবা দেওয়া। হাসপাতালের ফ্যাসিলিটি যতো ভালো হবে, চিকিৎসা সেবা ততো মানসম্মত হবে। আপনি সুযোগ সুবিধা না দিয়ে,উন্নত চিকিৎসা আশা করতে পারবেন না।
আপনারা হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা বাড়াবেন না। মাঝখান দিয়ে রোগী এবং চিকিৎসক দের মুখোমুখি দ্বার করিয়ে দিবেন। এসব দেখা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের কাজ, চিকিৎসক এর নয়।

বড় বড় কথা না বলে হাসপাতালের সকল সমস্যা দূর করেন। কোন রোগীকে যাতে মেঝেতে ভর্তি হয়ে, চিকিৎসা নিতে না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত বেড এর সংখ্যা বাড়ান।প্রয়োজনে নতুন হাসপাতাল বানান। ২৪/৭ CT scan এবং MRI সহ সকল পরীক্ষা নীরিক্ষা সরকারি হাসপাতালে হবে, তা নিশ্চিত করুন।

বাংলাদেশে অনেক মেধাবী চিকিৎসক আছেন। আপনি শুধু এসব সুযোগ সুবিধার নিশ্চিত করবেন।চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কথা দিলাম বাংলাদেশের রোগীরা বিশ্বমানের সেবা পাবে। ইনশা আল্লাহ

আর যদি ভারতে রোগী পাঠানোর ইচ্ছা থাকে, তাহলে তো আর হাসপাতালের উন্নতি হবে না।

তবে মনে রাখবেন দুনিয়াটা চিরস্থায়ী নয়, হিসাব টা আপনাদেরও দেওয়া লাগবে।

ডা.মোঃ নুরুন্নবী
এফসিপিএস পার্ট-২ ট্রেইনি (সার্জারী)

 #বিচিত্র এই দুনিয়ায় হরেকরকম মানুষের বসবাস।সব সময় আমরা চিকিৎসকরা এমন রোগী পাই, কিন্তু সবাইকে জানানো হয় না অথবা জানাই না।...
14/05/2025

#বিচিত্র এই দুনিয়ায় হরেকরকম মানুষের বসবাস।

সব সময় আমরা চিকিৎসকরা এমন রোগী পাই, কিন্তু সবাইকে জানানো হয় না অথবা জানাই না। কিন্তু আমি আজ এই কাহিনী বলবো, মনের কষ্ট থেকে।
ঘটনা :১
স্থান: অপারেশন থিয়েটার, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

গত ১৩/০৫/২৫, সোমবার, সময় আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টা বাজে। এই ভদ্রলোক আমাদের অপারেশন থিয়েটারে আসেন ড্রেসিং করাতে। তার রোগ Diabetic foot ulcer. নিয়মিত ড্রেসিং করতে হয়।

আমি ড্রেসিং করার আগে রোগীর কি সমস্যা, কত টুকু ইনভলভ দেখতে ব্যান্ডেজ খুলি।
ব্যান্ডেজ খুলে দেখি রোগীর আক্রান্ত পা থেকে পুজ পরছে, আর পোকা হাটছে এবং ১ টা আঙ্গুল আগে থেকেই ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং পাশের আরেকটা আঙ্গুল ও পচে গেছে। রাখা যাবে না।

রোগীর সাথে থাকা লোক কে ডাকলাম দেখতে এবং যে আঙ্গুল একদম মরে পচে গেছে সেটা রাখা যাবে না তা জানাতে। রোগী দেখে বমি করেই ফেলবে এমন অবস্থায় তারাতাড়ি বললো, স্যার যেটা ভালো মনে হয় করেন, বলে চলে গেলো।

আমি রোগীকে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে হলো।
তার উত্তর : হঠাৎ করেই হয়েছে।
আমি : মনে মনে হাসলাম এবং তাকে বললাম " বাবা! এটা জীবনেও কয়েকদিনে হঠাৎ করে হওয়ার রোগ না। আমরা প্রতিদিনই আপনার মতো রোগী পাই।

আবার জিজ্ঞেস করলাম : ডায়াবেটিস কত বছর ধরে?
উনি উত্তর দিলেন : ২০ বছর।
তারপর বুঝিয়ে বললাম। আপনার ডায়াবেটিস হয়তো অনেক দিন ধরেই কন্ট্রোলে নেই। নিয়ম কানুন ঠিক মতো মানেন না। তাই আপনার আজ এতো কষ্ট। কেউ আপনার পাশে দাড়াতেও চায় না।
যাইহোক, তাকে সব কিছু বুঝিয়ে বললাম এবং অপারেশন করলাম।

এখন কথা হলো এসব কেন হয়?
কারণ টা একদম সোজা।
-আপনি নিয়ম মানেন না।

⛔ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে 3D সুত্র মানতে হবে।
D-Diet (পরিমিত খাদ্য আহার করা)
D-Drug (নিয়মিত ঔষধ খাওয়া)
D-Discipline (নিয়মিত ব্যায়াম করা/ কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাটা)
এই ৩ টির একটাও যদি আপনি বাদ দেন, আপনি পুরোপুরি সুস্থ থাকবেন না। সুতরাং চেষ্টা করবেন ৩
3D সুত্র মেনে চলতে।

মনে রাখবেন একমাত্র চিকিৎসকই জনগণের একদম কাছের ।
আমরা চিকিৎসকরা শুধু চিকিৎসা দেই কিন্তু সুস্থ করার মালিক আল্লাহ। আল্লাহ সব কিছু একটা উছিলায় করেন, আমরা হলাম উছিলা।
আপনাদের নিশ্চই মনে আছে। করোনার সময় অনেক রোগীকে তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলো। পরিবারের লোকজন সেই সব কোভিড আক্রান্ত রোগিদের ঘরে ফেলে চলে গেছে। সেই সময় অসহায় জীবন নিয়ে অনেকে মরে গিয়েছিল, পরেছিলো শুধু তাদের লাশ।
অনেকে চিকিৎসা নিতে এসেছে কিন্তু বাচানো যায়নি সেই মৃতদের লাশ পর্যন্ত নেয়নি।

কিন্তু চিকিৎসকরা সব সময় আপনাদের পাশে ছিলো। নিজের জীবন, নিজের পরিবার সব কিছু ছেড়ে, আপনাদের সেবায় হাসপাতালে পরেছিলেন। কত চিকিৎসক এই কোভিড পেন্ডেমিকের সময় চিকিৎসা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে জানেন?
আমি শিউর -জানেন না।

আচ্ছা পরিবার গুলো কেন তাদের একা ঘরে রেখে চলে গেলো?
কেন তাদের লাশ গুলো হাসপাতাল থেকে নিলো না?
- মরে যাওয়ার ভয়ে?
- না! আসলে তারা মানুষ হয়ে জন্মিয়েছে কিন্তু মানুষ হতে পারেনি। মনুষ্যত্ব নেই তাদের মাঝে।

আর এই যে রোগীটা আমাদের কাছে আসলো।
যেখানে তার রক্তের সম্পর্কের মানুষ জনও গন্ধে তার কাছে আসেনা।
যদিও আমার রক্তের কেউ না, আমরা চিকিৎসকরাই সে রোগীর অপারেশন করলাম।
এমন হাজারো পচা পচা রোগী প্রতিদিন কোন না কোন হাসপাতালে যাচ্ছে। আর আমাদের চিকিৎসকরা যত্ন সহকারে চিকিৎসা করে রোগীকে সুস্থ করছে।

তারপরও দেখতে পাই। আপনারা বুঝে না বুঝে হাসপাতালে চিকিৎসকের গায়ে হাত তুলছেন।
খুব কষ্ট পাই এসব দেখে। আপনারা যদি মনে করেন ভুল চিকিৎসায় রোগী মারা গেছে, তার মানে আপনি সঠিক চিকিৎসা জানেন। তাহলে চিকিৎসাটা তো আপনারা নিজেই দিয়ে দিলে পারেন। চিকিৎসকের কাছে কেন নিয়ে আসেন?
প্লিজ এসব বন্ধ করেন। আপনারা যদি এসব করতেই থাকেন, চিকিৎসকরা আতঙ্কিত হবে, তখন তারা যদি চিকিৎসা না দেয়, সেই রোগীর কি হবে?
মনে রাখবেন, চিকিৎসকদের সাথে রোগীদের কোন শত্রুতা নেই। প্রত্যেক চিকিৎসকই ১০০ ভাগ চেষ্টা করে তার রোগীকে বাঁচাতে এবং সুচিকিৎসা দিতে।

হাতে যদি সময় থাকে ২৪ ঘন্টার জন্য একদিন একজন চিকিৎসক এর সাথে থাকবেন, তারপর দেখবেন, চিকিৎসকরা রোগীদের জন্য কত কি করে। আমার সাথেও থাকতে পারেন। স্বাগতম আপনাকে।

যাইহোক নিয়ম কানুন মানুন, সুস্থ থাকুন।
আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুক। আমিন

09/05/2025

খালি কলসি বাজে বেশি। 🤣🤣
ভারতের অবস্থা ও একই।
ভারত হলো এশিয়া মহাদেশের ইসরায়েল এর মতো সন্ত্রাসী দেশ।
তারা তাদের মুভি গুলোতে মুসলমানদের জঙ্গি/তালেবান বানিয়ে সন্ত্রাসী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে। সকল ধর্মেই ভালো মানুষ খারাপ মানুষ আছে। তার মানে এই না, ধর্ম কে দোষারোপ করবো।
থাক আমরা মাইন্ড করি না। কারণ গুমুত্র খেলে ব্রেইনতো এমনই হওয়ার কথা।

যারা এতো উগ্র, তারা পদে পদে মার খাবে শিউর।
https://www.facebook.com/share/v/195Y5hwgcJ/?mibextid=D5vuiz

04/05/2025

মানুষকে সব সময় দৌড়ের উপর থাকতে হয়। যে দিন দৌড় থামবে, সেদিন আমাদের জীবনও থেমে যাবে।

Ramna Park

দীর্ঘ এক যুগের ও বেশি সময় পর BGB(BDR) ফিরছে তার সেই হারিয়ে যাওয়া গৌরবোজ্জ্বল সময়ে। অন্যায়ের সাথে কোন আপোষ নয়। 🇧🇩🇧🇩🇧🇩
29/04/2025

দীর্ঘ এক যুগের ও বেশি সময় পর BGB(BDR) ফিরছে তার সেই হারিয়ে যাওয়া গৌরবোজ্জ্বল সময়ে। অন্যায়ের সাথে কোন আপোষ নয়।
🇧🇩🇧🇩🇧🇩

সুস্থ থাকতে হলে এক্সারসাইজ এর বিকল্প নেই।    Park  🏃‍♂️
27/04/2025

সুস্থ থাকতে হলে এক্সারসাইজ এর বিকল্প নেই।

Park
🏃‍♂️

চিকিৎসক সপ্তাহ ২০২৫, উপলক্ষে আয়োজিত ৬ষ্ঠ দিনের অফলাইন প্রোগ্রাম- আলোচনা সভা -"বাংলাদেশ বিনির্মাণে দরকার, চিকিৎসাখাতের সং...
24/04/2025

চিকিৎসক সপ্তাহ ২০২৫, উপলক্ষে আয়োজিত ৬ষ্ঠ দিনের অফলাইন প্রোগ্রাম- আলোচনা সভা -
"বাংলাদেশ বিনির্মাণে দরকার, চিকিৎসাখাতের সংস্কার "।

উপস্থিত আছেন সহকারী স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় প্রফেসর সায়েদুর রহমান স্যার, স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ স্যার, ডিজি শিক্ষা মহাপরিচালক প্রফেসর নাজমুল ইসলাম স্যার, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি উপাচার্য প্রফেসর ডা.শাহিনুল আলম স্যার, প্রো-ভিসি স্যার এবং সম্মানিত সিনিয়র স্যার গণ সহ সকল আয়োজক সংস্থার সদস্যবৃন্দ।

বাংলাদেশের পেশাজীবীদের মধ্যে চিকিৎসক জাতি সব চাইতে বেশি নিপীড়িত এবং বৈষম্যের শিকার।
দিন রাত হাসপাতালে থেকে রোগিদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া সকল চিকিৎসক কে জানাই, চিকিৎসক সপ্তাহের শুভেচ্ছা।

আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সকল চিকিৎসক ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারলে খুব দ্রুত স্বাস্থ্য খাতের পরিবর্তন আসবে এবং স্বাস্থ্য সেবা কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Address

Aliara
Kachua

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mohammad Nurunnobi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category