Dr.Raifur Rahman Rifat

Dr.Raifur Rahman Rifat ডা.রাইফুর রহমান রিফাত
আমরা স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান করে থাকি।

রোগীর বাড়ি আমাদের কলাপাড়া। আপাতত নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে চিকিৎসার জন্য। আল্লাহতালা তার কপালে এমন রোগ দিয়েছে যেটা চিকিৎসা ...
12/07/2026

রোগীর বাড়ি আমাদের কলাপাড়া। আপাতত নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে চিকিৎসার জন্য। আল্লাহতালা তার কপালে এমন রোগ দিয়েছে যেটা চিকিৎসা খুব সহজেই সব জায়গায় হয় না। উনি পূর্বে ঢাকা ধানমন্ডিতে পপুলার মেডিকেল কলেজে দেখিয়েছিল। আমাদেরই এক স্যার ওনার রিউমাটয়েড আর্থাইটিস ডায়গনিসিস করে চিকিৎসা দিয়েছে।
কিন্তু উনার হাতে দুইটা জিনিস রয়েছে একটা হল swan neck deformity, আরেকটি হল ulner deviation। তো এত চিকিৎসা পাওয়ার পরও সে ঠিক হলো না। কারণ হলো এই দুইটা জিনিস শুধুমাত্র হয় Jaccoud Arthopathy যেটা SLE এর ফিচার। বারবার মুখে ঘা হয় ,রোদে খারাপ লাগে তার। রাতে জ্বর জ্বর থাকে, বিভিন্ন মাংসপেশিতে ব্যথা থাকে।
সব সময় টেস্টে রোগ ধরা পড়ে না, কিন্তু ডাক্তার রোগ ধরতে পারে যদি সে সব ভালো করে শুনে এবং ভালো করে দেখেন।
তাই আশা করি চিকিৎসায় মানুষের উপকার হোক না হোক কেউ ধ্বংস না হোক।
আল্লাহই উত্তম বিচারক।
#কলাপাড়া #চিকিৎসা #বাত

একটি পাঁচ বছরের রহস্যময় জ্বর…বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান কিন্তু বাবা পেশায় একজন রিক্সা চালক ,তো তার আশা ছিল ছেলেকে কষ্ট...
06/07/2026

একটি পাঁচ বছরের রহস্যময় জ্বর…
বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান কিন্তু বাবা পেশায় একজন রিক্সা চালক ,তো তার আশা ছিল ছেলেকে কষ্ট করে পড়ালেখা করাবে এবং ছেলে পরবর্তীতে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু হাল ধরার বয়সে ছেলে বিছানাগত। কি করার আর বাবা তো বাবাই তার সর্বশেষ সম্বল যা ছিল সব বিক্রি করে বরিশালে কয়েক দফা ডাক্তারের শরণাপন্ন হল। কিন্তু আল্লাহ কিছুতেই সমাধান দিচ্ছিলেন না ।পরে সব শেষে পাশের বাড়ির এক লোকের মাধ্যমে আমার কাছে আসা। সব দেখে শুনে বুঝে একটা রোগের কথাই মাথায় ঘুরতেছিল। কিন্তু সে জিনিস শিওর হতে একটা ৫ টাকা দামের ঔষধ দেওয়া হলো এবং তিনদিন পর দেখা করতে বললাম। হ্যাঁ আল্লাহর রহমতে অনেক ইমপ্রুভমেন্ট হয়েছে। কিন্তু লম্বা সময় ট্রিটমেন্ট দিতে হলে অবশ্যই একটা টেস্টের দরকার যেটা এখানে নেই এবং তাদের সামর্থ্য সেরকম নেই। কিন্তু আল্লাহ কারো চাওয়া অপূর্ণ রাখেন না সে তার সব বান্দাকে ব্যবস্থা একটা করে দেন। এবং টেস্টে ধরা পরল তার অ্যাডরিনোকটিকোট্রপিক হরমোন বেশি রয়েছে। তো আজকে দুই মাস চলতেছে চেম্বার এসেছিল তারা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে গিয়েছে।
আসল কথা হল , কিছু সময় রোগ ধরতে গিয়ে অনেকে বেশি টেস্ট দেয় ,অনেকে কম টেস্ট দেয়। কিন্তু লাস্ট ১-২ বছরে ঔষধের পেছনে তার লাখখানেক এর বেশি টাকা খরচ হয়েছে ,কিন্তু জিনিসটা ২-৩ হাজার টাকায় করা সম্ভব ছিল।

কেসটি :

২১ বছর বয়সী এক তরুণ।
গত ৫–৬ বছর ধরে লো-গ্রেড জ্বর। ধীরে ধীরে শরীরের রং, বিশেষ করে হাত, মুখ ও জিহ্বা কালচে হতে শুরু করে। ওজন কমে যায়। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা হলেও নির্দিষ্ট রোগ ধরা পড়েনি।
অবশেষে বিস্তারিত ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং সঠিক হরমোন পরীক্ষা করা হলো।
রিপোর্টে দেখা গেল—
ACTH: 900 pg/mL (অত্যন্ত বেশি)
Morning Cortisol: 57.7 nmol/L (খুব কম)
এখানেই মিলল উত্তর।
এটি ছিল Primary Adrenal Insufficiency (Addison's Disease)—একটি বিরল কিন্তু চিকিৎসাযোগ্য রোগ।
এই কেসটি আবারও মনে করিয়ে দেয়—
✔️ দীর্ঘদিনের জ্বর মানেই শুধু সংক্রমণ নয়।
✔️ ত্বক ও জিহ্বার কালচে রং (Hyperpigmentation) কখনও কখনও জীবনরক্ষাকারী ক্লু হতে পারে।
✔️ সঠিক ইতিহাস ও লক্ষ্যভিত্তিক পরীক্ষা অনেক বছরের রহস্যের সমাধান করতে পারে।

Medicine teaches us a simple lesson:
"Listen to the patient, examine carefully, and investigate wisely—the diagnosis often reveals itself."
রোগীর ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন রেখে শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে কেসটি শেয়ার করা হয়েছে।

ইদানিং কিছু রোগীদের দেখছি অরুচির জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে Megestrol জাতীয় ঔষধ গুলো খাওয়াচ্ছেন। ওষুধ খেয়ে বাচ্চা কয়েকদিন খ...
01/06/2026

ইদানিং কিছু রোগীদের দেখছি অরুচির জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে Megestrol জাতীয় ঔষধ গুলো খাওয়াচ্ছেন। ওষুধ খেয়ে বাচ্চা কয়েকদিন খাচ্ছে, আবার কিছুদিন পর আগের মত হয়ে গেল।

আপনি কি খাওয়াচ্ছেন কখনো একবার ভেবে দেখেছেন কি ? এই ঔষধের প্যাকেটের ভিতরে নির্দেশিকা পড়ে দেখেছেন কি?

স্পষ্ট করে লেখা আছে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা এটা ব্যবহার করা হয়। এইডস এর রোগী যাদের শরীর একবারে শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে তাদের জন্য। অথবা একবারেই যাদের রুচি নেই যেমন ক্যান্সার, টিবি রোগী ঐরকম পর্যায়ে অরুচি হয়ে গেলে তাদের জন্য এই ওষুধ।

এখন আপনি চিন্তা করে দেখেন আপনার বাচ্চা কি আসলে এত পরিমাণ অরুচি হয়েছে যে এই জাতীয় ওষুধগুলো দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে?

দয়া করে ঔষধের নাম জিজ্ঞেস করবেন না। তবে এটার দাম ৫০০ টাকা।

তাই অরুচির পিছনে ঘুরেই স্টেরয়েড এবং ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যবহৃত এমন অরুচি ঔষধ খাওয়াবেন না। বাচ্চার যতটুকু খায় যদি সুস্থ থাকে এতেই সন্তুষ্ট থাকেন।
কারন এতে স্ট্রোক পর্যন্তও হতে পারে।
তাই বাচ্চা নাকি বাচ্চার খাওয়া কোনটা লাগবে ভেবে দেখবেন

পোস্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ভুলের গল্প রাসেল স্যারের লেখা,-----------প্রিয় কায়সার হামিদ,যে মানুষটার পায়ে বল এলে আনন্দে কেঁপে উঠত লাল সবুজের গ্যালারি...
18/05/2026

ভুলের গল্প রাসেল স্যারের লেখা,
-----------
প্রিয় কায়সার হামিদ,
যে মানুষটার পায়ে বল এলে আনন্দে কেঁপে উঠত লাল সবুজের গ্যালারি সে মানুষটা আজ কাঁদছে। আপনার এই শোকের মাঝেও কালবেলাকে দেয়া সাক্ষাৎকার...অসুস্থ অবস্থায় চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া সাক্ষাৎকারসহ অনেক মতামত আমাদের নজরে এসেছে।
আপনি...
১. অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়ান ডাক্তারের ভাষ্যমতে কোন কোন না কোনভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে (সূত্র: কালবেলা, সময় টিভি)
২. আক্ষেপ করেছেন বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না, এটা জানতেন না।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৩. ফ্যাটি লিভারের কারণে তিনি লিভার ফেইল্যর এ আক্তান্ত হয়েছেন।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৪. ভুল অ্যান্টিবায়োটিক বা সিডেটিভ দেয়া হয়েছে।

সত্যি বলতে ভুল তো হয়েছে। একটা না একাধিক। আপনি যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়, জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব সেহেতু আপনার কথার গুরুত্ব আছে। প্রতিটা কথা সমাজে মেসেজ সরবরাহ করছে।
একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে আমি সেই ভুলগুলো আপনাকে ধরিয়ে দিতে চাই।
১.
প্রথম ভুল, জ্বর ও জন্ডিস থাকার পরেও এক সপ্তাহের অধিক আপনি পাত্তাই দেন নাই। দশ এগারো দিন বাসাতে রেখেছেন (সুত্র: চ্যানেল আই)। হতে পারে টুকটাক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, জ্বরে কি প্যারাসিটামল দিয়েছিলেন?
দিয়ে থাকলেই মহাবিপদ। যে মানুষটা হেপাটাইটিস-এ এবং ই তে আক্তান্ত হয়ে লিভার ফেইল্যর এর দিকে যাচ্ছে তার জন্যে সামান্য প্যারাসিটামলও কিন্তু অনেক ভয়ংকর!
২.
দ্বিতীয়ত লিভার ফেইল্যর হলে প্রথমেই দেহ থেকে টক্সিন বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়...আক্তান্ত হয় মস্তিস্ক...শুরু হয় DIC নামক মহা জটিলতা...আক্রান্ত হয় ফুসফুস...খুব দ্রুত একে একে সব অর্গান আক্রান্ত হয়।
তাই ফুসফুস আক্তান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।

লাইফ সাপোর্ট কাকে বলে জানেন?
ফুসফুস যখন কাজ করেনা তখন কৃত্রিম ফুসফুস দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। এটাকেই ভেন্টিলেটর বা লাইফ সাপোর্ট বলে।
৩.
বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না। এটাও ভুল। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যে ওটিতে আমি অপারেশন করি সেখানেই অতীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। অধ্যাপক মো. আলীর তত্ত্বাবধানে এটি হয়েছিল। পিজিতেও হয়েছে।
কিন্তু নিয়মিত হয় না। কারণ এটা ব্যায়বহুল। এত টাকা দিয়ে রোগীরা দেশে অপারেশন করতে চায় না।
৪.
উন্নত বিশ্বে যেখানে লিভার আইসিইউ আছে সেখানেও এ রোগে মৃত্যুর হার ৯০% এর বেশি। কেন জানেন? ঐ যে ফালমিনেন্ট হেপাটিক ফেইল্যর হওয়ার সাথে সাথে রোগীর নানা জটিলতা শুরু হয়...তাই চাইলেও দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট আয়োজন করা যায় না। যেটা ইন্ডিয়াও পারে নাই।
৫. ফ্যাটি লিভারের কারনে এমন হয়েছে এই স্টেটমেন্টও ভুল। এতে করে যারা প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত তারা আতংকে আছেন। এই কদিন এসব রোগীর ভীড় চেম্বারে বেড়ে গেছে।
এটা ঠিক যে ফ্যাটি লিভার এডভান্স হলে...অল্পতেই কাবু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার নিয়ম মেনে একদম ভাল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
৬. সিডেটিভ বা অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক চিকিৎসারই অংশ। আর ওনাকে প্রাথমিক নয়, টারশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বাবা হিসেবে অনিচ্ছাসত্ত্বেও আপনার কিছু ভুল হয়েছে। মেয়েকে ফিট রাখার চেষ্টা হয়ত করেছেন, পারেননি। এলোমেলো খাবার থেকে বিরত রাখতে পারেন নি।
যথাসময়ে মেয়েকে হাসপাতালে নেননি। বাসায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্যারাসিটামল খাইয়েছেন।
দ্বিতীয় ভুল, সিংগাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও ওনাকে ইন্ডিয়ায় নিয়ে গেছেন। এয়ারএ্যাম্বুলেন্স এর ভাড়া দিয়েছেন ৫৫ লাখ, নিশ্চয়ই ইন্ডিয়াতেও ৩০/৪০ লাখ যাবে। বাবার মন, তাই হয়ত মিরাকলের আশায় গেছেন। যেকোন সামর্থবান পিতাই এটা করবে। সেজন্যে এটাকে ভুল বলার জন্যে আমি দু:খিত।
আরো একটা কারণ এ কাজটা ভাল হয়েছে। দেশের হাসপাতালে মারা গেলে আরো অনেক বেশি অভিযোগ আসত। উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাওয়ার খবর যতবেশি মার্কেট পায়। উন্নত কফিনে বিদেশ থেকে ফিরে আসার খবর গুলো ততটা পায় না।

একটা দেশ সব কিছুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু বাস্তবতা থাকে। এই যেমন, বাংলাদেশের একমাত্র ফাইলেরিয়া হাসপাতাল সৈয়দপুরে, ঢাকায় না কিন্তু। খোদ আমেরিকাতেও ফাইলেরিয়া ডেডিকেটেড হাসপাতাল নেই।

আপনি তো উন্নতমানের ফুটবলার।তবুও ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান কত আমরা কিন্তু সে প্রশ্ন করছিনা। কারণ কিছু সীমাবদ্ধতা, বাস্তবতা মেনে নিতে হয়।

তাই মানসিক স্বান্তনার জন্যে মনগড়া অভিযোগ না তুলে প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবস্থা নিন। বিশেষজ্ঞ এর সাহায্য নিয়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনুন।

পিতা হিসেবে আজ আপনি আহত। চিকিৎসক হিসেবে আমরাও আহত। এক একজন পিতা হিসেবে, দুই ভুল চিকিৎসার মনগড়া অভিযোগের কারণে।
তবে আপনি কিছু ভুল তুলে আনতেই পারতেন।
যেমন খাদ্যে ভেজাল, দুষিত পানি কিংবা স্বাস্থ্য অসচেতন প্রজন্মের ভুল জীবন যাপন নিয়ে।

পরকালে মেয়ের সাথে আবারও দেখা হোক। বেহেস্তী বাগানের কোন এক নদীর ধারে। এক জীবনের আফসোসগুলো না হয় সেসময় মিটিয়ে নিলেন।
আমিন।

আমাদের দেশে বেশীভাগ লোকই চাবানী কামড়ানিকে বাত বলে থাকে,যার ৯০% কারন হল রক্ত কম থাকা বা ডি এর অভাব।বাত হল এক ভয়াবহ রোগ যা...
15/05/2026

আমাদের দেশে বেশীভাগ লোকই চাবানী কামড়ানিকে বাত বলে থাকে,যার ৯০% কারন হল রক্ত কম থাকা বা ডি এর অভাব।
বাত হল এক ভয়াবহ রোগ যা ভিতর থেকে শরীরকে ধ্বংস করে,যেমন, রক্ষাকারী যখন ভখ্খক এর ভুমিকা নেয় তেমন🩸🩸🩸

যখন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাইরের শত্রু দমনের পরিবর্তে নিজেদের সদর দপ্তরেই আক্রমণ শুরু করে, তখন যেমন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়; ঠিক তেমনই ঘটে আমাদের শরীরে, যখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম নিজের সুস্থ কোষগুলোকেই শত্রু ভেবে আক্রমণ করে বসে! চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় অটোইমিউন ডিজিজ (Autoimmune Diseases)।কিভাবে ঘটে এই আত্মঘাতী যুদ্ধ? জেনে নিন এর প্যাথোফিজিওলজি (Pathophysiology):ভুল বার্তা: শরীরে অটোঅ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যা নিজের ডিএনএ, প্রোটিন বা রিসেপ্টরকে শত্রু মনে করে। (যেন মিথ্যা গুজব ছড়ানো হলো!)ভুল নিশানা: সাইটোটক্সিক টি-কোষগুলো নিজের সুস্থ কোষকে "সংক্রমিত" ভেবে আক্রমণ করে। (যেন পুলিশ এসে নিজেদের ভবনই ঘিরে ফেলল!)ধ্বংসযজ্ঞ: পরিপূরক ব্যবস্থা (Complement system) সক্রিয় হয়ে টিস্যু নষ্ট করে। (যেন সোয়াত টিম এসে নিজের সম্পত্তি ধ্বংস করছে!)সাইটোকাইন স্টর্ম: টিএনএফ-আলফা (TNF-α), আইএল-১ (IL-1), আইএল-৬ (IL-6) এর মতো উপাদানের বন্যা বয়ে যায়। (ফলাফল: ভুল পরিচয়ের কারণে শরীরের ভেতরেই নেমে আসে চরম ধ্বংসযজ্ঞ!)
#কলাপাড়া #ডাক্তার #বাতরোগ

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি- নরম টিস্যুর জন্য বিপজ্জনকভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন ডি-এর বিষাক্ততার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। ভিটামিন...
10/05/2026

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি- নরম টিস্যুর জন্য বিপজ্জনক

ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন ডি-এর বিষাক্ততার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। ভিটামিন ডি-এর বিষক্রিয়া হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করে রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে নরম টিস্যুতে জমা হয়ে সেগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ীভাবে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে কিডনি ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা হ্রাস পায়, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং অবশেষে কিডনি ও হৃৎপিণ্ড বিকল হয়ে পড়লে মৃত্যু ঘটে।

উচ্চ মাত্রার ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, পিঠে ব্যথা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং প্রস্রাব ও তৃষ্ণা বৃদ্ধি পেতে পারে। রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে, কারণ সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবের প্রাথমিক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় আরও বেশি সংখ্যক মানুষ নিজেরাই উচ্চ মাত্রার ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করছেন।

⚕️⚕️মূল পয়েন্ট

ভিটামিন ডি হলো সবচেয়ে সম্ভাব্য বিষাক্ত ভিটামিন।

মাত্রাধিক্য রক্তে ক্যালসিয়াম বাড়িয়ে দেয় এবং নরম টিস্যুর ক্ষতি করে।

তাই খাইতে থাকো খাইতে থাকো একদিন তো মরেই যাবে💊💊
#কলাপাড়া #ডাক্তার

🔬 মেডিকেল টেস্ট: চূড়ান্ত সত্য নয়, শুধু একটি টুলআমরা অনেক সময় মনে করি, রিপোর্টে “High” বা “Low” মানেই বড় সমস্যা। কিন্তু ব...
06/05/2026

🔬 মেডিকেল টেস্ট: চূড়ান্ত সত্য নয়, শুধু একটি টুল
আমরা অনেক সময় মনে করি, রিপোর্টে “High” বা “Low” মানেই বড় সমস্যা। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মেডিকেল টেস্ট কখনোই একা রোগ নির্ণয় করে না। রোগীকে দেখতে হয় পুরো অবস্থাসহ (Clinical Picture)।
⭕⭕ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সত্য:
১. পরিসংখ্যানের ফাঁদ প্রতিটি টেস্টেরই কিছু ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
একটি টেস্টে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা যদি ৫% হয়, তাহলে অনেকগুলো টেস্ট একসাথে করলে অন্তত একটি “ভুল অস্বাভাবিক” রিপোর্ট আসার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
👉 বেশি টেস্ট = বেশি ভুল অ্যালার্ম
২. অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার ক্ষতি • সুস্থ মানুষকে ভুল করে রোগী বানিয়ে ফেলা
• অযথা ভয় ও মানসিক চাপ
• অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু হয়ে যাওয়া
৩. Overdiagnosis (অতিরিক্ত রোগ ধরা) অনেক সময় এমন সমস্যা ধরা পড়ে, যা কখনোই রোগীর ক্ষতি করত না।
👉 তবুও ওষুধ শুরু হয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বাড়ে
৪. Cascade Effect (এক পরীক্ষা থেকে আরেক পরীক্ষা) একটি রিপোর্ট একটু অস্বাভাবিক এলেই শুরু হয় নতুন নতুন পরীক্ষা—
CT Scan, Biopsy…
👉 খরচ বাড়ে, ঝুঁকিও বাড়ে
৫. মানসিক ও আর্থিক চাপ • রিপোর্ট দেখে অকারণ দুশ্চিন্তা
• অপ্রয়োজনীয় খরচ
💊💉 কিছু বাস্তব উদাহরণ: • কোমরের ব্যথায় অকারণে MRI → অপ্রয়োজনীয় অপারেশনের ভয়
• ক্যান্সার মার্কার টেস্ট → সুস্থ মানুষেও ভুল পজিটিভ
✅ কী করবেন? • ডাক্তার কেন টেস্ট দিচ্ছেন—জিজ্ঞেস করুন
• উপসর্গ না থাকলে “ফুল বডি চেকআপ” প্যাকেজে সতর্ক থাকুন
• রিপোর্ট নয়, রোগীকে গুরুত্ব দিন
🩺 শেষ কথা:
মেডিকেল টেস্ট দরকার, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ক্ষতির কারণ হতে পারে—শরীরের চেয়ে অনেক সময় মন ও পকেট বেশি ভোগে।
#সচেতনতা #মেডিকেল_টেস্ট #স্বাস্থ্য

পুষ্টি গবেষণার সমস্যা এবং জনসাধারণের উপর এর প্রভাবপুষ্টি বিষয়ক গবেষণাগুলো, বিশেষ করে কফি, ডার্ক চকোলেট বা বেরি জাতীয় খাব...
04/05/2026

পুষ্টি গবেষণার সমস্যা এবং জনসাধারণের উপর এর প্রভাব

পুষ্টি বিষয়ক গবেষণাগুলো, বিশেষ করে কফি, ডার্ক চকোলেট বা বেরি জাতীয় খাবারের উপকারিতা বা ক্ষতির চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো সাংবাদিকদের দ্রুত আকর্ষণ করে।

১. গবেষণার মান ও বিভ্রান্তি:
সমস্যা: সাধারণ মানের বা প্রাথমিক গবেষণা (যেমন ইঁদুরের উপর পরীক্ষা) খুব ফলাও করে শিরোনামে চলে আসে।
ফলাফল: "আজকের র্যান্ডম মেডিকেল নিউজ" বা "আজ যা ভালো, কাল তা খারাপ" – এমন ধারা জনসাধারণের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি তৈরি করে। যেমন, ডিম বা চর্বি একসময় 'ভিলেন' ছিল, এখন তা 'সুপারফুড' হিসেবে প্রশংসিত।

২. পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার সীমাবদ্ধতা:
পুষ্টিবিজ্ঞানের বেশিরভাগ গবেষণাই পর্যবেক্ষণমূলক। এগুলো কোনো খাবারের সাথে রোগের কারণগত সম্পর্ক প্রমাণ করে না, শুধু সম্পর্ক বা যোগসূত্র দেখায়।
পরিমাপগত ত্রুটি: মানুষ সাধারণত মনে করতে পারে না যে সে গতকাল বা গত মাসে কী খেয়েছে।
বিভ্রান্তিকর উপাদান: স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ব্যক্তিরা সাধারণত ব্যায়ামও বেশি করেন এবং ধূমপান করেন না। তাই শুধু খাবার দিয়ে স্বাস্থ্যের উন্নতি পরিমাপ করা কঠিন।
বিপরীত কার্যকারণ: শরীর খারাপ হলে মানুষ ভালো খাবার খাওয়া শুরু করে, তাই গবেষণায় দেখা যেতে পারে যে ওই খাবারটি রোগ সৃষ্টি করছে, অথচ আসলে অসুস্থতার কারণেই খাবারটি খাওয়া হচ্ছিল।

৩. বৈচিত্র্যময় ও পরস্পরবিরোধী পরামর্শ:
পুষ্টিবিজ্ঞান নিয়ে প্রতিনিয়ত আসা নতুন তথ্যের কারণে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। একই বিষয়ে একদিনের গবেষণায় বলা হচ্ছে "কফি হার্টের জন্য ভালো", পরের দিন হয়তো আসছে "কফি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়"।
ফলাফল: সাধারণ মানুষ আর কার পরামর্শ শুনবে বা কোন খাবারটি খাবে তা বুঝতে পারে না, যা শেষ পর্যন্ত পুষ্টি সংক্রান্ত সঠিক নির্দেশিকা মানার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

৪. "সুপারফুড" ও বাণিজ্যের প্রভাব:
"সুপারফুড" (যেমন- কিনোয়া, চিয়া সিড, ব্লুবেরি) শব্দটি মূলত একটি বিপণন কৌশল, যার কোনো দাপ্তরিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই।

লাস্ট ১০ বছরে অনেকগুলি রিসার্স পেপার প্রকাশ করতে দেয় নি মাননীয় ব্যাবসায়ী মহোদয়রা।হাজার কোটি টাকা ফেসবুকের আ্যড দেখে উরিয়ে দেই।ভাই খাবার একটা রুটিন এটা ঔষধ না,ভালো খাবার সারাজীনন খেলে সাথে ব্যায়ম করলে রোগশোক কম হবে।কিন্তু ঐটা খাইলে রোগ সারবে, এই বলদামীটা শুধু বাংলাদেশে সম্ভব। এবার একটু চোখ খুলেন প্লিজ!!
#কলাপাড়া #ডাক্তার৷ #ফুড

আমরা সাধারণত রোগগুলোকে আলাদা আলাদা করে দেখি—ডায়াবেটিস এক জিনিস, আলসার আরেকটা, মানসিক অসুস্থতা আরেকটা। যেন এগুলো বইয়ের আল...
03/05/2026

আমরা সাধারণত রোগগুলোকে আলাদা আলাদা করে দেখি—ডায়াবেটিস এক জিনিস, আলসার আরেকটা, মানসিক অসুস্থতা আরেকটা। যেন এগুলো বইয়ের আলাদা অধ্যায়। কিন্তু বাস্তবে মানুষের অসুস্থতা কখনোই এতটা আলাদা নয়—এগুলো একে অপরের সঙ্গে, আর মানুষের জীবন-সংগ্রামের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকে।
একজন মানুষের অসুস্থতা পুরো পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে। শারীরিক রোগের সঙ্গে মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, দায়িত্ব—সব মিলেই নতুন নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। যেমন, স্বামীর অসুস্থতা স্ত্রীর উপর চাপ তৈরি করে, সেই চাপ শরীরে আলসার হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। আবার মায়ের কষ্ট সন্তানের মানসিক অবস্থাকে ভেঙে দিতে পারে।
অর্থাৎ, রোগ শুধু শরীরে সীমাবদ্ধ নয়—এটা সম্পর্ক, দায়িত্ব, মানসিক অবস্থা—সবকিছুকে ছুঁয়ে যায়।
তাই রোগীকে শুধু একটি “রোগ” হিসেবে না দেখে, তার পুরো জীবন-প্রেক্ষাপটসহ বোঝা জরুরি। কারণ প্রতিটি অসুস্থতার পেছনে থাকে একটি মানবিক গল্প—যেখানে আছে কষ্ট, সংগ্রাম, ভালোবাসা এবং কখনো কখনো অপ্রকাশিত অনুভূতির বিস্ফোরণ।

চিকিৎসা শুধু ওষুধ নয়—বোঝাপড়া, সহানুভূতি এবং মানুষের সম্পূর্ণ গল্পকে দেখা।
তাই আমার কাছে এসে বলে দুইটা ঔষধ লিখে দেন মাঝা ব্যাথার, আমি তখন মনে মনে হাসি আর বলি ব্যাবসায়ীদেরই জয় হল😄
কারন তারা মেডিকেল কে বিজনেস বানাতে পেরেছে এবং টেস্ট ঔষধ এগুলাই করাই যে ডাক্তারী সেই ধারনা গ্রাম পর্যন্ত পৌছে দিতে পেরেছে।
এবার চিকুনগুনিয়া রোগে যারাই সেফুরক্সিম গ্রুপ খেয়ে এসেছে,তাদের জ্বরের পর আর্থাইটিস দেখা দিয়েছে।তাহলে কি দারালো এই রোগে রোগীকে বোঝাতে হবে বেশী বেশী পানি খান আর ৫ টা দিন রেস্ট নেন,সব ঠিক হয়ে যাবে।এই যে আশ্বাস এটাই ভাইরাসের ঔষধ।

ছোট বেলায় শুনতাম আমাদের এলাকায় ২-১ জন ডাক্তার মাত্র।ডাক্তারদের মানুষ অনেক সম্মান করত,মহা ব্যাপার আরকি ডাক্তার হওয়া।পরে ব...
29/04/2026

ছোট বেলায় শুনতাম আমাদের এলাকায় ২-১ জন ডাক্তার মাত্র।ডাক্তারদের মানুষ অনেক সম্মান করত,মহা ব্যাপার আরকি ডাক্তার হওয়া।পরে বয়স হলো বাবা মায়ের প্রচন্ড ইচ্ছা দোয়াতে আল্লাহ ডাক্তারও বানালো।
পরে দেখি বাইরে থেকে শোনা ব্যাপার নিমিষে গায়েব।ডাক্তার আসল কষ্ট ডাক্তার হওয়ার পরই শুরু।ঐ যে চেম্বার ভরা রোগী আর টাকার ঝনঝনানি ;সেটা আসলে ৫০-৬০ এ গিয়ে যদি সব কষ্ট পড়া সব প্রচুর করা যায় তাহলে।
তো সেই জিনিস যে কোন প্রফেশনের সেরারাই পায় ৫০ বছরে গিয়ে।
অনেকেই জানে না যে ঢাকা শহরে মেডিকেল অফিসারের বেতন ২৫০০০ টাকা।সাথে নাইট ডিউটি ডিগ্রির পড়া রোগী দেখার অমানুষিক চাপ।সরকারী হলে বেতন ৩২-৩৮। সবাই ৯-৫ টা করে বাসায় যায়; ডাক্তারের তার পরও রোগী দেখা এবং পরবর্তীর জন্য পড়া লাগে।
তাই যদি বলেন সেরা পড়া পড়ে সেরা টাকা কই?
ভাই টাকার সাথে পড়ার সম্পর্ক শুন্য।বিদ্যা অর্জন হল হালাল,হারাম,ভালো মন্দের পার্থক্য করা। আর যে সেটা না পারে তার বিদ্যা অসম্পূর্ণ।
পানি বাথরুমের ট্যাপেরও খাওয়া যায় আর টিউবলেরটাও খাওয়া যায়।আপনি কি খাবেন সেটা আপনার বিষয়...
#কলাপাড়া

Address

Kalapara
Kalapara
8650

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801814404070

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Raifur Rahman Rifat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Raifur Rahman Rifat:

Shortcuts

Share