ডা: শান্তনু সেন- Satire Under Sedation

ডা: শান্তনু সেন- Satire Under Sedation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা: শান্তনু সেন- Satire Under Sedation, Anesthesiologist, Khulna.
(1)

অপারেশন থিয়েটারের নীরবতা থেকে সমাজের কোলাহল পর্যন্ত-ব্যঙ্গ,অনুভূতি, সাহিত্য ,পর্যবেক্ষণ আর কিছু অসমাপ্ত চিন্তা।
সমাজ ICU-তে, আমরা শুধু পর্যবেক্ষক।
— ডা. শান্তনু সেন

একাডেমিক আলোচনা 🩺📚জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও নতুন চিন্তার সমন্বয়ে এগিয়ে চলা—চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে আরও সমৃদ্ধ ও ক...
27/08/2026

একাডেমিক আলোচনা 🩺📚

জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও নতুন চিন্তার সমন্বয়ে এগিয়ে চলা—
চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে আজকের এই সুন্দর Academic Discussion।

সহকর্মীদের সাথে মতবিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নতুন কিছু শেখার এই মুহূর্তগুলোই পেশাগত উন্নতির অন্যতম শক্তি।

জ্ঞানচর্চা অব্যাহত থাকুক, অভিজ্ঞতা হোক নতুন ভাবনার পথপ্রদর্শক। 🩺📚🤝📖

Beyond the Needle lies Knowledge.Beyond the Procedure lies Responsibility.Beyond the Medicine lies Humanity.প্রতিটি ইনজে...
29/07/2026

Beyond the Needle lies Knowledge.
Beyond the Procedure lies Responsibility.
Beyond the Medicine lies Humanity.

প্রতিটি ইনজেকশন একটি প্রযুক্তি নয়, একটি নৈতিক অঙ্গীকার।
Patient safety is never optional.

007 First Light — খেলা শেষের রিভিউশুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে সিনেম্যাটিক জেমস বন্ডের অভিজ্ঞতা। দুর্দান্ত স্টোরি, চমৎক...
25/07/2026

007 First Light — খেলা শেষের রিভিউ

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে সিনেম্যাটিক জেমস বন্ডের অভিজ্ঞতা। দুর্দান্ত স্টোরি, চমৎকার স্টেলথ, টানটান অ্যাকশন আর স্মরণীয় সেট-পিস—সব মিলিয়ে 007 First Light নিজেকে শুধু একটি লাইসেন্সড গেম নয়, বরং একটি শক্তিশালী স্পাই অ্যাডভেঞ্চার হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিছু ছোটখাটো সীমাবদ্ধতা থাকলেও পুরো অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ উপভোগ্য।

রেটিং: ৮.৫/১০ — “Bond is back.”

কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে ছোট্ট বাবার সাথে হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ মনে হলো—জীবন আসলে এত জটিল ছিল না। এতদিন যে সাফল্যের পে...
21/07/2026

কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে ছোট্ট বাবার সাথে হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ মনে হলো—জীবন আসলে এত জটিল ছিল না। এতদিন যে সাফল্যের পেছনে ছুটেছি, যে স্বপ্নগুলোর জন্য রাত জেগেছি, সেগুলোর সবটুকু অর্থ যেন এই ছোট্ট হাতের উষ্ণতায় এসে মিশে গেছে।

সূর্যটা ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছিল, আকাশে ছড়িয়ে পড়ছিল সোনালি আর কমলা রঙের আলো। আর আমার পাশে হাঁটছিল এক টুকরো ভবিষ্যৎ—যার কাছে পৃথিবী এখনও বিস্ময়ে ভরা। সে হয়তো একটা শুকনো পাতা কুড়িয়ে খুশি হচ্ছে, কিংবা উড়ে যাওয়া পাখি দেখে হাততালি দিচ্ছে। আর আমি শিখছি, সুখ আসলে বড় কোনো অর্জনের নাম নয়; সুখ হলো এমন কিছু মুহূর্ত, যা কখনও পরিকল্পনা করে পাওয়া যায় না।

হয়তো একদিন সে বড় হয়ে যাবে। আমার হাত ছেড়ে নিজের পথ ধরে হাঁটবে। কিন্তু এই পড়ন্ত বিকেলের আলো, এই ছোট্ট হাতের স্পর্শ, আর এই নির্ভেজাল হাসিটুকু আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে থাকবে।

বুবি মারা গেছেন। তাঁকে ঘুম থেকে উঠিয়ে পিটিয়ে মেরেছে ‘দুর্বৃত্তরা’। কাছে ৪০ হাজার টাকা ছিল। ২৫ বছর ধরে বুবি ওই টাকা জমিয়ে...
09/07/2026

বুবি মারা গেছেন। তাঁকে ঘুম থেকে উঠিয়ে পিটিয়ে মেরেছে ‘দুর্বৃত্তরা’। কাছে ৪০ হাজার টাকা ছিল। ২৫ বছর ধরে বুবি ওই টাকা জমিয়েছিলেন ভিক্ষা করে, প্লাটফর্ম পরিষ্কার করে। টাকাগুলো আর নেই। ওরা নিয়ে গেছে। মৃত্যুর আগে ক্ষতবিক্ষত মুখ নিয়ে বুবি স্টেশনের একটা চেয়ারে বসেছিল নীরবে, নিরুত্তাপ দৃষ্টিতে।

এমনিতেও সত্তুর বছর বয়সী বেশিরভাগ নারীর এই পৃথিবীর উদ্দেশ্যে নতুন করে কিছু বলার থাকে না। জীবন তাঁদের এতোটাই ক্লান্ত করে রাখে যে, নতুন কোনো কথার ভার বয়ে বেড়ানোর ক্ষমতা তাঁদের থাকে না।

কিন্তু বুবির গল্পটা আলাদা। কারণ সত্তুর বছর জীবনে সে কখনওই কিছু বলেনি। একটি অর্থপূর্ণ সম্পূর্ণ বাক্যও না। কিন্তু কথা বলতে পারলে তিনি কী বলতেন?
টাকার জন্য যখন তাকে মারা হচ্ছিল, তখন তিনি চিৎকার করে কাকে ডাকতেন?
মাকে? বাবাকে? আল্লাহ্‌কে?
আচ্ছা, বুবির ধর্ম কী ছিল?

২৫ বছর আগে ট্রেনে চড়ে মেথিকান্দা স্টেশনে এসেছিলেন বাক্‌প্রতিবন্ধী বুবি। তিনি কোত্থেকে এসেছিলেন? কেন? কারো প্রতি অভিমান করে?

মেথিকান্দা স্টেশন থেকে কেন বুবি আর ফিরে গেলেন না? কার কাছে আর গেলেন না? নাকি এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশন, আবারও এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশন করে তিনি পালিয়ে বেড়িয়েছেন জীবন থেকেই?

তাহলে মেথিকান্দা থেকে কেন পালালেন না? কিসের আর কার অপেক্ষায়? কোনো প্রিয়জনের অপেক্ষায়? আবারও পালানোর সুযোগের অপেক্ষায়? মৃত্যুর অপেক্ষায়?

২৫ বছর ধরে বুবি এক এক করে ৪০ হাজার টাকা জমিয়েছিলেন। গড়ে প্রতিদিন ৪ টাকা ৩৮ পয়সা। এই টাকা দিয়ে বুবি কী করতেন? কাউকে দিতেন? কোনো একদিন দূরে কোথাও পৃথিবীর মানচিত্র থেকে খসে পড়া একখণ্ড জমি কিনতেন? নিজের জন্য বাড়ি বানাতেন? অন্য কারো জন্য বানাতেন? কবরের জায়গা বায়না করে রাখতেন?

বুবি এসব কিছুরই উত্তর দিয়ে জাননি। বুবি মেথিকান্দা স্টেশনে নীরবে এসেছিলেন। অনেকদিন পর্যন্ত হয়তো কেউ টেরই পায়নি যে- নতুন দুইটি পাও তাঁদের সাথে একই প্লাটফর্মে রোজ হাঁটছে। বুবি একইরকম নীরবে চলে গেছেন। অনেকদিন পর্যন্ত হয়তো কেউই টেরই পাবে না যে- পুরনো দুইটি পা তাঁদের সাথে ওই প্লাটফর্মে রোজ আর হাঁটছে না।

বুবির জন্য কোনো শোকসভা হবে না, বুবি হত্যার বিচার চেয়ে মিছিল হবে না, বুবির কবরে তাঁর নামও লেখা হবে না।

বুবির না বলা কথার চেয়েও বেশি নীরবে আমরা ভুলে যাবো, এই দেশের স্টেশনগুলোতে বাস করা মানুষদের চাইলেই মেরে ফেলা যায়। কিন্তু যারা স্টেশনে থাকে- তাঁরা মরবে, মরুক। আমাদের কীসের দায়?

Book Review: হাঙর নদী গ্রেনেড: রক্ত, নদী ও মানুষের অন্তর্জাগতিক মুক্তির আখ্যানকিছু উপন্যাস সময়কে ধারণ করে, আবার কিছু উপ...
06/07/2026

Book Review:

হাঙর নদী গ্রেনেড:
রক্ত, নদী ও মানুষের অন্তর্জাগতিক মুক্তির আখ্যান

কিছু উপন্যাস সময়কে ধারণ করে, আবার কিছু উপন্যাস সময়কে অতিক্রম করে মানুষের চিরন্তন অস্তিত্বের প্রশ্নে পৌঁছে যায়। সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড সেই দ্বিতীয় ধারার এক অনন্য সৃষ্টি। এটি কেবল মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস নয়; বরং মানুষের ভেতরে জন্ম নেওয়া ভয়, ভালোবাসা, মমতা, ত্যাগ এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক গভীর নন্দনচেতনা। ইতিহাস এখানে ঘটনাপঞ্জি নয়, মানুষের রক্তমাংসে লেখা এক অন্তর্লিখন।

উপন্যাসটি পড়তে পড়তে উপলব্ধি হয়—যুদ্ধের প্রকৃত অভিঘাত গোলাবারুদের শব্দে নয়, বরং সেই নীরবতার মধ্যে, যেখানে একজন মা সন্তানের ভবিষ্যৎ আর দেশের ভবিষ্যৎকে একই পাল্লায় মাপতে বাধ্য হন। ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষুদ্র সুখ, পারিবারিক সম্পর্কের কোমলতা, ভয় ও আকুলতা—সবই একসময় বৃহত্তর জাতীয় নিয়তির সঙ্গে মিশে যায়। তখন একটি পরিবারের কান্না হয়ে ওঠে সমগ্র জাতির আর্তনাদ, আর একজন মানুষের আত্মত্যাগ ইতিহাসের নৈতিক ভিত্তি নির্মাণ করে।

এই উপন্যাসের নদী নিছক ভৌগোলিক উপস্থিতি নয়। নদী এখানে সময়ের রূপক—যে বহন করে স্মৃতি, রক্ত, স্বপ্ন ও হারিয়ে যাওয়া মানুষের প্রতিধ্বনি। আর গ্রেনেড কেবল বিস্ফোরণের উপকরণ নয়; এটি এমন এক প্রতীক, যা ধ্বংসের ভেতর দিয়েই সৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোষণা করে। স্বাধীনতার জন্ম কখনো বিনা মূল্যে হয় না—এই নির্মম সত্যকে লেখক প্রতীকের গভীরতায় রূপ দিয়েছেন।

সেলিনা হোসেনের ভাষা সংযত, অথচ গভীর। তিনি পাঠককে আবেগে ভাসিয়ে দেন না; বরং আবেগের উৎসের সামনে দাঁড় করিয়ে দেন। তাঁর বর্ণনায় অতিনাটকীয়তার পরিবর্তে রয়েছে এক ধরনের নৈতিক স্থিরতা, যা পাঠককে ভাবতে শেখায়। সেই কারণেই উপন্যাসটি শেষ হওয়ার পরও তার চরিত্র, দৃশ্য এবং নীরবতা দীর্ঘদিন মনে প্রতিধ্বনিত হয়। বড় সাহিত্য এমনই—তা পাঠ শেষ হলেও পাঠকের ভেতরে লেখা হতে থাকে।

হাঙর নদী গ্রেনেড আমাদের শেখায়, স্বাধীনতা কোনো সমাপ্তি নয়; এটি প্রতিটি প্রজন্মের নৈতিক দায়িত্ব। যে জাতি তার আত্মত্যাগের স্মৃতি ভুলে যায়, সে ধীরে ধীরে নিজের পরিচয়ও হারিয়ে ফেলে। তাই এই উপন্যাস কেবল মুক্তিযুদ্ধের দলিল নয়; এটি মানুষ হয়ে ওঠার, অন্যের যন্ত্রণাকে নিজের ভেতরে ধারণ করার এবং ইতিহাসকে বিবেকের আলোয় পড়ে দেখার এক অনিবার্য সাহিত্যিক পাঠ। সময়ের সঙ্গে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব যেমন অম্লান থাকবে, তেমনি এর মানবিক আবেদনও প্রতিটি নতুন পাঠকের কাছে নতুন অর্থে উন্মোচিত হবে।

A must read book. A perfect 10/10.

“মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো—কে সেরা?”আমি বলি, “আপনি জীবনে সবচেয়ে বেশি কাকে শ্রদ্ধা করেন—জন্মগত প্রতিভাকে, নাকি নিজের...
01/07/2026

“মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো—কে সেরা?”

আমি বলি, “আপনি জীবনে সবচেয়ে বেশি কাকে শ্রদ্ধা করেন—জন্মগত প্রতিভাকে, নাকি নিজের হাতে গড়ে তোলা মানুষকে?”

মেসি হলো খাঁটি প্রতিভার আরেক নাম। তাকে খেলতে দেখলে মনে হয় ফুটবল যেন তার কাছে কোনো পরিশ্রম নয়, এক নিখুঁত শিল্প। যেন প্রকৃতি তাকে এমন এক উপহার দিয়েছে, যা আর কাউকে দেয়নি। অসম্ভব তার পায়ে এসে সহজ হয়ে যায়। পৃথিবী যেন তার জন্যই খেলার নিয়ম নতুন করে লিখেছে।

অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এক অনবরত যুদ্ধের গল্প। এমন একজন মানুষের গল্প, যিনি প্রতিভার ওপর নয়, নিজের শৃঙ্খলা, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর ভর করে ইতিহাস লিখেছেন। দেশ বদলেছেন, লিগ বদলেছেন, ভাষা বদলেছেন, কোচ বদলেছেন—কিন্তু বদলায়নি তার জয়ের ক্ষুধা।

মেসি যেন সুরের মতো প্রবাহিত হন। রোনালদো যেন ঝড়ের মতো আঘাত হানেন।

মেসি আপনাকে বিস্মিত করেন।

রোনালদো আপনাকে বিশ্বাস করান—“তুমিও পারবে।”

হয়তো এ কারণেই পৃথিবীর এত মানুষ রোনালদোর সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পায়। কারণ আমাদের বেশিরভাগই জন্মগতভাবে অসাধারণ ছিলাম না। আমাদের বারবার ব্যর্থ হতে হয়েছে, সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে, অন্যদের চেয়ে বেশি ঘাম ঝরাতে হয়েছে। তবুও আমরা থামিনি।

তাই আমি সবসময় বলি—

মেসি হলো সুপারম্যান।

রোনালদো হলো ব্যাটম্যান।

সুপারম্যান জন্ম থেকেই অতিমানবীয় শক্তি নিয়ে এসেছে।

ব্যাটম্যান নিজের প্রতিটি শক্তি অর্জন করেছে অধ্যবসায়, সাহস আর কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে।

তাই আসল প্রশ্নটা হয়তো “কে সেরা?” নয়।

আসল প্রশ্ন হলো—

কোন গল্পটি আপনাকে বেশি অনুপ্রাণিত করে?

একজন শেখায়, প্রকৃতি কখনও কখনও অলৌকিক প্রতিভা উপহার দেয়।

অন্যজন শেখায়, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে একজন সাধারণ মানুষও অসাধারণ হয়ে উঠতে পারে।

আমরা মেসিকে ভালোবাসি, কারণ তিনি ফুটবল ইতিহাসের এক বিস্ময়।

আর আমরা রোনালদোকে ভালোবাসি, কারণ তিনি আমাদের আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে বলেন—

“তোমার সীমা বলে কিছু নেই, যদি তুমি নিজেকে হার না মানাও।”

তাই হয়তো শ্রেষ্ঠ কে—তার উত্তর কখনো এক হবে না। কারণ প্রতিভা মানুষকে মুগ্ধ করে, আর অধ্যবসায় মানুষকে বদলে দেয়।

29/06/2026

🎬 ব্যথামুক্ত অপারেশন | অ্যানেস্থেসিয়ার জন্মের ইতিহাস💉
Like, comment and follow for more !

28/06/2026

ছোট্ট ছোট্ট পায়ে হাঁটার সেই মুহূর্তে সময় যেন ক্যামেরায় নয়, হৃদয়ে বন্দি হয়ে গেল ❤️❤️

27/06/2026

Why fear, when anesthesiologist is there !!😆😎

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা: শান্তনু সেন- Satire Under Sedation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share