Dr. Zabir Al Hasan

Website

Dr. Zabir Al Hasan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Zabir Al Hasan, Doctor, দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল, Khulna.

👨‍⚕️ মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ

✔️ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা
✔️ ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা
✔️ উচ্চ রক্তচাপ
✔️ অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট
✔️ স্নায়ুরোগ

📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল, খুলনা
📞 সিরিয়াল: 01913-235345

🩺 কোষ্ঠকাঠিন্য বারবার হচ্ছে? ৭টি সাধারণ কারণ জেনে নিনকোষ্ঠকাঠিন্য শুধু “পেট পরিষ্কার না হওয়া” নয়। বারবার শক্ত পায়খানা হও...
08/09/2026

🩺 কোষ্ঠকাঠিন্য বারবার হচ্ছে? ৭টি সাধারণ কারণ জেনে নিন
কোষ্ঠকাঠিন্য শুধু “পেট পরিষ্কার না হওয়া” নয়। বারবার শক্ত পায়খানা হওয়া, পায়খানার সময় বেশি চাপ দিতে হওয়া বা পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়ার অনুভূতিও এর অংশ হতে পারে।
🔹 বারবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সাধারণ ৭টি কারণ
১️⃣ খাবারে ফাইবার কম থাকা
শাকসবজি, ফল, ডাল ও আঁশযুক্ত খাবার কম খেলে পায়খানা শক্ত হতে পারে।
২️⃣ পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
শরীরে পানির ঘাটতি হলে মল শক্ত হয়ে যেতে পারে।
৩️⃣ শারীরিক পরিশ্রম কম করা
দীর্ঘসময় বসে থাকা ও কম হাঁটাচলা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা বাড়াতে পারে।
৪️⃣ পায়খানার বেগ চেপে রাখা
বারবার বেগ আসার পরও পায়খানা না করলে ধীরে ধীরে অভ্যাসগত কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৫️⃣ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যেমন—কিছু আয়রন সাপ্লিমেন্ট, opioid painkiller এবং কিছু অন্যান্য ওষুধ কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে।
৬️⃣ Irritable Bowel Syndrome (IBS)
IBS-এ কোষ্ঠকাঠিন্যের সঙ্গে পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা বা পায়খানার ধরনে পরিবর্তন থাকতে পারে।
৭️⃣ কিছু রোগ বা হরমোনজনিত সমস্যা
যেমন—থাইরয়েড কম কাজ করা, ডায়াবেটিসসহ কিছু শারীরিক সমস্যায় কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
⚠️ কখন ডাক্তার দেখাবেন?
কোষ্ঠকাঠিন্যের সঙ্গে পায়খানায় রক্ত, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, তীব্র/ক্রমাগত পেটব্যথা, বমি, পেট অস্বাভাবিক ফুলে যাওয়া অথবা হঠাৎ নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য শুরু হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
💡 মনে রাখবেন
বারবার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে শুধু ল্যাক্সেটিভ খেয়ে সমস্যাটি চাপা না দিয়ে কারণটা খুঁজে বের করা জরুরি।
👉 আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য কতদিন ধরে হচ্ছে এবং সঙ্গে আর কী কী সমস্যা আছে—চিকিৎসকের কাছে বিস্তারিত জানান।

🩺 ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে নিয়ে ডাক্তারকে কোন প্রশ্নগুলো করবেন?ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে পেয়ে শুধু “সুগার কত?” জানলেই কিন...
08/09/2026

🩺 ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে নিয়ে ডাক্তারকে কোন প্রশ্নগুলো করবেন?
ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে পেয়ে শুধু “সুগার কত?” জানলেই কিন্তু সবকিছু জানা হয়ে যায় না।
রিপোর্ট দেখানোর সময় আপনার চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করতে পারেন—
🩸 আমার Fasting ও খাবারের পরের সুগার কেমন?
📊 আমার HbA1c কত এবং এর অর্থ কী?
🎯 আমার জন্য সুগার ও HbA1c-এর লক্ষ্যমাত্রা কত হওয়া উচিত?
💊 আমার কি ওষুধ শুরু বা পরিবর্তন করা প্রয়োজন?
⏰ ওষুধ কখন এবং কীভাবে খাব?
🥗 আমার খাবারে কী কী পরিবর্তন করা দরকার?
🚶 কতক্ষণ হাঁটা বা ব্যায়াম করা আমার জন্য উপযুক্ত?
🧪 কিডনি, চোখ, কোলেস্টেরলসহ আর কোনো পরীক্ষা প্রয়োজন কি?
📅 পরবর্তীবার কবে সুগার বা HbA1c পরীক্ষা করব?
⚠️ কোন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে?
💡 মনে রাখবেন
রিপোর্ট বুঝে চিকিৎসা নিন—নিজে থেকে ওষুধ শুরু, পরিবর্তন বা বন্ধ করবেন না।
আপনার রিপোর্ট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ডাক্তারের কাছে প্রশ্ন করতে দ্বিধা করবেন না।
📌 পোস্টটি একজন ডায়াবেটিস রোগীর সঙ্গে শেয়ার করুন, তাঁর কাজে লাগতে পারে।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

🩸 সুগার হঠাৎ বেড়ে গেলে ঘরে বসে প্রথমে কী করবেন?ডায়াবেটিসে কখনো কখনো রক্তের শর্করা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যেতে পারে। ...
08/09/2026

🩸 সুগার হঠাৎ বেড়ে গেলে ঘরে বসে প্রথমে কী করবেন?
ডায়াবেটিসে কখনো কখনো রক্তের শর্করা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যেতে পারে। তখন ভয় না পেয়ে সঠিকভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা জরুরি।
প্রথমে যা করবেন—
🩸 আবার সুগার মাপুন
হাত পরিষ্কার করে সঠিক নিয়মে আবার রক্তের শর্করা মাপুন এবং ফলাফল লিখে রাখুন।
💧 পানি পান করুন
যদি পানি পান করতে চিকিৎসাগত কোনো নিষেধ না থাকে, পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
💊 নির্ধারিত ওষুধের নিয়ম দেখুন
সময়মতো ওষুধ নেওয়া হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন। নিজের সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ডোজ নেবেন না।
🍽️ খাবারের দিকে খেয়াল রাখুন
চিনিযুক্ত পানীয়, মিষ্টি ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
🚶 ব্যায়াম নিয়ে সতর্ক থাকুন
সুগার খুব বেশি হলে বা অসুস্থ বোধ করলে নিজের সিদ্ধান্তে জোরালো ব্যায়াম করবেন না—চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
⚠️ কখন দ্রুত চিকিৎসা নেবেন?
যদি উচ্চ সুগারের সঙ্গে—
🔴 বারবার বমি
🔴 তীব্র দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব
🔴 দ্রুত/গভীর শ্বাস বা শ্বাসকষ্ট
🔴 বিভ্রান্তি বা চেতনা কমে যাওয়া
🔴 পানি বা খাবার রাখতে না পারা
—এর মতো লক্ষণ দেখা দেয়, দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
💡 মনে রাখবেন
একবার সুগার বেশি এলেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
সঠিকভাবে পুনরায় মাপুন, কারণ খুঁজে দেখুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
👉 সুগারের লক্ষ্যমাত্রা সবার জন্য এক নয়—বয়স, অন্যান্য রোগ, ওষুধ ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসক লক্ষ্য নির্ধারণ করেন।
📌 নিজে থেকে ডায়াবেটিসের ওষুধের ডোজ বাড়াবেন বা কমাবেন না।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

🩺 নতুন ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে? প্রথম ৭ দিন কী করবেন?ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে আসার পর অনেকেই ভয় পেয়ে যান—“এখন কী খাব? ওষুধ ক...
08/09/2026

🩺 নতুন ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে? প্রথম ৭ দিন কী করবেন?
ডায়াবেটিসের রিপোর্ট হাতে আসার পর অনেকেই ভয় পেয়ে যান—
“এখন কী খাব? ওষুধ কি সারাজীবন খেতে হবে? স্বাভাবিক জীবন কি আর সম্ভব?”
আসলে ভয় পাওয়ার চেয়ে শুরু থেকেই সঠিক অভ্যাস তৈরি করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন ডায়াবেটিস রোগীর প্রথম কয়েকদিনে—
📋 রিপোর্ট বুঝে নিন — বিশেষ করে HbA1c-এর গুরুত্ব বুঝুন এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🥗 খাবারের রুটিন ঠিক করুন — ভাত/রুটি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই; পরিমাণ ও খাবারের ভারসাম্য গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
💊 ওষুধ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিন — কখন খাবেন, কীভাবে খাবেন এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানুন। নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করবেন না।
🚶 নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের অভ্যাস করুন — শারীরিকভাবে উপযুক্ত হলে ধীরে ধীরে শুরু করুন।
🩸 সুগার মনিটরিং শিখুন — প্রয়োজন অনুযায়ী রক্তের শর্করা মাপুন এবং রেকর্ড রাখুন।
🦶 পায়ের যত্ন নিন — প্রতিদিন পায়ে কোনো ক্ষত, ফোসকা বা অস্বাভাবিকতা আছে কি না দেখুন।
📝 নিজের Diabetes Plan তৈরি করুন — খাবার, ওষুধ, ব্যায়াম, সুগার মনিটরিং ও নিয়মিত ফলোআপকে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করুন।
⚠️ মনে রাখবেন
সুগার নরমাল হলেই নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ বন্ধ করবেন না।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া—সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনের মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।
📌 আপনার বা পরিবারের কারও নতুন করে ডায়াবেটিস ধরা পড়লে পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

🩺 সব রিপোর্ট নরমাল, তবুও শরীর খারাপ লাগে কেন?অনেকেই বলেন—“ডাক্তার, সব পরীক্ষা করেছি। রিপোর্ট তো নরমাল, কিন্তু শরীরটা ভাল...
07/09/2026

🩺 সব রিপোর্ট নরমাল, তবুও শরীর খারাপ লাগে কেন?
অনেকেই বলেন—
“ডাক্তার, সব পরীক্ষা করেছি। রিপোর্ট তো নরমাল, কিন্তু শরীরটা ভালো লাগছে না!”
আসলে রিপোর্ট নরমাল মানেই সবসময় শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ—এমন নয়।
শরীর খারাপ লাগার পেছনে থাকতে পারে—
🔹 ঘুমের সমস্যা বা ঘুমের মান খারাপ হওয়া
🔹 দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, Anxiety বা Depression
🔹 রক্তস্বল্পতা বা কিছু পুষ্টির ঘাটতি
🔹 থাইরয়েডের সমস্যা
🔹 রক্তে Sugar-এর ওঠানামা
🔹 কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
🔹 Sleep Apnea বা অন্যান্য ঘুম-সম্পর্কিত সমস্যা
🔹 দীর্ঘস্থায়ী বা Post-infectious কিছু সমস্যা
👉 তাই শুধু রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে উপসর্গ, রোগীর ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা—সবকিছু মিলিয়ে কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ।
⚠️ বিশেষ করে দীর্ঘদিন দুর্বলতা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, অতিরিক্ত মাথা ঘোরা বা দৈনন্দিন কাজে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিজে নিজে একের পর এক পরীক্ষা না করে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে আপনার উপসর্গ ও আগের রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করুন।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

😰 হঠাৎ বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, ভয়—Panic Attack হতে পারে?হঠাৎ করে বুক ধড়ফড় শুরু হলো, দম বন্ধ লাগছে, প্রচণ্ড ভয় হচ্ছে—মনে হচ্...
06/09/2026

😰 হঠাৎ বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, ভয়—Panic Attack হতে পারে?
হঠাৎ করে বুক ধড়ফড় শুরু হলো, দম বন্ধ লাগছে, প্রচণ্ড ভয় হচ্ছে—মনে হচ্ছে বড় কোনো বিপদ ঘটতে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি অনেকের ক্ষেত্রেই Panic Attack-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
🧠 Panic Attack-এর সময় যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে—
❤️ বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
😮‍💨 শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ লাগা
😰 তীব্র ভয় বা অস্থিরতা
🥵 অতিরিক্ত ঘাম
🤲 কাঁপুনি
😵 মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
⚡ বুকের অস্বস্তি বা চাপ অনুভব
🌫️ চারপাশটা অস্বাভাবিক লাগা
⚠️ তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
সব বুক ধড়ফড়, বুকের অস্বস্তি বা শ্বাসকষ্টকে Panic Attack ধরে নেওয়া ঠিক নয়। হার্ট, ফুসফুসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাতেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে।
🚨 তীব্র বা নতুন ধরনের বুকব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, খুব বেশি শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম অথবা ব্যথা হাত/চোয়াল/পিঠে ছড়িয়ে পড়লে জরুরি চিকিৎসা নিন।
💚 Panic Attack একটি বাস্তব এবং চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা।
বারবার এমন হলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার বা পরিবারের কারও এমন সমস্যা বারবার হলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

🤧 বারবার নাক বন্ধ ও মাথাব্যথা? সাইনুসাইটিস হতে পারে!নাক বন্ধ, মাথাব্যথা বা মুখের চারপাশে চাপ অনুভব করলেই অনেকে ধরে নেন—“...
06/09/2026

🤧 বারবার নাক বন্ধ ও মাথাব্যথা? সাইনুসাইটিস হতে পারে!

নাক বন্ধ, মাথাব্যথা বা মুখের চারপাশে চাপ অনুভব করলেই অনেকে ধরে নেন—“সাইনুসাইটিস হয়েছে।”
কিন্তু সবসময় এমনটা নয়। সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি বা অন্য কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে।

🩺 সাইনুসাইটিসে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে

• নাক বন্ধ থাকা বা নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট
• নাক দিয়ে ঘন সর্দি পড়া
• কপাল, গাল বা চোখের চারপাশে চাপ/ব্যথা
• গলায় সর্দি পড়া
• ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া
• কাশি, বিশেষ করে রাতে
• মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে

⚠️ কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, বারবার ফিরে এলে, তীব্র ব্যথা বা জ্বর হলে কিংবা চোখের চারপাশে ফোলা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

মনে রাখবেন—সব সাইনুসাইটিসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। কারণ ও উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

👉 দীর্ঘদিনের নাক বন্ধ, মাথাব্যথা বা সাইনাসের সমস্যাকে অবহেলা না করে সঠিক কারণ নির্ণয় করুন।

━━━━━━━━━━━━━━

👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital

📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা

🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345

💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

ডেঙ্গু হলে জ্বর, ঘাম, বমি, ডায়রিয়া বা খাবার কম খাওয়া এবং শরীরে পানিশূন্যতা হয়। তাই ডেঙ্গু রোগীর পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত...
06/09/2026

ডেঙ্গু হলে জ্বর, ঘাম, বমি, ডায়রিয়া বা খাবার কম খাওয়া এবং শরীরে পানিশূন্যতা হয়। তাই ডেঙ্গু রোগীর পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডেঙ্গু হলেই যত বেশি সম্ভব পানি খেতে হবে, এই ধারণা সঠিক নয়। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত তরল শরীরে জমে গিয়ে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করতে পারে।

সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে তৃষ্ণা অনুযায়ী অল্প অল্প করে বারবার পানি ও তরল খেতে হবে। স্বাভাবিক নিয়মে ২.৫-৩ লিটার বা ৮-১০ গ্লাস পানি প্রধান তরল হিসেবে রাখা ভালো। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ORS, ডাবের পানি, পাতলা স্যুপ, ভাতের মাড়, দুধ/দইয়ের পানীয় এবংচিনি ছাড়া তরল খাবার নেওয়া যেতে পারে। বমি বা ডায়রিয়া থাকলে ORS বিশেষভাবে উপকারী। রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণও লক্ষ্য করতে হবে। প্রয়োজনে রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক তরলের পরিমাণ নির্ধারন করবেন।

শিশুর ক্ষেত্রে একসঙ্গে অনেক পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। অল্প অল্প করে বারবার পানি, ORS, দুধ বা বুকের দুধ, স্যুপ এবং অন্যান্য উপযুক্ত তরল দিতে হবে। এক্ষেত্রে শিশুর যত কেজি ওজন তত চামচ তরল প্রতি এক থেকে দেড় ঘন্টা পরপর অন্তত দিনে ১০ বার খাওয়াতে হবে। শিশুর কতটুকু তরল প্রয়োজন তা তার ওজন, বয়স, জ্বর, বমি/ডায়রিয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই সব শিশুর জন্য একই পরিমাণ পানি নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

হার্টের রোগী ডেঙ্গু হলে নিজের সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত পানি বা স্যালাইন দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে হার্ট ফেইলিউরের রোগীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তরল শরীরে জমে গিয়ে পা ফুলে যাওয়া, ফুসফুসে পানি জমা এবং শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে। তাই রোগীর BP, pulse, oxygen saturation, urine output এবং সামগ্রিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তরলের পরিমাণ ঠিক করতে হবে।

কিডনি রোগী বা CKD রোগীর ক্ষেত্রে “ডেঙ্গু হয়েছে, তাই অনেক পানি খেতে হবে” এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে অতিরিক্ত পানি শরীরে জমে যেতে পারে। আবার ডেঙ্গুতে পানিশূন্যতা হলে কিডনির সমস্যাও বাড়তে পারে। তাই creatinine/eGFR, urine output, শরীরে পানি জমার লক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় electrolyte পরীক্ষা বিবেচনা করে চিকিৎসক তরলের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন।

হার্ট ও কিডনি দুটো রোগই থাকলে আরও সতর্ক হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবার জন্য নির্দিষ্ট করে “দিনে ২ বা ৩ লিটার পানি” বলা নিরাপদ নয়। রোগীর fluid requirement তার বর্তমান clinical condition এবং urine output অনুযায়ী চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

লিভারের রোগীর ক্ষেত্রেও রোগের ধরন ও severity গুরুত্বপূর্ণ। শুধু লিভারের রোগ আছে বলে অতিরিক্ত পানি খাওয়ানো যাবে না। বিশেষ করে যদি পেটে পানি জমা (ascites), পা ফুলে যাওয়া বা কিডনির সমস্যা থাকে, তাহলে fluid ও salt intake চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে।

ডেঙ্গু রোগীর প্রচণ্ড পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক/মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, বমি বা পায়খানায় রক্ত, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্থিরতা, ঘুমঘুম ভাব, ঠান্ডা-ফ্যাকাশে হাত-পা, শ্বাসকষ্ট অথবা প্রস্রাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার পর রোগী ভালো হয়ে গেছে ধরে নেওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর critical phase অনেক সময় জ্বর কমার সময় বা তার পরের সময়ে আসে। তাই এই সময় রোগীকে আরও সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

ডেঙ্গুতে লক্ষ্য শুধু বেশি পানি খাওয়ানো নয়। লক্ষ্য হলো পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা, প্রয়োজনীয় electrolyte বজায় রাখা এবং একই সঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে যাওয়া প্রতিরোধ করা।

সবার জন্য একই পরিমাণ পানি নয়। রোগীর বয়স, ওজন, প্রস্রাবের পরিমাণ, বমি/ডায়রিয়া, হার্ট-কিডনি-লিভারের অবস্থা এবং clinical findings অনুযায়ী তরলের প্রয়োজন নির্ধারণ করতে হয়।

#ডেঙ্গু #ডেঙ্গুজ্বর

🩸 ডায়াবেটিসে সুগার কমেছে, নাকি বেড়েছে?রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমে গেলেও বিপদ, আবার অতিরিক্ত বেড়ে গেলেও বিপদ।তাই লক্ষণগুলো ...
05/09/2026

🩸 ডায়াবেটিসে সুগার কমেছে, নাকি বেড়েছে?
রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমে গেলেও বিপদ, আবার অতিরিক্ত বেড়ে গেলেও বিপদ।
তাই লক্ষণগুলো জানা এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
🟢 সুগার কমে গেলে — Hypoglycemia
সাধারণত রক্তে শর্করা ৭০ mg/dL-এর নিচে নেমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া ধরা হয়।
লক্ষণ হতে পারে—
√কাঁপুনি √ঠান্ডা ঘাম √ প্রচণ্ড ক্ষুধা
√দুর্বলতা √মাথা ঘোরা √বুক ধড়ফড়
√ঝাপসা দেখা √বিভ্রান্তি বা অস্বাভাবিক আচরণ
‼️তাৎক্ষণিক করণীয়:
রোগী সচেতন এবং গিলতে সক্ষম হলে দ্রুত শোষণযোগ্য ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করুন এবং ১৫ মিনিট পর আবার সুগার পরীক্ষা করুন। প্রয়োজন হলে পুনরায় ব্যবস্থা নিতে হয়।
⚠️ রোগী অচেতন বা গিলতে অক্ষম হলে মুখে খাবার/পানীয় দেবেন না। দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।
🔴 সুগার বেড়ে গেলে — Hyperglycemia
রক্তে শর্করা বেশি থাকলে দেখা দিতে পারে—
√অতিরিক্ত তৃষ্ণা √বারবার প্রস্রাব
√মুখ শুকিয়ে যাওয়া √দুর্বলতা ও ক্লান্তি
√ঝাপসা দেখা √মাথাব্যথা
‼️সুগার খুব বেশি বেড়ে গেলে বমি, পেটব্যথা, দ্রুত বা গভীর শ্বাস, অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব কিংবা বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। এগুলো গুরুতর অবস্থার লক্ষণ হতে পারে।
🚨 কখন দ্রুত চিকিৎসা নেবেন?
বারবার বমি, তীব্র দুর্বলতা/পানিশূন্যতা, শ্বাস নিতে কষ্ট বা দ্রুত শ্বাস, বিভ্রান্তি/অচেতনতা হলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
💡 মনে রাখবেন
সুগার কমে যাওয়াও জরুরি, আবার অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াও অবহেলার বিষয় নয়।
📍নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ/ইনসুলিন নিন এবং খাবার বা ওষুধ নিজের ইচ্ছায় পরিবর্তন করবেন না।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

🍽️ বারবার গ্যাস হলে কোন খাবারগুলো আপনার সমস্যা বাড়াচ্ছে?বারবার গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ঢেকুরের সমস্যা হচ্ছে?অনেক সময় আপনার প...
05/09/2026

🍽️ বারবার গ্যাস হলে কোন খাবারগুলো আপনার সমস্যা বাড়াচ্ছে?
বারবার গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ঢেকুরের সমস্যা হচ্ছে?
অনেক সময় আপনার প্রতিদিনের খাবারের কিছু অভ্যাসই এই অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে।
⚠️ যেসব খাবার/পানীয় কিছু মানুষের সমস্যা বাড়াতে পারে
🥤 কার্বনেটেড/ফিজি ড্রিংকস
পেটে গ্যাস ও ফাঁপাভাব বাড়াতে পারে।
☕ অতিরিক্ত চা-কফি
বিশেষ করে খালি পেটে খেলে অস্বস্তি বাড়তে পারে।
🌶️ অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
বদহজম, বুকজ্বালা ও পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
🫘 ডাল ও কিছু গ্যাস-উৎপাদক খাবার
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ডাল, ছোলা ইত্যাদি বেশি খেলে পেট ফাঁপতে পারে।
🥦 বাঁধাকপি, ফুলকপি ইত্যাদি
এগুলো কিছু মানুষের অন্ত্রে বেশি গ্যাস তৈরি করতে পারে।
🍬 অতিরিক্ত মিষ্টি ও কিছু Sugar-free খাবার
কিছু কৃত্রিম মিষ্টিকারক পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা বাড়াতে পারে।
💡 মনে রাখবেন
সব খাবার সবার জন্য সমান নয়।
কোন খাবার খেলে আপনার সমস্যা বাড়ছে, তা খেয়াল করুন এবং প্রয়োজনে Food Diary করে নিজের Trigger Food শনাক্ত করুন।
🚨 কখন শুধু “গ্যাস” ভেবে বসে থাকবেন না?
ওজন কমে যাওয়া, বারবার বমি, খাবার গিলতে সমস্যা, পায়খানায় রক্ত/কালো পায়খানা অথবা তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
👉 বারবার গ্যাস হলে শুধু ওষুধ না খেয়ে কারণটাও খুঁজে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
👉 মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও নিউরো রোগে অভিজ্ঞ
👨‍⚕️ Dr. Zabir Al-Hasan
MBBS | PGT (Medicine) | CMU (Ultra) | CCD (BIRDEM)
Medical Officer, Khulna City Medical College Hospital
📍 চেম্বার: দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, খুলনা
🕕 রোগী দেখার সময়: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা
📅 রোগী দেখার দিন: শনিবার – বৃহস্পতিবার
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01913-235345
💝 আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে।

Address

দৌলতপুর আল-শিফা হাসপাতাল
Khulna

Opening Hours

Monday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00
Friday 10:00 - 11:00
Saturday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 12:00
18:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Zabir Al Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category