Dr Kazi Musharrat

Dr Kazi Musharrat Hi I Am Doctor Kazi Musharrat. I Am Experienced in Medicine. Gynae And Obstetrics. This Page is For Informational Purposes Only.

It is Not Intended To Be a Substitute for Professional Medical Advice, Diagnosis and Treatment.

একজন চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে আমার কিছু কথাবর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেশ কিছু উদ্যোগ ও কাজ আমার ভালো লাগছে...
23/08/2026

একজন চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে আমার কিছু কথা

বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেশ কিছু উদ্যোগ ও কাজ আমার ভালো লাগছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি তাঁর কাজকে সমর্থন করি এবং আশা করি, স্বাস্থ্যখাতকে আরও কার্যকর, মানবিক ও জনবান্ধব করার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা আরও শক্তিশালী হবে।

তবে আজ আমি প্রশংসার পাশাপাশি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।

আমি চাই বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল এমন একটি জায়গা হোক, যেখানে একজন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা নিতে গিয়ে অস্বস্তি, ভয় কিংবা হতাশা নিয়ে ফিরবেন না।

একই সঙ্গে আমি চাই, সেই হাসপাতালেই কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরাও যেন নিরাপদ, সম্মানজনক এবং সুন্দর কর্মপরিবেশ পান।

কারণ একজন রোগীর জন্য যেমন একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মানবিক হাসপাতাল প্রয়োজন, তেমনি একজন চিকিৎসকের জন্যও প্রয়োজন নিরাপদ কর্মস্থল।

রোগী কেন সরকারি হাসপাতালে গিয়ে হতাশ হবেন?

আমাদের দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর সংখ্যা হাসপাতালের ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে দেখা যায়—

• অতিরিক্ত ভিড়
• অপর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা
• অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ
• দীর্ঘ অপেক্ষার সময়
• পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনার অভাব
• রোগী ও স্বজনদের অসচেতনতা
• হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা
• চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি
• দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ
• জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত চাপ
• পর্যাপ্ত জনবল ও অবকাঠামোর সংকট

এসব কারণে একজন সাধারণ মানুষ অনেক সময় মনে করেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তাঁকে অনেক ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

অথচ সরকারি হাসপাতালই হওয়া উচিত দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান জায়গা।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে মানুষ অনেক সময় বেশি টাকা খরচ করেও অপেক্ষাকৃত সুন্দর পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, গাইডলাইন ও ব্যবস্থাপনার সুবিধা পান। তাহলে সরকারি হাসপাতাল কেন এমন হবে না?

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বিনামূল্যে বা কম খরচে পাওয়া যায় বলেই সেখানে পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও রোগীর অভিজ্ঞতা খারাপ হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

এবার আসি চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ে

একজন সরকারি চিকিৎসক প্রতিদিন অসংখ্য রোগী দেখেন। সীমিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। অনেক সময় রোগীর অবস্থা অত্যন্ত জটিল থাকে। সব চিকিৎসা প্রচেষ্টার পরও প্রত্যেক রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে চিকিৎসার ফলাফল প্রত্যাশিত না হলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, হুমকি, গালাগালি কিংবা কর্মস্থলে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে।

এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত নয়।

একজন চিকিৎসক যদি রোগী দেখতে গিয়ে মনে করেন,

“ভুল হলে আমার ওপর হামলা হতে পারে।”

“রোগীর স্বজন রেগে গেলে আমাকে হুমকি দিতে পারে।”

“চিকিৎসা করতে গিয়ে আইনি বা শারীরিক নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারি।”

তাহলে সেই চিকিৎসকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি হবেই।

আর একজন ভয় পাওয়া চিকিৎসক কীভাবে সর্বোচ্চ আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগ নিয়ে চিকিৎসা করবেন?

আমি মনে করি, এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি।

রোগীর অধিকার যেমন আছে, চিকিৎসকেরও নিরাপদ কর্মপরিবেশ পাওয়ার অধিকার আছে।

রোগীকে সম্মান করতে হবে। চিকিৎসককেও সম্মান করতে হবে।

রোগীর অভিযোগ থাকলে অভিযোগ জানানোর কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা থাকতে হবে। চিকিৎসায় ভুল বা অবহেলার অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। কিন্তু কোনো অভিযোগের বিচার কখনোই হাসপাতালের ভেতরে হামলা, হুমকি বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মাধ্যমে হতে পারে না।

সরকারি চিকিৎসকরাও এই দেশেরই সন্তান

BCS ক্যাডারের অন্যান্য কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকে।

BCS চিকিৎসকরাও একই রাষ্ট্রের কর্মকর্তা এবং তাঁরা প্রতিদিন মানুষের জীবন রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁদেরও এমন একটি কর্মপরিবেশ প্রয়োজন যেখানে তাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে এবং ভয়মুক্তভাবে।

আমি চাই না চিকিৎসক ও রোগীকে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা হোক।

বরং আমি চাই—

রোগী নিরাপদ থাকুক।
চিকিৎসক নিরাপদ থাকুক।
নার্স নিরাপদ থাকুক।
হাসপাতালের প্রতিটি কর্মী নিরাপদ থাকুক।

আমি মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি বিষয় বিবেচনার অনুরোধ করছি

১. সরকারি হাসপাতালকে শুধু চিকিৎসার জায়গা নয়, একটি সম্পূর্ণ Patient-Friendly Environment হিসেবে গড়ে তোলা হোক।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত বসার জায়গা, টয়লেট, পানির ব্যবস্থা, তথ্যকেন্দ্র, রোগী নির্দেশনা, অপেক্ষার ব্যবস্থাপনা এবং অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন।

২. প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে রোগীর নিরাপত্তার পাশাপাশি Healthcare Worker Safety নিশ্চিত করা হোক।

হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, CCTV, জরুরি নিরাপত্তা response এবং প্রয়োজনে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তার ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

৩. চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলার বিষয়ে Zero Tolerance নীতি বাস্তবায়ন করা হোক।

অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে, বিচার হবে। কিন্তু হাসপাতালে হামলা বা হুমকিকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত নয়।

৪. রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি কমাতে Hospital Communication System উন্নত করা হোক।

কেন রোগী অপেক্ষা করছেন, কেন পরীক্ষা লাগছে, কেন রেফার করা হচ্ছে, চিকিৎসার ঝুঁকি কী, চিকিৎসার ফলাফল কী হতে পারে, এসব বিষয়ে রোগী ও স্বজনদের বোঝানোর জন্য প্রশিক্ষিত জনবল থাকা প্রয়োজন।

৫. সরকারি হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত Quality Audit ও Patient Experience Assessment চালু করা যেতে পারে।

শুধু হাসপাতাল ভবন, যন্ত্রপাতি বা ডাক্তার সংখ্যা দিয়ে একটি হাসপাতালের মান বিচার করা উচিত নয়।

রোগী হাসপাতাল থেকে কী অভিজ্ঞতা নিয়ে বের হচ্ছেন, চিকিৎসক কী ধরনের কর্মপরিবেশ পাচ্ছেন, নার্সরা কতটা নিরাপদ, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কেমন, অভিযোগের সমাধান কত দ্রুত হচ্ছে, এসবও নিয়মিত মূল্যায়ন করা দরকার।

৬. চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

কারণ একজন চিকিৎসক ভালো পরিবেশে কাজ করলে তার মনোযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রোগীর সঙ্গে যোগাযোগও ভালো হবে।

আমি আসলে কী চাই?

আমি চাই না সরকারি হাসপাতালগুলো বেসরকারি হাসপাতালের মতো বিলাসবহুল হোক।

আমি চাই সরকারি হাসপাতালগুলো পরিষ্কার, সুশৃঙ্খল, মানবিক, নিরাপদ এবং রোগীবান্ধব হোক।

আমি চাই একজন দরিদ্র মানুষ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে যেন মনে করেন,

“আমি গরিব বলে আমার চিকিৎসা বা সম্মান কম নয়।”

আবার একজন চিকিৎসক যেন হাসপাতালে ঢুকে মনে করেন,

“আমি নিরাপদ। আমি ভয় ছাড়া আমার দায়িত্ব পালন করতে পারব।”

আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পক্ষ হলো রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মী।

এক পক্ষকে নিরাপদ রেখে অন্য পক্ষকে অনিরাপদ রেখে একটি ভালো স্বাস্থ্যব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব নয়।

তাই মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার বিনীত অনুরোধ—

সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেও জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করুন।

আজ যদি আমরা হাসপাতালের পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা, রোগীর অধিকার এবং চিকিৎসকের নিরাপত্তা একসঙ্গে নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে সরকারি হাসপাতালের প্রতি মানুষের আস্থা অনেকটাই ফিরে আসবে।

আমি বিশ্বাস করি, একজন রোগী যেন সরকারি হাসপাতালে গিয়ে নাক না সিঁটকান এবং একজন চিকিৎসক যেন সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভয় না পান।

আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা চাই, যেখানে রোগী চিকিৎসা পাবেন সম্মানের সঙ্গে এবং চিকিৎসক চিকিৎসা দেবেন নিরাপত্তার সঙ্গে।

মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আমার আন্তরিক সমর্থন ও শুভকামনা রইল।

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন শুধু হাসপাতাল নির্মাণ বা নতুন যন্ত্রপাতি কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
স্বাস্থ্যখাতের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হবে, যখন হাসপাতালের ভেতরের মানুষ এবং হাসপাতালের সেবা নিতে আসা মানুষ, দুজনই নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বস্তিতে থাকবেন।

#সরকারি_হাসপাতাল #চিকিৎসক_নিরাপত্তা

🎀 ব্রেস্ট ক্যান্সার: একটি চাকা, একটি ভয় এবং সময়মতো সিদ্ধান্তের গল্প ।একজন নারী যখন নিজের স্তনে একটি চাকা অনুভব করেন, তখন...
15/08/2026

🎀 ব্রেস্ট ক্যান্সার: একটি চাকা, একটি ভয় এবং সময়মতো সিদ্ধান্তের গল্প ।

একজন নারী যখন নিজের স্তনে একটি চাকা অনুভব করেন, তখন প্রথম যে প্রশ্নটি তাঁর মনে আসে—

“আমার কি ক্যানসার হয়েছে?”

এই একটি প্রশ্নের সঙ্গে অনেক সময় ভয়, লজ্জা, অস্বস্তি এবং অনিশ্চয়তা জড়িয়ে যায়।

কেউ বিষয়টি পরিবারের কাছেও বলতে চান না।
কেউ ভাবেন, “ব্যথা তো নেই, হয়তো কিছু না।”
কেউ আবার মনে করেন, “আরেকটু দেখি, নিজে থেকেই ভালো হয়ে যাবে।”

কিন্তু একজন চিকিৎসকের দৃষ্টিতে এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো—

❤️ ভয় নয়, সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত।

একজন Medical Officer হিসেবে আমাদের গ্রাম ব্রেস্ট ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (AGCRC)-এ কাজ করার অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, breast cancer-এর ক্ষেত্রে রোগের পাশাপাশি রোগীকে ঘিরে থাকা ভয়, stigma এবং ভুল ধারণাও চিকিৎসার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

---

🔎 কেন বিষয়টি এত গুরুত্বপূর্ণ?

ব্রেস্ট ক্যান্সার বর্তমানে বাংলাদেশের নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

তবে breast cancer নিয়ে কথা বলার সময় শুধু—

“কতজন আক্রান্ত হচ্ছেন?”

এই প্রশ্নটি যথেষ্ট নয়।

আমাদের আরও একটি প্রশ্ন করতে হবে—

“কতজন নারী সময়মতো রোগটি শনাক্ত করতে পারছেন?”

কারণ breast cancer-এর ক্ষেত্রে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসার সুযোগ ও outcome অনেক ভালো হতে পারে। কিন্তু রোগ শনাক্ত হতে দেরি হলে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং রোগীর ওপর শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক চাপও বাড়তে পারে।

---

🤔 নারীরা দেরি করেন কেন?

এর একটি মাত্র উত্তর নেই।

একজন নারী হয়তো জানেন না, কোন পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আরেকজন জানেন, কিন্তু ভয় পান।

কেউ লজ্জার কারণে চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না।

কেউ ভাবেন, “পরিবারের অন্য কাজ শেষ করে তারপর যাব।”

আবার কারও জন্য চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানো, পরীক্ষা করানো কিংবা চিকিৎসার খরচ বহন করাই বড় বাধা।

বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সমস্যাগুলো আরও জটিল হতে পারে—

• স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যের সীমিত প্রাপ্যতা
• যাতায়াতের সমস্যা
• আর্থিক সীমাবদ্ধতা
• Diagnostic facility-এর দূরত্ব
• Specialist care-এর সীমিত সুযোগ

সব মিলিয়ে একটি ছোট delay কখনো কখনো বড় delay-এ পরিণত হতে পারে।

---

⚠️ একটি ভুল ধারণা আমাদের বদলাতে হবে

অনেকেই মনে করেন—

“স্তনে চাকা মানেই ক্যানসার।”

এটি যেমন ভুল, তেমনি—

“চাকা ব্যথা করছে না, তাই ক্যানসার নয়।”

অথবা,

“চাকা নড়াচড়া করছে, তাই চিন্তার কিছু নেই।”

এ ধরনের ধারণাও নিরাপদ নয়।

স্তনে চাকা হওয়ার অনেক benign কারণ থাকতে পারে। আবার breast cancer-এর presentation-ও সব রোগীর ক্ষেত্রে একরকম হয় না।

তাই নতুন কোনো পরিবর্তন হলে নিজে নিজে diagnosis না করে clinical evaluation করানোই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

---

🩺 Screening আর Early Detection এক নয়

এখানে আরেকটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Breast cancer সম্পর্কে কথা বলার সময় আমরা প্রায়ই “screening” শব্দটি ব্যবহার করি। কিন্তু screening সবার জন্য একই বয়সে বা একই পদ্ধতিতে করা হবে, এমন নয়।

একজন নারীর বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ব্যক্তিগত risk এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক screening-এর প্রয়োজন ও পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।

অন্যদিকে, কোনো নারী যদি ইতোমধ্যে স্তনে নতুন চাকা, ni**le discharge বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, তখন সেটিকে শুধু “screening” হিসেবে না দেখে diagnostic evaluation-এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করতে হবে।

এই পার্থক্যটি সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

---

🌸 তাহলে আমাদের কী করতে হবে?

আমার মনে হয়, breast cancer awareness-এর ভাষাটাও আমাদের একটু পরিবর্তন করা দরকার।

শুধু—

“ক্যানসার থেকে সাবধান”

বললে হবে না।

আমাদের বলতে হবে—

“আপনার শরীরে পরিবর্তন হলে পরিবর্তনটি চিনুন। ভয় না পেয়ে কথা বলুন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের কাছে যান।”

পরিবারের সদস্যদেরও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

একজন নারী যেন নিজের শরীরের কোনো পরিবর্তন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লজ্জা বা বিচারবোধের মুখোমুখি না হন, এমন একটি supportive environment তৈরি করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে community level-এ এমন referral system দরকার, যাতে কোনো নারী প্রথমবার স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে যাওয়ার পর সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় diagnostic service-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।

---

🌾 গ্রামীণ নারীদের জন্য কাজটি আরও গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের কাছে breast health-এর সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া শুধু awareness campaign-এর বিষয় নয়।

এটি একটি health-system challenge।

আমাদের ভাবতে হবে—

কীভাবে সহজ ভাষায় স্বাস্থ্যশিক্ষা দেওয়া যায়?

কীভাবে stigma কমানো যায়?

কীভাবে সন্দেহজনক রোগীকে দ্রুত referral করা যায়?

কীভাবে diagnostic service আরও accessible করা যায়?

এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

কীভাবে একজন নারীকে প্রথম অস্বাভাবিকতা অনুভব করা থেকে শুরু করে definitive diagnosis ও treatment পর্যন্ত নিরাপদভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে community engagement এবং research, দুটিই প্রয়োজন।

💗 আমাদের গ্রাম ব্রেস্ট ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে কাজের অভিজ্ঞতা আমাকে একটি বিষয় শিখিয়েছে

Breast cancer care শুধু একটি হাসপাতাল বা একজন চিকিৎসকের দায়িত্ব নয়।

এটি একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা—

👩 নারী নিজে সচেতন হবেন
👨‍👩‍👧 পরিবার পাশে থাকবে
🌾 Community স্বাস্থ্যকর্মীরা সঠিক তথ্য দেবেন
🩺 চিকিৎসক প্রয়োজনীয় evaluation করবেন
🔬 Diagnostic service সময়মতো পাওয়া যাবে
🏥 Referral ও treatment pathway কার্যকর থাকবে

এই পুরো ব্যবস্থার যেকোনো একটি জায়গায় বড় delay তৈরি হলে তার প্রভাব রোগীর ওপর পড়তে পারে।

---

🎀 শেষ পর্যন্ত বিষয়টি একটি চাকার চেয়েও বড়

স্তনে একটি চাকা হয়তো ছোট একটি শারীরিক পরিবর্তন।

কিন্তু সেই চাকার পর একজন নারী কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই অনেক সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ভয় পেয়ে লুকিয়ে রাখবেন?

নাকি পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন?

অবহেলা করবেন?

নাকি চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

সময় নষ্ট করবেন?

নাকি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাবেন?

আমাদের কাজ হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে একজন নারী ভয় নয়, তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ব্রেস্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই তাই শুধু ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই নয়।

এটি—

ভুল ধারণার বিরুদ্ধে লড়াই।
Stigma-এর বিরুদ্ধে লড়াই।
Diagnostic delay-এর বিরুদ্ধে লড়াই।
এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার লড়াই।

🌷 সচেতনতা তখনই সফল, যখন তা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তে পরিণত হয়।

Dr Kazi Musharrat
Medical Officer
Amader Gram Cancer Care & Research Center.

স্তনে চাকা হলে কী করবেন? সব চাকা কি ক্যানসার?স্তনে নতুন করে কোনো চাকা বা গুটি অনুভূত হলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা হতে প...
13/08/2026

স্তনে চাকা হলে কী করবেন? সব চাকা কি ক্যানসার?

স্তনে নতুন করে কোনো চাকা বা গুটি অনুভূত হলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা হতে পারে। অনেকের প্রথম চিন্তা হয়—“এটা কি ব্রেস্ট ক্যানসার?”

আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, স্তনে চাকা হওয়া মানেই ক্যানসার নয়। স্তনে বিভিন্ন কারণে চাকা হতে পারে এবং এর অনেকগুলোই সম্পূর্ণ নিরীহ বা চিকিৎসাযোগ্য।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নিজে থেকে চাকা নিরীহ নাকি ক্যানসার, তা নিশ্চিত করা যায় না। নতুন কোনো চাকা অনুভূত হলে বয়স, মাসিকের সঙ্গে সম্পর্ক, চাকার ধরন এবং অন্যান্য লক্ষণ বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

স্তনে চাকা হওয়ার সাধারণ কারণ

১. ফাইব্রোসিস্টিক পরিবর্তন

এটি স্তনের একটি সাধারণ পরিবর্তন, বিশেষ করে প্রজননক্ষম বয়সে। মাসিকের আগে স্তন ভারী লাগা, ফুলে যাওয়া, ব্যথা বা একাধিক ছোট ছোট গুটি অনুভূত হতে পারে। অনেক সময় মাসিক শুরু হওয়ার পর এসব উপসর্গ কমে যায়।

তবে প্রতিবার মাসিকের সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে বলেই কোনো চাকা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। নতুন বা স্থায়ী চাকা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

২. ফাইব্রোএডেনোমা

তরুণ নারীদের মধ্যে এটি খুবই পরিচিত একটি benign বা ক্যানসার নয় এমন স্তনের গুটি।

সাধারণত এটি:

* শক্ত বা রাবারের মতো অনুভূত হতে পারে
* গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির হতে পারে
* আঙুলের চাপে কিছুটা নড়তে পারে
* অনেক সময় ব্যথাহীন হয়

এ কারণেই একে কখনো কখনো “breast mouse” বলা হয়।

অনেক ফাইব্রোএডেনোমা শুধু পর্যবেক্ষণেই রাখা যায়। তবে চাকা দ্রুত বড় হলে, আকার বড় হলে, পরীক্ষায় সন্দেহজনক বৈশিষ্ট্য থাকলে বা রোগীর বিশেষ উপসর্গ থাকলে অতিরিক্ত পরীক্ষা বা অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে।

৩. ব্রেস্ট সিস্ট

সিস্ট হলো সাধারণত তরলভর্তি একটি থলি। বিশেষ করে ৩০–৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এটি দেখা যেতে পারে।

সিস্ট:

* গোলাকার বা মসৃণ হতে পারে
* কখনো নরম, কখনো শক্ত মনে হতে পারে
* মাসিকের আগে বড় বা ব্যথাযুক্ত হতে পারে

আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে সিস্ট ও solid lump-এর মধ্যে পার্থক্য করতে সাহায্য পাওয়া যায়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক সূচের মাধ্যমে তরল বের করতে পারেন।

৪. স্তনে ইনফেকশন বা ব্রেস্ট অ্যাবসেস

বিশেষ করে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের মধ্যে mastitis বা breast infection হতে পারে। এর সঙ্গে দেখা দিতে পারে:

* তীব্র ব্যথা
* স্তন লাল ও গরম হয়ে যাওয়া
* ফুলে যাওয়া
* জ্বর
* কখনো পুঁজ জমে যাওয়া

পুঁজ জমে abscess হলে শুধু অ্যান্টিবায়োটিক সবসময় যথেষ্ট নাও হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে drainage বা পুঁজ বের করার ব্যবস্থা করতে হয়।

স্তনে ব্যথাযুক্ত চাকা ও জ্বর থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫. ফ্যাট নেক্রোসিস

স্তনে আঘাত, অপারেশন বা অন্য কোনো কারণে fatty tissue ক্ষতিগ্রস্ত হলে fat necrosis হতে পারে। এতে শক্ত চাকার মতো অনুভূত হতে পারে।

এটি ক্যানসার নয়, কিন্তু পরীক্ষায় কখনো কখনো ক্যানসারের মতো মনে হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে imaging এবং biopsy করে নিশ্চিত করা হয়।

৬. লাইপোমা

লাইপোমা হলো চর্বিযুক্ত টিস্যুর benign growth। সাধারণত নরম এবং কিছুটা নড়াচড়া করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর নয়। তবে দ্রুত বড় হওয়া বা অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য থাকলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।



তাহলে কোন ধরনের চাকা নিয়ে বেশি সতর্ক হতে হবে?

শুধু চাকা শক্ত না নরম, ব্যথা আছে কি নেই বা নড়ে কি না—এসব দেখে ক্যানসার নিশ্চিত বা বাদ দেওয়া যায় না।

তবে নিচের পরিবর্তনগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত:

* নতুন কোনো চাকা, যা কয়েক সপ্তাহ ধরে থেকে যাচ্ছে
* চাকা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে
* খুব শক্ত বা অনিয়মিত চাকা
* চাকা আশপাশের টিস্যুর সঙ্গে আটকে আছে বলে মনে হওয়া
* বগলে নতুন গুটি বা lymph node অনুভূত হওয়া
* নিপল ভেতরের দিকে নতুন করে ঢুকে যাওয়া
* নিপল থেকে অস্বাভাবিক স্রাব, বিশেষ করে রক্তাক্ত স্রাব
* স্তনের চামড়ায় কুঁচকে যাওয়া বা টান পড়া
* কমলার খোসার মতো skin change বা peau d’orange
* স্তনের আকার বা আকৃতিতে নতুন পরিবর্তন
* কোনো একটি অংশের persistent swelling বা redness

গুরুত্বপূর্ণ: ব্রেস্ট ক্যানসার সবসময় ব্যথাহীন হয় এবং সব ক্যানসারের চাকা শক্ত বা নড়াচড়া-অযোগ্য হবে—এমন নয়। তাই শুধু “ব্যথা নেই” বা “চাকা নড়ে” বলে নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয়।



কখন অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন যদি—

১. নতুন কোনো চাকা অনুভূত হয় এবং সেটি থেকে যায়।

মাসিকের আগে স্তনে পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু মাসিক শেষ হওয়ার পরও কোনো নতুন চাকা থেকে গেলে সেটি পরীক্ষা করানো উচিত।

২. চাকা দ্রুত বড় হতে থাকে।

৩. নিপল থেকে রক্তাক্ত বা অস্বাভাবিক স্রাব হয়।

৪. নিপল নতুন করে ভেতরের দিকে ঢুকে যায়।

৫. স্তনের চামড়ায় কুঁচকে যাওয়া, টান পড়া বা কমলার খোসার মতো পরিবর্তন দেখা যায়।

৬. বগলে নতুন গুটি অনুভূত হয়।

৭. স্তন লাল, গরম, অত্যন্ত ব্যথাযুক্ত এবং সঙ্গে জ্বর থাকে।

৮. আপনার পরিবারে অল্প বয়সে breast cancer-এর ইতিহাস থাকে বা BRCA-এর মতো বংশগত ঝুঁকি সম্পর্কে জানা থাকে।



চাকা হলে কী কী পরীক্ষা লাগতে পারে?

সব রোগীর একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক আপনার বয়স, উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং চাকার বৈশিষ্ট্য দেখে পরীক্ষা নির্বাচন করবেন।

সম্ভাব্য পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে:

Breast ultrasound

বিশেষ করে তরুণ নারীদের ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। চাকা solid নাকি fluid-filled—তা বুঝতে সাহায্য করে।

Mammography

বিশেষ করে নির্দিষ্ট বয়সের পর বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী mammogram করা হতে পারে। তবে বয়স ও পরিস্থিতি অনুযায়ী কখন mammogram প্রয়োজন হবে তা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

Core needle biopsy

চাকাটি সন্দেহজনক হলে টিস্যুর নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হতে পারে। ক্যানসার নিশ্চিত করার জন্য biopsy অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

প্রয়োজনে আরও কিছু imaging বা পরীক্ষা লাগতে পারে।



একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা

“চাকা হলে ম্যাসাজ করলে বা চেপে ধরলে চলে যাবে”—এটি নিরাপদ ধারণা নয়।

বারবার চেপে দেখা, ম্যাসাজ করা বা নিজের মতো করে কোনো ওষুধ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

আবার, “ব্যথা করছে, তাই ক্যানসার নয়”—এটিও ভুল ধারণা। কিছু benign রোগে বেশি ব্যথা হয়, আবার কিছু breast cancer-ও ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।



ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে কী করবেন?

সব breast cancer প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

* স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন
* নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন
* অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
* ধূমপান এড়িয়ে চলুন
* সম্ভব হলে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান
* বয়স ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি অনুযায়ী breast cancer screening সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
* পরিবারে breast cancer বা ovarian cancer-এর ইতিহাস থাকলে চিকিৎসককে জানান

হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলকে “৩–৫ বছরের বেশি খেলেই ক্যানসার হবে” এমন সরল নিয়ম নেই। এর ঝুঁকি ও উপকার ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই নিজের মতো করে পিল বন্ধ বা শুরু না করে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।



সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

স্তনে চাকা মানেই ক্যানসার নয়। আবার প্রতিটি চাকা ক্যানসার নয় বলে অবহেলাও করা যাবে না।

একটি নতুন চাকা অনুভূত হলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের মাধ্যমে সঠিক মূল্যায়ন করানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে যদি চাকা স্থায়ী হয়, বড় হতে থাকে, বগলে গুটি থাকে, নিপল বা ত্বকে প রিবর্তন হয় কিংবা অস্বাভাবিক স্রাব দেখা দেয়—তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হলে breast cancer-এর চিকিৎসার ফল অনেক ভালো হতে পারে। তাই ভয় নয়—সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Dr Kazi Musharrat
Medical Officer
Amader Gram Breast Cancer & Research Centre

Good Night 💤🌄💤
12/08/2026

Good Night 💤🌄💤

20/06/2026

ডেঙ্গুর এই ৫টি লক্ষণ দেখলে দেরি করবেন না! জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে

18/06/2026

হুট হাট গ্যাস্ট্রিকের ঔষুধ খেলে কতটা বিপদজনক?

03/06/2026

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার বা প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারকে অন্যতম কঠিন এবং মারাত্মক রোগ হিসেবে গণ্য করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা এই ক্যান্সারের মূল কারণকে নিষ্ক্রিয় করার উপায় খুঁজছিলেন। অবশেষে ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোতে ড্যারাক্সোনারাসিব (Daraxonarasib) নামক একটি ওষুধ অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে!
​🎯 এটি কীভাবে কাজ করে? (The Science Behind It)
​আমাদের শরীরের ক্যান্সারের কোষগুলো বৃদ্ধির পেছনে RAS বা KRAS নামের একটি জিনের মিউটেশন বা ত্রুটি দায়ী থাকে। প্রায় ৯০% প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে এই ত্রুটি দেখা যায়। এতদিন ধরে ডাক্তাররা এই জিনটিকে ড্রাগ দিয়ে থামানো অসম্ভব বা "Undruggable" মনে করতেন।
​ড্যারাক্সোনারাসিব হলো একটি RAS(ON) inhibitor। এটি কোনো সাধারণ কেমোথেরাপি নয়; এটি একটি টার্গেটেড থেরাপি। এটি সরাসরি ক্যান্সারের সেই সক্রিয় জিনের পকেটে গিয়ে আটকে যায় এবং এর ক্ষতিকর সিগন্যাল বা সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দেয়। সহজ কথায়—ক্যান্সার কোষগুলোর বাড়বাড়ন্তের "অ্যাক্সিলারেটর" চেপে ধরে সেগুলোকে স্তব্ধ করে দেয়।
​📊 ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চমকপ্রদ ফলাফল
​সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া থার্ড ফেজ (Phase 3) ট্রায়ালে দেখা গেছে:
​সাধারণ কেমোথেরাপির তুলনায় এই ওষুধটি রোগীদের বেঁচে থাকার সময়কে দ্বিগুণ করতে সাহায্য করেছে।
​কেমোথেরাপিতে যেখানে রোগীদের গড় বেঁচে থাকার সময় ছিল ৬.৭ মাস, সেখানে ড্যারাক্সোনারাসিব ব্যবহারে তা বেড়ে ১৩.২ মাস হয়েছে!
​এটি মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৬০% কমিয়ে এনেছে।

Dr Kazi Musharrat

27/05/2026

Address

Amader Gram Cancer Care & Research Center
Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Kazi Musharrat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Kazi Musharrat:

Shortcuts

Share