Tabassum Tanha

Tabassum Tanha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tabassum Tanha, Doctor, Kishoreganj.

প্রতিটি মা ও মেয়ে সুস্থ থাকুক – এটুকুই চাওয়া
প্রজনন স্বাস্থ্য, পিরিয়ড, প্রেগন্যান্সি – কথা বলুন নির্ভয়ে
আমি আপনাদের পাশে আছি সবসময় |

তাবাসসুম তানহা
MBBS Student | Future Gynecologist

28/06/2026

একটা খুব সুন্দরী রোগী এসেছে আজ । এটা আর নতুন কি .. তাইনা ? কিন্তু আজকের মেয়েটাকে আলাদা করে খেয়াল করার কারণ হলো - মেয়েটার সাথে এটেনডেন্ট এসেছে ৯ জন। জি ঠিকই শুনেছেন ।

৯ জনই এসেছেন । কেউ হাত ধরে আছে, কেউবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে , কেউবা আবার ডাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । বিশাল ভিআইপি অবস্থা !
দরজার ভেতরে থেকে দেখতে ভালোই লাগছিলো আমার ।
যখন আমার রুমে ঢুকবে ৯ জন সহই আসতে চেয়েছিল। কিন্তু এতগুলো মানুষের ধারণ ক্ষমতা আমার রুমটার নেই । নার্স বহুকষ্টে নিবৃত্ত করলেও রোগীর সাথে রোগীর স্বামী , মা এবং শাশুড়ি ঢুকলেনই !

বোঝাই যাচ্ছে ভীষণ আদরের মেয়েটি । কী এমন হলো যে সবাই এমন উতলা হয়ে গেল । ভাবলাম প্রেগন্যান্ট হবে হয়তো । এজন্য হয়তো খাতির যত্ন !

কিন্তু না …!

হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম - মেয়েটার বিয়ে হয়েছে মাত্র ১৫ দিন আগে ।
স্বামীর উতলা হওয়ার কারণ পরিষ্কার হলো ! নতুন বিয়ে করার পর স্বামীরা বৌ এর প্রতি যে পরিমাণ ভালোবাসায় গদগদ থাকে বিয়ের তিন বছর পরে সেই ভালোবাসা ফুরুৎ হয়ে যায় ।
যাউগ্গা সেগুলো ভিন্ন কথা ! ওদিকে না যাই ।

১৫ দিন আগে বিয়ে যেহেতু প্রেগন্যান্সির কিছু নাই । তাহলে সমস্যা কি?

মেয়েটা দিব্যি হাসি হাসি মুখে বসে আছে । কোন সমস্যা থাকলে চেহারার অভিব্যক্তিতে কিছুটা হলেও বোঝা যেত । যদিও সুন্দরী মেয়েদের সবকিছুতেই সুন্দর লাগে !

সমস্যা জানা গেল - মেয়েটার প্রস্রাবের সাথে রক্ত যায় । প্রস্রাব রক্তের মতো লাল দুদিন থেকে ।

সঙ্গে সঙ্গে মাথায় এলো - নতুন বিয়ে , প্রস্রাবের সাথে রক্ত , প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর , তলপেটে ব্যথা….. এগুলো হানিমুন সিসটাইটিসের লক্ষণ । নতুন বিবাহিত নারীর বিয়ের পর প্রস্রাবে ইনফেকশন খুব কমন । যেটাকে হানিমুন সিসটাইটিস বলা হয়।

কিন্তু জ্বর , ব‍্যথা কিংবা জ্বালাপোড়া কোন কিছুই নেই । রোগী দিব‍্যি সুস্থ । শুধু প্রস্রাবের সাথে প্রচুর রক্ত যায় , প্রস্রাব একদম লাল ।
পানি , ডাব , স‍্যালাইন খেয়ে খেয়ে আধমরা অবস্থা । কিন্তু প্রসাব লালই !

পরিবারের সবাই প্যানিক হয়ে চলে এসেছেন ডাক্তারের কাছে। প‍্যানিক হওয়া স্বাভাবিক !

স্বামী কাঁদো কাঁদো চেহারায় বলল- ম‍্যাডাম , টেস্ট আরো যা যা লাগে দেন । সমস্যা ধরা পড়ুক । ওর কিডনির কোন সমস্যা হলো না তো?
বৌ এর জন্য স্বামীদের উতলা মুখ দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে । ওদিকে মা এবং শাশুড়িও খুব উদ্বিগ্ন !

প্রস্রাব পরীক্ষা এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে দিব ভাবতেই দেখি শাশুড়ি ব্যাগ থেকে এই দুইটা রিপোর্ট বের করলেন । উনারা নিজ দায়িত্বেই পরীক্ষাগুলো করিয়ে এনেছেন ।

রিপোর্ট দেখলাম - দুটোই ভালো । প্রস্রাবের রিপোর্টে কোন ইনফেকশন নেই এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নরমাল।

বুঝলাম রোগী .. রোগী না । মানে ভালো আছে । সমস‍্যা অন‍্য কোন জায়গায় !

জানতে চাইলাম - গত চারদিনের খাবার হিস্ট্রি।
দুনিয়ার সব খাবারের কথা বললো কিন্তু আমি যা জানতে চাইলাম সেটা বললো না ।

আমিই প্রশ্ন করলাম - রোগী কি ড্রাগন ফ্রুট খাচ্ছে ?
রোগীর স্বামী হাসিমুখে বলল- জি ম‍্যাডাম । আমার বন্ধুর ড্রাগন ফলের বাগান আছে । ও দিয়ে গেছে অনেক ।
বৌয়ের দিকে প্রেম নিয়ে তাকিয়ে বলল - ও আগে কখনো ড্রাগন খায়নি । এবারই প্রথম খেয়ে ওর ভীষণ পছন্দ হয়েছে। বন্ধুকে বলে দিছি - প্রতিদিন ৫ কেজি করে দিয়ে যায় । ওই খায় …!

আমি হেসে ফেললাম । হাসতে হাসতে বললাম - কিছুই হয় নাই আপনার বৌয়ের ! বাসায় নিয়ে যান ।ড্রাগন খেলে প্রস্রাব লাল হয় ।

সবার মুখে স্বস্তির হাসি ফুটলো ! জামাই লজ্জা লজ্জা মুখে বলল - ওহ হো , এটা তো জানতাম ম‍্যাডাম ! কিভাবে যে ভুলে গেলাম …..

আমি মুখ টিপে হেসে বললাম- আরে ভাই… সমস্যা নাই …. নতুন বিয়ে করলে এমনি হয়……😉

বিঃদ্রঃ পোস্টটি কপি করা।

Tabassum Tanha

একজন ২৮ বছর বয়সী মহিলা আজ আমাদের কাছে এসেছিলেন ডেলিভারি করাতে। সাধারণত আমরা অপ্রয়োজনীয় সিজারের পক্ষে না যতক্ষণ না মা বা ...
25/06/2026

একজন ২৮ বছর বয়সী মহিলা আজ আমাদের কাছে এসেছিলেন ডেলিভারি করাতে। সাধারণত আমরা অপ্রয়োজনীয় সিজারের পক্ষে না যতক্ষণ না মা বা বাচ্চার জটিলতা থাকে। কিন্তু তার গল্পটা শুনে ভিতরটা কেমন যেন হয়ে গেল।

তিনি আগে গিয়েছিলেন দেশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে তাকে এমন সব টেস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর অনেকগুলোরই কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না। একের পর এক পরীক্ষা শেষে হিসাব দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার টাকা। একজন সাধারণ পরিবারের জন্য এই টাকাটা কত বড় বোঝা, সেটা কি তারা বোঝে?

টাকার অঙ্ক শুনে তিনি আর পরীক্ষা করাননি। চুপচাপ চলে এসেছেন আমাদের এখানে একটু মানবিক চিকিৎসার আশায়।

ম্যাম তখন আমাকে বললেন, “দেখছো দেশের অবস্থা? চিকিৎসার নামে কিভাবে মানুষকে লুটে নেওয়া হচ্ছে!” কথাটা শুনে মনে হলো এটা শুধু একটা ঘটনা না, এটা এখন বাস্তবতা।

আজকাল অনেক বেসরকারি হাসপাতাল যেন সেবাকেন্দ্র না, ব্যবসাকেন্দ্র হয়ে গেছে। রোগী নয়, তারা যেন ‘কাস্টমার’। আর এই ‘কাস্টমার’ থেকে যতটা সম্ভব টাকা আদায় করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

আর ঠিক এই কারণেই আদ-দ্বীন হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বারবার চাপে পড়ে। যেখানে স্বল্প খরচে, মানবিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় সেখানে বাধা আসে, লাইসেন্স নিয়ে টানাপোড়েন হয়। অথচ এই প্রতিষ্ঠানগুলোই হাজারো গরিব মানুষের শেষ ভরসা।

শুধু তাই না, এখানে বিদেশি শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা করে—শিখতে আসে কিভাবে মানবিক চিকিৎসা দিতে হয়, কিভাবে রোগীকে ‘মানুষ’ হিসেবে দেখতে হয়। এই শিক্ষা কি শুধু বইয়ে পাওয়া যায়?

প্রশ্নটা খুব সহজ আমরা কেমন স্বাস্থ্যব্যবস্থা চাই?

একটা যেখানে টাকা থাকলেই চিকিৎসা?
নাকি একটা যেখানে মানুষ হিসেবে সম্মান আর প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা পাওয়া যায়?

আজকের সেই মহিলার চোখের ভরসা আর নিরুপায় কষ্ট দুটোই যেন আমাদের কাছে একটা বার্তা রেখে গেছে।

Tabassum Tanha

#স্বাস্থ্যখাতে_দুর্নীতি
#চিকিৎসার_নামে_ব্যবসা
#স্টপ_মেডিকেল_মাফিয়া



#বাংলাদেশের_বাস্তবতা



#মানবিক_চিকিৎসা_চাই
#আদদ্বীন_হাসপাতাল


#সচেতন_হোন




চলেন আজকে আপনাদের সাথে একটা বিষয় শেয়ার করি। অনেক দিন হলো কিছু লিখি না। আজকে একটু গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে লিখতে বসলাম...
03/06/2026

চলেন আজকে আপনাদের সাথে একটা বিষয় শেয়ার করি। অনেক দিন হলো কিছু লিখি না। আজকে একটু গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে লিখতে বসলাম, বিশেষ করে যারা প্রেগন্যান্সির শেষ সময়ে আছেন তাদের জন্য।

অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে যে বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া নাকি ডেলিভারির আগে স্বাভাবিক বিষয়। আসলে মেডিকেল সায়েন্স অনুযায়ী এটা পুরোপুরি সঠিক না। গর্ভের শিশুর মুভমেন্ট কমে যাওয়া অনেক সময় ফিটাল ডিস্ট্রেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

স্বাভাবিকভাবে একটি সুস্থ বেবি দিনের নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত নড়াচড়া করে। যদি মা লক্ষ্য করেন যে আগের তুলনায় মুভমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে, তাহলে এটাকে অবহেলা করা উচিত না। ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন অনুযায়ী, ফিটাল মুভমেন্ট কমে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মেডিকেল অ্যাসেসমেন্ট প্রয়োজন।

আরেকটা ভুল ধারণা হলো, হালকা রক্তপাত বা পানি পড়া নাকি “স্বাভাবিক প্রসবের লক্ষণ”। বাস্তবে, ভ্যাজাইনাল ব্লিডিং বা প্রিম্যাচিউর রাপচার অফ মেমব্রেন অনেক ক্ষেত্রে জটিলতার ইঙ্গিত দেয়, যেমন প্লাসেন্টাল প্রবলেম বা ইনফেকশন রিস্ক। তাই এগুলোকে কখনোই সাধারণভাবে নেওয়া উচিত না।

এছাড়া অনেকেই মনে করেন শরীর ফুলে যাওয়া বা মাথাব্যথা প্রেগন্যান্সিতে স্বাভাবিক। কিন্তু পারসিস্টেন্ট হেডেক, ভিশন ব্লার হওয়া এবং ফেস বা হাত-পা অতিরিক্ত ফুলে যাওয়া প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যা মা ও বেবি উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রেগন্যান্সির শেষ সময়টায় যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিতে হবে। নিজের সিদ্ধান্তে বসে না থেকে দ্রুত একজন কোয়ালিফাইড ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

এই বিষয়গুলো আমরা অনেক সময় হালকা ভাবে নিই, কিন্তু সময়মতো সচেতনতা অনেক বড় ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে পারে।

Tabassum Tanha

02/06/2026

অন্যদের ছুটি শেষ হয় আর আমার হয় শুরু😁😁

11/05/2026

ইনবক্সে প্রায়ই আল্ট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন আসে আপু, আমার ছেলে নাকি মেয়ে?
আমি একটাই উত্তর দেই
এটা জানানো যাবে না, আর জানাও উচিতও না।
কারণ, এখনও আমাদের সমাজে এমন মানুষ আছে যারা নিজের সন্তানের লিঙ্গ পছন্দ না হলে তাকে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মে*রে ফেলে।
একটা সন্তান ছেলে না মেয়ে এটা গুরুত্বপূর্ণ না।
গুরুত্বপূর্ণ হলো সে সুস্থভাবে জন্ম নিক, নিরাপদে বড় হোক।
মানুষ হোন, জানোয়ার না।

তাবাসসুম তানহা

এটা কোনো ট্যাটু না।এটা মৃত্যুর পর মানুষের শরীর...যে শরীর নিয়ে মানুষ অহংকার করে,যে চেহারার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা আয়নার সাম...
11/05/2026

এটা কোনো ট্যাটু না।
এটা মৃত্যুর পর মানুষের শরীর...
যে শরীর নিয়ে মানুষ অহংকার করে,
যে চেহারার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা আয়নার সামনে দাঁড়ায়,
যে সৌন্দর্যের জন্য এত দৌড়ঝাঁপ…
মৃত্যুর কিছুদিন পর সেই শরীরই ধীরে ধীরে পচতে শুরু করে।
ত্বকের রঙ বদলে যায়।
শরীর ফুলে ওঠে।
মাংসপেশি ভেঙে যেতে থাকে।
একসময় এমন অবস্থাও হয়, দেখে চেনাই কঠিন হয়ে যায়।
এটাই দুনিয়ার সত্য।
আজ যে মানুষটা নিজেকে খুব শক্তিশালী ভাবছে,
একদিন তাকেও কয়েক হাত সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে মাটির নিচে রেখে আসা হবে।
আল্লাহ তায়ালা চাইলে মৃত্যুর পর আমাদের শরীর মুহূর্তেই ছাই হয়ে যেতে পারতো।
কিন্তু তিনি এই পরিবর্তনগুলোকে মানুষের জন্য নিদর্শন বানিয়েছেন।
যেন আমরা বুঝি
দুনিয়া স্থায়ী না।
সৌন্দর্য স্থায়ী না।
ক্ষমতা, টাকা, অহংকার… কিছুই স্থায়ী না।
শেষ পর্যন্ত মানুষ ফিরে যায় মাটিতেই।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো,
আমরা প্রতিদিন জানাজা দেখি, কবর দেখি, মৃত্যু দেখি…
তবুও মনে করি, “এখনো অনেক সময় আছে।”
কিন্তু মৃত্যু বয়স দেখে আসে না।
অপেক্ষাও করে না। একটু থামুন।
নিজের জীবনটা নিয়ে ভাবুন।
কারও হক নষ্ট করে থাকলে মাফ চান।
মা-বাবাকে সময় দিন।
নামাজে ফিরে আসুন।
রবের দিকে ফিরে আসুন।
একদিন আমাদের নিথর মর/দেহও বলে দেবে
মানুষ আসলে কত অসহায়।

copy post

11/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ 😊😊

এই জীবন এই মানুষ এসবকিছু কি আসলেই তুচ্ছ?মেডিক্যাল লাইফ এ পদার্পণের প্রথম ধাপ পুরো করলাম নতুন বোনস সেট দিয়ে।কম বেশি সবাই...
09/04/2026

এই জীবন এই মানুষ এসবকিছু কি আসলেই তুচ্ছ?

মেডিক্যাল লাইফ এ পদার্পণের প্রথম ধাপ পুরো করলাম নতুন বোনস সেট দিয়ে।কম বেশি সবাই জানে মেডিক্যাল স্টুডেন্ট দের রিয়েল হিউমান বোনস নিয়ে প্রথম দেড় বছর পড়াশোনা করতে হয়।
বোনস কিনে আনার পর এই বক্স এ ভরে রেখে দিলাম।কিছুক্ষন পর বক্সটার দিকে নজর পরতেই মনে হলো এটার ভিতর আসল একটা মানুষের হাড়গোড়।জানিনা মানুষটা কে ছিলো কেমন ছিলো কিন্তু পুরো একটা মানুষ ছিলো,আমাদেরই মতো রক্ত মাংস ছিলো,ছিলো কত পরিকল্পনা আর চিন্তা ভাবনা, ভালো লাগা খারাপ লাগা।এই মানুষটাকে দুনিয়ায় আনতে কত কষ্ট হইসে এরপর বড় করতে ,তার নিজের বড় হইতে সারভাইভ করতেও কতকিছু ফেস করা লাগসে। কিন্তু আজকে সে আমার বাসার টেবিল এর নিচে একটা বক্স এ ভর্তি।ভাবতে ভাবতেই মনে হলো সব কিছু কত তুচ্ছ কত মিনিংলেস।মানুষ কম বেশি এই ভাবনাটা রিয়লাইজ করে,তাও জীবন চলে জীবনের গতিতে।কখনও কিছু থেমে থাকেনা।শুধু থাকেনা মানুষ।

©Khadiza Afrin Proma

03/03/2026

🤣🤣🤣

23/02/2026

আবারো জানিয়ে দিচ্ছি। যাতে আপনাদের সংশয় না থাকে।

Address

Kishoreganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tabassum Tanha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category