Dr Md Mishkat Ali Khan

Dr Md Mishkat Ali Khan Hello! This is Dr Md Mishkat Ali Khan. I am a General Physician contact me for any Medical treatment. Thank you

শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধেয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
28/09/2022

শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধেয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর জীবনের আসল রহস্য 😁
25/08/2022

প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর জীবনের আসল রহস্য 😁

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোট...
26/07/2022

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''
:
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।
:
ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।
:
তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।
:
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।
:
আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।
:
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''
:
টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।
আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা
--------------------------------------------------
রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Ezithromycin or,cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কতো দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।
:
চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

24/07/2022

যে কারনে অপরাধ না করেও হয়ে যেতে পারেন অপরাধী!

কোন জ্বরে কী চিকিৎসা?এই সময়ে ঘরে ঘরে জ্বর লেগেই আছে। অনেকে সর্দিজ্বরে ভুগছেন। কোনো জ্বরকেই গুরুত্ব না দেওয়ার কারণ নেই। ব...
19/07/2022

কোন জ্বরে কী চিকিৎসা?

এই সময়ে ঘরে ঘরে জ্বর লেগেই আছে। অনেকে সর্দিজ্বরে ভুগছেন। কোনো জ্বরকেই গুরুত্ব না দেওয়ার কারণ নেই। বিভিন্ন জ্বরের ভিন্ন চিকিৎসা। তাই সঠিক চিকিৎসা দেওয়ার আগে জ্বরের ধরন চিহ্নিত হওয়া জরুরি। জ্বরের অনেক ধরন থাকে। জ্বরের ধরন অনুযায়ী জ্বরকে
ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন জ্বর , ভাইরাল জ্বর এবং প্যারাসাইটিক জ্বরে ভাগ করা হয়।

ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন জ্বর

ব্যাকটেরিয়া শরীরের কোষের ভেতর লুকিয়ে থেকে ইমিউন সিস্টেমে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে। এগুলোর সংক্রমণে কান ও গলার ইনফেকশন, নিউমোনিয়া, ট্রাভেলার্স ডায়রিয়া, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, ইত্যাদির ফলে জ্বর হয়। রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন থেকে জ্বরে সর্দি, কফ ও শ্বাসকষ্ট থাকে।

ভাইরাল জ্বর

এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে কোনো রোগ ছড়ালে তাকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে। ভাইরাল জ্বর হল তেমনি ছোঁয়াচে রোগ, যা একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ভাইরাল হেপাটাইটিস ‘এ’, ভাইরাল হেপাটাইটিস ‘ই’ ইত্যাদি ভাইরাল জ্বর। সাধারণত হাঁচি, কাশি, হাই তোলা, লালা, কথা বলা ইত্যাদির মাধ্যমে এ রোগগুলো ছড়ায়। এসব জ্বরের প্রকোপ এখন বেশি।

প্যারাসাইটিক জ্বর

ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, টাইফয়েডের মতো ক্ষতিকর জ্বরগুলো প্যারাসাইটিক জ্বরের পর্যায়ে পড়ে, যা রোগীর জন্য বেশ কষ্টদায়ক।

এ সময়ে বেশি হওয়া ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, সর্দি-কাশি-ফ্লুর ধরন, লক্ষণ, করণীয় ও চিকিৎসা সম্পর্কে নিচে একটু আলোচনা করা যাক

ডেঙ্গি

ডেঙ্গির জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে কয়েক দিনের মধ্যেই সেই ব্যক্তি ডেঙ্গিজ্বরে আক্রান্ত হয়। বেশিরভাগ ডেঙ্গিজ্বর ছয়-সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে হেমোরেজিক বা রক্তক্ষরণজনিত ডেঙ্গির ভয়াবহতা বেশি। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে ঝুঁকি থাকে।

লক্ষণ

* প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।

* বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র্যাশ হতে পারে।

* হেমোরেজিক বা রক্তক্ষরণজনিত ডেঙ্গি হলে দাঁত ও মাড়ির গোড়া থেকে, নাক দিয়ে বা বমির সঙ্গে, পায়ুপথসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

চিকিৎসা

* রোগীকে পরিপূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
** প্রচুর তরল খাবার জাতীয় খাবার গ্রহন করতে হবে

* জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল গ্রুপের ওষুধ ছাড়া ব্যথানাশক অ্যাসপিরিন বাক্লোফেনাকজাতীয় ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। এতে রক্তক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে।

* রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখামাত্র হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে

* কারও ডেঙ্গিজ্বর হলে মশারি ব্যবহার করে রোগীকে আলাদা রাখুন। এতে অন্যরাও রক্ষা পাবে।

টাইফয়েড

সাধারণত ‘সালেমানেলা টাইফি’ ও ‘প্যারাটাইফি’ জীবাণু থেকে টাইফয়েড নামের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের কারণে টাইফয়েড জ্বর হয়ে থাকে। টাইফয়েডের অন্যতম কারণ হলো দূষিত খাবার গ্রহণ।

লক্ষণ

* ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, চামড়ায় লালচে দানা দেখা দেয়া টাইফয়েডের প্রাথমিক লক্ষণ।

* প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, পেট ব্যথা, দুর্বলতা।

* তাপমাত্রা হতে পারে ১০৩-১০৪ ফারেনহাইট। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এই জ্বর প্রথম দিকে ধরা পড়ে না। দুই বা তিন সপ্তাহ পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে এবং তখন মারাত্মক হতে পারে।

চিকিৎসা

* টাইফয়েড হয়েছে কিনা, তা বুঝতে সবার আগে অসুস্থ ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।

* পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। খাবার গরম করে খেতে হবে।

* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করতে হবে।

সর্দি-কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জা

হঠাৎ গরম বা ঠান্ডাজনিত আবহাওয়ার কারণে সর্দি-কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জা হতে পারে। এটি একটি কমন সমস্যা, যাতে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়।

লক্ষণ

* গলা ব্যথা, খুসখুস ভাব, নাক বন্ধ বা অনবরত হাঁচি।

* মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেওয়া।

* জ্বর পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে গেলেও সর্দি বা কাশি কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

* সাইনাস, টনসিলে প্রদাহ, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হতে পারে। সর্দি বা কাশির সঙ্গে হলুদাভ কফ থাকতে পারে, যা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণকেই নির্দেশ করে।

* অ্যাজমার রোগীদের শ্বাসকষ্টও বেড়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা

* ঠান্ডা বা বাসি খাবার ও পানীয়, ধূমপান পরিহার, ধুলাবালি এড়িয়ে চলা।

* সতেজ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান।

* চোখ বা নাক মোছার পরপরই হাত ধোয়া।

* আদা-লং-এলাচ-লেবু চা, তুলসীপাতা, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে উপকার মেলে।

* অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ, প্রয়োজনে কাশির সিরাপ সেবন বা নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যায়।

* অ্যাজমার রোগীরা ধুলাবালি বা ঠান্ডা এড়িয়ে অ্যালার্জির ওষুধ বা ইনহেলার ব্যবহার করলে ভালো থাকবেন।

* গলা ব্যথা বা অস্বস্তির ভাব কাটাতে কুসুম কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে ঘনঘন গার্গল করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ডাঃ মোঃ মিশকাত আলী খান
জেনারেল প্রাকটিশনার

ছবিটি ১৯৩৭ সালে চেলসি বনাম চার্লটনের ম্যাচের ফুটবল খেলার দৃশ্য । ঘন কুয়াশার কারণে রেফারি মাঝপথে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করে...
13/07/2022

ছবিটি ১৯৩৭ সালে চেলসি বনাম চার্লটনের ম্যাচের ফুটবল খেলার দৃশ্য । ঘন কুয়াশার কারণে রেফারি মাঝপথে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। সবাই ড্রেসিং রুমে ফিরে যায়। গোলরক্ষক স্যাম বাট্রাম রয়ে যান গোল পাহারায়। কুয়াশা যত বাড়ছে-তার সতর্কতাও তত বেশি বাড়ছে। পেছনে মানুষের কোলাহলে তিনি শুনতে পাননি রেফারির খেলা সমাপ্তির বাঁশী। অনেকক্ষণ পর- মাঠের একজন নিরাপত্তা কর্মী এসে তাঁকে জানায় ম্যাচটি প্রায় পনের মিনিট আগেই শেষ হয়ে গেছে।

স্যাম বাট্রাম বলেন- না এটা হতে পারেনা। আমি বিশ্বাস করিনা। খেলা শেষ হয়ে গেলে বন্ধুরা অবশ্যই আমাকে বলতো। আমাকে মাঠে একা রেখে ওরা চলে যেতোনা। একজন মানুষও কি ছিলোনা- যে আমার খোঁজ করবে। এরপর, সত্যি যখন বুঝলেন-আসলেই খেলা শেষ হয়ে গেছে। তখন, স্যাম গভীর এক দুঃখ পেলেন। খেলা শেষ হওয়ার জন্য না। বরং বন্ধুরা যে সত্যিই তাকে না জানিয়ে চলে গেছে সে জন্য। যাদের জন্য তিনি গোল পাহারায় দাঁড়িয়ে ছিলেন- তারা সবাই চলে গেলো। কেউ তার কথা একটিবার মনেও রাখলোনা।

জীবনটাও বুঝি এমনি এক খেলার মাঠ। যেখানে সময় দিয়ে, সামর্থ্য দিয়ে যাদের জন্য ডিফেন্ড করে প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়ে সাপোর্ট করে- সামান্য কুয়াশার পরিস্থিতিতে তারাই এভাবে সব কিছু ভুলে চলে যায়।

© collected

দিনরাত আতংকিত না হয়ে আসুন চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে কিছুটা জেনে নেয়া যাক.....Chikungunya Virus কি ?এইটা alpha virus type RNA ...
06/07/2022

দিনরাত আতংকিত না হয়ে আসুন চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে কিছুটা জেনে নেয়া যাক.....
Chikungunya Virus কি ?
এইটা alpha virus type RNA virus. Ades মশার কামড়ের মাধ্যমে এই virus মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় । তাছাড়া vertical transmission এর মাধ্যমেও fetus এ এই virus ছড়াতে পারে।
**লক্ষণসমূহ কি কি (S/S)
(1). High grade fever .... জ্বর 102° থেকে
104° পর্যন্ত হতে পারে । এই জ্বরে সাধারণত chills & rigor থাকে না । পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত এই জ্বর থাকে । আবার দুই দিন পর হঠাৎ করে জ্বর ভালো হয়ে যেতে পারে।
(2). Rash (40 - 50%) : Chikungunya তে
maculopapular rash দেখা দেয় জ্বরের
প্রথম থেকে তৃতীয় দিনের মধ্যেই সাধারণত মুখ, ঘাড় এবং পিঠে । আর Dengue তে rash দেখা দেয় ষষ্ঠ দিনে । Rash এর সাথে itching থাকতে পারে ।
(3). Arthralgia & Arthritis (80 - 90%) :
Chikungunya তে খুবই বেশি joint pain হয় ।
সাধারণত knee, ankle, back, hand, neck এইসবজায়গায় pain হয় বেশি । এমনকি জ্বর ছেড়ে যাওয়ার এক মাস পর্যন্তও joint pain থাকতে পারে।
(4). Extreme Fatigueness : Pt. এই জ্বরে খুবই দুর্বল হয়ে যায় ।
(5). বমি বমি ভাব, খাদ্যে অরুচি,
মাংসপেশীতে ব্যথা ।
(6). Eyeache, conjunctivitis, uveitis.
(7). Headache.
***Case diagnosis :
* Clinical Criteria : fever > 38.5° C & severe arthralgia & arthritis.
* Epidemiological criteria: pt. has H/O
roaming from endemic zone.
* Diagnostic criteria : positive chikungunya
antibody, PCR, isolation of virus from culture.
***INVESTIGATIONS :
Anti Chikungunya Antibody IgM. কিন্তু এই antibody পজিটিভ হয় জ্বরের পঞ্চম
দিনের পর থেকে এবং দুই মাস পর্যন্ত পজিটিভ থাকতে পারে । আবার এর false positive হওয়ার সম্ভাবনাও খুব বেশি । তাই এর গুরুত্ব খুব কম ।
তাছাড়া CRP, Muscle kinase ও বেড়ে
যেতে পারে । তারপরও ঢাকার
পপুলার, ল্যাব এইড সহ নামকরা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারেগুলোতে Chikungunya antibody IgG & IgM করা হচ্ছে । তবে প্রথম পাঁচ দিনের জ্বরে Dengue exclude করতে হবে NS-1 antigen করে । Negative হলে তারপর ICT for chikungunya করতে হবে ।

****TREATMENT :
Symptomatic treatment. Paracetamol, I/V
fluid,NSAID..Naproxen, যদি খুব বেশি
joint pain হয় । তবে Dengue Fever exclude করেই NSAID।দেওয়া উচিত Corticosteroids has no role in Chikungunya.
***Mortality & Complications :
Chikungunya তে mortality rate 1 per 1000pt।যা dengue র চেয়ে কম। তবে GBS, Meningoencephalitis, flacid paraplegia, chronic arthritis হতে পারে
****difference between dengue &
chikungunya ... সহজ কথায় ধরে নেওয়া হয় chikungunya তে joint pain
তুলনামূলকভাবে dengue র চেয়ে বেশি হয় । আর dengue তে muscle pain এবং পিঠ ও ঘাড়ের দিকে বেশি ব্যথা হয় । Chikungunya তে usually Lymphopenia আর dengue তে usually Thrombocytopenia এবং neutropenia থাকে।
Dengue তে shock syndrome বা
haemorrhagic।menufestation থাকে যা
Chukungunya তে rare. আর chikungunya তে প্রথম দিনই rash উঠতে পারে কিন্তু Dengue তে rash ওঠে।

****Prevention : মশার কামড়
থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে
আর মশার প্রজনন স্থানে মশা মারার স্প্রে
করতে হবে । আর মশারী ব্যাবহার
করতে ভুলবেন না কিন্তু ...
****খুব সংক্ষেপে বললাম ।
আমাদের বাংলাদেশ endemic zone এ
আছে । তবে আতংকগ্রস্ত না হয়ে
নিজে সচেতন হোন । এই সময় যেকোন জ্বরকে অবহেলা না করে নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Dr Mishkat Ali Khan
General Practitioner

জীবন সহজ হয়নি, তুমি শুধু শক্তিশালী হয়েছ(সংগৃহীত)
01/07/2022

জীবন সহজ হয়নি, তুমি শুধু শক্তিশালী হয়েছ
(সংগৃহীত)

অনেক মহান পন্ডিত ব্যক্তি ইন্টারনেট ঘেটে তার শরীরের সামান্য রোগের গুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়েন । কিন্তু মেডিকেল ডিজেজের কো-রি...
19/06/2022

অনেক মহান পন্ডিত ব্যক্তি ইন্টারনেট ঘেটে তার শরীরের সামান্য রোগের গুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়েন । কিন্তু মেডিকেল ডিজেজের কো-রিলেশন ডাক্তার ছাড়া কেউ পারবে না। তাই নেট দেখে রোগের তিলকে তাল না বানানো শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী ।

12/06/2022
20/05/2022

এন্টিবায়োটিকে নতুন বিপদ
সৌজন্যেঃ Independent TV

ঈদ মুবারক ❤️🎇🌙🎆
02/05/2022

ঈদ মুবারক ❤️🎇🌙🎆

Address

21 Titumir Road Thanapara
Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Md Mishkat Ali Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Md Mishkat Ali Khan:

Shortcuts

Share

Category