08/05/2026
নতুন করে জানুন...
রেবিস /জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুর বিড়াল শিয়াল, কামড় দিলে, ভ্যাকসিন দেওয়া হলেও...
আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ১%এর কাছাকাছি । এবং এই ১% এর মৃত্যুর সম্ভাবনা ১০০%!!!
দেখেন ভাই,
মাথা, গলা, গাল, ঘাড়ে কুকুর কামড় মানে সরাসরি হাই রিস্ক। এই জায়গাগুলা মাথার কাছে, তাই ভাইরাস দ্রুত মস্তিষ্কে যেতে পারে। তাই এখানে দেরি করা মানে বিপদ ডেকে আনা।
প্রথম কাজ
ক্ষত ১৫ মিনিট সাবান পানি দিয়া ভালো করে ধুইবেন। এইটা অনেক বড় কাজ—অনেকে এইটাই ঠিকমতো করে না।
ইনজেকশন কিভাবে দিবে (মূল কথা)
এখানে দুইটা জিনিস লাগে:
১. রেবিস ভ্যাকসিন
হাতে বা ডেল্টয়েডে দেওয়া হয়
আজকে (Day 0), তারপর ৩, ৭, ১৪, ২৮ দিনে
২. রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) — এইটাই আসল জিনিস
এখন আসল প্রশ্ন—মাথা বা গলায় কিভাবে দিবে?
যতটা সম্ভব ক্ষতের ভিতরে আর চারপাশে ছোট ছোট করে ইনজেকশন ঢুকাইতে হবে
এক জায়গায় না দিয়ে, ক্ষতের চারপাশে ঘুরাইয়া দিতে হবে
মাথা/গলা সেনসিটিভ জায়গা, তাই ধীরে, সাবধানে, কম চাপ দিয়ে দিতে হবে
বেশি জোরে বা একসাথে চাপ দিলে টিস্যু ড্যামেজ হতে পারে—এইটা মাথায় রাখতে হবে
যতটুকু ওখানে দেওয়া যায়, বাকি অংশ শরীরের অন্য জায়গায় (যেমন উরু) দেওয়া যায়
খুব গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
আগে আগে সেলাই করা যাবে না (প্রয়োজনে পরে লুজ সেলাই)
না বুঝে টানাটানি করলে ব্লিডিং বাড়ে
শুধু ভ্যাকসিন দিলেই হবে না—RIG ঠিকমতো না দিলে কাজ অসম্পূর্ণ
স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কথা
দেখেন, এই কেসগুলাতে ভুল করার সুযোগ নাই।
RIG যদি ক্ষতের ভিতরে না দেন, তাহলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটাই বাদ পড়ে যায়
মাথা/গলার কামড়ে কখনোই “চলবে” টাইপ চিকিৎসা না—ফুল প্রোটোকল দিতে হবে
রোগীর লোকজন না বুঝলে তাদের বুঝাইতে হবে—এইটাই দায়িত্ব
শেষ কথা
মাথা, গলা, গালে কামড় = ইমার্জেন্সি
ঠিক সময়ে ঠিকভাবে চিকিৎসা দিলে রোগী বাঁচে
অন্যথায় ঝুঁকি অনেক বেশি
এই বিষয়টা যত বেশি মানুষ বুঝবে, তত বেশি জীবন বাঁচানো যাবে।
(কালেক্টেড)