Dr. Md. Morshedul Alam khan - galib

Dr. Md. Morshedul Alam khan - galib Dr. Md. Morshedul Alam Khan
MBBS, BCS(Health)
FCPS (Medicine)
Dhaka Medical college hospital

বড়দের হাম কেন বেশি বিপজ্জনক?⚠️ শিশুদের তুলনায় বড় বয়সে হাম হলে জটিলতার ঝুঁকি অনেক বেশি।🔍 লক্ষণ✅ প্রচণ্ড জ্বর✅ শুকনো কাশি ...
04/08/2026

বড়দের হাম কেন বেশি বিপজ্জনক?
⚠️ শিশুদের তুলনায় বড় বয়সে হাম হলে জটিলতার ঝুঁকি অনেক বেশি।
🔍 লক্ষণ
✅ প্রচণ্ড জ্বর
✅ শুকনো কাশি ও নাক দিয়ে পানি পড়া
✅ চোখ লাল হওয়া
✅ মুখের ভেতরে সাদা/ধূসর কপলিক স্পটস
✅ ৩–৪ দিন পর মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ

⚠️ গুরুতর জটিলতা
🔴 নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট
🔴 লিভারের প্রদাহ (হেপাটাইটিস)
🔴 মস্তিষ্কের জটিলতা (SSPE)
🔴 শ্রবণশক্তি হ্রাস বা অন্ধত্ব
🔴 গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে গর্ভপাত বা সময়ের আগে প্রসবের ঝুঁকি

🛡️ প্রতিরোধে করণীয়
💉 এমএমআর (MMR) টিকা নিন
🍊 চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন A গ্রহণ করুন
🛏️ আক্রান্ত ব্যক্তিকে ৫–৭ দিন আলাদা রাখুন
🧼 নিয়মিত হাত ধুয়ে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
💧 পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও তরল খাবার গ্রহণ করুন
🚑 কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

জ্বরের সঙ্গে শরীরে লাল দানা, চোখ লাল হওয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দেরি না করে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সচেতনতা ও সময়মতো টিকাই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

বদলে গেছে ডেঙ্গুর ধরন, বিপদগুলো জানুনআগে ডেঙ্গু হলে তীব্র জ্বর, চোখে ব্যথা, পিঠ ও অস্থিসন্ধিতে প্রচণ্ড ব্যথা হতো এবং শরী...
16/07/2026

বদলে গেছে ডেঙ্গুর ধরন, বিপদগুলো জানুন

আগে ডেঙ্গু হলে তীব্র জ্বর, চোখে ব্যথা, পিঠ ও অস্থিসন্ধিতে প্রচণ্ড ব্যথা হতো এবং শরীরে লালচে র‍্যাশ হতো।কিন্তু এখনকার ডেঙ্গু অনেক বেশি ছদ্মবেশী।

♦️লক্ষণহীন বা মৃদু জ্বর:
সামান্য একটু জ্বর বা গা ম্যাজম্যাজ করার দু-এক দিনের মধ্যেই হঠাৎ করে রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটছে।
♥️জ্বর কমে যাওয়ার পর আসল জটিলতা দেখা দিচ্ছে।
জ্বর যেদিন কমা শুরু করে, সেদিন থেকে তিন দিন পর্যন্ত সময়টা ক্রিটিক্যাল ফেজ।
♦️অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হওয়া:
জ্বরের চেয়ে বমি, তীব্র পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা কিংবা অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো উপসর্গগুলো ক্ষতিকর
♥️ডাবল ইনফেকশন:
অতীতে কোনো একটি ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ব্যক্তি দ্বিতীয়বার অন্য ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়া অত্যন্ত মারাত্মক।
♦️লিভার আক্রান্ত:
ডেঙ্গু রোগীর প্রচুর বমি, পেটের ডানপাশের ওপরের দিকে বেশি ব্যথা লিভার আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

# 💜🩵কখন হাসপাতালে যাবেন:
১. পেটে তীব্র ব্যথা হওয়া বা বমি হওয়া।
২. নাক, মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।৩. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া।
৩. চামড়ায় লাল লাল ছোপ বা দাগ দেখা দেওয়া।
৪. অতিরিক্ত ক্লান্তি, অস্থিরতা বা নিস্তেজ হয়ে পড়া।
৫. পেটে চাকা ( লিভার বড় হওয়া) অনুভব করলে।
৬. মেজাজ খিটখিটে ও অস্থির লাগা।
৭. দ্রুত রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়া ইত্যাদি।

13/07/2026

বদলে গেছে ডেঙ্গুর ধরন, বিপদগুলো জানুন

আগে ডেঙ্গু হলে তীব্র জ্বর, চোখে ব্যথা, পিঠ ও অস্থিসন্ধিতে প্রচণ্ড ব্যথা হতো এবং শরীরে লালচে র‍্যাশ হতো।কিন্তু এখনকার ডেঙ্গু অনেক বেশি ছদ্মবেশী।

♦️লক্ষণহীন বা মৃদু জ্বর:

সামান্য একটু জ্বর বা গা ম্যাজম্যাজ করার দু-এক দিনের মধ্যেই হঠাৎ করে রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটছে।

♥️জ্বর কমে যাওয়ার পর আসল জটিলতা দেখা দিচ্ছে।

জ্বর যেদিন কমা শুরু করে, সেদিন থেকে তিন দিন পর্যন্ত সময়টা ক্রিটিক্যাল ফেজ।

♦️অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হওয়া:

জ্বরের চেয়ে বমি, তীব্র পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা কিংবা অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো উপসর্গগুলো ক্ষতিকর

♥️ডাবল ইনফেকশন:

অতীতে কোনো একটি ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ব্যক্তি দ্বিতীয়বার অন্য ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়া অত্যন্ত মারাত্মক।

♦️লিভার আক্রান্ত:

ডেঙ্গু রোগীর প্রচুর বমি, পেটের ডানপাশের ওপরের দিকে বেশি ব্যথা লিভার আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

# 💜🩵কখন হাসপাতালে যাবেন:

১. পেটে তীব্র ব্যথা হওয়া বা বমি হওয়া।

২. নাক, মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।৩. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া।

৩. চামড়ায় লাল লাল ছোপ বা দাগ দেখা দেওয়া।

৪. অতিরিক্ত ক্লান্তি, অস্থিরতা বা নিস্তেজ হয়ে পড়া।

৫. পেটে চাকা ( লিভার বড় হওয়া) অনুভব করলে।

৬. মেজাজ খিটখিটে ও অস্থির লাগা।

৭. দ্রুত রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়া ইত্যাদি।

13/07/2026

বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বিপজ্জনক ভাবে বেড়ে চলছে. এ অবস্থায় ডেঙ্গুর জন্য নিচের নিয়মগুলো মানতে হবে

১. পরিপূর্ণ বিশ্রাম: শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।
২. প্রচুর তরল খাবার গ্রহণ: পানিশূন্যতা রোধ করতে বেশি করে পানি, ডাবের পানি, ওরস্যালাইন, লেবুর শরবত এবং ফলের জুস পান করতে হবে।

৩. জ্বর ও ব্যথার চিকিৎসা: শরীরের তাপমাত্রা ও ব্যথা কমাতে শুধুমাত্র প্যারাসিটামল (যেমন: নাপা, এইচ, রেনোভা ইত্যাদি) সেবন করা যাবে।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই দিনে ৮টির বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া উচিত নয়।

৪. স্পঞ্জিং: শরীরের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে হালকা কুসুম গরম পানিতে ভেজা কাপড় দিয়ে রোগীর সারা শরীর বারবার মুছে (স্পঞ্জিং) জ্বর কমাতে হবে।

৫. পুষ্টিকর খাবার: সহজে হজম হয় এমন তরল ও পুষ্টিকর খাবার যেমন—সবজি বা মুরগির স্যুপ, জাউ ভাত ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।
#

যা করা যাবে না:
১. অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন নিষেধ: ডেঙ্গু জ্বরে কোনোভাবেই অ্যাসপিরিন, ক্লোফেনাক বা আইবুপ্রোফেন-জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। এই ওষুধগুলো সেবন করলে রক্তক্ষরণ (ব্লিডিং) হওয়ার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।

# কখন হাসপাতালে যাবেন: ডেঙ্গুর বিপজ্জনক লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। যেমন—

১. পেটে তীব্র ব্যথা হওয়া বা বমি হওয়া।

২. নাক, মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।৩. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া।

৩. চামড়ায় লাল লাল ছোপ বা দাগ দেখা দেওয়া।

৪. অতিরিক্ত ক্লান্তি, অস্থিরতা বা নিস্তেজ হয়ে পড়া।

৫. পেটে চাকা ( লিভার বড় হওয়া) অনুভব করলে।

৬. মেজাজ খিটখিটে ও অস্থির লাগা।

৭. দ্রুত রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়া ইত্যাদি।

বর্তমানে হামের মহামারী চলছে। তবে কিছু দিনের মধ্যে  ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে। তাই ডেঙ্গুর কথা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।।হাম (Me...
19/04/2026

বর্তমানে হামের মহামারী চলছে। তবে কিছু দিনের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে। তাই ডেঙ্গুর কথা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।।

হাম (Measles) এবং ডেঙ্গু (Dengue Fever) — দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ, কিন্তু তাদের কারণ, লক্ষণ এবং জটিলতা ভিন্ন।

🔍 মূল পার্থক্যগুলো

১. ছড়ানোর উপায়

হাম (Measles): আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি/হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়

ডেঙ্গু (Dengue): Aedes mosquito কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়

২. প্রধান লক্ষণ

হাম:

জ্বর

সর্দি, কাশি

চোখ লাল হওয়া

সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি( সাধারণত ৩য়-৪র্থ দিনে)

মুখের ভিতরে koplik spot

ডেঙ্গু:

হঠাৎ জ্বর

তীব্র মাথা ও চোখের পেছনে ব্যথা

শরীর ব্যথা (“breakbone fever” বলা হয়)

বমি বমি ভাব

কখনো র‍্যাশ হতে পারে(সাধারণত ৫ম-৬ষ্ঠ দিনে)

পেট ব্যথা

৩. ফুসকুড়ি (Rash)

হাম: মুখ থেকে শুরু হয়ে পুরো শরীরে ছড়ায়

ডেঙ্গু: হালকা বা দাগের মতো র‍্যাশ হতে পারে, সবসময় না-ও হতে পারে,মুখে কম থাকে।।

৪. বিপজ্জনক দিক

হাম: শিশুদের নিউমোনিয়া বা মস্তিষ্কের সংক্রমণ (encephalitis) হতে পারে

ডেঙ্গু: রক্তক্ষরণ, প্লাটিলেট কমে যাওয়া, এমনকি dengue hemorrhagic fever হতে পারে

৫. প্রতিরোধ

হাম: টিকা (MMR vaccine) আছে

ডেঙ্গু: নির্দিষ্ট টিকা সীমিত; মশা নিয়ন্ত্রণই প্রধান প্রতিরোধ

---

⚠️ কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন

জ্বর ২–৩ দিনের বেশি থাকে

রক্তপাত (নাক/মাড়ি)

শ্বাসকষ্ট

অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অজ্ঞান ভাব

---

Obstructive sleep apnea  নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। আপনার নাক ডাকা হয়তোবা গভীর কোনো সমস্যাকে নির্দেশ করছে।।।''আমি নিজে একজন ...
17/04/2026

Obstructive sleep apnea নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
আপনার নাক ডাকা হয়তোবা গভীর কোনো সমস্যাকে নির্দেশ করছে।।।

''আমি নিজে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ হয়েও ঠিক এই ভুলটিই করেছিলাম!

সারাদিন কি আপনার খুব ক্লান্তি লাগে? যেখানেই বসেন সেখানেই কি ঘুমিয়ে পড়েন? আপনার পরিবারের কেউ কি আপনার নাক ডাকা নিয়ে অভিযোগ করে? সাবধান! যে নাক ডাকাকে আপনি "স্বাভাবিক পরিশ্রমের ক্লান্তি" বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন, সেটিই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। আমি নিজে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ হয়েও ঠিক এই ভুলটিই করেছিলাম!

আমি ভাবতাম—সারাদিন রোগী দেখা, পড়ানো আর গবেষণার চাপে আমি ক্লান্ত, তাই গাড়িতে উঠলেই আমার চোখ লেগে আসে। কিন্তু আসল সত্যিটা ছিল অনেক বেশি ভয়ংকর।

আমি ঘুমাচ্ছিলাম না, বরং প্রতি রাতে শুধু "ঘুমানোর চেষ্টা" করছিলাম। যখন নিজের Sleep Test করালাম, রিপোর্ট দেখে আমি নিজেই চমকে উঠলাম! প্রতি এক ঘণ্টায় আমার ঘুম ভাঙছিল ৪৪ বার! অর্থাৎ পুরো রাতটাই ছিল অশান্ত এবং ক্লান্তিকর।

রাতে ৩-৪ বার ওয়াশরুমে যাওয়া।

সারাদিন মাথা ভারী থাকা।

মন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকা।

ডায়াগনোসিস পরিষ্কার ছিল— Obstructive Sleep Apnea। আমি প্রতিদিন অগণিত রোগীকে CPAP বা BiPAP মেশিন ব্যবহারের পরামর্শ দেই, অথচ নিজের বেলায় মানতে পারছিলাম না। কিন্তু যেদিন প্রথম 'Auto BiPAP' ব্যবহার করে ঘুমালাম, সেদিন সকালে মনে হলো— "এই প্রথম আমি সত্যিকারের ঘুমালাম!" শরীর হালকা, মাথা পরিষ্কার এবং অদম্য প্রাণশক্তি নিয়ে আমি যেন এক নতুন জীবনে প্রবেশ করলাম।

আপনার নাক ডাকা কেবল শব্দ নয়, এটি একটি নীরব সংকেত। ভালো ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার শরীরের বেঁচে থাকার জন্য একটি জরুরি চিকিৎসা।

আপনি বা আপনার প্রিয় কেউ কি প্রতিদিন এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন?

নাক ডাকা কি নিয়মিত অভ্যাস?

দিনের বেলা কি হঠাৎ হঠাৎ ঘুম পায়?

রাতে কি বারবার ঘুম ভেঙে যায়?

যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে দেরি না করে আজই একটি Sleep Test করে দেখে নিন। একটি ছোট পরীক্ষা এবং সঠিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ আপনার জীবনকে আবার কর্মচঞ্চল করে তুলতে পারে।

নিশ্চিন্তে ঘুমান, সুস্থভাবে বাঁচুন।

এখন শুধুমাত্র এরকম একটা মাস্ক পরে BiPAP লাগিয়ে ঘুমিয়ে দেখছি সারাদিন আর কোন ঘুম ঘুম ভাব বা ক্লান্তি লাগছে না এবং সারাদিন আগে যে কাজ করতে পারতাম তার থেকে বেশি কাজ করতে পারছি।
এটা খুবই নিরাপদ ও ব্যথামুক্ত আধুনিক চিকিতসা।''

courtesy: Rashidul hasan sir

14/04/2026

বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর প্রায় ৪.২% মানুষ অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত, যাদের অনেকেই যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া সত্ত্বেও ফার্স্ট লাইন ট্রিটমেন্টে রেসপন্স করে না। জিনা গাইডলাইন অনুযায়ী ছয় বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী অ্যাজমা রোগীদের স্টেপ ফাইভ এ অ্যাড অন বায়োলজিক্যাল থেরাপি হিসেবে ডুপিলুম্যাব ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে যাদের ব্লাডে ইওসিনোফিল কাউন্ট ১৫০/মাইক্রোলিটার এর বেশি অথবা FeNO ২৫ পিপিবি বা তার চেয়ে বেশি তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি কার্যকর; ইওসিনোফিল কাউন্ট ৩০০/মাইক্রোলিটার এর বেশি হলে এটি আরো বেশি কার্যকর।

আমাদের শ্বাসনালীতে type 2 inflammation-এর মূল চালিকাশক্তি হলো দুটি cytokine: IL-4 এবং IL-13। এই দুটি cytokine একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ receptor subunit ভাগ করে নেয়, যার নাম IL-4Rα (IL-4 receptor alpha)। ডুপিলুমাব হলো একটি fully human IgG4 monoclonal antibody, যা অত্যন্ত উচ্চ affinity-তে IL-4Rα subunit-এর সাথে যুক্ত হয়।
এই binding-এর ফলে:
• IL-4 আর Type I বা Type II receptor-এর সাথে যুক্ত হতে পারে না
• IL-13 আর functional Type II signaling complex গঠন করতে পারে না, কারণ IL-4Rα blocked। মাত্র একটি antibody দিয়ে একই সাথে IL-4 এবং IL-13 এই দুটি cytokine-এর signaling সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এর ফলে যেই ঘটনাগুলো ঘটে সেগুলো হলো:
১। IgE সংশ্লেষণ হ্রাস
২। Mucus hypersecretion হ্রাস
৩। Airway hyperresponsiveness হ্রাস
৪। Subepithelial fibrosis ও airway remodeling হ্রাস
৫। Eosinophil recruitment হ্রাস
৬। FeNO হ্রাস
৭। Th2 amplification loop বিচ্ছিন্ন করা
এই সবকিছুর ফলে রিফ্র্যাক্টরী অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
আমেরিকান দাতব্য সংস্থা ডিরেক্ট রিলিফ এর সৌজন্যে সানোফি ফার্মাসিউটিক্যালস তৈরি তিন হাজার সিরিঞ্জ ডুপিলুম্যাব( ট্রেড নেম ডুপিক্সেন্ট) অনুদান হিসেবে আমরা আনতে পেরেছি।

ইতোমধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অ্যাজমা, সিওপিডি, কিছু রিফ্র্যাক্টরি অ্যালার্জিক এবং অটোইমিউন স্কিন ডিজিজে ডুপিলুম্যাব এর বিনামূল্যে প্রয়োগ আমরা শুরু করেছি।

গাইডলাইনের শর্ত মেনে দেশের যে কোন অঞ্চল থেকে অভিজ্ঞ বক্ষব্যাধি, চর্মরোগ বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করলে মেডিকেল ডকুমেন্ট পর্যালোচনা সাপেক্ষে রোগিদের এই দামি ঔষধটি (প্রতি সিরিঞ্জের দাম বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় দুই লাখ টাকা) বিনামূল্যে দেয়া হবে।

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
Courtesy : Azizul haque azad sir

পারকিনসন্স রোগ খুব কমন একটি রোগ। আমাদের পরিবারের অনেকেই হাত কাপা নিয়ে ভোগেন। অনেকেই পারকিনসন্স রোগ এ ভোগেন। ⚠️ প্রধান লক...
11/04/2026

পারকিনসন্স রোগ খুব কমন একটি রোগ।
আমাদের পরিবারের অনেকেই হাত কাপা নিয়ে ভোগেন।
অনেকেই পারকিনসন্স রোগ এ ভোগেন।

⚠️ প্রধান লক্ষণ

🔹 নড়াচড়া সম্পর্কিত লক্ষণ:

হাত বা আঙুল কাঁপা (tremor)

চলাফেরা ধীর হয়ে যাওয়া

শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া (stiffness)

ভারসাম্য রাখতে সমস্যা

🔹 অন্যান্য লক্ষণ:

ঘুমের সমস্যা

বিষণ্নতা (depression)

গন্ধ কম পাওয়া

কোষ্ঠকাঠিন্য

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া (পরবর্তীতে)

---

🧬 কারণ ও ঝুঁকি

বয়স (সাধারণত ৬০ বছরের পরে বেশি)

বংশগত কারণ

পরিবেশগত প্রভাব (যেমন: বিষাক্ত রাসায়নিক)

---

🩺 কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

রোগীর লক্ষণ দেখে

শারীরিক পরীক্ষা করে

ওষুধে কেমন সাড়া দেয় তা দেখে

---

💊 চিকিৎসা

Levodopa (সবচেয়ে কার্যকর)

অন্যান্য ডোপামিন বাড়ানোর ওষুধ

থেরাপি:

ফিজিওথেরাপি

স্পিচ থেরাপি

দৈনন্দিন কাজের প্রশিক্ষণ

অপারেশন:

গুরুতর ক্ষেত্রে Deep Brain Stimulation (DBS)

---

🏃 করণীয়

নিয়মিত ব্যায়াম

পুষ্টিকর খাবার

মানসিকভাবে সক্রিয় থাকা

---

📌 গুরুত্বপূর্ণ কথা

পারকিনসন্স রোগ ধীরে ধীরে বাড়ে, তবে সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন নিলে রোগী অনেক বছর স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

আইপিভি ডোজের শিডিউল গত ০১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পরিবর্তিত হয়েছে।১ম ডোজ: ১৪ সপ্তাহ পূর্ণ হলে।২য় ডোজ: ০৯ মাস পূর্ণ হলে।সবার অবগ...
08/04/2026

আইপিভি ডোজের শিডিউল গত ০১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পরিবর্তিত হয়েছে।

১ম ডোজ: ১৪ সপ্তাহ পূর্ণ হলে।
২য় ডোজ: ০৯ মাস পূর্ণ হলে।

সবার অবগতির জন্য জানানো হলো।

Address

Popualr Diagnostic, Chashara
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Morshedul Alam khan - galib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category