Kazi Md Wasif Mollah

Kazi Md Wasif Mollah Government Approved Marriage Register

01/06/2026

-----কোর্ট ম্যারেজ এভিডেভিড -----
যা যা প্রয়োজনঃ-
১/ দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। (ছেলে মেয়ে উভয়ের)
২/ এন আই ডি বা জন্ম সনদ। (ছেলে মেয়ের উভয়ের)
৩/ দেনমোহর ও ওয়াশীলের পরিমান।

# বিবাহ রেজিস্ট্রি করে নেয়া বাধ্যতামূলক, কোর্ট ম্যারেজ অতিরিক্ত সাপর্ট হিসাবে কাজ করে। আইনের দৃষ্টিতে এই বিবাহ খুব শক্তিশালী হয়।
কোর্ট ম্যারেজ আইনি ঝামেলার রক্ষা কবজ হিসাবে কাজ করে। (ছেলে বা মেয়ে পক্ষের মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা ইত্যাদি)

কোর্ট ম্যারেজ প্রসেসিং সময়ঃ-

প্রথম শ্রেণীর এ্যাডভোকেট কর্তৃক স্বাক্ষর থাকবে। সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সিলসহ একটা প্রমানপত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে কোরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়া হবে।

-----কোর্ট কর্তৃক তালাক প্রসেসিং -----

# স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাকের এফিডেভিট।

প্রয়োজনঃ
১/এন আই ডি বা জন্ম সনদ।(শুধু মেয়ের)।
২/পাসপোর্ট সাইজের ছবি।(শুধু মেয়ের)।
৩/ প্রাক্তন স্বামীর নাম, তার পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা।
৪/ বিবাহের তারিখ ও দেনমোহরের পরিমান।

# স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাকের এফিডেভিট।

প্রয়োজনঃ
১/পাসপোর্ট সাইজের ছবি।(শুধু ছেলের)।
২/ এন আই ডি বা জন্ম সনদ।(শুধু ছেলের)।
৩/প্রাক্তন স্ত্রীর নাম। তার পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা।
৪/বিবাহের তারিখ ও দেনমোহরের পরিমান।

# স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সম্মতিতে খোলা তালাকের এভিডেভিড।

যা যা প্রয়োজনঃ-
১/ দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। (ছেলে মেয়ে উভয়ের)
২/ এন আই ডি বা জন্ম সনদ। (ছেলে মেয়ের উভয়ের)
৩/ দেনমোহর ও ওয়াশীলের পরিমান।
৪/ বিবাহের তারিখ ও তালাকের তারিখ।

সময়ঃ----------
প্রথম শ্রেণীর এ্যাডভোকেট কর্তৃক স্বাক্ষর থাকবে। সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সিলসহ একটা প্রমানপত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে কোরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়া হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ শরিয়ত সম্মত ভাবে বিবাহ/তালাক সম্পন্ন ও রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।

📌আলহামদুলিল্লাহ্এটা ছিল আমার পরানো বিয়ের ৪৯ তম রেজিস্ট্রেশন সুন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে। #২৭মার্চ২০২৬ #ম্যারেজ রেজিস্টার #রেজ...
27/03/2026

📌আলহামদুলিল্লাহ্
এটা ছিল আমার পরানো বিয়ের ৪৯ তম রেজিস্ট্রেশন সুন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে।
#২৭মার্চ২০২৬
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696

আলহামদুলিল্লাহ্এটা ছিল আমার পরানো বিবাহের ৪৬ তম রেজিস্ট্রেশন ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে ছিল।  #২৬মার্চ২০২৬
27/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ্
এটা ছিল আমার পরানো বিবাহের ৪৬ তম রেজিস্ট্রেশন ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে ছিল।
#২৬মার্চ২০২৬

মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪বাংলাদেশে মুসলিমদের বিবাহ ও তালাকের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্দেশ্যে এই আইন ...
25/03/2026

মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪
বাংলাদেশে মুসলিমদের বিবাহ ও তালাকের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্দেশ্যে এই আইন প্রণীত হয়। নিচে আইনের মূল বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:

আইনের মূল উদ্দেশ্য

মুসলিম বিবাহ ও তালাক সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা

অনিবন্ধিত বিবাহের জটিলতা কমানো

নারীর অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা

বিবাহ/তালাক সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষণ

বিবাহ সংক্রান্ত বিধান

১. বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

মুসলিমদের প্রতিটি বিবাহ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কাজী (Nikah Registrar) দ্বারা নিবন্ধন করতে হবে।

বিবাহ সম্পাদনের পর কাজী বিবাহের রেজিস্টার বইতে ও বিবাহ সনদে তথ্য নথিভুক্ত করেন।

২. কাবিননামা (Nikahnama)

কাবিননামার নির্ধারিত ফরমে উভয় পক্ষের পরিচয়, মোহরানার পরিমাণ, শর্তাবলি ইত্যাদি উল্লেখ করতে হয়।

৩. অপ্রাপ্তবয়স্কের বিবাহ

আইন অপ্রাপ্তবয়স্কের বিবাহে নিবন্ধন না করার ক্ষমতা কাজীকে দেয়, যা শিশু বিবাহ রোধে সহায়ক।

তালাক সংক্রান্ত বিধান

১. তালাক প্রদান করার প্রক্রিয়া

স্বামী তালাক দিতে চাইলে প্রথমে তাঁর স্ত্রীকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।

এছাড়া নোটিশের একটি কপি ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যানকে দিতে হবে।

২. ৯০ দিনের অপেক্ষা (Iddat period)

নোটিশ দেওয়ার পর ৯০ দিন পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না।

এই সময়ের মধ্যে পুনর্মিলনের চেষ্টা হয়।

৩. তালাকের নিবন্ধন

তালাক কার্যকর হওয়ার পর এটি নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।

নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি রয়েছে।

আইন লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি

১. অনিবন্ধিত বিবাহ বা তালাক

নিবন্ধন না করলে জরিমানা বা কারাদণ্ডের বিধান আছে।

২. অনুমোদন ছাড়াই বিবাহ নিবন্ধন করা

কোনো ব্যক্তি অনুমোদন ছাড়া কাজীর দায়িত্ব পালন করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

কাজীর দায়িত্ব

বিবাহ ও তালাক সঠিকভাবে নিবন্ধন করা

রেজিস্টার বই সংরক্ষণ করা

নিয়মিত তথ্য সরকারকে সরবরাহ করা
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

১) তালাকের পর ইদ্দত➡️ যদি স্ত্রী ঋতুমতী হয়তিনটি ঋতুস্রাব (3 menstrual cycles)(অর্থাৎ তিন বার হায়েজ হওয়া পর্যন্ত)➡️ যদি ঋ...
25/03/2026

১) তালাকের পর ইদ্দত

➡️ যদি স্ত্রী ঋতুমতী হয়

তিনটি ঋতুস্রাব (3 menstrual cycles)
(অর্থাৎ তিন বার হায়েজ হওয়া পর্যন্ত)

➡️ যদি ঋতুমতী না হয় (অল্প বয়স / বয়স বেশি / অসুস্থতা)

তিন মাস

➡️ যদি গর্ভবতী হয়

প্রসব হওয়া পর্যন্ত

২) স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দত

স্বামীর মৃত্যু হলে চার মাস দশ দিন (৪ মাস ১০ দিন)
যদি স্ত্রী গর্ভবতী থাকে— তাহলে প্রসব হওয়া পর্যন্ত, যদিও সময় ৪ মাস ১০ দিনের কম বা বেশি হতে পারে।

৩) বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার আগে তালাক

যদি বিয়ের পর স্ত্রীকে স্পর্শ করা (সহবাস) না হয়, তাহলে ইদ্দত নেই।
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

তালাকের প্রকারভেদ⭐ এক. দেয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী তালাক১. তালাক-এ-সুন্নি (সুন্নত অনুযায়ী তালাক)এটি শরীয়তসম্মত ও সর্বোত্তম ...
25/03/2026

তালাকের প্রকারভেদ

⭐ এক. দেয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী তালাক

১. তালাক-এ-সুন্নি (সুন্নত অনুযায়ী তালাক)

এটি শরীয়তসম্মত ও সর্বোত্তম পদ্ধতি।
এর দুই রকম—

(ক) তালাক-এ-আহসান (সর্বোত্তম পদ্ধতি)

স্বামী স্ত্রীকে একটি তালাক উচ্চারণ করবে

স্ত্রী পবিত্রতার (হায়েজ-মুক্ত) সময় থাকবে

স্ত্রীকে সংরক্ষণ করবে, কোনো দাম্পত্য সম্পর্ক করবে না

ইদ্দত শেষে সম্পর্ক সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে

➡️ এতে রুজুর সুযোগ থাকে ইদ্দতের মধ্যে।

(খ) তালাক-এ-হাসান

তিনটি পৃথক মাসে, প্রতিমাসে একটি করে মোট তিন তালাক দেওয়া

প্রতিটি তালাক হায়েজ-মুক্ত অবস্থায় দিতে হবে

তিনবারের পর স্ত্রী বায়েন হয়ে যাবে

২. তালাক-এ-বিদ’য়ি (বিদআতী বা নিষিদ্ধ পদ্ধতির তালাক)

শরীয়তের বিরুদ্ধাচরণকারী পদ্ধতি।
যেমন—

একসাথে তিন তালাক (একদিনে, এক মজলিসে)

হায়েজ চলাকালে তালাক

একই পবিত্রতায় বহু তালাক

➡️ গুনাহ, তবে অধিকাংশ ফিকহ মতে বৈধ বলে গণ্য হয়।

⭐ দুই. বৈধতা ও প্রভাব অনুযায়ী তালাক

১. তালাক রাজই (তালাক-এ-রাজউ)

একটি বা দুটি তালাক

ইদ্দতের মধ্যে স্বামী আবার রুজু করতে পারে

নতুন করে নিকাহের প্রয়োজন নেই

২. তালাক বায়েন

এই তালাকের পর স্বামী রুজু করতে পারে না।
দুই ধরনের—

(ক) বায়েন সুরঘা (ছোট বায়েন)

স্বামী একবারে বায়েন তালাক দিলে

অথবা স্বামী তালাক দেয়নি, কিন্তু স্ত্রী খোলা নিয়ে আলাদা হলে
➡️ পুনরায় সম্পর্ক করতে হলে নতুন নিকাহ করতে হবে।

(খ) বায়েন কুবরা (বড় বায়েন)

এক সঙ্গে তিন তালাক

বা তিন মাসে তিন তালাক সম্পন্ন করলে
➡️ পুনরায় মিলতে চাইলে স্ত্রীকে হালালাহ (শরীয়তসম্মত, উদ্দেশ্যমুক্ত নতুন বিবাহ, তারপর বিচ্ছেদ) করতে হবে।

⭐ তিন. উভয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিচ্ছেদ

১. তালাক (স্বামীর পক্ষ থেকে বিচ্ছেদ)

স্বামীর একতরফা সিদ্ধান্তে তালাক দেওয়া।

২. খোলা (স্ত্রীর পক্ষ থেকে বিচ্ছেদ)

স্ত্রী স্বামীর কাছে বিচ্ছেদ চাইবে

বিনিময়ে কিছু ফেরত দিতে পারে

স্বামী সম্মতি দিলে খোলা成立
➡️ এটি বায়েন সুরঘা তালাক হিসেবে গণ্য।

৩. ফাসখ (কাজী বা শরিয়ত আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ)

যদি স্বামী—

নির্যাতন করে

ভরণ-পোষণ না দেয়

নিখোঁজ বা অক্ষম হয়

দাম্পত্য জীবন অসম্ভব করে তোলে

তখন কাজী বিবাহ বাতিল করতে পারেন।
➡️ এটিও তালাক-এ-বায়েন ধরা হয়।

সারসংক্ষেপ

ইসলামে তালাকের মূল ৩ বিভাগ—

সুন্নি তালাক (আহসান ও হাসান)

বিদআতী তালাক

শরীয়তসম্মত বিচ্ছেদের অন্যান্য ধরন—রাজই, বায়েন, খোলা, ফাসখ
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

ইসলামে তালাকের উদ্দেশ্য১. দাম্পত্য কলহ ও অশান্তি থেকে মুক্তিযখন স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, অত্যাচার, মানসিক কষ্ট...
25/03/2026

ইসলামে তালাকের উদ্দেশ্য

১. দাম্পত্য কলহ ও অশান্তি থেকে মুক্তি

যখন স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, অত্যাচার, মানসিক কষ্ট বা অনৈক্য এত বেশি হয়ে ওঠে যে শান্তিপূর্ণ জীবন অসম্ভব—তখন তালাক একটি বৈধ উপায়।

২. জুলুম বা ক্ষতি প্রতিরোধ

যদি এক পক্ষ অন্য পক্ষকে নির্যাতন, অবহেলা বা মানসিক যন্ত্রণা দেয়, তখন তালাক তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদী কষ্ট থেকে বাঁচায়। এটা ইসলামি আইন অনুযায়ী ক্ষতি দূর করার একটি মাধ্যম।

৩. অন্যায় সম্পর্ক বা হারাম থেকে রক্ষা

দাম্পত্য সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা, ভালোবাসা ও দায়িত্ব না থাকলে মানুষ হারাম পথে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। তালাক সেই হারাম থেকে বাঁচার একটি বৈধ পথ।

৪. পরিবার ও সন্তানদের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি

নিরন্তর ঝগড়া, অপমান বা সহিংসতার মধ্য দিয়ে সন্তানদের লালন-পালন করলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তালাক কখনও কখনও তাদের জন্যও সুরক্ষা।

৫. নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ

দাম্পত্য মিল না হলে ইসলাম মানুষকে অনির্দিষ্ট কষ্ট, হতাশা ও বন্ধনহীনতার মধ্যে আটকে রাখে না।
তালাক উভয়কে নতুনভাবে জীবন গঠনের সুযোগ দেয়।

৬. ইসলামী পরিবার ব্যবস্থাকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখা

বিবাহ যেমন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ভিত্তি, ঠিক তেমনি বিচ্ছেদ কখনও কখনও সেই কাঠামোকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।

সারসংক্ষেপ

ইসলামে তালাক কোনো শাস্তি নয়—বরং অসহনীয় বৈবাহিক সমস্যার ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক সমাধান।
যতক্ষণ দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব, ইসলাম তা করতে বলে;
আর যখন টিকিয়ে রাখা ক্ষতি ও জুলুম সৃষ্টি করে—তখন তালাক একটি দয়া ও বিকল্প হিসেবে অনুমোদিত।
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

ইসলামে দেনমোহরের বিধান১. দেনমোহর ফরজ ও অপরিহার্যকোরআন পরিষ্কারভাবে নির্দেশ দিয়েছে—"তোমরা নারীদের মহর স্বেচ্ছাপূর্বক দান...
25/03/2026

ইসলামে দেনমোহরের বিধান

১. দেনমোহর ফরজ ও অপরিহার্য

কোরআন পরিষ্কারভাবে নির্দেশ দিয়েছে—
"তোমরা নারীদের মহর স্বেচ্ছাপূর্বক দান কর।" (সূরা নিসা: ৪)

অর্থাৎ মহর নির্ধারণ করা এবং প্রদান করা স্বামীর ওপর বাধ্যতামূলক (ওয়াজিব)।

২. দেনমোহরের পরিমাণ

ইসলামে মহরের নূন্যতম কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই।

সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়—সোনা, টাকা, সম্পদ, গহনা, সম্পত্তি, এমনকি কোনো উপকারী কাজও হতে পারে।

খুব বেশি মহর নির্ধারণ করে কষ্ট সৃষ্টি করার বিষয়ে নবী ﷺ নিরুৎসাহিত করেছেন।

৩. দেনমোহরের ধরন

(ক) মহর মুসাম্মা (নির্ধারিত মহর)

বিবাহের সময় উভয়ের সম্মতিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ মহর ঠিক করা।

(খ) মহর মিসল (তুলনামূলক মহর)

বিবাহের সময় মহর ঠিক না করা হলে স্ত্রী তার পরিবারে প্রचलিত মহর অনুযায়ী প্রাপ্য।

৪. কখন দেনমোহর প্রদান করতে হয়

(ক) তৎক্ষণাৎ (মহর মো‘জ্জাল)

বিবাহের সময় বা অল্পসময়ে প্রদান করা।

(খ) বিলম্বিত (মহর মুওয়াজ্জাল)

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময়ে বা চাহিদা অনুযায়ী দেওয়া হয়।

তালাক বা মৃত্যু ঘটলে বিলম্বিত মহর অবিলম্বে পাওনা হয়ে যায়।

৫. স্ত্রীর পূর্ণ অধিকার

স্ত্রী মহর পাওয়ার পর সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তা ব্যবহার, দান, বিক্রি বা সংরক্ষণ করতে পারে।

স্বামীর কোনো অধিকার নেই মহর ফেরত নেওয়ার বা হস্তক্ষেপ করার।

৬. মহর না দিলে বিবাহ বাতিল হয় কি?

না, মহর না দিলেও বিবাহ বাতিল হয় না, তবে স্বামীর ওপর মহর শোধ করা ওয়াজিব থেকে যায়।

ইচ্ছাকৃতভাবে মহর আটকে রাখা গুরুতর গুনাহ।

৭. দেনমোহর মাফ করা

স্ত্রী চাইলে স্বেচ্ছায় তার মহর পুরো বা আংশিক ক্ষমা করতে পারে।

কাউকে চাপ দিয়ে মহর মাফ করানো হারাম।

৮. মৃত্যু বা তালাকের ক্ষেত্রে

স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রী বিলম্বিত মহর তার মীরাসের বাইরে আলাদা পাওনা হিসেবে পাবে।

তালাক হলে, স্ত্রীর অধিকার অনুযায়ী মহর আদায় করা ফরজ।

সারসংক্ষেপ

দেনমোহর স্ত্রীকে সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রদানের ইসলামী প্রথা। এটি বাধ্যতামূলক এবং বিবাহের অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্বামী যদি দেনমোহর দিতে গাফিলতি করে, তবে সে জুলুমকারী হিসেবে গণ্য হয়।
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

বিবাহ শরীয়তসম্মত হওয়ার প্রধান শর্তসমূহ১. প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কাবুল)বর ও কনের পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে প্রস্তাব ও গ্...
25/03/2026

বিবাহ শরীয়তসম্মত হওয়ার প্রধান শর্তসমূহ

১. প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কাবুল)

বর ও কনের পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে প্রস্তাব ও গ্রহণ হতে হবে।

একই বৈঠকে ইজাব–কাবুল হতে হবে।

২. বালিগ ও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া

বিবাহে অংশগ্রহণকারী উভয়ই বালিগ, সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন এবং নিজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্য হতে হবে।

৩. অভিভাবকের (ওয়ালির) অনুমতি

নারীর বিবাহে তার ওয়ালির (পিতা/অভিভাবক) অনুমতি অধিকাংশ আলেমের মতে শর্ত।

হানাফি মাযহাবে বালিগা নারীর জন্য ওয়ালির অনুমতি শর্ত নয়; তবে পরামর্শযোগ্য।

৪. সাক্ষীর উপস্থিতি

দুইজন ন্যায়পরায়ণ পুরুষ সাক্ষী বা

একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষী থাকা আবশ্যক।

৫. মহর নির্ধারণ

কনের জন্য মহর নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক।

মহরের পরিমাণ কম বা বেশি—উভয়ই বৈধ, তবে সম্মত হওয়া জরুরি।

৬. বিবাহে বাধা নেই এমন নিশ্চিত হওয়া

উভয়ের মধ্যে শরীয়তসম্মত কোনো বিবাহ-নিষিদ্ধ সম্পর্ক (মাহরাম সম্পর্ক) থাকা যাবে না।

ইদ্দতের মধ্যে থাকা নারীকে বিয়ে করা বৈধ নয়।

অন্য কারো স্ত্রী হলে অবশ্যই বিবাহ অবৈধ।

৭. স্বেচ্ছায় সম্মতি

জোরজবরদস্তি বা চাপ দিয়ে বিবাহ করানো বৈধ নয়।

বর–কনে উভয়ের স্বেচ্ছাসম্মতি থাকা জরুরি।

৮. বৈধ উদ্দেশ্য

বিবাহ শুধুমাত্র বৈধ সম্পর্ক স্থাপন ও বৈধ জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে হওয়া উচিত; হারাম উদ্দেশ্যে (যেমন সাময়িক “মুত'আ বিয়ে”) বৈধ নয়।
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

বাংলাদেশে বিবাহ সম্পর্কিত আইন (Marriage Laws in Bangladesh)বাংলাদেশে বিবাহের আইন ধর্ম অনুযায়ী ভিন্ন হলেও, সবচেয়ে প্রচলিত...
25/03/2026

বাংলাদেশে বিবাহ সম্পর্কিত আইন (Marriage Laws in Bangladesh)

বাংলাদেশে বিবাহের আইন ধর্ম অনুযায়ী ভিন্ন হলেও, সবচেয়ে প্রচলিত হলো মুসলিম বিবাহ আইন। নিচে সাধারণ ও মুসলিম পারসোনাল ল’ অনুযায়ী বিবাহের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হলো।

🔹 মুসলিম বিবাহ আইন (Muslim Marriage Law)

বাংলাদেশে মুসলিমদের বিবাহ Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এবং Shariat Law অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

১️⃣ বিবাহের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত

বৈধ মুসলিম বিবাহ সম্পন্ন হতে যে শর্তগুলো বাধ্যতামূলক—

✔ ইজাব ও কবুল (Offer & Acceptance)

উভয় পক্ষকে স্পষ্টভাবে প্রস্তাব ও গ্রহণ করতে হবে

কোনো জোরজবরদস্তি হলে বিবাহ বৈধ নয়

✔ সাক্ষী

দুই জন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ সাক্ষী
অথবা

একজন পুরুষ + দুইজন মহিলা সাক্ষী

✔ উভয়ের সম্মতি

স্বেচ্ছায় সম্মতি ছাড়া বিবাহ সম্পন্ন করা অবৈধ

✔ বয়স

বাংলাদেশে বৈধ বিবাহের বয়স—

পুরুষ: ২১ বছর

নারী: ১৮ বছর
(Child Marriage Restraint Act অনুযায়ী)

✔ কাবিননামা (Nikahnama)

বিবাহের কাগজ বা দলিল, যেখানে থাকে—

দেনমোহর

শর্তাবলী

তালাকের অধিকার (তালাক-ই-তাওফিজ)

উভয় পক্ষের স্বাক্ষর/ছাপ

📌 কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। নতুবা আইনি জটিলতা হতে পারে।

২️⃣ দেনমোহর (Dower)

দেনমোহর হলো স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর অধিকার।

বিবাহের সময় নির্ধারণ করতে হবে

এটি স্ত্রীর সম্পূর্ণ অধিকার

তালাক হলেও স্ত্রী দেনমোহর পাবেন

৩️⃣ নিষিদ্ধ বিবাহ (Prohibited Marriages)

নিম্ন সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ বৈধ নয়—

বোন, খালা, ফুফু, মা, দাদি-নানি

ভাই, চাচা, মামা

দুধ সম্পর্ক (Breast-feeding relation)

৪️⃣ দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কিত আইন (Polygamy Law)

স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে—

ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে

প্রথম স্ত্রীকে নোটিশ দিতে হবে

অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে কারাদণ্ড/জরিমানা হতে পারে

৫️⃣ অপ্রাপ্তবয়স্ক বিয়ে (Child Marriage)

Child Marriage Restraint Act, 2017 অনুযায়ী—

ছেলে ২১ ও মেয়ে ১৮ বছরের নিচে বিয়ে করলে তা শাস্তিযোগ্য

অভিভাবক ও কাজী—উভয়ের শাস্তির বিধান আছে

৬️⃣ বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন

কাবিন রেজিস্ট্রার (কাজী) কর্তৃক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

রেজিস্ট্রেশন না করলেও বিবাহ ধর্মীয়ভাবে বৈধ,
✔ কিন্তু আইনি প্রমাণ হিসেবে অবৈধ বা অগ্রহণযোগ্য হতে পারে

৭️⃣ জোরপূর্বক বিবাহ (Forced Marriage)

জোর করে, ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণা করে বিবাহ করানো আইনত দণ্ডনীয়।
এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন।

📌 সংক্ষেপে: বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন

✔ পারস্পরিক সম্মতি
✔ প্রাপ্তবয়স্ক বয়স
✔ সাক্ষী
✔ ইজাব-কবুল
✔ রেজিস্ট্রেশন
✔ দেনমোহর নির্ধারণ

🔚 শেষ কথা

বিবাহ শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়—এটি একটি আইনি চুক্তি। তাই এর নিয়মগুলো জানা থাকলে—
✔ অধিকার বোঝা সহজ হয়
✔ ভবিষ্যতে জটিলতা কমে
✔ সম্পর্ক আরও সুস্থ ও সুন্দর থাকে।
#ম্যারেজ রেজিস্টার
#রেজিস্টার

01635-513696
নরসিংদী বড় বাজার সি.এন্ড.বি রোড ইসলামী ব্যাংকের বিপরীত পাশে

Address

Satirpara Narsingdi Sadar
Narsingdi
1600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Md Wasif Mollah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share