Dr.Rubia Khatun Ruby

Dr.Rubia Khatun Ruby Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Rubia Khatun Ruby, Obstetrician-gynaecologist, Natore.

এমবিবিএস,বিসিএস,এম.এস,সহকারী অধ্যাপক(গাইনী এন্ড অবস),১.দ্যা ইউনাইটেড স্পেশালাইজড হাসপাতাল,চকরামপুর ২.রয়েল হাসপাতাল,কানাইখালী,নাটোর।
রবিবার মংগলবার বুধবার ও শুক্রবার(বিকাল ৪ টা -রাত ৮ টা)

নিজ হাতে কেক বানিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলেন কুলসুম আন্টি।কারণ তিনি দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন।কুলসুম আন্টি,আমার ভাগ্নী সুমনা...
19/08/2026

নিজ হাতে কেক বানিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলেন কুলসুম আন্টি।কারণ তিনি দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন।

কুলসুম আন্টি,আমার ভাগ্নী সুমনার ননাস,পেশায় স্কুল শিক্ষিকা।

কয়েকমাস আগের কথা।আন্টির একমাত্র ছেলে,বয়স ৫ বছর। দ্বিতীয় বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন অনেকদিন ধরে।কনসিভ হচ্ছিল না।আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে জরায়ুতে টিউমার ধরা পড়েছে।সাইজ প্রায় ৬*৭ cm. অনেক জায়গায় দেখানোর পরে আমার কাছে আসলেন।আলহামদুলিল্লাহ ২/৩ মাসের চেষ্টায় সফল হলেন।টিউমার থাকার জন্য গর্ভকালীন যত রকম জটিলতা হতে পারে সমস্ত কাউন্সেলিং করে নিয়েছিলাম।আন্টি খুবই সচেতন একজন রোগী।পুরো গর্ভকালীন সময়ে অসংখ্যবার আমার কাছে এসেছেন, ধৈর্য্যসহকারে আমার সমস্ত পরামর্শ মেনে চলেছেন।

অবশেষে চলে আসল ডেলিভারির সময়।আমাদের প্ল্যান ছিল সিজার প্লাস জরায়ুর টিউমার একসাথে অপসারন করা।অপারেশনের সময়ে দেখা গেল জরায়ুতে একটা নয়,দুইটা টিউমার সাইজ ৫*৬ ও ৬*৭ cm।একটা posterior wall এ আর আরেকটা posterolateral wall এ broad ligament এর খুব কাছে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায়। সিজারের সময়ে এই টিউমার রিমুভ করা খুব ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করলাম। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে দুইটা টিউমারই সফলভাবে অপসারন করতে সক্ষম হই।

পুরো অপারেশন সময়ে রোগীর ভাইটালস নিয়ন্ত্রণ করছিলেন এনেস্থিসিয়া ডাক্তার সহযোগী অধ্যাপক ডা.আব্দুস সালাম স্যার।

ধন্যবাদ এনেস্থিসিয়া স্যার সহ আমার পুরো টিমকে ও দ্যা ইউনাইটেড স্পেশালাইজড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

Nothing is comparable with father's love.প্রিয় বাবার কাছে প্রতিশ্রুত বিনামূল্যে রোগী দেখা কর্মসূচির কথা শুনে একবাক্যে রা...
11/07/2026

Nothing is comparable with father's love.প্রিয় বাবার কাছে প্রতিশ্রুত বিনামূল্যে রোগী দেখা কর্মসূচির কথা শুনে একবাক্যে রাজি হয়েছিলেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা.জুয়েল হক এম.ডি (মেডিসিন)। জুয়েল ভাই ২০১৪ সাল থেকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে আমার পোস্টগ্রাজুয়েশন কোর্সমেট।

আরো ছিলেন ভাগ্নে ডেন্টাল সার্জন ডা.শরিফুল ইসলাম,স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী,বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত।

আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী নাটোর ইনফো এপের Hafez Mehedi Hasan ও সাথে ছিলেন।

ধন্যবাদ কামরুল হাসান, জানে আলম হাসু ভাই ও নাটোর রয়েল হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট সবাইকে, এত সুন্দর করে প্রোগ্রাম আয়োজন করে দেবার জন্য।

২০১২ সালে এমবিবিএস শেষ হল।আমার শিক্ষানুরাগী আব্বার কড়া নির্দেশনা ছিল আমি যেন উচ্চতর ডিগ্রী শেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসে...
07/07/2026

২০১২ সালে এমবিবিএস শেষ হল।আমার শিক্ষানুরাগী আব্বার কড়া নির্দেশনা ছিল আমি যেন উচ্চতর ডিগ্রী শেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে নাটোরবাসীকে সেবা দেই।সেই থেকে ঢাকায় থাকা।এরপর ২০১৪ সালে উচ্চতর ডিগ্রী এম.এসে ভর্তি হই আর একই সালে জীবনের প্রথম বিসিএসে নঁওগা বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করি।এরপর বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল,শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,সবশেষে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রশিক্ষণ শেষে উচ্চতর ডিগ্রী শেষ হয়।

অস্ট্রেলিয়া,সুইডেনে প্রতিষ্ঠিত জীবনের হাতছানি ছিল।ঢাকায় থাকার সুযোগ ছিল।সব উপেক্ষা করে ফিরে আসলাম নিজের জন্মস্থানে।কিন্তু যার জন্য ফিরে আসলাম,সে মানুষটা তখন আর নাটোরে নাই।উচ্চতর ডিগ্রীর শেষ পরীক্ষার ঠিক ১৫ দিন আগে ৯ জুলাই,২০২৩ সালে আব্বা আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন।

আগামী ৯ জুলাই আব্বার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।সবাই আমার আব্বার জন্য দোয়া করবেন। "রব্বির হামহুমা কামা রব্বা ইয়ানী ছগীরা!!"

প্রিয় আব্বার জন্য দোয়ার অংশ হিসেবে আগামী শুক্রবার (১০ জুলাই,২০২৬) কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করব আমি,সাথে আছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা.জুয়েল হক ভাই ও ভাগ্নে দন্ত্যচিকিৎসক ডা.শরিফুল ইসলাম।
আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন,আমিন!!!

ঢাকা ছেড়ে নির্বাসনে আছি প্রায় বছর তিনেক।নিজ জেলায় চেম্বার করার সুবাদে আত্মীয়, ভাগ্নী, ভাগ্নে বউ,কাজিন,বন্ধু-পত্নী সহ অসং...
17/06/2026

ঢাকা ছেড়ে নির্বাসনে আছি প্রায় বছর তিনেক।নিজ জেলায় চেম্বার করার সুবাদে আত্মীয়, ভাগ্নী, ভাগ্নে বউ,কাজিন,বন্ধু-পত্নী সহ অসংখ্য স্বজনের অপারেশন করেছি।এই প্রথম স্কুলের বান্ধবী তৃপ্তি রানী চেম্বারে এসেছিল তাঁর ছেলে বউকে নিয়ে।পুরোটা সময় আমাদের বৌমাকে গর্ভকালীন চেক-আপ করে নিজ হাতে সিজারিয়ান ডেলিভারি করে দাদী হবার সৌভাগ্য অর্জন করলাম।আমাদের নাতিটাকে সবার দোয়ায় রাখবেন।ছবিতেঃআমার পেছনে বান্ধবী তৃপ্তি,তার পেছনে সিজারের ২য় দিনে হাস্যজ্জ্বল বৌমা ও ছেলে কৃষ্ণ।

https://drrubiakhatunruby.blogspot.comThis is my official website.I always find some kind hearts in every steps of my li...
24/05/2026

https://drrubiakhatunruby.blogspot.com

This is my official website.I always find some kind hearts in every steps of my life who unconditionally love and support me. The Owner of Natore Info App " Hafez Mehedi Hasan" is one of them.

I'm grateful to you Md Mehedi Hasan for your kind efforts to make this website.

Here,you find my chamber details,can give serials for patients directly to the hospital number and can read different health related articles.

বন্ধ্যাত্ব, গাইনী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।

আবাসিক সার্জন,২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল,পাবনা।শুরু হলো কর্মজীবনের আরেক অধ্যায়।দোয়াপ্রার্থী!!
13/05/2026

আবাসিক সার্জন,২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল,পাবনা।শুরু হলো কর্মজীবনের আরেক অধ্যায়।দোয়াপ্রার্থী!!

06/04/2026

লেখকঃRatin mondol
যে ভুলের কারণে মাকে হারিয়েছি.....

আমার মায়েরা ৮ বোন। ২০০৮ সালের দিকে আমার ছোট মাসির ওভারিয়ান ক্যান্সার ধরা পড়ে। আমি তখন এমবিবিএস পাস করেছি। রংপুর মেডিকেলে ট্রেনিং করি এফসিপিএস এর। মাসি তখন খুব অসুস্থ। পেটে প্রচুর পানি জমে। কয়েকদিন পর পর পানি বের করতে হয়। মাসি একদমই নড়াচড়া করতে পারেন না। আমি ৭ দিন পর পর পেটের পানি বাসায় গিয়ে বের করি। শেষের দিনগুলোতে পানি বের হতো না, রক্ত কমে যেতো। এসব দেখে আমি খুব ভয় পেতাম। ভাবতাম আমার মায়ের যদি এমন হয়। বিভিন্ন ভাবে জেনেছি আমার আরো ২ মাসি ওভারিয়ান ক্যান্সারে মারা গেছেন। আমি প্লান করে রেখেছিলাম মার অপারেশন করে ওভারিগুলো কেটে ফেলবো। কিন্তু এরপর আমি ভুলে যাই। এই ভুল আমার মাকে আমার জীবন থেকে কেড়ে নেয়।

২০১৩ সালে মা একবার অসুস্থ হোন, খুবই অসুস্থ। চরম এক যুদ্ধের পর মা সুস্থ হোন। আমি ভেবেছিলাম এরপর আর মার কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু ২০১৬ সাল, অক্টোবর মাস, মা ফোনে বলল- পেট ভরা ভরা লাগে, ক্ষুধা লাগে না। আমি রংপুরে আসতে বলি, মা ৭ দিন পর আসতে চায়, এরপর বলে- তুই ইন্ডিয়া থেকে ঘুরে আয় তারপর যাবো, এরপর বলে দুর্গাপূজার পর যাবো। এভাবে ২৫ দিন পর মা আসেন। আল্ট্রা করেই বোঝা যায় মার পেটে পানি জমেছে। এটা দেখেই আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। আমার মনে আছে সেদিন ছিল বুধবার, এরপর মায়ের পেটের সিটিস্ক্যান করা হয়, পেটের পানি বের করা হয়। পেটের পানির পরীক্ষা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে পেটের পানির প্রাথমিক রিপোর্ট আসে যক্ষা রোগের মতো। আমি খুশিতে আত্নহারা হয়ে যাই। শুক্রবার সকালে মাকে যক্ষার ঔষধ খাওয়াই। এরপর মাকে নিয়ে মন্দিরে যাই। দুপুর ১টায় ডাঃ আহসান হাবিব স্যার পেটের পানি আবারো টেস্ট করে আমাকে ফোন দেন, ভয়ে ভয়ে ফোন ধরি। স্যার জানান- পেটের পানিতে ক্যান্সার সেল পাওয়া গেছে। এরপরও আমি আশায় থাকি, মার অপারেশনের পর বায়োসপি ঢাকায় পাঠানো হয়। আমি শিউর হবার জন্য ২ জায়গায় রিপোর্ট করাই। আমার ইমেইলে বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে। আমি তখনো আশায় ছিলাম পূর্বের সব রিপোর্ট ভুল প্রমাণ করে বায়োপসিতে যক্ষা আসবে। ভয়ে ভয়ে ইমেইল খুললাম- আমার সব আশা নিরাশায় পরিণত হলো। মার পৃথিবীতে বেঁচে থাকার দিন গোনা শুরু হলো।

মা চলে গেছেন অনেকদিন হলো। আমার ভুলগুলো আমাকে খুবই পীড়া দেয়। মনে হয় একটা যদি সুযোগ পেতাম যে কোন কিছুর বিনিময়ে হলেও সব ভুল শোধরায়ে মাকে ফিরিয়ে আনতাম।

আমার দিদিদের আর সে ভুল করতে দেই নাই। দিদিদের মেনোপজ হবার পরই দুজনের ওভারি অপারেশন করে নিয়েছি।

যাদের পরিবারে ওভারিয়ান বা স্তন ক্যান্সার আছে তারা মায়ের, বোনের যত্ন নিন। তাদের ক্যান্সার স্ক্রিনিং করুন। চিকিৎসকের পরামর্শমতো ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিন।

30/03/2026

/হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা

★Measles (মিজেলস) কী?

এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি হয়, যদিও বয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারে।

★ কিভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে; সুস্থ মানুষ এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে।

ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস‑প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘন্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে।

একই ঘরে থাকলে প্রায় ৯০% অকার্যকরী টিকা‑নেওয়া বা ইমিউনিটি নেই/ কম এমন মানুষ সংক্রমিত হবে।

সংক্রমণ ক্ষমতা খুব বেশি, আক্রান্ত ব্যক্তি একাই প্রায় ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে যদি ভ্যাকসিন না নেয়।

★ উপসর্গ (Symptoms)

সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়।

১) জ্বর
২) কাশি এবং শ্বাসকষ্ট
৩) নাক দিয়ে পানি বের হওয়া
৪) চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া (conjunctivitis)
৫) মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
— এগুলি র‌্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়।

র‌্যাশ — প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে।

** র‌্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র‌্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে।

★ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ

১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) শিশুদের মধ্যে ০–৫ বছর
৩) অপুষ্ট শিশু
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী
এরা কম‑বেশি জটিলতায় পড়তে পারে।

★ জটিলতা

১) ফুসফুসের সংক্রমণ (Pneumonia)
২) কানের সংক্রমণ
৩) মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
৪) দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি
৫) খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) – কয়েক বছর পরে মস্তিষ্কের জটিল রোগ ঘটায়।

★করণীয়

Measles (হাম) হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়।তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।

১)আলাদা /Isolate রাখুন
২)জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন- প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
৩)পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন(পানি, স্যালাইন,সহজপাচ্য খাবার- খিচুড়ি, স্যুপ,ফল হিসেবে কলা, ভাতের সাথে ১ পিস লেবু, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হলে ডাবের পানি)
৪) Vitamin A ক্যাপসুল Measles চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়াবেন।
*** ৫ বছর পর্যন্ত Measles উপসর্গ না থাকলেও যে সকল শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায় নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।
৫)বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন :
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
খাওয়া বা পানি পান বন্ধ
কান ব্যথা বা কানে পুঁজ
জ্বর ৪–৫ দিনের বেশি থাকলে

★ প্রতিরোধ
টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

১) Measles, Mumps & Rubella (MMR) ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।

২) বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী- MR (Measles, Rubella) vaccine দেওয়া হয়।

সাধারণত
১) প্রথম ডোজ: ৯ মাস বয়সে
২) দ্বিতীয় ডোজ: ১৫ মাস বয়সে

দুই ডোজ ভ্যাকসিন আনুমানিক ৯৭% কার্যকর। কমপক্ষে ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগের সম্প্রসারণ রোধ করা যায় — একে বলা হয় Herd Immunity।

*****WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক।

(রেগুলার স্কুল, এক্সট্রা কারিকুলার শিক্ষার জায়গা-- আর্ট, গান, কারাতে ইত্যাদিতে (ভর্তির
সময়) ভ্যাক্সিন কার্ডের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করার মত ব্যবস্থা সরকার নিতে পারেন)

★ বিশেষ পরিস্থিতি

***Outbreak এর সময় ৬ মাসের শিশুরাও টিকা পেতে পারে (বুস্টার হিসেবে)।

*****CATCH UP vaccination- যারা পূর্বে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেন নি- তারা অতিসত্ত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

★ সতর্কতা জনসাধারণের জন্য :

১) রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা
২) হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা- মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদেরকে জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা

★★★স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় :

১) ২ ডোজ MR/MMR টিকা নেওয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
২) সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন ও হাত ধুবেন (Hand hygiene maintenance)।
৩) Measles রোগী isolate/ আলাদা রাখা জরুরি।
৪) Exposure হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
- টিকা নেওয়া থাকলে: ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন
- টিকা না থাকলে: ৭২ ঘন্টার মধ্যে MR/MMR vaccine নিন
৫) উপসর্গ হলে isolate/ আলাদা থাকুন।

??? অনেকে টিকা পাওয়া স্বত্ত্বেও কেন Measles হচ্ছে এইটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা দরকার!!

ডা. আসসাদে তারান্নুম,
এমবিবিএস(ডিএমসি),
বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য)।

Address

Natore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rubia Khatun Ruby posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share