Modern Diagnostic Home

Modern Diagnostic Home Modern Diagnostic Home is one of the Best Diagnostic Center in Pabna. Modern Diagnostic Home is a diagnostic center with state-of-the-art medical facilities.

মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোম পাবনার অন্যতম সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মডার্ন ডায়াগনস্টিক হোম হল একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যা রোগীদের জন্য বিস্তৃত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবাগুলি তাদের নিজের প্রতিষ্ঠানে অফার করে৷ সর্বশেষ প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম সহ, আমাদের দক্ষ পেশাদারদের দল পরীক্ষাগার পরিষেবা, ইমেজিং এবং টেলিমেডিসিন পরামর্শ সহ সঠিক এবং দক্ষ ডায়গনিস্টিক পরীক্ষা প্রদান কর

ে। আমাদের লক্ষ্য হল স্বাস্থ্যসেবাকে আমাদের রোগীদের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সুবিধাজনক করে তোলার পাশাপাশি গুণমান এবং নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা। আপনার সমস্ত ডায়াগনস্টিক প্রয়োজনের জন্য আধুনিক ডায়াগনস্টিক হোমে চলে আসুন আজই। সপ্তাহে ৭ দিন পাচ্ছেন আমাদের সেবা।

Mordern Diagnostic Home is one of the best diagnostic center in Pabna. which offers a wide range of diagnostic services to patients at their own institutions With the latest technology and equipment, our team of skilled professionals provides accurate and efficient diagnostic tests including laboratory services, imaging and telemedicine consultations. Our mission is to make healthcare more accessible and convenient for our patients while maintaining the highest standards of quality and safety. Visit Modern Diagnostic Home for all your diagnostic needs today. Our service is available 7 days a week.

মাসিক গর্ভাবস্থার লক্ষণ - গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়, যা জানা জরুরি। আসুন জেনে নিই প্রতি মাসে কী ...
16/04/2026

মাসিক গর্ভাবস্থার লক্ষণ -
গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়, যা জানা জরুরি। আসুন জেনে নিই প্রতি মাসে কী কী লক্ষণ দেখা যায়-

প্রথমমাসের লক্ষণ: স্তন ফুলে যাওয়া এবং ব্যথার সাথে ক্লান্তি, অস্বস্তি এবং বমি হওয়া গর্ভাবস্থার প্রথম মাসের লক্ষণ।
দ্বিতীয় মাসের লক্ষণ: খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং মেজাজের পরিবর্তন গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় মাসের লক্ষণ।
তৃতীয় মাসের উপসর্গ: ওজন বেড়ে যাওয়া এবং পেট বেড়ে যাওয়া তৃতীয় মাসের লক্ষণ। এই অবস্থায় শারীরিক পরিবর্তন ঘটে।
চতুর্থ মাসের লক্ষণ: পেটে শিশুর নড়াচড়া অনুভব করা এবং মুখে উজ্জ্বলতা দেখা গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাসের লক্ষণ।
পঞ্চম মাসের লক্ষণ: এই অবস্থানে, শিশুর নড়াচড়া আরও স্পষ্ট হবে এবং মহিলারা আরও ক্লান্তি অনুভব করবেন।
ষষ্ঠ মাসের লক্ষণ: গর্ভাবস্থার কারণে শরীরে কিছু পরিবর্তন হয়, যা কিডনিতে ব্যথা করে। এছাড়া অনিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসও গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসের অন্যতম লক্ষণ।
সপ্তম মাসের লক্ষণ: তলপেটে ব্যথা হয়। এতে প্রসব ব্যথার মতো ব্যথা হয়। এই পর্যায়ে প্রসব ব্যথার মতো ব্যথা হয়। এই সময়ে আপনার শরীর আপনাকে প্রকৃত শ্রমের জন্য প্রস্তুত করে। এছাড়া পা, হাত ও মুখমন্ডলের মতো শরীরের অন্যান্য অংশে ফোলাভাব রয়েছে।
অষ্টম মাসের উপসর্গঃ এই সময়ে নারীর শরীরে নড়াচড়ার কারণে স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই সময়ের মধ্যে, আপনাকে আপনার ডাক্তারের সাথে অবিরাম যোগাযোগ রাখতে হবে।
নবম মাসের উপসর্গঃ এই সময়ে নিয়মিত প্রসব বেদনা হয়, যার মধ্যে কোমর ও পেটে ব্যাথা থাকে। এর সাথে, মহিলার যোনি থেকে জল বের হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে এটি সন্তানের জন্মের সময়।

সিজারের কতদিন পর নিয়মিত যাতায়াত করা যাবে?সিজারের পর সাধারণত অন্তত ১.৫ মাস শরীরের ওপর চাপ পড়ে এমন কাজকর্ম এড়িয়ে চলার পরাম...
13/04/2026

সিজারের কতদিন পর নিয়মিত যাতায়াত করা যাবে?
সিজারের পর সাধারণত অন্তত ১.৫ মাস শরীরের ওপর চাপ পড়ে এমন কাজকর্ম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কতদিন পর থেকে নিয়মিত যাতায়াত করা যাবে সেই বিষয়ে বাঁধাধরা কোনো নিয়ম নেই।

এক্ষেত্রে যাতায়াতের কারণে শরীরের ওপর কেমন চাপ পড়বে কিংবা ঝাঁকুনি লাগবে কি না—এমন কিছু বিষয় বিবেচনার প্রয়োজন হয়। আপনার যদি সিজারের পর নিয়মিত যাতায়াতের প্রয়োজন হয়, তাহলে হাসপাতাল থেকে ছুটি নেওয়ার আগে এই বিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

উল্লেখ্য, ডেলিভারি-পরবর্তী ৩ মাস পর্যন্ত মায়েদের রক্ত জমাট বেঁধে মারাত্মক জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।[১৭] প্লেন ভ্রমণ ও দূরপাল্লার যাত্রায় এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া সার্জারির পরে প্লেনে ভ্রমণের ব্যাপারে এয়ারলাইন্সেরও বিশেষ নিয়ম-কানুন থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তারি সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হতে পারে। তাই সিজারের পর এই ধরনের যাত্রার পরিকল্পনা করার আগে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়- সঠিক স্বাস্থ্য শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার যদি স্বাস্থ্য প্রয়োজনের...
11/04/2026

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়-
সঠিক স্বাস্থ্য শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার যদি স্বাস্থ্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকে তাহলে ওজনও বেশি থাকবে। আর ওজন বেশি থাকলে শরীরে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন সমস্যা। যেমন: হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পিত্তথলির পাথর, শ্বাসকষ্ট এবং নির্দিষ্ট কিছু প্রকারের ক্যান্সারের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি বাড়ে। অতিরিক্ত স্বাস্থ্যে মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যেমন- উদ্বেগ, বিষণ্নতা ইত্যাদি। আপনার ওজন যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে আপনাকে সুস্থ্য থাকতে সাহায্য করবে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে সহজ উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়-

সঠিক খাবার খাওয়া : স্বাস্থ্যকর ডায়েট ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রথম এবং প্রধান চাবিকাঠি। আপনার খাবারে যদি ক্যালোরির পরিমাণ ঠিক থাকে তাহলেই ডায়েটের জন্য অর্ধেক কাজ শেষ। এছাড়া ফাইবার, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা ওজন বৃদ্ধি রোধ করার একটি দুর্দান্ত উপায়।

ইউনিভার্সিটি অব লিডস-এর সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় আমন্ডকে এমনই একটি খাদ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্রেকফাস্ট হিসেবে যারা আমন্ড খেয়েছে তারা সামগ্রিকভাবে নিজেদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। আমন্ড খাওয়ার কারণে অন্যান্য উচ্চ-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা অনেকটাই প্রশমিত হয়ে যায়। যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যায়াম করা : যদি আপনি ওজন কমাতে চান তাহলে ব্যায়াম করা আবশ্যক। সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিটের একটি ব্যায়ামের রুটিন বজায় রাখা আপনার বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন কমানোর পাশাপাশি, ব্যায়াম পেশীর ভর বৃদ্ধি, বিপাক বৃদ্ধি এবং একটি সুস্থ হৃদয় বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি আপনার শরীরে এন্ডোরফিন বা হ্যাপি হরমোন নিঃসরণ করে যা আপনার মেজাজকে উন্নত করে।

যথাযথ ঘুম : আপনার শরীরের দৈনন্দিন পরিশ্রম থেকে শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। ঘুমের অভাব আপনার বিপাকীয় হার হ্রাস করে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণও হতে পারে। যার কারণে এটি ক্ষুধা বাড়িয়ে দিতে পারে। হরমোনের উৎপাদনে হস্তক্ষেপ করে মানসিক সুস্থতা হ্রাস করতে পারে, যা আপনার অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি করে।

শিশুর বৃদ্ধিতে হরমোনের ভূমিকা - আমরা সবাই জানি, জীবন মানেই বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া। আর এই বৃদ্ধি (Growth) অর্থ শ...
10/04/2026

শিশুর বৃদ্ধিতে হরমোনের ভূমিকা -
আমরা সবাই জানি, জীবন মানেই বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া। আর এই বৃদ্ধি (Growth) অর্থ শারীরিক ও মানসিক উভয়ের বর্ধন, যার বেশির ভাগ অংশই ঘটে থাকে শিশুকালে। তাই তো শিশুর সঠিক বৃদ্ধি না হলে বাবা-মায়ের উদ্বেগের শেষ থাকে না এবং এই অস্থিরতা একেবারেই অমূলক নয়। কারণ বয়স পার হয়ে গেলে আর বৃদ্ধির সুযোগ থাকে না। শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর ও মনের বিকাশ ঘটতে থাকে, যা আমরা সবাই প্রত্যক্ষ করে থাকি।

চিকিৎসকবৃন্দ বিশেষত শিশু বিশেষজ্ঞগণ তাই প্রতিনিয়ত শিশুর বৃদ্ধি পরিমাপ করাকে চিকিৎসার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। আর এই বৃদ্ধি চিরন্তন ও জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও এর পিছনে কাজ করে থাকে অনেকগুলো বিষয়ের যথাযথ সমন্বয়। স্বাভাবিক শিশুর ক্ষেত্রে আমরা হয়তো তা খুব বেশি উপলব্ধি করতে না পারলেও শিশু যখন সঠিকভাবে না বাড়ে তখন কিন্তু কারণ অনুসন্ধান করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।

যেহেতু কারণ না জানলে চিকিৎসা করা যায় না, তাই চিকিৎসা শুরুর আগেই ঠিক ঠিক কারণ জানা খুবই জরুরি। এখন আমরা শিশুর সঠিক বৃদ্ধি না হওয়ার পিছনে দায়ী কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করব এবং সে ক্ষেত্রে হরমোনের প্রভাব কতটা তা জানতে চেষ্টা করব।

শিশুর সার্বিক বৃদ্ধি এক জটিল প্রক্রিয়া, যা বহুবিধ বিষয় দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। জন্মগত ত্রুটি, পারিবারিক অবস্থান, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, অপুষ্টি-এই কারণগুলো আবশ্যিকভাবে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি, বিশেষ করে শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার জন্য দায়ী। পাশাপাশি মানসিক বিকাশের জন্য স্নায়ু রোগ ও মানসিক সমস্যা বিশেষ ক্ষেত্রে কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সর্বোপরি হরমোনজনিত সমস্যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক উভয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা অনেক সময়ই গতানুগতিক চিকিৎসার বাইরে থেকে যায়। সার্বিক এই প্রেক্ষাপটই আমার এই আজকের বিষয় নিয়ে লিখতে প্রেরণা জুগিয়েছে।

গর্ভস্থ শিশুর প্রাথমিক বৃদ্ধির সময় থেকেই শুরু হয় হরমোনের প্রভাব। গর্ভাবস্থায় প্রথম দিকে কিছু হরমোন যেমন, Insulin I Insulin like Growth Factor-1 & 2 এবং পরবর্তীকালে এGlucocorticoid, Growth hormone ও Thyroid hormone শিশুর বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। আর শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে পূর্ণাঙ্গ যুবক হওয়া পর্যন্ত পুরো সময়টার বৃদ্ধি মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় Growth hormone, Thyroid hormone ও Insulin হরমোনের সমন্বিত কার্যক্রমের দ্বারা। এর সঙ্গে জন্মের পর প্রথম বছরের (infancy দ্রুত বৃদ্ধি ও বিকাশে পর্যাপ্ত পুষ্টির পাশাপাশি Insulin like Growth Factor-1 বেশি ভূমিকা রাখে এবং পরবর্তীকালে শিশু বয়স যখন ৯-১০ বছরের কাছাকাছি হয়, তখন বয়ঃসন্ধির puberty) সময় s*x steroid (androgen and estrogen) দ্রুত বৃদ্ধি ঘটিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিষয়গুলো সর্বসাধারণের জন্য একটু জটিল মনে হলেও আশা করি আলোচনা থেকে আমরা সবাই বুঝতে পারলাম যে, শিশুর সার্বিক বৃদ্ধির প্রতিটি পর্যায়ে হরমোনের ভূমিকা কতটা প্রয়োজনীয়। তাই পরিমিত পুষ্টির জোগান ও সময়মতো অন্য রোগের চিকিৎসা যেমন শিশুর বৃদ্ধির জন্য খুবই জরুরি, তেমনি শরীরে হরমোনের সমস্যা থাকলে তার নিরসন ছাড়া কোনো চেষ্টাই ফলদায়ক হতে পারে না।

সর্বোপরি হরমোনজনিত সমস্যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক উভয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বন্ধ্যাত্ব কী সাময়িক নাকি স্থায়ী?বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান আপনাদের ঠিকানা পাবনায়। পাবনার সেরা গাইনি চিকিৎসক ডাঃ হাসানাত ...
09/04/2026

বন্ধ্যাত্ব কী সাময়িক নাকি স্থায়ী?
বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান আপনাদের ঠিকানা পাবনায়। পাবনার সেরা গাইনি চিকিৎসক ডাঃ হাসানাত জাহান এখন থেকে সপ্তাহে প্রতিদিন রোগী দেখছেন মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোমে।
বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান পেতে আজই পরামর্শ নিতে চলে আসুন মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোমে।
বিস্তারিত জানতে কল করুন- +880 1770-976553
ঠিকানাঃ ৩২১, ডাঃ ইসহাক ম্যানশন, গোপালপুর, পাবনা - ৬৬০০

গর্ভকালীন কোমর ব্যথার কারণ - গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে, ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।প্রসবের কিছুদিন আগে থে...
07/04/2026

গর্ভকালীন কোমর ব্যথার কারণ -
গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে, ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রসবের কিছুদিন আগে থেকে স্বাভাবিক প্রসবের প্রস্তুতিস্বরূপ রিলাক্সিন হরমোনের প্রভাবে কোমরের স্যাক্রোআইলিয়াক জয়েন্টের লিগামেন্টগুলো শিথিল হয়, ফলে ভার বহনক্ষমতা কমে যায়। ব্যথা বাড়ে।

জরায়ু বড় হওয়ার কারণে মায়ের শরীরের ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়, পিঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। কোমর ব্যথার এটিও একটি কারণ।
মাতৃত্বকালীন স্ট্রেসও কোমর ব্যথার কারণ হিসেবে কাজ করে।

কী করে আরাম পাবেন?
* সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম কোমরের পেশি ও সন্ধির কার্যক্ষমতা বাড়াবে, ব্যথা কমাবে। গর্ভাবস্থায় হাঁটাহাঁটি ও সাঁতার হলো সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম।
* হাইহিল ও একেবারে ফ্ল্যাট জুতো—দুটোই শরীরের ওজনের ভারসাম্য নষ্ট করে। হালকা উঁচু নরম সোলের জুতো ব্যবহার করতে হবে।
* চিত হয়ে না শুয়ে বাঁ কাত হয়ে শুতে চেষ্টা করুন। দুই পায়ের মাঝখানে এবং পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ডের চাপ কমবে।
* গরম ও ঠান্ডা পানির সেঁক নিতে পারেন। তবে পানির তাপমাত্রা যেন সহনীয় থাকে।
* নিচু হয়ে ঝুঁকে কোনো কাজ করা যাবে না। সোজা দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করুন। ভারী কিছু ওঠাবেন না।
* যোগব্যায়াম, মেডিটেশন ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পিঠে ও কোমরে হালকা ম্যাসাজও করা যেতে পারে।

শিশুর জন্মগত ত্রুটি - গর্ভধারণকালে ভ্রূণ নানা অনিষ্ট পরিবেশের প্রভাবে বা ক্ষতিকর কিছুর সংস্পর্শে এলে শিশু জন্মত্রুটি নিয়...
06/04/2026

শিশুর জন্মগত ত্রুটি -
গর্ভধারণকালে ভ্রূণ নানা অনিষ্ট পরিবেশের প্রভাবে বা ক্ষতিকর কিছুর সংস্পর্শে এলে শিশু জন্মত্রুটি নিয়ে বেড়ে ওঠে। বিশেষ করে গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস, যখন গর্ভস্থ শিশুর সামগ্রিক বিকাশ ঘটে সেই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভ্রূণের অনিষ্ট করে থাকে অ্যালকোহল পান, রেডিয়েশন (যেমন এক্স–রে করানো), ইনজুরি, বিনা প্রেসক্রিপশনে ওষুধ সেবন, গাছগাছড়ার ঔষধি গ্রহণের ইতিহাস।

বাহ্যিকভাবে বিকৃতি যত ছোটখাটোই হোক, সেই শিশুকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখা দরকার। তার অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে আরও কোনো ত্রুটি বা বিকৃতি আছে কি না তা–ও নিশ্চিত করতে হবে।

জন্মগত ত্রুটি প্রধানত দুই ধরনের

মাইনর বা মৃদু প্রকৃতির ত্রুটি ততটা জটিল বলে মনে করা হয় না। যেমন অতিরিক্ত স্তনবোঁটা থাকা। ৭-১৪ শতাংশ নবজাতকের কমপক্ষে একটা মাইনর জন্মগত ত্রুটি থাকে। এমন ত্রুটি ছেলেশিশুর বেশি হয়।

মেজর বা বড় রকমের ত্রুটি শিশুর শারীরিক সমস্যা তৈরি করে; সঙ্গে সামাজিক সমস্যাও। যেমন কাটা ঠোঁট, কাটা তালু। জন্মগত প্রধান ত্রুটিগুলো হলো মুখমণ্ডল বা ত্বকের ত্রুটি। এ ছাড়া বাড়তি আঙুল, মেরুদণ্ড–মজ্জা ও রক্তনালির টিউমার, পায়ুপথ সম্পূর্ণ না থাকা, হার্টে ছিদ্র ইত্যাদি।

ব্যবস্থাপনা

পারিবারিক ইতিহাস: মায়ের বয়স, নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে কি না, পরিবারের আর কোনো শিশুর জন্মগত ত্রুটি বা বৃদ্ধি-বিকাশঘটিত সমস্যা আছে কি না, জানতে হবে।

শিশুর শারীরিক পরীক্ষা ও ল্যাব টেস্ট: বিশেষত শিশু যদি বৃদ্ধি-বিকাশে পিছিয়ে থাকে তবে পরীক্ষা করাতে হবে। তার কানে শোনা, চোখে দেখা ঠিক আছে কি না, নিশ্চিত হতে হবে। থাইরয়েড হরমোন টেস্ট, প্রয়োজনে এমআরআই ইমেজিং দরকার হতে পারে।

ক্রোমোসোমাল স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট রোগনির্ণয়, যেমন ডাউন সিনড্রোম বা টার্নার সিনড্রোম করা।

রোগনির্ণয় সুনির্দিষ্ট হলে এর (জেনেটিক কাউন্সেলিং, সার্জারি বা ওষুধ) চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা।

গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি আগেভাগে নির্ণয় করা সম্ভব গর্ভকালে মায়ের রক্তে আলফা ফিটো প্রোটিনের মান, অ্যামনিওসেনটেসিস বা কোরিওভিলাস বায়োপসি, জন্মপূর্ব আলট্রাসাউন্ড ইত্যাদির সাহায্যে।

জন্মগত ত্রুটি এড়াতে সতর্কতা

সন্তান জন্মদানে পরিকল্পনা।

সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো ওষুধ সেবনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

গর্ভধারণকালে ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ। কোনো আয়ুর্বেদি, হারবাল, কবিরাজি ওষুধ সেবন না করা।

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, অটোইমিউন রোগ ইত্যাদি থাকলে গর্ভধারণের আগেই তা নিয়ন্ত্রণ করা ও দরকার হলে ওষুধ পরিবর্তন।

গর্ভধারণকালে কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে আসা, যেমন এক্স–রে, সিটি স্ক্যান, রেডিও আয়োডিন টেস্ট ইত্যাদি না করা।

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলা...
04/04/2026

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-

পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের সময় আপনার দেহভঙ্গীর দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু কাজ আছে যেগুলিকে আপনার দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে পিঠে ব্যাথা বা ব্যাকপেইন থেকে সহজেই দূরে থাকা সম্ভব। চলুন এমন নয়টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই।

১. কম ওজন বহন করুন

ভারী ব্রিফকেস, ল্যাপটপ ব্যাগ, স্যুটকেস কিংবা বাজারের ব্যাগ- এগুলি আপনার ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসই বহন করুন। এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন যা পিঠে, ঘাড়ে, কাঁধে সমানভাবে ভর বিতরণ করে, যেমন ব্যাকপ্যাক, যা দুই কাঁধে নেয়ার মত। ভারী কিছু বহন করতে চাইলে, প্রয়োজনে চাকাওয়ালা ব্যাগ ব্যবহার করুন।

২. ব্যায়াম করুন

আপনার পেট এবং পিঠের চারপাশের পেশীগুলি আপনাকে সোজা থাকতে সাহায্য করে এবং পুরো শরীরের ভার বহন করতে সহায়তা করে। তাই এগুলিকে শক্তিশালী করে আপনার পিঠে ব্যথা বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার পেট ও পিঠের ব্যায়াম করুন।

৩. সোজা হোন

সঠিক দেহভঙ্গী আপনার মেরুদন্ডকে সুস্থ রাখে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দেহভঙ্গি সঠিক না হলে তা আপনার মেরুদন্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করে। যারা দীর্ঘক্ষণ অফিসে কিংবা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের ব্যাকপেইন হবার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই চেয়ারে বসার সময় হয়ে বসতে হবে। দাড়ানোর সময়ও সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। ফোন ব্যবহারের সময় চেষ্টা করতে হবে যেন তা মাথা সোজা রেখে ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারের মনিটর প্রয়োজনে উচু করে নিতে হবে যেন মাথা ও শিরদাড়া সোজা রেখে কাজ করা যায়। ।

৪. টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়বেন না

অফিসের চেয়ারে বসার সময় কিংবা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে যাবেন না। বিশেষ করে যদি আপনি প্রতিদিন কয়েক ঘন্টার বেশি বসে থাকেন বা ‘ডেস্ক জব’ করেন তাহলে ঠিকভাবে বসা এবং আপনার পিঠকে পেছন থেকে সঠিকভাবে চাপ দিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, ।

বসার চেয়ারটা ভাল হওয়া খুব জরুরী। এমন চেয়ার বেছে নিন যা আপনার পিঠের নীচের দিককে সঠিক ভাবে চাপ দিয়ে রাখতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনি বসলে আপনার হাঁটু আপনার নিতম্বের থেকে একটু উঁচুতে থাকে।

৫. প্রায়ই নড়ে চড়ে বসুন, উঠুন

দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, বসা বা শুয়ে থাকা আপনার পিঠের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি যখনই পারেন বসা থেকে উঠে, হাঁটাহাঁটি করে এবং কিছু সাধারণ হাল্কা স্ট্রেচ করে পেশী এবং হাড় এবং মেরদন্ডকে চাপ থেকে মুক্তি দিন। এটি আপনার পিঠে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ রাখে।

৬. জুতা বদলান

হাই-হিলের জুতা আপনার পিঠের ক্ষতির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি নিয়মিত পরেন। তাই অল্প উচ্চতার সমান তলিওয়ালা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৭. আপনার ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করে আপনার মেরুদন্ডের হাড় মজবুত রাখুন। ক্যালসিয়াম অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা বিশেষ করে নারীদের পিঠে ব্যথার একটি বড় কারণ। দুধ, দই, শাকে আপনি পাবেন ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পাবেন চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর যকৃত বা কলিজা কিংবা পনিরে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের ক্যালসিয়াম বড়ি পাওয়া যায় যা কার্যকত। তবে ভিটামিনের বড়ি খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৮. সিগারেটটা বাদ দিন

ধূমপান গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এটি ব্যাকপেইনও বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিকোটিন মেরুদন্ডের ডিস্কগুলিতে রক্ত ​​প্রবাহকে সীমিত করে দেয়, যার ফলে তারা শুকিয়ে যায় বা ফেটে যেতে পারে। ধূমপান রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও হ্রাস করে এবং এর ফলে পেশীতে কম পুষ্টি পৌঁছায়। এই দুর্বল, অসুস্থ পিঠ দুর্ঘটনাজনিত স্ট্রেন এবং পিঠে ব্যথা সৃষ্টিকারী টানগুলির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমান

উপুড় হয়ে বা চিৎ হয়ে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। ঘুমের সময় আপনার পা সামান্য উঁচু করে রাখলে পিঠের এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে আপনি আপনার পিঠের উপর চাপ অর্ধেক কমে ফেলতে পারেন।

03/04/2026
৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত -দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। গর্ভবতী ৮৩ শতাংশ নারীই জ...
02/04/2026

৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত -
দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। গর্ভবতী ৮৩ শতাংশ নারীই জানেন না যে, গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাতে হয়। আগে থেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত না হলেও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এই সময়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দেশে গর্ভাবস্থায় আক্রান্তের এই উচ্চ হার থাকা সত্ত্বেও এ সম্পর্কে নেই সচেতনতা। অন্তঃসত্ত্বা নারীর ৭৯ শতাংশ নিজে ও তার পরিবারের অন্য স্বজন—মা, স্বামী, শাশুড়ি কিংবা অন্য সদস্যরা এ সম্পর্কে জানেন না।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের গ্রামে ৮ শতাংশ ও শহরে প্রায় ১৩ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ (বিডিএইচএস) ২০১৭-১৮-এর উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আক্রান্তের এই উচ্চ হার থাকলেও অন্তঃসত্ত্বা নারী নিজে, তার মা, স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের প্রায় ৭৯ শতাংশ সদস্য এ সম্পর্কে জানেন না। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ডায়াবেটিস পরীক্ষা করার কথা জানেন না ৮৩ শতাংশ।

সচেতনতা জরুরি :জনসচেতনতা খুব জরুরি। নতুন দম্পতিকে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করার আগে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতন হতে হবে। পরিবারগুলোকে বোঝাতে হবে, মা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে সন্তানও ঝুঁকিতে পড়ে। যাদের ডায়াবেটিস আগে ছিল, কিন্তু এখন নেই বা যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের জানতে হবে, কখন নিরাপদে গর্ভধারণ করা যাবে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে মায়ের প্রি-একলাম্পসিয়া, একলাম্পসিয়া, গর্ভে পানির আধিক্য বা পানির অভাব, চোখ ও অন্যান্য জটিলতা হতে পারে। গর্ভের শিশু আকারে অস্বাভাবিক বড়, জন্মগত ত্রুটি, সময়ের আগে জন্ম, এমনকি গর্ভে নবজাতকের মৃত্যুও হতে পারে।

প্রসূতির ঝুঁকি - 1. জরায়ু, এর আশেপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও কাটা স্থানের ইনফেকশন: এক্ষেত্রে জ্বর, পেট ব্যথা, যোনিপথে অস্বাভা...
31/03/2026

প্রসূতির ঝুঁকি -
1. জরায়ু, এর আশেপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও কাটা স্থানের ইনফেকশন: এক্ষেত্রে জ্বর, পেট ব্যথা, যোনিপথে অস্বাভাবিক স্রাব ও ভারী রক্তপাত, কাটা স্থান ফুলে লাল হয়ে যাওয়া ও পুঁজ বের হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এসব সমস্যা বেশ কমন। তবে সঠিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ ব্যবহারের মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
2. অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ: ভারী রক্তক্ষরণ হলে আপনাকে কখনো কখনো রক্তদান করা হতে পারে। বিরল কিছু ক্ষেত্রে আবার অপারেশন করে রক্তপাত বন্ধ করতে হতে পারে। এমনকি রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব না হলে জরায়ু কেটে ফেলে দিতে হতে পারে।
3. রক্ত জমাট বাঁধা: পায়ের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে একটা চাকা তৈরি হতে পারে। এটা থেকে পায়ে ব্যথা হয়ে পা ফুলে যেতে পারে। জমাট বাঁধা রক্ত নালী থেকে ছিটকে ফুসফুসে গিয়ে আটকে যেতে পারে—যা থেকে প্রাণঘাতী শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
4. মূত্রথলি, মূত্রনালী ও জরায়ুর আশেপাশের অঙ্গে আঘাত: অপারেশনের সময়ে মূত্রনালী অথবা নাড়িভুঁড়িতে আঘাত লাগতে পারে। এ থেকে গুরুতর জটিলতা তৈরি হয়ে আরেকটি অপারেশন করার প্রয়োজন হতে পারে।
5. স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে দেরি হওয়া: সিজার করলে নরমাল ডেলিভারির তুলনায় স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এজন্য শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক জীবন ব্যহত হতে পারে।
6. অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: অ্যানেস্থেসিয়ার ঔষধসহ চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ঔষধে আপনার রিঅ্যাকশন হতে পারে।

গর্ভধারণ সক্ষমতা বাড়ানোর ১০ কৌশল-:১. ঋতুচক্রের পুনরাবৃত্তির তথ্য সংরক্ষণসন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক নারীর প্রতি মাসে তার পিরিয়ড...
30/03/2026

গর্ভধারণ সক্ষমতা বাড়ানোর ১০ কৌশল-:

১. ঋতুচক্রের পুনরাবৃত্তির তথ্য সংরক্ষণ

সন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক নারীর প্রতি মাসে তার পিরিয়ডের প্রথম দিনটির তারিখ লক্ষ রাখা উচিত। প্রতি মাসেই সমান দিনে পিরিয়ড শুরু হলে তা নিয়মিত বলে ধরে নেয়া হয়। তবে এর হেরফের হলে অনিয়মিত পিরিয়ড হিসেবে গণ্য হয়। দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালেন্ডারে এ তথ্যের ভিত্তিতে নারীর ওভুলেশন কখন হচ্ছে, তা অনেকটা সঠিকভাবে অনুমান করা যায়। ওভুলেশন হচ্ছে নারীর ডিম্বাশয় থেকে একটি ডিম নিঃসরণ। ডিম্বাণু নির্গত হওয়ার পর সেটি ফেলোপিয়ান টিউবের নিচের দিকে চলে যায়, আর সেখানেই শুক্রাণু কোষ এই ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।

ঋতুচক্রের পুরো বিষয়টি হিসাবে রাখতে গ্লোওভুলেশনের মতো বেশ কিছু পিরিয়ড ট্র্যাকার অ্যাপ অনলাইনে পাওয়া যায়। আমেরিকান প্রেগন্যান্সি অ্যাসোসিয়েশনের মতে, নারীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হওয়ার ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। অন্যদিকে নারী দেহে প্রবেশের পর পুরুষের শুক্রাণু পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যক্ষম থাকতে পারে।

২. ওভুলেশনের দিকে দৃষ্টি রাখা

ইনফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ ড. ম্যারি অ্যালেন পাভোন বলছেন, ‘সাধারণত পিরিয়ডের দুই সপ্তাহ আগে একজন নারীর ওভুলেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশ্য যাদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র ব্যাহত হয়, তাদের ওভুলেশনের সময় নির্ণয় করা বেশ কঠিন। তবে সাধারণত পরবর্তী পিরিয়ডের আগের ১২ থেকে ১৬ দিন আগে এটি ঘটতে পারে।’

নেচার জার্নালে ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে দেখা যায়, ঋতুচক্রের দৈর্ঘ্য নারীভেদে আলাদা হতে পারে। সেই সঙ্গে নারীর রজঃশীল থাকার বছরগুলোর বিভিন্ন সময়ে ওভুলেশনের সময় ও দৈর্ঘ্যও বদলে যেতে পারে। এ কারণে ওভুলেশনের সময়কে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারলে নারীর গর্ভধারণ সহজ হয়। মাসের কোন সময়টি গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত, সেটি বের করার অনেক উপায় আছে।

৩. ফার্টাইল উইন্ডোর সময় বিকল্প দিনে যৌন মিলন

আমেরিকান সোসাইটি ফর রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফার্টিলিটি উইন্ডো (ডিম্বাণু নিগর্ত হওয়ার প্রস্তুতি ও নির্গত হওয়ার পরে কার্যকর থাকার সময়) সাধারণত ছয় দিনের। ওভুলেশনের দিন এবং এর আগের পাঁচ দিন। প্রতি মাসে একজন নারী এই সময়টাতেই জন্মদানে সবচেয়ে বেশি সক্ষম বা উর্বর থাকেন।

অনেক নারী গর্ভধারণের সঠিক সময় জানতে ফার্টিলিটি-ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহার করেন। তবে বিএমজে সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেলথে ২০২০ সালে প্রকাশিত এক রিভিউ অনুযায়ী, এই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট কতটুকু নিখুঁত সেটা নিয়ে খুব বেশি গবেষণা হয়নি।

অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গায়নোকলজি জার্নালে ২০১৬ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ৫০টি প্রচলিত ফার্টিলিটি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপ পরখ করে দেখেছেন। লাইভ সায়েন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অ্যাপ ও সাইটগুলো প্রায়ই উদ্ভট ফল দিচ্ছিল। অনেক ফার্টিলিটি উইন্ডোর দিন-তারিখ একেবারে ভুলভাবে জানাচ্ছিল।

৪. দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

একজন নারীর ওজন তার গর্ভধারণের সামর্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন বা অনেক কম ওজন গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়। পাভোন বলছেন, সাধারণ বডি মাস ইনডেক্সের (বিএমআই) একজন নারীর চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের নারীর গর্ভধারণে দ্বিগুণের বেশি সময় লাগতে পারে। আর যেসব নারীর ওজন অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে চার গুণ সময় লাগতে পারে।

৫. গর্ভাবস্থার আগে ভিটামিন খাওয়া

যেসব নারী গর্ভধারণের চেষ্টায় আছেন তাদের ভিটামিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পাভোন। এতে করে গর্ভাবস্থায় দেহের উপযোগী ভিটামিন তিনি আগে থেকেই চিহ্নিত করতে পারবেন।

পাভোন প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে বলেন। তবে তাতে ন্যূনতম ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড থাকতে হবে। এটি এক ধরনের বি-ভিটামিন, যা শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড মজবুত করতে সহায়তা করে।

জন্মের সময় শিশুর কোনো ধরনের ত্রুটি এড়াতে গর্ভধারণের অন্তত এক মাস আগে থেকে নারীদের প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করতে বলে দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

৬. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া

আমেরিকার দাতব্য স্বাস্থ্য সংস্থা মেয়ো ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণের জন্য নির্দিষ্ট কোনো খাদ্যতালিকা না থাকলেও, স্বাস্থ্যকর খাবার একজন নারীর দেহে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদানে সুষম অবস্থা বজায় রেখে গর্ভধারণে সহায়তা করে। এর অর্থ হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, সুষম প্রোটিন, বার্লি-ওটমিল জাতীয় হোল গ্রেইন, দুগ্ধজাত পণ্য ও চর্বিযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।

ফলিক এসিডযুক্ত সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পাশাপাশি একজন নারী সবুজ শাক-সবজি, ব্রকোলি, ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত রুটি ও সিরিয়াল, বিনস, লেবু জাতীয় ফল ও কমলার রস খেতে পারেন।

৭. কঠিন বা ভারী ব্যায়াম কমানো

২০২০ সালের মার্চে হিউম্যান রিপ্রোডাকশন জার্নালের প্রকাশিত এক নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতিদিনের শারীরিক সক্রিয়তা একজন নারীর দেহকে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের জন্য প্রস্তুত করে। এতে করে তাদের জন্মদান ক্ষমতা সংক্রান্ত সমস্যাও কমিয়ে দেয়।

তবে লাইভ সায়েন্সের প্রতিবেদন অনুসারে, যে সব নারী অতিরিক্ত ব্যায়াম করেন বা নিয়মিত ভারী কাজ করেন তাদের ওভুলেশন প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

যে সব নারী ভারী ব্যায়াম করেন তাদের রজঃচক্রে ব্যাঘাত ঘটতে দেখেছেন চিকিৎসকেরা। লাইভসায়েন্সকে পাভোন বলেন, নারী গর্ভধারণ করতে চাইলে ব্যায়ামের পরিমাণ কমাতে হবে।

৮. বয়স বাড়লে কমে উর্বরতা

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীর সন্তান জন্মদান ক্ষমতা বা উর্বরতা কমতে থাকে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে থাকা ডিম্বাণু ও মান কমে যাওয়াই এর মূল কারণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউটেরিন ফাইব্রয়েডস, ফেলোপিয়ান টিউবে ব্লক ও এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো অন্যান্য স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। যে কারণে উর্বরতা কমে যেতে পারে।

পাভোন বলেন, ‘৩০ বছরের পর নারীদের জন্মদান ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ৩৭ বছরের পর তা আরও কমে যায় এবং ৪০ এর পর তা অনেকখানি হ্রাস পায়।‘

হ্রাস পাওয়ার অর্থ গর্ভধারণে বেশি সময় লাগতে পারে।

৯. ধূমপান ও মদ্যপানে ক্ষতি

ধূমপানের কারণে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমেরিকান সোসাইটি অফ রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিনের মতে, সিগারেটের নিকোটিন ও কার্বন মনোক্সাইডের মতো রাসায়নিক নারীর ডিম্বাণু নষ্ট হওয়ার হারকে ত্বরান্বিত করে।

১০. কখন সাহায্য লাগবে সেটা জানুন

পাভোন বলেন, ‘নারীর বয়স ৩৫ বছরের ওপরে হলে এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পর ছয় মাসের মধ্যে সন্তানসম্ভবা না হলে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বন্ধ্যাত্বের পরীক্ষা করানো উচিত।’

পাভোনের মতে, যে সব নারীর বয়স ৩৫ বছরের নিচে, তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে এক বছর নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পরেও গর্ভধারণ করতে না পারলে তার সঙ্গীর বন্ধ্যাত্বের পরীক্ষা করানো উচিত।

Address

321, Drive Ishaque Mansion, Dr. Ishaque Lane, Gopalpur
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801770976553

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modern Diagnostic Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Modern Diagnostic Home:

Share