Modern Diagnostic Home

Modern Diagnostic Home Modern Diagnostic Home is one of the Best Diagnostic Center in Pabna. Modern Diagnostic Home is a diagnostic center with state-of-the-art medical facilities.

মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোম পাবনার অন্যতম সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মডার্ন ডায়াগনস্টিক হোম হল একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যা রোগীদের জন্য বিস্তৃত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবাগুলি তাদের নিজের প্রতিষ্ঠানে অফার করে৷ সর্বশেষ প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম সহ, আমাদের দক্ষ পেশাদারদের দল পরীক্ষাগার পরিষেবা, ইমেজিং এবং টেলিমেডিসিন পরামর্শ সহ সঠিক এবং দক্ষ ডায়গনিস্টিক পরীক্ষা প্রদান কর

ে। আমাদের লক্ষ্য হল স্বাস্থ্যসেবাকে আমাদের রোগীদের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সুবিধাজনক করে তোলার পাশাপাশি গুণমান এবং নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা। আপনার সমস্ত ডায়াগনস্টিক প্রয়োজনের জন্য আধুনিক ডায়াগনস্টিক হোমে চলে আসুন আজই। সপ্তাহে ৭ দিন পাচ্ছেন আমাদের সেবা।

Mordern Diagnostic Home is one of the best diagnostic center in Pabna. which offers a wide range of diagnostic services to patients at their own institutions With the latest technology and equipment, our team of skilled professionals provides accurate and efficient diagnostic tests including laboratory services, imaging and telemedicine consultations. Our mission is to make healthcare more accessible and convenient for our patients while maintaining the highest standards of quality and safety. Visit Modern Diagnostic Home for all your diagnostic needs today. Our service is available 7 days a week.

মাসিক গর্ভাবস্থার লক্ষণ - গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়, যা জানা জরুরি। আসুন জেনে নিই প্রতি মাসে কী ...
16/04/2026

মাসিক গর্ভাবস্থার লক্ষণ -
গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়, যা জানা জরুরি। আসুন জেনে নিই প্রতি মাসে কী কী লক্ষণ দেখা যায়-

প্রথমমাসের লক্ষণ: স্তন ফুলে যাওয়া এবং ব্যথার সাথে ক্লান্তি, অস্বস্তি এবং বমি হওয়া গর্ভাবস্থার প্রথম মাসের লক্ষণ।
দ্বিতীয় মাসের লক্ষণ: খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং মেজাজের পরিবর্তন গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় মাসের লক্ষণ।
তৃতীয় মাসের উপসর্গ: ওজন বেড়ে যাওয়া এবং পেট বেড়ে যাওয়া তৃতীয় মাসের লক্ষণ। এই অবস্থায় শারীরিক পরিবর্তন ঘটে।
চতুর্থ মাসের লক্ষণ: পেটে শিশুর নড়াচড়া অনুভব করা এবং মুখে উজ্জ্বলতা দেখা গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাসের লক্ষণ।
পঞ্চম মাসের লক্ষণ: এই অবস্থানে, শিশুর নড়াচড়া আরও স্পষ্ট হবে এবং মহিলারা আরও ক্লান্তি অনুভব করবেন।
ষষ্ঠ মাসের লক্ষণ: গর্ভাবস্থার কারণে শরীরে কিছু পরিবর্তন হয়, যা কিডনিতে ব্যথা করে। এছাড়া অনিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসও গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসের অন্যতম লক্ষণ।
সপ্তম মাসের লক্ষণ: তলপেটে ব্যথা হয়। এতে প্রসব ব্যথার মতো ব্যথা হয়। এই পর্যায়ে প্রসব ব্যথার মতো ব্যথা হয়। এই সময়ে আপনার শরীর আপনাকে প্রকৃত শ্রমের জন্য প্রস্তুত করে। এছাড়া পা, হাত ও মুখমন্ডলের মতো শরীরের অন্যান্য অংশে ফোলাভাব রয়েছে।
অষ্টম মাসের উপসর্গঃ এই সময়ে নারীর শরীরে নড়াচড়ার কারণে স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই সময়ের মধ্যে, আপনাকে আপনার ডাক্তারের সাথে অবিরাম যোগাযোগ রাখতে হবে।
নবম মাসের উপসর্গঃ এই সময়ে নিয়মিত প্রসব বেদনা হয়, যার মধ্যে কোমর ও পেটে ব্যাথা থাকে। এর সাথে, মহিলার যোনি থেকে জল বের হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে এটি সন্তানের জন্মের সময়।

শিশুর বৃদ্ধিতে হরমোনের ভূমিকা - আমরা সবাই জানি, জীবন মানেই বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া। আর এই বৃদ্ধি (Growth) অর্থ শ...
10/04/2026

শিশুর বৃদ্ধিতে হরমোনের ভূমিকা -
আমরা সবাই জানি, জীবন মানেই বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া। আর এই বৃদ্ধি (Growth) অর্থ শারীরিক ও মানসিক উভয়ের বর্ধন, যার বেশির ভাগ অংশই ঘটে থাকে শিশুকালে। তাই তো শিশুর সঠিক বৃদ্ধি না হলে বাবা-মায়ের উদ্বেগের শেষ থাকে না এবং এই অস্থিরতা একেবারেই অমূলক নয়। কারণ বয়স পার হয়ে গেলে আর বৃদ্ধির সুযোগ থাকে না। শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর ও মনের বিকাশ ঘটতে থাকে, যা আমরা সবাই প্রত্যক্ষ করে থাকি।

চিকিৎসকবৃন্দ বিশেষত শিশু বিশেষজ্ঞগণ তাই প্রতিনিয়ত শিশুর বৃদ্ধি পরিমাপ করাকে চিকিৎসার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। আর এই বৃদ্ধি চিরন্তন ও জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও এর পিছনে কাজ করে থাকে অনেকগুলো বিষয়ের যথাযথ সমন্বয়। স্বাভাবিক শিশুর ক্ষেত্রে আমরা হয়তো তা খুব বেশি উপলব্ধি করতে না পারলেও শিশু যখন সঠিকভাবে না বাড়ে তখন কিন্তু কারণ অনুসন্ধান করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।

যেহেতু কারণ না জানলে চিকিৎসা করা যায় না, তাই চিকিৎসা শুরুর আগেই ঠিক ঠিক কারণ জানা খুবই জরুরি। এখন আমরা শিশুর সঠিক বৃদ্ধি না হওয়ার পিছনে দায়ী কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করব এবং সে ক্ষেত্রে হরমোনের প্রভাব কতটা তা জানতে চেষ্টা করব।

শিশুর সার্বিক বৃদ্ধি এক জটিল প্রক্রিয়া, যা বহুবিধ বিষয় দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। জন্মগত ত্রুটি, পারিবারিক অবস্থান, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, অপুষ্টি-এই কারণগুলো আবশ্যিকভাবে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি, বিশেষ করে শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার জন্য দায়ী। পাশাপাশি মানসিক বিকাশের জন্য স্নায়ু রোগ ও মানসিক সমস্যা বিশেষ ক্ষেত্রে কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সর্বোপরি হরমোনজনিত সমস্যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক উভয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা অনেক সময়ই গতানুগতিক চিকিৎসার বাইরে থেকে যায়। সার্বিক এই প্রেক্ষাপটই আমার এই আজকের বিষয় নিয়ে লিখতে প্রেরণা জুগিয়েছে।

গর্ভস্থ শিশুর প্রাথমিক বৃদ্ধির সময় থেকেই শুরু হয় হরমোনের প্রভাব। গর্ভাবস্থায় প্রথম দিকে কিছু হরমোন যেমন, Insulin I Insulin like Growth Factor-1 & 2 এবং পরবর্তীকালে এGlucocorticoid, Growth hormone ও Thyroid hormone শিশুর বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। আর শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে পূর্ণাঙ্গ যুবক হওয়া পর্যন্ত পুরো সময়টার বৃদ্ধি মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় Growth hormone, Thyroid hormone ও Insulin হরমোনের সমন্বিত কার্যক্রমের দ্বারা। এর সঙ্গে জন্মের পর প্রথম বছরের (infancy দ্রুত বৃদ্ধি ও বিকাশে পর্যাপ্ত পুষ্টির পাশাপাশি Insulin like Growth Factor-1 বেশি ভূমিকা রাখে এবং পরবর্তীকালে শিশু বয়স যখন ৯-১০ বছরের কাছাকাছি হয়, তখন বয়ঃসন্ধির puberty) সময় s*x steroid (androgen and estrogen) দ্রুত বৃদ্ধি ঘটিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিষয়গুলো সর্বসাধারণের জন্য একটু জটিল মনে হলেও আশা করি আলোচনা থেকে আমরা সবাই বুঝতে পারলাম যে, শিশুর সার্বিক বৃদ্ধির প্রতিটি পর্যায়ে হরমোনের ভূমিকা কতটা প্রয়োজনীয়। তাই পরিমিত পুষ্টির জোগান ও সময়মতো অন্য রোগের চিকিৎসা যেমন শিশুর বৃদ্ধির জন্য খুবই জরুরি, তেমনি শরীরে হরমোনের সমস্যা থাকলে তার নিরসন ছাড়া কোনো চেষ্টাই ফলদায়ক হতে পারে না।

সর্বোপরি হরমোনজনিত সমস্যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক উভয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বন্ধ্যাত্ব কী সাময়িক নাকি স্থায়ী?বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান আপনাদের ঠিকানা পাবনায়। পাবনার সেরা গাইনি চিকিৎসক ডাঃ হাসানাত ...
09/04/2026

বন্ধ্যাত্ব কী সাময়িক নাকি স্থায়ী?
বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান আপনাদের ঠিকানা পাবনায়। পাবনার সেরা গাইনি চিকিৎসক ডাঃ হাসানাত জাহান এখন থেকে সপ্তাহে প্রতিদিন রোগী দেখছেন মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোমে।
বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধান পেতে আজই পরামর্শ নিতে চলে আসুন মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোমে।
বিস্তারিত জানতে কল করুন- +880 1770-976553
ঠিকানাঃ ৩২১, ডাঃ ইসহাক ম্যানশন, গোপালপুর, পাবনা - ৬৬০০

গর্ভকালীন কোমর ব্যথার কারণ - গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে, ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।প্রসবের কিছুদিন আগে থে...
07/04/2026

গর্ভকালীন কোমর ব্যথার কারণ -
গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে, ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রসবের কিছুদিন আগে থেকে স্বাভাবিক প্রসবের প্রস্তুতিস্বরূপ রিলাক্সিন হরমোনের প্রভাবে কোমরের স্যাক্রোআইলিয়াক জয়েন্টের লিগামেন্টগুলো শিথিল হয়, ফলে ভার বহনক্ষমতা কমে যায়। ব্যথা বাড়ে।

জরায়ু বড় হওয়ার কারণে মায়ের শরীরের ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়, পিঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। কোমর ব্যথার এটিও একটি কারণ।
মাতৃত্বকালীন স্ট্রেসও কোমর ব্যথার কারণ হিসেবে কাজ করে।

কী করে আরাম পাবেন?
* সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম কোমরের পেশি ও সন্ধির কার্যক্ষমতা বাড়াবে, ব্যথা কমাবে। গর্ভাবস্থায় হাঁটাহাঁটি ও সাঁতার হলো সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম।
* হাইহিল ও একেবারে ফ্ল্যাট জুতো—দুটোই শরীরের ওজনের ভারসাম্য নষ্ট করে। হালকা উঁচু নরম সোলের জুতো ব্যবহার করতে হবে।
* চিত হয়ে না শুয়ে বাঁ কাত হয়ে শুতে চেষ্টা করুন। দুই পায়ের মাঝখানে এবং পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ডের চাপ কমবে।
* গরম ও ঠান্ডা পানির সেঁক নিতে পারেন। তবে পানির তাপমাত্রা যেন সহনীয় থাকে।
* নিচু হয়ে ঝুঁকে কোনো কাজ করা যাবে না। সোজা দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করুন। ভারী কিছু ওঠাবেন না।
* যোগব্যায়াম, মেডিটেশন ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পিঠে ও কোমরে হালকা ম্যাসাজও করা যেতে পারে।

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলা...
04/04/2026

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-

পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের সময় আপনার দেহভঙ্গীর দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু কাজ আছে যেগুলিকে আপনার দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে পিঠে ব্যাথা বা ব্যাকপেইন থেকে সহজেই দূরে থাকা সম্ভব। চলুন এমন নয়টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই।

১. কম ওজন বহন করুন

ভারী ব্রিফকেস, ল্যাপটপ ব্যাগ, স্যুটকেস কিংবা বাজারের ব্যাগ- এগুলি আপনার ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসই বহন করুন। এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন যা পিঠে, ঘাড়ে, কাঁধে সমানভাবে ভর বিতরণ করে, যেমন ব্যাকপ্যাক, যা দুই কাঁধে নেয়ার মত। ভারী কিছু বহন করতে চাইলে, প্রয়োজনে চাকাওয়ালা ব্যাগ ব্যবহার করুন।

২. ব্যায়াম করুন

আপনার পেট এবং পিঠের চারপাশের পেশীগুলি আপনাকে সোজা থাকতে সাহায্য করে এবং পুরো শরীরের ভার বহন করতে সহায়তা করে। তাই এগুলিকে শক্তিশালী করে আপনার পিঠে ব্যথা বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার পেট ও পিঠের ব্যায়াম করুন।

৩. সোজা হোন

সঠিক দেহভঙ্গী আপনার মেরুদন্ডকে সুস্থ রাখে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দেহভঙ্গি সঠিক না হলে তা আপনার মেরুদন্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করে। যারা দীর্ঘক্ষণ অফিসে কিংবা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের ব্যাকপেইন হবার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই চেয়ারে বসার সময় হয়ে বসতে হবে। দাড়ানোর সময়ও সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। ফোন ব্যবহারের সময় চেষ্টা করতে হবে যেন তা মাথা সোজা রেখে ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারের মনিটর প্রয়োজনে উচু করে নিতে হবে যেন মাথা ও শিরদাড়া সোজা রেখে কাজ করা যায়। ।

৪. টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়বেন না

অফিসের চেয়ারে বসার সময় কিংবা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে যাবেন না। বিশেষ করে যদি আপনি প্রতিদিন কয়েক ঘন্টার বেশি বসে থাকেন বা ‘ডেস্ক জব’ করেন তাহলে ঠিকভাবে বসা এবং আপনার পিঠকে পেছন থেকে সঠিকভাবে চাপ দিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, ।

বসার চেয়ারটা ভাল হওয়া খুব জরুরী। এমন চেয়ার বেছে নিন যা আপনার পিঠের নীচের দিককে সঠিক ভাবে চাপ দিয়ে রাখতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনি বসলে আপনার হাঁটু আপনার নিতম্বের থেকে একটু উঁচুতে থাকে।

৫. প্রায়ই নড়ে চড়ে বসুন, উঠুন

দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, বসা বা শুয়ে থাকা আপনার পিঠের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি যখনই পারেন বসা থেকে উঠে, হাঁটাহাঁটি করে এবং কিছু সাধারণ হাল্কা স্ট্রেচ করে পেশী এবং হাড় এবং মেরদন্ডকে চাপ থেকে মুক্তি দিন। এটি আপনার পিঠে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ রাখে।

৬. জুতা বদলান

হাই-হিলের জুতা আপনার পিঠের ক্ষতির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি নিয়মিত পরেন। তাই অল্প উচ্চতার সমান তলিওয়ালা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৭. আপনার ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করে আপনার মেরুদন্ডের হাড় মজবুত রাখুন। ক্যালসিয়াম অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা বিশেষ করে নারীদের পিঠে ব্যথার একটি বড় কারণ। দুধ, দই, শাকে আপনি পাবেন ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পাবেন চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর যকৃত বা কলিজা কিংবা পনিরে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের ক্যালসিয়াম বড়ি পাওয়া যায় যা কার্যকত। তবে ভিটামিনের বড়ি খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৮. সিগারেটটা বাদ দিন

ধূমপান গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এটি ব্যাকপেইনও বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিকোটিন মেরুদন্ডের ডিস্কগুলিতে রক্ত ​​প্রবাহকে সীমিত করে দেয়, যার ফলে তারা শুকিয়ে যায় বা ফেটে যেতে পারে। ধূমপান রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও হ্রাস করে এবং এর ফলে পেশীতে কম পুষ্টি পৌঁছায়। এই দুর্বল, অসুস্থ পিঠ দুর্ঘটনাজনিত স্ট্রেন এবং পিঠে ব্যথা সৃষ্টিকারী টানগুলির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমান

উপুড় হয়ে বা চিৎ হয়ে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। ঘুমের সময় আপনার পা সামান্য উঁচু করে রাখলে পিঠের এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে আপনি আপনার পিঠের উপর চাপ অর্ধেক কমে ফেলতে পারেন।

Address

321, Drive Ishaque Mansion, Dr. Ishaque Lane, Gopalpur
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801770976553

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modern Diagnostic Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Modern Diagnostic Home:

Shortcuts

Share