prethibi.com

prethibi.com Welcome to Prethibi.com. On our website you will find doctors, hotels, restaurants and tour places i

01/11/2022

prethibi.com
01/11/2022

prethibi.com

Karatoa
11/10/2022

Karatoa

এই সমস্ত সমস্যা থাকলে দ্রুত ডাক্তার দেখান। দ্রুত ডাক্তার পেতে prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রত...
26/12/2021

এই সমস্ত সমস্যা থাকলে দ্রুত ডাক্তার দেখান। দ্রুত ডাক্তার পেতে prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট, (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

মূত্র সংক্রমণ প্রতিরোধে কি করবেন ----------------------------------------------------মূত্র সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট...
12/12/2021

মূত্র সংক্রমণ প্রতিরোধে কি করবেন
----------------------------------------------------
মূত্র সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) অস্বস্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক এক পরিস্থিতি তৈরি করে। সমস্যাটা নারীদের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

অনেকে আবার প্রায়ই মূত্র সংক্রমণে ভোগেন। বিশেষ করে মেনোপজ হয়ে গেছে এমন বয়স্ক নারী ও ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে এটা বেশি দেখা যায়।

এজন্য অবশ্যই জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যথেষ্ট পানি পান, পরিচ্ছন্নতা, শৌচাগার ব্যবহারে সতর্কতা, পানীয় ও খাবারদাবারে সতর্কতা অবলম্বন করলে মূত্র সংক্রমণ অনেকাংশেই কমানো সম্ভব।

ব্যাকটেরিয়াকে শরীর থেকে বের করে দিতে প্রচুর পানি পান করা ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো কিছু বিশেষ খাবার খাওয়া ও কিছু ক্ষতিকর খাবার বর্জন করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

মূত্র সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবারদাবার নিয়ে আজ আলোচনা করা যাক।

ক্র্যানবেরি জুসঃ- ক্র্যানবেরি একধরনের লাল রঙের জামজাতীয় ফল। গবেষণায় প্রমাণিত যে এই ক্র্যানবেরি মূত্র সংক্রমণ দূর করতে খুব সহায়ক।

ক্র্যানবেরি ফলটিতে প্রচুর বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। ক্র্যানবেরি শুকনো ফল ও জুস—দুভাবেই পাওয়া যায় ও উপকারী।

ব্রকলিঃ- প্রচুর ভিটামিন সি আছে ব্রকলিতে, যা মূত্রকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেহের সংক্রমণ দূর করে।

দারুচিনিঃ- অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই দারুচিনি খুবই সমাদৃত। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়।

এক গবেষণায় জানা গেছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মূত্র সংক্রমণ হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাস প্রতিরোধ করে এই দারুচিনি। তাই মুত্র সংক্রমণের প্রতিরোধে দারুচিনি খেতে পারেন এবং এসব ঘরের কিচেনে সবসময়ই পাওয়া যায়।

পেঁপেঃ- প্রচুর ভিটামিন সি আছে বলে পেঁপে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ও মূত্রে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। যে কারণে সংক্রমণ তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া কখনো জন্মাতে পারে না।

কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, গাজর ও টমেটোর চেয়েও তিন গুণ ভালো ক্যারোটিওয়েড থাকে পেঁপেতে। তাই নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করুন। সবচেয়ে ভালো বছরের সারাটা সময় পেঁপে পাওয়া যায়।

রসুনঃ- রসুনে অ্যালিসিনসহ বেশ কিছু উপকারী উপাদান থাকে, যা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে বেশ ফলদায়ক।

ই. কোলিসহ অনেক ব্যাকটেরিয়াকে দমন করতে পারে এই রসুন। বারবার ফিরে আসা মূত্র সংক্রমণ রোধেও রসুন বেশ উপকারী। তাইতো রসুনকে এন্টিবায়োটিক এর সাথে তুলনা করা হয়। কাঁচা রসুন খেলে উপকার আরও বেশি পাওয়া যায়।
ডাক্তারের পরামর্শ পেতে
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট(মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi
(সংগ্রহকৃত পোস্ট)

রূপচর্চায় অ্যালোভেরার যত ব্যবহার************************ব্যস্ততার কারণে হয়তো পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সুযোগও হয়ন...
06/12/2021

রূপচর্চায় অ্যালোভেরার যত ব্যবহার
************************
ব্যস্ততার কারণে হয়তো পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সুযোগও হয়না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ত্বকের যত্নে সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান। কারণ প্রাকৃতিক উপাদানের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই ত্বককে সুন্দর রাখতে প্রাকৃতিক উপাদান বেশি ব্যবহার করা উচিত।
অ্যালোভেরা ত্বকের যত্নে খুবই উপকারী। ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, মসৃণ রাখতে, দাগ মুক্ত করতে এবং ত্বকে ব্রণের উপদ্রব কমাতে অ্যালোভেরার তুলনা কম।
যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল তারা কেমিকেল ব্যবহার না করে `নাইট ক্রিম` হিসেবে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহার করতে বাড়িতেই লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা গাছ। এতে প্রতিদিন তাজা পাতা পাওয়া নিশ্চিত হবে।
অ্যালোভেরা ত্বকে লাগাতে হলে প্রথমেই মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর একটি তাজা অ্যালোভেরার ভেতরের অংশ থেকে রস সংগ্রহ করে নিন। সেই রস তুলোর সাহায্যে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। রস শুকিয়ে গেলে এভাবেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। সারারাত অ্যালোভেরার রস ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখবে।
তুলো বা সুতি কাপড় ছাড়া অন্যকিছু দিয়ে ত্বকে অ্যালোভেরা লাগানো ঠিক নয়। তাতে অ্যালার্জী হওয়ার ঝুকি তৈরি হয়
অনেক সময় ত্বকে ক্ষত দেখা দেয়। এ ধরনের ক্ষতে নির্ভয়ে ব্যবহার করা যায় অ্যালোভেরা। এতে ক্ষত স্থান দ্রুত মসৃণ হয়।
শুধু মুখের জন্য নয়, পুরো শরীরে ব্যবহার করা যায় অ্যালোভেরা। এক্ষেত্রে সাবধানতা হলো, অ্যালোভেরার রস ত্বকে লাগিয়ে রোদে যাওয়া যাবে না। তাতে উল্টো ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

স্কিন বিষয়ক যেকোনো সমস্যার জন্য
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

পিত্তথলিতে পাথর, লক্ষণ, করণীয়ঃপিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের চারপাশের অতিপরিচিত রোগ গুলোর মধ্যে একটি, আত্মীয়স্বজনের কারো ...
02/12/2021

পিত্তথলিতে পাথর, লক্ষণ, করণীয়ঃ

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের চারপাশের অতিপরিচিত রোগ গুলোর মধ্যে একটি, আত্মীয়স্বজনের কারো পিত্তথলিতে পাথর হয়নি বা এজন্য গলব্লাডার ফেলে দিতে হয়নি এমন লোক মনে হয় খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। সত্যিই কি পাথর হয় না এগুলো অন্য কিছু। এসব কি সত্যিকারের পাথরের মতো, কিভাবে ওখানে গেলো ওসব এ জাতীয় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় আমাদের মনে।
হ্যাঁ সত্যি সত্যিই পিত্তথলিতে পাথর হয়। কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম, বিলিরুবিন ইত্যাদির সংমিশ্রনে যে পাথর গুলো পিত্তথলিতে হয় তা দেখতে অনেকটাই রাস্তার পাথরের মতো। এদের কোনোটি ময়লা সাদা, কোনোটি হাল্কা বাদামী আবার কোনোটি একদম কুচকুচে কালো বর্ণের হয়।
সাধারনত স্থুলাকায় মানুষের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়, মহিলাদের মাঝেও এই রোগ হবার প্রবনতা বেশি। যারা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খান ৪০ এর কাছাকাছি বয়সে তাদের এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি এমন একটা শক্ত ধারনা খুব প্রচলিত। পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ বা কলিসিস্টাইটিস হয়। তখন পেটের উপরের দিকে ডান পাশে তীব্র ব্যথা হয় যাকে অনেকে দম বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যথা বলে থাকেন। এটা সাধারনত মিনিট খানেক স্থায়ী হয় তবে তা ঘণ্টা খানেক ও থাকতে পারে। ব্যথাটি পেটের পিছনের দিকে, কাধে, পেটের মাঝ বরাবর এবং বুকের ভেতরেও ছড়িয়ে পরতে পারে। সেই সাথে বমি বমি লাগা বা বমি করে ফেলা, হাল্কা জ্বর এই সব উপসর্গও থাকতে পারে।
কলিসিস্টাইটিস এর ব্যথা অত্যন্ত তীব্র এবং এমন ব্যথা হলে সাথে সাথে রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাওয়া উচিত। হেপাটোবিলিয়ারি সার্জন বা জেনারেল সার্জন উভয়েই এই রোগের বিশেষজ্ঞ সার্জন। তাদের তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত। রোগটি নিশ্চিত করার জন্য প্রথমেই পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষাটি করে নিতে হয়, সেই সাথে কিছু রক্তের পরীক্ষা, ইসিজি, এক্সরে এই সব পরীক্ষা করে দেখতে হয় ব্যথার অন্য কোনো কারন আছে কিনা। এছাড়া ধরনের রোগীর খুব গ্যাসের সমস্যা থাকে দেখে অনেক সময় পাকস্থলীর এন্ডোসকোপি পরীক্ষা করে দেখতে হয় তাতে আলসার হয়েছে কিনা। পশ্চিমা দেশগুলোতে অনেক সময় এই রোগে কোলাঞ্জিওগ্রাম অথবা ই,আর,সি,পি পরীক্ষাটিও করিয়ে নেয়া হয়।
চিকিৎসার শুরুতে রোগীকে মুখের সবধরনের খাবার বন্ধ করে স্যালাইন দেয়া হয়, সেই সাথে ব্যথার অসুধ, গ্যাসের অসুধ এবং এন্টিবায়োটিকও দেয়া হয়। শতকরা ৯০ ভাগ রোগীই এই চিকিৎসায় সুস্থ বোধ করেন। এরপর চিকিৎসক সময় বুঝে রোগীকে অপারশন করে পিত্তথলি ফেলে দেবার পরামর্শ দেন। প্রায় সময়ই এই ভর্তিতেই অপারেশন বা কলিসিস্টেকটমি করে দেয়া হয়। তবে রোগীর অন্য কোনো সমস্যা থাকলে ২-৩ মাস পরেও এটা করা যেতে পারে। পেট কেটে এবং মেশিনের সাহায্যে সামান্য ফুটোকরে দুভাবেই কলিসিস্টেকটমি করা যায়। শুধু পিত্তনালীতে পাথর হলে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে অপারেশন না করে শুধু ই,আর,সি,পি করেও তা সরিয়ে ফেলা যায়, পিত্তথলিতে পাথর হলে তেমন করার সুযোগ থাকেনা।মনে রাখতে হবে শুধু অসুধ সেবনে পিত্তথলির পাথর ভালো করে দেয়া সম্ভব নয়, তাই এই ধরনের প্রচারনায় বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক হবেনা।
অনেক সময় পিত্তথলিতে পাথর হলেও রোগী কোনো প্রকার ব্যথা বা অন্য সমস্যা অনুভব করেনা। সাধারনত অন্য কোনো রোগের জন্য পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে এটা ধরা পরে। এসব ক্ষেত্রে অনেক চিকিৎসকই কলিসিস্টেকটমি না করে অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং ব্যথা হলে তবেই অপারেশন করাতে বলেন। তবে এই নিয়ে বিতর্ক আছে কারন অনেক দিন পাথর থাকা অবস্থায় অপারেশন না করালে তা ক্যান্সারে রূপান্তরিত হতে পারে এসব বিষয়ও বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া গেছে। তাই সব দিক বিবেচনা করে পিত্তথলিতে পাথর হলে তা একজন অভিজ্ঞ সার্জন কর্তৃক ল্যাপকলির মাধ্যমে অপারেশন বা ল্যাপারোস্কপিক কলিসিস্টেকটমি করিয়ে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তার পেতে
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

ঠান্ডা-সর্দি দূরে রাখার ১ম উপায়আবহাওয়া বদলের বিষয়টি নিশ্চয়ই টের পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ঠান্ডা ও সর্দির প্রকোপ বেড়ে যায়। ঠান্ড...
30/11/2021

ঠান্ডা-সর্দি দূরে রাখার ১ম উপায়

আবহাওয়া বদলের বিষয়টি নিশ্চয়ই টের পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ঠান্ডা ও সর্দির প্রকোপ বেড়ে যায়। ঠান্ডা লাগা ও সর্দি থেকে দূরে থাকতে আগে থেকেই সাবধান থাকতে হবে। অনেকের ধারণা, বেশিক্ষণ ঠান্ডায় থাকলে বা পানিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগে, সর্দি হয়। যদিও এসব রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস, তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম আছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা আমাদের শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুসখুস ভাব দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি আসে। ক্রমান্বয়ে মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। হালকা জ্বর ও শুকনা কাশিও হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫টি নিয়ম মানলে সর্দি-কাশি আপনার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না। জেনে নিন উপায়গুলো:

প্রচুর ভিটামিন ডি
গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ভিটামিন ডির অভাব হয়, তাদের সর্দি-কাশিতে কাবু করে বেশি। শরীরে ভিটামিন ডি থাকলে তা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। অনেক সময় শুধু খাবার থেকে যথেষ্ট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত। এর বাইরে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকা লাগতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে সপ্তাহে দুই দিন কেউ যদি অন্তত ৫ থেকে ৩০ মিনিট সূর্যালোক গায়ে মাখে, তবে তা যথেষ্ট।

শীত মানেই ঠাণ্ডা, জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা, ত্বক শুষ্কতা আর নানা কিছু। এইসব কিছুর সাথে অসুখ-বিসুখ আর সর্দি-কাশির প্রকোপ তো বোনাসেই আসে। অসুস্থতা বেশি হলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডাক্তার পেতে
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট, (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

মাথা ব্যথার কারন ও প্রতিকারঃ :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা খুব সাধারণ একটি সম...
28/11/2021

মাথা ব্যথার কারন ও প্রতিকারঃ
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। মাথা ব্যথা অনেক বিরক্তিকর, তবে বেশীর ভাগ মাথা ব্যথাই মারাত্মক রোগ নির্দেশ করেনা। দুশ্চিন্তা ও মাইগ্রেন শতকরা ৯০ ভাগ মাথা ব্যথার জন্য দায়ী। মাথা ব্যথা নানা রকমের। টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক, সাইনাস হেডেক, আর্জেন্ট হেডেক, আইহেডেক বা চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা, হরমোনজনিত মাথা ব্যথা। তাছাড়া মগজের টিউমার, মগজের ঝিল্লির ভিতর রক্তপাত, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হয়।

১. টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথাঃ
মাথা ব্যথা মাথার উভয় দিকে হয়। মাথায় তীব্র চাপ অনুভূত হয় এবং ব্যথা ঘাড়ে সংক্রমিত হতে পারে। মানসিক চাপে ব্যথা বাড়তে পারে। পুরুষ, মহিলা সমানভাবে আক্রান্ত হয়।

চিকিৎসা:
সাধারণত বেদনা নাশক দ্বারা চিকিতৎসা করা হয়। স্বল্পমাত্রার ট্র্যাঙ্কুলাইজারও দেওয়া যেতে পারে।

২. মাইগ্রেন–এর মাথা ব্যথাঃ
শতকরা ১০-১৫ ভাগ লোক এ ধরণের মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়। মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। সাধারণত: ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় মগজের রাসায়নিক বাহক সেরোটনিন-এর মাত্রা বেড়ে যায় এবং মাথা বাইরের ধমনীগুলো প্রসারিত হয়।

চিকিৎসাঃ
যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ বৃদ্ধি পায়, তা পরিহার করতে হবে। স্বল্পস্থায়ী চিকিতৎসা হিসাবে অ্যাসপিরিন বা প্যারাসিটামলের সাথে এন্টিইমেটিক যেমন প্রোক্লোরপেরাজিন, মেটাক্লোপ্র্যামাইড দেয়া যেতে পারে। তীব্র আক্রমণের চিকিত্সা হিসাবে সুমাট্রিপটিন, যা মাথার বাইরের ধমনীকে সংকুচিত করে, তা মুখে বা ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে। আর্গোটামিন বিকল্প হিসাবে দেওয়া যেতে পারে। ঘন ঘন আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিরোধকারী হিসাবে প্রোপানোলল, পিজোটিফেন বা অ্যামিট্রিপটাইলিন দেওয়া যেতে পারে।

৩. ক্লাস্টার হেডেকঃ
ক্লাস্টার হেডেক মাইগ্রেনের চেয়ে কম হয়। এ ধরনের মাথা ব্যথা মধ্য বয়স্ক পুরুষদের বেশী হয়ে থাকে। কিন্তু মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়।

চিকিৎসাঃ
চিকিৎসা হিসাবে উচ্চ মাত্রায় প্রদাহ বিনাশকারী (এন্টিইনফ্লামেটরী) দেওয়া হয়। সুমাট্রিপটিনও ফলপ্রসূ। আর্গোটামিন ও ভেরাপামিল রোগ প্রতিরোধের জন্য কার্যকর। অর্ধেকের বেশী রোগী ফেস মাস্কের মাধ্যমে ১০০% অক্সিজেন শ্বাসের সাথে নিয়ে উপকার পায়। ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা উচিত।

৪. সাইনাস এর মাথা ব্যথাঃ
যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয়, তাদের সাইনুসাইটিস থেকে এ ধরণের মাথা ব্যথা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা :
চিকিৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, নাজাল ডিকনেজস্ট্যান্ট বা নাজাল স্প্রে দেওয়া হয়।

৫. চক্ষুজনিত মাথা ব্যথাঃ
শতকরা ৫ ভাগ মাথা ব্যথা চক্ষুজনিত। চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে মাথা ব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ পড়াশুনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চোখের কোন রোগ যেমন- কর্ণিয়া, আইরিশের প্রদাহ, গ্লুকোমা বা রেট্রোবালবার নিউরাইটিস ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা সাধারণত: চোখে, কপালের দু’দিকে বা মাথার পিছনে হয়ে থাকে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

৬. হরমোনজনিত মাথা ব্যথাঃ
মহিলাদের মাসিক কালীন সময়ে প্রোজেষ্টেরন ও এষ্ট্রোজেন হরমোনের উঠানামার কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। মাসিক চক্র শেষ হলে বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে এ ধরণের মাথা ব্যথা ভাল হয়ে যায়।

বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ সেবন করবেন না।

ডাক্তার পেতে
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

এনাল ফিসার.পাইলস.অর্শ্ব.ভগন্দর অপারেশান ছাড়াই চিকিৎসা সম্ভবঃমলদ্বারের রোগ সমূহ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে বিশেষ করে কোষ্ঠ্যক...
27/11/2021

এনাল ফিসার.পাইলস.অর্শ্ব.ভগন্দর অপারেশান ছাড়াই চিকিৎসা সম্ভবঃ

মলদ্বারের রোগ সমূহ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে বিশেষ করে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য প্রধান কারন।

অর্শ্ব.গেজ.পাইলস.ফিস্টুলা.ভগন্দরসহ মলদ্বারের সকল রোগই এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যাবস্থায় র্সাজারি দ্বারা, হোমিওপ্যাথি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় সার্জারি ছাড়াই সর্ম্পূন র্নিমূল করা সম্ভব হয়।

মলদ্বারের ব্যথায় অনেক লোক ভুগে থাকেন। যে রোগে মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হয় তার নাম এনাল ফিসার। সাধারণত শক্ত মল হলে বা ঘন ঘন মলত্যাগের কারণে মলদ্বার ফেটে ঘা হয়ে যায়। সমস্যা হল এই যে, এই ঘা শুকাতে চায় না সহজে।

আবার কিছু কছুি রোগীর এই ঘা শুকিয়ে গেলেও কিছু দিন পর আবার মল শক্ত হলে একই সমস্যা আবার দেখা দেয়। এই রোগ একজন রোগীর বছরের পর বছর এমনকি ৩০-৪০ বছর থাকতে দেখেছি। এ রোগের উপসর্গেরও বেশ তারতম্য হয়। কোন কোন রোগীর মলত্যাগের পর সামান্য জ্বালা পোড়া হয় এবং তা ৫ থেকে ১৫ মি: পর্যন্ত চলে। আবার কখনও কখনও ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে এবং কয়েক ঘন্টা এমনকি সারাদিন চলতে থাকে। কারো কারো মাথা ধরে যায়। আবার দীর্ঘস্থায়ী এনাল ফিসারে মাঝে মাঝে মোটেই ব্যথা থাকে না।

আমার ব্যক্তিগত মতে মলদ্বারের রোগের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি হয়। আমি দেড় মাসের বাচ্চাকে এ রোগ হতে দেখেছি। তবে তরুণ ও যুবাদের বেশী হয়। পুরুষ অথবা নারী উভয়ের এ রোগটি সমান ভাবে হয়ে থাকে।

রোগের কারণ এবং কি করে ঘটে: এটি হওয়ার জন্য সাধারণত: দায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা মলত্যাগের সময় কোত দেয়া। শক্ত মল বের হওয়ার সময় মলদ্বার ফেটে যায় বলে মনে করা হয়। যারা আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের এ রোগ কম হয়। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, কাঁচা ফলমূল, আলুর ছোলা, ইসুপগুলের ভূষি ইত্যাদি।

চা কফি বা মদ খাওয়ার সাথে এগুলোর কোন সম্পর্ক নেই। ঘন ঘন মলত্যাগ বা ডায়রিয়া হলে ফিসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও আঙ্গুল দিয়ে পরীক্ষা করলে মলদ্বার অতিরিক্ত সংকুচিত বলে মনে হয়। মলদ্বারের ভিতর সাপোজিটরী জাতীয় ওষুধ দেয়ার সময় অনেকের মলদ্বারে যে ঘা হয় তা থেকেও অনেক রোগীর বিশেষ কর মহিলাদের এ জাতীয় রোগ হতে পারে।

উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ: মলদ্বারে ফিসারের প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও রক্তক্ষরণ। এ ধরণের ব্যথা সাধারণত মলত্যাগের অব্যবহিত পরে হয় এবং কয়েক মিনিট থেকে বহু ঘন্টা এমনকি সারাদিনও চলতে পারে। ‘প্রকটালজিয়া ফিউগাঙ্’ নামক এক ধরনের রোগেও মলদ্বারে ব্যথা হয় কিন্তু তা মলত্যাগের অব্যবহিত পরেই হয় না, দিনের যে কোন সময় হতে পারে।

পাইলসের জটিলতা যেমন রক্ত জমাট বাধা, আলসার বা গ্যাংগ্রীন হলেও মলদ্বারে প্রচুর ব্যথা হয় কিন্তু তখন রোগী মলদ্বারে বড় একটি মাংসপিন্ড আছে বলে অভিযোগ করেন। মলদ্বারে সংক্রমণ হয়ে ফোড়া হলে, ফিষ্টুলা বা ভগন্দর এবং দুরারোগ্য ক্যান্সারেও ব্যথা হয়। এসব ক্ষেত্রে রোগের ইতিহাস ও রোগীকে ফিজিক্যাল পরীক্ষা করে রোগ সনাক্ত করতে হয়।

ডাক্তার পেতে।
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট, হোটেল লিস্ট (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

অ্যাজমা বা হাঁপানিঃহাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট সম্বলিত রোগ। কার্যতঃ এটি শ্বাসনালীর অসুখ। এর ইংরেজি নাম অ্যাজমা যা এসেছে গ্রিক...
24/11/2021

অ্যাজমা বা হাঁপানিঃ
হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট সম্বলিত রোগ। কার্যতঃ এটি শ্বাসনালীর অসুখ। এর ইংরেজি নাম অ্যাজমা যা এসেছে গ্রিক শব্দ Asthma থেকে। বাংলায় হাঁপানি। যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বলতে আমরা বুঝি শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য শ্বাসকষ্ট (Dyspnoea) ।

দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণ।
১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং
২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness)

পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু । ৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় ।

অ্যাজমা রোগের লক্ষণঃ
১.শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি ।
২.শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ ।
৩.হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা ।
৪.ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা
গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট ।
৫.ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট ।
৬.বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট ।

চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয় । রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা বেশি আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে । এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয় । এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পরে । বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে ।

কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে ।
১. এলাজেন পরিহার : অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয় ।
২. ওষুধপত্র : নানা ধরনের হাঁপানির ওষুধ আছে । প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন । সাধারণত দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয় ।
ক) শ্বাসনালির সঙ্কোচন বন্ধ করতে ওষুধ ব্যবহার করা।
খ) প্রদাহ নিরাময়ের ওষুধ।
৩. এলার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : এলার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন ও অ্যাজমা রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি । এ পদ্ধতি ব্যবহার কর্টিকোস্টেরয়েডের ব্যবহার অনেক কমে যায় । ফলে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও রেহাই পাওয়া যায় । বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে । বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতি চিকিৎসাকে এজমার অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করে । এটাই অ্যাজমা রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি । বর্তমানে বাংলাদেশেও এ পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয় ।

প্রতিকারের উপায়ঃ
১. এলার্জি কারক বস্তু এড়িয়ে চলুন । যেমনঃ ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন ।
২. ঘর বাড়িকে ধুলো বালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা । এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাপত্র, ভেজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা ।
৩. ঘরে কার্পেট রাখবেন না ।
৪. বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা ।
৫. শীতকালে যথা সম্ভব গরম পানিতে গোসল করা ।
৬. ধূমপান করবেন না ।
৭. যেসব খাবারে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলুন ।
৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবেন না ।
৯. মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলুন । কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলুন ।
১০. পেশাগত কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান কিংবা পেশা পরিবর্তন ।
১১. পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ কম করতে ।
১২. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন । ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে ।
১৩. রেণু পরিহারে সকাল কিংবা সন্ধ্যা বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাবেন না ।
১৪. রেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলুন ।
১৫. কুকুর বিড়াল বাগান থেকে রেণু বহন করতে পারে । এজন্য নিয়মিত কুকুর বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন ।

ইনশাল্লাহ, আমাদের ঔষধে হাঁপানি সম্পুর্ন ভালো হয়।

চিকিৎসা, পরামর্শ ও মেডিসিন ডাক্তার পেতে
prethibi apps টি ডাউনলোড করুন, এখানে পাবেন সারা দেশের প্রতিটি জেলার ডাক্তারের লিস্ট, হোটেল লিস্ট, রেস্টুরেন্ট লিস্ট এবং টুর প্লেস (মোবাইল নাম্বার সহ) যা আপনি বাড়ি বসেই সিরিয়াল দিতে পারবেন। অথবা আপনার নাম (ডাক্তার) বা আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম ইনক্লুড করতে চাইলে কমেন্ট করে জানান।
গুগল প্লে অ্যাপস ডাউনলোড লিংক-👇👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.salmakhaton008.Prethibi

Address

Puran Bogra
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when prethibi.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to prethibi.com:

Share

Category