Dr. Kamrunnahar, Gynaecologist & Obstetrician

Dr. Kamrunnahar, Gynaecologist & Obstetrician Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Kamrunnahar, Gynaecologist & Obstetrician, Doctor, Laxmipur, Rajpara, Rajshahi.
(1)

ডাঃ মোছাঃ কামরুন্নাহার
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিজিও (বিএসএমএমইউ)
সিসিডি (বারডেম)
এফসিপিএস (অবস এন্ড গাইনী-ফাইনাল পার্ট)
ডিএমইউ (আল্ট্রা),
সিসিজিপি,
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।
বিএমডিসি রেজি নং: এ-৭৪৪৬৩
স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

11/06/2026

ডাক্তার কেন পরীক্ষার নিরীক্ষা দেয়
এই ভিডিও দেখলে উত্তর পাবেন....
ভালোই বলেছেন সিনিয়র সাংবাদিক ডা.তুষার ভাই!

হাইপ্রেসারের রোগী কি দুধ খেতে পারবে??আমি সবাইকে সর ছাড়া দুধ খেতে বলি। হাইপ্রেসারের রোগী এটা শুনে বলে যে দুধ খেলে প্রেসার...
09/06/2026

হাইপ্রেসারের রোগী কি দুধ খেতে পারবে??

আমি সবাইকে সর ছাড়া দুধ খেতে বলি। হাইপ্রেসারের রোগী এটা শুনে বলে যে দুধ খেলে প্রেসার বাড়বে তাই খাই না।

এটি একটি ভুল তথ্য। গরুর দুধে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে যা প্রেসার কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই সর ফেলে দিয়ে দুধ খেতে হবে। সরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা খেলে রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে।

আমাদের প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম খাওয়া উচিত তার অন্যতম উৎস হচ্ছে দুধ। তাই প্রতিদিন সকলের সর ছাড়া দুধ খাওয়া উচিত।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

06/06/2026

'সদকা' মানে কেবল পকেট থেকে টাকা বের করে দেওয়া নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই ধারণাকে এতটাই সহজ ও বিস্তৃত করেছেন যে, একজন দরিদ্র মানুষও প্রতিদিন অঢেল সওয়াব বা 'সদকায়ে জারিয়া'র সওয়াব অর্জন করতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে যেভাবে সওয়াব পাওয়া সম্ভব:

১. হাসিমুখে কথা বলা (The Power of a Smile)

রাসূল (সা.) বলেছেন: "তোমার ভাইয়ের সামনে তোমার হাস্যোজ্জ্বল মুখ করাও একটি সদকা।" (তিরমিজি)।

* কেন এটি সদকা? কারণ আপনার একটি হাসি অন্য একজন মানুষের দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ দূর করতে পারে। এটি সামাজিক বন্ধন শক্ত করে, যা ইবাদতের অংশ।

২. পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো (Clear the Path)
রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় একটি ইটের টুকরো, কলার খোসা বা কাঁচের টুকরো সরিয়ে দেওয়াও সদকা।
* সদকায়ে জারিয়া কেন? ভাবুন, আপনি একটি পাথর সরালেন যাতে কেউ হোঁচট না খায়। ওই রাস্তা দিয়ে আজীবন যত মানুষ নিরাপদে হাঁটবে, তার একটি সওয়াব আপনার আমলনামায় যোগ হতে পারে।

৩. ভালো কথার প্রচার (Good Words)

কাউকে একটি ভালো পরামর্শ দেওয়া বা আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। যেমন:
* কাউকে কোনো বিপদ থেকে বাঁচার উপায় বলে দেওয়া।
* ইন্টারনেটে বা সরাসরি একটি আয়াত বা হাদিস শেয়ার করা। যদি আপনার সেই কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কেউ আমল শুরু করে, তবে সেই আমলের একটি অংশ আপনিও পেতে থাকবেন।

৪. পানির অপচয় রোধ ও সংরক্ষণ

আপনি যদি ওজু করার সময় পানি কম খরচ করেন বা কলটি শক্ত করে আটকে দেন যাতে পানি অপচয় না হয়—এটিও একটি আমানত রক্ষা ও নেক কাজ। আবার মরুভূমি বা শুষ্ক এলাকায় পাখির জন্য এক পাত্র পানি বারান্দায় রাখা; সেই পানি খেয়ে পাখিটি যতবার উড়বে, ততবার আপনার সওয়াব হবে।

৫. মানুষের ভুল ক্ষমা করা

কারো ওপর রাগ না করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া বা বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া। এটি হৃদয়ের সদকা। কুরআন বলছে, "সুন্দর কথা ও ক্ষমা করা ওই দান অপেক্ষা উত্তম, যার পেছনে কষ্ট দেওয়া হয়।" (সূরা বাকারা: ২৬৩)।

একটি চমৎকার হাদিস (সহিহ বুখারি ও মুসলিম):
রাসূল (সা.) বলেছেন:
> "মানুষের শরীরের প্রতিটি জোড়ার (৩১০টি জোড়া) ওপর প্রতিদিন সদকা করা ওয়াজিব।
> * দুই ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া একটি সদকা।
> * কাউকে তার সওয়ারিতে আরোহণ করতে বা মালপত্র উঠাতে সাহায্য করা একটি সদকা।
> * ভালো কথা বলা একটি সদকা।
> * সালাতের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলা একটি সদকা।
> * রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো একটি সদকা।"

Collected

04/06/2026

বাংলাদেশের রুগীরা যা চায় -----
তাদের ডাক্তার হবে -
১. এম বি বি এস,এফসিপিএস, এমডি/এম এস ডিগ্রিধারি,
২. কোনো নামকরা হাসপাতাল এর বিভাগীয় প্রধান
৩. রুগী দেখাতে কোনো সিরিয়াল লাগবে না
৪. অনেক সময় নিয়ে রুগী দেখবেন, গল্পগুজব করবেন, চা খাওয়াবেন
৫. যখন খুশি তখন ফোন দিলে কথা বলবেন
৬. পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াই রোগ নির্ণয় করবেন
৭. রাত ৩ টা, শুক্রবার, ও অন্যান্য সরকারি বন্ধের দিন তাকে পাওয়া যাবে।
৮. ভর্তি রুগীর পাশে বসে বাতাস করবেন আর রুগী সহ তার সকল লোকজনকে বারবার রোগ সম্পর্কে বুঝাবেন।আগের রোগীকে কম সময় দেবেন যাতে বেশিক্ষণ বসে থাকতে না হয়। কিন্তু আমাকে বেশি সময় দেবেন।
৯. তার ভিজিট হবে ২০০ টাকা, তবে ক্ষেত্র বিশেষ এ ফ্রি দেখবেন।
১০.ঔষধ লিখবে ২/১টা গেরান্টি/ওআরেন্টি সহকারে,পারলে ২সপ্তাহের স্যাম্পল ফ্রি দিয়া দিবে|রুগী অতি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে অন্য রোগের এবং রুগীর আত্মীয় স্বজনের চিকিৎসা টেলিফোনে অথবা চেম্বারে মাগনা দিবে।
১১.আমি/বা পুরা দেশ ইবলিশসমগ্র হইলেও ডাক্তাররে হইতে হইব মালাইকা তথা ফেরেশতাকূল।
১২.রোগীর সাথে যারা আসবে তাদের+তাদের বাড়িতে বাচ্চা আত্মীয় কেউ থাকলে তাদের ছোটখাটো সমস্যা প্রেসক্রিপশনে না ছোট কাগজে লিখে দিতে হবে

Collected

কথা ঠিক কিনা
রাগ করলেন না তো?

25/05/2026

# নরমাল ডেলিভারি বনাম সিজার: কোনটা আসলে ভালো?

মা হওয়া একটা দারুণ অনুভূতি, কিন্তু গর্ভাবস্থার শেষ দিকে এসে প্রায় সব হবু মায়ের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়—**"আমার ডেলিভারিটা কীভাবে হবে? নরমাল নাকি সিজার? কোনটা বেশি ভালো?"**

আজকাল ইন্টারনেটে বা আশেপাশের মানুষের কথায় এই দুই পদ্ধতি নিয়ে এত রকমের মতবাদ শোনা যায় যে, মায়েরা অনেক সময় দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। আসুন কোনো রকম জটিলতায় না গিয়ে একদম সহজ ভাষায়, বাস্তবসম্মতভাবে জেনে নিই এই দুই পদ্ধতির ভালো-মন্দ দিকগুলো।

---

# # ১. নরমাল ডেলিভারি (Normal Delivery)

যুগ যুগ ধরে চলে আসা প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম হলো নরমাল ডেলিভারি। চিকিৎসকরাও সাধারণত প্রথম চয়েস হিসেবে এটাকেই বেছে নিতে বলেন, যদি কোনো বড় ধরনের জটিলতা না থাকে।

# # # সুবিধাগুলো কী কী?

* **দ্রুত সুস্থ হওয়া:** নরমাল ডেলিভারির সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হলো, বাচ্চার জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মা উঠে বসতে পারেন, নিজে হেঁটে বাথরুমে যেতে পারেন।
* **হাসপাতালে কম থাকা:** সাধারণত কোনো বড় জটিলতা না থাকলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ছুটি পেয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়া যায়।
* **পরের বার মা হওয়া সহজ হয়:** প্রথম সন্তান নরমালে হলে পরের বার গর্ভধারণ বা ডেলিভারির সময় জটিলতা অনেক কম থাকে।
* **বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:** গবেষণায় দেখা গেছে, নরমাল ডেলিভারির প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসার সময় বাচ্চার শরীরে কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে, যা তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

# # # অসুবিধা বা চ্যালেঞ্জগুলো কী?

* **প্রসব বেদনা:** এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো তীব্র লেবার পেইন বা প্রসব ব্যথা, যা সহ্য করা বেশ কঠিন।
* **অনিশ্চিত সময়:** ডেলিভারি হতে কত সময় লাগবে (কয়েক ঘণ্টা থেকে একদিনও লাগতে পারে) তা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না।
* **ছোটখাটো টিয়ার বা সেলাই:** অনেক সময় জরায়ুর মুখ বা আশেপাশের পেশি কিছুটা ছিঁড়ে যেতে পারে, যা শুকোতে কয়েকদিন সময় লাগে।

---

# # ২. সিজারিয়ান সেকশন (C-Section)

সিজার বা সি-সেকশন হলো একটি বড় সার্জারি (অপারেশন)। অনেকে মনে করেন সিজার মানেই বুঝি আরামের, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সিজার হলো একটি জীবন রক্ষাকারী জরুরি বিকল্প।

# # # কখন সিজার করা একদম বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে?

* বাচ্চার পজিশন উল্টো বা বাঁকা থাকলে (Breech বা Transverse)।
* বাচ্চার গলায় নাড়ি পেঁচিয়ে গেলে বা পেটের ভেতর বাচ্চার হার্টবিট (হৃদস্পন্দন) কমে গেলে।
* মায়ের অতিরিক্ত উচ্চ রক্তচাপ (Eclampsia) বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে।
* প্লাসেন্টা প্রিভিয়া বা গর্ভফুল নিচের দিকে (জরায়ুর মুখে) থাকলে।
* আগের ডেলিভারি সিজারে হয়ে থাকলে এবং এবার নরমালে ঝুঁকি থাকলে।

# # # সুবিধাগুলো কী কী?

* **জরুরি অবস্থায় জীবন রক্ষা:** মা বা শিশুর জীবন যখন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তখন সিজারই একমাত্র ভরসা।
* **পরিকল্পিত প্রসব:** অনেক সময় ইমার্জেন্সি এড়াতে আগে থেকেই দিন-ক্ষণ ঠিক করে সিজার করা যায়, ফলে লেবার পেইন সহ্য করতে হয় না।

# # # অসুবিধা বা রিস্কগুলো কী?

* **এটি একটি মেজর অপারেশন:** পেটের চামড়া এবং জরায়ু কেটে বাচ্চা বের করা হয়, তাই অপারেশনের স্বাভাবিক কিছু ঝুঁকি (যেমন ইনফেকশন বা অতিরিক্ত রক্তপাত) থেকেই যায়।
* **সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগে:** সিজারের পর স্বাভাবিক লাইফে ফিরতে, ভারী কাজ করতে বা সোজা হয়ে হাঁটতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যায়।
* **পরবর্তী গর্ভাবস্থায় ঝুঁকি:** একবার সিজার হলে পরের বারও সিজার হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৮০-৯০% বেড়ে যায় এবং জরায়ুতে দাগ (Scar) থাকার কারণে কিছু ঝুঁকি থাকে।

---

# # আসল কথা: কোনটি সেরা?

“শুধু নরমালই ভালো” কিংবা “সিজারই আরামদায়ক”—এইভাবে চিন্তা করাটা একদম ভুল।

বাস্তবতা হলো, **যে পদ্ধতিতে মা ও শিশু—দুজনেই সুস্থ এবং নিরাপদ থাকবে, সেটাই আপনার জন্য সেরা পদ্ধতি।** যদি শরীর পারমিট করে এবং কোনো জটিলতা না থাকে, তবে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করাই শ্রেয়। আর যদি চিকিৎসকের দৃষ্টিতে কোনো ঝুঁকি থাকে, তবে জেদ না করে সিজারের সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

# # # গর্ভাবস্থায় আপনার করণীয়:

* গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই একজন ভালো গাইনোকোলজিস্টের অধীনে নিয়মিত চেকআপে থাকুন।
* পুষ্টিকর খাবার খান এবং শরীর সচল রাখতে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।
* ডেলিভারি নিয়ে মনে কোনো ভয় বা প্রশ্ন থাকলে সরাসরি আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

সবশেষে মনে রাখবেন, ডেলিভারির মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, দিনশেষে কোলজুড়ে সুস্থ একটি শিশু এবং মায়ের হাসিমুখই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

---
পরামর্শে:
ডাঃ কলি রাণী সরকার
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিজিও, এমসিপিএস
এফসিপিএস (অবস্ এন্ড গাইনী)
স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

23/05/2026

ভয়াবহ দুঃখজনক এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম।

গতকাল চেম্বারে একজন প্রেগন্যান্ট রোগী এসেছিলেন রুটিন চেকআপে। সাথে ছিলেন তার মা ও স্বামী। রোগীর চোখ-মুখ লালচে ছিল, দেখে মনে হচ্ছিল অনেকক্ষণ ধরে কান্নাকাটি করেছেন।

তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্টটা আমার হাতে দিয়ে বললেন— “ম্যাডাম, ভাল করে দেখে বলেন আমার কী বাচ্চা হবে?”

ফাইল না খুলেই আমি বললাম— “মা, আমি রিপোর্ট দেখে বলব আপনার বেবি কেমন আছে, গ্রোথ কেমন হচ্ছে, সবকিছু ঠিক আছে কিনা, ইনশাআল্লাহ কবে আপনার কোলে আসবে— এসব। ছেলে না মেয়ে বাবু হবে এটা আমি বলতে পারব না যে। "

হঠাৎ রোগী খুব অস্থির হয়ে চিৎকার করে বললেন— “না ম্যাডাম, এসব না। শুধু বলেন আমার কী বাচ্চা হবে!”

আমি বুঝতে পারলাম কিছু একটা সমস্যা চলছে। কারণ এই রোগীকে আমি আগেও দেখেছি। প্রথমবার মা হতে যাচ্ছেন বলে প্রতিটা ভিজিটে ভীষণ উচ্ছ্বসিত থাকতেন তিনি। অনেক প্রশ্ন করতেন।

আমি রোগীর হাতের উপরে হাত রেখে খুব ধীরে জিজ্ঞেস করলাম— “কি হয়েছে মা? বেবি সুস্থ থাকাটাই তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

কাঁদতে কাঁদতে তিনি বললেন— “ম্যাডাম, আমার মেয়ে হবে। কাল USG করার সময় ঐ ডাক্তার ম্যাডাম বলেছে।”

আমি রিপোর্ট খুলে দেখতে শুরু করলাম।
Fetal growth appropriate for gestational age
Amniotic fluid adequate
Fetal movements good
Cephalic presentation
Estimated fetal weight satisfactory
সবকিছুই আলহামদুলিল্লাহ ভাল ছিল।

আমি বললাম— “ সব ভাল আছে। তাহলে মন খারাপ কেন আপনার?”

এরপর রোগী যে কথাগুলো বললেন, সেগুলো শুনে সত্যিই কিছু মুহূর্তের জন্য নির্বাক হয়ে গিয়েছিলাম।

তিনি বললেন— “আমি মেয়ে বাচ্চা চাই না ম্যাডাম। যদি ওকেও রেপ করে মেরে ফেলে? আমি চাকরি করি। স্বামীকে দেখিয়ে বললেন উনি বিদেশে থাকেন। আমার মা বয়স্ক মানুষ। কে দেখে রাখবে আমার মেয়েকে? যদি ওরও মাথা কেটে ফেলে? না ম্যাডাম, আমি এই বাচ্চা চাই না...”

রোগীর মা ও স্বামী জানালেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ ঘটনাগুলোর পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। খুব অস্হির আচরণ করছেন।

অনেকক্ষণ কাউন্সেলিং করলাম রোগীকে। আবার ফলো-আপে আসতে বলেছি ঈদের আগে। ব্যক্তিগত নম্বর সাধারণত রোগীদের দেই না, কিন্তু তাকে দিয়েছি। বলেছি— “যখন খুব কষ্ট লাগবে, ফোন করবেন। এখন সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে আপনার হাসি খুশি , ভাল থাকা। টেনশন না করা। বেবিটাকে সুস্থভাবে পৃথিবীতে আনতে হবে তো। আর ফেসবুক বা অন্য সোস্যাল মিডিয়া এখন দেখার দরকার নেই কিছুদিন। "

শেষে তাকে আরো একটা কথাও বললাম—
“আমরা যদি কন্যাসন্তান জন্ম দিতে ভয় পাই কিছু নোংরা অপরাধীর জন্য, তাহলে তো হবে না। আপনিই তো আমাকে দেখাতে এত দূর থেকে আসেন শুধু আমি একজন মহিলা ডাক্তার বলে। মনে আছে এ কথা আপনি আমাকে বলেছিলেন? কন্যা সন্তান জন্ম না নিলে পৃথিবী থেমে যাবে। মানুষ আর জন্ম নিবে না।"

ততক্ষণে রোগী অনেকটাই শান্ত হয়েছেন, চুপচাপ মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন।

চিকিৎসক জীবনে বহু অদ্ভুত কেস দেখেছি। হয়তো ভবিষ্যতেও দেখব। কিন্তু এই ঘটনাটা আলাদা করে মনে থাকবে।
সমাজে অপরাধ যত বাড়ে, তার প্রভাব শুধু আইনশৃঙ্খলায় না— মানুষের মনস্তত্ত্ব, মাতৃত্ব, পরিবার, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম— সবকিছুর উপর পড়ে।
আমি নিশ্চিত, শুধু এই মা নন— অসংখ্য হবু মা-বাবা আজ আতঙ্ক নিয়ে সন্তান জন্ম দেবার কথা, বড় করার কথা ভাবছেন। বিশেষ করে কন্যাশিশুর বাবা-মায়েরা।
এমন অনিরাপদ সমাজ আমরা চাই না।

Stop normalizing violence against women and children.
Stop raising a generation that fears giving birth to daughters.

একটা নিরাপদ সমাজ শুধু নারীদের জন্য নয়— আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও জরুরি।

#মিম্ মি

খাবার-দাবার নিয়ে সচেতন হতে গিয়ে উলটো গভীর ডিপ্রেশনে পড়ে যাচ্ছি।সাদা চিনি থেকে লাল চিনি তুলনামূলক কিছুটা স্বাস্থ্যকর, এটা...
19/05/2026

খাবার-দাবার নিয়ে সচেতন হতে গিয়ে উলটো গভীর ডিপ্রেশনে পড়ে যাচ্ছি।

সাদা চিনি থেকে লাল চিনি তুলনামূলক কিছুটা স্বাস্থ্যকর, এটা জেনে বেশি দাম দিয়ে লাল চিনি কিনে দেখবেন, সেটা আসলে ইটের গুড়া বা ক্যামিকেল দিয়ে লাল করা।

দুধ কিনতে গিয়ে শুনবেন ডিটারজেন্ট আর ক্ষতিকর ক্যামিকেল দিয়ে দুধ বানানো হচ্ছে। পাউরুটিতে সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টির ক্যামিকেল মিশাচ্ছে সাদা করতে।

বাংলাদেশের প্রতিটা ফুড কার্ট ও রাস্তার পাশের রেস্টুরেন্টগুলোতে যে তেল বা সস ইউজ করা হচ্ছে সেগুলো স্রেফ বিষ। ১০০ টাকায় ৫ লিটার সস কিনে তারা। সেগুলোরে সুতা কালার করার রঙ ছাড়া আর কি থাকবে?

আমাদের দেশের মানুষগুলো ফল পাকাচ্ছে ক্যামিকেল দিয়ে, খাবার বানানো পানিটা নিতেসে ড্রেন থেকে। আমাদের মাছ মাংসে হেভি মেটাল, আমাদের প্রতিটা খাবারে কীটনাশক, বিষ। দেদারসে অটোরিকশা চলতে দেওয়ায় সেগুলোর ব্যাটারির লেড মিশে যাচ্ছে আমাদের পরিবেশে, সামনের জেনারেশন বড় হবে নির্বোধ ও ভায়োলেন্ট হয়ে।

দুনিয়ার আর কোন দেশে এত এগ্রেসিভলি খাবারে ভেজাল মেশানো হয় না। আফ্রিকার সবচেয়ে গরীব দেশেও না। ইউরোপের সবচেয়ে নাস্তিক যে দেশটা, যে দেশের ১০% মানুষও আল্লাহ খোদায় বিশ্বাস করে না, মৃত্যুর পর দুনিয়াতে করা সব অপকর্মের হিসাব দিতে হবে, অনন্তকাল শাস্তি হিসেবে আগুনে পুড়তে হবে— এসবে বিশ্বাস করে না, সেইসব দেশে গিয়ে আপনি যদি মানুষকে বলেন, আমাদের দেশের হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত বিভিন্ন খাবার, স্পেশালি বাচ্চারা খায় এমন খাবারে বিষাক্ত ক্যামিকেল মিশায় সামান্য লাভের আশায়, তারা খুব অবাক হবে! তারা কল্পনাও করতে পারবে না, এসব করার কথা কারো মাথায় আসতে পারে!

তাদের ভিতরে হয়তো খোদার প্রতি ভয় নাই। মৃত্যুর পর কি হবে সেসব নিয়ে তাদের দেশে হয়তো রাতভর বয়ান দেয় না কেউ। কিন্তু তাদের ভিতর এইটুকু মনুষ্যত্ববোধ আছে যে খাবারে ভেজল মিশানো ঠিক না। মানুষকে দূষিত খাবার খাওয়ানো অপরাধ। ইউরোপের সবচেয়ে অনুন্নত দেশটার সরকারও নিয়মিত এসব নিয়ে অভিযান চালায়, কেউ খাবারে ভেজাল দিলে শাস্তি হয় ভয়াবহ। সামান্য অনিয়মে লাইসেন্স বাতিল হয়, কোটি কোটি টাকার জরিমানা হয়।

আমাদের দেশের মানুশগুলো এমন কেন? সারারাত ধরে যারা ফলে ক্যামিকেল মাখিয়ে পাকায়, চিনিতে ইটের গুড়া মাখায়, মাছের পেটে পানি ভরে ওজন বাড়ায়, ৩ দিন ধরে পোড়া তেলে সিংগারা ভাজে, পা দিয়ে পাড়িয়ে পাউরুটি আর ফুচকার খামির বানায়— এরা তো উচ্চশিক্ষিত না যে পশ্চিমা বইপত্র পড়ে নাস্তিক হয়ে ভিতর থেকে আল্লাহ আর আখিরাতের ভয় চলে গেছে। উলটো এদের অনেকেরই বেশভুষায় প্র‍্যাক্টিসিং ধার্মিকই লাগে বাইরে থেকে। এদের তাহলে এমন হৃদয়হীন নিষ্ঠুর খুনী বানালো কিসে?

টাকার কতটা অভাব হলে মানুষ মৃত্যুর পর আল্লাহর সামনে জবাব দিতে হবে— এটা বেমালুম ভুলে গিয়ে খাবারে বিষ আর ভেজাল মিশাতে পারে নির্বিকার ভাবে, আমার জানতে খুব ইচ্ছা হয়।
Collected

Address

Laxmipur, Rajpara
Rajshahi
6000

Opening Hours

Monday 15:00 - 21:00
Tuesday 15:00 - 21:00
Wednesday 15:00 - 21:00
Thursday 15:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 15:00 - 21:00
Sunday 15:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Kamrunnahar, Gynaecologist & Obstetrician posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category