Dr MD Mizanur Rahman Shaheen - Bangladesh Eye Hospital, Rajshahi.

Dr MD Mizanur Rahman Shaheen - Bangladesh Eye Hospital, Rajshahi. BEST Eye Care Service.

15/06/2026

**ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও লেজার চিকিৎসা: অন্ধত্ব নিবারণে এক শক্তিশালী হাতিয়ার**

ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের একটি অন্যতম জটিল সমস্যা হলো **ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি (Diabetic Retinopathy)**।
রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘক্ষণ অনিয়ন্ত্রিত থাকলে চোখের পর্দার বা রেটিনার সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে রেটিনায় রক্তক্ষরণ হতে পারে, যা পরবর্তীতে স্থায়ী অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।
এই রোগ প্রতিরোধে এবং দৃষ্টিশক্তি বাঁচাতে **লেজার (Laser Photocoagulation)** চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকর এবং বিশ্বস্ত একটি পদ্ধতি।

👁️ ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথিতে লেজার কেন প্রয়োজন?
যখন ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনায় নতুন ও দুর্বল রক্তনালী তৈরি হয় (Proliferative Diabetic Retinopathy) অথবা রেটিনার কেন্দ্রস্থল বা ম্যাকুলাতে তরল জমে ফুলে যায় (Macular Edema), তখন লেজার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
লেজার মূলত নিচের কাজগুলো করে থাকে:
* **অস্বাভাবিক রক্তনালী ধ্বংস করা:** রেটিনায় গজিয়ে ওঠা নতুন ও ভঙ্গুর রক্তনালীগুলোকে লেজার রশ্মির মাধ্যমে পুড়িয়ে বা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় রক্তক্ষরণ না ঘটে।
* **ফোলাভাব কমানো:** ম্যাকুলা বা রেটিনার কেন্দ্রে জমে থাকা তরল শোষণ করতে এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে।
* **দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখা:** লেজার চিকিৎসার মূল লক্ষ্য দৃষ্টিশক্তি অলৌকিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া নয়, বরং **বর্তমান দৃষ্টিশক্তিকে ধরে রাখা এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী অন্ধত্বের হাত থেকে চোখকে রক্ষা করা**।

❓ লেজার চিকিৎসা নিয়ে কিছু সাধারণ ভুল ধারণা ও বাস্তব সত্য
* **ভুল ধারণা:** লেজার করালে চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি কমে যায় বা চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
* **বাস্তব সত্য:** লেজার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিকিৎসা। এটি দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে না, বরং রোগকে আরও মারাত্মক পর্যায়ে যাওয়া থেকে আটকে দৃষ্টিশক্তি টিকিয়ে রাখে।
* **ভুল ধারণা:** লেজার অপারেশনে অনেক কাটাছেঁড়া করতে হয় এবং তীব্র ব্যথা হয়।
* **বাস্তব সত্য:** এটি কোনো প্রচলিত সার্জারি বা কাটাছেঁড়ার অপারেশন নয়। এটি আউটডোর (OPD) পদ্ধতিতেই করা সম্ভব। চোখে অবশ করার ড্রপ দিয়ে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস হিসেবে লেজার দেওয়া হয় এবং রোগী সামান্য বা কোনো ব্যথাই অনুভব করেন না। চিকিৎসা শেষে রোগী সরাসরি বাসায় ফিরে যেতে পারেন।

💡 ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জরুরি পরামর্শ
১. **নিয়মিত চোখ পরীক্ষা:** ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পরপরই এবং পরবর্তীতে বছরে অন্তত একবার অভিজ্ঞ রেটিনা বিশেষজ্ঞ (Retina Specialist) দ্বারা চোখের রেটিনা পরীক্ষা (Fundoscopy) করানো উচিত।
২. **লক্ষণহীনতা মানেই সুস্থতা নয়:** ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ বা দৃষ্টিের সমস্যা নাও থাকতে পারে। যখন দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, তখন রোগটি অনেকখানি এগিয়ে যায়। তাই লক্ষণ প্রকাশের আগেই স্ক্রিনিং জরুরি।
৩. **ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:** লেজার চিকিৎসার পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা (HbA1c), উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তের কোলেস্টেরল কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
> **সচেতন হোন, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করুন**
> ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির কারণে চোখের ক্ষতি একবার হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। তাই সঠিক সময়ে রেটিনা পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেজার চিকিৎসা গ্রহণ করে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করুন।

🏥 চেম্বারের বিস্তারিত তথ্য :

**ডাঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান শাহীন**
এমবিবিএস, ডিও, ফেলোশিপ (ভিট্রিও-রেটিনা)
সার্জিক্যাল রেটিনা অবজারভারশীপ ( সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল আই সেন্টার, সিঙ্গাপুর )

চক্ষু বিশেষজ্ঞ, রেটিনা স্পেশালিস্ট ও ফ্যাকো সার্জন

চেম্বার: কনসালটেন্ট; বাংলাদেশ আই হসপিটাল, আমচত্বর, রাজশাহী।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 01717744301
# # # 📱
#ডায়াবেটিক_রেটিনোপ্যাথি #চোখের_লেজার_চিকিৎসা #বাংলাদেশ_আই_হসপিটাল #রেটিনা_বিশেষজ্ঞ #রাজশাহী #চাঁপাইনবাবগঞ্জ #কুষ্টিয়া #নাটোর #নওগা #সচেতনতা_পোস্ট

```

31/05/2026
ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান ( শাহীন)রেটিনা বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন বাংলাদেশ আই হসপিটাল, রাজশাহী ।ঠিকানাঃ আই টেন টাওয়ার, আমচত্...
19/05/2026

ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান ( শাহীন)
রেটিনা বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন
বাংলাদেশ আই হসপিটাল, রাজশাহী ।
ঠিকানাঃ আই টেন টাওয়ার, আমচত্তর, রাজশাহী।

চেম্বারঃ
শনি সোম বুধ ( সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা )
রবি মঙ্গল শুক্রবার ( সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা )
মোবাইল: ০১৭১৭৭৪৪৩০১

*** *** ***

চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ।
চোখ দিয়ে সঠিকভাবে দেখার মাধ্যমে আমরা দৈনন্দিন কাজকর্ম সহজভাবে করতে পারি।
তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ টির ব্যবহারের ব্যাপারে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া জরুরী। বিশেষ করে কিছু কাজ আছে যেসব কাজের জন্য পূর্ব সতর্কতামূলক ভাবে চশমা পড়া খুবই জরুরী।
আমাদের দেশে বিশেষ করে ধান কাটা মৌসুমী ধান মাড়াই করার সময় অসংখ্য লোক চোখে আঘাত পায়। যার ফলে চোখের মনিতে কর্নিয়া আলসার হয়। যা পরবর্তীতে সঠিক সময় দ্রুত চিকিৎসা না নিলে অন্ধত্বের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এক বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে আমাদের দেশে প্রতি বছর প্রায় ১0-১২ হাজার কর্নিয়াল আলসার রোগীর সারা বছর পাওয়া যায়।
তার মধ্যে প্রায় ৫00 রোগীর অন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া অন্যান্য দৈনন্দিন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ যেমন ইলেকট্রিক ওয়্যারিং বা ওয়েল্ডিং এর কাজ, এছাড়া বাড়ি নির্মাণ সম্পর্কিত কাজ ও অন্যান্য শিল্প কারখানায় তরল ক্ষার বা অ্যাসিড ব্যাটারি সাথে জড়িত কাজে অনেক বেশি লোক চোখের মনি কর্নিয়ায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে অনেক চোখের সমস্যা বা ক্ষতি হয়। এসব থেকে বাঁচার জন্য আমাদের পূর্ব সতর্কতামূলক ভাবে প্রটেক্টিভ গ্লাস পড়া খুবই জরুরী। যা বাজারে ১00 থেকে ২00 টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

আসুন আমরা চোখের ব্যাপারে যত্নবান হয়।

04/05/2026

চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এবং চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে **বায়োলজিক্যাল ক্লক (Biological Clock)** বা **সার্কাডিয়ান রিদম (Circadian Rhythm)** অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে--

১. রেটিনা এবং আলোক সংবেদনশীলতা
আমাদের চোখের রেটিনায় এক ধরনের বিশেষ কোষ থাকে যা মস্তিষ্কের বায়োলজিক্যাল ক্লককে সংকেত পাঠায় যে এখন দিন না রাত। যদি এই ছন্দ বিঘ্নিত হয় (যেমন: রাতে অতিরিক্ত জেগে থাকা), তবে রেটিনার কোষগুলোর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

২. গ্লুকোমা (Glaucoma) নিয়ন্ত্রণ
চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বা **Intraocular Pressure (IOP)** সারাদিন ধরে পরিবর্তিত হয়। বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক থাকলে এই চাপ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকে। কিন্তু ঘুমের অভাব বা অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে গ্লুকোমার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যা অপটিক নার্ভের ক্ষতি করে।

৩. ড্রাই আই সিনড্রোম (Dry Eye Syndrome)
চোখের পানির উৎপাদন (Tear production) বায়োলজিক্যাল ক্লকের সাথে সম্পর্কিত। সাধারণত রাতে ঘুমের সময় চোখের বিশ্রাম হয় এবং পানি উৎপাদনের মাধ্যমে চোখ আর্দ্র থাকে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে চোখের আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে চোখ জ্বালাপোড়া এবং ড্রাই আইয়ের সমস্যা দেখা দেয়।

৪. মাইওপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia)
গবেষণায় দেখা গেছে যে, শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ঘুম এবং দিনের আলোতে সময় কাটানো চোখের সঠিক বৃদ্ধির জন্য জরুরি। বায়োলজিক্যাল ক্লকের ভারসাম্যহীনতা শিশুদের চোখের পাওয়ার দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে (Myopia progression)।

৫. রেটিনাল ডিজেনারেশন (Retinal Degeneration)
চোখের কোষগুলো দিনের বেলায় যে ধকল সহ্য করে, রাতে ঘুমের সময় শরীর তা মেরামত করে। যদি বায়োলজিক্যাল ক্লক নষ্ট হয়ে যায়, তবে কোষের এই মেরামত প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা বয়সজনিত চোখের সমস্যা (যেমন: Age-related Macular Degeneration) ত্বরান্বিত করতে পারে।

৬. ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি (Diabetic Retinopathy)
বায়োলজিক্যাল ক্লক শরীরের মেটাবলিজম এবং ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ করে। ঘুমের অনিয়ম হলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা পরোক্ষভাবে ডায়াবেটিক রোগীদের চোখের রেটিনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

চোখ ভালো রাখতে করণীয়:
* **নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম:** প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করা।
* **ডিজিটাল স্ক্রিন নিয়ন্ত্রণ:** রাতে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার বন্ধ করা (ব্লু-লাইট বায়োলজিক্যাল ক্লক নষ্ট করে)।
* **দিনের আলো:** দিনের বেলা কিছু সময় প্রাকৃতিক আলোতে থাকা যাতে মস্তিষ্ক দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে পারে।

সংক্ষেপে, শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো চোখকেও সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা বায়োলজিক্যাল ক্লক মেনে চলা অপরিহার্য।

ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (শাহীন)
রেটিনা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
বাংলাদেশ আই হসপিটাল, রাজশাহী
মোবাইল: ০১৭১৭৭৪৪৩০১

Welcome all to my chamber
03/05/2026

Welcome all to my chamber

02/05/2026

**রাতকানা রোগ সচেতনতা:
কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার**

রাতকানা বা **Night Blindness** (চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যা **Nyctalopia** নামে পরিচিত) কোনো সাধারণ রোগ নয়, বরং চোখের অন্য কোনো সমস্যার একটি উপসর্গ। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মৃদু আলো বা অন্ধকারে দেখতে সমস্যা হওয়া।

**রাতকানা কেন হয়?**
রাতকানা হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে:

1. **ভিটামিন-এ এর অভাব:** আমাদের দেশে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ। রেটিনার সুস্থতার জন্য ভিটামিন-এ অপরিহার্য।
2. **জন্মেগত বা বংশগত কারণ:** যেমন **রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা (Retinitis Pigmentosa)**। এটি একটি জেনেটিক সমস্যা যেখানে রেটিনার রড কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
3. **ছানি (Cataract):** চোখের লেন্স ঘোলা হয়ে গেলে আলো ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারে না, যা রাতে দেখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
4. **অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস:** দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকলে রেটিনার ক্ষতি হতে পারে (ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি), যার ফলশ্রুতিতে রাতকানা হতে পারে।
5. **অন্যান্য:** চোখের উচ্চচাপ (গ্লুকোমা) বা মায়োপিয়া (ক্ষীণদৃষ্টির সমস্যা)।

---

# # # **লক্ষণসমূহ**
* সূর্যাস্তের পর বা অন্ধকারে স্পষ্টভাবে দেখতে না পাওয়া।
* এক ঘর থেকে অন্য অন্ধকার ঘরে গেলে চোখ মানিয়ে নিতে দীর্ঘ সময় লাগা।
* রাতে গাড়ি চালানোর সময় সামনের হেডলাইটের আলোতে অতিরিক্ত অস্বস্তি হওয়া।
* অন্ধকারে চলার সময় হোঁচট খাওয়া বা জিনিসের সাথে ধাক্কা লাগা।

---

# # # **প্রতিরোধ ও প্রতিকার**

* **পুষ্টিকর খাবার:** ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার যেমন—মিষ্টি কুমড়া, গাজর, পাকা পেঁপে, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), শাকসবজি এবং ডিমের কুসুম নিয়মিত খেতে হবে।
* **নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা:** বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়মিত রেটিনা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
* **ছানি অপারেশন:** যদি কারণটি চোখের ছানি হয়, তবে অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টি স্বাভাবিক করা সম্ভব।
* **সুরক্ষা:** দিনের বেলা কড়া রোদে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে মানসম্মত সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

---

# # # **সচেতনতামূলক বার্তা**
রাতকানা মানেই পুরোপুরি অন্ধত্ব নয়। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করতে পারলে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি নিরাময়যোগ্য। শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মের পর থেকে নিয়মিত টিকা দান এবং ভিটামিন-এ ক্যাপসুল নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার বা আপনার পরিচিত কারো রাতের দৃষ্টিতে সমস্যা হলে দেরি না করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন---

ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (শাহীন)
রেটিনা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
বাংলাদেশ আই হসপিটাল, রাজশাহী
মোবাইল: ০১৭১৭৭৪৪৩০১

Address

Amchattaor
Rajshahi
6000

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr MD Mizanur Rahman Shaheen - Bangladesh Eye Hospital, Rajshahi. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share