Ratin Mondal

Ratin Mondal জীবন একটাই, এই জীবনেই সব স্বপ্ন পূরন করতে হবে

একজন মহিলা হঠাৎ করে অনুভব করেন তার শরীরের বাম পাশ তুলতে পারছেন না, উনি হাত দিয়ে কোন কিছু ধরতে পারছেন না, হাঁটতে পারছেন ...
07/08/2026

একজন মহিলা হঠাৎ করে অনুভব করেন তার শরীরের বাম পাশ তুলতে পারছেন না, উনি হাত দিয়ে কোন কিছু ধরতে পারছেন না, হাঁটতে পারছেন না । ৪ ঘণ্টা পর সবগুলো ঠিক হয়ে যায়। উনি হাঁটতে পারেন, হাত দিয়ে সব কিছু ধরতে পারেন। সব কিছু ঠিক হয়ে যাওয়ায় উনি আর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন না।

একদিন পর সেই রোগীর জীবনে ভয়াভয় দুর্ঘটনা ঘটে যায়, উনার বাম পাশ প্যারালাইজড হয়ে যায়, মুখ বেঁকে যায় এবং উনি ধীরে ধীরে জ্ঞান হারান। উনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়, পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় উনি ব্রেন স্ট্রোক করেছেন।

এই স্ট্রোক কিন্তু এমনি এমনি হয় না। স্ট্রোক সাধারণত হাইপ্রেসার ও ডায়াবেটিস রোগীদের হয়, বিশেষ করে যাদের প্রেসার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। তবে যারা প্রেসারের ঔষধ অনিয়মিত খান বা খেতে খেতে ঔষধ বন্ধ করেন অথবা যারা শুধুমাত্র ঘার ধরা বা মাথা ব্যথা হলে প্রেসারের ঔষধ খান তাদের স্ট্রোক হবার সম্ভবনা অনেক অনেক বেশি।

এই রোগী স্ট্রোক করার ৪ দিন পূর্বে প্রেসারের ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এই রোগীর আরও একটি বড় ভুল ছিল প্রথমবার হাত - পা অবশ হবার পর চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হওয়া। এটি একটি warning ছিল, এই সময়ে ব্যবস্থা নিলেও হয়ত স্ট্রোক এড়ানো সম্ভব হতো।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

06/08/2026
প্রসঙ্গ অপ্রয়োজনীয় টেস্ট: আমাদের দেশে এই কথাটি রোগীদের মাঝে খুবই প্রচলিত যে ডাক্তারদের কাছে গেলেই ডাক্তাররা অপ্রয়োজনী...
28/07/2026

প্রসঙ্গ অপ্রয়োজনীয় টেস্ট:
আমাদের দেশে এই কথাটি রোগীদের মাঝে খুবই প্রচলিত যে ডাক্তারদের কাছে গেলেই ডাক্তাররা অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দেয়। আসলে এই বিষয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আমি একটি রুগীর কেস হিস্ট্রি শেয়ার করছি।

গতকালই আমি এই রোগীটি দেখেছি । রোগী আমার চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথেই আমার ধারণা হয় যে রোগীটির ফুসফুসের ক্যান্সার । কারণ, রোগটির বয়স বেশি, রোগীটি অনেক ধূমপান করত, রোগটির গলা স্বর ভেঙে গেছে, রোগীর কাশির সাথে রক্তও আসে এবং রোগীর গলার পাশে ফোলা আছে । আমরা যারা ডাক্তার বা চিকিৎসকদের সাথে জড়িত তারা একটু দেখলেই বুঝতে পারি যে এটি একটা ফুসফুসের ক্যান্সারের রোগী ।

আমি এখন সেই গল্পের ডাক্তার বিধান রায়ের মতো আমি এই রোগীকে দেখেই যদি বলি যে ফুসফুসের ক্যান্সার, এখন এই রোগের ক্যান্সারের চিকিৎসা শুরু করেন, তাহলে সবাই আমাকে পাগল ভাববে। এখন আসেন এই রোগীর ফুসফুসের ক্যান্সার কনফার্ম করার জন্য কি কি পরীক্ষা করতে হবে । প্রথমত রক্তের একটা সিবিসি, এরপরে ব্লাড সুগার, ক্রিয়েটিনিন ইউরিন রুটিন, বুকের এক্সরে, ইসিজি । এক্সরেতে আমরা যে সমস্যা পাবো, সেটা টিউমার না যক্ষা না নিউমোনিয়া এটা কনফার্ম করার জন্য তাকে কন্ট্রাস্ট সিটি স্ক্যান করতে হবে । এরপর কন্ট্রাস্ট সিটি স্ক্যানে যদি দেখা যায় যে এটা টিউমার, তখন কোর বায়োপসি করতে হবে- এরপর কনফার্ম হবে যে রোগীর ফুস্ফুসের ক্যান্সার কিনা?

ক্যান্সার রোগ নির্ণয় হওয়ার পরে তার কি চিকিৎসা দিতে হবে? তার জন্য এই ক্যান্সারটা কোথায় কোথায় ছড়িয়েছে সেটা দেখতে হবে, সেটার জন্য পেটের সিটি স্ক্যান, ব্রেইনের সিটি স্ক্যান এগুলো করতে হবে । এখন যদি কেউ বলেন যে এই রোগীর সমস্যা কাশি, তার জন্য ডাক্তাররা অনেক অনেক পরীক্ষা দিয়েছেন তাহলে ভুল হবে।

বর্তমানে সারা পৃথিবীতে রোগী আসলেই সকল ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রোগ কনফার্ম করে তারপর চিকিৎসা দেয় । যারা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চিকিৎসা নিতে গেছেন, তারাও অন্তত জানেন যে সেখানে গেলে এমন কোনো পরীক্ষা নাই তারা করায় না । সব পরীক্ষা করে, রোগ কনফার্ম করে তারপর তারা চিকিৎসা দেয় । সুতরাং কোন কিছু বলার আগে ভাবুন সে বিষয়ে যদি আপনার দক্ষতা বা জ্ঞান না থাকে তাহলে সে বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাই ভালো । সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
প্রতিষ্ঠাতা- ডাক্তারখানা।

সাপে কাটলে কবিরাজ নয়, ২৪ ঘণ্টাই একমাত্র ভরসা হাসপাতাল!আমার বিয়ের পরপরই ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি,...
19/07/2026

সাপে কাটলে কবিরাজ নয়, ২৪ ঘণ্টাই একমাত্র ভরসা হাসপাতাল!

আমার বিয়ের পরপরই ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, যা আমাদের গ্রামীণ সমাজের একটি অন্ধবিশ্বাসকে ফুটিয়ে তোলে।
একদিন সন্ধ্যায় আমার শ্বশুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে একটি সাপে দংশন করে। কাকতালীয়ভাবে ওইদিনই আমি ঢাকা থেকে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলাম। গিয়ে দেখি বাড়িতে হুলুস্থুল অবস্থা। সাপে কামড়ের জায়গা দেখে প্রাথমিক ধারণায় মনে হচ্ছিল এটি বিষহীন সাপের কামড়। তবুও চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, বিষক্রিয়া হয়েছে কি হয়নি তা নিশ্চিত হতে ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে (পর্যবেক্ষণে) রাখা জরুরি।

আমি নিজেই তাকে পর্যবেক্ষণে রাখছিলাম, হটাত বাড়িতে পাড়া-প্রতিবেশীর ভীড় জমে গেল। আমার শ্বশুরের মা (দাদি শাশুড়ি) তড়িঘড়ি করে এক কবিরাজ নিয়ে আসলেন।

কবিরাজ এসেই গম্ভীর মুখে ঘোষণা দিলেন—"এটা তো অমুক সাপে কেটেছে! ঝাড়ফুঁক না করলে উনি মারা যাবেন।" এরপর বারান্দায় বসিয়ে চলল প্রায় আধা ঘণ্টার ঝাড়ফুঁক। শেষে কবিরাজ নির্দেশ দিলেন—আজ সারারাত খাটে ঘুমানো যাবে না এবং পায়ে স্যান্ডেল পড়া যাবে না!

পারিবারিক শান্তির খাতিরে আমরা তখন চুপ ছিলাম। মজার ব্যাপার হলো, কবিরাজ বিদায় হতেই আমার শ্বশুর স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে, হাত-মুখ ধুয়ে সোজা খাটে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। অর্থাৎ, কবিরাজের কোনো নির্দেশই তিনি মানেননি।
পরদিন সকাল হলো, ২৪ ঘণ্টাও পার হয়ে গেল। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ!

আসল সত্যটি কোথায়?
এখন ভাবুন, এই ঘটনায় কিন্তু ক্রেডিট বা কৃতিত্ব চলে গেল ওই কবিরাজের ঝুলিতে! আশেপাশের মানুষ ভাবল—"অমুক কবিরাজের ঝাড়ফুঁকেই তো মানুষটা বাঁচল!"
কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বাস্তবতা কী বলে? আমাদের দেশে যত প্রজাতির সাপ পাওয়া যায়, তার সিংহভাগই বিষহীন। মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি প্রজাতির সাপ মারাত্মক বিষধর। ফলে, সাধারণত মানুষকে সাপে কাটলে সেটি বিষহীন সাপ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। আর বিষহীন সাপে কাটলে মানুষ এমনিতেই বাঁচে। কিন্তু মাঝখান থেকে কবিরাজ বা সাপুড়েরা ঝাড়ফুঁক করে সেই ক্রেডিট লুটে নেয় এবং মানুষের মনে অন্ধবিশ্বাস গেঁথে দেয়।

ছবিতে দেখানো ভদ্রলোক একজন সাপুড়ে। উনাকে বিষাক্ত সাপ কামড় দেওয়ায় উনি নিজেও সরকারি হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

আমাদের করণীয়:
১. সাপে কাটলে ওঝা, কবিরাজ বা ঝাড়ফুঁকের পেছনে এক সেকেন্ড সময়ও নষ্ট করবেন না।
২. আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশ্বস্ত রাখুন এবং দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
৩. বিষাক্ত বা বিষহীন—যেকোনো সাপের কামড়েই রোগীকে হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখতে হবে।
৪. সরকারি হাসপাতালে সাপের কামড়ের আধুনিক চিকিৎসা এবং অ্যান্টিভেনম (ASV) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
অন্ধবিশ্বাস নয়, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাই পারে একটি মূল্যবান প্রাণ বাঁচাতে। নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

Beginner's Guide to Clinical Investigation বইটিতে কমন ইনভেস্টিগেশঙ্গুলো কিভাবে ইন্টারপ্রিটেট করবো তা সুন্দর করে গুছিয়ে ল...
16/07/2026

Beginner's Guide to Clinical Investigation বইটিতে কমন ইনভেস্টিগেশঙ্গুলো কিভাবে ইন্টারপ্রিটেট করবো তা সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা হয়েছে, যা ইন্টার্ন ও জিপি চিকিৎসকদের জন্য সহায়ক হবে।

বইটির ইবুক এখন available. ইবুক Subscribe করার জন্য MediGuide app download করুন (https://drratinmondal.com/download-app/)।
বইগুলো নীলক্ষেত সহ যে কোন মেডিকেল বুক হাউজে পাওয়া যায়।

কুরিয়ারে বইগুলো পেতে যোগাযোগ করুন : Combined Library 0171166282

13/07/2026

সর্প দংশন এই সময় সবচেয়ে বেশি হয়। কিভাবে সর্প দংশন প্রতিরোধ করবেন।
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল

IDF Accredited Course on Type-2 Diabetes Melllitus: Oral Agents- Fact Checking- কেন করবেন?১) ডায়াবেটিস রোগীর ওরাল ড্রাগ ...
11/07/2026

IDF Accredited Course on Type-2 Diabetes Melllitus: Oral Agents- Fact Checking- কেন করবেন?
১) ডায়াবেটিস রোগীর ওরাল ড্রাগ চয়েস করা নিয়ে কনফিউশন দূর করার জন্য।
২) IDF Accredited সার্টিফিকেট এর জন্য।
৩) এই কোর্স করলে 7 European CME Credits অর্জন করতে পারবেন।
বিস্তারিত কমেন্টের লিংকে।

বইগুলো নীলক্ষেত সহ যে কোন মেডিকেল বুক হাউজে পাওয়া যায়। কুরিয়ারে বইগুলো পেতে যোগাযোগ করুন : Combined Library01711662823বই...
11/07/2026

বইগুলো নীলক্ষেত সহ যে কোন মেডিকেল বুক হাউজে পাওয়া যায়। কুরিয়ারে বইগুলো পেতে যোগাযোগ করুন : Combined Library
01711662823

বইগুলোর ইবুক Subscribe করে পড়া যায়। ইবুক Subscribe করার জন্য ভিজিট করুনঃ https://pdf.drratinmondal.com/?utm_source=chatgpt.com

MediGuide app এর মাধ্যমেও ইবুক পড়তে পারবেন। এপ ডাউনলোড লিংকঃ https://drratinmondal.com/download-app/

৩য় থেকে ৫ম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ক্লিনিক্যাল এক্সামের ভিডিও পেতে ভিজিট করুনঃ https://drratinmondal.com/.../general-physical-examination/

শরীরের কোথায় কেটে গেলে অবহেলা নয়…১১ বছরের ছোট একটা মেয়ে, চরম দুঃখিনী। জন্মের সময় মা মারা যান। বাবা বিয়ে করে বউ সহ আলাদা ...
08/07/2026

শরীরের কোথায় কেটে গেলে অবহেলা নয়…

১১ বছরের ছোট একটা মেয়ে, চরম দুঃখিনী। জন্মের সময় মা মারা যান। বাবা বিয়ে করে বউ সহ আলাদা থাকে। মেয়েটি গ্রামে বড় হচ্ছিল চাচীর সাথে। হটাত করে তার বুকে ও পেটে ব্যথা হয়, কিছুক্ষন পর পর তার শরীর কেঁপে উঠে, ঐ সময় প্রচন্ড ব্যথা হয় তার, মুখ হা করতে পারে না। প্রথমে প্রাইভেটে একজন বিশেষজ্ঞ দেখানো হয়, এরপর জেলা সদর, এরপর বিভাগীয় হাসপাতালে দেখানো হয়। রোগ ধরা পড়ে না। এরপর প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। রোগী দেখে সন্দেহ হয় যে এটি টিটেনাস। শরীরের কোথাও কেটে গেছে কিনা জানতে চাইলে বাচ্চাটি জানায় ৪ দিন আগে মাটিতে পড়ে থাকা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পা কেটে যায়।

সে কথা কাউকে বলে নাই, ৩ দিন পর থেকে তার সমস্যা শুরু হয়। যাহোক, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়। তবে টিটেনাস রোগীর এত জটিল সমস্যা হয়, কষ্ট হয় তা অবর্ণনীয়। একটা অন্ধকার, নিঃশব্দ রুমে চিকিৎসা নিতে হয়, রোগী কিছুই খেতে পারে না, কারন মুখ বড় করে খুলতে পারে না। চিকিৎসার আজ ৭ দিন হলো। মেয়েটা ভালো আছে, খেতে পারছে এখন, শরীর কেঁপে উঠা কমে গেছে। ও মোবাইলে ভিডিও দেখছে গতকাল থেকে। দু-এক দিনের মধ্যে আশা করি ছুটি দেয়া হবে। ওর বাবা এবং সৎ মা পরম যত্নে দিন-রাত সেবা করেছে মেয়েটিকে।

এ যুগে টিটেনাস রোগ তেমন একটা হয় না। কারন ভ্যাক্সিন দেয়া। তবে অনেকের ভ্যাক্সিন দেয়া থাকে না বা ভ্যাক্সিন ফেইল হয়। তাই সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। বাচ্চা-বড় সবার শরীরের কোথায় কেটে গেলে টিটেনাস প্রতিরোধি ভ্যাক্সিন নিতে হবে। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, শুধু লোহা দিয়ে কেটে গেলেই যে টিটেনাস হবে তা নয়।
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

Address

Rangpur
5400

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801751960767

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ratin Mondal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ratin Mondal:

Shortcuts

Share