জ্বীন যাদুর চিকিৎসা

জ্বীন যাদুর চিকিৎসা ২০০১ সাল থেকে শুনামের সহিত কুরআনী চিকিৎসা করে করতেছি আলহামদুলিল্লাহ ।
জ্বীন, যাদু ,মহব্বত, বিচ্ছেদ

18/09/2026

কোন বিষয় জানতে চাচ্ছেন কমেন্ট করে বলুন ইনশাল্লাহ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে

17/09/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
প্রতিদিনের ন্যায় আজও আমরা রওনা হয়েছি রংপুরের পীরগঞ্জ এলাকায়।
আজ আমরা যাচ্ছি একজন রোগীর বাসায় বাড়ি বন্ধের আমল করার জন্য।
আমার সামনের গাড়িতে রয়েছেন বড় ভাই মাওলানা নুরুন্নবী আশরাফ সাহেব।
এই বোন দীর্ঘদিন ধরে জিন্নাতের সমস্যায় ভুগছিলেন। অনেক জায়গায় চিকিৎসা করেও কোনো সমাধান পাননি। আল্লাহর রহমতে আমাদের কাছে প্রায় দেড় মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে তিনি পরিপূর্ণ সুস্থ।
আজ তার বাসায় যাচ্ছি বাসা বন্ধ করার জন্য।
আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন—আল্লাহ যেন আমাদের মাধ্যমে মানুষের খেদমত করার তাওফিক দান করেন।।
যেকোন সমস্যার সমাধানে আমরা আছি আপনার পাশে।

আশিক জ্বীন কি🔥   আশিক জিন হলো এমন এক ধরণের জিন, যা নারি পুরুষের প্রেমে পড়ে শারিরীক সম্পর্ক করে বা করার চেষ্টা করে।জিনটি ...
15/09/2026

আশিক জ্বীন কি🔥
আশিক জিন হলো এমন এক ধরণের জিন,
যা নারি পুরুষের প্রেমে পড়ে শারিরীক সম্পর্ক করে বা করার চেষ্টা করে।
জিনটি কোনো নারী/পুরুষের রূপ বা আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে তাকে ভালো-বাসতে শুরু করে।

🖍️অনেক সময় প্রাথমিক অবস্থায় জাদু বা অন্য কোনো কারণে আছর করার পর দীর্ঘদিন একসাথে থাকতে থাকতে জিনটি ভিক্টিমের প্রেমে পড়ে যায়।

🖍️এই জিনের প্রভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে জিনটি এক ধরণের অস্বাভাবিক বা গভীর সম্পর্ক তৈরি করে,
ফলে সহজে শরীর ছাড়তে চায় না।
🔥যার ধরুন বাধ্য হয়ে এগুলো জবাই বা হত্যা করতে হয়।

🖍️সব সময় মনে ভীতি বা অন্য কারো উপস্থিতি অনুভব হয়।
🖍️বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ বা বাস্তব জীবনে বৈবাহিক সম্পর্কে অনীহা তৈরি হয়।
🖍️ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখা বা অপ্রাকৃতিক মিলনের অনুভূতি হয়।
অকারণে শরীর শুকিয়ে যায় বা মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে
বিভিন্ন রুগে আক্রান্ত হয়।
আশিক জ্বীন শরীলে দীর্ঘদিন থাকার কারনে বিভিন্ন রুগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত।

12/09/2026

এভাবেই পানি মাটি দিয়ে দিয়ে ছিটানো যাদু করা হয়।
#যাদু

11/09/2026

Jumma mubarak

প্রশ্নঃ জ্বিনদের কি টাকা-পয়সা আছে? তারা কি মানুষকে গুপ্তধন দিতে পারে? জ্বিনরা অর্থ সম্পদ দিয়ে কি করে?          (বেশি বেশ...
08/09/2026

প্রশ্নঃ
জ্বিনদের কি টাকা-পয়সা আছে? তারা কি মানুষকে গুপ্তধন দিতে পারে? জ্বিনরা অর্থ সম্পদ দিয়ে কি করে?
(বেশি বেশি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন)
উত্তরঃ
১। জ্বিনরা প্রাকৃতিক ভাবে যেখানে, সেখানে তাদের খাবার পেয়ে যায়। তাই জ্বিনদের ইনকাম করতে হয় না। রান্না-বান্না করে খেতে হয় না। এক সময় মানুষও জান্নাতি খাবার খেতেন। রান্না-বান্না করতে হতো না। আল্লাহর হুকুমে আকাশ হতে খাবার অবতরণ করতো।
মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন,
وَأَنزَلۡنَا عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَنَّ وَٱلسَّلۡوَىٰۖ كُلُواْ مِن طَيِّبَٰتِ مَا رَزَقۡنَٰكُمۡۚ-
তোমাদের নিকট ‘মান্না’ ও ‘সাল্‌ওয়া’ প্রেরণ করলাম। (বলেছিলাম), ‘আহার কর উত্তম জীবিকা, যা আমি তোমাদেরকে দান করেছি’।
[Surah Al-Baqarah: 57]

উপরোক্ত আয়াত হতে জানা হলোঃ মানুষ জান্নাত হতে রিজিক প্রাপ্ত হইছিলো। ((মুসা আঃ এর উম্মতগন ৪০ বৎসর পর্যন্ত মান্না ও সালওয়া খেয়েছেন)) মানুষ নিজের মত হরেক রকমের খাবার খেতে চাইলেন, মানুষ জমিনে নিজে ফসল ফলাবে। ইনকাম করবেন। রান্না করবেন। পছন্দমত খাবার খাবেন। তখন আল্লাহ মানুষের দোয়া কবুল করলেন। আকাশ হতে খাবার বন্ধ করে দিলেন। জমিনে বিভিন্ন রকমের ফল, ফসলের ব্যবস্থা করে দিলেন।

২। জ্বিনদের খাবার জমিনে প্রাকৃতিক ভাবে দিয়ে রাখছেন। যেমন, মানুষ ছাড়া সকল প্রানী চাষাবাদ ছাড়াই বা উপার্জন ছাড়াই সেখান-সেখান থেকে খাবার পেয়ে যান। ঠিক তেমনি, জ্বীনরাও তাদের খাবারের জন্য কোনো ইনকাম করে না। খাবারের জন্য কস্ট করতে হয় না। তাই তাদের ইনকাম করতে হয় না। টাকা-পয়সা তাদের কোনো কাজে লাগে না। টাকা-পয়সা তাদের প্রয়োজন নেই। জ্বিনদের টাকা বানানোর কোনো মেশিন নেই।

৩.১। জ্বিন এমন এক ধরনের প্রানী। যারা নিজের শক্তিতে মুহুর্তের মধ্যে এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় যেতে পারে। খাবার সংগ্রহ করতে পারে। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গার খবর নিতে পারে। কোনো বিষয় জানতে হলে, জ্বিন দ্রুত সময়ে স্বশরীরে খবর নিয়ে আসতে পারে। জ্বিনদের আলাদা কোনো মোবাইল, লেপটপ, কম্পিউটার লাগে না।

৩.২। মানুষকে যেকোনো বার্তা, খবর কারো কাছে পাঠাতে হলে চিঠি, মেইল, মেসেজ বা কল করে বলতে হয়। কোনো না কোনো ডিভাইস বা মাধ্যম লাগে।
৩.৩। মানুষদের কোনো কিছু খেতে চাইলে, ইনকাম করতে হয়। নিজে রান্না করে বা টাকা দিয়ে খাবার, যেকোনো জিনিস কিনতে হয়। মানুষের মত জ্বিনদের তা করতে হয় না।

৪। উপরোক্ত আলোচনা হতে জানতে পারলামঃ জ্বিনদের টাকা, পয়সা, স্বর্ণ, অলংকার দরকার হয় না। তারা ইনকাম করে না। তাদের জমানো কিছু নেই। তাই তারা কাউকে টাকা দিতে পারে না। জ্বিন গুপ্তধনের মালিক না। কাউকে গুপ্তধন দিতে পারে না। টাকা পয়সা দিতে পারে না।
বিঃদ্রঃ
জ্বিন যদি টাকা পয়সা গুপ্তধনের মালিক হত। জ্বিনের কাছে প্রথম আমি "মোজাদ্দেদ আলী জ্বিনহুজুর" গুপতধন নিয়ে নিতাম। রোগির কাছে টাকা নিতে হত না। ((অনেক সময় মানুষকে জ্বিনরা গুপ্তধন ও টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে বোকা বানায়। এটা আসলে জ্বিনদের একটা ফাঁদ। কোনো সুস্থ মানুষকে জ্বিনরা লোভ দেখাতে পারে না। দেখবেন, যেসব মানুষ জ্বিনে আক্রান্ত তাদেরকেই জ্বিনরা গুপ্তধনের লোভ দেখায়। আর কিছু ভন্ড কবিরাজ আছে, যারা মানুষের সম্পদ লুটে নেওয়ার জন্য গুপ্তধনের লোভ দেখিয়ে প্রতারনা করে থাকেন। এককথায় লোভী মানুষরাই জ্বিন ও কবিরাজের কাছে প্রতারিত হয়))

৫। আমরা মানুষ যেসব খাবার খাই। জ্বিনরা সেসব খাবার খেতে পারেন। মানুষ যখন "বিসমিল্লাহ দোয়া না পড়ে খেতে শুরু করি" তখন জ্বিনরা আমাদের সাথে খাবার অংশগ্রহন করেন। খাবার খান। এছাড়াও মানুষ যা খায়না। এমন অনেক খাবার জ্বিনরা খায়। যেমন, ১. গোস্তের হাড় ২. মাছের কাটা ৩. কয়লা বা চুলার ছাই ৪. কেঁচোর মাঠি ৫. গরুর গোবর ৬. শয়তান জ্বিনরা ময়লা আবর্জনা খায় ৭. শয়তান জ্বিনরা মল মুত্রও খায়। এমনকি শয়তান জ্বিনরা টয়লেট, প্রস্রাব খানায় বসবাস করে। তাই তো টয়লেটে যাওয়ার সময় দোয়া পড়তে হয়।

বিঃদ্রঃ
জ্বিনরা চাইলে আমাদের সাথে যেকোনো হুন্ডা, কার, হেলিকাপ্টার, বিমানে ভ্রমন করতে পারেন। আমাদের ক্ল্যাস রুমে গোপনে আপনার- আমার মত লেখাপড়া করতে পারেন। কোনো টাকা-পয়সা লাগে না।

প্রশ্নঃঅনেকই মনে করে, জ্বিন মানে জ্বিন | এরা জড়বস্তু | আসলে জ্বিন কি কথা বলে? জ্বিন কি মানুষের মত সব বুজে ও সব ভাষায় কথা...
04/09/2026

প্রশ্নঃ
অনেকই মনে করে, জ্বিন মানে জ্বিন | এরা জড়বস্তু | আসলে জ্বিন কি কথা বলে? জ্বিন কি মানুষের মত সব বুজে ও সব ভাষায় কথা বলতে পারে?
উত্তরঃ
মহান আল্লাহ বলেন,
{ وَمَا خَلَقۡتُ ٱلۡجِنَّ وَٱلۡإِنسَ إِلَّا لِيَعۡبُدُونِ }
[Surah jariah]
আর আমি সৃষ্টি করেছি জিন এবং মানুষকে এজন্যেই যে, তারা কেবল আমার ইবাদাত করবে।

১। জ্বিন জাতি, মানুষের মতই স্বাধীন প্রানী। মানুষ যেমন, সন্তান জন্ম দেয়। বাচ্চা বড় হয়। লেখাপড়া করে। মানুষ খায়, প্রস্রাব, পায়খানা করে, ঘুমায়। ঠিক তেমনি, জ্বিনরা খায়, ঘুমায়, প্রস্রাব, পায়খানা করে, লেখাপড়া করে।।
তবে, ১. মানুষের খাবারের জন্য ইনকাম করতে হয়। চাষাবাদ করতে হয়। রান্না করে খেতে হয়। ২. জ্বিনরা ইনকাম করে না। চাষাবাদ করতে হয়না। রান্না করে খায় না। জ্বিনদের খাবার সবখানে ছড়িয়ে ছিটে আছে প্রাকৃতিক ভাবে তারা যেখানে, সেখানে তাদের খাবার পেয়ে যান। যেমন, গরুর গবর, চুলার ছাই বা কয়লা, মাছের কাটা, যেকোনো গোস্তের হাড্ডি, মানুষের উৎসৃষ্ট যেকোনো খাবার। কেচোঁর মাঠি বা পায়খানা। এমনকি মানুষ খাবারের সময় বিসমিল্লাহ না বলে, যে খাবার খায়। সেগুলো তারা মানুষের সাথে খেতে পারে। খায়। এছাড়াও জ্বিনরা সকল ধরনের ফল, মাছ, মাংস সব খেতে পারে। এক কথায় মানুষ যা যা খায়। জ্বিনরাও তা খায়। মানুষ যা খায়'না এমন অনেক কিছু জ্বিনরা খেতে পারে।

২। মানুষ যে এলাকায় জন্মগ্রহণ করে, সে এলাকার কালচার, পরিবেশে বড় হয়। সেই এলাকার ভাষায় কথা বলে। ঠিক তেমনি জ্বিন যে এলাকায় জন্মগ্রহণ করে, সেই এলাকার ভাষায় কথা বলে ও সেই পরিবেশ মেনে চলে।নিজ নিজ ধরাম পালন করে। জ্বিনকে দেখা যায় না। তারা অদৃশ্য। মানুষ দৃশ্যমান। এটাই মুল পার্থক্য। মহান আল্লাহ যে পরাক্রমশালী। সর্বশক্তিমান। মহা সৃষ্টিকারী। জ্বিন তারই একটা উদাহারণ মাত্র। আল্লাহু আকবার❤️

৩। মানুষ যেমন লেখাপড়া করে হাফেজ, আলেম, ডাক্তার, মাস্টার হয়। জ্বিনরাও এসব হতে পারে। জ্বিনরা মানুষের সাথে, একই প্রতিষ্ঠানে অদৃশ্য ভাবে ক্লাস করে ও শিক্ষা অর্জন করতে পারে। তারাও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মেডিকেলে পড়ে থাকেন।

৪। জ্বিনরা আমাদের মতই ধর্ম পালন করে। মানুষের মধ্যে যেমন অনেক ধর্মের প্রচলন আছে। জ্বিনদের এলাকা ও পরিবেশ ভেবে তারাও অনেক ধর্মের জ্বিন আছে। বসবাস করেন। জ্বিনরাও আমাদের মতই জান্নাত বা জাহান্নামে যাবেন। যেমন, আল্লাহ বলেন
{ وَلَقَدۡ ذَرَأۡنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡجِنِّ وَٱلۡإِنسِۖ لَهُمۡ قُلُوبٞ لَّا يَفۡقَهُونَ بِهَا وَلَهُمۡ أَعۡيُنٞ لَّا يُبۡصِرُونَ بِهَا وَلَهُمۡ ءَاذَانٞ لَّا يَسۡمَعُونَ بِهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ }
[Surah Al-Aʿraf]
আর আমরা তো বহু জিন ও মানবকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি ; তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দ্বারা তারা উপলব্ধি করে না, তাদের চোখ আছে তা দ্বারা তারা দেখে না এবং তাদের কান আছে তা দ্বারা তারা শুনে না; তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত, বরং তার চেয়েও বেশী বিভ্রান্ত। তারাই হচ্ছে গাফেল ।

উপরোক্ত বিবরণের মাধ্যমে জানতে পারলাম। জ্বিনদের জীবন চক্র মানুষের মতই। উপরোক্ত প্রতিটা কথার পিছনে অনেক হাদিস ও কোরআনের দলিল আছে। এখানে সেগুলো দিলে অনেক বড় লম্বা লেখা হবে। তাই দেওয়া হয় নাই।

01/09/2026

আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।
হেফাজতের উদ্দেশ্যে কোরআনকে অসম্মান করছি না তো?

#কোরআন #তদবির #আজহারী #জিকির #রূকাইয়াহ #স্বপ্ন #বিচ্ছেদ #বশীকরণ #অশান্তি #আমল #জাদু #রুকাইয়া #তাবিজ #চিকিৎসা #বদনজর #ফাজায়েলেআমাল #হজরতমুহাম্মাদসাঃ #ইসলামিক #জিন #তদবীর

আপনি বাংলাদেশে বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুন, ফোন ও WhatsApp-এর মাধ্যমে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন।মনে রাখবেন—শিফা একমাত্র...
01/09/2026

আপনি বাংলাদেশে বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুন, ফোন ও WhatsApp-এর মাধ্যমে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন।
মনে রাখবেন—
শিফা একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই।
আমরা কেবল কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করি।
আজই যোগাযোগ করুন।
WhatsApp: 01794988444
MS Siam
আল হাসানী রুকীয়া সেন্টার
কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে সরয়ী সেবা ও পরামর্শ।
#জ্বীন

জ্বীন দিয়ে মানুষের  অতীত কিভাবে জানা সম্ভব হয়প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে একটি জিন থাকে ’কারিন জিন’। কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ দ্বা...
29/08/2026

জ্বীন দিয়ে মানুষের অতীত কিভাবে জানা সম্ভব হয়
প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে একটি জিন থাকে ’কারিন জিন’।
কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত যে, প্রতিটি মানুষের নিকট একজন করে জ্বীন-শয়তান নিযুক্ত করা আছে।
তার কাজ মানুষকে পথভ্রষ্ট করা, অন্যায়, অশ্লীল ও কুকর্মে প্ররোচিত করা এবং ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করা বা বাধা দেয়া। একেই কারীন বা সহচর শয়তান বলা হয়।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যার সঙ্গে তার একজন জিন সহচর ও একজন ফেরেশতা সহচর নিযুক্ত করা হয়নি’। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার সাথেও কি?
তিনি বললেন, হ্যাঁ আমার সাথেও।
তবে আল্লাহ তার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করেছেন। ফলে সে আমার অনুগত হয়ে গেছে। সে আমাকে ভাল ব্যতীত (মন্দ-কাজে) পরামর্শ দেয় না’ (মুসলিম হা/২৮২৪, মিশকাত হা/৬৭)।

প্রত্যেক মানুষের সাথে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন কারিন জীন থাকে।
সে আমাদের সাথেই থাকে, তাই আমাদের ব্যপারে বেশ ভালো জানাশুনা আছে তার।
এখন যাদুকর তার নিজের জীনকে পাঠিয়ে আমাদের এই কারিন জীনকে প্রভাবিত করে আল্লাহর ইচ্ছায় তার থেকে বেশকিছু তথ্য জেনে নিতে পারে।
তাবিজ করা হয়েছে কিনা এটাও প্রায় একইভাবে বলে। যাদুকর যদি জীনদের সাহায্যে যাদু করে তাহলে যাদুর জীনও আশেপাশেই থাকে।
তাই জীন যাদুর চিকিৎসকের জীন যাদুকরের নিয়োজিত জীন থেকে বেশকিছু তথ্য জেনে নিয়ে এটা চিকিৎসককে জানায়।
বলে রাখা ভালো,
চিকিৎসক যদি জ্বীনকে জিম্মি রেখে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করেন তবে সেটা হবে হারাম।
🌹 সেচ্ছায় কোনো জ্বীন কারো সেবা করলে সেটা গ্রহণ করতে শরিয়তে কোন বাধা নেই।
জ্বীন যাদুর শরয়ী চিকিৎসা নিতে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে শুধু হোয়াটসঅ্যাপ এ ভয়েস করুন 01794988444
চেম্বার ঠিকানাঃ
ভিমপুর শাইলবাড়ি মাদ্রাসা
তারাগঞ্জ,রংপুর

Address

ভীমপুর শাইলবাড়ী দাওরা হাদীস মাদ্রাসা, তারাগঞ্জ, রংপুর
Rangpur
5420

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্বীন যাদুর চিকিৎসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share